ভারতের কাছে ৭০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি পূরণ দাবি পাকিস্তানের

চুক্তি করেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেলায় ভারতের বিপক্ষে আইনি লড়াই শুরু করেছে পাকিস্তান। বিশ্ব ক্রিকেটের নির্বাহী সংস্থার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়েছে।

দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর অনুযায়ী ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দু’টি সিরিজ না খেলায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে ৭০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

এ বিষয়ে পিসিবি’র কাছ থেকে একটি নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আইসিসি’র এক মুখপাত্র বলেন, ‘পিসিবির আইনজীবীর কাছ থেকে আইসিসি একটি বিবাদ সংক্রান্ত নোটিশ পেয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে ডিসপুট রিশলিউশন কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হবে। ’

মাইকেল বেলফকিউসি নেতৃত্বাধীন আইসিসি’র ডিসপুট রিশলিউশিন কমিটি অভিযোগটি শুনানির জন্য একটি নিরপেক্ষ প্যানেল নিয়োগ দেবেন।

চলতি বছরের শুরুতে বিসিসিআই’কে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিল পিসিবি। তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা তাতে পাত্তা দেননি।
২০০৭ সাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ দু’টি দ্বিপাক্ষিক পূর্ণাঙ্গ কোনো সিরিজ খেলছে না।

২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে ক্রীড়াঙ্গনে সকল প্রকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলা থেকে বিরত আছে নয়াদিল্লি। এ হামলার জন্য পাকিস্তানি জঙ্গিদের দায়ী করে আসছে ভারত।
বর্বরোচিত এ হামলায় ১৬০ ব্যক্তি নিহত হয়েছিল। এ ঘটনায় এমনকি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার প্রস্তাবিত সিরিজ দু’টি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুসীকে নিচ্ছেন সালমান!

ক্যাটরিনা কাইফ, জেরিন খান, ডেইজি শাহ’সহ বহু নায়িকার বলিউডে পথচলা শুরু সালমান খানের হাত ধরে। শোনা যাচ্ছে সেই তালিকায় এবার নাম লেখাতে যাচ্ছেন সদ্য ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ জয়ী মানুসী ছিল্লার।

তবে কয়েকদিন আগে মানুসী জানিয়েছিলেন, বলিউডের মিস্টার পারফেকসনিস্ট আমির খানের ভক্ত তিনি। তার বিপরীতেই প্রথম বলিউডে পা ফেলতে চান। কিন্তু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে ভিন্ন কথা। আমির নয়, সালমানের বিপরীতে মুম্বাইতে অভিষেক হতে পারে হরিয়ানার এই সুন্দরীর।

খবরে জানানো হয়, সালমান খানের নিজস্ব ফিল্ম প্রোডাকশন হাউজ থেকে ভারতের ষষ্ঠ ‘মিস ওয়ার্ল্ড’কে লঞ্চ করা হবে। তবে কোন ছবি, কবে শুরু হবে তা এখনও কিছুই জানানো হয়নি।

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ৬৭তম আসরে মুকুট জিতে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন মানুসী। কিছুদিন আগে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি। ফেরার পর থেকে বড় বড় সব তারকাদের প্রসংশায় ভাসছেন। সবার চোখ রয়েছে এখন তার দিকে; নানাভাবে রয়েছেন আলোচনায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কারণে বাঁধাকপি খাবেন

বাঁধাকপি আমাদের দেশে একটি পরিচিত সবজি। শীতকালীন সবজি হিসেবে এর কদর রয়েছে বেশ। এ ছাড়াও বাঁধাকপি কাঁচা কিংবা রান্না করে খাওয়া যায়। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে ১.৩ গ্রাম প্রোটিন, ৪.৭ গ্রাম শর্করা, ০.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি ও ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। তা ছাড়া ক্যালসিয়াম ০.৮ মিলিগ্রাম, লৌহ ৬০০ মাইক্রোগ্রাম, ক্যারোটিন ও ২৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি থাকে।

অনেকেই শরীরে ভিটামিনের অভাব দূর করার জন্য নিয়মিত মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খান। আপনি কি জানেন নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে আপনার আর মাল্টি ভিটামিন খাওয়ার প্রয়োজন হবে না। কারণ বাঁধাকপিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন আছে।

বাঁধাকপিতে আছে রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেটিক অ্যাসিড এবং থিয়াসিন। বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও কে আছে। ভিটামিন সি হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এ ছাড়াও বাঁধাকপিতে উপস্থিত ভিটামিন কে হাড়কে মজবুত রাখে।

যারা নিয়মিত বাঁধাকপি খান তারা বয়সজনিত হাড়ের সমস্যা থেকে রক্ষা পান। বাঁধাকপিতে খুবই সামান্য কলেস্টেরল ও সম্পৃক্ত চর্বি আছে। এ ছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে।
যারা ওজন কমাতে চাইছেন তাদের জন্য নিয়মিত সালাদ খাওয়ার বিকল্প নেই। আর প্রতিদিনের সালাদে রাখুন বাঁধাকপি। কারণ সালাদে বাঁধাকপি থাকলে অতিরিক্ত ক্যালরি বাড়ে না বললেই চলে। তাই ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে বাঁধাকপি রাখুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্টিকার লাগানো ফল কিনছেন, সেই স্টিকারের মানে জানেন!

আমাদের নিত্য ব্যবহার্য কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে পণ্যটি সম্পর্কে আমরা কিছুটা ধারণা পেতে পারি। সুপারমার্কেট বা কোনো ফলের বাজার থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে আমরা ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে অবগত হতে পারি।

ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে হয়তো সেটা অনেকেই দেখেন না। যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা বোধগম্য করতে পারেন নাই। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আসুন জেনে নেন, ফলের গায়ে লেগে থাকা সেই স্টিকারের মানেগুলো-

১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে।

২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়।

৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড।
সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মটরশুটির পুষ্টিগুণ

শীত চলে এসেছে। বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। আর এসব শীতকালীন সবজির মধ্যে মটরশুটি অন্যতম। খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই এই শস্যদানাকে ব্যবহার করেন বিভিন্ন রান্নায়। সুস্বাদু এই শস্যদানাটির রয়েছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ।

গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ মটরশুটিতে ১ শ’র কম ক্যালরি আছে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আঁশ এবং অনেক ধরনের পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে। এতে ফ্যাট কম থাকায় এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়া মেক্সিকান গবেষকরা বলছেন, কেউ যদি প্রতিদিন ২ মিলিগ্রাম পলিফেলনসমৃদ্ধ খাবার খান তাহলে তার পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আর এক কাপ মটরশুটিতে অন্তত ১০ মিলিগ্রাম পলিফেলন থাকে। তাই এটি পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি কমাত দারুন কার্যকরী।

এছাড়া মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রাণশক্তি বাড়ায়।
এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। এ কারণে ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও এটি বেশ উপকারী।

পাশাপাশি ভিটামিন বি১,২,৩,৬ এর উৎস হওয়ায় এটি শরীরের হোমোসাইস্টাইন লেভেল কমায়। ফলে একারণে শরীরে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় মটরশুটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে সাহায্য করে। এক কাপ মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রেও মটরশুটি বেশ কার্যকরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে মূলার উপকারিতা

বছরের অন্য সময়ের থেকে শীতকালে অনেক বেশি রকমের ফল ও শাকসবজি পাওয়া যায়। সেরকমই একটা সবজি হলো মুলা। বছরের অন্য সময় এই সবজি পাওয়া গেলেও শীতকালেই এই সবজি বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়। মুলা দিয়ে বিভিন্ন তরকারি তো হয়ই একই সঙ্গে এই সবজি কাঁচাও খাওয়া যায়। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক মুলার হরেক রকম উপকারিতা সম্পর্কে-

১। জন্ডিসের ট্রিটমেন্টে কাজে আসেঃ পেট আর লিভারের জন্য মুলা খুব উপকারী। কারণ এটা ডি টক্সিফায়ারের কাজ করে যা রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। জন্ডিস হলে শরীরে বিলিরুবিন বেড়ে যায়‚ মুলা বিলিরুবিনের বৃদ্ধি রোধ করে। মুলা খাওয়ার ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং রেড ব্লাড সেলের ক্ষতি আটকায়।

২। শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত রোগ দূর করেঃ পেটের মতোই রেস্পিরেটারী সিস্টেমকেও পরিষ্কার রাখে মুলা। এই কারণেই একে অ্যান্টি কনজেস্টিভ বলা হয়। মুলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়। ডিস ইনফেক্টটেন্ট হওয়ার ফলে ইনফেকশনের হাত থেকেও বাঁচায় শরীরকে।

৩। ব্রণ দূর করতেঃ ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী।

৪। হৃদযন্ত্র ভাল রাখেঃ হৃদ্‌যন্ত্র সুরক্ষা করতে পারে মুলা। এতে আছে অ্যান্থোসায়ানিনস, যা হৃদ্‌যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। তাই বেশি মুলা খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। এটি ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ও ফ্লাভোনয়েডসের ভালো উৎস।

৫। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ মুলায় আছে পটাশিয়াম, যা শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন, তাঁরা মুলা খেতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়, রক্ত শীতলকারী প্রভাব আছে মুলায়।

৬। ক্যান্সারকে দূরে রাখেঃ মুলায় ডিটক্সিফায়ার এবং এতে ভিটামিন সি‚ ফলিক অ্যাসিড‚ Anthocyanins আছে। এর ফলে কোলোন‚ কিডনি‚ পেটের এবং মুখের ক্যান্সারের ট্রিটমেন্টে কাজে আসে। মুলা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হওয়ায় এটা নিয়মিত খেলে ক্যান্সারকে দূরে রাখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিমত ঘুমাতে চাইলে, ঘরে গাছ লাগান

ঘরে গাছপালা রাখা বেশ ক্ষতিকর হতে পারে অনেকেরই এমন ধারনা। কারণ রাতের বেলা গাছ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয় আর অক্সিজেন সংরক্ষণ করে। দেখা গেছে যে পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয়, আর অক্সিজেন নেয় তা এতটাই কম যে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না।

সত্যি কথা বলতে‚ বাড়িতে গাছপালা রাখা বেশ ভাল। কারণ এরা ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে। দেখা গেছে হাউজ প্ল্যান্টস মাইক্রো অরগ্যানিজম ছাড়ে যা দূষণ। এমনকী দেখা গেছে এমন কিছু গাছ আছে যা বেডরুমে রাখলে ভালো ঘুম হয়। আপনাকে সহজেই ঘুম পাড়িয়ে দেবে এবং একই সঙ্গে গভীরভাবে ঘুমোতে সাহায্য করবে এমন কিছু গাছের সন্ধান দিব আজ।

১। জেসমিনঃ জেসমিন বা জুঁই ফুল ডিপ্রেশন কমায়‚ শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং উৎকন্ঠা কমায়। এছাড়াও দেখা গেছে জুঁই ফুলের গন্ধে গভীর ঘুম আসে। তবে জুঁই ফুলের গাছ খুব দ্রুত বাড়ে তাই মাঝে মধ্যেই কিন্তু এই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। একই সঙ্গে রোজ ২-৩ ঘন্টা রোদেও রাখতে হবে।

২। স্নেক প্ল্যান্টঃ খুব সহজেই এই গাছ পাওয়া যায়। নাম শুনে আবার ভয় পাবেন না। এই গাছ ঘরের মধ্যে ক্ষতিকারক টক্সিন তাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই গাছ রাতের বেলা কার্বন ডাই অক্সাইড নেয় আর অক্সিজেন ছাড়ে। যাদের অ্যালার্জি হয়েছে বা যাদের ব্রিদিং ট্রাবল আছে তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভাল।

৩। ল্যাভেন্ডারঃ ল্যাভেন্ডার শরীর রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। রক্তচাপ কমায় আর হার্ট রেট কমিয়ে দেয়। এছাড়াও শরীরে স্ট্রেস হর্মোন Cortisol কমাতেও সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্ত চলাচলেরও উন্নতি ঘটায়। এমনকি দেখা গেছে এই গাছ বাচ্চাদেরও দ্রুত ঘুমিয় পড়তে সাহায্য করে।

৪। রোজমেরিঃ বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য এই হার্বের ব্যবহার হয়। কিন্তু অনেকেই জানে না রোজমেরি আপনাকে ঘুমিয়ে পারাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও দেখা গেছে রোজমেরি নার্ভাস সিস্টেম‚ হার্ট ভালো রাখতেও সাহয্য করে। এখানেই শেষ নয়‚ স্ট্রেস কমানোতেও জুড়ি নেই রোজমেরি গাছের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৌরব আর বিজয়ের মাস শুরু

শুরু হলো বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় মাস ডিসেম্বর। এ মাসেই বাঙালি পেয়েছিল তার বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বাঙালির জাতীয়তাবোধের উন্মেষের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক স্বপ্ন পূরণ হয় এই মাসে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম আর ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে আসে জাতীয় মুক্তি।

লাল-সবুজের পতাকা উড়বে দেশের আনাচে-কানাচে। সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িতেও দেখা যাবে পতপত করে উড়ছে বিজয় নিশান- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবে জাতি। তার আগে ১৪ ডিসেম্বর বেদনাভরে স্মরণ করবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের। এবারের বিজয় দিবস উদযাপনে যোগ হয়েছে আরেকটি আনন্দের উপলক্ষ।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাথার মাসও এই ডিসেম্বর। ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়ে ৯ মাসের ত্যাগ তিতিক্ষার পর পৃথিবীর বুকে এ মাসেই রচিত হয়েছিল এক অমর গাথা– বাঙালির স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র, একটি পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নামক যে রাষ্ট্র বিজয় গৌরবে তার যাত্রা শুরু করেছিল, আজ তা বিশ্বের কাছে এক অপার বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল!

মাসব্যাপী উৎসাহ-উদ্দীপনায় এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ পালন করবে বিজয়ের মাসটি। প্রতিদিনই নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করবে এবং তাদের মাগফেরাত কামনা করবে। ঘৃণা-ধিক্কার জানাবে স্বাধীনতার শত্রু এদেশীয় রাজাকার, আলবদর ও মানবতারশত্রু যুদ্ধাপরাধীদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest