সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

চার বছরে ৩৫ টেস্টসহ ১২২ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ

আইসিসির প্রস্তাবিত ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামে (এফটিপি) ৩৫টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। সব ফরমেট মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ১২২ ম্যাচে।

বাংলাদেশের জন্য সুখবর আছে। এই এফটিপিতে বেশিরভাগ টেস্ট খেলুড়ে দেশ আগের থেকে কম টেস্ট পেলেও বাংলাদেশ বছরে দুটি করে টেস্ট বেশি পাচ্ছে। বর্তমান এফটিপিতে পাঁচ বছরে বাংলাদেশের টেস্ট ৩৩টি। প্রস্তাবিত নতুন এফটিপিতে চার বছরেই ৩৫টি টেস্ট খেলবে টাইগাররা।

বিশেষ করে বিগ থ্রি-ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আর ভারতের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে আছে পূর্ণাঙ্গ হোম এন্ড অ্যাওয়ে সিরিজও।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচবারের চারবারই ‘চ্যাম্পিয়ন’ মাশরাফি

তিনি নেতা, তিনি প্রেরণা, তিনি শক্তি। মাশরাফি বিন মর্তুজা একটি নাম, যার তুলনা তিনি শুধু নিজেই। মাশরাফি কেনো আর দশজনের থেকে আলাদা সেটা এর আগেও অনেকবার মানুষ দেখেছে। দেখলো আরও একবার। বিপিএলের সব মিলিয়ে পাঁচটি আসর শেষ হলো। এর মধ্যে চারবারই চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক মাশরাফি!

দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া, উজ্জীবিত রাখার সঙ্গে খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা জোগানোর বেলায় মাশরাফির মত দ্বিতীয়টি কেউ নেই। তাই তো তার অধীনেও মন খুলে খেলতে পারেন গেইল-ম্যাককালামের মতো বিশ্ব ক্রিকেটের বড় তারকারা। অবলীলায় তারা মেনে নেন মাশরাফির শ্রেষ্ঠত্ব।

সহযোদ্ধাদের সাহস জোগানো, ফর্মহীন পারফরমারকে ফর্মে ফেরাতে সাহস, আস্থা ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই শেষ নয়। মাঠেও ‘ক্যাপ্টেন’ মাশরাফি দারুণ পারফরমার। বিপিএলেও অধিনায়ক মাশরাফি সবার সেরা।

বিপিএলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি। প্রথম তিন আসরের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক নড়াইলের সাহসী সেনাপতি। তার নেতৃত্বে ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স বিপিএলে প্রথম দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সও তৃতীয় বিপিএলে শেষ হাসি হাসে মাশরাফির হাত ধরেই। এবার হাসলো রংপুর রাইডার্স।

আর কোন অধিনায়কের এমন সাফল্য ও কীর্তি নেই। পরপর তিন বিপিএলের ফাইনালে প্রধান অতিথির হাত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নেয়া গর্বিত অধিনায়ক মাশরাফি শুধু গতবারই শেষ হাসি হাসতে পারেননি। তার নেতৃত্বে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ২০১৬ সালে শেষ চারে নাম লেখাতে পারেনি।

এবার দল পাল্টে নতুন শিবিরে যোগ দেন মাশরাফি। দলের নাম নয়। শিরোপা জেতার জন্য যে তার নামটিই যথেষ্ট, সেটা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। প্রথম ও একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে বিপিএলে চার চারবার শিরোপা জয়ী অধিনায়ক হলেন। মাশরাফির পক্ষেই এমন কীর্তি গড়া সম্ভব!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গানের ভিডিওতে ‘অশ্লীল ভঙ্গিতে’ কলা খাওয়ায় গায়িকার জেল (ভিডিও)

গানের ভিডিওতে ‘আপত্তিকর’ পোশাক পরা ও কলা খাওয়ার দায়ে শাইমা আহমেদ (২৫) নামের মিসরের এক গায়িকাকে দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার শাইমাকে ‘অশ্লীলতা’ ছড়ানো ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ ভিডিও প্রকাশের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাইমার সঙ্গে একই মেয়াদের কারাদণ্ড ভোগ করবেন গানের ভিডিওটির পরিচালকও।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ভিডিওটি প্রকাশের দায়ে গত নভেম্বরে শাইমাকে গ্রেপ্তার করে মিসরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তাঁর আগেই এ বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি।

ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শাইমা লিখেন, ‘আমাকে সবাই এবার আক্রমণের বিষয়বস্তু বানাবে।’

২০১৬ সালেও গানের ভিডিওর মাধ্যমে ‘অশ্লীলতা’ ছড়ানোর দায়ে মিসরে তিন নারী নৃত্যশিল্পীকে ছয় মাসের করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া নীল নদের পানি পান করলে রোগ-বালাই হতে পারে, গানের মধ্যে এমন উক্তি থাকায় কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় দেশটির আরেক গায়িকাকে।

শেরিন আবদেল ওয়াহাব নামের ওই গায়িকা বলেন, নীল নদের পানিতে বিলহারজিয়া নামে এক ধরনের পরজীবী রয়েছে। যার ফলে ওই পানি পান করলে সিসটোসোমিয়াসিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে নিজের পক্ষে সাফাই দিয়েও পার পাননি শেরিন। আগামী দুই মাস তিনি কোনো কনসার্ট করতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিসরের মিউজিক সিন্ডিকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে ছয় খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বড়ই বিব্রতকর। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে কাজে দেয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

১. তরমুজ

তরমুজের মধ্যে অনেক আঁশ নেই, তবে এর মধ্যে ৯২ ভাগ পানি রয়েছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। তরমুজের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোষকে সুরক্ষা দেয়। এ ছাড়া তরমুজে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও লাইকোপেন। এগুলো সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষতি রাখতে কাজ করে।

২. ওটমিল

ওটমিলের মধ্যে রয়েছে আঁশ। ওটস অনেক পানি শোষণ করে। এটি হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমায়। ওটমিল আপনার কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রনের চাহিদা পূরণে অনেকটাই সাহায্য করে।

৩. কাঠবাদাম

কাঠবাদাম আপনি সালাদ বা ডেজার্টের সঙ্গে খেতে পারেন। এই খাবারটিও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে অনেকটাই কাজে দেয়।

৪. দই

দই হজম পদ্ধতিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। দই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

৫. পানি

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে পানি বেশ উপকারী। এ ছাড়া তরল খাবার, যেমন—স্যুপ, ফলের রস ইত্যাদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে খেতে পারেন।

৬. পপকর্ন

পপকর্ন সাধারণত আমরা সিনেমা দেখার সময়ই বেশি খাই। এর মধ্যে লবণ ও মাখন না যোগ করা হলে এটি একটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস। তবে আপনি হয়তো জানেন না এর মধ্যে অনেক আঁশও রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আই অ্যাম দ্য বেস্ট : গেইল

আবার নিজেকে টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটসম্যান বললেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারকুটে ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। রংপুর রাইডার্সের হয়ে প্রথমবারের মতো বিপিএলের শিরোপা জেতার পর গেইল বলেন, আই অ্যাম দ্য বেস্ট।

হার্ডহিটার এই ব্যাটসম্যানের কল্যাণে এবার শিরোপা জিতেছে রংপুর। দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড় মাশরাফি বিন মুর্তজা। তাই তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি গেইল। তিনি মাশরাফির অসাধারণ নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেছেন।

খেলা শেষে আগামী বছর বিপিএলে খেলতে আসবেন কি না প্রশ্ন করলে গেইল বলেন, ইনশাল্লাহ, আগামী বছরও আপনাদের বিনোদন দিতে আসব। এবার টুর্নামেন্ট ভালো হয়েছে।

ভালো বলবেনই না বা কেন। এবারের বিপিএলের প্লেয়ার অব ম্যাচ ও প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট যে গেছে তাঁর ঝুঁড়িতে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দারুণ আরেকটি রেকর্ড গড়েন গেইল। ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে হার-না-মানা ১৪৬ রানের একটি ইনিংস খেলেন তিনি। যাতে রেকর্ড ১৮টি ছক্কার মার রয়েছে। শুধু আন্তর্জাতিক ম্যাচেই নয়, যে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজ আসরেও এটি একটি রেকর্ড।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এদিন গেইল এতটাই বেপরোয়া ব্যাটিং করেছেন, কোনো বোলারই পার পায়নি তাঁর হাত থকে। তাঁর এই ইনিংসে যেন ছিল ছক্কার বৃষ্টি। ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বোলারদের একরকম শাসন করেছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিপিএলে ছক্কার সেঞ্চুরি করেছেন গেইল। ২৬ ইনিংসে তাঁর ছক্কার মার ১০৭টি। ৫৪ ইনিংসে ৪৭ ছক্কায় দুইয়ে সাব্বির রহমান।

গেইলের এই রেকর্ডের ওপর ভর করে তাঁর দল রংপুর রাইডার্স এদিন ফাইনালে গড়েছে বিশাল সংগ্রহ। নির্ধারিত ওভারে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে গড়ে ২০৬ রানের বিশাল সংগ্রহ।

এ ছাড়া হাফ সেঞ্চুরি করেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ৪৩ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন এই কিউই ব্যাটসম্যান। ম্যাককালাম রয়েসয়ে খেললেও গেইল ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। ১৮ ছক্কায় ৬৯ বলে ১৪৬ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছায় নানা সমস্যায় জর্জরিত পাবলিক লাইব্রেরি ও যাদুঘর

কৃষ্ণ রায়, পাইকগাছা, খুলনা : দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী পাইকগাছা পাবলিক লাইব্রেরি ও যাদুঘরটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। জনবল, অবকাঠামো সংস্কার, আসবাবপত্র ও বই সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় পাঠক শূূূন্য হয়ে পড়েছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় এর কোন অভিভাবক নেই।
খুলনার পাইকগাছা সদরে ১৯৮৫ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. স.ম. বাবর আলী পাবলিক লাইব্রেরি ও যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন। যার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয় শহিদ এম, এ গফুর মিলনায়তনের একটি কক্ষে। ১৯৮৫ সালে ৭ মার্চ প্রতিষ্ঠানের নামীয় সম্পত্তিতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৮৭ সালে ডিসেম্বরে তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম ৭২-৩০ ফুটের ২ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবনের কাজ উদ্বোধন করেন। ১টি কক্ষ লাইব্রেরি ও আর ১টি যাদুঘর বা সংগ্রহ শালা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। লাইব্রেরিটি পরিচালনার জন্য ১৯৮৮ সালে কল্লোল কুমার মল্লিককে গ্রন্থাগারিক নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৯১ সালে জাতীয় বেতন স্কেলে বেতনভাতা পান। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি পৌরসভা নিয়ন্ত্রণে নেয়। পৌরসভার বাজেটে লাইব্রেরির জন্য বাজেট ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে লাইব্রেরির অনুকুলে কোন বরাদ্দ থাকে না। অবকাঠামো সংস্কারের অভাবে লাইব্রেরি ভবনটি ধসে ধসে পড়ছে। বর্তমানে লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে নতুন বই সংযোজন করা হয় না এবং রয়েছে কয়েকটি ভাংগা চেয়ার, টেবিল ও আলমারী। ৫টি জাতীয়, ৩টি আঞ্চলিক দৈনিক, ১টি সাপ্তাহিক ও ১টি মাসিক পত্রিকা থাকলেয় বর্তমান রয়েছে মাত্র তিনটি। বইয়ের সংখ্যা ৫,৩৯১টি, থেকে বর্তমান আছে দু-তিনশ, মত। বর্র্তমান পাঠকের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কুঠায়। এক সময় প্রতিদিন পাঠকের সর্বনিম্ন আগমন ছিল ১৬০/১৮০জন। আজীবন সদস্য ১৪৬, সাধারণ সদস্য ছিল ১৫৫ জন। বর্তমান কোন সদস্য আছে কিনা তাঅনেকেই জানেনা। যাদুঘর ও সংগ্রহ শালায় রয়েছে বিশ্ববরণ্যে বিজ্ঞানী পি.সি. রায়ের তৎকালীন বৃটিশ সরকার কর্তৃৃক স্যার উপাধি পাওয়ার তরবারী, তার পড়ার টেবিল, পূজায় ব্যবহৃত ২টি খড়গ, বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা, সাহিত্যিক স্বহস্তে লেখা পত্র। রায় সাহেব ললিনী কান্ড রায় চৌধুরীর তরবারী, রায় সাহেব বিনোদবিহারী সাধুর পবিত্র গীতা, ব্যবহৃত ভৈজষপত্র। ১৫০ বছরের পুরানো তিমি মাছের কংকাল, ২০০টি দেশের মুদ্রা, মোঘল আমলের মুদ্রা, স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যবহৃত কামানের সেল, মংলা বন্দরে নিক্ষেপকৃত ৪০গ গ মর্টারের সেল, গুলি বাক্সসহ ইত্যাদি।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় তথ্য ও প্রযুক্তি দিবস পালিত

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় র‌্যালিটি ইউএনওর নেতৃত্বে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা আ ’লীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বর্তমান সরকারের ডিজিটাল চিন্তার সুফল সম্পর্কে আলোকপাত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা মোতাবেক সেবা এখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে গেছে। এখন ঘরে বসেই আমরা পৃথিবী সম্পর্কে সবকিছু জানতে পারি ঠিক তেমনি আমাদের অনেক কাজ আমরা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে পারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার আলমগীর সার্জারি ও অকুপেশনাল থেরাপি সেবা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলার আজিজপুর গ্রামের আমজাদ আলীর পুত্র এবং এক সন্তানের জনক আলমগীর হোসেন। পেশায় একজন দিনমজুর। সিলেটের একটি ইটের ভাটায় কাজ করতেন। অর্জিত অর্থে মা-বাবা ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ৫ জনের সংসার কোনরকমে চলে যেত। কিন্তু হঠাৎ একটি দুর্ঘটনায় তার ডান হাত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। একদিন কর্মস্থল থেকে বাড়ীতে ফেরার পথে বাসের জানালার কাচ ভেঙ্গে ডান হাতের উপর পড়লে হাতের নার্ভ ও রক্তনালী কেটে যায়। তৎক্ষণাত তিনি নিকটস্থ হাসপাতাল (শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল) যান। সেখানকার ডাক্তার তার হাতের অপারেশন বাবদ ১ লক্ষ টাকা নতুবা হাত কেটে ফেলার কথা বলেন। তার পরিবার নিজেদের শেষ সম্বল বলতে সামান্য এক খন্ড ফসলি জমি বিক্রি করে আলমগীরের হাতের অপারেশন করান।
এখানেই শেষ নয়। অপারেশনের পরবর্তীতে তার ডান হাতের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়ার হাতের নখে রক্ত চলাচল অভাবজনিত কারণে হাত ব্যবহার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। এ অবস্থা দেখে তিনি খুলনা হাসপাতালের ডাক্তার দেখান। সেখানকার ডাক্তার তার সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে পুনরায় অপারেশনের জন্য ঢাকা জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানকার ডাক্তার অপারেশন বাবদ ৩০ হাজার টাকার কথা বলেন। পাশাপাশি অপারেশনের পূর্বে হাতের অবস্থা উন্নতির জন্য থেরাপি নিতে বলেন। কিন্তু এতটাকা আলমগীরের পক্ষে বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাড়িতে ফিরে আসে। তবে, আলমগীর আগে থেকেই জানতেন ডিআরআরএ’র হাদিপুর থেরাপি চিকিৎসার কথা। তাই বাড়ীতে আসার পর সেখানে যোগাযোগ করেন। তিনি সেখান থেকে তাকে রেফার হয়ে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের থেরাপি ইউনিটে। এই সেন্টার থেকে হাতের জন্য নিয়মিত থেরাপি সেবা নিতেন। সেখানকার দায়িত্বরত থেরাপিস্ট তার হাতের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু অপারেশনের খরচ অনেক বেশী হওয়ায় তার পক্ষে এটা ছিল প্রায় অসম্ভব। পরবর্তীতে ডিআরআরএ এর পিআইএইচআরএস প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তায় গত ৮ ই ডিসেম্বর ২০১৬ ঢাকার পঙ্গু হাসপাতাল থেকে অপারেশন করানো হয়। অপারেশন পরবর্তীতে স্বাভাবিক পেশগত জীবনে ফেরত আসার জন্য আলমগীরকে দেবহাটা উপজেলা হেল্থ কমপ্লেক্স থেকে অকুপেশনাল থেরাপি দেওয়া হয়েছে। আলমগীর বর্তমানে তার হাত দিয়ে দৈনন্দিন ব্যক্তিগত কাজ করতে পারছে। আলমগীর বে-সরকারি সংস্থা ডিআরআরএ’র পক্ষ থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে সকল প্রচেষ্টা ও সহযোগীতা প্রদান করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। এবিষয়টি নিয়ে ডিআরআরএ’র জেলা ম্যানেজার আবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু আলমগীর নয় দেশের বিভিন্ন প্রন্তে তাদের এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। সাতক্ষীরার সদর হাসপাতালে, দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ৬দিন দক্ষ থেরাপিস্ট দিয়ে সেবা এবং অসহায় রুগীদের জন্য ঔষধ সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এতে অনেকে নতুনভাবে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest