ভারত-পাকিস্তান সেনাদের ব্যাপক গোলাগুলি

জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে ভারত-পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল পৌনে চারটা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সমস্ত এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আজ প্রথমে পাকিস্তানি সেনাদের পক্ষ থেকে জম্মু ডিভিশনে পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনাদের অগ্রবর্তী ঘাঁটি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ সময় পাক সেনারা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র থেকে গুলিবর্ষণসহ মর্টার হামলা চালায়।

ওই ঘটনায় ভারতীয় সেনারা পাল্টা গুলিবর্ষণ করে পাক সেনাদের জবাব দেয়। উভয়পক্ষের মধ্যে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পাক সেনাদের গুলিবর্ষণের পর নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সীমান্তে মোতায়েন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

পাক বাহিনী গুলিবর্ষণের আড়ালে সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটাতে পারে বলে ভারতীয় বাহিনী মনে করছে। এজন্য সমস্ত স্পর্শকাতর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

এদিকে, জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট ডা. ফারুক আবদুল্লাহ কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দেশে সাম্প্রদায়িকতা রুখতে ব্যর্থতার অভিযোগ করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি এরকম চলতে থাকে তাহলে দেশের সেক্যুলার বুনিয়াদ ধ্বংস হয়ে যাবে।

দলীয় সদর দফতরে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার সময় ফারুক আবদুল্লাহ বলেন, ‘নয়াদিল্লি দেশে সাম্প্রদায়িকতা রুখতে ব্যর্থ হচ্ছে। যদি এভাবেই চলতে থাকে তাহলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে। সাম্প্রদায়িকতা দেশের শতাব্দী প্রাচীন সেকুলার ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দেবে। গত কয়েক বছর ধরে, সাম্প্রদায়িকতার ঘটনাসমূহ ধর্মীয় সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ব এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় আঘাত করছে।’

‘মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা কমে আসছে, যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ও উদ্বেগের বিষয়’ বলেও মন্তব্য করেন ফারুক আবদুল্লাহ। পার্সটুডে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাজনীন হত্যা মামলায় শহীদুলের ফাঁসি কার্যকর

রাজধানীর গুলশানের নিজ বাড়িতে শিল্পপতি লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলাম শহীদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি প্রিজন্সে ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

কাশিমপুর কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে ট্রান্সকম গ্রুপের মালিক ব্যবসায়ী লতিফুর রহমানের মেয়ে স্কলাস্টিকা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী শাজনীন তাসনিম রহমান গুলশানে নিজ বাড়িতে খুন হন। মামলায় ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে তাদের বাড়ির সংস্কার কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান ও গৃহপরিচারক শহীদুল ইসলাম শহীদসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

অপর চার আসামি হলেন ঠিকাদার হাসানের সহকারী বাদল, গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন (মিনু) ও তার বোন পারভীন এবং কাঠমিস্ত্রি শনিরাম মণ্ডল। পরে ওই বছর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

২০০৬ সালের ১০ জুলাই ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর এক আসামি শনিরাম মণ্ডলকে খালাস দেন।

হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল আপিল বিভাগ চার আসামি হাসান, বাদল, মিনু ও পারভীনের করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) মঞ্জুর করেন। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি শহীদুল জেল আপিল করেন। সাত বছর পর ২০১৬ সালের ২৯ মার্চ ওই আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।

গত বছরের ২ আগস্ট আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে শহীদের সাজা বহাল রেখে অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়। পরে শহীদ রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করেন। চলতি বছরের ৫ মার্চ প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ রবিবার শুনানি শেষে রিভিউ আবেদন খারিজ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে হরতাল শুরু ; বিএনপির সমর্থন

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সারাদেশে আধাবেলা হরতাল ডেকেছে বাম দলগুলো। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ নভেম্বর হরতাল কর্মসূচি দেয় সিপিবি, বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল পালিত হবে।

এর আগে, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়নকারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সাধারণ মোশরেফা মিশু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আবদুস সাত্তার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ কাফী রতন, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা মানস নন্দী, ফখরুদ্দিন কবির আতিক, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক মনির উদ্দিন পাপ্পু প্রমুখ।

সভায় নেতারা বলেন, গণশুনানিকে উপেক্ষা করে মালিক-আমলাদের স্বার্থরক্ষায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির একতরফা ঘোষণা অগণতান্ত্রিক ও গণবিরোধী।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করতে হবে। দাম বৃদ্ধির এই গণবিরোধী ঘোষণা প্রত্যাহারে সরকারকে বাধ্য করতে হরতালে স্বতঃম্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান নেতারা।

অন্যদিকে, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ঘোষিত বৃহস্পতিবারের (৩০ নভেম্বর) অর্ধদিবস হরতালে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে হরতালে পূর্ণ সমর্থনের ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

প্রতি সপ্তাহে আদালতে হাজিরার নামে খালেদা জিয়াকে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধনটির আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম নামে একটি সংগঠন।

এ সময় রিজভী বলেন, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম দল হরতাল ডেকেছে। জনস্বার্থে এই হরতাল যুক্তিযুক্ত। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ডাকা হরতাল বিএনপি পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ম চুল্লির উদ্বোধন আজ; প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী এমপি রুহুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৃহস্পতিবার দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প ‘রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র’ নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ (১ম চুল্লির) উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ও সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, পরিকল্পনামন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ, প্রকল্প পরিচালকসহ শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি রবির সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, বই মানুষের খোরাক জোগায়। অশান্ত মনকেও প্রশান্তি দেয় বই। জ্ঞান চর্চার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে লাইব্রেরি। লাইব্রেরির উন্নয়ন অপরিহার্য। কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির উন্নয়নে তার পক্ষ থেকে সর্বাত্বক সহযোগিতার আশ^াস দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, গাজী আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মহিউদ্দিন হাশেমী (তপু), অর্থ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সাহিত্য সম্পাদক তৃপ্তি মোহন মল্লিক, নির্বাহী সদস্য প্রভাষক রেজাউল করিম, অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, লায়লা পারভীন সেজুতি, শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু ও শেখ হারুন উর রশিদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতে দাঁড়িয়ে বিষ খেলেন যুদ্ধাপরাধী

দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এক অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধী তিনি বিষ খেয়েছেন বলার পর আপিল কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া হয়।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আদালতের কাঠগড়ায় সাবেক যে ছয়জন বসনিয় ক্রোয়াট রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাকে তোলা হয়েছে তাদের একজন এই অভিযুক্ত স্লোবোদান প্রালিয়াক।

পূর্ব মোস্তারে অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালে তাকে বিশ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রায়ে তার কারাদণ্ড বহাল রাখার ঘোষণা শোনার পর মি: প্রালিয়াক বিচারককে বলেন, ”আমি বিষ খেয়েছি”।

ইয়ুগোশ্লাভ যুদ্ধাপরাধ মামলায় চূড়ান্ত আপিলের শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হয়েছিল এই ছয়জন অভিযুক্তকে।
‘গ্লাসটা সরাবেন না’

মি: প্রালিয়াক উঠে দাঁড়ান এবং মুখের কাছে হাত তোলেন, মাথাটা পেছনদিকে এমনভাবে হেলান যাতে মনে হয় তিনি গেলাস থেকে তরল কিছু পান করছেন।

বিচারকমণ্ডলীর সভাপতি সঙ্গে সঙ্গে আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে দেন এবং অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়।

বিচারক বলেন, ”ঠিক আছে, আমরা স্থগিত…আমরা স্থগিত…দয়া করে পর্দা টেনে দিন। যে গ্লাস থেকে তিনি কিছু একটা পান করলেন সেটা কেউ সরাবেন না। ”

পর্দা টেনে দেয়ার আগে আদালত কক্ষে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানান দ্য হেগে বিবিসির সংবাদদাতা অ্যানা হলিগান।

মি: প্রালিয়াকের আইনজীবী, নাতাশা ফ্যাভু-ইভানোভিচকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বার্তা সংস্থা জানায়, ”আমার মক্কেল বলেছে আজ সকালে সে বিষপান করেছে।

কোন্ অপরাধে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
বসনিয় ক্রোয়াট প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রথম সারির সৈন্যদের সাবেক অধিনায়ক মি: প্রালিয়াককে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ মামলার রায়ে বলা হয় ১৯৯৩ সালের গ্রীষ্মে সৈন্যরা প্রোজোর এলাকায় মুসলমানদের যখন ব্যাপক ধরপাকড় করছিল, তখন খবর পেয়েও তিনি তা বন্ধ করার জন্য কোন উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হন।

মুসলিমদের হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং পূর্ব মোস্তারে মসজিদ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনার খবর জানার পরেও তিনি কোনরকম ব্যবস্থা নেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শনিবার ঢাকায় জেলা আ ’লীগের সাথে কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ আ ’লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্মানিত সকল নেতৃবৃন্দ, সকল দলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আ ’লীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদককে জানানো যাচ্ছে যে, কেন্দ্রীয় আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি’র নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ২ ডিসেম্বর২০১৭ রোজ শনিবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় আ ’লীগের সভাপতির কার্যালয়ে বাড়ি নং ৫১/এ সড়ক নং ৩/এ, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা ঢাকা-১২০৯ এ।

দ্বি-পাক্ষিক আলোচনায় সংশ্লিষ্ট সকল নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য একান্তভাবে আহ্বান জানিয়েছেন জেলা আ ’লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়াম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বেহাল দশা

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বেহাল দশায় চিকিৎসা সেবা প্রদান দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। মূল্যবান ঔষুধপত্রসহ সরঞ্জামাদি ঝুঁকির মধ্যে রেখে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পরিচালনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ১৯৮৪ সালে নির্মানের পর থেকে সংস্কারের অভাবে ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে ভবনটি তৈরির কারণে ৬টি কক্ষের প্রতিটি দেয়ালে ফাঁটল ধরেছে। এছাড়া দেয়াল ও ছাদের প্লাষ্টারসহ বড় বড় অংশ খসে ভেঙ্গে পড়ছে। ঔষধপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এটি প্রতিনিয়ত পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ওয়ারিং করা তার ও বোর্ড ঝূঁলে পড়েছে। যে কোন সময় মারাত্মক দূর্ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে গরিব রোগিরা এখানে এসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছে। ৬টি কক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবনটি পুনঃ নির্মানের ব্যবস্থা করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সদিচ্ছার প্রতিফলন স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোঁড় গোঁড়ায় পৌঁছে দিতে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের নির্ভরযোগ্য স্বাস্থসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

কুশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাহেব আলী বলেন, এই কেন্দ্রে প্রতিদিন শত শত রোগির চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়। এখানে সকল প্রকার ঔষধ রোগিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ডায়বেটিস পরীক্ষা, ওয়েট মেশিন, প্রেসার মাপা যন্ত্র, শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে গভর্বতী মাকে এখান থেকে নিয়মিত প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। গভর্বতী মাকে নিয়মিত ভাবে দুরবর্তী গ্রাম থেকে শহরে অথবা সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না।

ইউনিয়র পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক  মো. অছিকুর রহমান দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবকাঠামো একেবারই ব্যবহার অনুপযোগী। যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সব সময় আতংকের মধ্যে থেকে স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হয়।
এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যেও সব সময় বিল্ডিংয়ের ছাদ ধসে পড়ার আতংক বিরাজ করে। এখানে রোগীরা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পরামর্শ করার জন্য আসে। কিন্তু এ কেন্দ্রে এসেই শুরু হয় আতংক। ভয়াবহ ভগ্নদশা রোগীদের স্বাস্থ্যসেবার প্রধান অন্তরায়। গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা যখন সরকারের ডাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে আসে তখনই এধরনের অজানা আতংক সত্যিকার অর্থে খুবই দুঃখজনক।

সরকার প্রতি বছর বাজেট কর্মসূচি ঘোষণা করলেই দেখা যায় প্রায় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সেবা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রদান করেন। অথচ দীর্ঘকাল ধরে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের অবকাঠামোর কোন পরিবর্তন হয়নি। গ্রামের মানুষ এখন কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রমুখি।

এবিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নকিবুল হাসান বলেন, অবকাঠামোর পরিবর্তন আনার লক্ষে স্বাথ্য দপ্তরে ইতিমধ্যে একটি তালিকা প্রেরন করা হয়েছে। আশা করছি কুশখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি অনতিবিলম্বে সংস্কার সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এথেকে গ্রামের সাধারণ মানুষেরা ব্যাপকভাবে স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন সে লক্ষ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest