ভারত থেকে ‘বিফ’ অর্থাৎ গরুর মাংস আমদানির জন্য বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ীর এক প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেছেন, এই আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই এবং এতে দেশের পশু খামারিরা সঙ্কটে পড়বেন। তিনি জানান, তারা তাদের আপত্তির কথা লিখিতভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দিয়েছেন।
এর আগে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সমিতি এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাজারে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানি একটি বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে সরকারও যথেষ্ট উৎসাহী।
কিন্তু তার এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করলো, তারা এ ধরণের মাংস আমদানির বিপক্ষে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেন, গত দু-তিন বছরে বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে অসামান্য উন্নতি করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বছরে বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা ৭০ লাখ টন যার পুরোটাই এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে মাংস আমদানি করলে করলে এই খাত সঙ্কটে পড়বে।
তিনি জানান, আমদানির বদলে তারা এখন বরঞ্চ মাংস রপ্তানির সুযোগ খুঁজছেন। তিনি বলেন, “মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।”
সূত্র: বিবিসি বাংলা

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাত ৯ টার দিকে পারুলিয়া বাজার থেকে ঔষধ কিনে মোটর সাইকেলযোগে সখিপুর ইউনিয়নের তিলকুড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সখিপুর মোড়ে পৌছালে একটি প্রাইভেট কার থেকে তাকে থামার জন্য সিগন্যাল দেয় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তিনি না থেমে বাড়ির দিকে এগুতে থাকা অবস্থায় সখিপুর প্রাইমারি স্কুলের সামনে পৌছালে প্রাইভেট কারে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে পিছন দিক থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় একটি গুলি তার বুকে লেগে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। গুলি তার পাজর ভেদ করে বেরিয়ে গেছে। পথচারী একজন স্কুল শিক্ষক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতনকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার অবস্থা আশংকাজনক।