সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

বিশাল জয়ে শেষ চারে সাকিবের ঢাকা

বিশাল ব্যবধানে রাজশাহী কিংসকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিল ঢাকা ডায়নামাইটস। এক ম্যাচ হাতে রেখে তৃতীয় দল হিসেবে বিপিএলের শেষ চার নিশ্চিত করেছে সাকিবরা।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান করে ঢাকা। জবাবে পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯ বল বাকি থাকতে ১০৬-এ থামে মুশফিকের রাজশাহী।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকার দুই ওপেনার জো ডেনলি ও সুনীল নারিন ব্যাট করতে নামে। এ দুজনের ব্যাটে দারুণ শুরু করে ঢাকা। তবে ব্যক্তিগত ৬৯ রানে মিরাজের বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে সাঝঘরে ফেরেন নারিন। এরপর রানের খাতা না খুলেই স্যামিত পাটেলের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন ডেলপোর্ট। এরপর ৫৩ রান করা ডেনলিকে সাঝঘরে ফেরান কাজী অনিক।

৭ বলে ৩ চারে ১৪ রান করা আফ্রিদিকে ফেরান মোহাম্মদ সামি। তবে রাজশাহীর বোলারদের উপর তাণ্ডব চালানো পোলার্ড ফেরেন ৩৩ রানে।
১৪ বলে ১ চার ও ৪ ছয় হাঁকানো এই ব্যাটসম্যান ঢাকার রানের চাকা বদলে দিয়েছেন। তবে ব্যক্তিগত ১৩ রানে সাকিব অপরাজিত ছিলেন। এর ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান করে ঢাকা।

জয়ের জন্য রাজশাহীর ২০৬ রান লক্ষে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। কিন্তু সাকিব মোসাদ্দেকের বোলিং তোপে মাত্র ১০৬ রানেই গুটিতে যায় রাজশাহী। আর এতেই ৯৯ রানের বিশাল জয় পায় ঢাকা। এই জয়ের মধ্য দিয়েই প্লে-অফ নিশ্চিত করল ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ পর্যন্ত ওবায়দুল কাদের সাতক্ষীরায় আসছেন ; ১২ ডিসেম্বর জনসভা

ডেস্ক রিপোর্ট : শেষ পর্যন্ত সাতক্ষীরা সফরে আসছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ২৪ নভেম্বর তার সাতক্ষীরা সফর করার কথা থাকলেও ২৫ নভেম্বর দেশব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উদযাপনে বিশেষ কর্মসূচিকে সামনে রেখে এ সফর স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে সাতক্ষীরার আ’ লীগ নেতাদের ঢাকায় ডাকেন তিনি। কিন্তু ২ ডিসেম্বরের সে বৈঠকও ঢাকার মেয়র আনিসুল হকের আকস্মিক মৃত্যুতে বাতিল করা হয়। পরে আজ শনিবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আগামী ১২ ডিসেম্বর ওবায়দুল কাদের সাতক্ষীরায় আসবেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সফরকালে ১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় তিনি জেলা আ ‘লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। একই দিন সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে সাতক্ষীরা জেলা আ ‘লীগ, বিভিন্ন উপজেলা আ’ লীগ ও সাতক্ষীরা পৌর আ ‘লীগ নেতাদের সাথে তিনি দলীয় বৈঠকে মিলিত হবেন বলেও জানা গেছে। দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর এটিই হবে সাতক্ষীরায় তার প্রথম সফর।
শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় একটি সূত্র ডেইলি সাতক্ষীরাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি কৃষকলীগের কমিটি অনুমোদন

মোস্তাফিজুর রহমান: বাংলাদেশ কৃষকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ মোতাহার হোসেন মোল্যা স্বাক্ষরিত পত্রে প্রকাশ, ৩০ নভেম্বর’১৭ শেষ হওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আশাশুনি উপজেলাস্থ কৃষকলীগের আহবায়ক কমিটিসহ সকল স্তরের কমিটি বিলুপ্ত করে সাথে সাথে এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে এন এম বি রাশেদ সরোয়ার শেলীকে আহবায়ক ও শেখ রহমাতুল্লা টিপুকে সদস্য সচিব করে ২১সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি আগামী ৫মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বদরুদ্দোজা সানা, একেএম মোতাহারুল হক সজল, এস এম জমিরউদ্দীন, জবেদ আলী। সদস্য ফজল মাহমুদ তুহিন, ভবেন্দ্র নাথ সরকার, আব্দুল হান্নান, আনিছুর রহমান,  খোকা সরদার, আল-আমিন সরদার, আমজাদ আলী, রফিকুল ইসলাম, স ম আজিজুর রহমান, আছমা মাহমুদ, খুশিয়ারা খাতুন, মিনতী রানী সরকার, মুক্তি সরদার ও এনামুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ এসআই গ্রেফতার

বিপুল পরিমাণ মাদবদ্রব্যসহ পুলিশের এক এসআইকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে বুধবার বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার মাস্টার বাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা, ২৩ বোতল ফেনসিডিল, নগদ ৪৫ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেলে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার পুলিশ সদস্য সৈয়দ জহুরুল হক বাবলু মনোহরদী উপজেলা চন্দনবাড়ী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকের একটি চালান নরসিংদীর মনোহরদীর উপজেলার মাস্টার বাড়ি বাজার এলাকা থেকে চরমান্দালিয়া গ্রামের দিকে যাচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক খোকন চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।

এ সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তল্লাশি চালিয়ে তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা, বাম পকেট থেকে নগদ ৪৫ হাজার টাকা এবং ব্যাগ থেকে ২৩ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

তল্লাশির সময় বাবলু নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে ছেড়ে দেয়ার দাবি জানান। পরে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

শনিবার নরসিংদীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কুমার নাথের আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রেফতার বাবলু দীর্ঘদিন পেশার অন্তরালে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীর থানার এসআই বলে দাবি করেন বলেও জানান এসআই খোকন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নগরবাসীকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত আনিসুল হক

কাঁদছে নগর, কাঁদছে নগরবাসী। প্রিয় মানুষকে হারিয়ে কাঁদছেন মিডিয়াপাড়ার মানুষরাও। কান্নার রোল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও। ওই হাসিমাখা মুখ মাটিচাপা দেয়া যায়! কী করে ভুলবে এমন ভালোবাসার মানুষকে! তবুও যে বিদায় দিতে হয়। এ যে অমোঘ বিধান। এ বিধান লঙ্ঘন করার সাধ্য কার? ভালোবাসার অশ্রুভেজা মাটিতেই চাপা দিতে হলো। সবাইকে কাঁদিয়ে চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক।

শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে শারাফুল হকের কবরে দাফন সম্পন্ন হয় আনিসুল হকের। দাফন শেষে দোয়া পড়ান সেনা কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাহমাদুল হক। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। মন্ত্রী, এমপিসহ রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

এর আগে বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে মরহুমের জানাজা সম্পন্ন হয়। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিমানটি সিলেটে এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর দুপুর ১টার দিকে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় ফ্লাইটটি। পরে সেখান থেকে দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে মরদেহ বনানীতে তার নিজ বাসায় নেয়া হয়।

মরদেহ দেখতে এবং শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের আনিসুল হকের বাড়িতে যান। এরপর বেলা ৩টার দিকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আর্মি স্টেডিয়ামে। মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদেনের জন্য সেখানে খানিক সময় রাখা হয়। জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় আনিসুল হককে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ২৩ মিনিটে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের দ্য ওয়েলিংটন হাসপাতালে তিনি মারা যান আনিসুল হক। তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

এর আগে ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার যুক্তরাজ্য যান তিনি। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। এরপর তাকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে তার শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় ৩১ আগস্ট আইসিইউ থেকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। পরে তাকে ওয়েলিংটন হাসপাতালে আনা হয়।

সরাসরি রাজনীতি না করেও এক বর্ণাঢ্য জীবনের মঞ্চে অবস্থান করেছিলেন আনিসুল হক। স্বপ্নজয়ের সিঁড়িতে ভর করে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নগরবাসীর নজর কেড়েছিলেন তিনি। স্থবির হয়ে পড়া রাজধানীর গতিও ফিরিয়েছিলেন খানিক। রাজনৈতিক পরিচয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেও পেশীশক্তির রাজনীতিতে পা রাখেননি কখনই এই সফল ব্যবসায়ী। নষ্ট রাজনীতির কাদা গায়েও লাগননি তিনি। বরং রাজনীতির নামে যারা অপরাজনীতি করছেন, তাদের জন্যও ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। তার বিদায় বেলায় কাঁদছেন অরাজনৈতিক আর রাজনৈতিক মঞ্চের মানুষরাও।

১৯৫২ সালে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন আনিসুল হক। শৈশব কেটেছে ফেনীর সোনাগাজীর নানাবাড়িতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। স্ত্রী রুবানা হক, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। শরিফুল হক ও রওশন আরা বেগম দম্পতির বড় সন্তান আনিসুল হক। তার ছোট ভাই আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক বর্তমানে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিলের মেয়র নির্বাচনে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন থেকে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বড় ছেলে নাভিদুল হক দেশ এনার্জি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এক মেয়ে ওয়ামিক উমায়রা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওতে কর্মরত এবং আরেক মেয়ে তানিশা ফারিয়াম্যান হক মোহাম্মদী গ্রুপের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন। মেয়র হওয়ার আগে ব্যবসায়ী হিসেবে তিনিই মোহাম্মদী গ্রুপের চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের তৈরি পোশাক খাত, জ্বালানি খাত, তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যম খাতের সঙ্গে জড়িত। পোশাকমালিকদের সংগঠন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ২০০৫ থেকে ২০০৬ সালে নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি সার্কভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসায়ীদের সংগঠন সার্ক চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত।

আনিসুল হক আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় উপস্থাপক হিসেবে পরিচিতি পান। তার উপস্থাপনায় বিটিভির ঈদের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আনন্দমেলা, রাজনীতিবিষয়ক অনুষ্ঠান মুখোমুখিসহ বেশ কিছু অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। টেলিভিশন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়ে আলোচিত বিশেষ আলোচনায় আসেন।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ঢাকা মহানগরীর জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তিনি। যার সুফল পাচ্ছেন নগরবাসী। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনালের সামনের সড়ক দখলমুক্ত করতে গিয়ে আনিসুল হক পরিবহনশ্রমিকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে ওই সড়ক দখলমুক্ত করে তা সড়ক হিসেবে চালু করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

সদ্যপ্রয়াত এই মেয়র গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় বিশেষ রঙের রিকশা এবং ‘ঢাকা চাকা’ নামে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাসসেবা চালু করেন। আনিসুল হকের উদ্যোগে গাবতলী সড়কটিও এখন দখলমুক্ত। এ ছাড়া বিমানবন্দর সড়কে যানজট কমাতে মহাখালী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কে ইউলুপ করার উদ্যোগ নেন আনিসুল হক। মহাখালী থেকে উত্তরা পর্যন্ত ১১টি ইউটার্ন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে ইতোমধ্যেই।

মাত্র দুই বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নগরের রূপ বদলে দিতে পেরেছিলেন খানিকটা। তার জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ আর স্বপ্নের মধ্য দিয়েই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন নগরবাসীর মধ্যে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছারপোকা থেকে পরিত্রাণ পেতে ক্ষয়ক্ষতি আড়াই কোটি টাকা!

এক শিশু তার বিছানায় ছারপোকার কামড় থেকে পরিত্রাণ পেতে আগুন ধরিয়ে দিল। কিছুক্ষন পরেই সেই আগুন ছড়িয়ে পরে অ্যাপার্টমেন্টে। জীবন বাঁচাতে যার যার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পালিয়ে যান আট জন মানুষ।

আমেরিকার ওহিও অঙ্গরাজ্যের ঘটনা এটি। ওহিও’র সিনসিনাতি শহরে এ ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

অগ্নিনির্বাপক কর্মকর্তারা জানান, রাত ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। সবকিছুর শুরু একটা ম্যাচের কাঠি থেকে। শিশুটি তার বিছানার ছারপোকা মারতে অ্যালোকোহল ও আগুনকে অস্ত্র করে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডে সেই ভবনের ৬টি অ্যাপার্টমেন্ট আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে কেউ আহত হয়েছেন কিনা তা বলা হয়নি। এখন রেডক্রস যাদের অ্যাপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের থাকার জন্য নতুন জায়গার ব্যবস্থায় মন দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আহবায়ক কমিটি গঠন

মনিরুজ্জামান মুকুল, শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি বিলুপ্ত করে আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির আহবায়ক গাজী সালাউদ্দীন বাপ্পী আহবায়ক, যুগ্ম-আহবায়ক শেখ আফজাল, আবু সাঈদ কে সদস্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি গঠন করা হয়। ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ২ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব সভাপতি জি,এম,আকবর কবীরের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী জাহিদ সুমনের পরিচালনায় জরুরী সাধারণ সভায় শ্যামনগর প্রেসক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকদের সর্বসম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভাপতি উৎসব মুখর সুষ্ট নির্বাচনের নিমিত্তে প্রস্তাবটি গ্রহণ যোগ্যতা পায়। এসময় সকল সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সভাপতি সম্পাদক সহ পূর্বের কমিটিকে ধন্যবাদ জানানো হয় এবং আহবায়ক কমিটিকে সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার আহবান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনিসুল হকের মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ২:৪৫ মিনিটে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের বনানীর বাস ভবনে যান। প্রধানমন্ত্রী সেখানে গেলে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরী হয়।

প্রধানমন্ত্রী মরহুম মেয়রের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আনিসুল হকের স্ত্রী, পুত্র, কন্যারসহ মরহুমের পরিবারের সদস্যরা এসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একান্তে বসে কথা বলেন তিনি।

বাসভবনে প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন। স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মরহুমের ভাই সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকসহ মন্ত্রীসভার সদস্য ও আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest