সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

ক্যানসার প্রতিরোধে কলা

কলার রয়েছে যেমন এর স্বাদ, তেমনই পুষ্টিগুণ। আসুন দেখে নেওয়া যাক কী কী কারণে নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত।

কলা মানসিক চাপ কমায়। মনটাকেও সতেজ করে তোলে।

রাতের ক্লান্তি দিনেও কাটেনি। ঘুম কম হয়েছে। কলা হতে পারে আপনার ক্লান্তির সমাধান।

কলায় রয়েছে ভিটামিন বি৬। যা রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ঠিক রাখেত সাহায্য করে।

কলার মধ্যে আছে ফাইবার। ফাইবার পাচন ক্ষমতা বাড়ায়।

কলায় রয়েছে পটাশিয়াম। পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত কলা খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।

নিয়ম করে রোজ কলা খেলে ত্বকের জেল্লা বাড়বে। রেহাই মিলবে জেদি ব্রণ ও অ্যাকনের হাত থেকে।

কলা ক্যানসারের প্রতিরোধেও মহৌষধ। তাই নিয়মিত কলা খেলে মারণ রোগটিকেও দূরে রাখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে রসুন খাওয়ার উপকারিতা

অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া দেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার।

খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়।

শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক : আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা পাবেন।

অন্ত্রের জন্য ভাল : খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

শ্বসন : রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

সতর্কবার্তা
যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৫ দিনেই বাড়তি ওজন কমাবে জিরা

জিরা একটি স্পাইসি মশলা। রান্নায় জিরার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধুই যে রান্নায় সুগন্ধের জন্য জিরা ব্যবহার হয়, তা কিন্তু নয়। স্বাস্থ্যের কথা ভেবেও আমরা রান্নায় জিরা দিই। স্পাইসি এই মশলা আপনার শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরাতেও ওস্তাদ। আর এ জন্য ধৈর্য্য ধরে ১৫টি দিন আপনাকে কষ্ট করতে হবে। এর মধ্যে রোজ নিয়ম করে এক চামচ গোটা জিরা খেয়ে ফেলুন। একদিনও বাদ দেবেন না। তার আগে আর একটি কাজ আপনাকে করতে হবে। নিজের ওজন নিয়ে, লিখে রাখুন। ১৫ দিন পর ফের ওজন নিন। নিজেই অবাক হয়ে যাবেন। কলা দিয়ে জিরা খেলেও ওজন ঝরবে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গোটা জিরা খুব দ্রুত শরীর থেকে ওজন ঝরাতে সক্ষম। শুধু যে চর্বি বের করে দেয়, তা কিন্তু নয়। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে, যারা ওজন কমানোর জন্য জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছেন, একবার ১৫ দিনের জন্য জিরার ওপর ভরসা রাখতে পারেন। নিরাশ হবেন না।

গবেষকরা বলছেন, জিরার মধ্যে রয়েছে থাইমল ও অন্যান্য কিছু তেলের উপস্থিতি। যার কাজ হলো লালা নিঃসরণকারী গ্রন্থিকে উত্তেজিত করা। যার ফলে খাবার ভালো হজম হয়।এ ছাড়াও জিরার গুণে পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, হজমের গন্ডগোল হলে, জিরা দিয়ে চা খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। এক গেলাস পানিতে এক চামচ জিরা দিন। ভালো করে ফুটিয়ে নিন। পানির রং লালচে হয়ে এলে, গ্যাস বন্ধ করে, পাত্রটি চাপা দিয়ে রাখুন। একদম ঠান্ডা হওয়া অবধি অপেক্ষা করুন। এই জিরা চা দিনে তিন বার খেলে, হজমশক্তি বাড়বে। পেটে ব্যথা কমবে। কী ভাবে জিরা খাবেন?

১. একটা গ্লাসে বড় চামচের দু-চামচ গোটা জিরা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি গরম করে, জিরা না ছেঁকে চায়ের মতো খান। মুখে গোট জিরা পড়লে, ফেলবেন না। চায়ের মতো কয়েক দিন পান করুন, দেখবেন ওজন কমছে।

২. যদি দেখেন, উপরের দাওয়াই আপনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করছে না, তা হলে দ্বিতীয় উপায়ের আশ্রয় নিন। খাবারে জিরার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। দইয়ের সঙ্গেও জিরা খেতে পারেন। ৫ গ্রাম দুইতে এক চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত খান। ওজন নিশ্চিত ভাবেই কমবে।
৩. কয়েক চামচ মধু ও তিন গ্রাম জিরা গুঁড়ো এক গেলাস পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই মিশ্রণটি খান। স্যুপ তৈরি করে, এক চামচ জিরাগুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও ভালো কাজ দেবে।

৪.পাতিলেবু ও রসুনও ওজন ঝরাতে খুব ভালো দাওয়াই। গাজর ও অন্যান্য সবজি সেদ্ধ করে নিয়ে, রসুন কুচি ও লেবুর রস ঢেলে দিন। তাতে কিছুটা জিরার গুঁড়ো মেশান। রোজ রাতে খেয়ে, ম্যাজিক পরিবর্তন দেখুন। ১৫ দিনে পরেই বুঝতে পারবেন আপনার ওজন কমেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে বিমান হামলায় ৫০ হুথি বিদ্রোহী নিহত

পশ্চিম ইয়েমেনে বিমান হামলা এবং একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের সময় ধ্বংস হওয়ার জেরে ৫০জন হুথি বিদ্রোহীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আল জারাহি এবং হায়াসে সেনা ঘাঁটির ওপর হামলা চালায় ইয়েমেন সেনারা। এরপরই ৫০জন হুথি যোদ্ধাদের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রাস ইসা বন্দরের কাছে ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের সময়ই এটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের দক্ষিণ পশ্চিমে তায়িজ এলাকা হাদিপন্থি সন্ত্রাসবাদী অধ্যুষিত এলাকা। সেই এলাকায় ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। একটি ছোঁড়া হয়েছে খালিদ সামরিক ঘাঁটিতে এবং অপরটি মওয়াজ শহরে।

উল্লেখ্য, ইয়েমেন সেনাদের সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের লড়াইয়ে ৭১জন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে। আলজাজিরা জানাচ্ছে, সোমবার সকালে একাধিক বিমানহানায় সানা এলাকায় কমপক্ষে ১১জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং দুজন মহিলা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্শার বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে সাকিব

শেষ হতে চলল আরেকটি বছর। ক্যালেন্ডারের হিসেবে নতুন বছরের আগমন ঘটতে যাচ্ছে খুব সন্নিকটে। আর এ সময়ে ক্রিকেট অঙ্গনে রেকর্ড ভাঙ্গা-গড়ার রীতিমত লড়াই হয়েছে।

ক্রিকেটীয় ইতিহাসে রচিত হয়েছে নতুন নতুন গল্পগাঁথা রের্কড।

এ কারণে বছর শেষে সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ইতোমধেই বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। আর এই একাদশে ঠাই হয়েছে বাংলাদেশি তথা বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানেরও।

হার্শা ভোগলের প্রকাশিত এই একাদশ নিয়ে রীতিমত নানা বিতর্কও ছড়িয়েছে। এর কারণ হচ্ছে তার বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ দলে তিনি নিজ দেশ ভারতের পাঁচজন কে রাখলেও, নেই কোনো শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের তারকারা।

হার্শার এই একাদশ ক্রিকবাজে প্রকাশ হয়েছে। এই তালিকায় হার্শা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইংল্যান্ডের দুই জন খেলোয়ারকে রেখেছেন। তার এ তালিকায় একজন করে স্থান পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের।

বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ২০১৭ সালটা অবশ্য ভালোই কেটেছে। তিনি এ সময় ১৪ ম্যাচে ১২ ইনিংস ব্যাট করে ৩৫.৮৩ গড়ে ৪৩০ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনটি হাফসেঞ্চুরির পাশাপাশি ছিল একটি সেঞ্চুরি।

ইংল্যান্ডে সদ্য শেষ হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ের ম্যাচে ১১৪ রান করেছিলেন বিশ্ব সেরা এই অলরাউন্ডার। অপর দিকে বল হাতে ১২ ইনিংসে পেয়েছিলেন মূল্যবান ৬টি উইকেট।

ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের ২০১৭ সালের সেরা ওয়ানডে একাদশ: মাহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত), বিরাট কোহলি (ভারত), রোহিত শর্মা (ভারত), শিখর ধাওয়ান (ভারত), জাসপ্রিত বুমরাহ (ভারত), সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ), এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা), বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড), লিয়াম প্ল্যাংকেট (ইংল্যান্ড), হাসান আলী (পাকিস্তান) ও রশিদ খান (আফগানিস্তান)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসহায় আকবর আলীর চিকিৎসায় জেলা যুব সংহতির সহায়তা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : জাতীয় যুব সংহতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে অসহায়, অসুস্থ মো. আকবর আলীকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ১৩ নং লাবসা ইউনিয়নের জাতীয় যুব সংহতি ৬ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ে থানাঘাটা এলাকার অসুস্থ মো. আকবর আলীকে চিকিৎসার জন্য নগদ সহায়তার অর্থ তুলে দেন জাতীয় যুব সংহতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাতীয় পার্টির যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু তাহের। এসময় উপস্থিত ছিলেন ১৩ নং লাবসা ইউনিয়নের জাতীয় যুব সংহতি ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইয়াকুব আলী, মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, মো. আনারুর ইসলাম, মো. আবু হাসান, মো. আলমমগীর হোসেন, মো. খোকন আলী, বাবু, মো. ফজলে রহমান, মো গোলাম রসুল ও হাফেজ মাওলানা মো. কুতুব উদ্দিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াবা ব্যবসায় পুলিশ সদস্য

রাজধানীতে ইয়াবাসহ পুলিশের এক কনস্টেবলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার রাতে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমান (৩৫) ও তাঁর সহযোগী রেজাউল ইসলাম (৩১)। তাঁদের কাছ থেকে ৩ হাজার ২০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা বহনে ব্যবহার করা একটি মোটরসাইকেল।

কনস্টেবল সাইদুর রাজধানীর ওয়ারী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি-পেট্রল) জিয়াউল আলমের গাড়ির চালক ছিলেন। সাইদুর ও রেজাউলের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন মতিঝিল-যাত্রাবাড়ী এলাকায় ইয়াবার পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা করে আসছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে রোববার হাজির করে সাইদুর ও রেজাউলের পাঁচ দিন রিমান্ড চায় ডিবি পুলিশ। পরে ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ শুনানি নিয়ে তাঁদের দুই দিনের করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম বলেন, ইয়াবাসহ হাতেনাতে কনস্টেবল সাইদুর ও রেজাউলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (রাজস্ব) অফিসের পূর্ব পাশের রাস্তার গোডাউনের সামনে থেকে রাত নয়টার দিকে সাইদুর ও রেজাউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এই মামলা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন ডিবির উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।

আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে ডিবি বলেছে, সাইদুর ও রেজাউল স্বীকার করেছেন যে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে পলাতক আসামিদের সঙ্গে নিয়ে যাত্রাবাড়ী, মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছেন। এজাহারের বক্তব্য অনুযায়ী, সহযোগী আসামি ওমর আলীসহ কয়েকজন পলাতক রয়েছেন।

সাইদুর রহমান নয় বছর ধরে ওয়ারী জোনের গাড়িচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। নেত্রকোনার রোহা ইউনিয়নের কারী গ্রামের বাসিন্দা তিনি। ঢাকায় শ্যামপুরের ব্যাংক কলোনিতে তিনি বসবাস করেন। রেজাউল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নওহাটি গ্রামের বাসিন্দা।

কনস্টেবল সাইদুর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ওয়ারীর উপকমিশনার (ডিসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ইয়াবাসহ ডিবি তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে বলে শুনেছেন।
ওয়ারীর এসি (ট্রাফিক) জিয়াউল আলম বলেন, সাইদুর তাঁর গাড়িচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি শুধু জানতে পেরেছেন, ইয়াবাসহ সাইদুরকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তিনি আরও বলেন, যিনি অপরাধ করেছেন দায়ভার তাঁর।

ডিবি উত্তর বিভাগের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম বলেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আগেই সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত হন রেজাউল। কনস্টেবল সাইদুরকেও মাদক ব্যবসার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই চক্রের সব সদস্যকে বিচারের আওতায় আনা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসন ও পুলিশে রেকর্ড পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা

দফায় দফায় পদোন্নতি, পছন্দের জায়গায় পদায়ন, দুই দফা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, গাড়ি ও বাড়ির জন্য সুদ ছাড়া ব্যাংক ঋণ, রেশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন সরকারের প্রশাসন ও পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তারা। চাকরির বয়স বৃদ্ধি হয়েছে দুই দফায়। এমনকি একাধিক কর্মকর্তা একই পদে দফায় দফায় চুক্তিভিক্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। সুযোগ-সুবিধার খাতায় যুক্ত হয়েছে বৈশাখী উত্সবভাতাও। অতীতে আর কোনো সরকারের সময় এমন সুযোগ-সুবিধা কখনই জোটেনি সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশের ভাগ্যে। সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এগুলো রেকর্ড পরিমাণ।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর থেকেই সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিশ প্রশাসন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের দুই মেয়াদ মিলিয়ে গত প্রায় নয় বছরে প্রশাসনে সবচেয়ে বেশি পদোন্নতি পেয়েছেন কর্মকর্তারা। নয় বছরে সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে শুরু করে উপসচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা। এ পদোন্নতি হচ্ছে এক ধরনের প্যাকেজ সুবিধা। কারণ, পদোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি পায়। প্রশাসনে পদ না থাকলেও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। বরং পদোন্নতি নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সন্তুষ্টির সঙ্গে আগের জায়গায়ই নিজেদের বহাল রেখেছেন। পদোন্নতি ছাড়া পদায়নের ক্ষেত্রেও সরকারি কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করছেন। বেশির ভাগ কর্মকর্তাই নিজেদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং নিয়েছেন। এ ক্ষেত্রেও তারা সুবিধা ভোগ করছেন। সরকার দুই দফায় পে-স্কেলের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করেছে। প্রথম দফায় মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৯ সালে পে-স্কেল ঘোষণা করে। ওই বছরের ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর। তারপর বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২০১৫ সালের ১ জুলাই সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা আরেক দফা বৃদ্ধি পায় পে-স্কেলের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে শতভাগ বেতন বৃদ্ধি পায় কর্মকর্তাদের। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে ১২০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। অতীতে কোনো সরকারের সময়ই এমন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেননি আমলারা। আওয়ামী লীগ সরকারের দুই মেয়াদেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির বয়স বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম দফায় মহাজোট সরকারের সময় চাকরির বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৫৯ বছর। আর দ্বিতীয় দফায় সরকারের মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে চাকরির বয়স ৬০ বছর করা হয়।

এই সরকারের দুই মেয়াদে সরকারের আমলারা গাড়ি-বাড়ি করার জন্য সুদবিহীন ব্যাংক ঋণের সুযোগ পান। প্রথমে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম-সচিবরা গাড়ি কেনার জন্য ঋণসুবিধা পেলেও চলতি বছরই এ সুযোগ পেয়েছেন উপসচিবরা। একইভাবে তারা বাড়ি করার জন্য সুদবিহীন ব্যাংক ঋণ পাচ্ছেন।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এ সরকারের সময় কমে এলেও এখনো বেশকিছু কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন। এটা আমলাদের সরকারের এক ধরনের উপহার।

শুধু প্রশাসনেই নয়, পুলিশের ক্ষেত্রেও এ সুযোগ-সুবিধার কমতি নেই। পদোন্নতি, আবাসন, যানবাহন, পোশাক, রেশনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা। রেশন পেয়েছেন শতভাগ। অতীতে কখনই পুলিশের এমন সুযোগ-সুবিধা ছিল না।

পুলিশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সরকারের নয় বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে পুলিশবাহিনীতে। নয় বছরে পদোন্নতি পেয়েছেন অসংখ্য পুলিশ কর্মকর্তা। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকিভাতা পুলিশ সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক ছাড়াও ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি করায় এ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে সন্তুষ্টি। গত সাত বছরে নতুন নতুন থানা ভবন নির্মাণসহ আবাসন সমস্যা সমাধানে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এসেছে নতুন অস্ত্র ও সরঞ্জাম। বেড়েছে জনবল। নতুন যানবাহনসহ পুলিশবাহিনীকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপও নিয়েছে বর্তমান সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত নয় বছরে পুলিশের বার্ষিক বাজেট বেড়েছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পুলিশবাহিনীর জন্য বার্ষিক বাজেট ছিল ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পুলিশবাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা।

পুলিশ সদর দফতর বলেছে, বর্তমান সরকারের সময় পুলিশ বিভাগে সবচেয়ে বড় পাওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১১। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পরে হলেও স্বাধীনতাযুদ্ধে পুলিশবাহিনীর অবদানের বিষয়টি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে। এ ছাড়া বর্তমান সরকারের আমলেই পুলিশ মহাপরিদর্শকের পদকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় উন্নীত করা করা হয়েছে। ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু-প্রদত্ত র্যাংক-ব্যাজ (থ্রি-স্টার জেনারেল)।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনো পুলিশ সদস্য নিহত হলে অনুদান ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ এবং আহত হলে ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার এবং এসআই ও সার্জেন্ট পদকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। পুলিশে রেশনের বৈষম্য নিরসনসহ সর্বশেষ ৩০ ভাগ ঝুঁকিভাতা ঘোষণা করায় নতুনভাবে উজ্জীবিত পুরো পুলিশবাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভাষায়, গত সাত বছরে পুলিশবাহিনীতে যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে তা স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও হয়নি।

প্রশাসন ও পুলিশে এমন সুযোগ-সুবিধাকে কীভাবে দেখছেন— জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের বয়স বৃদ্ধির বিষয়টি যৌক্তিক। এর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু যেভাবে পদ ছাড়া পদোন্নতি হয়েছে তা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এতে প্রশাসনের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়।’ তিনি বলেন, ‘পদায়নের ক্ষেত্রে সরকারের কারা কীভাবে পদায়ন করে তা দেখা দরকার। পদায়নের যথাযথ নীতিমালা থাকা দরকার।’ আলী ইমাম মজুমদার মনে করেন, যুগ্ম-সচিব পর্যন্ত কর্মকর্তারা যদি সরকারের গাড়ি ব্যবহার না করেন তাহলে তাদের গাড়ি দেওয়ার বিষয়টা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কারণ, যুগ্ম-সচিবদের সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। এজন্য সরকারকে গাড়ি কিনতে হয়। আবার সেগুলো মেরামতও করতে হয়। এজন্য তাদের গাড়ি কেনার সুযোগ দিলে তা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু উপসচিব পর্যায়ে এর প্রয়োজন নেই।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest