ক্রিকেট মাঠে প্রায়ই বিভিন্ন রকমের মজার ঘটনা ঘটতে থাকে। কিছু ঘটনা ক্রিকেটপ্রেমীদের যেমন আনন্দ দেয়, তেমনই কিছু ঘটনা থাকে যা বিশ্বাস করা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। মাঝে মধ্যে নিজের চোখকেও বিশ্বাস হয় না। মনে হয় ঠিক দেখছি তো!
এই রকমই অবাক করা এক ঘটনার সাক্ষী থাকল গুন্টুরের জেকেসি কলেজ গ্রাউন্ড। শুক্রবার বিসিসিআইয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা ওয়ান ডে লিগ এবং নক-আউট টুর্নামেন্টের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নাগাল্যান্ড ও কেরল। আর এই ম্যাচেই মাত্র ২ রানে শেষ হয়ে যায় নাগাল্যান্ডের ইনিংস।
১০ উইকেট হারিয়ে দুই রান। তার মধ্যে একটি ওয়াইড বলে এক রান। স্কোর বোর্ডের এরকম দুর্দশা দেখে অবাক হতে পারেন। কিন্তু এরকম ঘটনা ঘটেছে ভারতে। কেরালার বিপক্ষে এই রান করে নাগাল্যান্ড প্রদেশের অনূর্ধ্ব ১৯ নারী ক্রিকেট দল। এটি স্থানীয় খেলায় একটি রেকর্ড।
বিসিসিআই আয়োজিত অনূর্ধ্ব ১৯ মহিলাদের ওয়ানডে প্রতিযোগিতায় নাগাল্যান্ড নারী দল টস জিতে ব্যাট নেয়, শুরুতেই প্রথম বলে ওয়াইড দেয় কেরালা বোলার। তারপর ব্যাটসম্যান মেনকা ১৮ বলে খেলে এক রান করেন। এরপর মেনকা ছয়তম ওভারে আউট হয়ে যান ক্যাচ হয়ে। এরপর বাকিরা এসেছেন আর প্যাভিলিয়নে গিয়েছেন।
কেরলের হয়ে ছ’টি মেডেনসহ দু’টি উইকেট নেন সৌরভ্যা পি। একটিও রান না দিয়ে একটি করে উইকেট নেন সান্দ্রা সুরেন এবং বিবি সেবাস্তিন। কেরলের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন মিনু মানি। নাগাল্যান্ডের দু’জন রান আউট হন। রান আউট দু’টি করেন দিব্যা গণেশ এবং মালবিকা সাবু।
এই দল মোট ১৭ ওভার বল খেলে তার মধ্যে ১৬টি ওভারই ছিলো মেইডেন। ২ রানে ১০ উইকেট হারিয়ে খেলা শেষ করে নাগাল্যান্ড। কেরালা নারী দল খেলতে নেমে ২ বলেই ৩ রান করে জিতে যান। অন্যদিকে এই নাগাল্যান্ড দলের এক বোলার গত ১ নভেম্বর মণিপুরের বিপক্ষে টানা ৪২টি ওয়াইড দিয়েছিলো।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় ২০০৪ সালের হারারেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ৩৫ রান সর্বনিম্ম স্কোর।

জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া বাঙালী জাতির জন্য বিশাল গৌরবের। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিশ^। বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের দিক-নির্দেশনাই ছিল সে সময়ের বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। আজ ৪৫ বছর পরেও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আবেদন বাঙালির কাছে অটুট আছে। লেখক ও ইতিহাসবিদ জেকব এফ ফিল্ড’-এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা গ্রন্থে এই ভাষণ স্থান পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ববাসীর কাছে বিশেষ করে বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাছে আলোর দিশারীতে পরিণত হয়েছে। তিনি এ ভাষণ দিয়েছিলেন ঔপনিবেশিক পাকিস্থানী দুঃশাসন থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ১৯৪৮ সালে ভাষার দাবিতে আন্দোলন শুরু করার সময়ই বঙ্গবন্ধু বুঝে গিয়েছিলেন স্বাধীনতা ব্যতীত এই জাতির চূড়ান্ত মুক্তি মিলবে না। তিনি আরো বলেন, রেসকোর্সের জনসমুদ্রে দেওয়া জাতির পিতার এই কালজয়ী ভাষণে ধ্বনিত হয়েছিল বাংলার গণমানুষের প্রাণের দাবি। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভার ডাক দেন। সেদিনের জনসমুদ্রে তিনি বজ্রকন্ঠে ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণই ছিল প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা। এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করেন। আবার সশ¯্র সংগ্রামের দিক-নিদের্শনাও দিয়ে যান।’
