ইসলামাবাদে ব্যাপক সংঘর্ষ, সেনা তলব

ডেস্ক রিপোর্ট : পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ‘ইসলামপন্থীদের’ বিক্ষোভ ও সহিংসতা দমন করতে সেনাবাহিনী তলব করেছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের সংবিধানের ২৪৫ ধারা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ জানায়, আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার (ব্লাসফেমি) অভিযোগ তোলে কট্টর ইসলামপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-লাবাইক। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার অপসারণও দাবি করে তারা। এ দাবিতে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ৮ নভেম্বর থেকে ইসলামাবাদের মূল প্রবেশদ্বার ফয়জাবাদে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে।

পরে গতকাল বিক্ষোভকারীদের সরাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় সাড়ে আট হাজার সদস্য মাঠে নামে। ফলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে তাদের। দিনব্যাপী চলা ওই সংঘর্ষে আহত হয় দুই শতাধিক। আহতদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০৫ জন সদস্য ও ৫০ জন সাধারণ মানুষ রয়েছে।

ডনের খবরে বলা হয় গতকালের সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে ওই পুলিশ সদস্য ছাড়াও আরো অনেকের প্রাণ গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

একজন বিক্ষোভকারীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে চার বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে।

এদিকে পাঞ্জাব প্রদেশে আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদের বাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ করে তেহরিক-ই-লাবাইক সমর্থকরা। একপর্যায়ে তারা আইনমন্ত্রীর বাড়িতে প্রবেশ করে। কিন্তু সে সময় তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিল না। এ ছাড়া লাহোর ও করাচির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের দমন করতে ব্যর্থ হয়ে সরকারের কাছে সেনা মোতায়েনের জন্য আবেদন করে শহরগুলোর প্রশাসন। এ কারণে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সেনাবাহিনী।

এদিকে পাকিস্তানের সব টেলিভিশন চ্যানেলে সংঘর্ষের ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মিলছে সর্বশেষ খবর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিরেছেন মানুসি, সপ্তাহজুড়েই সংবর্ধনা

ভারতীয়দের ১৭ বছর আগের সেই গর্বের দিন আবার ফিরে এলো শনিবার মধ্যরাতে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমান যখন ভারতের মাটি ছুঁল, ঘড়িতে তখন রাত ১টা। তাতে কী! মুম্বাই বিমানবন্দরে তখন দিন। সকলের মুখে একটাই নাম, মানুসি চিল্লার।

হবে না-ই বা কেন? বিশ্ব-মঞ্চে তিনি যে এখন গোটা ভারতের গর্ব। ফেমিনা মিস ইন্ডয়া ওয়ার্ল্ড মানুসি চিল্লার। মানুসি বর্তমানে মেডিকেলে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মা-বাবাও ডাক্তার। মেধাবী ছাত্রী মানুসি নৃত্যশিল্পী হিসেবেও দৃর্দান্ত। সম্প্রতি দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে একটি গানে তার অসাধারণ নাচের ভাইরাল ভিডিওই সেটির প্রমাণ।

আপাতত কয়েকদিন মানুসিকে ঘিরে চলবে শুধুই সংবর্ধনা। ‘প্যাক্ট সিডিউল’ বলতে যা বোঝায়। আজ রবিবার ২৬/১১ সন্ত্রাসের নবম বর্ষপূর্তিতে মুম্বাই পুলিশের অনুষ্ঠানে বম্বে জিমখানায় বক্তব্য রাখবেন মানুসি।

সোমবার কথা বলবেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। ওইদিন বেলা ১১টায় মুম্বাইয়ের একটি পাঁচতারকা হোটেলে দেবেন এক বিশেষ সাক্ষাৎকার। তার পর সন্ধ্যা ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত সাংবাদিক সম্মেলন।

ওই একই দিনে রাত ৯টার পরে এমআইকিউ ভিক্ট্রি পার্টিতে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হবে মানুসিকে। মঙ্গলবার হায়দ্রাবাদ যাবেন মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড। সেখানে গ্লোবাল ইন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে থাকবেন তিনি।

বুধবার চলে যাবেন দিল্লি। সেখানে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা শেষে সাংবাদিক সম্মেলন। বৃহস্পতিবার বিশেষ সফরে পাড়ি দেবেন হরিয়ানার কুরক্ষেত্র। সেখানে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী সংবর্ধনা দেবেন মানুসিকে। তার পর আবার ফিরবেন দিল্লিতে। সন্ধ্যায় সিএনএন-আইবিএন ইন্ডয়ান অব দ্য ইয়ার ইভেন্টে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন তিনি।

শুক্রবার সোনপতে যাবেন বিপিএস গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে। এই কলেজেই ডাক্তারি পড়ছেন মানুসি। কলেজ থেকেও তিনি পাবেন সংবর্ধনা। ওই অনুষ্ঠান শেষেই ফিরবেন মুম্বাইতে। রাতে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন ফিল্মফেয়ার গ্ল্যামার অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে। সেখানে বিখ্যাত বলিউড তারকারা তাকে সম্মান জানাবেন।

উল্লেখ্য, ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানুসি চিল্লার চীনে আয়োজিত এবারের ‘৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড’প্রতিযোগিতায় বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জিতেছেন। নতুন মিস ওয়ার্ল্ডকে মুকুট পরিয়ে দেন গত বছরের বিশ্বসুন্দরী স্টেফানি দেল ভালে। ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হন মেক্সিকোর আন্দ্রে মেজা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হন ইংল্যান্ডের স্টিফেনি হিল। শনিবার মধ্যরাতে চীন থেকে নিজ দেশ ভারতে ফিরেছেন মানুসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কপিলমুনিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সালামের স্মরণ সভা

কৃষ্ণ দাস,তালা : বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুস সালামের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে শোক ও শপথের ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী-১৭ শীর্ষক’ এক স্মরণ সভা শনিবার বিকাল ৩ টায় কপিলমুনি সহচরী ময়দানে(বালুর মাঠ) অনুষ্ঠিত হয়। বিপ্লবী সালাম স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে এ্যাডঃ বিপ্লব কান্তি মন্ডলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জাসদের কেন্দ্রিয় নেতা ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,খুলনা জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল করিম,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তালা জেএসডির সভাপতি ও অধ্যাপক মোড়ল আবু বক্কর সিদ্দীকি,জেএসডি’র কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান,তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আলউদ্দীন জোয়াদ্দার। বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা ওয়ার্কাস পার্টির সদস্য সরদার জিল্লুর রহমান,তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান,কপিলমুনি মেহেরুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার শম্পা,মাসুমা বেগম,সাংবাদিক জগদ্বীশ দে, জেএসডি’র তালা উপজেলা সহ-সভাপতি আনন্দ অধিকারী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,দিলীপ সরকার। সভায় বক্তারা বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কায়েম এবং সমাজতান্ত্রিক স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আজীবন রাজপথে ছিলেন আব্দুস সালাম মোড়ল। তার মৃত্যুহীণ শ্লোগান ’যাদের জন্য ঘর ছেড়েছি,যাদের জন্য পথে নেমেছি সেই পথের মানুষের ঘরের ঠিকানা না দিয়ে ঐ ঘরে আর আমি ফিরে যাবনা” এখনো বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা যোগায়। বাংলাদেশ গড়ার প্রথম তহবিল গঠনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তিনি সরকারকে দিয়েছিলেন। সাতক্ষীরায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন মোড়ল আব্দুস সালাম। তিনি ছিলেন,শ্রমজীবি,কর্মজীবি,পেশাজীবি,নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের প্রতিনিধি। একজন নির্লোভী মানুষ হিসেবে মোড়ল আব্দুস সালামের স্বপ্ন ছিল ভিসামুক্ত পৃথিবী গড়ার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ-১৮ নড়াইল কে হারিয়ে সাতক্ষীরা চ্যাম্পিয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ-১৮ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০১৭-১৮ এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শানবার বিকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর আয়োজনে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফাইনাল খেলায় বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তার বক্তব্যে বলেন,‘লেখা-পড়ার পাশাপাশি খেলা-ধুলা মেধা ও মনের বিকাশ ঘটায়। বাংলাদেশে বর্তমানে ক্রিকেটে প্রসার লাভ করেছে। মেধা ও শ্রম দিয়ে ক্রিকেট খেললে ভাল মানের ক্রিকেটার হওয়া সম্ভব।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু ও ইঞ্জিনিয়ার কবির উদ্দিন আহম্মেদ, বিসিবির কর্মকর্তা জভেদ ইসলাম তাপস। ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় সাতক্ষীরা জেলা দল বনাম নড়াইল জেলা দল। ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ-১৮ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় নড়াইল জেলা দলকে হারিয়ে সাতক্ষীরা জেলা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। সাতক্ষীরা জেলা দল ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে নড়াইল জেলা দল ৩২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান সংগ্রহ করে। ফলে সাতক্ষীরা জেলা দল ৯০ রানে জয় লাভ করে। উল্লেখ্য যে, সাতক্ষীরা জেলা ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ-১৮ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পর পর তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খান, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম শানু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম শানু, নির্বাহী সদস্য ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ইদ্রিস বাবু, কাজী কামরুজ্জামান, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি, কবিরুজ্জামান রুবেল, স.ম সেলিম রেজা, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, মো. হাফিজুর রহমান খান বিটু, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিরন্ময় সরকার ও বিসিবির কোচ মোফাচ্ছিনুল ইসলাম তপু, সাতক্ষীরা জেলা দলের কোচ ফজলুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ও ক্রিকেটপ্রেমী দর্শক। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় আম্পায়ারস্ এসোসিয়েশনের সভাপতি আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া টাউন বাজারস্থ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক জরুরি সভা শেষে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসান ইমামের সঞ্চলানায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহম্মেদ। আগামী জাতীয় নির্বাচকে সামনে রেখে সংগঠনের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেবহাটা উপজেলা শাখার সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, মোনয়েম হোসেনকে সহ-সভাপতি, রফিকুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক, মনিরুল ইসলামকে যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুর রহিমকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আনন্দ শোভাযাত্রা


দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সারাদেশের সাথে একযোগে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উক্ত দিবসটি পালিত হয়। শুরুতে উপজেলা চত্বর হতে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে দেবহাটা থানা মোড়, দেবহাটা বাজারসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা এবং ডিজিটাল সেন্টারে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড গোলাম মোস্তফা। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস নাজমুন নাহারের সার্বিক সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন রতন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের জেলা আহবায়ক আবু রাহান তিতু, কেবিএ কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমুখ। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে রচনা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীদের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি উদযাপনে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঢাকা রেন্সকোর্স ময়দানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্ট্রার: এ অর্ন্তভূক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রমান্য ঐতিহ্যে‘র স্বীকৃতি লাভ করায় কালিগঞ্জের সর্বস্থরের মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় উৎসবের অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদীয় আসন ১০৮-সাতক্ষীরা-৪ এর সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার আনন্দ উৎসব ও শোভাযাত্রার অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সোহরাওয়ার্দী পার্ক কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহীম ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সঞ্চালনায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের মাঠ প্রাঙ্গণে অবস্থিত আনন্দ উৎসবের মুক্ত মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধকালিন (বিএলএফ) কমান্ডার আলহাজ্ব খান আসাদুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান সুমন, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকাত হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান কেএম মোশারাফ, ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার প্রমুখ। পারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সামাজিক ও সুশীল সমাজ, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীবৃন্দের উপস্থিতিতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে খানবাহাদুর আহছানউল্লা সেতু সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু‘র ম্যুরালের পাদদেশে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক চলচিত্র ওরা ১১জন প্রদর্শিত ও সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃতি ও গুনি শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আওয়ামীলীগের দু’ গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১০

নিজস্ব প্রতিবেদক : আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টার দিকে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষন ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ায় সরকারি ভাবে কলারোয়া উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান চলাকালিন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর কর্মী সমর্থকরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপনের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে লাল্টুর সমর্থকরা স্বপনের কর্মী সমর্থকদের উপর ইট, পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় উভয় পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদে স্বপনকে তার কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর কর্মী সমর্থকরা দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।
কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন জানান, লাল্টু গ্রুপের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং আমার নেতা কর্মীদের মারধর করে আহত করে।
তবে, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। এটা ফিরোজ আহমেদ স্বপনের কারসাজি। তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার নেতা কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার জানান, উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছে। এ রিপোর্ট লেখাপর্যন্ত কলারোয়া থানায় উভয় পক্ষ অবস্থান করছিলো বলে জানাগেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest