সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

রসুলপুর ফুটবল মাঠের চারিপাশের প্রাচীন বৃক্ষ নিধন; ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার শহরের রসুলপুর ফুটবল মাঠের চারপাশে অবাধে বৃক্ষ নিধন করে বিক্রির অভিযোগে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। টেন্ডার ও বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে অনুমান ৫ লক্ষ টাকার গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। রসুলপুর ফুটবল মাঠের চারপাশের ৪০ থেকে ৫০টি গাছ কেটে নিয়ে বিক্রি করেছে রসুলপুর ক্লাব। ফলে ঐ এলাকার বৃক্ষ সম্পদ ধ্বংস হতে চলেছে। পরিবেশের ভারসাম্য ও সুষম জলবায়ুর প্রয়োজনে একটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক। অথচ ক্লাব কর্তৃপক্ষ কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বৃক্ষ নিধন করেছেন। রসুলপুর যুব সমিতির সদস্য মিজানুর রহমান খান বলেন, বহু বছর আগে ঐ এলাকার খান পরিবারের সদস্যরা খেলা-ধূলার স্বার্থে সকলে মিলে জমি দান করেন এবং মাঠের চারিপাশে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে অনেকগুলি গাছ লাগান। রসুলপুর যুব সমিতির নামে রেকডীয় সম্পত্তির উপর লাগানো গাছগুলো এভাবে কাউকে না জানিয়ে কেটে বিক্রি করা হয়েছে। গাছগুলি ফুটবল মাঠের সীমানার বাহিরে। কি কারনে গাছ কাটা হল জানিনা। যা এলাকাবাসীসহ সাধারণ মানুষের কাম্য নয়। এব্যাপারে রসুলপুর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান বিটু বলেন, আমরা ক্লাবের পক্ষ থেকে রেজুলেশন করে প্রশাসনকে জানিয়ে গাছ কেটে বিক্রি করেছি। সাতক্ষীরা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের গাছগুলি দেখিয়েছি। তারা বলেছে এ গাছ আর বড় হবেনা। মাঠটির বাউন্ডারি প্রাচীর না থাকায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে নেশাখোরদের আড্ডা বসে। সেকারনে এই গাছ কেটে বিক্রি করে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হবে এবং মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হবে। প্রাচীর নির্মাণ হলে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার এটি উদ্বোধন করবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রসুলপুর যুব সমিতির এক ব্যক্তি জানান, রসুলপুর ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া এই গাছ বিক্রির বিষয়ে কেউ জানেনা। ক্লাবের নির্বাচন হয়না বহু বছর। কিভাবে তারা ক্লাব চালাচ্ছেন এলাকাবাসী জানেনা। রসুলপুর ক্লাবের সভাপতি মেহেদী হাসান ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন। ব্যাংকে অর্থ জালিয়াতির কেচে চাকরি নেই। তিনি ক্লাবের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিকাশ দেননা। কাউকে না জানিয়ে এতগুলি গাছ বিক্রি করলেন কিভাবে? ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও রসুলপুর যুব সমিতির কেউ জানেনা। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বৃক্ষ নিধনের অভিযোগ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে। বৃক্ষ নিধনের ফলে ওই এলাকায় দ্রুত পরিবেশের বিপর্যয় ঘটার আশংকা রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রামপালে সেফটি প্রকল্পের অবহিত করণ সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিবিভাগ (ইউএসডিএ) এর অর্থায়নে উইন্রক ইন্টারন্যাশনালের সেফ এ্যাকুয়াফার্মিং ফর ইকোনোমিক এ্যান্ডট্রেড ইমপ্রুভমেন্ট (সেফটি) প্রকল্প বাংলাদেশে চিংড়ির উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে । আধানিবিড় চিংড়ি চাষ পদ্ধতি চাষীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সেফটি প্রকল্প রামপাল উপজেলার ৩৮টি গ্রামে কাজ করে যাচ্ছে। প্রায় ৯৫০ জন চাষী ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।
সেফটি প্রকল্পের অবহিতকরন সভাগত ০৮ ই জানুয়ারী ২০১৮ সোমবার, রামপাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা, শিক্ষাকর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সমাজ সেবা কর্মকর্তা, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তাসহ কোডেকসীডস ও ক্ষুদ্রঋণ প্রোগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত কর্মশালায় প্রকল্প কর্ম এলাকার পাঁচটি ইউনিয়নের সম্মানীত ইউপি চেয়ারম্যানগন উপস্থিত ছিলেন।
অবহিতকরন সভায় কোডেক-সেফটি প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃনজরুল ইসলাম প্রকল্পের পরিচিতি ও লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। সেফটি প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক এরশাদুল ইসলাম ও সিনিয়ার উপজেলা মৎস্য কমৃকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ চিংড়ি শিল্পের বর্তমান সমস্যা উল্লেখ করে এর সম্ভাব্য সমাধান বিষয়ে আলোচনা করেন। অবহিত করন সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস হোসনেয়ারা মিলি।
এই প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম অএ এলাকার চিংড়ি চাষীদের স্বপ্ন পুরনে সহায়ক হবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি চাষীদের পাশে থেকে হাতে কলমে কাজ করলে প্রত্যাশিত ফল আসবে বলে তিনি আশা করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানবতাবিরোধী অপরাধ ২ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পাঁচ রাজাকারের মধ্যে দুজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ, বাকি তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

এর মধ্যে নেছার আলী ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আর শামসুল আলম চৌধুরী, মোবারক ও ইউনুছকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন।

তাঁদের মধ্যে ইউনুস আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী কারাগারে আছেন। বাকিরা পলাতক।

গতকাল মঙ্গলবার এর আগে গত ২০ নভেম্বর উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।

২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শামসুল হোসেন তরফদারসহ পাঁচ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়।

২০১৬ সালের ২৬ মে এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা।
গত বছরের ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ওই দিন বিকেলেই রাজনগর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের ওজায়ের আহমেদ চৌধুরীকে মৌলভীবাজার শহরের চৌমোহনা থেকে ও সোনাটিকি গ্রামের মৌলভি ইউনুস আহমেদকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর ২০ জানুয়ারি তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী নৌ-কমান্ডো খলিলুর রহমানের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট: মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক নৌ-কমান্ডো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক সবার প্রিয় কমান্ডার মো. খলিলুর রহমান আর নেই(ইন্না—রাজিউন)। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন সাতক্ষীরার যুদ্ধাপরাধ মামলার ৪ আসামি আব্দুল খালেক মন্ডল, আব্দুল্লাহিল বাকী, খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ওরফে টিক্কার বিরুদ্ধে মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন। তার মৃত্যুতে সাতক্ষীরায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তিনি ঢাকার গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে শেষ নিঃশ^াস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। নৌকমান্ডো মো. খলিলুর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ভাতশালা গ্রামে। তার পিতার নাম মৃত আয়জুদ্দিন বিশ^াস। কমান্ডো খলিলুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অপারেশন জ্যাকপটে অংশগ্রহণ করেন। অপারেশন জ্যাকপট শেষে সাতক্ষীরায় ফেরার পথে আশাশুনির বুধহাটায় তিনিসহ তার সাথীরা পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এদেশীয় দোসর রাজাকার কমান্ডার বাকী ও রোকনুজ্জামান খানের বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। সেখানে তাদের দুই সহযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা বাকী এবং রোকন খান। বর্তমানে এই হত্যাকা-সহ ৭টি সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান ছিলেন এ মামলার চাক্ষুস সাক্ষী।

এমপি রবির শোক:
মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। তার মৃত্যুতে এমপি রবি বলেন, সবার প্রিয় মো. খলিলুর রহমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক নৌ-কমান্ডো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক। সবার প্রিয় এই মানুষটি সারাটা জীবন সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে অধিকার সম্মান আদায়সহ বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। যেখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি দেখতেন তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান ঝাপিয়ে পড়তেন। সাতক্ষীরাসহ দেশের মুক্তিযোদ্ধারা একজন দক্ষ কর্মীকে হারাল। তার এ ক্ষতি কখনও পুরণ হওয়ার নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্টে সেরা বোলার রাবাদা

জেমস আন্ডারসনকে সরিয়ে টেস্টে সেরা বোলারের স্থান দখল করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলার কাগিসো রাবাদা। ভারতের বিপক্ষে ক্যাপটাউট টেস্টে ৫ উইকেট পান ২২ বছরের রাবাদা। ফলে তার নামের পাশে যোগ হয় ৫ রেটিং পয়েন্ট। অন্যদিকে সিডনিতে ফাইনাল অ্যাশেজ টেস্টে ৫৬ রান দিয়ে ১ উইকেট পান আন্ডারসন। এতে তার ৫ পয়েন্ট কমে গেছে।

সেরা হওয়ার পর রাবাদা বলেন, টেস্টে সেরা বোলার হওয়া অনেক আনন্দের। এ অনুভূতি প্রকাশ করা যাবে না। শুরু থেকে সব খেলোয়াড়ই এ স্থান অর্জনের স্বপ্ন দেখে।

টেস্টে সেরা ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ। দ্বিতীয় স্থানে আছেন জো রুট। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছেন বিরাট কোহলি ও কেনে উইলিয়ামসন। পঞ্চম স্থানে আছেন চেতেশ্বর পূজারা। সূত্র : ইএসপিএন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসহায় শিশু হালিমা বাঁচতে চায়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১ বছরের শিশু হালিমা বাঁচতে চায়। মাত্র ১বছর হলো পৃথিবীর আলো দেখেছে সে। জন্ম নিয়েই সে আজ পৌঁছে গেছে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। শিশু হালিমা এখনো কথা বলতে শেখেনি। ভালো করে চিনে উঠতে পারেনি তার পিতা-মাতকেও। অথচ নিয়তির কি নির্মমতা। এ বয়সেই তার হার্ট ছিদ্র হয়ে গেছে। এদিকে তার পিতা মেয়ের এ অবস্থা দেখে গোপনে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। কিন্তু মা আর কোথায় যাবেন। সহায় সম্বলহীন মাতা সুখিলা বেগম শিশুটির জীবন বাঁচানোর জন্য সকলের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন। নিজের কাছে কোন অর্থ না থাকলেও শিশু কন্যা হালিমা কে বাঁচানোর জন্য এ পর্যন্ত ধার দেনা করে অনেক পয়সা ব্যয় করেছেন তিনি। কিন্তু চিকিৎসক বলেছেন হালিমা কে বাঁচাতে হলে ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে অপারেশন করতে হবে। সেখানে প্রায় ৩লক্ষাধিক টাকা প্রয়োজন। যা ওই অসহায়, গরিব মাতা সুখিলা বেগমের পক্ষে বহন করা সম্ভব না। শিশুটিকে বাঁচাতে তার অসহায় মাতা সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা; সুখিলা বেগম, সাং- মধুমোল্লার ডাংগী, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা। বিকাশ নং- ০১৯৯১-৬১২৭৩৪।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ১৩

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

সান্তা বারবারা কাউন্টি শেরিফ বিল ব্রাউন জানিয়েছেন, মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কর্মকর্তারা বলছেন, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে মনটেসিটোর উপকূলীয় এলাকায়। যেখানে কাদামাক্ত এবং বন্যার পানিতে তৃণভূমি এলাকা ভেসে গেছে। অথচ গত মাসে দাবানলে ওই্ এলাকায় হাজার হাজার একর জমি আগুন পুড়ে যায়।

বন্যা আর ভূমিধসের কারণে ধসে পড়েছে ঘরবাড়ি। কাদাযুক্ত বন্যার পানি জমে আছে রাস্তায়। যার কারণে সড়কপথে চলাচল আপাতত বন্ধ রয়েছে।

অনেকেই পানির কারণে বিভিন্ন স্থানে আটকে আছে। এমন আটকে থাকা অর্ধশত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। আর এক হাজারের বেশি স্থানীয় বাসিন্দা আগেভাগেই শহর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ৫ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ৫ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সোমবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়ে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন। এসময় বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা মোঃ আবুল কাশেম, মোস্তাফিজুর রহমান(তিতু), শেখ আব্দুল গফফার, মো: একরামুল কবীর, পরিমল কুমার, নিমাই চন্দ্র মন্ডল, মো: আব্দুল আওয়াল, মোঃ ফেরদৌস আলম, মনিরুল ইসলাম, বিশ্বরঞ্জন সরকার, তপন কুমার সরকার,মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম। যিনি কিনা শিক্ষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে একবারে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছেন। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রীর এ মহতি উদ্যোগের কারণে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest