সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

ভাঁদড়ায় শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মো. নাজমুল আরেফিন, কুশখালী : সদর উপজেলার কুশখালী ভাঁদড়া ফুটবল মাঠে উত্তেজনাপূর্ণ শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’র ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে ভাঁদড়া বাউকোলা স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্ট’র ফাইনাল খেলায় শিয়াল ডাঙ্গা এস,ডি ফুটবল একাদশকে ২-০ গোলে পরাজিত করে জালালাবাদ ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়।

কুশখালী ইউ.পি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী দলকে রেফ্রিজারেটর এবং পরাজিত দলকে রানার্স আপ রঙিন টিভি প্রদান করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, কুশখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. খাইরুল বাসার, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মো. মতলেবুর রহমান টুটুল, ইউপি সদস্য সাইফুদ্দিন পলাশ, মো. আলমগীর হোসেন, ভাঁদড়া বাউকোলা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মাস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ। উক্ত খেলায় ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন জালালাবাদ ফুটবল একাদশের তুহিন হোসেন। খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ। ধারা বর্ণনা করেন মো. হাফিজুর রহমান ও আরিফুজ্জামান আরিফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত ডিওডোরেন্ট মারাত্মক ক্ষতির কারণ!

নিয়মিত ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহারের ফলে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! কেননা, ডিওডোরেন্টের সবটাই কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি এবং খুবই টক্সিক বা ক্ষতিকারক। প্রতিদিন ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের কারণে ত্বক এই কেমিক্যাল শুষে নেয়‚ ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে।
সাম্প্রতিক গবেষণায় ডিওডোরেন্টের সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আরও জেনে নিন-

ঘাম গ্রন্থি বন্ধ করে দেয়: ডিওডোরেন্ট আর অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহারের ফলে রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বহু ক্ষতিকারক টক্সিনস বেরিয়ে যায়। কিন্তু রোমকূপ বন্ধ থাকলে তা শরীরের ভিতর জমতে থাকে। এতে শরীরের কোষ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি ক্যানসারের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা: সাধারণত ডিওডোরেন্টে প্রোপেলিন গ্লেকল (Propylene Glycol) নামের কম্পাউন্ড থাকে বলে বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা হতে পারে। যেমন: গায়ে লাল গুটি দেখা যেতে পারে বা ত্বক জ্বালা করতে পারে। একই সঙ্গে এই কম্পাউন্ড নিউরোটক্সিক।
ফলে আপনার সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। রোল অন বা স্টিক ডিওডোরেন্টে প্রোপেলিন গ্লেকলের মাত্রা বেশি থাকে।

অ্যালঝাইমারস ডিজিজ: অ্যান্টিপারসপিরেন্টের প্রধান উপদান হলো অ্যালুমিনিয়াম। এর ফলে হতে পারে ডিমনেশিয়া এবং অ্যালঝাইমারস ডিজিজ। বারবার ডিওডোরেন্টের গন্ধ শুকলে অ্যাজমাও হতে পারে।

হরমোনাল ইমবালেন্স: বেশিরভাগ ডিওডোরেন্টে প্রিজারভেটিভ হিসেবে প্যারাবেনস (Parabens) ব্যবহার করা হয়। এর ফলে শরীরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স থেকে অনিয়মিত ঋতুচক্রের সমস্যা তৈরি হয় এবং মেয়েরা উপযুক্ত বয়েসের আগেই ঋতুমতী হয়ে যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিপজলের হার্টে বাইপাস সার্জারি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের হার্টে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। সোমবার দুপুরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার দুপুরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয় ডিপজলের। তবে অস্ত্রোপচারের পর ডিপজলের শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে এখনো তেমন কিছু জানতে পারিনি।

এর আগে গতকাল ডিপজলের মেয়ে অলিজা মনোয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, আল্লাহর রহমত ও সিঙ্গাপুরের হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় এক মাস বিশ্রামের পর বাবার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য বাবা প্রস্তুত। এসময় তিনি ডিপজলের সবার কাছে দোয়া চান।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ডিপজলকে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগের দিন বিকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তখন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউতে রাখা হয় তাকে।

এদিকে, ডিপজল অভিনীত ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবিটি ১৩ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে।
ছবিতে তার বিপরীতে জুটি হয়েছেন মৌসুমী। ডিপজল ১৯৮৯ সালে ‘টাকার পাহাড়’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ছবিটি পরিচালনা করেন মনতাজুর রহমান আকবর। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৩ সালে।

ওই ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছিলেন ডিপজল। পরবর্তীতে খলনায়ক হিসেবে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এ অভিনেতা ‘চাচ্চু’ ছবির মাধ্যমে ফের ইতিবাচক চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কোন একটি সময়ে বলা হত আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাবে মসজিদে আজানের পরিবর্তে উলুধ্বনি উচ্চারন হবে। বাংলাদেশের মানুষের এই ভ্রান্ত ধারনা পাল্টে দিয়ে কওমী মাদ্রসা সহ বিভিন্ন মাদ্রাসার স¦ীকৃতি আজ আওয়ামীলীগ সরকারই দিয়েছে যা বিগত অন্য কোন সরকার দেয়নি। ১৯৯৬ সাল থেকে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন তিন বার ক্ষমতায় গিয়েছেন কিন্তু কেউ কি বলতে পারবে একটি মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ হয়েছে, বন্ধ হওয়ার পরিবর্তে প্রতিটি মসজিদ মাদ্রাসায় সরকারে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে । বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। বাংলাদেশের সকল স্কুল কলেজ মাদ্রায়ায় মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যাবস্থা করেছেন। স্কুল আর মাদ্রাসার সমঅধিকার দিয়েছেন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যদি ইঞ্জিনিয়ার হয় তাহলে বাংলাদেশের কোথাও সরকারী কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাই হবে না। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মুখে অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার সময় জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান শুনে আমি আনন্দিত হয়েছি আপ্লুত হয়েছি কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুশুলিয়ার দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার মাঠ প্রাঙ্গনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসকল কথা বলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সাবেক কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোফাখখারুল ইসলাম নিলুর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার শিক্ষক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, সদর কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন,উপজেলা পুলিশিং কমিটির সেক্রেটারী কাজী রওনাকুল ইসলাম,অত্র মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা আজিজুল হক। ছাত্রÑ ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দশম শ্রেনীর ছাত্র হাফেজ রবিউল ইসলাম। এসময় অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের সাবেক সহ- সভাপতি জি,এম মাহাতাব উদ্দিন, জেলা পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য এস,এম আসাদুর রহমান সেলিম,৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য নুরুজ্জামান জামু ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য রোজিনা কান্টু,দক্ষিণ শ্রীপুর কুশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু রায়হান সিদ্দিক,কুশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলেগের সভাপতি কাজী কাওফিল অরা সজল, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম কুমার লস্কার, সহ-সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ সহ উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেঁয়াজের দাম লাগামহীন

লাগামহীন পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে রোববার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। অথচ এক মাস আগে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায়। সে হিসাবে গত এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। এর মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন দফায় দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

রোববার ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবির দৈনিক বাজার দরের তালিকায় দেশি পেঁয়াজের দাম দেয়া আছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ছিল। এক মাস আগে দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৭৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এছাড়া বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ১৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
অন্যদিকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা। আর এক মাস আগে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। সেক্ষেত্রে এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ১৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
জানতে চাইলে ক্যাবের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান রোববার বলেন, পণ্যের দাম কোনো সময় কমতে পারে আবার বাড়তেও পারে। যখন কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়, তখনই জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। তাই এটা দূর করতে সরকারকেই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে চাহিদা নিরূপণ করে সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে পণ্যের দাম কমতে বাধ্য।
এদিকে রোববার সরেজমিন রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের কোনো সংকট দেখা যায়নি। বাজারে পাইকারি আড়তে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজের বস্তা দেখা গেছে। আর খুচরা বাজারেও কোনো ধরনের সংকট লক্ষ করা যায়নি।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের পেঁয়াজের বাজার ভারত থেকে আমদানির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়েছে, তাই দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানিও কমে গেছে। এ কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম একটু বাড়তি।
অন্যদিকে পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দেশি পেঁয়াজ আছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়। দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই, তাই দাম একটু বাড়তির দিকে।
কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আবদুল মালিক বলেন, বাজারে পুরান পেঁয়াজ শেষের দিকে। নতুন করে আবাদ করা পেঁয়াজ এখনও কৃষকের জমিতে আছে। সেই নতুন পেঁয়াজ আসতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তাই বাজারে দেশি পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে, যার কারণে দাম একটু বাড়তির দিকে। তিনি বলেন, নতুন পেঁয়াজ এলেই দাম আবার কমতে থাকবে।
একই বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. হোসাইন আলী বলেন, আড়তদাররা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। যে কারণে তাদেরও বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। আর বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব গিয়ে পড়ছে ভোক্তার ওপর।

পেঁয়াজের রফতানি মূল্য টনপ্রতি ২০০ ডলার বাড়িয়েছে ভারতের ব্যবসায়ীরা : দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, হঠাৎ করেই রোববার থেকে পেঁয়াজের এলসি মূল্য টনপ্রতি ২০০ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কমেছে ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি। এ অবস্থায় হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১২ থেকে ১৪ টাকা।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বাবলু জানান, দফায় দফায় পেঁয়াজের এলসি মূল্য বাড়িয়ে এক সপ্তাহ আগে টনপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ ডলারে উন্নীত করে ভারতের পেঁয়াজ রফতানিকারকরা। রোববার হঠাৎ করেই ভারতের ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের এলসি মূল্য ৫০০ ডলার থেকে ৭০০ ডলারে উন্নীত করে।
আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা তাদের জানিয়েছেন বন্যার কারণে সে দেশের পাটনা, বিহার, কানপুর, ইন্দর, গুজরাট, রাজস্থান রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রয়েছে। শুধু নাসিক ও বেঙ্গালোর থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। তবে আমদানি না বাড়ালে দাম আরও বাড়তে পারে। এলসি মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে পেঁয়াজ আমদানি। চাহিদার তুলনায় কম পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় এর প্রভাব বাজারে পড়েছে বলে জানান আমদানিকারকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ঝুঁকছে রাশিয়ার দিকে

গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র আশায় বুক বেঁধেছিল যে তিনি তার পূর্বসূরির চেয়ে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবেন। মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা উদাসীনতা দেখিয়ে তাদের ত্যাগ করেছেন বলে মিত্রদের মনে ধারণা তৈরি হয়। ওবামার দৃষ্টি ছিল এশিয়ায়। ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি চীনের ক্রমবর্ধমান উত্থান ঠেকাতে প্রশান্ত অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি জোরদার করেন।

ওবামা আরব বসন্তের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের ওপর থেকে সমর্থন তুলে দেশটির জনগণের পক্ষ নেন। সিরিয়ায় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে তার অনীহা এবং ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর যুক্তরাষ্ট্রবিষয়ক গবেষক জেন কিনিনমন্ট সিএনএনকে বলেন, ‘অনেক বছর থেকে এখন পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ইরাকের আগ্রাসনের মুখে কুয়েতকে মুক্ত করার মতো ঘটনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যে অঙ্গীকার ছিল সেখান থেকে এখন পিছু হটেছে (ওয়াশিংটন)।’

তিনি বলেন, ওবামা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে তিনি আরবের রাজাদের তেমন পছন্দ করেন না। এখন ট্রাম্প এসে তাদের আলিঙ্গন করেছেন। তিনি অস্ত্র বিক্রির অঙ্গীকার করছেন। তবে তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে এখনও এই ধারণা রয়েছে যে, ওয়াশিংটন উপসাগরীয় অঞ্চলে শুধু ততক্ষণই থাকবে যতক্ষণ তার নিজের স্বার্থে দরকার।

এটি সত্য যে, কাতার ও অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যকার বিরোধ মেটাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

তবে টিলারসন ক্ষমতায় আসার পর অভিজ্ঞ কূটনীতিকদের গণহারে পদত্যাগের পর সেসব পদে নিয়োগ চলছে ধীরগতিতে। অভিজ্ঞ কূটনীতিক পাওয়াটাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কিনিনমন্ট বলছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো বুঝতে পারছে তাদের মিত্র দরকার। আর তখনই দৃশ্যপটে হাজির রাশিয়া। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ বাজি বলেন, তারা এখন মস্কোর দিকে ঝুঁকছে।

অক্টোবরে সৌদি বাদশা সালমানের রাশিয়া সফর এর একটা জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত। এটা নিয়ে বাড়িয়ে বলার কিছু নেই। এই প্রথম কোনো সৌদি বাদশা মস্কো সফর করলেন। অথচ মাত্র দু’দশক আগেও আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে উৎখাত করতে তারা টাকা ঢেলেছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এই সফর তেমন গুরুত্ব পায়নি।

সৌদি আরব মার্কিন আনুগত্য ত্যাগ করেছে, বিষয়টি তেমন নয়। তবে এটা তাদের এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চৌকস বিদেশনীতি। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে তিনি এখন ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। গত মাসে তুরস্ক সফর করেছেন পুতিন। ইরানের সঙ্গেও তার সদ্ভাব রয়েছে। ট্রাম্পের চেয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে সম্যক ওয়াকিবহাল।

যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতিতে অনেক বিশ্ব নেতা নতুন সম্পর্কের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকে আবার যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নাখোশ। যেমন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র তুর্কি পর্যটক, শিক্ষার্থী, কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিলে আঙ্কারাও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই ঘোষণা দেয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা তুরস্কের নেতা রিসেপ তায়েপ এরদোগানকে রাজনৈতিক সংস্কারক বলে মনে করতেন। তিনি প্রথম সফরে তুরস্ক গিয়েছিলেন। কিন্তু তুরস্কে গত বছরের অভ্যুত্থানের পরপরই এরদোগানের পাশে দাঁড়ান পুতিন। ইরান তাকে সমর্থন দেয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতিক্রিয়া ছিল সে তুলনায় নগণ্য।

এরপর থেকেই রাশিয়া ও ইরান সম্পর্কে এরদোগানের ইতিবাচক ধারণা আরও বেড়েছে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে পিছু হটতে শুরু করে। তবে ওবামার আমলে তা পূর্ণোদ্যমে চলে।

ওবামা বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইস্যুগুলো ভাগাভাগি করা উচিত সৌদির। সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন নিয়ে ইরান ও সৌদি আরবের প্রক্সিযুদ্ধের অবসানের জন্য উভয়ের একটি কার্যকর পন্থা বের করা দরকার। ওবামা স্পষ্ট করে দেন যে এ সংকটে যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষ নেবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হজম শক্তি বাড়াতে ফাইবারের ম্যাজিক!

খাবারে যেমন স্বাদ থাকা দরকার, তেমনই থাকা দরকার পুষ্টিগুণও। কারণ সবার আগে শরীর ভাল থাকাটাই আসল।
আমাদের খাদ্যাভ্যাস এমন হওয়া দরকার যাতে রক্তচাপ, ফাইবার, রক্তে শর্করার পরিমাণ ইত্যাদি সঠিক থাকে। একইসঙ্গে বজায় থাকে ওজন এবং স্বাস্থ্য। ফাইবার দুই ধরণের হয়। দ্রাব্য এবং অদ্রাব্য। দ্রাব্য ফাইবার আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে। আবার যারা কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তারাও দ্রাব্য ফাইবার খেতে পারেন। যেমন- ফল, সবজি ইত্যাদি। অদ্রাব্য ফাইবার খাবার হজম করতে এবং ডায়রিয়া সহ নানা পেটের রোগ সারাতে সাহায্য করে। তো দেখে নেওয়া যাক, কি কি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১. ডাল জাতীয় খাবার:
প্রতিদিনের খাবারে নিয়ম করে ফাইবার সমৃদ্ধ উপাদান রাখা খুবই উপকারি। কারণ এরা আমাদের শরীরকে ভাল এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, তেমনই ডাল জাতীয় খাবারগুলি উপাদানগুলি প্রোটিন, আইরন, ফোলেট, ভিটামিন এবং ম্যাঙ্গানিজের দ্বারা সমৃদ্ধ হয়। এই উপাদানগুলি নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।

২.খাদ্যশস্য:
প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে খাদ্যশস্য রাখা খুবই ভাল। কারণ এগুলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যেমন- ধান, রাই, ওট, বারলি, ভুট্টা, বাদামি চাল, মিলেট ইত্যাদি।

৩.বাদাম:
প্রতিদিন একটু করে নানারকমের বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। যেমন- কাঠবাদাম, পেস্তা, চিনাবাদাম ইত্যাদি। এই বাদামগুলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফলে শরীর রোগ মুক্ত তো থাকেই, সেই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।

৪. অ্যাভোকাডো:
অ্যাভোকাডো ফাইবারে ঠাঁসা একটি ফল। সেই সঙ্গে এটির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই থাকে। এখানেই শেষ নয়, শরীরে উপকারি ফ্যাটের জোগান দিতে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো।

৫.নাসপাতি:
সুস্বাদু, রসালো এবং মিষ্টি এই ফল শরীরের জন্য দারুণ উপকারি। এই ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এছাড়াও থাকে, ভিতামন সি, ভিটামিন কে, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম। তাই সুস্থ-সবল থাকতে এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৬.নারকেল:
নারকেলও ফাইবার সমৃদ্ধ। একইসঙ্গে এতে থাকে ম্যাঙ্গানিজ, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফোলেট, সেলিনিয়াম ইত্যাদি। তাই খাদ্যাভ্যাসে নারকেল রাখা খুবই ভাল। নারকেল কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৭. মটরশুঁটি:
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে অন্যতম হল মটরশুঁটির। এছাড়াও, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে দেহের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে প্রদাহজনিত সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।

৮.তিসির বীজ:
তিসির বীজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফসফরাস এবং ফাইবার থাকে। প্রতিদিন স্যালাড বা সুপের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। প্রসঙ্গত, ফ্ল্যাক্সসিড ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

৯. চিয়া সিড বা রাড়ির বীজ:
চিয়া সিডের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এছাড়াও থাকে অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান। তাই তো নিয়মিত চিয়াসিড জলে ভজয়ে খেলে হজম শক্তি বাড়ে, সেই সঙ্গে ওজনও কমে চোখে পরার মতো।

১০. কাবলি ছোলা:
কাবলি ছোলা দেহে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে উপস্থিত ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, প্রোটিন এবং ম্যাঙ্গানিজ নানাভাবে শরীরের কাজে লেগে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথক দুই তালেবান হামলায় ১৯ আফগান পুলিশ নিহত

আফগানিস্তানের তাজিকিস্তান সীমান্তের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ কুনদুজ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ যাবুলে পৃথক দু’টি তালেবান হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন। রবিবার এ খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে কুনদুজ প্রদেশের খান আবিদ জেলার গভর্নর হায়াতুল্লাহ আমিরি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলেন, শনিবার রাতে তল্লাশি চৌকিতে তালেবান গোষ্ঠীর হামলায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। সেখানে দুই ঘণ্টা ধরে চলমান বন্দুকযুদ্ধে মাত্র একজন পুলিশ সদস্য বেঁচে ফিরে আসতে পেরেছেন। তালেবানরা সেখান থেকে অস্ত্রসস্ত্র ও সামরিক যান লুট করে নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

এদিকে জাবুলের আরঘানদাব জেলাপ্রধান আমিরজান আলোকওজায় জানান, সেখানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে সংঘর্ষে ছয় জন পুলিশ নিহত হয়েছেন। এতে ১২ সন্ত্রাসীও নিহত হয়। তিনি আরও জানান, তালিবানদের একটি দল গতরাতে ছয়টি পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে একযোগে হামলা চালায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest