সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

আপিল বিভাগেও সাড়া পাননি খালেদা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আদালতের এ আদেশের ফলে নিম্ন আদালতে এ মামলার কার্যক্রম চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদুকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। এর আগে গত ২২ অক্টোবর খালেদার আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আরো দুই সাক্ষীর পুনঃজেরার প্রয়োজন নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে ও মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করেন খালেদা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুতা-জামায় ইয়াবা ঢুকিয়ে পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্

রাত ১১টা। ব্যবসায়ী আজমল হোসেনের বাসায় হাজির পুলিশের এক টিম।
পরিবারের সবাই যখন হতবাক, একজন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘আপনার বাসায় ইয়াবা ট্যাবলেট আছে। ’ প্রতিবাদ করলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন মিরপুর থানার এসআই মোয়াজ্জেম হোসেন ও তাঁর কথিত সোর্স শামিমুল্লাহ। এরই মধ্যে ব্যবসায়ীর একটি জুতার ভেতর থেকে অভিযানকারীদের একজন তিনটি ইয়াবা বের করে নিয়ে আসেন এবং ব্যবসায়ীকে আটক করার প্রস্তুতি চলে। তখনই পুলিশের সোর্স বলে ওঠেন, ‘স্যারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দেন। বাইচা যাবেন। ’ নিরুপায় হয়ে আজমল চার হাজার টাকা তাঁদের হাতে তুলে দেন এবং বাকি টাকা পরের দিন দেবেন বলে জানান। এসআই মেনে নিলে সোর্স বলে ওঠেন, “স্যার, তার কাছে আরো ‘বড়ি’ আছে। ” এই ঘটনা চলার খবর পেয়ে একজন সাংবাদিক তখনই ওই এসআইকে ফোন করেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সটকে পড়লেও হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত দিয়ে যায়নি। রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকার কিছুদিন আগের ঘটনা এটি।

ব্যবসায়ী আজমল পরে বলেছেন, ‘ইয়াবা কী, জীবনেও দেখিনি। আমি কিছু বোঝার আগেই তারা পাশেই রাখা আমার জুতায় হাত ঢোকায় এবং কয়েকটা বড়ি বের করে। তার মানেই হচ্ছে, আঙুলের ফাঁকে ইয়াবা লুকিয়ে পুলিশ হাত সাফাইয়ের কাজটি করছিল। ’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে পুলিশ তো আমার নামে মিথ্যা মামলাই ঠুকে দিত। ’

ইয়াবা আটকের নাম করে এভাবেই পুলিশ বাণিজ্য করছে, এমন অভিযোগ মাঝেমধ্যেই উঠছে। এই প্রতিবেদকের কাছেও কিছু ঘটনার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগে কিছু কিছু পুলিশ সদস্য আটকও হয়েছেন; তাঁদের বিচার চলছে। এ প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ নাকচ করে দেননি পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দু-একটি ঘটনা সম্পর্কে আমরা অবহিত আছি। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আইজিপি বলেন, নিরপরাধ কাউকে পুলিশ কোনো ধরনের হয়রানি করলে ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশের কোনো সদস্য যদি নিরপরাধ লোকজনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অ্যাকশন নেওয়া হবেই।

তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে শ্যামপুর, কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, গেণ্ডারিয়া ও ডেমরায় পুলিশ ইয়াবা বাণিজ্য করছে, এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের। তারা বলছে, ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলেছেন, আকারে ছোট বলেই ইয়াবা দিয়ে মানুষকে বোকা বানানো পুলিশের জন্য সহজ হয়ে গেছে। এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে না গেলে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা আরো কমে যাবে। পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার সঙ্গে গতকাল যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গত এক বছরে ইয়াবা দিয়ে জিম্মি করার ঘটনায় শতাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে লঘু থেকে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শাস্তিপ্রাপ্তরা অনেকে কলকাঠি নাড়িয়ে আগের জায়গায় ফিরে আসছে, এটা ঠিক। ভাইরে, এটা বাংলাদেশ। সব রাতারাতি বদলানো যাবে না। ’

কিছু ঘটনা : ইসলামী বক্তা মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদীর নাতি মোহাম্মদ রিফাত (বয়স ১৪, আসল নাম নয়) রাজধানীর জুরাইন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় রিফাত ও তার এক বন্ধু পোস্তগোলা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। শ্যামপুর থানা পুলিশের একটি টহল টিম তাদের গাড়িয়ে উঠিয়ে দুই কিশোরকে বলে, ‘তোমাদের পকেটে ইয়াবা আছে। ’ কিশোররা অস্বীকার করলে পুলিশের এক সদস্য তাদের একজনের প্যান্টের পকেট থেকে ২০টি ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে বলে, ‘এই যে ইয়াবা!’ কিশোর দুটি তখন হতবাক! এ কী করে সম্ভব? খবর পেয়ে যুক্তিবাদীর গাড়ির চালক কবির হোসেন ছুটে যান থানায়। কবির হোসেন বলেছেন, শ্যামপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর জাকির হোসেন রিফাতসহ দুজনকে আটক করে পকেটে হাত দিয়ে নিজেই ইয়াবা ঢুকিয়ে দেন, তারপর বের করে আনেন। এরপর ৮০ হাজার টাকা দাবি করে বলা হয়, হেরফের হলে মাদক মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। কবির বলেন, ‘ওই এসআইকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পাই। আর রিফাতের বন্ধুকে ছাড়িয়ে আনতে তার বাবা পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। ’ তবে অভিযোগ সম্পর্কে এসআই জাকির হোসের বলেছেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা অপবাদ। ওই সময় কাউকে আটক করিনি। আর টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। ’

ইয়াবা বাণিজ্য করতে গিয়ে পুলিশ হাতেনাতেও ধরা পড়ছে। চলতি বছরই ঢাকার অদূরে দোহারে মারুফ খান নামের এক যুবককে আটক করেন দোহার থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মারুফের শার্টের পকেটে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ। মারুফ প্রতিবাদ করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। তারা এএসআইকে উল্টো আটক করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খবর দেয়। এ সময় এএসআই লোকজনের কাছ ক্ষমা চান। মারুফ খান অভিযোগ করে বলেন, ‘সোর্সদের মাধ্যমেই পুলিশ আমাকে ফাঁসাতে চেয়েছে। থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে এএসআই রফিককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ’

গত ২৭ জুনের ঘটনা। পল্টন থানা এলাকার শান্তিনগর থেকে ডেইলি অবজারভার পত্রিকার ফটো সাংবাদিক আশিক মোহাম্মদ আটক হন। আশিকের ঘনিষ্ঠজনরা বলছে, থানার সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর আশরাফ খারাপ ব্যবহার করলে আশিক প্রতিবাদ করছিলেন। একপর্যায়ে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট আশিকের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে মামলা ঠুকে দেন আশরাফ। আশিকের পরিবার ও তাঁর সহকর্মীরা বলেছেন, এক লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে মামলা তোলার কথা বলেছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মিজান। আশিকের পরিবার পাঁচ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, পুলিশ নাকচ করে দেয়।

গত ৬ জুলাই ফরিদপুরের সদরপুরে প্রাইভেট কারচালক শ্রাবণ ইসলামকে ৫১টি ইয়াবাসহ আটক করে সদরপুর থানার এসআই আব্দুল আজিজ ও এএসআই সোহেলসহ একদল পুলিশ। ৭ জুলাই শ্রাবণের পরিবার সংবাদ সম্মেলন করে বলে, এক লাখ টাকা চেয়ে না পেয়ে পুলিশ ইয়াবার গল্প ফেঁদেছে। তবে পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, শ্রাবণ তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। এ ছাড়া গত বছরের ৩০ আগস্ট ঢাকার রূপনগর থেকে আটক করা হয় বিসিআইসি কলেজের ছাত্র মুজাহিদুল ইসলামকে। তার ভাই সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ ধরে তাঁর ভাইয়ের পকেটে দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দেয়। পরে ১০ হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

রানা আহমেদ ও মো. আজাদ নামের দুই ব্যবসায়ীকে আটকের পর একজনকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া এবং অপরজনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতে গত ৯ জুলাই চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ, এসআই আবছার উদ্দিন রুবেল ও কনস্টেবল পাপ্পুকে আসামি করে মামলা করা হয়। আসামিরা দুই ব্যবসায়ীকে ক্রসফায়ারেরও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্য।

চট্টগ্রামে ইয়াবা বাণিজ্যের বেশ কয়েকটি ঘটনায় একাধিক পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার হয়েছেন এবং বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন। গত ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথায় যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশির সময় অনলাইন পোর্টাল বিডিনিউজের সাংবাদিক মোস্তাফা ইউসুফকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন দুই কনস্টেবল। ইউসুফ গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া থেকে নগরের অফিসে ফিরছিলেন। পরে চান্দগাঁও থানার মোহরা পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত কনস্টেবল নাজমুল হাসান ও তন্ময়কে প্রত্যাহার করা হয়। ২০১২ সালের এপ্রিলে কোতোয়ালি থানার লাভ লেন এলাকার আবেদীন কলোনির একটি বাড়ির মালিককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা পড়েছিল র‌্যাবের সোর্স এবাদুল। গত বছরের নভেম্বর মাসে পটিয়া থানার উপপরিদর্শক নাদিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি ইয়াবা দিয়ে নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে দিয়ে টাকা আদায় করছেন। ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় পুলিশের তিন এসআইয়ের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় উপপরিদর্শক শাহাদাত হোসেন, জুয়েল সরকার ও শেখ সজীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি সাইফুদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নগর গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই আহমেদ নূরকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের ৬০ বছর বয়স্ক বাসিন্দা আলী আকবরকে টেকনাফ থানার এসআই একরামুজ্জামান গত ২০ রমজান রাতে তাঁর ঘর থেকে তুলে নিয়ে যান। আলী আকবর স্থানীয় আওয়ামী লীগের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সহসভাপতি। আলী আকবর জানান, চোখে কাপড় বেঁধে পুলিশ থানায় তাঁকে আটকে রাখে। এসআই একরাম একপর্যায়ে তাঁকে বলেন, ‘১৫ লাখ টাকা না দিলে ইয়াবা নিয়ে চালান দেব। শেষ পর্যন্ত আমার পৈতৃক ছয় কানি (চার একর) জমি বন্ধক দিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে আমি মুক্তি পাই। ’ টেকনাফ থানার গেটের মোবাইল বিকাশের দোকানি নুরুল মোস্তফাকে এসআই রহিম ধরে নিয়ে যান ইয়াবা পাচারকারী ও হুন্ডি কারবারের অভিযোগে। তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত দুই লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গত ৫ জুলাই রাতে টেকনাফের হাজি গনি মার্কেটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাশেদকে ধরে এসআই মনোয়ার ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে দুই লাখ টাকায় রফা হয়। এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, অভিযোগগুলো খুবই উদ্বেগজনক। পুলিশের যারা এসব অপকর্ম করে আসছে তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে মাদকের ব্যবহার কমে আসবে। তাঁর মতে, কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এসব অপকর্ম করতেই থাকবে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

নিয়মিত ইয়াবা চালান ধরা পড়া, ব্যাপক হারে তরুণ-তরুণীদের ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়াসহ নানাভাবেই স্পষ্ট যে মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা বাংলাদেশের আনাচকানাচে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি মিয়ানমারে সহিংসতার জের ধরে লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে আসার এই অস্থির সময়েও থেমে নেই চক্রটির অপকর্ম। সীমান্তেও দুই পাড়েই ধরা পড়েছে কোটি কোটিসংখ্যক ইয়াবা।

সূত্র : কালের কণ্ঠ, ৩০.১০.২০১৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরু রক্ষায় কলকাতায় ‘কাউফি’!

আজকাল ছেলে-বুড়ো সবাই সেলফির নেশায় মত্ত। তাই কলকাতার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেলফির এই নেশাকে গরু রক্ষার কাজে লাগাল।
‘গরু-সেবা পরিবার’ নামে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গরুর সঙ্গে সেলফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই প্রতিযোগিতা ভালো সাড়া ফেলেছে।

এমন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ‘গরু-সেবা পরিবার’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে গরুর সঙ্গে একটি সেলফি তুলে পোস্ট করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে নিজের যোগাযোগ ঠিকানা। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। তবে গরু হত্যা ও গরু রক্ষা যখন সারা দেশে অন্যতম রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দেখা দিয়েছে, তখন শহরের এক স্বেচ্ছাসেবীর সংস্থার এই কর্মসূচি ঘিরে উঠছে বহু প্রশ্ন। যদিও সংস্থার তরফে সাফ দাবি, তাদের এই সেলফি প্রতিযোগিতার সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্ম গুলিয়ে না ফেলাই ভাল। গোরক্ষার উদ্দেশ্যেই তাঁদের এমন উদ্যোগ। সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক কারণেই গরুকে রক্ষা করা উচিত।
কারণ গরুর দুধ, মূত্র বা গোবর সবই মানুষের দরকারে লাগে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কক্সবাজারে খালেদা, ত্রাণ দেবেন সোমবার

রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিতে ঢাকা থেকে সড়কপথে রওনা দেওয়ার একদিন পর কক্সবাজারে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রবিবার রাত ৮টার দিকে তার গাড়িবহর কক্সবাজার পৌঁছে।
এরপর তিনি জেলা সার্কিট হাউজে ওঠেন। সেখানে যাত্রিযাপনের পর দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টার পরে উখিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন খালেদা।

সোমবার রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের খোঁজ-খবর নেবেন। বিকালে আবার সার্কিট হাউজে ফিরে পরদিন সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন তিনি।

এর আগে, শনিবার কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকার গুলশান কার্যালয় থেকে রওয়ানা হন খালেদা। বিকেলে ৫টা ১০ মিনিটে ফেনী সার্কিট হাউজে কিছুক্ষণের যাত্রা বিরতি নেন। পথিমধ্যে একবার হামলার ঘটনাও ঘটে। পরে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করনের হাতেই অভিষেক শ্রীদেবী কন্যার

করন জোহর। যার হাত ধরে বলিউড অভিষেক হয়েছে বরুন ধাওয়ান, আলিয়া ভাট, সিদ্ধার্থ কাপুরের মতো বলিউড তারকাদের। যাঁরা এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গোটা বলিউড। এবার সেই অভিষেকের তালিকায় যোগ হচ্ছে আরো একটি নাম। শ্রীদেবী ও বনি কাপুর কন্যা জাহ্নবী কাপুর। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, করনের হাত ধরেই মারাঠি চলচ্চিত্র ‘সাইরাত’-এর হিন্দি সংস্করণ দিয়ে বলিউডে পা রাখছেন জাহ্নবী।

মারাঠি ছবি সাইরাত মুক্তির পরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। চিরাচরিত ধনী-গরিব বৈষম্যেকে কেন্দ্র করে একটি প্রেমের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছিল ছবিটিতে। তবে ছবিটির প্রেক্ষাপট মারাঠি হওয়ায় হিন্দি সংস্করণ নির্মাণের ক্ষেত্রে এর প্রেক্ষাপট বদলে দিতে চান করন। উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’কে মাথায় রেখে সাজানো হবে ছবিটির প্রেক্ষাপট। ছবিটি পরিচালনা করবেন শশাঙ্ক খাইতান। প্রযোজনায় থাকছে করনের প্রযোজনা সংস্থা ধর্ম প্রোডাকশন। শুধু ‘সাইরাত’এর হিন্দি সংস্করণই নয় আরো একটি হিন্দি সংস্করণে দেখা মিলবে শ্রীদেবী কন্যার। হলিউডের ‘দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টারস’ চলচ্চিত্রের হিন্দি সংস্করনেও অভিনয় করতে যাচ্ছেন জাহ্নবী কাপুর।

মারাঠি ছবিটি ‘সাইরাত’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মারাঠি তারকা রিঙ্কু রাজগুরু, আকাশ তোশার, তানাজি গালগুন্ডে এবং আরবাজ শেখের মতো মারাঠি তারকারা। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় ছবিটি। ৪০ মিলিয়ন রুপি বাজেটের ছবিটি আয় প্রায় এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। ছবিটির গল্প লেখার পাশাপাশি পরিচালনাও করেছিলেন নাগরাজ মানজুলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইএসের হিটলিস্টে প্রিন্স জর্জ

আইএসের হিটলিস্টে রয়েছে প্রিন্স জর্জের নাম। লন্ডনের এক সংবাদপত্রে এই দাবি করা হয়েছে।
খবরে প্রকাশ, প্রিন্স উইলিয়াম ও ডাচেস অফ কেমব্রিজ কেট মিডলটনের একরত্তি ছেলেকে খুনের হুমকি দিয়েছে আইএস। চার বছরের জর্জকে গত মাসে সেন্ট্রাল লন্ডনের অভিজাত থমাস ব্যাটারসিয়া স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।

চার বছরের জর্জকে গত মাসে সেন্ট্রাল লন্ডনের অভিজাত থমাস ব্যাটারসিয়া স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। ওই সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযাযী, সোশ্যাল মিডিয়ায় জর্জের একটি ছবি পোস্ট করে আইএস। ছবির নিচে ইংরেজিতে লেখা ‘school starts early’ অর্থাত্ৎ সকাল সকাল স্কুল শুরু হয়ে যায়। এছাড়া পোস্টে আরবি ভাষায় আরও কিছু লেখা আছে। সংবাদপত্রের দাবি, তদন্তকারীরা সেই ভাষার মানে উদ্ধার করেছে। ওই আরবি ভাষায় খুদে প্রিন্সকে খুন করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এরপরই ব্রিটেনের গুপ্তচর সংস্থা ও পুলিশ সতর্ক হয়ে যায়।
আইএসের গতিবিধির উপর নজর বাড়ানো হয়। স্কুলেও জর্জের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এক মহিলাকে স্কুলের করিডরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল।

নজরদারি ক্যামেরায় তা ধরাও পড়ে। কিছুদিন পরে অবশ্য সেই নারীকে ধরা হয়। মনে করা হচ্ছে চুরির উদ্দেশে স্কুলে ঢুকে পড়ে সে। এরপরই স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে নগর পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবার হারল রিয়াল মাদ্রিদ

গত মৌসুমে ফুটবলের প্রায় সবগুলো ট্রফি নিজেদের করে নেওয়া রিয়াল মাদ্রিদ নতুন মৌসুমে খেই হারিয়ে ফেলেছে। ভ্যালেন্সিয়া-লেভান্তের মতো দলগুলোর বিপক্ষে ড্র করেছে জিনেদিন জিদানের দল। হেরে গেছে রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে। এবার জিরোনার বিপক্ষেও পেরে উঠলেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোরা। জিরোনার মাঠে ২-১ গোলে হেরেছে আসরে বর্তমান শিরোপাধারীরা। এই হার রিয়ালের লা লিগার শিরোপা ধরে রাখার মিশনটা আরো কঠিন করে তুলল। কারণ চিরপ্রতিপক্ষ বার্সেলোনার চেয়ে আট পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

জিরোনার মাঠে প্রথমে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদই। ১২তম মিনিটে রোনালদোর নেওয়ার শট আটকে দেন জিরোনার গেলরক্ষক বোনু। তবে বলটা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বল পেয়ে যান কাছেই থাকা রিয়াল তারকা ইসকো। সহজ বলটাকে জালে জড়াতে ভুল করেননি স্প্যানিশ তারকা।

২১তম মিনিটে গোল শোধের দারুণ সুযোগ পায় জিরোনা। তবে বোজো গার্সিয়ার শটটা রিয়ালের সাইডবারে লেগে ফিরে আসে। এই অর্ধে গোলের আরো কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিক জিরোনা। সেখান থেকে গোল আদায় করতে পারেনি দলটি। বিরতির পর গোল শোধ করে স্বাগতিকরা। ৫৪ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান ক্রিস স্টুয়ানি। রিয়ালের ডি বক্সে বোজো গার্সিয়ার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ানে গোল করেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড স্টুয়ানি।

মিনিট পাঁচের পর রিয়ালকে আবার হতাশা উপহার দেয় জিরোনা। ৫৮তম মিনিটে রিয়ালে জালে বল জড়ান পুর্তো। পাবলো মাফিয়োর বুলেট গতির শটে পা লাগান এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়া রিয়াল শোল শোধের চেষ্টা করেছিল তবে নিষ্প্রভ রোনালদো-বেনজেমা-অ্যাসেনসিওদের কোনো চেষ্টাই ফলপ্রসু হয়নি। শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াল মাদ্রিদকে।

লা লিগায় ১০ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভ্যালেন্সিয়া। আর ১০ ম্যাচে ৬ জয় পাওয়া রিয়ালের সংগ্রহ ২০ পয়েন্ট। বার্সেলোনা পথ না হারালে এই মৌসুমে শিরোপা ধরে রাখা বেশ কষ্টসাধ্যই হবে রিয়ালের জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ

লক্ষ্য ২২৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই বিশাল সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে খুব এক সুবিধা করতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। শুরুতেই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লাল-সবুজের দল। এর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারী দলটি। তাই শেষ পর্যন্ত ৮৩ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শেষ করে তারা।

পচেফস্ট্রুমে আজ রোববার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার করা ২২৪ রানের জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমে যায় ১৪১ রানে।

এই হারে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ। সিরিজের সাত মাচের সবকটিতেই হেরেছে তারা। টেস্টে ২-০, ওয়ানডেতে ৩-০ ব্যবধানে হারের এবার টি-টোয়েন্টিতেও ২-০তে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ।

এদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানের মাথায় ওপেনার ইমরুল কায়েসের উইকেট হারিয়ে বসে। তখন তিনি ঝুলিতে নিয়েছেন মাত্র ৬ রান। এরপর সাকিব (২), মুশফিকুর রহিম (২) ও সাব্বির রহমানও (৫), মাহমুদউল্লাহ (২৪), লিটন দাস (৯) ও মেহিদী হাসান মিরাজ (১৩) সাজ ঘরে ফিরেন। আর ওপেনার সৌম্য সরকার ৪৪ রান করে আউট হন।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ শুরুতেই স্বাগতিক দুই ব্যাটসম্যান মাঙ্গালিসো মোসেলে ও অধিনায়ক জেপি ডুমিনিকে সাজ ঘরে ফেরত পাঠান। এই জোড়া আঘাত হানেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

ইনিংসের ২.৩ ওভারে সাকিব সরাসরি বোল্ড করেন প্রোটিয়া ওপেনার মাঙ্গালিসো মোসেলেকে। তখন তিনি করেন মাত্র ৫ রান। দলীয় রান ছিল ২৩। এরপর অধিনায়ক জেপি ডুমিনিকেও আউট করেন সাকিব। তিনিও নিজের ইনিংসটাকে খুব একটা বড় করতে পারেননি। মাত্র ৪ রান করে সাজ ঘরে ফিরেন।

তারপরও প্রোটিয়াদের রানের চাকা সচল ছিল। দশম ওভারের পঞ্চম বলে ডি ভিলিয়ার্সকে (২০) তরুণ সাইফুদ্দিন প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠালেও এক পাশ আগলে রাখেন আমলা। তিনি ৫১ বলে ৮৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলে দলকে এই সংগ্রহ গড়ে দিতে অন্যতম অবদান রাখেন। ১১টি চার ও একটি ছক্কার মার ছিল তাঁর এই ইনিংসে।

এদিন ডেভিড মিলার ছিলেন আরো বেশি উজ্জ্বল। তিনি ৩৬ বলে ১০১ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন। বিশেষ করে ইনিংসের ১৯তম ওভারে সাইফুদ্দিনের প্রথম পাঁচ বলে পাঁচটি ছক্কা মেরে তিনি রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন বাংলাদেশের বোলিংয়ের ওপর।

বাংলাদেশের পক্ষে সাকিব ও সাইফুদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest