সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

‘রোহিঙ্গা’ ছবিতে অধরা সাংবাদিক

আবার নতুন ছবি শুরু করেছেন পরিচালক অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। ছবির নাম হবে ‘রোহিঙ্গা’। রোহিঙ্গা সংকটকে কাহিনীচিত্রে ধরে রাখতেই তিনি এই ছবির কাজে হাত দিয়েছেন। এরই মধ্যে টেকনাফের নাফ নদী, শাহপরীর দ্বীপ ও উখিয়ায় ঘুরে এসেছেন তিনি। একজন সাহসী সাংবাদিকের চোখ দিয়ে পরিচালক রোহিঙ্গাদের জীবন তুলে ধরবেন। সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন নবাগত নায়িকা অধরা খান।

অধরা বলেন, “আমি ছবিতে সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। তবে কবে থেকে আমার শুটিং শুরু হবে তা এখনো বলতে পারছি না। কারণ আমার ছবির পরিচালক শুটিংয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে চান। যদি সবাই জানে আমরা শুটিং করছি, তা হলে সেখানে ভিড় বাড়বে, এতে শুটিং করতে সমস্যা হবে।’

নিজের চরিত্র নিয়ে তৃপ্তি প্রকাশ করে অধরা বলেন, “আমি এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার মনে হচ্ছে এই ছবির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সংকটকে ভালো করে তুলে ধরা যাবে। তা ছাড়া এখন যেভাবে আমাদের দেশে এসে তারা আশ্রয় নিয়েছে, সেভাবে ৭১ সালে আমাদের দেশের মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। এখনকার প্রজন্ম সেটা জানে কিন্তু দেখতে পারেনি, আমি মনে করি রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেশে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, আমাদের দেশের মানুষ একাত্তর সালে কত কষ্ট করেছে।’

ছবিতে কোনো নায়ক নেই জানিয়ে অধরা বলেন, ‘আমার বিপরীতে কোনো নায়ক নেই, গল্পটাই ছবির নায়ক। এখানে রোহিঙ্গাদের জীবন কাহিনীকেই প্রাধান্য দিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ছবির কিছু শুটিং হয়েছে। আমরা পরবর্তী শুটিং ডেটের জন্য এখন অপেক্ষা করছি।’

‘নাচোলের রানী’, ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘অন্তর্ধান’ এই তিনটি ছবি নির্মাণ করেছেন অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। ‘রোহিঙ্গা’ তাঁর চতুর্থ ছবি। অধরা খান পরিচালক শাহিন সুমনের হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। এরই মধ্যে তাঁর ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ছবিটি সেন্সর বোর্ডে জমা পড়েছে। ‘মাতাল’ শিরোনামে আরেকটি ছবির ৪০ শতাংশ শুটিং শেষ হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা শিশুদের অবস্থা ‘ভয়াবহ’

প্রাণভয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় আছে শিশুরা। সুইটজার‍ল্যান্ডের জেনেভায় রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এ কথা উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। এই প্রতিবেদনে এসব শিশুদের আঁকা কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়।

যে চোখে অপার বিস্ময়ে পৃথিবীর রূপ-রস অবলোকন করার কথা, সে চোখ সময়ের অনেক আগে দেখে ফেলেছে পৃথিবীর নিষ্ঠুরতার চরমতম নির্দশন। রং তুলি পেয়ে এই অভিজ্ঞতা কাগজে ফুটিয়ে তুলেছে ১১ বছরের মুনজুর আলী। সে একাই নয়, কক্সবাজারের বালুখালি ক্যাম্পে বসে ইউনিসেফ সদস্যদের কাছে এরকম অনেক ছবিই এঁকে দেখিয়েছে মিয়ানমার থেকে আসা অসংখ্য শিশু। মুনজুর আলী জানায়, পালিয়ে এসে বেঁচে গেছে সে, নয়তো নিশ্চিতভাবেই প্রাণটা খোয়াতে হত। বাকিরাও জানিয়েছে নৃশংসতার নানা বর্ণনা।

এসব ছবি উঠে এসেছে রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে প্রকাশিত জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে। এতে উদ্বাস্তু শিবিরে শিশুদের বর্তমান অবস্থাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে, পৃথিবীর নরক হিসেবে। জরিপে বের হয়ে এসেছে, প্রতি ৫টি রোহিঙ্গা শিশুর মধ্যে ১জন চরম অপুষ্টির শিকার।

প্রতিবেদনটির লেখক ও ইউনিসেফের যোগাযোগ উপদেষ্টা সিমন ইঙ্গগ্রাম বলেন, ‘প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা এই শিশুদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ছিলো আশঙ্কাজনক। ক্ষুধার্ত, দূর্বল এবং রুগ্ন অবস্থায় এসে পৌঁছায় তাদের অধিকাংশই। এদের অনেকেই আগে থেকেই ছিল পুষ্টিহীনতার শিকার।’

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে ৫৮ শতাংশই শিশু। এক বৈঠকে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি এই শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রানের আহ্বানও জানান ইউনিসেফ কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত ত্রাণ ছাড়া এ অবস্থার উন্নতি সম্ভব নয় বলেও জানান তাঁরা। এছাড়া, তাঁরা আরো জানান এ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাত্র সাত শতাংশ তাঁরা পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নির্বাচনে গেলে আ.লীগ ২৫ আসনও পাবে না-মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাঁর দল নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের ভাগ্যে ২৫টি আসনও জুটবে না।

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাঘটিয়াচালায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য আ স ম হান্নান শাহর স্মরণসভায় ফখরুল এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বিএনপি যাতে আগামী নির্বাচনে আসতে না পারে সে জন্য আওয়ামী লীগ নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার কূটনৈতিক ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে জাতীয় কনভেনশন আহ্বানের দাবি জানান ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে যেতে চাই, সে জন্য সকল দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন প্রয়াত আ স ম হান্নান শাহর ছোট ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে দুই মসজিদে হামলা : নিহত বেড়ে ৭২

আফগানিস্তানের দুটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এসব হামলা হয়।

দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, প্রথম আত্মঘাতী হামলাটি হয় রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিমদের একটি মসজিদে।

ওই মসজিদের মুসল্লি মাহমুদ শাহ হুসাইনি জানান, রাতে নামাজের সময় এক আত্মঘাতী হামলাকারী মসজিদে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানিশ জানান, কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলীয় দাশত-ই-বারচি জেলায় ইমাম জামান মসজিদে ওই হামলায় কমপক্ষে ৩৯ জন নিহত হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি বেশ কিছু হামলার শিকার হয়েছে শিয়া মুসলিমরা। বেশির ভাগ হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট তথা আইএস।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, দেশটির ঘোর প্রদেশের প্রাণকেন্দ্রে একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জন নিহত হয়।

বালখ প্রদেশের গভর্নর আতা মোহাম্মদ নূরের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় জমিয়ত পার্টির নেতাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

এই হামলাটিরও দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯ মাসের শিশুর ওজন ৩০ কেজি!

বয়স মাত্র ৯ মাস। আর ওজন ৩০ কেজি।
অবিশ্বাস্য শোনালেও এটাই বাস্তব মেক্সিকোর লুইস ম্যানুয়েলের জীবনে। এখনও ঠিক করে কথাও বলে উঠতে পারে না ছোট্ট শিশুটি। কিন্তু ক্রমাগত বেড়ে চলেছে তার ওজন। আর সেই সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে খিদে। সাধারণ শিশুদের থেকে প্রায় ছয় গুণ বেশি খাবার খায় লুইস। আর তাকেই পৃথিবীর সবচেয়ে ভারি শিশু বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা গেছে, জন্ম থেকেই বিরল প্র্যাডার উইলি সিনড্রোমে আক্রান্ত লুইস। এমন শিশুদের ওজন জন্ম থেকেই বেশি হয়। সাধারণ শিশুর থেকে অনেক বেশি খিদে পায় এদের।
ফলে ওজনও সমানতালে বাড়তে থাকে। জন্মের কয়েকদিন পরই লুইসকে দুই বছরের শিশুর পোশাক পরাতে হয়েছে। এখন তার জন্য ৯ বছরের শিশুর পোশাক কিনতে হয় বলে জানিয়েছেন তার বাবা-মা। লুইসের খাবারের জন্যও প্রচুর অর্থ খরচ করতে হয় তাদের। এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। অগত্যা পাড়া-প্রতিবেশীর সাহায্যের ভরসায় থাকতে হয়।

গবেষকদের মতে, জিনবাহিত রোগ প্র্যাডার উইলি সিনড্রোম। এর কোনও নিরাময় নেই। এই ধরনের শিশুদের আয়ু খুবই কম হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ওজনের ভার সইতে পারে না এদের শরীর। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ। কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে স্থূলকায় মহিলা ইমান আহমেদ।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় ইজিপ্টের আলেকজান্দ্রিয়ার বাসিন্দার। বহু চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা। লুইসের ক্ষেত্রেও তেমনটাই আশঙ্কা করছেন মেক্সিকোর চিকিৎসকরা। কিন্তু এখনও ছেলের বাঁচার আশা রাখছেন লুইসের বাবা-মা। ছেলেকে আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বে দূষণজনিত মৃত্যু সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে

বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেট বলছে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ৯০ লাখ মানুষ দূষণের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে, যেখানে এক চতুর্থাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ ছিল দূষণজনিত।

দূষণ থেকে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে বাংলাদেশে। তালিকায় এরপর আছে আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া।

দূষণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ধরনের প্রভাব ফেলেছে বায়ু-দূষণ। দূষণজনিত মৃত্যুর দুই তৃতীয়াংশের পেছনে রয়েছে বায়ু-দূষণ।

দূষণজনিত মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম ব্রুনেই আর সুইডেনে।

দূষণজনিত মৃত্যুর বেশিরভাগ হয়েছে দূষণের কারণে সংক্রামক নয় এমন রোগে, যার মধ্যে রয়েছে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ফুসফুসের ক্যান্সার।

”দূষণের চ্যালেঞ্জ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের থেকেও বেশি। দূষণ জনস্বাস্থ্যের নানা দিকের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে,” বলছেন এই গবেষণায় জড়িত একজন বিজ্ঞানী, প্রফেসর ফিলিপ ল্যান্ড্রিগান, যিনি নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই-এ ইকান স্কুল অফ মেডিসিনে কাজ করেন।

বায়ু-দূষণ যা সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তাতে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে ৬৫ লাখ মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে বাইরে থেকে আসা দূষণ যেমন গ্যাস, বাতাসে দূষণ-কণা এবং ঘরের ভেতর কাঠ ও কাঠকয়লা জ্বালানোর ধোঁয়া।

এরপর যেটি সবেচেয়ে বেশি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে সেটি হল পানি দূষণ, যার থেকে মৃত্যু হয়েছে ১৮ লাখ মানুষের। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রে দূষণ থেকে মারা গেছে ৮ লাখ মানুষ।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোতে। আর এর মধ্যে দূষণের একটা ব্যাপক প্রভাব পড়েছে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে যেসব দেশে যেমন ভারতে যে দেশ তালিকায় রয়েছে পঞ্চম স্থানে। চীনও রয়েছে এই তালিকায় ১৬তম স্থানে।

১৮৮টি দেশে দূষণের এই জরিপ ও গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণা যারা চালিয়েছেন তার বলছেন উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের স্থান তালিকায় ৫৫ নম্বরে এবং সেখানে ডিজেল থেকে দূষণের শিকার হচ্ছে বহু মানুষ।

তারা আরও বলেছেন অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোতে দূষণে মৃত্যুর হার বেশি এবং ধনী দেশগুলোর দরিদ্র জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

দুবছর ধরে চলা এই গবেষণায় বলা হয়েছে দূষণের সঙ্গে দারিদ্র, অস্বাস্থ্য এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলোও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবরি মসজিদের মতো গুঁড়িয়ে দেয়া হবে তাজমহল!

বাবরি মসজিদের মতোই ধ্বংস করা হতে পারে তাজমহলকেও। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান। বিজেপি এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী জানিয়েছিলেন, চুরি করা জমির উপর তাজমহল তৈরি হয়েছে। তারপরই এমন আশঙ্কা প্রকাশ করলেন উত্তরপ্রদেশের নেতা।

তাজমহল নিয়ে গত কয়েক দিনে অনেক বিতর্ক হয়েছে। বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোমের তাজমহলকে বিশ্বাসঘাতকদের তৈরি ও ভারতের ইতিহাসে কলঙ্ক হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তারপর থেকেই চরমে ওঠে বিতর্ক। প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঢেউ বয় গোটা দেশে। আজম খানই জানিয়েছিলেন, সঙ্গীত সোমের মন্তব্য মেনে নিতে হলে রাষ্ট্রপতি ভবনকেও ভেঙে ফেলতে হয়। কেননা সেটিও ইংরেজ শাসকদের তৈরি ও দাসত্বের প্রতীক।

একাধিক নেতা মুখ খোলার পরই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি জানান, তাজমহল ভারতের সন্তানদের ঘাম ও রক্তে তৈরি। কে তা নির্মাণ করেছিলেন সেটা বড় কথা নয়। কী উদ্দেশ্যে তা তৈরি হয়েছিল তাও বিচার্য নয়। এর পর বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালেন বিজেপি এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তিনি জানান, যে জমিতে তাজমহল তৈরি হয়েছে, তা আসলে সম্রাট শাহজাহান জয়পুরের রাজার কাছ থেকে হস্তগত করেছিলেন। সেই নথিও তার হাতে আছে বলে জানান তিনি। এরপরই আজম খানের আশঙ্কা, বাবরির পরিণতি হতে পারে এই সৌধের।

তার দাবি, রামমন্দিরের দাবিতে যদি বাবরি ভেঙে ফেলা হতে পারে, তাহলে তাজমহলের নিয়তিও একই হলে তিনি আশ্চর্য হবেন না। কিন্তু দেশে আইন-আদালত আছে। তারপরও ইউনেসকোর স্বীকৃতি পাওয়া এ সৌধকে কি মুছে ফেলা সম্ভব? আজমের যুক্তি, বাবরি কাণ্ডের সময়ও দেশে হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট ছিল। তারপরও তা ভেঙেই ফেলা হয়েছিল। সুতরাং তাজমহলের ক্ষেত্রেও সেই একই জিনিস হতে পারে বলে আশঙ্কা তার।

যদিও ইতিমধ্যেই বিজেপি জানিয়েছে দলীয় বিধায়ক সঙ্গীত সোমের মন্তব্যের সঙ্গে দল সহমত নয়। তাঁর কাছে এহেন মন্তব্যের কৈফিয়তও তলব করা হয়েছে। বার্তা দিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে কখনোই এগনো সম্ভব নয়। এরপরই তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট-সহ বেশ কয়েকটি দ্রষ্টব্য স্থান ভ্রমণের কথাও ঘোষণা করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ একটি রামমন্দিরের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল- এই যুক্তিতে উগ্রপন্থীরা সেটিকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের প্রায় পাঁচশো কিলোমিটার গভীর মরুভূমিতে বেশ কয়েক বছর আগে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল একটি প্রাচীন গ্রন্থ, যাকে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন মনে করে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

কিন্তু একজন অস্ট্রেলিয়ান-বাংলাদেশি গবেষক সেখানে গিয়ে দেখতে পেলেন এটি আসলে বাংলা ভাষায় লেখা শত বছরেরও আগের একটি পুঁথি।

গবেষক ড: সামিয়া খাতুন এই গবেষণার সূত্র ধরে বিশ শতকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় তৎকালীন বাংলা এবং ভারতবর্ষ থেকে মানুষের অভিবাসনের চমকপ্রদ এক ইতিহাসের সন্ধান পেয়েছেন, যা নিয়ে তার একটি বই শীঘ্রই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে লন্ডন থেকে।

ড: সামিয়া খাতুন বলছিলেন ইতিহাসের বই-এ যখন তিনি ওই কোরআনের কথা পড়েন তখন তিনি তা দেখতে পাড়ি জমিয়েছিলেন সেখানে।

“পাঁচশ কিলোমিটার পথ গিয়ে বইটি খুঁজে বের করার পর খুলে দেখি সেটি কোরআন নয়, বাংলা কবিতা,” বলেছেন ড: সামিয়া খাতুন।

ড: খাতুন তার গবেষণায় দেখেছেন বহু জাহাজী সেসময় ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। উটের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিল বহু বাঙালি। অনেক বাঙালি সেসময় আয়ার কাজ করতে সেখানে গিয়েছিলেন বলে তিনি তার গবেষণায় জেনেছেন।

তিনি বলছেন এরা সেসময় অস্ট্রেলিয়ার গভীরে দুর্গম মরু অঞ্চলে কাজ করতে গিয়েছিলেন।

“প্রথমে লেখাটি ছাপা হয়েছিল ১৮৬১ সালে, পরে এটি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে কয়েকবার পুর্নমুদ্রিত হয়ে যে কপিটি আমার হাতে আসে সেটি ১৮৯৫ সালে ছাপা।”

ড: খাতুন এসব মানুষের কাজ ও বসতির সূত্র ধরে অস্ট্রেলিয়ার ব্রোকেনহিল শহরে তাদের প্রথম অভিবাসী হয়ে আসার আগ্রহব্যঞ্জক তথ্য পেয়েছেন।

“এদের অনেকে উট নিয়ে কাজ করতে করতে সেখানে চলে গিয়েছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি লোক জাহাজে কাজ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিলেন, এরপর যে কোন একটা কাজ জুটিয়ে নিয়ে মরুভূমি এলাকায় বা অস্ট্রেলিয়ার গহীন অঞ্চলে পৌঁছে যান।”

ড: খাতুন বলছেন সেখানে যে মসজিদগুলো ছিল এই লোকেরা সেই মসজিদগুলোতে ঈদের সময় জড়ো হতেন। এভাবেই ব্রোকেনহিলসহ আশপাশের দুর্গম এলাকাগুলোয় তখন বাঙালিদের একটা বসতি গড়ে ওঠে ।

আঠারো এবং উনিশ শতকে বিশ্ব জুড়ে একটা ব্যাপক অভিবাসনের ইতিহাস রয়েছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তের লোক সেসময় নানা জায়গায় গিয়ে বসতি গড়ে তুলেছেন।

ড: খাতুন বলছেন ওই একই সময়ে অস্ট্রেলিয়াতেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

তিনি বলছেন এই বাঙালি অভিবাসীরা তখন অস্ট্রেলিয়ার গহীন এলাকায় পুঁথিপাঠ করতেন।

“এই বইয়ে যে বাংলা কবিতাগুলো রয়েছে সেগুলো গান করে অন্যদের পড়ে শোনানো হত- যেমনটা প্রাচীনকালে পুঁথিপাঠের ধারা ছিল।”

তিনি বলছেন এর থেকে বোঝা যায় ওই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বাঙালিদের মধ্যে পুঁথিপাঠের একটা সংস্কৃতি চালু ছিল।

তার গবেষণায় ড: খাতুন দেখেছেন সেখানে ওই সময় একটা বড়সড় বাঙালি জনগোষ্ঠি ছিল বলেই এই পুঁথিপাঠের চর্চা গড়ে উঠেছিল। এছাড়া অন্য দেশ থেকে সেখানে যাওয়া অনেক মানুষ সেই পুঁথিপাঠ শুনতে আসতেন যারা বাঙালি ছিলেন না। তাদের জন্য অনুবাদ করে এইসব কবিতা শোনানো হতো।

ড: খাতুন বলছেন সেইসময় যেসব বাঙালি ওই দুর্গম অঞ্চলে বসতি করেছিলেন তাদের বংশধররা এখনও আছেন।

তিনি বলছেন সেসময় স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে এরকম অনেক বাঙালির বিয়ে হয়েছিল। তারা অবশ্যই তখন ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে যাওয়া বাঙালি ছিলেন।

“ফলে তাদের বংশধরদের এখন পাওয়া যায় আদিবাসী অ্যাবোরোজিন সম্প্রদায়ের মধ্যে যেহেতু ওই বাঙালিদের মধ্যে অনেক মিশ্র বিয়ের ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায়।”

ড: সামিয়া খাতুন বলছেন সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এই মিশ্র বিয়ের কারণে ওই প্রত্যন্ত অঞ্চলের অ্যাবোরোজিন সম্প্রদায়ের ভাষায় ঢুকে গেছে বহু বাংলা শব্দ।

“যেমন চাপাটি শব্দকে ওরা বলে জাপাটি, ট্যাংক হয়ে গেছে টাংকি- এরকম বহু শব্দ রয়েছে। তারপর উট নিয়ে যেহেতু তারা কাজ করতেন, তাই উটকে তারা উট বলে।”

তিনি বলছেন সেসময় যে মসজিদগুলো সেখানে ছিল, সেগুলোর কয়েকটা ধ্বংস হয়ে গেলেও কয়েকটা এখনও টিঁকে আছে এবং ওই মরু এলাকা খুবই শুষ্ক হওয়ার কারণে যেগুলো টিঁকে আছে সেগুলোর ভেতরে “সবকিছু এখনও খুব ভালভাবেই টিঁকে আছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest