সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি

বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ার আর নেই

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।

সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় এই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দীন দিদার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এম কে আনোয়ারের জন্ম ১৯৩৩ সালে কুমিল্লায়। তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে তিন দশকের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন।

চাকরিজীবন থেকে অবসর নিয়ে বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

এরপর বিভিন্ন সময়ে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দুবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দুই বছর ধরেই তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এর মধ্যে এই সরকারের আমলেও বিভিন্ন সময়ে জেল খেটেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জোটের চ্যালেঞ্জ ভোটে: বিএনপি নির্বাচনে আসবে ধরে প্রার্থী খুঁজছে আওয়ামী লীগ

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা আঁটছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অতীতের মতো এবারও ১৪-দলীয় জোটগতভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবেন ক্ষমতাসীনরা।
জোটকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিজ দল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, দলের সদস্য ও ভোটার বাড়ানো এবং সরকারের উন্নয়ন প্রচার’— এ তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে জনপ্রিয় ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত এমপিদের ঢাকায় ডেকে সতর্ক করা হচ্ছে। আগামীতে যারা দলের মনোনয়ন পাবেন তাদের প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা-উপজেলায় বর্ধিত সভা, বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মীদের চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিচ্ছেন। মূলত সবকিছুই করা হচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে। আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করেন, এত দিন সরকারি দলের বেশির ভাগ নেতা-কর্মীর ধারণা ছিল দল আবার ক্ষমতায় আসবে। এজন্য তেমন কোনো বেগ পেতে হবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের সে ধারণায় কিছুটা চিড় ধরেছে। তারা এখন মনে করছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও কঠিন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকেও দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন কথা বলেছেন। তিনি এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের মতো হবে না। টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কিছু এমপি-নেতা ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের অতিবাড়াবাড়ি মানুষ গ্রহণ করছে না। অন্যদিকে বিএনপির দলগত ভোট। সবকিছু হিসাব করেই আগামীতে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছেন ক্ষমতাসীনরা। এজন্য বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে নির্বাচনী জরিপ। তুলে আনা হচ্ছে দলীয় এমপি ও অন্য দলের প্রার্থীর সর্বশেষ চিত্র। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে হলে যেখানে প্রার্থী পরিবর্তনের দরকার, সেখানে তাই করবেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য এমপি-মন্ত্রীদের কেউ কেউ বাদ পড়তে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। অন্যদিকে নির্বাচন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রয়েছে যত দ্রুত সম্ভব গৃহবিবাদ মেটানো। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের দলীয় কার্যালয়ে ডেকে এনে নির্বাচনী প্রস্তুতির আগাম ব্রিফিং দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দলে অন্তর্দ্বন্দ্ব্ব, কলহ, বিবাদ ও দূরত্ব মেটাতে পুরোদমে কাজ চলছে। নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আসনভিত্তিক প্রার্থীদের অবস্থান জানতে বেশ কিছু জরিপ রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও। কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় যাদের জনপ্রিয়তা আছে শুধু তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে। যারা ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন তাদের সম্পর্কেও খোঁজ রাখা হচ্ছে। বিতর্কিত, জনসম্পৃক্ততা নেই এমন ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হবে না। ’ গত বছরের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি সারা দেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করে। সাংগঠনিক কাজের গতি আনতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের পাশাপাশি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকদেরও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। তারা জেলা-উপজেলায় গিয়ে বর্ধিত সভা, প্রতিনিধি সভা, যৌথসভা, বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছেন। এ ধারা আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী গতকাল বলেন, ‘দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপারেশনের পর ডাক্তার ছয় সপ্তাহ বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে ফাইল ছেড়েছেন। দেশে ফিরেই তিনি সরকার ও দলের কাজে যুক্ত হয়েছেন। দলের সাধারণ সম্পাদকসহ আমরা সবাই সারা দেশে সংগঠনকে শক্তিশালী করছি। উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এর মাধ্যমেই প্রমাণ হয়, আমাদের আগাম নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। ’ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে— এটা মাথায় রেখেই আমরা সদস্য সংগ্রহসহ দলকে সুসংগঠিত করে চলেছি। জেলা-উপজেলায় বর্ধিত সভা, কর্মিসভা করা হচ্ছে। দলের ছোটখাটো সমস্যা থাকলে সেগুলো মিটিয়ে ফেলা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন জনগণের সামনে তুলে ধরে আগামীতে কী কী করব, দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চাই— সেগুলো তুলে ধরছি। ’ আরেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আমরা নির্বাচনী এলাকায় জরিপ করছি। আমাদের প্রার্থীসহ অন্য দলের প্রার্থীদের কার কী অবস্থা সেগুলোর সঠিক চিত্র তুলে আনার চেষ্টা করছি। ’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রার্থীর ওপর নির্ভর করে আমরা প্রার্থী মনোনয়ন দেব। ’ দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার পাশাপাশি জোটের প্রার্থীদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যেখানে জোটের শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছে এবং বিজয়ী হওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে, তাদের গ্রিন সিগন্যালও দেওয়া হবে। অন্যদিকে অধিকতর দুর্বল প্রার্থী হলে সেই প্রার্থী পরিবর্তন করে এবার আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ’

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৬০২ ডলার

দেশে মাথাপিছু আয় এবং মোট অভ্যন্তরীণ আয় (জিডিপি) বেড়েছে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে গতকাল এমন তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে মন্ত্রণালয় ও দফতরসমূহের ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদনে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরে জানানো হয়েছে, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৬০২ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। আগের বছর এটি ছিল ১৪৬৫ মার্কিন ডলার। একইভাবে গত অর্থবছরে জিডিপি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। আগে এটি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ। আর গত অর্থবছরে জনশক্তি রফতানি হয়েছে আট লাখ ৯৪ হাজার ৫৪ জন। তবে জনশক্তি রফতানি গত বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও রেমিটেন্স কমেছে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এই অর্থবছরে রফতানি আয় বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৮৪৬৮ বিলিয়ন ডলার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গম, ভুট্টা, আলু, পিয়াজ, শাক-সবজি, দুধ, ডিম, মাংসের উৎপাদন আগের চেয়ে বেড়েছে। আর ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন দেওয়া হয়েছে ৪৪ হাজার ৪৫৭ কিলোমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েল

পূর্ব জেরুজালেমের আল ইসাইয়া এলাকার আশপাশ থেকে সোমবার ৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। যেটি এ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ আটকের ঘটনা।

গালফ নিউজ জানিয়েছে, ও এলাকায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত আইনজীবী শেরিন আল ইসায়ীর উদ্দেশে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে তাদের আটক করা হয়।

তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযোগ, পাথর নিক্ষেপের অভিযোগে তারা ৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান আদামিরের মতে বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ৬ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে শিশু রয়েছে ৩০০। সবশেষ আরও ৪৫ জন এ তালিকায় যুক্ত হল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের শাহরুখ-কাজলের রোমান্স উপভোগ করবেন দর্শকরা!

বলিউডের সবচেয়ে রোমান্টিক জুটি বলা হয়ে থাকে শাহরুখ খান ও কাজলকে। পর্দায় একসঙ্গে শাহরুখ-কাজলের উপস্থিতি মানেই অন্য রসায়ন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রোহিত শেটির ‘দিলওয়ালে’ পর ফের এ রোমান্টিক জুটিকে পর্দায় ফিরিয়ে আনতে চলেছেন পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহর। শাহরুখ-কাজল দুজনেই করণের প্রিয়। যদিও মাঝ খানে সিনেমার প্রচার নিয়ে কাজলে সঙ্গে করণের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে সেই দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নিয়েছেন তারা।

আর করণে সামনের সিনেমাতে শাহরুখ-কাজল জুটির পাশাপাশি রণবীর-আলিয়া জুটিকেও একসঙ্গে দেখার সুযোগও পেতে চলেছেন দর্শকরা। আপাতত পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ নিয়েই ব্যস্ত পরিচালক-প্রযোজক। তা শেষ হলেই শুরু হবে এই নতুন ছবির কাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাক্কায় আইএস বিতাড়নকারী নারীদের বীরত্বগাঁথা

রাক্কা। সিরিয়ার একটি প্রাচীন শহর।
ইসলামিক স্টেট (আইএস) দীর্ঘদিন স্থানটিকে তাদের প্রধান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়েছে তারা। আর সিরিয়ার এই রাক্কাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের দখলমুক্ত করতে যারা লড়ে গেছেন, তাদের বড় একটা অংশজুড়ে রয়েছেন নারী যোদ্ধা।

প্রায় চার বছরের প্রাণঘাতী যুদ্ধের পর জয়ীদের বীরত্বগাঁথার অংশ হয়েছেন এই কুর্দিশ নারী যোদ্ধারা। কিন্তু এই ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আসার অনুপ্রেরণা তারা কোথায় পেলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জানালেন, কেবল কুর্দিশ হওয়ার জন্যেই নয়, রাক্কার নারীদের মুক্ত করতেও এই লড়াই চালিয়েছেন তারা।

আইএস রাক্কা শাসন করেছে বর্বরদের মতো। তাদের নৃশংসতা গোটা বিশ্বকে হতভম্ব করে দিয়েছিল। বিশেষ করে নারীরা দুঃস্বপ্নের চেয়েও ভয়াবহ সময় পার করেছেন। সামান্য কারণে জনসমক্ষে চাবুকের আঘাত ছিল অতি সাধারণ ঘটনা।
আইএস রাক্কার মেয়েদের বিক্রি করে দিত। যৌনদাসী হিসেবে বন্দি রাখত।

কুর্দিশ-ইয়াজিদি সংখ্যালঘু নারীদের ইরাকের উত্তরাংশ থেকে রাক্কায় আনা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার আসে সেই মুক্তির বারতা। আইএস পরাজিত হয়। কুর্দিশ ওমেন্স প্রটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজে) এখনো এ লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। তবে যুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন ৩০ জনের মতো নারী যোদ্ধা। এখন তাদের জন্যে কাঁদছেন যোদ্ধারা।

এক বিবৃতিতে ওয়াইপিজে জানায়, লড়াইয়ের পথে থেকে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে ওয়াইপিজে। আমাদের দেশের সন্ত্রাসবাদ রুখতে হবে। গোটা বিশ্বে নারীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিশোধ নেব আমরা। এই বার্তা আমাদের শহীদদের কাছে পৌঁছতেই থাকবে।

যোদ্ধাদের একজন শান্দা আফরিন। টানা চার বছর যুদ্ধ করে চলেছেন তিনি। বললেন, আমাদের নেতা আবদুল্লাহ ওকালান নারীদের স্বাধীনতার দিকে মনোযোগী হয়েছেন। তাই নারীদের মুক্ত করতেই আমরা লড়াই করে যাচ্ছি। তাদের মনটাকেও মুক্ত করতে হবে। আমাদের এই সংগ্রাম কেবল আইএসের বিরুদ্ধেই নয়, এই লড়াই নারীদের প্রতি কুটিল মানসিকতার বিরুদ্ধে। অশুভ কিছু কেবল আইএস পুরুষদের দিক থেকেই আসে না, নারীদের মধ্য থেকেও বেরিয়ে আসে। তাই নারীদের উচিত নিজেদের শিক্ষিত করে তোলা। আদর্শগত দিক থেকে তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

এভরিল দাইফ্রামও ব্যতিক্রম নন। বয়স সবে ২০। গত তিন বছর ধরে যুদ্ধ করছেন। এই টিনএজার ইতিমধ্যে কয়েক সহযোদ্ধাকে হারিয়েছেন। ‘আমরা সাধারণ মানুষদের মুক্ত করতে এবং নেতা আবদুল্লাহ ওকালানকে মুক্ত করতে যুদ্ধ করছি। তিনি তুরস্কে বন্দি রয়েছেন,’ বলেন সিএনএন-কে।

ওয়ান অঞ্চল থেকে এসে কাঁধে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী উলাত রোমিন। আড়াই বছর ধরে আইএস-বিরোধী লড়াইয়ে শামিল। রাক্কা, তাবকা এবং আল-হলে যুদ্ধ করেছেন। কুর্দিশদের মুক্তির জন্যে তিনি প্রাণ বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত। ‘আমি অবিচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি, অধিকারের জন্যে করছি’, জানালেন বলিষ্ঠ কণ্ঠে। ‘বিশেষ করে নারীদের মুক্তির জন্যে আমার এ লড়াই’।

ছয় বছর ধরে এ যুদ্ধে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সোজদার দেরিক। স্পষ্ট কথা তার, আমাদের মাতৃভূমি আর নারীদের স্বাধীন করতে আমার এ যুদ্ধ।

এরা সবাই নারী, সবাই যোদ্ধা। তাদের দেখানো আদর্শগত পথে রয়েছেন আরো বহু নারী। তারা সবাই কাঁধে ভারী অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিয়ে চলেছেন জন্মভূমিকে, তাদের মা-বোনদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার বর্ষসেরা একাদশে ৫ জনই স্প্যানিশ

লন্ডনের পালাডিয়াম হলে ফিফা’র বর্ষসেরা ফুটবলার, বর্ষসেরা কোচ, নারী ফুটবলার এমনকি সেরা একাদশও ঘোষিত হচ্ছে। যদিও এরইমধ্যে সেরা একাদশ মনোনয়ন জেনে গেছে ফুটবলবিশ্ব।
জানা যায়, স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ থেকেই ৫ জন মনোনীত হয়েছেন ফিফা’র এবারের বর্ষসেরা একাদশে, ৩ জন মনোনীত হয়েছেন বার্সেলোনা থেকে। বাকি ৩ জন জুভেন্টাস, মিলান ও পিএসজি থেকে।

তালিকা অনুযায়ী, মিডফিল্ডার হিসেবে থাকছেন রিয়ালের ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মডরিচ ও একই ক্লাবের জার্মান তারকা টনি ক্রুস। তাদের সঙ্গে আছেন বার্সেলোনার স্পেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। আর বর্ষসেরা একাদশের আক্রমণভাগে আছেন অনুমিতভাবেই তিন বিশ্বসেরা। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, রিয়ালের ইউরোজয়ী পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং সম্প্রতি বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে চলে যাওয়া ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক নেইমার (পিএসজি)।

ফিফার বর্ষসেরা একাদশের গোলরক্ষক জুভেন্টাসের ইতালিয়ান তারকা জিয়ানলুইজি বুফন। রাইট ব্যাক হিসেবে আছেন পিএসজি’র ব্রাজিলিয়ান দানি আলভেস। সেন্টার ব্যাক রিয়াল অধিনায়ক ও স্প্যানিশ তারকা সার্জিও রামোস, তার সঙ্গে একই পজিশনে আছেন এসি মিলানের (সাবেক জুভেন্টাস) ইতালিয়ান লিওনার্দো বোনুচ্চি।
আর লেফট ব্যাক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান তারকা মার্সেলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বর্ষসেরা ফিফা কোচের স্বীকৃতি পেলেন জিদান

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী হল লন্ডন প্যালাডিয়ামে ফিফার বর্ষসেরা কোচ হিসেবে জিদানের নাম ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ অক্টোবর) ফিফার বর্ষসেরাদের পুরস্কৃত করতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে জিদান দায়িত্ব নিয়েছেন গত বছরের ৪ জানুয়ারি। দায়িত্ব নিয়েই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ফুটবলবিশ্বে।

সেরা কোচের ক্যাটাগরিতে মনোনয়নে ছিলেন চেলসির ইংলিশ লিগ জয়ী কোচ আন্তোনিও কন্তে এবং জুভেন্টাসের সিরিআ জয়ী কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি। শেষ পর্যন্ত এই দু’জনকে পেছনে ফেলে বর্ষসেরা ফিফা কোচের স্বীকৃতি পেলেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ফুটবলার জিদান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest