সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

আশাশুনির অধিকাংশ ব্যবসায়ী মানছেন না ভোক্তাধিকার আইন

আশাশুনি ব্যুরো : জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন মানছেন না উপজেলার অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ২০০৯ আইন অনুযায়ী প্রত্যেকটি মুদি দোকানে পন্যের বাজার দর নোটিস বোর্ড টানিয়ে রাখার নিয়ম থাকলেও ভোক্তাদের ফাঁকি দেওয়ার জন্য তা অনেকেই খুলে রেখেছে, আবার অনেক ব্যবসায়ী জানেনই না ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ আইন কি?। আর একারণে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষ। উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখাগেছে, বুধহাটাসহ উপজেলার প্রতিটি বাজারে মুদি দোকান, হোটেল, রেস্তোরা ও চাউলের দোকানে নেই কোন বাজার দর নোটিস বোর্ড। পন্যের দাম ওঠা-নামা করলেও দোকানিদের দোকানে পন্যের দাম উর্দ্ধোগতি ছাড়া নিন্মগতির কোন আশাই করা যায় না। অত্র এলাকার চাষি ও ছোট ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে পন্য বা দ্রব্য উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করে থাকেন। এসময় বিক্রিত মাল একই স্থানে কয়েকবার বেচা-কেনা হয়ে থাকে। আর এক হাত থেকে আরেক হাত পরিবর্তন হলেই দামও এক হাত বেড়ে যায়। এভাবেই চলছে বুধহাটাসহ অত্র উপজেলার বিভিন্ন বাজারের বেচা কেনা। এতে করে মালের দাম নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে সাতক্ষীরা জেলা ভোক্তাধিকার কেন্দ্র থেকে বাজার মনটরিং হলেও কিছু দিন যেতে না যেতে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায় বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীরা। এব্যাপারে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানাসহ জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন এর হস্তাক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ক্রেতা সাধারণ ও উপজেলার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল সাতক্ষীরার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী রূম্পা

ঝাউডাঙ্গা ব্যুরো : সদর উপজেলার ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে ৮ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে পারিবারিকভাবে বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়। জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি তাদেরকে ধরে থানায় সোপার্দ করেছে। ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মফিজুল ইসলাম জানান, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের মো. শফিকুল গাজীর কন্যা মোছা. শিরিনা সুলতানা বিবাহের আয়োজন করা হয়। সে দেবনগর বেগম রোকেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। তিনি আরো জানান, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে থানা পুলিশ তাদেরকে থানায় আটক করে নিয়ে আসে। এসআই আনিস জানান, উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিয়ে দেবে না এই শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলারোয়ার জনজীবন

নিজস্ব প্রতিনিধি : নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কলারোয়ার জনজীবন। বৃহষ্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবিরাম বর্ষণ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। যাতায়াত ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে বীজতলা ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে, কিছু মাছের ঘের ভেসে গিয়েছে। অনেক এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়েও পড়েছে, অনেকের বাড়ির আঙিনায় জমে গিয়েছে হাঁটু সমান পানি। সর্বোপরি দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের কাজ না থাকায় আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন তারা।
কলারোয়া পৌরসভাধীন বেত্রবতী নদীর দু’পাড়ের অনেক ঘর-বাড়িতে ও আঙিনায় পানি উঠেছে।
চাষীরা তাদের কৃষি কর্ম আর ফসল নিয়ে রয়েছেন দারুণ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।
এছাড়া প্রবল বর্ষণের কারণে কলারোয়ায় প্রায় ৩০/৩৫ হেক্টর জমির আমন ধান পানির নিচে রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়। টানা বর্ষণে প্রায় ২/৩ ফুট পানিতে ফসলি জমির ক্ষেত ডুবে থাকায় ফসলি জমির আমন ক্ষেতের পাকা ধান পানির নিচে।
কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাসীন আলী জানান- প্রবল বর্ষনের আমন ধানের ক্ষেত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু জানান- তার এলাকায় কিছু মৎস্য ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট পানির নিচে।
অন্যদিকে দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান মফে জানান- তার এলাকায় কপোতাক্ষ নদ হওয়ার কারনে কিছু এলাকার মানুষ বিপাকে রয়েছে। ক্ষেতের ফসল পানির নিচে রয়েছে। একই সাথে বাওড় এলাকায় কিছু মৎস্য ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি ওই এলাকার অসহায় মানুষের খোজ খবর নিচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের নিন্দা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : গত ১৮/১০/১০১৭ তারিখে সন্ধায় কয়েকজন সংবাদকর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে তা দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহ কালে এ ধরণের ঘটনা ও পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি অতি দুঃখজনক। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা থেকে সকলকে বিরত থেকে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ জানিয়ে বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব লিটুসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেইমারের জরিমানা ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা!

নেইমার কর ফাঁকির মামলায় জড়িয়েছেন দুই বছর আগেই। সে মামলার ‘ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি’ করতে ‘ধোঁকা দেওয়া’র চেষ্টার অভিযোগে পিএসজির ফরোয়ার্ডকে ১২ লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা) জরিমানা করেছেন ব্রাজিলের আদালত।

মামলা-প্রক্রিয়ায় বিলম্ব করতেই নেইমার এমন চেষ্টা করছেন বলে মনে করছেন আদালত। বিচারালয়ের সূত্র মারফত ইএসপিএন জানিয়েছে, নেইমার এবং তাঁর বাবা-মা ছাড়াও আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানের ওপর এ জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। মাঠের বাইরে ব্রাজিলিয়ান তারকার সবকিছু তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করেন বলেই মঙ্গলবার এ রায় দেন আদালত। নেইমার যে পরিমাণ কর ফাঁকি দিয়েছেন, সে তুলনায় জরিমানার অঙ্কটা মাত্র ২ শতাংশ।
বিচারক কার্লোস মুতা তাঁর রায়ে বলেন, মামলা-প্রক্রিয়ায় নেইমারের ভূমিকা ‘ধোঁকা দেওয়ার মতো এবং সেটা সুবিচার নিশ্চিতকরণের বিপক্ষে’। আদালত মনে করে, বার্সেলোনা ও সান্তোসের সাবেক তারকা ‘মামলা-প্রক্রিয়ায় বাধাদান করে দীর্ঘসূত্রতা বাড়াতে চান’। দুই বছর আগে দায়ের করা সেই মামলায় নেইমারের ৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিলেন আদালত। এ ব্যাপারে বিচারক কার্লোস মুতা তখন বলেছিলেন, বিগত বছরগুলোতে এই করের অর্থ প্রাপ্ত সুদ, আইনি খরচ এবং আর্থিক নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে কর ফাঁকির অর্থের তিন গুণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পিএসজির তারকার বিপক্ষে অভিযোগ, ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর ফাঁকি দিয়েছেন। ব্রাজিল কর কর্তৃপক্ষের মতে, নেইমার বেশ কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আয়ের মূল অঙ্ক গোপন করেছেন। এতে তাঁর যেখানে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ কর দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে মাত্র ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ কর দেওয়ার রাস্তা খুলে যায়। সূত্র: মার্কা, ইএসপিএন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্ষুর দিয়ে চোখের মণি শেভ!

চুল-দাড়ি বড় হলেই আমরা সাধারণত সেলুন তথা নরসুন্দরের কাছে যাই চুল কাটাতে, শেভ করতে। আবার অনেকেই চুলে রং করানোর জন্য। কিন্তু চীনে এমন একজন নরসুন্দর রয়েছেন তিনি এসব কিছুই করেন না।

তার নাম জিয়াং গাউ। চীনের চেংদু নগরীতে তার বসবাস। তিনি চোখের ভেতরের মণি শেভ করেন! তাও আবার ধারালো ক্ষুর এবং ব্লেড দিয়ে।

পড়েই গা শিউরে উঠছে? ওঠারই কথা। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তিনি চোখের ভেতর থেকে চোখের মণি বের করে আনেন না। বরং চোখের ভেতরের ময়লা ও ধুলাবালি বের করে আনেন। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন জিয়াং গাউ। দীর্ঘ এই সময় কেউ কখনো তার এই কাজে আহত হননি। এমনকি সামান্য আঘাতও পাননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারপিটের ঘটনায় শ্রীরামপুরের জামায়াত কর্মী রশিদ আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একই পরিবারের ৩ জনকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলায় সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের এস আই মোমিনসহ সঙ্গীয় ফোর্স শ্রীরামপুরের রশিদ তরফদার নামে এক জামায়াত কর্মীকে গত বৃহষ্পতিবার রাতে শহরের মুনজিত এলাকা থেকে আটক করেছে। সে সদর উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার জহির উদ্দিন তরফদারের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শ্রীরামপুর চৌকিদারপাড়া এলাকার আব্দুল গফুর তরফদারের সাথে এজমালি সম্পত্তি নিয়ে একই এলাকার মৃত জহির উদ্দীন তরফদারের পুত্র আব্দুর রশিদ তরফদারের সাথে বিরোধী চলে আসছিল। এ সুত্র ধরে সোমবার দুপুরে আব্দুর রশিদ তরফদার ও তার দুই পুত্র পুত্র রেজাউল তরফদার, তরিকুল তরফদার আকর্ষ্মিক ভাবে গফুরের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। এসময় তার ছেলে ইউনুস ও স্ত্রী ফিরোজা বেগম এগিয়ে আসলে তাদের কেউ মারপিট করে গুরুতর জখম করে এবং ফিরোজা বেগমের কাপড় চোপড় টেনে শ্লীলতাহানি ঘটায়। তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে হামলাকারীদের হাত থেকে তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে আহতরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে এঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে হামলাকারীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া হামলাকারী রেজাউল তরফদার তাদের কে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ফিরোজা বেগম।
উল্লেখ্য হামলাকারী রেজাউলের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। গত ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট আবুল নামের একব্যক্তি মারপিট করে টাকা ছিনিয়ে নেয় রেজাউল। এঘটনায় আবুল হোসেন বাদী হয়ে সদর থানা একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে শ্রীরামপুরের একাধিক এলাকাবাসী জানিয়েছে, রশিদ বিগত ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী পরবর্তী সময়ে এলাকায় জামায়াতের এজেন্ট হিসাবে কাজ করত। সে এলাকায় রাস্তা কাটা, গাছ ফেলে চলাচলে বিঘœ ঘটানোসহ শ্রীরামপুর এলাকার আ’লীগ সমার্থক ব্যক্তিদের উপর হামলাসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করত। এব্যাপারে ভূক্তভোগীরা জেলা পুলিশের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলাবদ্ধতায় বিপাকে বলাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

জি. এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪৪নং বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার স্কুল অনুমোদনের জন্য যে সব শর্ত রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম শর্ত হচ্ছে স্কুলে খেলার মাঠ থাকা। সরকারের শর্ত পূরণ করতে সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে বৃহৎ মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু অপ্রিয় সত্য হল শুক্রবার দিনব্যাপী বৃষ্টিতে সেখানকার চিত্র দেখলে মনে হয়, এটি খেলার মাঠ নয়, বরং মাছ চাষের আবাদ। বিদ্যালয়ে প্রায় ২শত জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। স্কুল শুরুর আগে ও পরে স্কুল মাঠ ছাত্রছাত্রীদের কলকাকুলিতে ভরে ওঠে। এলাকার শত শত ছেলেমেয়েদের স্কুল সময়ে মুক্ত আবহাওয়া প্রাপ্তি, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু টানা বর্ষণের কারণে সেখানে বর্তমানে খেলার কোন সুযোগ নেই বরং হাঁটু পানি জমে আছে। স্কুলের মাঠটি এখন পানিতে টইটম্বুর। ফলে স্কুলের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার খেলাধূলা ও মুক্ত অবকাশের জন্য ব্যবহৃত মাঠটি ব্যবহারের সুযোগ বঞ্চিত হয়ে শিশু ও যুব সম্প্রদায় মনোকষ্টে রয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মো. আরাফাত হোসেন জানান, মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে মাঠটি পানিতে তলিয়ে থাকে। স্থানীয় অভিভাবক মো. সাইদুর রহমান বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে আসতে অসুবিধা হচ্ছে। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে গিয়ে জামাকাপড়, বই খাতা ভিজে যায়। ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন বলেন, বেশি বৃষ্টি হলে আমরা স্কুল মাঠে এসময় খেলাধুলা করতে পারি না। পানিতে সবাই মিলে লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারি না। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইকবাল আনোয়ার সুমন বলেন, স্কুলে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক অসুবিধা হয়। এব্যাপারে আমি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। ঈদগাহ ও স্কুলের মাঠ একই হওয়ায় তিনি ঈদগাহ সংস্কার প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি ভরাট করার অাশ্বস্ত করেছেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আসাদ বলেন, স্কুলের মাঠ ১ থেকে দেড় ২ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত মাঠটি ব্যবহার করা যায়না। স্কুলের মাঠের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এঅবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস বলেন, অনতিবিলম্বে স্কুল মাঠে মাটি ভরাট না হলে জলাবদ্ধতা আরো বৃদ্ধি পাবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest