সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি

পাইকগাছায় মাসিক আইনশৃংখলা সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃংখলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফকরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ শেখ কামাল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানারা খাতুন, ওসি (অপারেশন) প্রবীণ চক্রবর্তী, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, রবিউল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস, দিবাকর বিশ্বাস, এসএম এনামুল হক, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আবু জাফর সিদ্দিকী রাজু, গাজী জুনায়েদুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুজন কুমার সরকার, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস, শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন, প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সরকার, আব্দুল গফ্ফার, আশুতোষ কুমার মন্ডল, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, প্রকাশ ঘোষ বিধান, জিএমএম আজাহারুল ইসলাম, দাউদ শরীফ ও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম হিরা। সভায় পাইকগাছা কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ ও মাদকের ব্যবহার বন্ধ, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান, প্রচার মাইকের মাধ্যমে শব্দ দুষণ বন্ধ, ভিলেজ পাইকগাছা মোড়ে মাদকের অবাধ ব্যবহার বন্ধ, শিক্ষক মিলিজিইয়াসমিনের বসতবাড়ীর ছাদের উপর প্রতিবেশীর হেলেপড়া গাছ কর্তন ও লস্কর ইউনিয়নের ঠাকুরবাড়ী খাল অবমুক্তকরণ সহ আইন শৃংখলা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সখিপুরে বয়স্কদের ভাতা প্রদানের উদ্বোধন

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে বাছাইকৃত বয়স্ক ব্যক্তিদেরকে সাসের আয়োজনে বয়স্কদেরকে ভাতা প্রদানের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রবীন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় সাসের আয়োজনে এবং পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ইউনিয়নের ৭৫ জন অসহায় ও বয়স্ক ব্যক্তিদেরকে উক্ত ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন। প্রধান অতিথি ছিলেন সাসের নির্বাহী পরিচালক শেখ ইমান আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাসের উক্ত প্রকল্পের ফোকাল পার্সন খান মোঃ শাহ আলম। প্রোগ্রাম কর্মসূচীর সংগঠক মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইউপি সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ইউপি সদস্য আকবর আলী, ইউপি সদস্য পরিতোষ বিশ^াস, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, সাসের সমৃদ্ধি কর্মসূচির পিসি শামীম হোসাইন, সাসের সখিপুর ইউপির শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, হিসাবরক্ষক সরদার আল মাসুম, ইউপি সদস্যা আলফাতুন্নেছা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আওয়ামীলীগের একাংশের বিরুদ্ধে আরেক অংশের বিক্ষোভ মিছিল

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু বলেছেন- ‘শেখ হাসিনার গাড়িবহর হামলা মামলা নিয়ে টালবাহানা করলে কলারোয়া আ.লীগ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম মুছে দেয়া হবে।’
মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়া থানা সংলগ্ন রূপালী ব্যাংকের সামনে সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কলারোয়ায় বহুল আলোচিত জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মামলা ভিন্ন খ্যাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে ওই মিছিল-সমাবেশ করে উপজেলা আ.লীগের একাংশ।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশটি দৃশ্যত আ.লীগের বিরুদ্ধে আ.লীগে রূপ নেয়।
সমাবেশের আগে আমিনুল ইসলাম লাল্টুর নেতৃত্বে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি কলারোয়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
উপজেলা চেয়ারম্যানকে ইঙ্গিত লাল্টু বলেন- ‘কলারোয়ার সুইপার সমিতি থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তারই নিজের লোক হতে হবে। তা না হলে সেই কমিটি তিনি মানবেন না। উদাহরণসরূপ তিনি বলেন, সম্প্রতি কলারোয়া প্রেসক্লাবের কমিটিতে তার নিজের লোক বসাতে না পারায় মাত্র ৯ জন সাংবাদিক দিয়ে তিনি আরেকটি পাল্টা কমিটি দিয়েছেন। যাতে তিনি দেদারচ্ছে দুর্নীতি করে আরো বেশী বেশী করে গাড়ি বাড়ি করতে পারেন।’
সমাবেশে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদাও উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনকে ইঙ্গিত করে বলেন- ‘আপনার ওই চেয়ার স্প্রিং লাগানো। সারা জীবন ওই চেয়ার আপনি ধরে রাখতে পারবেন না, ওই চেয়ার একদিন সরে যাবেই। সেই দিন জনগণ আপনার দুর্নীতির হলফনামার হিসাব-নিকাশ আদায় করেই ছাড়বে।
তিনি আরো বলেন- ‘উপজেলা চেয়ারম্যান আগামি সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়নে ডিএসবি, এনএসআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে নাকি এগিয়ে আছেন বলে বিভিন্ন জায়গায় প্রচার দিয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি ওই সব গোয়েন্দা রির্পোটে এগিয়ে আছেন দুনীর্তিতে।’
কলারোয়া উপজেলা সৈনিক লীগের সভাপতি রুবেল মল্লিকের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা মোস্তাক আহমেদ, আ.লীগ নেতা অধ্যাপক এমএ কালাম, ভুট্টোলাল গাইন, স.ম মোরশেদ আলী, মশিয়ার রহমান, আজিজুর রহমান, যুবলীগ নেতা ডালিম হোসেন, আক্তারুল ইসলাম, জনি, গোলাম হোসেন, মনিরুজ্জামান, আমানুল্লাহসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মটর শ্রমিক ইউনিয়ন দখল চেষ্টায় আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা মটর শ্রমিক ইউনিয়ন দখলের চেষ্টায় ইউনিয়নে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় ৪ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সাধারণ শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার সকালে আক্তারুজ্জামান মহব্বত, কবির, মকছুর, মশিয়ার, আরশাদ আলী, আব্দুল গফুর সরদারের ছেলে মিঠু, মিজান, বসির , সালাম, শফি এবং রুবেলসহ ২৫/৩০জন বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী লাঠি সোঠা,রাম দা, চায়নিজ কুড়াল, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মটর শ্রমিক ইউনিয়ন দখল করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান ও বিপুলের উপর আকস্মিক হামলা চালিয়ে মারপিট করতে থাকে। এঘটনা সাধারণ শ্রমিকরা দেখতে পেতে হামলাকারীদের ধাওয়া করলে তাদের সাথে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাধে এতে মৃত. মোকছেদ আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম, মৃত অজেত আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম, তুহিন, আকরাম বাবু আহত হয়।

খবর পেয়ে সদর সার্কেল এসপি’র নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের ধাওয়া করলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ জানান, মালিক সমিতির একজন উর্দ্ধতন নেতার ইশারায় মটর শ্রমিক ইউনিয়নটি দখলের পায়তারা চলছে দীর্ঘ দিনধরে। এর জের ধরে মঙ্গলবার টার্মিনালে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিটিকে হটিয়ে ইউনিয়ন দখল করার জন্য হামলা করে সন্ত্রাসীরা। তারা আরো জানান, হামলাকারীদের মধ্যে বিএনপি নেতা আমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আক্তারুজ্জামান মহব্বতসহ সকলেই বিএনপির জামায়াতের ক্যাডার হিসাবে পরিচিত ছিলো। এদের মধ্য রুবেল বিগত ২০১৪ সালের শেষের দিকে ছিনতাই করার অপরাধে পুলিশের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া বসির ডাকাতিসহ কয়েকটি মামলার চিহ্নিত আসামি।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচিত কমিটিকে উপেক্ষা করে ইউনিয়ন দখল করতে এই চক্রটি টার্মিনালে যে কোন ধরনের হত্যাকান্ডসহ বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধিয়ে দিতে পারে।
অবিলম্বে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিজার্ভ চুরিতে ‘দোষ মিলল’ বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরি যাওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তার জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহ করেছিল তদন্ত সংস্থা। দেড় বছরের দীর্ঘ তদন্তে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১২০ জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের প্রায় শেষ পর্যায়ে ব্যাংকের ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এদিকে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানকে দুই দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। তদন্ত সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আতিউর রহমানের আচরণগত দুর্বলতা পেয়েছে তারা। তদন্তসংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল একটি সূত্র দাবি করেছে, ‘দায়িত্বে অবহেলা’ এবং ‘ঊর্ধ্বতনদের অবগত না করার’ কারণে চার্জশিটে সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের নাম থাকতে পারে। সব মিলিয়ে চার্জশিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের কমপক্ষে ১০ জনের নাম থাকছে।

সূত্র জানায়, রিজার্ভ চুরির সময় ১৫ জন কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত করা হয়। তাদের প্রত্যেকের একান্ত সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে সিআইডি। তাদের দায়িত্ব কি ছিল এবং সেদিন (চুরির দিনগুলোতে) তারা কী করেছে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। তাদের তথ্যের পাশাপাশি সিআইডি কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করে। সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে এ পর্যন্ত ১০ কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কনভিন্সড (নিশ্চিত) তদন্ত কর্মকর্তারা। চার্জশিটে সবার নাম এবং ভূমিকা তুলে ধরবে সিআইডি।

সিআইডির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মামলার ৭৫ শতাংশ তদন্ত শেষ। আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যে চার্জশিট দেয়া যাবে বলে আশা করছি।’

চার্জশিটে যাদের নাম থাকছে তাদের নাম পাওয়া না গেলেও জানা গেছে, ব্যাংকের সাবেক একজন উপ-পরিচালক (ডিডি), একজন সহকারী পরিচালক (এডি), একজন ডিজিএম, ব্যাক অফিস অব দ্য ডিলিং রুমের এক নারী কর্মকর্তাসহ ছয়জন, পেমেন্ট অফিসের এক কর্মকর্তা, একাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং শাখার সাবেক এক কর্মকর্তা, বাজেট শাখার সহকারী পরিচালক পদের এক কর্মকর্তা এবং গভর্নরের সচিবালয়ের তিন কর্মকর্তার নাম যুক্ত করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান বলেন, ‘তদন্ত নিজ গতিতে চলছে। শিগগিরই চার্জশিট দেয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তদন্তের এ পর্যায়ে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।’

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮৮০ কোটি টাকা) চুরির ঘটনা ঘটে। অর্থের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে ফিলিপাইনের জুয়ার টেবিলে চলে যায়।

চুরির মাসখানেক পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির হিসাব ও বাজেট শাখার যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪-সহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা করা হয়। এতে ‘অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের’ আসামি করা হয়। সংবেদনশীল এই মামলাটির তদন্তের দায়ভার দেয়া হয় সিআইডিকে।

সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্টতা সুত্র জানায়, দীর্ঘ দেড় বছরের তদন্তে সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এ পর্যন্ত ফিলিপাইনের ৩০ জনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। তারা সবাই ফিলিপাইনের বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা ও ভুয়া হিসাবধারী। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে রিজার্ভ চুরির মামলায় সাক্ষী করা হবে। বাকিদের আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

এছাড়া বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির সঙ্গে হংকং, ম্যাকাও ২৩ জন জুয়াড়িকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের সবাইকে এ মামলায় আসামি করা হবে। চার্জশিটেও থাকছে তাদের নাম।

অভিযুক্তদের মধ্যে সবাই সরাসরি জড়িত নাকি কেউ কেউ দায়িত্ব অবহেলার কারণে অভিযুক্ত? এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিআইডির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা অভিযুক্তদের ‘অপরাধ শনাক্ত ও অপরাধের মাত্রা’ নির্ণয় করে চার্জশিট দেব। বাকিটা আদালত বিবেচনা করবেন।

এদিকে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় এরই মধ্যে ফিলিপাইন, চীন, জাপান ও শ্রীলঙ্কার সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম-পরিচয় পেয়েছে সিআইডি। অর্থ চুরির কোনো না কোনো পর্যায়ে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। তাদের পূর্ণাঙ্গ নাম ও ছবি সংবলিত তথ্য নিজ নিজ দেশকে সরবরাহ করে তদন্তে সহায়তার অনুরোধ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হচ্ছেন জাপানের নাগরিক সাসাকিম তাকাশি ও জয়দেবা, আরসিবিসি ব্যাংকের জুপিটার শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো, ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ইস্টার্ন হাওয়াই লেইসার কোম্পানির মালিক চীনের নাগরিক কিম ওং, চার হ্যাকার মাইকেল ফ্রান্সিসকো ত্রুক্রজ, জেসি ক্রিস্টোফার লাগোরাস, আলফ্রেড ভারগারা ও এনরিকো তায়েদ্রো ভাসকুয়েজ।

এছাড়াও সন্দেহভাজনের তালিকায় রয়েছে রেমিট্যান্স আহরণকারী কোম্পানি ফিলরিমের প্রেসিডেন্ট স্লুইড বাতিস্তা, ফিলিপাইনের ব্যবসায়ী উইলিয়াম গো সো, শ্রীলঙ্কার এনজিও শালিকা ফাউন্ডেশনের পরিচালক গামাজ শালিকা পেরেরা, সানজেবা টিসা বান্দরা, শিরানি ধাম্মিকা ফার্নান্দো, ডন প্রসাদ রোহিতা, নিশান্থা নালাকা ও ওয়ালাকুরুয়ারাচ্চি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাটির তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদ! (ভিডিওসহ)

আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে “জেনি” (Djenne) শহরে এই মসজিদটির অবস্থান। নাম “গ্র্যান্ড মস্ক অব ডিজেনি” (Great Mosque of Djenne)। পৃথিবীতে মাটির তৈরী এটিই সবচেয়ে বড় মসজিদ।

মসজিদটি প্রথম কবে নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি। তবে ১২০০ শতাব্দী থেকে ১৩০০ শতাব্দীর মধ্যবর্তী মসজিদটি নির্মাণের পক্ষে অধিকাংশ মতের সমর্থন পাওয়া যায়।

মধ্যযুগে আফ্রিকার এই অঞ্চলে গুরুত্ব পূর্ণ ইসলামী শিক্ষা বিস্তারের প্রধান কেন্দ্র ছিল এই মসজিদটি। হাজার হাজার শিক্ষার্থী তখন কুরআন শিক্ষার জন্য এই মসজিদে আসা যাওয়া করত।

প্রতি বছর স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্যোগে মসজিদটির সংস্কার কাজ চলে। ২০০৬ সালের ২০ জানুয়ারী মসজিদের ছাদের একটি অংশ এবং ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর এর দক্ষিণ দিকের টাওয়ার এর একটি অংশ ধ্বসে পড়লে “দি আগা খান ট্রাষ্ট কালচার” নিজস্ব খরচে এটির সংস্কার করে।

১৯৮৮ সালে ইউনেস্কো এই মসজিদটি সহ এর চারপাশের ঐতিহাসিক স্থান সমূহকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকা

ভূক্ত করে। অসাধারণ গঠনশৈলীর কারণে মসজিদটি শুধু সাধারণ দর্শনার্থীদেরই নয়, স্থাপত্যশিল্পীদেরও নজর কাড়ে।

মসজিদটির ওপরিভাগের মাটির ছাদ রক্ষার কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেই। এতে এমনভাবে মাটির প্রলেপ দেওয়া আছে যে, প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতেও ওই ছাদের কোনো ক্ষতি হয় না।

https://www.youtube.com/watch?v=3SI5NdNEosE

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে সনাক’র মতবিনিময় সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রাথমিক শিক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে লক্ষ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সাতক্ষীরা এর যৌথ আয়োজনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর ২০১৭ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সনাক সভাপতি কিশোরী মোহন সরকার, সনাক সহ-সভাপতি মো. তৈয়েব হাসান, সনাক বিষয়ক শিক্ষা উপ কমিটির আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সন্দীপ কুমার রায়, গৌরাঙ্গ গাইন, এস, এম, মফিজুল ইসলাম, স্বজন সদস্য চায়না ব্যানার্জী প্রমুখ।
সভায় শিক্ষা খাতে সনাকের পরিচালিত কার্যক্রম সমূহ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা, শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ, উপবৃত্তি প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এছাড়াও টিআইবি কর্তৃক প্রকাশিত ‘বর্ণমালায় নীতিকথা’ বইটি প্রযোজ্য শ্রেণির ক্ষেত্রে সহপাঠ হিসেবে পড়ানেরা অনুরোধ জানানো হয়। এসময় বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক স্থাপন করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় তলায় উঠার জন্য ব্যবহার উপযোগী সিঁড়ি নির্মাণের জন্য তাগিদ প্রদান করা হয়। সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সক্রিয় মা দলের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ঐক্যমত পোষণ করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম তাঁর বক্তব্যে ‘সনাক’র প্রদত্ত পরামর্শ ও প্রস্তাবগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার’ প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
এসময় অন্যান্যের মাঝে সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দীন, সনাক সদস্য ড. দিলার বেগম, সনাক সহ-সভাপতি ভারতেশ^রী বিশ^াস, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার মন্ডল, টিআইবি এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মো. আহাদ, সহকারী ব্যবস্থাপক অর্থ ও প্রশাসন নারায়ন চন্দ্র দাশ সহ ইয়েস সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার বিশ^ শান্তির দর্শণ, জনগণের ক্ষমতায়ন সুদৃঢ় করায় আমাদের অঙ্গিকার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পৌর ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শহরের ইটাগাছা সংগ্রাম টাওয়ার চত্বরে ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের আয়োজনে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াছ কবীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহিদ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ শাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন, পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মইনুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest