সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

জাতিসংঘকে রাখাইনে প্রবেশের অনুমতি দিল মিয়ানমার

জাতিসংঘকে রাখাইন রাজ্যে খাদ্যসহায়তা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। আজ শুক্রবার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এ কথা জানিয়েছে।

সংস্থাটির মুখপাত্র বেটিনা লুয়েশার রয়টার্সকে জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের খাদ্যসহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে সবুজসংকেত পেয়েছে সংস্থাটি। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সমন্বয় করার জন্য আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করব।’

তবে ঠিক কবে থেকে ওই কর্মসূচি শুরু করবেন তা জানাতে পারেননি লুয়েশার। বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি। দুই মাস ধরে রাখাইনে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছিল।

লুয়েশার বলেন, ‘আমরা আগে সেখানকার পরিস্থিতি দেখতে চাই। সেখানে না গেলে বোঝাটা বেশ কঠিনই।’

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে। জাতিসংঘ এরই মধ্যে বলেছে, রাখাইনের ওই এলাকায় ‘জাতিগত নিধন’ চলছে।

রাখাইনের উত্তরাঞ্চল থেকে গত দুই মাসে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন মোট আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করে।

রাখাইনের ওই এলাকায় আগেও কাজ করেছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা। এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম ও বৌদ্ধকে খাদ্যসহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি।

রাখাইনের মংডু ও বুথিডং থেকে রোহিঙ্গারা বেশি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, এসব এলাকার শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বেশি।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৬০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। সেখানে প্রায় দুই হাজার শিশু পাওয়া যায়, যারা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্পেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা কাতালোনিয়ার

স্পেন থেকে পুরোপুরি পৃথক হতে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কাতালোনিয়া। আজ শুক্রবার কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে স্বাধীনতা ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় যখন কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন জারির কথা বলছিলেন, তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই কাতালান পার্লামেন্ট স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে রায় দিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়া আঞ্চলিক পার্লামেন্টে স্বাধীনতার পক্ষে ৭০ ভোট পড়ে। বিপক্ষে পড়ে ১০ ভোট। পার্লামেন্টের বিরোধী দল এই ভোট বর্জন করে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী রাহয় বলেন, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এর আগে কেন্দ্রের বাধা উপেক্ষা করে ১ অক্টোবর গণভোটের আয়োজন করা হয় কাতালোনিয়ায়। এতে ৯০ শতাংশ ভোটার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেন। স্পেন সরকার এই গণভোটকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক হিসেবে অভিহিত করে এসেছে।

২১ অক্টোবর কাতালোনিয়া সরকারকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকার’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্পেন সরকার। আঞ্চলিক সরকার যাতে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে না পরে, সে লক্ষ্যে স্পেনের মন্ত্রিসভা ওই সরকার বাতিলের পক্ষে মত দেয়। তখন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নের আঞ্চলিক নেতা কার্লোস পুজেমন একপক্ষীয় এবং আইনবহির্ভূতভাবে গণভোটের আয়োজন করেছিলেন। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

এর প্রতিক্রিয়ায় কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকারের প্রধান কার্লোস পুজেমন এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ও স্পেনের সাবেক স্বৈরাচার ফ্রাঙ্কো-পরবর্তী সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অনাচার বলে উল্লেখ করেন।
স্পেনের সংবিধানে কোনো বিদ্রোহী অঞ্চলের কর্তৃত্ব নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া আছে কেন্দ্রকে। এরপর থেকেই কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করার কথা ভাবছিল স্পেনের সরকার।

স্পেনের বিত্তশালী অঞ্চল কাতালোনিয়া। জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। এর রাজধানী বার্সেলোনা। অঞ্চলটির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। পাঁচ বছর ধরেই স্বাধীনতার কথা উঠছে। তবে ২০১৫ সালে কাতালোনিয়ার প্রাদেশিক পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা। নির্বাচনের ওই ফলের মধ্য দিয়ে স্পেন থেকে পৃথক হয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যায় কাতালোনিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তাজমহলে জুমার নামাজ বন্ধের আবদার আরএসএসের

এবার তাজমহলে শুক্রবারের জুমার নামাজ বন্ধ করার দাবি উঠিয়েছে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)।

রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক পুরোধা সংগঠন আরএসএসের ইতিহাস শাখা ‘অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতি’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাজমহলে নামাজ পাঠ বন্ধ না হলে ওখানে শিবের প্রার্থনাও করতে দিতে হবে।

প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পর্যটকদের জন্য সাময়িক বন্ধ থাকে তাজমহল। সেই তথ্য উল্লেখ করে অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতির শীর্ষ নেতা ডক্টর বালমুকুন্দ পান্ডে বলেন, ‘তাজমহল ভারতের জাতীয় ঐতিহ্য। কেন সেটা মুসলমানদের ধর্মীয় স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হবে? ওখানে নামাজ পড়ার অনুমতি প্রত্যাহার করা হোক। আর নামাজ পড়া যদি বন্ধ করা না যায়, তাহলে হিন্দুদেরও তাজমহলে শিবের প্রার্থনা করতে দিতে হবে।’

এর আগে হিন্দু যুব বাহিনী নামে একটি ডানপন্থী সংগঠন তাজমহলে শিবের প্রার্থনা করে। ওই সংগঠনটি দাবি করে, তাজমহল আসলে শিবমন্দির। ওই শিবমন্দিরকে কবরখানার চেহারা দেন শাহজাহান।

গতকাল বৃহস্পতিবার তাজমহল সফর করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ। তখন বিজেপিকর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেন।

আরএসএসের ইতিহাস শাখার দাবি, তাজমহল যে আসলে শিবমন্দির, তার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। তাজমজল কোনো ভালোবাসার প্রতীক নয়। সংগঠনের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, তাজমহল যদি ভালোবাসার প্রতীক হতো, তাহলে বেগম মমতাজের মৃত্যুর চার মাসের মধ্যে শাহজাহান কেন আবার বিয়ে করেন?

উগ্রবাদী এই সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়েছে, তাজমহলের প্রকৃত সত্য সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। খুব শিগগির সেসব তথ্য প্রকাশ্যে আনা হবে।

আরএসএসের ইতিহাস শাখা জানিয়েছে, মুসলমান শাসকের নির্দেশে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভারতের যাবতীয় হিন্দু স্থাপত্যের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাক্তারকে আপু বলায় দুই স্বজনকে মারপিট, রোগীর মৃত্যু

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর আহত ওই দুই স্বজনকে জোরপূর্বক জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুক্রবার রোগী মাহেলা বেওয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলে তাকে জয়পুরহাটে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এর আগেও এক সিরাজগঞ্জের রোগীর স্বজনদের মারপিটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পরে রোগী আলাউদ্দিনও মারা গিয়েছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল গ্রামে মৃত বজলুর রশিদের স্ত্রী মাহেলা বেওয়াকে (৭৫) শজিমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের মহিলা ওয়ার্ডে (ইউনিট-১, বেড নং-অতিরিক্ত ৫) ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টায় রোগীর ছেলে গাজিউর রহমান (৪৫) ও তার ছেলে রুম্মান হোসেন শান্ত (২৫) তাকে দেখতে আসেন। এসময় রোগীর চিকিৎসা নিয়ে নাতি রুম্মান হোসেন শান্ত এক মহিলা ইন্টার্নকে আপা বলে সম্বোধন করে চিকিৎসার জন্য ডাকেন।

এঘটনার পরই ওই মহিলা ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে থাকা পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীর স্বজন শান্তর শার্টের কলার চেপে ধরেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শান্তর বাবা গাজিউর রহমান এগিয়ে এলে তার সঙ্গেও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একটু পরই ছুটে আসে একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল কলেজের কিছু শিক্ষার্থী। তারপর দু’জনকে ধরে বেধড়ক মারপিট শুরু করেন।

এসময় অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনরা ভয়ে ছুটাছুটি করে বাহিরে চলে যেতে থাকেন। ঘটনার পর গণমাধ্যমকর্মীরা রাতেই হাসপাতালে গেলে তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। রাত ১টায় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল থেকে চলে এলে আহত ওই দু’জনকে হাসপাতাল থেকে জয়পুরহাটে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে তারা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে রাতেই ভর্তি হন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওই ওয়ার্ডে একা যেতে দেয়া হয়নি। হাসপাতালের উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী একজন কর্মচারীকে সঙ্গে দিয়ে ওই ওয়ার্ডে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ করতে দেন। সেখানে কেউ কেউ মুখ খুললেও নাম-পরিচয় গোপন রাখার কথা বলেন। অন্যরা ভয়ে জানান, তারা কিছুই দেখেননি। এ সময় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসপাতালে নেই। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে চিকিৎসক দেখা গেছে।

ওই ওয়ার্ডের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন রোগী জানান, রোগীর চিকিৎসা নিয়ে কথাকাটাকাটির পর হঠাৎ করেই একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক এসে ওই রোগীর দুই আত্মীয়কে মারপিট করতে করতে একটি রুমে নিয়ে যায়। এসময় তারা চিৎকার করতে থাকেন। মারপিটের ঘটনার সময় আমরা ভয়ে ওয়ার্ড ছেড়ে বাইরে যাই। বেশ কিছুক্ষণ মারপিটের ঘটনা ঘটে। আমাদের বলা হয়, কেউ বাইরের কাউকে এসব বিষয় বললে বিপদ আছে। ঘটনার পর গণমাধ্যমকর্মীদের আড়াল করতে রোগী মাহেলাকে সিসিইউতে সরিয়ে নেয়া হয়।

আহত রুম্মান হোসেন শান্ত জানান, তার দাদি মাহেলা বেওয়ার শরীরে রক্ত দেয়া হচ্ছিল। রক্ত শেষ হলেও তা খুলে দেয়া হয়নি। বিষয়টি একজন মহিলা ডাক্তারকে বলতে গিয়ে আপু বলে ডাক দিয়েছিলাম। এতে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অন্য একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক মাইন্ড করেন। এ কারণেই আমার কলার চেপে ধরা হয়। তারপর মারপিট করেন। একটু পরই একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ছুটে আছেন। তারা আমাকে ও আমার বাবাকে বেঁধে কিলঘুষিসহ রড দিয়ে মারপিট করতে থাকেন। আমরা চিৎকার করলেও কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। পরে অসুস্থ অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জোর করে আমাদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং বলা হয় বগুড়ার কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতালে যেন চিকিৎসা নেয়া না হয়।

শান্ত আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল থেকে তার মুমূর্ষ দাদিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে জয়পুরহাটে নেবার পথে তিনি মারা যান।

শুক্রবার সকালে হাসপাতালের উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, রোগীর দুই স্বজন মহিলা চিকিৎসককে ইভটিজিং করায় এবং অশালিন ভাষায় কথা বলায় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উপর তারা হামলা চালালে ৩ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। তবে তিনি তাদের নাম বলতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, রোগী মাহেলা বেওয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। হাসপাতালের উদ্ভূত ঘটনা নিয়ে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম রসুল তার অফিসে জরুরি সভা ডেকেছেন।

উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী আরও জানান, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্বজনরা স্বেচ্ছায় রিলিজ নিয়েছেন। ইন্টার্নরা কর্মবিরতি ঘোষণা করেননি তারা কাজ করছেন। তিনি বলেন হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে রোগীর সঙ্গে পাশসহ দু’জনের বেশি কেউ থাকতে পারবেন না। এছাড়া সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত আনসার নিয়োগ থাকবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কোনাগাতি গ্রামের আলাউদ্দিন সরকার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে তার ছেলে আবদুর রউফ শজিমেক হাসপাতালে আসেন। এরপর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাকে ও তার আত্মীয়দের মারপিট করে। তখন ওই ঘটনায় নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককের ইভটিজিং-এর অভিযোগ আনা হয়। ওই ঘটনার পর আলাউদ্দিনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ধর্মঘট ডাকেন। ওই ঘটনাতেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে নারী ইন্টার্নকে ইভটিজিং-এর অভিযোগ এনেছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেওড়ার আচার ও জেলি বানিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরলো বনজীবী শেফালী বিবির

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেওড়ার টক, ঝাল ও মিষ্টি আচার ও জেলী তৈরি করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন বনজীবী নারী শেফালী বিবি। একইভাবে মোম দিয়ে শোপিচ, সিট ও মোমবাতি তৈরি করে বাজারজাত করেন তিনি। এতে সংসারের কষ্ট দূর হয়েছে তার।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কোলঘেষে অবস্থিত দাতিনাখালী গ্রামের ছবেদ আলীর স্ত্রী শেফালী বিবি এখন অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারীদের দৃষ্টান্ত। কারণ তিনি শুধু নিজের ভাগ্যের চাকা ঘুরাননি, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও বনজীবীদের জীবনের মান উন্নয়নের জন্য উপকূলীয় এলাকার বন নির্ভর নারীদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন দাতিনাখালী বনজীবী নারী উন্নয়ন সংগঠন। শতাধিক নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে করেছেন আত্মনির্ভরশীল। প্রশিক্ষিত এসব বনজীবী নারীরাও কেওড়ার চকলেট, আচার ও জেলী এবং সুন্দরবনের মধু বোয়েমজাত পূর্বক বিক্রি করে উপার্জন করছেন অর্থ।

এসব পণ্য বিক্রয়ের লভ্যাংশ বাঘ বিধবা ও বনজীবী নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে। তাই সুন্দরবন ও বনজীবীদের নিয়ে কাজ করতে গেলেই ডাক পড়ে শেফালী বিবির।
শেফালী বিবি জানান, সুন্দরবনের কোলে মালঞ্চ নদীর পাড়ে এক টুকরো খাস জমিতে তাদের বাস। গৃহকর্তা ছবেদ আলী বছরের বার মাস সুন্দরবন থেকে মোম, মধু, মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু তাতে ঠিকমত চলতো না পাঁচজনের সংসার। তাই নিজেই কিছু করার কথা ভাবতে থাকেন এবং একটা পর্যায়ে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের পরামর্শে সুন্দরবনের ফল কেওড়ার টক, ঝাল ও মিষ্টি আচার, জেলী ও চকলেট তৈরি শুরু করেন। একই সাথে মোম দিয়ে শোপিচ, সিট ও মোমবাতি তৈরি করে বিক্রি করতে থাকেন। এতে ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় তার। অর্থনৈতিকভাবে সাফল্যের মুখ দেখেন তিনি।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, সুখ নিজের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখেননি এই বনজীবী নারী। স্থানীয় অন্যান্য বনজীবী নারীদেরও এগিয়ে নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেছেন দাতিনাখালী বনজীবী নারী উন্নয়ন সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমে স্থানীয় অন্যান্য নারীরাও স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে বারসিকের কর্মকর্তা মননজয় ম-ল বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের মধ্যে প্রচ- মনোবল রয়েছে। যার উদাহরণ শেফালী বিবি। বনজীবী পরিবারের সদস্য হয়েও তিনি সম্পূর্ণ নিজের সাহস ও আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম দ্বারা সমাজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। শেফালী বিবিদের কর্মকা-ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নারীর ক্ষমতায়নকে সুদৃঢ় করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল রাশিয়া

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে শক্তি প্রদর্শনে মেতেছে ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে এবার তিনটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো রাশিয়ার সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রুটিন মহড়ার অংশ হিসেবে ওই পরীক্ষা চালানো হয়।

এ ব্যাপারে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিমানঘাঁটি প্লেসেতস্ক থেকে ‘তোপোল-এম’ নামের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে যে বিশাল সামরিক মহড়া চালানো হচ্ছে সেটির অংশ হিসেবেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয় মহড়ায় অংশগ্রহণকারী পরমাণু শক্তিচালিত দুটি সাবমেরিন থেকে তিনটি আলাদা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের দু’টি জাপানের উত্তরে অবস্থিত ওখোতস্ক সাগর থেকে এবং একটি উত্তর আর্কটিক সাগর থেকে নিক্ষেপ করা হয়।

এছাড়া ইরানি গণমাধ্যম পার্স টুডে বলেছে, মহড়ায় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পাশাপাশি কয়েকটি জঙ্গি বিমানেরও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এসব জঙ্গি বিমান দূরপ্রাচ্যে অবস্থিত রাশিয়ার কামচাতকা দ্বীপ ও কাজাখস্তানে অবস্থিত রাশিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত পূর্ব নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

প্রত্যেকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে ‘দাবাং থ্রি’ সালমানের সঙ্গে সানি লিওন!

‘দাবাং’ সালমান খান ও সোনাক্ষী সিনহা জুটির সবচেয়ে দর্শকপ্রিয় সিক্যুয়েল সিনেমা। খুব শিগগিরই সিনেমাটির তৃতীয় সিক্যুয়েল তৈরি করতে যাচ্ছেন নির্মাতা ও প্রযোজক আরবাজ খান।
আর এ সিনেমায় সালমান-সোনাক্ষীর সঙ্গে থাকছেন হালের সবচেয়ে আলোচিত অভিনেত্রী সানি লিওন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে আরবাজ খান জানান, ‘এ মুহূর্তে ‘দাবাং থ্রি’র চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের মধ্যভাগে আমরা শুটিংয়ে যেতে পারব আশা করছি। আগের কিস্তিগুলোর মতো ‘দাবাং থ্রি’তেও মূল চরিত্রে দেখা যাবে সালমান-সোনাক্ষীকে। তবে এ ছবির গল্পে থাকবে কিছুটা ভিন্নতা। ‘

২০১০ সালে অ্যাকশন-রোমান্টিক সিনেমা ‘দাবাং’ দিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন সালমান খান। পুলিশ অফিসার চুলবুল পান্ডে চরিত্রে ‘ভাই’ সালমানের এর অসাধারণ অভিনয় এ সিনেমাটিকে পরিণত করে সে বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমায়। সালমানের বিপরীতে রাজ্জো পান্ডে চরিত্রে বাজিমাৎ করেন সোনাক্ষী সিনহাও। এতে বিশেষ কোনও চরিত্র ও আইটেম গানে দেখা যেতে পারে সানি লিওনিকেও।

দর্শক আগ্রহের কারণে ২০১২ সালে তৈরি করা হয় এ ছবির সিকুয়্যাল ‘দাবাং টু’। প্রথম ছবির মতোই সাড়া ফেলে দ্বিতীয় কিস্তিও। সেই সঙ্গে জনপ্রিয়তা পায় সালমান-সোনাক্ষী জুটি। এরপর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও দেখা মেলেনি ‘দাবাং থ্রি’র। অবশেষে তৈরি হচ্ছে সেই সিক্যুয়েল।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে আরবাজ খান ও সানি লিওনি অভিনীত নতুন সিনেমা ‘তেরা ইন্তেজার’-এর ট্রেলার। মিউজিক্যাল রোমান্টিক এ সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন তারা। ২৪ নভেম্বর মুক্তি পাবে এ সিনেমাটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : তালায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আব্দুল আজিজ বিশ্বাস (৫২) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে এ উপজেলার জাতপুর এলাকায় ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজ জাতপুর গ্রামের মৃত. গোলাম রসূলের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তালা উপজেলার জাতপুর এলাকার খোরশেদ বিশ্বাসের ধানের চাতালে ব্যবসায়ী কামরুল বিশ্বাসের শ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন আজিজ বিশ্বাস। শুক্রবার দশটার দিকে সে টিউবয়েল থেকে পানি উঠানোর সময় মোটরের সাথে টিউবওয়েলের বিদ্যুৎ সংযোগ এক যাওয়ায় আজিজ বিদ্যুৎপৃৃষ্ট হয়ে নিহত হন।
তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান, মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest