সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রচুর পুষ্টি উপাদান ফলের খোসায়!

ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা সবার জানা। তবে প্রায় সকলেরই নজর থাকে শুধু ফলের ভেতরটার দিকে। ফলের ওপরের খোসা ছাড়িয়ে তা ফেলে দেয়া হয় ডাস্টবিনে, যা খুব বড় ভুল। কারণ খোসাতেই রয়েছে আসল পুষ্টি বা খাদ্য উপাদান।

কোন ফলের খোসায় কি কি পুষ্টি গুনাগুন আছে, জেনে নিন-

১। কমলার খোসাঃ কমলার খোসা সরাসরি খাওয়া সম্ভব নয় তা ঠিক, তবে রান্না করার সময় সহজেই তা ব্যবহার করা যায়। এমনকি কমলার খোসাগুলো শুকিয়ে রেখে তা সারা বছর চায়ের মতো পানীয় হিসেবেও কাজে লাগানো যায়। এতে সুগন্ধ ছাড়াও যথেষ্ট ভিটামিন সি থাকে।

২। আপেলঃ আপেলের খোসায় থাকে প্রচুর ভিটামিন। তবে আপেলকে লোভনীয় ও আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য অনেকক্ষেত্রেই নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই আপেল ভালো করে ধুয়ে-মুছে খাওয়া উচিত।

৩। আমের খোসাঃ নানা স্বাদের, নানা রঙের এবং বিভিন্ন সাইজের রসালো, মজার আম খেয়ে বাঙালিরা অভ্যস্ত, তবে অবশ্যই খোসা ছাড়া। আমের খোসা বা চামড়া সরাসরি খাওয়া না গেলেও আমের চাটনি বা রস কিন্তু বাড়তি ভিটামিন গ্রহণের জন্য সহজেই খোসাসহ খাওয়া যায়।

৪। অ্যাভোকাডোঃ অ্যাভোকাডোর খোসায় রয়েছে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড ও মিনারেল। আরো আছে ভিটামিন এ, সি, ডি, কে, ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিড। এই ফলের খোসা সরাসরি খাওয়া না গেলেও বেক করে কিংবা ভেজে ভালোভাবেই খাওয়া যায়।

৫। কিউয়িঃ কিউয়ির অপর নাম ভিটামিন সি বোমা, যার আসল জন্ম নিউজিল্যান্ডে। কিউয়ির খোসায় রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা পেটের সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে। কিউয়ির খোসা খাওয়ার আগে অবশ্যই ফলের ওপরের চুলগুলো ছোট্ট ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে খাবারগুলো আপনার ওজন বৃদ্ধি করবে না

আপনি যদি ওজন কমানোর চিন্তায় থেকে থাকেন এবং আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে থাকেন তাহলে কিছু খাবার কোন ধরণের চিন্তা ছাড়াই খেতে পারেন।

আরও কিছু খাবার রয়েছে, যা কোন ধরণের চিন্তা ছাড়াই আপনি খেতে পারবেন এবং এতে করে বাড়তি ওজনের কোন ভয় থাকবে না। কারণ এসব খাবারের ৭৫ শতাংশ পানি দিয়েই তৈরি। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সকল খাবারের তালিকা-

১. ফুলকপি: অবাক লাগলেও সত্যিই ফুলকপি ওজন কমাতে সাহায্য করে। লো ক্যালোরি খাবার হওয়ার পাশাপাশি এতে ফাইবারও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। তাই পেট অনেকক্ষণ ভর্তি থাকে। তা ছাড়াও এতে ইন্ডোল, গ্লুকোসাইনোলেট এবং থায়োসাইনেট রয়েছে যা শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও সাহায্য করে।

২. কুসুমহীন ডিম: সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাশতায় ডিম খেলে তা শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ভিটামিন বি ১২, যা দ্রুত চর্বি কমাতে সহায়তা করে। যারা নিয়মিত ডায়েট করেন, তারা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি করে ডিম রাখতে পারেন। তবে ডিমের কুসুম এড়িয়ে চলা ভালো।

৩. অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল হচ্ছে ৮৫ শতাংশ অয়েলিক এসিড, যা পরিপাক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ অলিভ অয়েল খাওয়ার অভ্যাস করলে তা শরীরে মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৪. মধু ও লেবু: মধু ও লেবু আসলেই যে কার্যকরী, তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত। ওজন কমাতে দুটি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর সম্পর্কে অনেকেই জানেন। ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে। শরীরের ভেতরের নালীগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়। মেটাবলিজম/হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে। ঠাণ্ডা লাগলে লেবু ও মধুর কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা করলেও এটি উপকারী । এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

৫. ক্যাপসিকাম: ক্যাপসিকামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি খুব সহজে ও খুব দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। লাল, হলুদ কিংবা সবুজ যে কোন ধরণের ক্যাপসিকাম খেতে পারেন রান্নায় ব্যবহার করে। সব থেলে ভালো উপায় হচ্ছে সালাদে ক্যাপসিকাম খাওয়া। ওজন কমতে বেশ সাহায্য করবে।

৬. টমেটো: টমেটো খেলে শরীরে কোলেসিসটোকিনিন নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় যা স্টম্যাক এবং ইনটেস্টাইনের মধ্যে যে ভাল্ভ রয়েছে তা টাইট করে দেয়। ফলে পেট ভর্তি লাগে। তাই অনায়াসেই ওভারইটিং এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। আর প্রয়োজনের অতিরিক্ত না খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

৭. দারুচিনি: ওজন কমাতে দারুচিনি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এটি শরীরের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দারুচিনি খেলে খিদে কমে যায় এবং মেদ গলতে শুরু করে। পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টাইফয়েড, যক্ষ্ণা এবং ক্যান্সারেও দারুচিনি উপকারি। ১ থেকে ৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো বিপাকে দ্রুত ভূমিকা রাখে, যা শরীরে সামগ্রিকভাবে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যে খাবার!

সুস্থ থাকার জন্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুন্ন থাকাটা খুবই জরুরি। এটা ঠিক না থাকলে সহজেই যেকোন রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। তাই চলতি মৌসুমের পরিপ্রেক্ষিতে শরীর সুস্থ রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রস্তুত করতে এই মৌসুমে বেশ কিছু খাবার খেতে পারেন।

চলুন এমন কিছু খাবারের কথা জেনে নেই-

১। দইঃ দইতে প্রচুর উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো আমাদের পাকস্থলী ও খাদ্যনালীকে রোগ সৃস্টিকারী জীবাণু থেকে মুক্ত রাখে। এজন্য দইকে প্রোবায়োটিক ফুডও বলা হয়। দই ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপুর্ণ উৎস। নিয়মিত দই খেলে শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ে। যার ফলে রোগে ভোগার ঝুঁকি ৩৩ শতাংশ কমে যায়।

২। রসুনঃ রসুনে প্রচুর পরিমানে অ্যালিসিন থাকে, যা ইনফেকশন ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। এছাড়া অরগানো-সালফার সমৃদ্ধ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফাইটোক্যামিকেলস প্রচুর পরিমাণে থাকার কারনে রসুন ফ্রি-রেডিক্যালের বিরুদ্ধে কাজ করে ও কোষঝিল্লি নষ্ট হবার হাত থেকে বাঁচায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং শরীর সুস্থ ও সবল থাকবে। এছাড়া রসুন টিউমারের বিরুদ্ধেও কাজ করতে পারে।

৩। মধুঃ মধু একাধারে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, দ্রুত ক্ষত সারাতে উপকারী এবং কিছু কিছু অ্যালার্জি জনিত সমস্যাতে কার্যকর। এছাড়া মধু শক্তিবর্ধক। নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

৪। স্যুপঃ এক বাটি গরম স্যুপ আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। স্যুপের মধ্যে থাকা উপাদান, যেমন—মাংস, আদা, রসুন, ডিম, সবজি ইত্যাদি রোগের সঙ্গে লড়াই করতে কার্যকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জেলা এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ উপলক্ষ্যে জেলা এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিভিল সার্জন অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে সিভিল সার্জন সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা: তৌহিদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ডা: মো: আব্দুল গফুর। কৃমি নিয়ন্ত্রণ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যবার্তা পাওয়া পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন সিভিল সার্জন অফিসের এমও সিএস ডা: আরিফুরজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দীন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনুর খাতুন। উলে¬খ্য কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ-১৭ উপলক্ষ্যে প্রথম দফায় ৪ থেকে ৯ নভেম্বর এবং ২য় দফায় ১৬ থেকে ২৩ নভেম্বর জেলায় মোট ২৩২১ টি স্কুলে ৪ লক্ষ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে কৃমি নাশক ঔষধ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবাহিত হওয়ায় বুধহাটায় ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ

আশাশুনি ব্যুরো : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ দায়িত্বরত সকল বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতা/কর্মীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আশাশুনি উপজেলার ২নং বুধহাটা ইউনিয়ন শাখার ছাত্রলীগ সেক্রেটারী মোঃ সামছুর রহমান (রাজু) ইতি পূর্বে বিবাহিত জীবনে পদার্পণ করায় তিনি উক্ত পদ হতে পদত্যাগ করেছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ২নং বুধহাটা ইউনিয়ন শাখার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ গত ইং ১আগষ্ঠ’১৭ তিনি উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি/সেক্রেটারি বরাবর পদত্যাগ পত্রটি জমা দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-১ আসনে নুরুল ইসলামের গণসংযোগ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-১(তালা-কলারোয়া) আসনের মহাজোট থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম তালা-কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকার কালীমন্দির পরিদর্শন ও শ্যামাপূজা উপলক্ষে গণসংযোগ সহ মতবিনিময় করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তালা-কলারোয়ার জয়নগর, জালালাবাদ, যুগীখালি, কয়লা, নাঙ্গলঝাড়া, চন্দরপুর, সোনাবাড়িয়া, কেড়াগাছি, কলারোয়া পৌর এলাকা, ধানদিয়া, নগরঘাটা, সরুলিয়া, পাটকেলঘাটার বিভিন্ন স্থানে গণ সংযোগ ও পূজা সুষ্ঠ ও নিবিঘেœ পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, নাঈলঝাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আবুল কালাম, জালালাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী শাহাজাদা, তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সভাপতি সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় প্রায় ২৫০টি মোটর সাইকেল, ২টি মাইক্রোবাস ও ২টি প্রাইভেট কার নিয়ে শেখ নুরুল ইসলাম বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৪ বছর পর সম্পত্তি ফিরে পেল বড়দল ইউপি

বড়দল প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৪৪ বছর পর নিজ সম্পত্তি দখলে নিয়ে পরিষদের উপকার্যালয়ের সাইনবোর্ড তুললো আশাশুনির ৫নং বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ কতৃপক্ষ। বুধবার সকালে আশাশুনি থানা পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, জিএম আব্দুল গনি, সাবুদ আলী গাজী, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ পরিষদের সকল গ্রামপুলিশের উপস্থিতিতে পরিষদের উপকার্যালয়ের সাইনবোর্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত সম্পত্তিতে অবৈধ্য দখলদারের নিকট হতে ভাড়া নিয়ে গোয়ালডাংগা গ্রামের ভাংড়ি ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ও চা বিক্রেতা হারুন সরদার ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, তৎকালীন চেয়ারম্যান কেয়ারগাতি গ্রামের আশরাফ উদ্দীন মকবুল পরিষদের কার্যক্রমের সুবিধার জন্য গোয়ালডাংগা বাজারের আশে-পাশে কোন একটি স্থান সংগ্রহের চিন্তা ভাবনার কথা সকলকে জানান । তখন গোয়ালডাংগা গ্রামের মৃত: আমিন উদ্দীন গাজীর স্ত্রী আয়ফুল বিবি চাম্পাখালী মৌজায় গোয়ালডাংগা বাজারের ত্রিমুখি সংযোগ সড়কের পূর্বপাশে তার নামীয় ১০শতক জমি দান করতে সম্মত হন। সে মোতাবেক তিনি ১৯৬৪ সালে ৪২৫ নং খতিয়ানে ৭০/৭২১ নং দাগে তার ১০ শতক সম্পত্তি পরিষদের নামে দানপত্র করে দেন। এরপর কিছুদিন সেখানে পরিষদের কার্যক্রম চলে। ১৯৭৩ সালে মাদিয়া গ্রামের জাসদ নেতা কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে পরিষদ বড়দল বাজারে স্থানান্ত্রিত হয়। সেই থেকে পরিষদের জমিও ধিরে-ধিরে দাতাদের দখলে চলে যায়। আয়ফুল বিবির পুত্র খানজাহান আলী গাজী উক্ত সম্পত্তিতে তার নির্মিত ৩টি দোকান উল্লেখিত ৩ ব্যবসায়ীর নিকট ভাড়া দেন। বর্তমানে আব্দুল আলিম পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি উক্ত জমিটি উদ্ধারে তৎপর হন। ২৮ আগস্ট-২০১৭ উপজেলা খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় তিনি এ ব্যাপারে প্রস্তাব করলে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা তহশীলদার দিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর উক্ত জমির সীমানা নির্ধারন করেন। বুধবার উক্ত সম্পত্তিটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রায় ৪৪ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষদের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে মারপিট

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে এক ব্যাক্তিকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে হাত পা বেধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার সময় নির্যাতনের ও মারধরের শিকার ব্যাক্তি হলেন উপজেলার দুদলী ইউনিয়নের মৃত মোরশেদ আলীর ছেলে বাবর আলী (৪৫)। নির্যতন কারীরা হলেন একই এলাকার মৃত গহর আলী তরফদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৮)এবং তার সহযোগী রউফ তরফদারের ছেলে বাবু তরফদার (৪০), বিলাত তরফদারের ছেলে হবি তরফদার, শফি তরফদার সহ ১০ থেকে ১৫ জন তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় আম গাছের সাথে বেধে মারধর করে । প্রত্যক্ষ দর্শী সুত্রে জানা যায় বাবর আলী ও রফিকুল গংয়ের সাথে কৃষি আবাদ জমির সিমানা নিয়ে দীর্ঘদীন বিরোধ চলছিল বৃহস্পতিবার সকালে বাবর আলী জমির সিমানায় বেড়া দিতে যেয়ে দুই পক্ষের মধ্য বাক বিতন্ডতা শুরু হয় । এক পর্যয়ে বাবর আলীকে তার স্ত্রী সামনে থেকে ধরে নিয়ে আম গাছের সাথে দড়ি দিয়ে দুই হাত পা বেধে তার উপর মারধর ও অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এসময় বাবরের স্ত্রীর চিৎকারে স্থানিয়রা এসে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গাছের সাথে বাধা বাবরকে উদ্ধার করে। স্থানিয়রা বিষয়টি থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হককে জানালে তিনি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান ও ফয়সাল হোসেনকে ঘটনা স্থলে পাঠিয়ে দেন। এসময় পুলিশ ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ঘটনা স্থল থেকে রফিকুল ও বাবুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং বাবর আলীকে অসুস্থ অবস্থায় কালিগঞ্জ সাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এ বিষয়ে বাবর আলী বলেন আমাকে গাছের সাথে বেধে তারা বেধরক মারপিট করেছে বলে সাংবাদিকদের জানান। এবিষয়ে কালিগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই মুহুর্তে দুইজনকে থানায় নিয়ে এসে ছিলাম নির্যাতনের শিকার ব্যাক্তি থানায় অভিযোগ না দিয়ে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করবে বলে জানিয়েছে এজন্য দুইজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নির্যাতনের শিকার বাবর আলীর চাচাত ভাই মুজিবর রহমান বলেন, বিষয়টি আমরা নিজেরা মীমাংসা করে নিয়েছি এ নিয়ে সাংবাদিকদের লেখালেখি না করার জন্য অনুরোধ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest