সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ

কুমিরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভ্যান চালক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কুমিরায় ট্রাক ও ইঞ্জিন ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইঞ্জিন ভ্যান চালক ফজলুল হক (৩৫) নিহত হয়েছেন। রোববার বিকাল ৪ টার দিকে তালা উপজেলার কুমিরা এলাকায় সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ফজলুল হক সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়া গ্রামের নুর ইসলাম হকের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইঞ্জিন ভ্যান চালক ফজলুল হক তালা থেকে সাতক্ষীরা শহরের দিকে আসছিলেন। পথিমধ্যে তালা উপজেলার কুমিরা নামক স্থানে পৌছালে খুলানাগামী পাথর বোঝাই একটি ট্রাকের সাথে তার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইঞ্জিন ভ্যানচালক ফজলুল হকের মৃত্যু হয়।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ নিহত ফজলুল হকের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জিহাদি বইসহ ৪ জামাতকর্মী আটক

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি থানা পুলিশের অভিযানে জেহাদী বই ও বিভিন্ন কমিটির তালিকাসহ ৪ জামাত কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে হাড়িভাঙ্গা গ্রাম থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান শাহিন জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সদর ইউনিয়নের হাড়ীভাঙ্গা গ্রামে মৃত: জোনাব আলির পুত্র সদর ইউনিয়ন জামাতের আমীর ও উপজেলা বায়তুল মাল সম্পাদক আফছার উদ্দিনের বাসভবনে জামায়াতের গোপন বৈঠক চলছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসআই আঃ রাজ্জাক, এএসআই আবু রাসেল, ফারুক, কামরুল, আসলাম ও জহুরুল সঙ্গীয় ফোর্স সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে জামাত নেতা আফছার উদ্দিনসহ জামতকর্মী বাটরা গ্রামের মৃত: বাবর আলি সরদারের পুত্র ইসমাইল, শ্রীউলা গ্রামের মৃত: এমদাদ সরদারের পুত্র আঃ রহমান ও বেউলা গ্রামের নজরউদ্দিনের পুত্র নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে বায়তুল মালের রেজিস্ট্রার খাতা, ১৯টি জেহাদী বই, ১১ ইউনিয়নের রুকন, কর্মী তালিকা ও ইউনিয়ন সমুহের নতুন কমিটির তালিকা উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে এসআই আঃ রাজ্জাক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সান্ত্বনার জয় চাইতে চাইতে লজ্জ্বার হোয়াইটওয়াশ

একটা জয় বদলে দিতে পারে সবকিছু। এমন সান্ত্বনাবাক্য মাথায় নিয়ে খেলতে নেমে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতেও সেই হতাশার হার, এবার ২০০ রানে। সঙ্গে প্রায় এক বছর বাদে আরেকটি অস্বস্তির হোয়াইটওয়াশ।

বাংলাদেশ সর্বশেষ হোয়াইটওয়াশ হয় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। ওয়ানডেতে তিন কিংবা তার বেশি ম্যাচের সিরিজে এই নিয়ে বাংলাদেশ ২০ বারের বেশি হোয়াইটওয়াশ হলো!

২০০ কিংবা তার বেশি রানে বাংলাদেশের এটি চতুর্থ পরাজয়। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বড় হার পাকিস্তানের বিপক্ষে, ২৩৩ রানে। এর আগে এই সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০৬ রানে হারার নজির আছে। ভারতের বিপক্ষে একবার ২০০ রানেও হারার ইতিহাস আছে। এবার সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আরেকটি ২০০ রানের হার।

যে উইকেটে সাউথ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা ধেই ধেই করে রান তুলেছে, সেখানে লিটন, ইমরুলদের ‘থর হরি কম্প’ অবস্থা ছিল। ৩৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৫ ওভারের ভেতর ৬২ রান তুলতে পাঁচ উইকেট ছিল না! সেখান থেকে ৪০.৪ ওভারে ১৬৯ রানে অলআউট। মান যাওয়ার দিনে চূড়ান্ত অপমানের হাত থেকে রক্ষা হয় সাকিব আল হাসানের ৬২ রানের ইনিংসে।

জবাব দিতে নেমে দলীয় তিন রানের মাথায় ইমরুলকে (১) হারায় বাংলাদেশ। ১৫ রানের মাথায় বিদায় নেন লিটন দাস (৬)। আর পাঁচ রান যোগ করতে বিদায় নেন সৌম্য সরকার (৮) । দলের রান অর্ধশতক পার হতেই চলে যান মুশফিক (৮)। আর ১০ রান যোগ করে পথ ধরেন রিয়াদ (২)।

এরপর সাব্বির রহমানকে (৩৯) নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। এই জুটি ভাঙতেই সেই ‘তাসের ঘর’।

গোটা সফরের মতো এই ম্যাচেও ধারহীন বল করেছে বাংলাদেশ। স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ছাড়া কেউ এতটুকু জ্বলতে পারেননি। মিরাজ ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন।

মিরাজ সাফল্য পান ১৮তম ওভারে। অর্ধশতক থেকে দুই রান দূরে থাকা বাভুমাকে ফেরান। এরপর ২২তম ওভারে ফেরান কুইন্টন ডি কককে (৭৩)।

সাউথ আফ্রিকা এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেন করতে নামেন টেম্বা বাভুমা এবং কুইন্টন ডি কক। দুজন ফিরে গেলে অধিনায়ক ডু প্লেসিস দলকে পথে রাখেন। আহত হয়ে ফেরার আগে ৬৭ বলে ৯১ রান করে যান। সঙ্গে এইডেন মার্করাম করেন ৬৬। তিনি ফেরেন রানআউট হয়ে।

শেষ দিকে ডি ভিলিয়ার্স ১৫ বলে ২০ রান করে যান। রুবেলের বলে বড় শট খেলতে যেয়ে মাশরাফীর হাতে ধরা পড়েন।

অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফীর এটি ৫০তম ম্যাচ ছিল। যার মধ্যে জয় পেয়েছেন ২৭টিতে। ১৮টি দেশের মাটিতে। বাকি ৯টি বিদেশে। বিপরীতে ২১ হারের মাত্র পাঁচটি দেশের মাটিতে, ১৫টি বিদেশে। ম্যাশের নেতৃত্ব দেওয়া দুটি ম্যাচে কোনও ফল হয়নি। জয়ের শতকরা হার ৫৫.১।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সাউথ আফ্রিকা ইনিংস: ৩৬৯/৬ (৫০ ওভার)
(বাভুমা ৪৮, ডি কক ৭৩, ডু প্লেসিস ৯১, মার্করাম ৬৬, ভিলিয়ার্স ২০, বেহারদিন ৩৩*, মুল্ডার ২, কেলুকোও ৫, রাবাদা ২৩*; মাশরাফী ০/৬৯, মিরাজ ২/৫৯, রুবেল ১/৭৫, সাকিব ০/৫৬, তাসকিন ২/৬৬, মাহমুদউল্লাহ ০/৩৩, সাব্বির ০/৮)।

বাংলাদেশ ইনিংস: ১৬৯ (৪০.৪ ওভার)

(ইমরুল ১, সৌম্য ৮, লিটন ৬, মুশফিকুর ৮, সাকিব ৬৩, মাহমুদউল্লাহ ২, সাব্বির ৩৯, মিরাজ ১৫, মাশরাফী ১৭, তাসকিন ২, রুবেল ০*; রাবাদা ১/৩৩, প্যাটারসন ৩/৪৪, মুল্ডার ১/৩২, ফেলুকোও ১/১৩, ইমরান তাহির ২/২৭, মার্করাম ২/১৮)।

ফল: ২০০ রানে জয়ী সাউথ আফ্রিকা।

ম্যাচ সেরা: ফ্যাফ ডু প্লেসিস

সিরিজ সেরা: কুইন্টন ডি কক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতেই হবে মিয়ানমারকে: সুষমা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফেরত নিতে হবে মিয়ানমারকে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা রাখার উপর জোর দেন তাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পরপরই সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পূর্ব নির্ধারিত মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সুষমা স্বরাজ শেখ হাসিনাকে বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সূচিকে তার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির কথাও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।

ইহসানুল করিম বলেন,“নরেন্দ্র মোদী সু চিকে বলেছেন,‘আপনার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ভালো, এটা নষ্ট করবেন না’।”

বৈঠকে শেখ হাসিনা শরণার্থী সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের পদক্ষেপগুলো ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার দেশের ১৬ কোটি মানুষের অন্নের সংস্থান যেহেতু করতে পারছে, এই শরণার্থীদের খাদ্যের ব্যবস্থাও করতে পারবে।

মানবিক কারণে মিয়ানমারের এই নাগরিকদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবৈধ মৎস ঘেরের কারণে পানিবন্দী শহরের ৬০ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে গত ৩দিন ধরে চলতে থাকা থেমে থেমে ঝড়ো হওয়ার সাথে ভারী বর্ষণের ফলে সাতক্ষীরা জেলার নিন্মাঞ্চলসহ পৌর এলাকার অধিকাংশ সড়ক হাটু পানিতে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি কয়েক হাজার চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে। নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় পৌর ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালী টাবরারডাঙ্গী এলাকায় ব্যাপক জলবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে করে পানি বন্ধি হয়েছে ৬০ টির ও বেশি পরিবার। অধিকাংশ ঘর-বাড়ি হাঁটু পানিতে প্লাবিত হয়ে সাধারন মানুষের দুর্ভোগ চড়মে পৌচেছে। এলাকার বাসিন্দা আল আমিন খান সুমন জানান, ঘরের মধ্যে হাঁটু পানি। ঘরে বসবাস করাই দুরহ হয়ে উঠেছে। রান্না খাওয়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। টাবরারডাঙ্গী এলাকার নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান ভারী বৃষ্টিতে টাবরারডাঙ্গী এলাকার অধিকাংশ বাড়িতে রান্নাবান্না বন্ধ। পানিবন্দি হয়ে গরু ছাগল নিয়ে চড়ম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে মানুষ। চিংড়ি ঘেরে অবৈধভাবে নেট পাটা ও বেড়িবাঁধ দেওয়ার কারেন পানি সরার কোন উপায় নেই আমরা এই এলাকার কয়েকশ মানুষ পানি বন্দি হয়ে আছি আজ তিন দিন দেখার কেউ নেই। নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক মহিলা বলেন, শহিদুল কাউন্সিলরের ঘেরসহ কয়েকটি মৎস ঘেরের ভিতর দিয়ে আগে এখানকার পানি এল্লারচরের খালে যেত, কিন্তু এবছর তারা পানি যেতে দিচ্ছে না খালের মুখ আটকে রেখেছে এ কারনে আমাদের বাড়ির উঠানে আজ তিন দিন যাবত পানি। এ বিষয়ে কাউন্সিলর শহিদুল ইসলামের সাথে মোবাইলে (০১৭১-৫১৪৩২৪৭)-এ যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি পানি আটকাইনি। নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে পানি ঢুকেছিল। এখন পানি নেমে যাচ্ছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়: খালেদা-সুষমা বৈঠক

বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক সুস্থ ও অবাধ নির্বাচন দেখতে চায় ভারত। বাংলাদেশের প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের চাওয়া এ দেশে যেন গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদার জিয়ার নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ রোববার রাতে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দেখা করতে যায়। ওই বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেছেন বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

৪৫ মিনিটের আলোচনা শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়গুলো শুনেছেন। এরপর সুষমা স্বরাজ বলেছেন—বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, নির্বাচন কমিশন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে এবং তাতে যাতে সবাই অংশগ্রহণ করে; ভারত তেমনটাই চায়।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দলের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরে বলা হয়—এই সংকটের সমাধান দরকার। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া দরকার। এ ব্যাপার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও চাই রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে পারে। এ জন্য ভারতের পক্ষ থেকে চাপ অব্যাহত রাখা হয়েছে।’

তবে এবার সুষমা স্বরাজের সঙ্গে খালেদা জিয়ার একান্ত বৈঠক হয়নি। ২০১৪ সালে দুই নেত্রীর বৈঠকে ১০ মিনিট একান্তে বৈঠক হয়েছিল।

প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দীন আহমেদ ও রিয়াজ রহমান।

দুদিনের সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ দুপুরে ঢাকায় এসেছেন। দুপুরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’ দাবিতে সাতক্ষীরায় বিসিএস শিক্ষা সমিতির মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : নব্যদের নন ক্যাডারভূক্ত করার দাবিতে সাতক্ষীরার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কর্মকর্তারা এক মত বিনিময় সভায় বলেন ‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’। দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজকে সরকারিকরণের সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তারা আরও বলেন নতুন জাতীয়কৃত ও জাতীয়করণের তালিকাভূক্ত ক্যাডারদের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন। এ ব্যাপারে তারা আগামী ১৭ নভেম্বর দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
রোববার সাতক্ষীরায় আয়োজিত মত বিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন জেলা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কলারোয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব কুমার বিশ্বাস। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর সুদেব কুমার বিশ্বাস, সাতক্ষীরা মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল খালেক, উপাধ্যক্ষ ড. ইয়াহিয়া মজুমদার, প্রফেসর আমানুল্লাহ আল হাদি, প্রফেসর আবুল হাসেম, শিক্ষা সমিতির সাধারন সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান ও কাজী আসাদুল হক। এ সময় সাতক্ষীরার সরকারি কলেজসমূহের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় তারা বলেন, এরই মধ্যে সরকার দেশের ২৮৩ টি কলেজকে জাতীয়করনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে। খুব সত্ত্বরই এ ব্যাপারে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হবে উল্লেখ করে তারা বলেন, বিসিএস পরীক্ষা ছাড়াই তারা কিভাবে প্রথম শ্রেণির ক্যাডারভূক্ত হবেন। এতে জ্যেষ্ঠতা লংঘিত হবে এবং বৈষম্য দেখা দেবে জানিয়ে তারা বলেন বিসিএস না করা এসব শিক্ষককে ক্যাডার পদ দিয়ে আত্মীকরণ করা হলে আগামীতে শিক্ষায় মেধাবীদের পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে।
এ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন, ৩৪তম বিসিএস করা ২৭০ জন শিক্ষককে সেকেন্ড ক্লাস পদমর্যাদা দিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে নতুনদের নো-ক্যাডারভূক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করার দাবি করেন তারা। বিসিএস পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত না হয়েও ক্যাডার সার্ভিসে প্রবেশের যেকোনো উদ্যোগকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন, নন ক্যাডার ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ বর্ণিত নির্দেশনা অন্তর্ভূক্ত করে বিধিমালা জারি না করা হলে আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশের মাধ্যমে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে জাতীয় শিক্ষানীতি গৃহীত হলেও বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণ বিধিমালা প্রণীত হয়নি বলে উল্লেখ করেন তারা। তা সত্ত্বেও অব্যাহতভাবে কলেজ জাতীয়করণ চলছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বক্তারা এ প্রসঙ্গে চার দফা দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে জাতীয়করণকৃত কলেজ শিক্ষকদের নন ক্যাডারভূক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বিধিমালা জারি করতে হবে। জাতীয়করণের আগেই বিধিমালা প্রণয়ন করতেহবে। বিসিএস পরিক্ষার মাধ্যমে ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তিকে ক্যাডারভূক্ত করা যাবে না। সম্প্রতি জাতীয়করণকৃত ১২ টি মডেল কলেজের শিক্ষকদেরও একই বিধিমালায় আনতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সমন্বয় কমিটির সভা

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন।
সভায় সিনিয়র মৎস্য অফিসার নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকবর হোসেন, কৃষি অফিসার মহাসীন আলী, প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এএসএম আতিকুজ্জামান, যুব উন্নয়ন অফিসার সঞ্জীব কুমার দাশ, সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সন্দীপ কুমার মন্ডল, সমবায় অফিসার নওশের আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অফিসাররা।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২ হাজার ২‘শ ৫৪ জন প্রার্থী ন্যাশনাল সার্ভিসে চাকুরির জন্য আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest