সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যুপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টহত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদনদুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালাশহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

মটরশুটির পুষ্টিগুণ

শীত চলে এসেছে। বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। আর এসব শীতকালীন সবজির মধ্যে মটরশুটি অন্যতম। খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই এই শস্যদানাকে ব্যবহার করেন বিভিন্ন রান্নায়। সুস্বাদু এই শস্যদানাটির রয়েছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ।

গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ মটরশুটিতে ১ শ’র কম ক্যালরি আছে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আঁশ এবং অনেক ধরনের পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে। এতে ফ্যাট কম থাকায় এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়া মেক্সিকান গবেষকরা বলছেন, কেউ যদি প্রতিদিন ২ মিলিগ্রাম পলিফেলনসমৃদ্ধ খাবার খান তাহলে তার পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আর এক কাপ মটরশুটিতে অন্তত ১০ মিলিগ্রাম পলিফেলন থাকে। তাই এটি পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি কমাত দারুন কার্যকরী।

এছাড়া মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রাণশক্তি বাড়ায়।
এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। এ কারণে ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও এটি বেশ উপকারী।

পাশাপাশি ভিটামিন বি১,২,৩,৬ এর উৎস হওয়ায় এটি শরীরের হোমোসাইস্টাইন লেভেল কমায়। ফলে একারণে শরীরে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় মটরশুটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে সাহায্য করে। এক কাপ মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রেও মটরশুটি বেশ কার্যকরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে মূলার উপকারিতা

বছরের অন্য সময়ের থেকে শীতকালে অনেক বেশি রকমের ফল ও শাকসবজি পাওয়া যায়। সেরকমই একটা সবজি হলো মুলা। বছরের অন্য সময় এই সবজি পাওয়া গেলেও শীতকালেই এই সবজি বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়। মুলা দিয়ে বিভিন্ন তরকারি তো হয়ই একই সঙ্গে এই সবজি কাঁচাও খাওয়া যায়। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক মুলার হরেক রকম উপকারিতা সম্পর্কে-

১। জন্ডিসের ট্রিটমেন্টে কাজে আসেঃ পেট আর লিভারের জন্য মুলা খুব উপকারী। কারণ এটা ডি টক্সিফায়ারের কাজ করে যা রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। জন্ডিস হলে শরীরে বিলিরুবিন বেড়ে যায়‚ মুলা বিলিরুবিনের বৃদ্ধি রোধ করে। মুলা খাওয়ার ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং রেড ব্লাড সেলের ক্ষতি আটকায়।

২। শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত রোগ দূর করেঃ পেটের মতোই রেস্পিরেটারী সিস্টেমকেও পরিষ্কার রাখে মুলা। এই কারণেই একে অ্যান্টি কনজেস্টিভ বলা হয়। মুলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়। ডিস ইনফেক্টটেন্ট হওয়ার ফলে ইনফেকশনের হাত থেকেও বাঁচায় শরীরকে।

৩। ব্রণ দূর করতেঃ ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী।

৪। হৃদযন্ত্র ভাল রাখেঃ হৃদ্‌যন্ত্র সুরক্ষা করতে পারে মুলা। এতে আছে অ্যান্থোসায়ানিনস, যা হৃদ্‌যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। তাই বেশি মুলা খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। এটি ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ও ফ্লাভোনয়েডসের ভালো উৎস।

৫। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ মুলায় আছে পটাশিয়াম, যা শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন, তাঁরা মুলা খেতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়, রক্ত শীতলকারী প্রভাব আছে মুলায়।

৬। ক্যান্সারকে দূরে রাখেঃ মুলায় ডিটক্সিফায়ার এবং এতে ভিটামিন সি‚ ফলিক অ্যাসিড‚ Anthocyanins আছে। এর ফলে কোলোন‚ কিডনি‚ পেটের এবং মুখের ক্যান্সারের ট্রিটমেন্টে কাজে আসে। মুলা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হওয়ায় এটা নিয়মিত খেলে ক্যান্সারকে দূরে রাখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিমত ঘুমাতে চাইলে, ঘরে গাছ লাগান

ঘরে গাছপালা রাখা বেশ ক্ষতিকর হতে পারে অনেকেরই এমন ধারনা। কারণ রাতের বেলা গাছ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয় আর অক্সিজেন সংরক্ষণ করে। দেখা গেছে যে পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড বের হয়, আর অক্সিজেন নেয় তা এতটাই কম যে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না।

সত্যি কথা বলতে‚ বাড়িতে গাছপালা রাখা বেশ ভাল। কারণ এরা ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে। দেখা গেছে হাউজ প্ল্যান্টস মাইক্রো অরগ্যানিজম ছাড়ে যা দূষণ। এমনকী দেখা গেছে এমন কিছু গাছ আছে যা বেডরুমে রাখলে ভালো ঘুম হয়। আপনাকে সহজেই ঘুম পাড়িয়ে দেবে এবং একই সঙ্গে গভীরভাবে ঘুমোতে সাহায্য করবে এমন কিছু গাছের সন্ধান দিব আজ।

১। জেসমিনঃ জেসমিন বা জুঁই ফুল ডিপ্রেশন কমায়‚ শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং উৎকন্ঠা কমায়। এছাড়াও দেখা গেছে জুঁই ফুলের গন্ধে গভীর ঘুম আসে। তবে জুঁই ফুলের গাছ খুব দ্রুত বাড়ে তাই মাঝে মধ্যেই কিন্তু এই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। একই সঙ্গে রোজ ২-৩ ঘন্টা রোদেও রাখতে হবে।

২। স্নেক প্ল্যান্টঃ খুব সহজেই এই গাছ পাওয়া যায়। নাম শুনে আবার ভয় পাবেন না। এই গাছ ঘরের মধ্যে ক্ষতিকারক টক্সিন তাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই গাছ রাতের বেলা কার্বন ডাই অক্সাইড নেয় আর অক্সিজেন ছাড়ে। যাদের অ্যালার্জি হয়েছে বা যাদের ব্রিদিং ট্রাবল আছে তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভাল।

৩। ল্যাভেন্ডারঃ ল্যাভেন্ডার শরীর রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। রক্তচাপ কমায় আর হার্ট রেট কমিয়ে দেয়। এছাড়াও শরীরে স্ট্রেস হর্মোন Cortisol কমাতেও সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্ত চলাচলেরও উন্নতি ঘটায়। এমনকি দেখা গেছে এই গাছ বাচ্চাদেরও দ্রুত ঘুমিয় পড়তে সাহায্য করে।

৪। রোজমেরিঃ বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য এই হার্বের ব্যবহার হয়। কিন্তু অনেকেই জানে না রোজমেরি আপনাকে ঘুমিয়ে পারাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও দেখা গেছে রোজমেরি নার্ভাস সিস্টেম‚ হার্ট ভালো রাখতেও সাহয্য করে। এখানেই শেষ নয়‚ স্ট্রেস কমানোতেও জুড়ি নেই রোজমেরি গাছের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৌরব আর বিজয়ের মাস শুরু

শুরু হলো বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় মাস ডিসেম্বর। এ মাসেই বাঙালি পেয়েছিল তার বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বাঙালির জাতীয়তাবোধের উন্মেষের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক স্বপ্ন পূরণ হয় এই মাসে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম আর ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে আসে জাতীয় মুক্তি।

লাল-সবুজের পতাকা উড়বে দেশের আনাচে-কানাচে। সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িতেও দেখা যাবে পতপত করে উড়ছে বিজয় নিশান- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাবে জাতি। তার আগে ১৪ ডিসেম্বর বেদনাভরে স্মরণ করবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের। এবারের বিজয় দিবস উদযাপনে যোগ হয়েছে আরেকটি আনন্দের উপলক্ষ।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাথার মাসও এই ডিসেম্বর। ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়ে ৯ মাসের ত্যাগ তিতিক্ষার পর পৃথিবীর বুকে এ মাসেই রচিত হয়েছিল এক অমর গাথা– বাঙালির স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র, একটি পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নামক যে রাষ্ট্র বিজয় গৌরবে তার যাত্রা শুরু করেছিল, আজ তা বিশ্বের কাছে এক অপার বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল!

মাসব্যাপী উৎসাহ-উদ্দীপনায় এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ পালন করবে বিজয়ের মাসটি। প্রতিদিনই নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করবে এবং তাদের মাগফেরাত কামনা করবে। ঘৃণা-ধিক্কার জানাবে স্বাধীনতার শত্রু এদেশীয় রাজাকার, আলবদর ও মানবতারশত্রু যুদ্ধাপরাধীদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বাহুবলী’র সেটে শাকিব-ববি

দক্ষিণ ভারতের সাড়া জাগানো ছবি ‘বাহুবলী’। যে ছবিটি শুধু ভারতের আঞ্চলিক ছবি হিসেবে নয়, গোটা ভারত বর্ষের সিনেমার ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছবিটির সুবিশাল সেট নির্মাণ করা হয়েছিল হায়দরাবাদের রামুজি ফিল্ম সিটিতে। আর সেখানেই ঢাকাই চলচ্চিত্র ‘নোলক’-এর শুটিং করতে বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন দেশের তারকা অভিনেতা শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা ববি। এমনটাই নিশ্চিত করেছেন ‘নোলক’-এর প্রযোজক সাকিব সনেট।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নোলক’ চলচ্চিত্রটির। ‘বি হ্যাপী এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রযোজনায় নির্মিতব্য ছবিটির মহরত অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শাকিব খান। সেখানেই জানানো হয়েছিল অসাধারণ একটি গল্পে নির্মিত হতে যাচ্ছে তরুণ নির্মাতা রাশেদ রাহার ‘নোলক’। আর ছবিটির বেশীর ভাগ শুটিং বিখ্যাত রামুজি ফিল্ম সিটিতে করার ঘোষণাও দেয়া হয়। আর সেই ঘোষণা অনুযায়ীই এবার রামুজি ফিল্ম সিটিতে গেলেন শাকিব-ববিসহ ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা।

পরিচালকসহ শাকিব-ববি বর্তমানে হায়দরাবাদে আছেন। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হবে ‘নোলক’-এর শুটিং। সেখানে টানা শুটিং চলবে আগামি ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

অন্যদিকে ছবির মহরত অনুষ্ঠানে নিজেদের প্রথম ছবিতেই শাকিবকে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন ছবির নির্মাতা ও প্রযোজক দুজনই। ছবিতে শাকিব-ববি ছাড়াও দেখা যাবে চিত্রনাায়িকা মৌসুমী ও ওমর সানিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাঙামাটিতে নাচবেন ওমর সানী-মৌসুমী

স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিরাজ করছিল হানাহানি ও সংঘাত। এরপর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তারপর থেকেই পাহাড়িদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।

এ পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী শুক্রবার রাঙামাটি জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশেষ কনসার্ট ‘শান্তি চুক্তির দুই দশক পূর্তি’। সেখানে নাচবেন তারকা দম্পতি ওমর সানীমোসুমী। তারা জনপ্রিয় সব ছবির গানে মঞ্চ মাতাবেন।

জানা গেছে, রূপালী পর্দার সফল এ দম্পতি অনেকদিন পর একসঙ্গে আবার স্টেজ শোতে অংশ নিতে যাচ্ছেন। ওমর সানী-মোসুমীর নাচ ছাড়াও মঞ্চে গাইবেন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ, কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপা, ব্যান্ডদল ফিডব্যাক, বাংলাদেশি আইডল খ্যাত মং, হৈমন্তী রক্ষিত মান প্রমুখ।

এ কনসার্টটি উপস্থাপনা করবেন তানিয়া হোসেন এবং চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। শুধু তাই নয়, ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত হবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাশে সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলমগীর হোসেনের প্রযোজনায় ‘শান্তি চুক্তির দুই দশক পূর্তি’ কনসার্টটি দেশ টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হবে আগামী শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে করছেন নার্গিস ফাখরি

বলিউডে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটেছিলো ‌‘রকস্টার’ ছবি দিয়ে। সেখানে রণবীর কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করে বাজিমাত করেছিলেন এ তারকা। তারপর তাকে দেখা গিয়েছিল আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে।

তবে চলচ্চিত্রের চেয়ে প্রেম নিয়েই বেশি আলোচিত এই মডেল ও অভিনেত্রী। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিলো বলিউড তারকা নার্গিস ফাখরি ও উদয় চোপড়ার প্রেম নিয়ে। তারা গোপনে বিয়ে করেছেন এমন খবরও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন সময়। সেইসব খবর নিয়ে মুখ খোলেননি কখনোই নার্গিস ও উদয়।

তবে এবার নিজেই জানালেন নিজের বিয়ের খবর। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, উদয় চোপড়ার সাথে দীর্ঘ দুই বছর ধরে প্রেম চলছে বলে স্বীকার করেন নার্গিস। সম্প্রতি তারা বিয়ে নিয়েও ভাবছেন। উদয় চোপড়ার মা পাম চোপড়ার সাথে কথাও হয়েছে এ বিষয়ে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এ তারকা। খুব শিগগিরই দুই পরিবার থেকে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলেও জানান নার্গিস ফাখরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনিসুল হক; এলেন দেখলেন জয় করলেন

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর থেকেই মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে দেয় রাজধানীর অলিগলি। তার এমন পোস্টার চোখে দেখেনি রাজধানীবাসী। সরব কোনো আয়োজনও ছিল না। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই নাকি ফোন করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সে নির্দেশনা আশীর্বাদ ছিল বলে একাধিক প্রোগ্রামে উল্লেখ করেছিলেন। আশীর্বাদ জেনে উন্নয়নের পথে এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। স্বপ্নজয়ের সিঁড়িতে ভর করেছিলেন সবে। স্থবির হয়ে পড়া রাজধানীর গতিও ফিরিয়েছিলেন খানিক। কিন্তু এই অবেলায় তার গতি থেমে যাবে, তা কে জানতো?

পেশীশক্তির রাজনীতিতে পা রাখেননি। নষ্ট রাজনীতির কাদা গায়েও লাগননি তিনি। বরং রাজনীতির নামে যারা অপরাজনীতি করছেন, তাদের জন্যও ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র আনিসুল হক। তার চলে যাওয়ায় কাদঁছেন নগরবাসী। কাঁদছেন অরাজনৈতিক-রাজনৈতিক মঞ্চের মানুষেরাও।

ভয়কে জয় করে উন্নয়নের মাঠ প্রসারিত করার নাম আনিসুল হক। যে দলের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে জিতলেন, উন্নয়ন প্রশ্নে সেই দলের মানুষেরাই পথ আগলে ধরেন। অবরুদ্ধও হলেন। তবে নিরাশ হননি। সব বাধা পায়ে মাড়িয়েই স্বস্তি দিতে চেয়েছিলেন নগরে। দৃঢ় মনোবল আর সাহসিকতা দিয়েই তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডের রাস্তা দখলমুক্ত করেছিলেন। দায়িত্ব নেয়ার দুই বছরেই ঢাকা উত্তরের রূপ বদলে দেন। সততা আর সাহসিকতার জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নানা মহলের।

মেয়র আনিসুল হকের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল সিটি কর্পোরেশন কেন্দ্রিক টেন্ডার বাণিজ্য বন্ধ করে ক্রয় খাতে স্বচ্ছতা আনা। তাতে সক্ষমও হয়েছিলেন। আর তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ, গাবতলীতে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা এবং সর্বশেষ দূতাবাসপাড়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা তার যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়।

সদ্য প্রয়াত এই মেয়রের আরও কিছু সফল পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন; উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ; সড়কবাতি স্থাপন, সড়ক ও ফুটপাত নির্মাণ, সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসনে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নানা রংবেরঙের বিলবোর্ড সরানো ছিল যে কোনো মেয়রের জন্য চ্যালেঞ্জ। রাস্তার পাশে, ভবনের ছাদে কিংবা দেয়ালে হাজার হাজার বিলবোর্ড শহরের সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়েছিল। সেই চিরচেনা রূপ বদলে দিয়েছিলেন আনিসুল হক। প্রায় ২০ হাজার বিলবোর্ড অপসারণ করে তিনি। গাবতলী আর আমিনবাজারের অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ করে গতি দিয়েছিলেন এখানকার সড়কে।

আনিসুল হকের আমলেই চলন্ত সিঁড়ি দেখতে পেলেন রাজধানীবাসী। গত দুই বছরে দুটি চলন্ত সিঁড়িসহ ৫৫টি ফুট ওভারব্রিজ, দুটি আন্ডারপাস এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক জেব্রা ক্রসিং নির্মাণ করা হয়েছে। ১০টি উন্নতমানের আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে, যা সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যবহার করতে পারবে।

উন্নত নাগরিকসেবার জন্য ‘নগর’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু হয়েছে তার সময়ই। নিরাপদ ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ে এরই মধ্যে ৬৪২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে জননিরাপত্তা বেড়েছে বহুগুণ। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে তার এলাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষ বাস সার্ভিস ‘ঢাকা চাকা’ চালু করেন। উত্তরায় ৩২ হাজার গাছের চারা রোপণ করেন। আরও ১০ লাখ গাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা চলছে।

আনিসুল হক ৬৬টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ করেছিলেন, যেখান থেকে গড়ে প্রতিদিন দুই হাজার ৪০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে সফলতার সিঁড়িতে হাঁটতে গিয়ে বারবার বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল মেয়র আনিসুল হককে। মোটেও সহজ ছিল না রাজনীতির আকাশে অরাজনীতিক এই ব্যক্তির কেতন উড়ানো। ‘ইচ্ছা থাকলেও নগরের উন্নয়ন করা যাচ্ছে না’ এমন অতৃপ্তির কথাও শুনিয়েছিলেন বারবার। তবুও থেমে থাকেননি। সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সহযোগিতাই তাকে অনুপ্রাণিত করেছিল বারবার।

এত স্বপ্ন নিয়েও মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন হস্যময়ী আনিসুল হক। তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তিনি চিরঞ্জীব হয়ে বেঁচে থাকবেন নগরবাসীর মাঝে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest