সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা

দৈনিক দৃষ্টিপাতের প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ষোল বছরের পথ পরিক্রমা, সত্যা সত্য আর নিরপেক্ষতাকে সঙ্গী করে এগিয়ে চলা পাঠক প্রিয় দৃষ্টিপাতের সতের বছরে পা দেওয়ার আনন্দঘন, উৎসবমুখর, উচ্ছাস আর আলোক আভার বিচ্ছুরনের দ্রুতি ছিল দৃষ্টিপাত ভবনে, শরতের স্নিগ্ধ সন্ধ্যার আলো আধারীর মহনীয় কেক কাটা আর শুভেচ্ছা বিনিময় সভা চলে অতি আন্তরিকতা আর অন্তরঙ্গ আবহে। গতকাল অপরাহেৃ সংবাদ কর্মিদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণির রাজনৈতিক নেতৃত্ব, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ দৃষ্টিপাত ভবনে উপস্থিত হয়ে সম্পাদক সহ পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, জন্মদিনের শুভ সূচনা আর কেক কেটে বর্ণাঢ্য আলোক আভারণের আনন্দ ধারার আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ও সম্পাদককে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক কালের চিত্র সম্পাদক আবু আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক প্রথমআলো’র স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেকই এলাহী, দৈনিক সাতনদী সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহ্বায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক আঃ বারী, ইত্তেফাক প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মিনি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদকগণ মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, এম কামরুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল ও মোজাফফর হোসেন, বরুন ব্যনার্জী, সদর উপজেলা আ’লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংবাদিক কাজি শওকত হোসেন ময়না, আকতারুজ্জামান বাচ্চু। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, আজাদী সংঘের সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ ও এ্যাডঃ শাহেদুজ্জামান সাহেদ।
আলোকিত, আনন্দধারার সতের বছরে পা রাখা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা আ’লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, দৃষ্টিপাতকে সৎসাহসী নিরপেক্ষতার প্রতিক হিসেবে অবহিত করে বলেন গণ মানুষের পত্রিকা দৃষ্টিপাত প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে ঝড় বৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে পাঠকের হাতে পৌছায়, তিনি দৃষ্টিপাতের সাহসী এবং আদর্শিক পথ চলা আরও সুসংহত এবং সুদৃঢ় করণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আঞ্চলিকতার গন্ডি পেরিয়ে দৃষ্টিপাত জাতীয় পত্রিকা হিসেবে পাঠককুল যেন পেতে পারেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি দৃষ্টিপাত পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান, এর পূর্বে প্রধান অতিথি সহ অপরাপর অতিথীদের দৃষ্টিপাত ভবনে স্বাগত জানান সম্পাদক প্রকাশক জি,এম নূর ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আবু তালেব মোল্ল্যা, মফস্বল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, বার্তা সম্পাদক আদম শফিউল্লাহ, সহ সম্পাদক শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সহ-সম্পাদক ওমর ফারুক, ম্যানেজার বুলবুল, স্টাফ রিপোর্টার মীর আবু বকর, ফটো সাংবাদিক ফিরোজ, ডাঃ শাহাজাহান আলী, আনছার আলী, কালিগঞ্জ ব্যুরো আবু হাবিব, আগড়দাঁড়ি প্রতিনিধি আবুল কালাম, অফিস সহকারী রাশিদুল, নাজিম, জয়, মোকলেছ, আজমীর, আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নূর ইসলাম বলেন পাঠকই দৃষ্টিপাতের প্রেরণা, পাঠকরাই দৃষ্টিপাতের সঙ্গী সতের বছরের অগ্রযাত্রা দৃষ্টিপাত কে আরও একটি বছরের সাথে স্পর্শ হলো চলমান পথ পরিক্রমা দৃষ্টিপাত তার জন্ম শফলসহ স্বকীয়তা বজায় রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বিদ্যুতের মিটার বিষ্ফোরণ, ২টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ হয়ে ২টি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকালে উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মৃত শাবান কবিরাজের পুত্র আকবর আলী দিন মজুর হওয়ায় দিনের বেলা মাঠে কাজ করতে যায়। এসময় তার বাড়িতে থাকা অন্য ৩ সদস্যরা কন্যার সন্তান হওয়ায় হাসপাতালে দেখতে যায়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ তার মিটার বিস্ফোরিত হয়ে কাঁচা ঘরবাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তার পাশের বাড়ি জব্বার আলীর পুত্র আবু ফরহাদ আলীর ঘরে প্রবেশ করে। আগুনে আকবর আলী ঘরের সব কিছু পুড়ে যায় এবং আবু ফারহাদের ঘর বেশির ভাগই পুড়ে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতরের সকল মালামাল পুড়ে গেলেও ঘরের ভিতরে থাকা ১টি পবিত্র কোরআন শরীফ ও কয়েকটি হাদিসের বই আল্লাহর রহমতে অক্ষত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এলাকাবাসীরা জানান, বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরিত হয়ে এ অগ্নিকা-ের সূত্রপাত।
আকবর আলী নামের উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বলেন, আমরা বাড়িতে না থাকায় ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের ভিতরে থাকা খাট, সোকেস, চাল-ডাল সহ সাংসারিক সকল জিনিষ-পত্র মিলে ৩লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে যায়। তাছাড়া তার পুত্র বাইতে কাজ করতে যাবে বলে তাদের কাছ থেকে দাদনের টাকা ও বাড়িতে সঞ্চয় করা ১লক্ষাধিক টাকা পুড়ে যায়। বর্তমানে তার পরনের কাপড়টি ছাড়া আর কিছুই নেই। একইভাবে উক্ত আগুনে পাশাপাশি বসবাস করা তারই আপন ভাইপো আবু ফরহাদ আলীর ঘরেও প্রবেশ করে।
এবিষয়ে আবু ফরহাদ বলেন, বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরিত হয়ে চাচার ঘরের সবকিছু পুড়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার ঘরে উক্ত আগুন প্রবেশ করে ঘরের ভিতরে থাকা টিভিসহ সাংসারিক জিনিষ-পত্র মিলে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল পুড়ে যায়। বর্তমানে উক্ত পরিবার ২টি আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল করিম ও জগন্নাথ মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে বলেন, উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তাদের পরিবারকে প্রাথমিক ভাবে শান্তনা প্রদান করি এবং মঙ্গলবার দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা কেবিএ কলেজের ৪ শিক্ষার্থী মেডিকেলে চান্স পেয়েছে

দেবহাটা ব্যুরো : দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ হযরত খানবাহাদুর আহছান উল্লা(রাঃ)এর নামে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খানবাহাদুর আহছান উল্লা কলেজের ৪ ছাত্র-ছাত্রী মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সারাদেশের ন্যায় একযোগে অনুষ্ঠিত্ব মেডিকেল পরীক্ষায় মেধা অনুসারে চান্স পেয়েছে ৩ ছাত্র ও একজন ছাত্রী। তাছাড়া অপেক্ষামান তালিকায় রয়েছে আর এক ছাত্র। অনুষ্ঠিত পরীক্ষা নামক ভর্তি যুদ্ধে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে শহিদ সোহরাউর্দী মেডিকেল কলেজে তাসমিয়া সুলতানা বৃষ্টি, খুলনা মেডিকেল কলেজে মাহফুজুর রহমান ও তাপস কুমার মন্ডল এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে অলিউর রহমান চান্স পেয়েছে। তবে অপর এক ছাত্র সোহাগ হোসেন অপেক্ষামান তালিকায় রয়েছেন। একই সাথে কলেজের গনিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আকরাম হোসেনের পুত্র শেখ মাহবুবুর রহমান খুলনা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।
উল্লেখ্য যে, কলেজটি প্রতিবছর মেডিকেল, ইনিঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন খ্যাতমান প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। সেই সাথে কলেজটি সকল বিভাবে অভাবনীয় সাফাল্য রেখে চলায় পরিচালনা পরিষদ, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্বাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। এই সাফাল্য অব্যাহত রাখায় কলেজটি ইতোমধ্যে জাতীয়করণের একেবারে শেষ পর্যায়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপতির নিকট মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত প্রধান বিচারপতির চিঠি

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিদেশে যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে একটি চিঠি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে চিঠিটি আইন সচিবের দফতরে এসে পৌঁছায়।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ১৩ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বিদেশে যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপতির নিকট চিঠি পাঠানোর কথা শুনেছি, তবে আমার হাতে এখনো আসেনি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত। বিদেশে তাঁর বিশ্রাম প্রয়োজন। চিঠি পাওয়ার বিষয়ে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হ্যাঁ, প্রধান বিচারপতি মহোদয় বিদেশ যাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি আইন মন্ত্রণালয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যাবে।

গত অক্টোবর এক মাসের ছুটির আবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। ছুটির কারণ হিসেবে তিনি ‘অসুস্থতা’র কথা উল্লেখ করেন। সেদিন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘দীর্ঘ এক মাস অবকাশ শেষে কোর্ট খোলার পর প্রথম দিন থেকেই তিনি ছুটিতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর অবর্তমানে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আবদুল ওয়াহাব মিঞা দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গত, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নিতে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ১ আগস্ট প্রকাশের পর থেকে মন্ত্রী-এমপিদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন প্রধান বিচারপতি। জাতীয় সংসদেও তাঁর সমালোচনা করা হয়। এর আগে গত ১০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি দেশের বাইরে ছুটিতে ছিলেন। ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফেরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাস গড়েছে শ্রীলঙ্কা

ইতিহাস গড়েছে শ্রীলঙ্কা

কর্তৃক Daily Satkhira

লক্ষ্য ৩১৭ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে গতকালই ১৯৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের শেষ দিনে ঘুরে দাঁড়ানোর শত চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। আজ মঙ্গলবার আরো ৫০ রান যোগ করেই বাকি পাঁচ উইকেট হারিয়ে পরাজয় বরণ করে নেয় তারা।

ম্যাচে পাকিস্তান হেরেছে ৬৮ রানে। আর তাই সিরিজ হেরেছে তারা ২-০তে। এই ম্যাচ জিতে নতুন একটি ইতিহাস গড়ছে শ্রীলঙ্কা। প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে তারা। তার চেয়ে বড় কথা, তৃতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৬ রানে অলআউট হয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটিতে জিতে যায় তারা। টেস্ট ক্রিকেটে এটি চতুর্থ ঘটনা।

ম্যাচে শ্রীলঙ্কা টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৪৮২ রান করে। এ ইনিংসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ দিমুথ করুনারত্নের ১৯৬ রান। জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৬২ রান করে তাই শ্রীলঙ্কা ২২০ রানের লিড পায়। কিন্তু তৃতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা মাত্র ৯৬ রানে ইনিংস গুটিয়ে নিলে পাকিস্তানের সামনে তিন শতাধিক রানের লিড দাঁড় করাতে সক্ষম তারা। শেষ পর্যন্ত এই সংগ্রহ নিয়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় তারা। গড়তে পেরেছে ইতিহাসও।

এই সিরিজ জিতে শ্রীলঙ্কা যেন তাদের হারানো ঐতিহ্য কিছুটা হলেও ফিরে পেয়েছে। এর আগে প্রথম টেস্টেও চমক জাগানিয়া জয় তুলে নিয়েছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সে ম্যাচে তারা ২১ রানে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে।

শুধু তাই নয়, দারুণ এই সিরিজ জয়ে পাকিস্তানকে সাতে নামিয়ে আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কা উঠে গেছে ছয়ে। ২০০০ সালের পর এই প্রথম দেশের বাইরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা। আর তাদের বিপক্ষে এটি শ্রীলঙ্কার ষষ্ঠ সিরিজ এবং ১৬তম টেস্ট জয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেছেন, মিয়ানমার সুপরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রহীন করে যাচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সন্ত্রাস এখনো বহাল।
১৬ অক্টোবর ব্রাসেলসে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সংকট : বাংলাদেশ কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ ও পর্যালোচনা’ বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পর রাখাইন রাজ্যে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। ২৮৪ গ্রাম পোড়ানো হয়েছে। ৫ লাখের অধিক বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন তা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না করে তাদের জোর করে মিয়ানমার পাঠানো যাবে না। আন্তর্জাতিক চাপ না দিলে এ সমস্যার সমাধান করবে না মিয়ানমার। আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যান্সার দূরে রাখবে যেসব খাবার

চাকরি, ঘর আবার চাকরি। আর এরই ফাঁদে বন্দী হয়ে অনেক সময়ই নিজেদের শরীরের দিকে নজর দিতে পারি না।

দিন দিন এই অবহেলাই শেষমেশ বিপদের দিকে টেনে নিয়ে যায় আমাদের। এরকমই এক বিপদের নাম ক্যান্সার! তবে খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন যদি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি রাখা যায়, তাহলে সহজেই এই মরণ রোগ থেকে দূরে রাখা যায় নিজেকে।

গাজর: গাজর অনেক পুষ্টিগুণ ও ভিটামিনে ভরপুর খাদ্য। আর এই গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারটিন আছে যা বিভিন্ন ক্যান্সার যেমন ফুসফুস ক্যান্সার, শ্বাসনালি ক্যান্সার, পাকস্থলী ক্যান্সার, অন্ত্র ক্যান্সার এমনকি স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি গাজর বা এক গ্লাস গাজরের রস পান করলে এসব ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

রসুন: অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যারা রসুন খান তাদের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম থাকে। এটি ক্যান্সারের জীবাণু প্রতিরোধ করে। কিছু ক্যান্সারের জীবাণু ভেঙে ফেলে।

টমেটো: টমেটো হচ্ছে ‘নিউট্রিশনাল পাওয়ারহাউস’ যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। টমেটোতে লাইকোপেন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে থাকে। টমেটোতে ভিটামিন এ, সি, এবং ই থাকে যা কিনা ক্যান্সারবান্ধব মৌলের শত্রু। টমেটোর রস ক্ষতিকর ডিএনএ এর কোষ নষ্ট করে ফেলে। তাই সপ্তাহে ২ থেকে ৩টি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।

বাদাম: বাদামে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকে। আর হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাট থাকে বাদামের মধ্যে। যদি আপনি ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ক্ষুধাহীনতায় ভুগে থাকেন অথবা ওজন কমাতে চান তাহলে বাদাম সবচেয়ে ভালো, কারণ অল্প পরিমাণ বাদাম আপনাকে অনেক পরিমাণ পুষ্টি প্রদানে সক্ষম। বাদামে সেলেনিয়াম নামক অ্যান্টি ক্যান্সার উপাদান বিদ্যমানের কারণে কোলন, ফুসফুস এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এই ‌’ব্লু হোয়েল’ নির্মাতা?

এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত একটি মরণ খেলা বা সুইসাইড গেমের নাম ‘ব্লু হোয়েল’। প্রযুক্তি নির্ভর এই ভয়ঙ্কর গেমটি নেশার ফাঁদে পড়ে আত্মহত্যা করতেও পিছপা হচ্ছে না তরুণ-তরুণীরা।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মরণঘাতী এই গেমের নির্মাতা কে? কেনই বা তৈরি করলেন এই গেম? চলুন জেনে নিই এ সম্পর্কে-

গেমটির নাম ‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale বাংলা করলে এর অর্থ দাঁড়ায় ‘নীল তিমি’। গেমটির নির্মাতার নাম ফিলিপ বুদেকিন। ফিলিপ রাশিয়ার নাগরিক। তার ডাকনাম ফিলিপ ফক্স।

১৮ বছর বয়সে ফিলিপ ২০১৩ সালে প্রথমে ব্লু হোয়েল নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রথমে তিনি সামাজিকমাধ্যমে ‘এফ৫৭’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেন। এরপর ৫ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা করেন। ৫ বছরের মধ্যে যেসব মানুষ সমাজের জন্য অপ্রয়োজনীয় (তার মতে) তাদের ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেন।

ফিলিপ যখন এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেন তখন তিনি রাশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। তিনি সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর পড়াশোনার পর ব্লু হোয়েলের বিষয়টি প্রকাশ হলে ২০১৬ সালে তাকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময়ে তাকে গ্রেফতার করে রাশিয়ার আইনশৃংখলা বাহিনী। গত মে মাসে এক গোপন বিচারের মাধ্যমে ফিলিপকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে দণ্ডভোগ করছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।

ব্লু হোয়েল গেম কীভাবে কাজ করে? ব্লু হোয়েল মোটেও ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিছক গেম নয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক একটি ডিপওয়ে গেম। বলা হচ্ছে, যেসব কম বয়সী ছেলে-মেয়ে অবসাদে ভোগে, তারাই অসাবধানতাবশত এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো ক্লান্তি বা বিষণ্নতা দূর করার গেম নয়। আত্মহত্যার প্রবেশপথ মাত্র।

নেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না এই গেম, খুঁজে পেতে পারেন কারো পাঠানো কোনো
গোপন লিংকের মাধ্যমে। এটি একটি সুইসাইড গেইম অর্থাৎ গেম খেললে মৃত্যু অনিবার্য। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন – একটি গেম খেললে কিভাবে মৃত্যু হবে?

‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি। গেমের ৫০টি ধাপ রয়েছে। মনে রাখবেন – একবার গেমটি ইনস্টল করলে তাকে গেমের সবগুলো স্তর শেষ করার করার জন্য বাধ্য করবে অ্যাডমিন। মানে নিশ্চিত মৃত্যু।

২০১৩ সালে F57 নামক রাশিয়ান একটি হ্যাকার টিম এই গেমটি তৈরি করেছিল। তবে ২০১৫ সালে VK. com নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এবং প্রচুর ডাউনলোড হয় গেমটি। রাশিয়ায় এই গেম খেলে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৫১ জন এবং রাশিয়ার বাইরে মারা গেছে ৫০ জন।

কেন গেমটি থেকে বের হওয়া যায় না ? গেমটি মূলত একটি ডার্ক ওয়েভের (dark wave) গেম। ডার্ক ওয়েভ হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ। মনে রাখবে- গেমটি আপনি একবার ডাউনলোড করলে আর কখনোই আনইনস্টল করতে পারবেন না। গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশান ও তারা জেনে নিচ্ছে! আর এসব তারা করছে খুব কৌশলে।

‘ব্লু হোয়েল’ গেম ওপেন করা মাত্র আপনাকে একজন অ্যাডমিন পরিচালনা শুরু করবে। গেমটির প্রথম দশটা লেভেল খুবই আকর্ষনীয়। ইউজার অ্যাডমিন কিছু মজার মজার নির্দেশনা দেন – যেমন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে হরর ছবি দেখা, চিল্লাচিল্লি করা, উঁচু ছাদের কিনারায় হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এ কারণে গেমের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন কিশোর-কিশোরীরা। আর এই কৌশলেই অ্যাডমিন হাতিয়ে নেবেন আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন। যা চলবে ১৫ লেভেল পর্যন্ত।

এরপর শুরু হবে পরের লেভেলগুলো ভয়ংকর সব টাস্ক। ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা, সারা গায়ে আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করা, কখনো ভোরে একাকি ছাদের কার্নিশে ঘুরে বেড়ানো, রেল লাইনে সময় কাটানো, ভয়ের সিনেমা দেখা ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ নেয়ার পর এসব ছবি কিউরেটরকে পাঠাতে হয়। একবার এই গেম খেললে কিউরেটরের সব নির্দেশই মানা বাধ্যতামূলক। তার শেষের দিকের লেভেলে আত্মনির্যাতনমূলক বিভিন্ন টাস্ক সামনে এলেও কিশোর-কিশোরীরা এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যে, গেম ছেড়ে বের হতে পারে না। আর এরই মধ্যে কৌশল পরিবর্তন করে অ্যাডমিন। আপনি টেরই পাবেন না প্রথম বিশ ধাপে সংগ্রহ করে ফেলা আপনার তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনাকে মোহাক্রান্ত বা হিপনোসিস পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু করা হবে। আপনি তখন ভাববেন এই গেম ছাড়া আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব। একই সঙ্গে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দুর্ব্যবহারর মাধ্যমে আপনাকে কৌশলে নিঃসঙ্গ মানুষ বানিয়ে ফেলা হবে।

পঁচিশ লেভেলের পর নির্দেশনা আসবে মাদক বা ড্রাগ নেবার! এভাবেই সম্মোহিত করে করে আপনাকে তিরিশ লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। আর ৩১তম লেভেলে আপনার নগ্ন ছবি চাওয়া হবে! আপনি হিপনোসিস ও মাদকের কারণে নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেও চিন্তা করবেন না, ড্রাগ নেবার মাত্রা বাড়াতে থাকবেন আপনি!

এরপর নির্দেশনা আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে সেক্স করে গোপনে ছবি তুলে আপলোড করতে বা নিজের শরীরে একাধারে শ’ খানেক সুঁই ফোটাতে এবং ফটো আপলোড করে পাঠাতে। এভাবেই চলে যাবেন আপনি ৪০তম লেভেলে! এরপর আপনার জ্ঞান ফিরবে, বাঁচার আকুতি জানাবেন আপনি, কাঁদবেন আর বলবেন দয়া করে গেমটি আনইনস্টল করুন।

ওপরে বলা হয়েছে এই গেমে একবার ঢুকলে আর বের হওয়া যায় না। সেটার ব্যাখ্যা ইতিমধ্যে আপনি পেয়ে গেছেন। তারপরও বলে রাখা ভালো, এই পর্যায়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইলিং করবে অ্যাডমিন। কারণ আপনি বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন, আর গেমার টিম বা অ্যাডমিন তখন আপনারই পাঠানো সকল তথ্য ফাঁস করে দেবার হুমকি দেবে। কারণ নগ্ন ছবিসহ আপনার যাবতীয় তথ্য তখন তাদের হাতে থাকবে। তখন আপনি বাধ্য হয়ে প্রবেশ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় গেমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম ধাপে ইউজারদের এমন কিছু টাস্ক দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ করা মানেই আত্মহত্যা। আর এর মাধ্যমেই ঘটে গেমের সমাপ্তি।

ব্লু হোয়েলে আসক্তদের চিনবেন কীভাবে- যেসব কিশোর-কিশোরী ব্লু হোয়েল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে তারা সাধারণভাবে নিজেদের সব সময় লুকিয়ে রাখে। স্বাভাবিক আচরণ তাদের মধ্যে দেখা যায় না। দিনের বেশিরভাগ সময় তারা কাটিয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। থাকে চুপচাপ। কখনও আবার আলাপ জমায় অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে। গভীর রাত পর্যন্ত ছাদে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় অনেককে। একটা সময়ের পর নিজের শরীরকে ক্ষত-বিক্ষত করে তুলতে থাকে তারা।

এই মরণ ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য মনোবিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। সেগুলো হচ্ছে-

প্রথমতো আপনাকেই সচেতন হতে হবে। কেন আপনি অপরের নির্দেশনায় কাজ করবেন। আপনি যাকে কখনও দেখেননি, যার পরিচয় জানেন না, তার কথায় কেন চলবেন বা তার কথামতো কেন কাজ করবেন- সেটি নিজেকেই চিন্তা করতে হবে। এরকম কোনো লিংক সামনে এলে তাকে এড়িয়ে চলতে হবে। সমাজের তরুণ-তরুণীদের মাছে এই গেমের নেতিবাচক দিক সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

সন্তান, ভাই-বোন বা নিকটজনকে মোবাইলে ও কম্পিউটারে অধিক সময়ে একাকী বসে থাকতে দেখলে সে কী করছে, তার খোঁজ-খবর নিতে হবে। সন্তানকে কখনও একাকী বেশি সময় থাকতে না দেয়া এবং এসব গেমের কুফল সম্পর্কে বলা।

সন্তানদের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। যাতে তারা আত্মহত্যা করা বা নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করা অনেক বড় পাপ- এটা বুঝতে পারে। সন্তান ও পরিবারের অন্য কোনো সদস্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কিনা- সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয় তাকে সঙ্গ দেয়া।

কৌতূহলি মন নিয়ে এই গেমটি খেলার চেষ্টা না করা। কৌতূহল থেকে এটি নেশাতে পরিণত হয়। আর নেশাই হয়তো ডেকে আনতে পারে আপনার মৃত্যু।

এ পর্যন্ত ব্লু হোয়েল পৃথিবীর কোন কোন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই। তবে রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বুলগেরিয়া, চিলি, চীন, ভারত, ইটালি, কেনিয়া, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও উরুগুয়ে ব্লু হোয়েল শনাক্ত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest