সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শোসাতক্ষীরায় চার দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর মেলেনি সন্ধান : দিশেহারা পরিবারসাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার

মোদিকে ‘বড় অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ অভিনেতা প্রকাশ রাজের!

ভারতের দক্ষিণী ছবি ও বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা প্রকাশ রাজ দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘বড় অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গালুরুতে নিহত হওয়া জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ হত্যার পর এভাবেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোদির নীরবতার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় এ অভিনেতা।
প্রকাশ রাজ সাংবাদিক গৌরীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

প্রকাশ রাজ আরও বলেন, গৌরী লঙ্কেশের হত্যার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ এবং প্রতিবাদকারীদের প্রতি পুলিশের খড়গহস্ত স্পষ্টতই ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রতি সরকারের অসহিষ্ণুতার পরিচায়ক। তাছাড়া কিছু ব্যক্তি, যারা লঙ্কেশ হত্যায় বাহবা দিয়েছে তাদের অনেককে মোদি নিজেই টুইটারে ফলো করেন। কাজেই এটা আমাকে পীড়া দিয়েছে। সঙ্গে এও প্রমাণ করেছে যে দেশ কোনদিকে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন ডানপন্থী সরকারের মতাদর্শের কঠোর সমালোচনাকারী ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ। গত মাসের শুরুতে বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন তিনি। লঙ্কেশ মারা যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অথচ লঙ্কেশের বাড়ির ক্যামেরায় হেলমেট পরিহিত তার হত্যাকারীর ছবি দেখা গেছে। এছাড়া গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকাণ্ডের পর বিজেপি নামধারী কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী প্রকাশ্যেই তাঁর বামপন্থী আদর্শ নিয়ে সমালোচনা করে ও তাঁর হত্যায় উল্লাস প্রদর্শন করে। অবাক করা বিষয় হলো, প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেই এমন কয়েকটি টুইটার অ্যাকাউন্ট ফলো করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাস ভেগাসের হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

আমেরিকার লাস ভেগাসে রুট নাইনটি ওয়ান নামের তিনদিনের কান্ট্রি মিউজিক ফেস্টিভালে স্টিফেন প্যাডক নামের এক বন্দুকধারী এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়ে ৫৯ জনকে হত্যা করে।

মান্দালে বে হোটেলের ৩২ তলা থেকে উন্মুক্ত কনসার্টে গুলি ছুড়ে ৬৪ বছর বয়স্ক বন্দুকধারী স্টিফেন প্যাডক।
পুলিশের অভিযানের সময় সে আত্মহত্যা করে বলে জানা যায়।

হোটেলটির ৩২ তলার সেই কক্ষে আরও ১৬টি আগ্নেয়াস্ত্রের খোঁজ পায় পুলিশ। সেই সাথে তার বাসায় ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরকের সন্ধান মিলেছে। আর তার গাড়িতে পাওয়া গেছে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-এর মতো রাসায়নিক। জানিয়েছেন শহরটির শেরিফ। তবে তার বিরুদ্ধে কোন অপরাধমূলক কর্মখান্ডে জড়িত থাকার তথ্য নেই।

তার সাবেক একজন প্রতিবেশী জানান, তিনি একজন পেশাদার জুয়ারি।
মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামলাকারীর মানসিক সমস্যার ইতিহাস ছিল বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে।

হামলাকারীর ভাই এরিক প্যাডক তার ভাইয়ের এমন ঘটনায় জড়িত থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন যে, তাদের কোন ধারনাই নেই কেন সে এমনটি ঘটিয়েছে।

কনসার্টে গুলি বর্ষণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯জনে। আহত অন্তত ৫২৭জন।

তদন্তকারীরা এই ঘটনার সাথে কোন আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার না করলেও, ইসলামিক স্টেট বা আইএস গোষ্ঠী এর দায় স্বীকার করেছে। আইএস বলছে যে, এই হত্যাকারী স্টিফেন প্যাডক ছিল ধর্মান্তরিত মুসলিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখনও আমাকে যৌনদ্দীপক মেইল পাঠায় কঙ্গনা: হৃতিক

ফের বিস্ফোরক হৃতিক রোশন। কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে আবার মুখ খুললেন তিনি।
মুখ খুলেই ছুঁড়লেন মিসাইল। এই নিয়ে তিনি ২৯ পাতার একটি অভিযোগপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগপত্রটি জমা দিয়েছেন হৃতিকের আইনি উপদেষ্টা মহেশ জেঠমালানি। অভিযোগপত্রে বলা আছে, এখনও হৃতিককে মেইল পাঠান কঙ্গনা। মেইলে এমন কিছু থাকে যেগুলো ঘনিষ্ঠ কাউকেই পাটানো সম্ভব। সেগুলির প্রতিটিতে যৌন সম্পর্কিত বিষয় স্পষ্টভাবে বলা আছে। হৃতিককে “চিরন্তন প্রেমিক” বলেও উল্লেখ করেছেন কঙ্গনা।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সল পর্যন্ত কঙ্গনা আর হৃতিকের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। পেশাগত কারণেই যোগাযোগ রেখেছিলেন তাঁরা। কিন্ত ২০১৪ সালে হৃতিককে হিন্দিতে অশালীন বার্তা পাঠান কঙ্গনা। শুধু কঙ্গনা নয়, কঙ্গনার দিদি রঙ্গোলির থেকেও আশ্চর্য কিছু মেইল পান হৃতিক। সেখানে তাঁকে “মানসিক ও শারিরীকভাবে ধর্ষণ” করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হৃতিক। বিষয়টি নিয়ে হৃতিক আলোচনায় যেতে চেয়েছিলেন। সাইবার সেলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তিনি। কিন্তু অদ্ভুত মেইলগুলি পাওয়ার পর এবং মিথ্যে অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন এবার এটি ক্রমশ অসহ্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, কঙ্গনা অন্য কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। সেটি কোনওভাবেই হৃতিক নয়। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন কঙ্গনা। তিনি জানিয়েছেন, এমন কোনও ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই। চাইলেও অভিযোগকারী এমন কাউকে খুঁজে পাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্লিভেজ দেখিয়ে ছবি পোস্ট করে সমালোচিত

আমিশা দিশা পাটানি, কারিনা কাপুরের পর এবার ক্লিভেজ দেখিয়ে ছবি পোস্ট করে সমালোচিত হলেন আমিশা প্যাটেল। কুরুচিকর ভাষায় তাকে গালিগালাজ করা হয় তার পোস্টে।

এমনকি তাকেও পর্ণ স্টার বলা হয় এই ছবির জন্য। ক্লিভেজ দেখানটা তার কাছে যেন অপরাধ হয়ে গেছে। আর সেই কারণেই এমন আক্রমণ করা হল তাকে।

তবে যত যাই হোক এ বিষয়ে কোন কথা বলেনি বলিউডের ওই অভিনেত্রী। তবে একের পর এক এরম ঘটনা ঘটায় কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ বলেই মনে করছেন অভিনেত্রীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেমন আছে আমাদের সাতক্ষীরার সেই মুক্তামনি?

অনলাইন ডেস্ক : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনিকে ২ মাস ২০ দিন আগে ভর্তি করানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ণ ইউনিটে। এখন কেমন আছে মুক্তামনি?

হাসপাতালে গিয়ে এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয় মুক্তামনির। মুক্তামনি বলে, আগের থেকে ভালো আছি কিন্তু কতোটা ভালো আছি তা বলতে পারবো না। হাসপাতালে থাকতে কার ভালো লাগে। একটা রুমের মধ্যে আটকা আছি। একটু খেলতে পারি না, ভালো লাগে না এই ভাবে। আল্লাহর কাছে দোয়া কইরেন আমি যাতে ভালো হইয়া যাই।

মুক্তার বাবা জানান, মেয়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আজ ২মাস ২০দিন ধরে হাসপাতালে পরে আছি। হাসপাতালে কি কেউ এমনি থাকতে চায়। খুব কষ্ট লাগে কিন্তু কিছুই করার নাই। আজ মঙ্গলবার মুক্তা মনির হাতে চামড়া লাগাবে। মুক্তার ড্রেসিং করানোর সময় দুই ব্যাগ করে রক্ত লাগে। মানুষের সহযোগিতায় রক্তের কোন অভাব হয় নাই। আমি কৃতজ্ঞ যে আমাকে সবাই অনেক সহযোগিতা করেছে এবং বর্তমানেও করছে।

কোন ধরনের অসুবিধায় রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মুক্তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন জানান, গত সপ্তাহে ড্রেসিং করানোর সময়, দুই ব্যাগ রক্ত দরকার ছিল। তখন গাবতলী থেকে রাত ১০টায় দুই জন মানুষ এসে রক্ত দিতে চায় কিন্তু ঢাকা মেডিকেল ব্লাড ব্যাংক আমাকে সহযোগিতা করে নাই। আমার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে।
আমি ৪ বার তাদের কাছে অনেক অনুরোধ করি কিন্তু তারা শুনে নাই আমার কথা। মেয়ের সুস্থতার জন্য আমি এইখানে পরে আছি। যত দুঃখ পাইনা কেন আমি থাকব। দিন শেষে মেয়েটার মুখে তাকালে সব কষ্ট চলে যায়।

দেশবাসীর কাছে আমার একমাত্র চাওয়া সবাই যেন আমার অসুস্থ মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে নামাজান্তে আমার এই ছোট্ট মেয়েটার জন্য দোয়া করে। আমি যেন আমার মেয়েটাকে আবারও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ফিরে পাই। এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকদের প্রতি আস্থা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ডা. সামন্ত লাল তাদের মেয়ের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে আসার পর এখানকার ডাক্তাররা খুবই আগ্রহ নিয়ে আমার মেয়েকে দেখছেন। ডা. সামন্ত লাল সেন আমারে খুবই আশ্বাস দিয়েছেন এবং বলেছেন আমার বাচ্চা ভালো হয়ে যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রয়লার মুরগি খেলে হতে পারে ক্যান্সার

একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্রয়লার মুরগি শরীরের পক্ষে একেবারেই ভালো নয়। আসলে যেভাবে ব্রয়লার মুরগিদের বড় করা হয়, তা একেবারেই সঠিক পদ্ধতি নয়।

সর্বোপরি, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির তোয়াক্কা না করেই তাদের ব্রিড করানো হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপর। মুরগি মোটাসোটা হবে তো তা থেকে বেশি মাংস পাওয়া যাবে, ফলে লাভ হবে বেশি। এই লোভে যেভাবে মুরগিদের মোটা করা হয় তা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই সাবধান!
আসুন জেনে নেওয়া যাক ব্রয়লার মুরগীর বিপদগুলো…

ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা মাত্র পাঁচ সপ্তাহেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যায়! মাত্র এক কেজি আটশো গ্রাম ম্যাশ খাওয়ালেই এক কেজির নিট মাংস! দুই কেজি ওজনের মুরগি জবাইয়ের আগে ম্যাশ খাচ্ছে মাত্র তিন কেজি ছয়শো গ্রাম! রহস্যটা কী? ম্যাশের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম। ইনজেকশন পুশ করে দেওয়া হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। চড়চড় করে বড় হচ্ছে মুরগি, হু হু করে বাড়ছে ওজন। এই ব্রয়লারের মুরগিই বিক্রি হচ্ছে বাজারে। তারপর চেটেপুটে খাচ্ছি আমরা।

কিন্তু জানি কি, পিছনে লুকিয়ে রয়েছে কী ভয়ঙ্কর বিপদ? সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না আমাদের শরীরে।

-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে। ছোটখাটো পেটের রোগ, গ্যাস, অম্বল, সর্দিকাশি, ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। ফলে রোগ সারাতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্য নিতে হবে ডাক্তারদের। যে অ্যান্টিবায়োটিকের একাধিক কুপ্রভাব পড়বে আমাদের শরীরে।

-কাঁচা মাংসে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে যেভাবে একাধিক মুরগিকে এক সঙ্গে রাখা হয় তাতে দু-পাঁচটার শরীরে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি প্রবেশ করে না যাওয়াটা কোনও অস্বাভাবিক নয়। আর এমনটা যে হয় না, সে কথা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে কি? শুধু তাই নয়, যখন মুরগী কাটা হয় তখনও জীবিত মুরগির শরীর থেকে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়া চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর এই জীবাণু যদি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আর রক্ষা নেই।

-কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতো মাত্রাতিরিক্ত ব্রয়েলার মুরগি খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তবে এই যুক্তির স্বপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

-ব্রয়লার চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। একাধিক গবেষণয়া দেখা গেছে প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্রয়েলার মুরগির শরীরে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা কোনও ভাবেই কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়।

-বাজার থেকে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনে কখনই বাকি খাবার বা সবজির সঙ্গে সেটি রাখবেন না। শুধু তাই নয়, যে ছুরি দিয়ে মাংসটা কাটবেন তা দিয়ে ওই সময় সবজি কাটবেন না। আর যে প্লেটে কাঁচা মাংসটা রাখবেন তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তবেই অন্য় কাজে লাগাবেন। যেমনটা আগেও বলেছি কাঁচা মাংসে অনেক সময়ই ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই নিয়মটা মানলে সেই জীবাণু বাকি খাবারে ছড়িয়ে যাওরা সুযোগ পায় না। ফলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমে।

দেশি মুরগি কি ক্ষতিকারক নয়?
একেবারেই না। কারণ কি জানেন? দেশি মুরগি একেবারে প্রকৃতির নিয়ম মেনে বড় হয়। ফলে ব্রয়লার মুরগির মতো তাদের শরীরে কোনও কেমিকেলের উপস্থিতি যেমন পরিলক্ষিত হয় না, তেমনি দেশি মুরগি অনেকাংশেই ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়। ফলে তা থেকে আমাদের শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে এবার নিম্নবর্ণের হিন্দু যুবককে পিটিয়ে মারল উচ্চ বর্ণের লোকজন

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের গুজরাটে নবরাত্রি উৎসবের সময় যে নাচের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে যাওয়ার পর উচ্চবর্ণের প্যাটেল সম্প্রদায়ের লোকজন এক দলিত বা তথাকথিত নিম্নবর্ণের যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

পুলিশ বলছে, আনন্দ জেলার ওই ঘটনায় জয়েশ সোলাঙ্কিকে রবিবার ভোররাতে তার গ্রামেরই প্যাটেল সম্প্রদায়ের কিছু লোক একসঙ্গে মিলে মারধর করেছিল। তবে এখন অভিযুক্ত মোট আটজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

গুজরাটের পরিস্থিতি সম্পর্কে যারা ওয়াকিবহাল, তারা বলছেন উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মতোই সেখানেও দলিতদের ওপর আক্রমণের ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে – যদিও সংবাদমাধ্যমে সে সব ঘটনা তেমন গুরুত্ব পায় না।

গুজরাটে নবরাত্রির সময় গারভা নৃত্যানুষ্ঠান প্রায় প্রতিটি পাড়া বা মহল্লায় খুব জনপ্রিয় – আর আনন্দ জেলার ভাদরানিয়া গ্রামের স্থানীয় মন্দিরে এমনই একটি গারভা দেখতে গিয়েছিলেন একুশ বছরের যুবক জয়েশ সোলাঙ্কি।

সেখানে জাতপাত নিয়ে প্যাটেল সম্প্রদায়ের কিছু লোকজনের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। আর তারা একসঙ্গে মিলে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

ওই নিহত যুবকের এক ভাতিজা বলছিলেন, “সঞ্জয় প্যাটেল ওরফে ভিমোর নেতৃত্বে একদল ছেলে আমার চাচাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা গারভায় কী করছি, কী দেখতে এসেছি। বলেই তারা তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে, তারপর বলে আমাদের গারভায় আমার কোনও অধিকার নেই।”

“শেষে মারতে মারতে তাকে একেবারে আধমরা করে ফেলে দিয়ে যায় – একটু পরে ওকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেই বলা হয় সব শেষ।”

রবিবার ভোর চারটের পর ঘটা ওই ঘটনায় নিহতের মাথা বারবার সজোরে দেওয়ালে ঠুকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ – তার শরীরেও নানা স্থানে মিলেছে গভীর ক্ষতচিহ্ন।
আনন্দ জেলার পুলিশ সুপার সৌরভ সিং জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই ডিএসপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। মারধরে অভিযুক্ত আটজনকেই গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। আরও কেউ জড়িত ছিল কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুতই আমরা এই ঘটনায় চার্জশিট পেশ করব।”

ভারতে যিনি জাতির জনকের মর্যাদা পান, অহিংসার পূজারী সেই মোহনদাস গান্ধীর জন্মজয়ন্তীর প্রাক্কালে তার নিজের রাজ্য গুজরাটের এই ঘটনা রাজ্যের মাথা হেঁট করে দিয়েছে বলেই মনে করছেন সেখানকার বিদগ্ধ সমাজ।

গুজরাটের সাবেক তথ্য কমিশনার শৈলেশ গান্ধীর কথায়, “একটা চরম অসহিষ্ণুতা ও ঔদ্ধত্যের বাতাবরণ সর্বত্র ছেয়ে আছে – সরকার যদি এখনই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না-নেয় তাহলে এমন ঘটনা আরও ঘটবে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব, স্বচ্ছ ভারত অভিযানের পাশাপাশি তিনি যেন দেশকে হিংসামুক্ত করার অভিযানেও নামেন।”

আসলে গারভার মতো একটা সামাজিক উৎসব, যেখানে নবরাত্রি উদযাপন করা হয় ও সমাজের সব শ্রেণীর লোক যোগ দিয়ে থাকে – সেখানেই এই ঘটনাটা ঘটা খুব দু:খজনক, বলছিলেন অনন্যা দাস।
কিন্তু বিহার-উত্তরপ্রদেশে যেমন দলিতদের ওপর হামলার খবর প্রায়ই শোনা যায়, গুজরাটও কিন্তু সে দিক থেকে একেবারে পিছিয়ে নেই।
অনন্যা দাস বলছিলেন, “গুজরাটেও দলিতদের সংখ্যা প্রচুর – আর তাদের ওপর হামলার ঘটনাও হামেশাই ঘটে থাকে। দলিতরা সাধারণত লোকের বাড়িতে কাজকর্ম, শৌচাগার বা শহরের সাফাই এই জাতীয় ছোটখাটো কাজকর্ম করে থাকেন – কিন্তু তাদের ওপর হামলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে জাতীয় সংবাদমাধ্যমে তা নিয়ে কোনও হইচই হয় না!”
গুজরাটে বিধানসভার ভোট এ বছরের শেষ দিকেই – তার আগে উচ্চবর্ণের লোকজনের হাতে দলিত যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ায় লবণ

যতবার আমরা আলাদা করে লবণ খাই, ততবারই দ্বিগুণ হারে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। তাহলে এবার দেখেই নিন কত মারাত্মক ক্ষতিটাই না আপনি করে ফেলেছেন হার্টের। এবার থেকে খাবারে লবণের পরিমাণ কমান। সেই সঙ্গে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাসকে চিরদিনের জন্য বিদায় জানান।

একাধিক কেস স্টাডির পর এ বিষয়ে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হয়েছে যে, যারা প্রতিদিন ১৩.৭ গ্রাম লবন খেয়ে থাকেন, তাদের হার্টে অ্যাটাকের আশঙ্কা সাধারণ মানুষদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, খাবারে লবণের পরিমাণ বাড়তে থাকলে শরীরে আরও অনেক ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে।

১) রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়ঃ
দীর্ঘদিন ধরে বেশি মাত্রায় লবণ খেয়ে এক সময় ব্লাড প্রেসার বাড়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। আর ব্লাড প্রেসার মাত্রা ছাড়ালে হার্ট এবং মস্তিষ্কের উপর মারাত্মক চাপ পড়তে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

২) স্টমাক ক্যান্সার দেখা দেয়ঃ
বিশ্বে প্রতি বছর যত সংখ্যক মানুষ স্টমাক ক্যান্সার আক্রান্ত হন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগের অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার বদ-অভ্যাস রয়েছে। আসলে বেশি মাত্রায় লবণ খেলে স্টমাকের আবরণ নষ্ট হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এইচ.পাইলোরি নামে একটি ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বাড়তে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াটি স্টমাক আলসারের পথ প্রশস্ত করে, যা পরবর্তি সময় স্টমাক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।

৩) কিডনি খারাপ হতে শুরু করেঃ
শরীরে ইলোকট্রোলাইটসের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে লবণ কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কিন্তু তাই বলে বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ যত বেশি করে লবণ আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে, তত কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে বাড়বে রক্তচাপও, যা যে কোনও মানুষকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

৪) ওজন বৃদ্ধি করেঃ
লবণ ওজন বৃদ্ধির পথকে প্রশস্ত করে থাকে। বেশি মাত্রায় লবণ খেলে বা অতিরিক্ত লবণ দিয়ে বানানো খাবার খেলে পানির তৃষ্ণা বেড়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় জল এবং কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মাত্রায় কোল্ড ড্রিঙ্ক খেলে শরীরে ক্যালরির মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে স্বাভাবিকবাবেই বৃদ্ধি পায় ওজন।

৫) হাড় দুর্বল করেঃ
শরীরে লবণের মাত্রা যত বাড়বে, তত পানির পিপাসা পাবে। আর পানি বেশি করে খেলে প্রস্রাবও বেশি করে হবে। ফলে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যেতে শুরু করবে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে। আর এমনটা হলেই ধীরে ধীরে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়ে দেখা দেবে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest