৩ ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী সম্মেলন; মইনুল সভাপতি, শিমুল সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাতক্ষীরা পৌর শাখার ৩ নং ওয়ার্ড এর আঞ্চলিক কমিটি গঠন উপলক্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা মোড়ে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সম্মেনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো: আব্দুল মান্নান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের সভাপতি মো: মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো: রবিউল ইসলাম। বিশেষ হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম রকি। উক্ত কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মইনুল ইসলাম মইনুলকে সভাপতি ও শেখ শিমুলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ৩ নং ওয়ার্ড (মাদ্রাসা পাড়ার) এর আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন দেন নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় বিদ্যুতের তার স্পর্শে নির্মাণ শ্রমিক নিহত, আহত ২

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিদ্যুতের তার স্পর্শে এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দেয়াড়া বাজারে এ ঘটনাটি ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুই নির্মাণ শ্রমিক। নিহত নির্মাণ শ্রমিকের নাম জাকির হোসেন (৩০)। তিনি যশোর জেলার মনিরামপুর থানার পারখাজুরা গ্রামের শওকাত আলী মোড়লের ছেলে। তবে, আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

খোর্দ্দ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই হাসানুজ্জামান জানান, কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া বাজারে ডাঃ আতাউর রহমানের নির্মণাধীন দোকানের ছাদ ঢালাই করার সময় ওই দোকানের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের মেইন তারে হঠাৎ অসাবধান বশত নির্মাণ শ্রমিক জাকির হোসেন জড়িয়ে পড়েন। এতে ঘটনা স্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে যেয়ে আরো দুই নির্মাণ শ্রমিক আহত হন।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ দেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারা?

১৯০১ সালে থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৩০ জনকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
নোবেল পুরস্কার সংস্থার মতে, শান্তিতে নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলেন মার্টিন লুথার কিং, মালালা ইউসুফজাই, মাদার তেরেসা, ইলি ওয়াইসেল, নেলসন ম্যান্ডেলা এবং রিগোবার্তা মেঞ্চু।

নোবেল শান্তি পুরস্কারে কাদের মনোনয়ন দেয়া হয় তা কেউ জানেন না। তবে এ বিষয়ে নরওয়ের শান্তি গবেষণা ই্ন্সটিটিউট একটি তালিকা দিয়েছে। এটা যেহেতু অনুমানভিত্তিক তাই নাও মিলতে পারে।

তালিকায় জনপ্রিয় নামগুলো হলো- ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মোঘেরিনি, সিরিয়ার প্রতিরক্ষায় কাজ করা ‘দ্য হোয়াইট হেলমেট ও এটির নেতা রাইদ আল সালেহ, তুরস্কের সাংবাদিক কান দুনদার ও তার সম্পাদিত পত্রিকা কামহুরিয়েত, জাতিসংঘের শরণার্থী কমিশন ও এর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি, পোপ ফ্রান্সিস, আমেরিকার সিভিল লিভারটিস ইউনিয়ন ও সৌদি ব্লগার রাইফ বাদাওয়ি। সূত্র : গার্ডিয়ান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লিজার প্রশংসা করলেন নুসরাত ফারিয়া

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সানিয়া সুলতানা লিজার নতুন গানের ভিডিও ‘ভালোবাসি বলা হয়ে যাক’ এখন দেখা যাচ্ছে ইউটিউবে। সিএমভির ব্যানারে গানটির ভিডিও প্রকাশ হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। গানটির ভিডিও দেখে দর্শকদের পাশাপাশি লিজার সহশিল্পীরাও তাঁকে জানাচ্ছেন শুভেচ্ছা।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রশংসা করেছেন লিজার। তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমরা কি পরবর্তী কোনো ছবিতে লিজাকে চুক্তিবদ্ধ করতে পারি? পুরাই নায়িকা!’

ফারিয়ার স্ট্যাটাসে লিজা মন্তব্য করে জানান, তিনি ছবিতে কাজ করতে চান না, বরং তিনি তাঁর প্রিয় নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার নতুন ছবি দেখার জন্য অস্থির হয়ে আছেন।

‘ভালোবাসি বলা হয়ে যাক’ গানটি রোমান্টিক। গানের কথাগুলো লিখেছেন ইশতিয়াক আহমেদ। বেলাল খানের সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন পরিচালক শাহরিয়ার পালক। গানটিতে লিজার সঙ্গে মডেল হয়েছেন রিমন সরকার।

গানটি প্রসঙ্গে লিজা বলেন, ‘গতকাল থেকে গানটির ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমার দর্শক, শ্রোতা ও সহশিল্পীদের অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।’

বর্তমানে লিজা গান গাওয়ার পাশাপাশি উপস্থাপনা করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব পেলেও তিনি তা করছেন না। লিজা বলেন, ‘অনেক আগেই আমি নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি; কিন্তু করিনি। এ ছাড়া চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যও অনেক বলেছেন; কিন্তু করার আগ্রহ পাইনি। আমি গান ঠিকমতো করতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেল আইসিএএনডব্লিউ

অনলাইন ডেস্ক : এবছরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলো আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রচারাভিযান সংস্থা আইসিএন। প্রতিবছর অক্টোবর মাসে ঘোষণা করা হয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম। এ বছর চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন ও সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। বাকি আছে অর্থনীতিতে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণার।

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপে প্রচারণা চালানো সংগঠন আইসিএএন ১০০টিরও বেশি দেশে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়ায় কার্যক্রম শুরু করলেও সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে ভিয়েনায়।এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে পোপ ফ্রান্সিস, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, সিরিয়ার উদ্ধারকর্মী দল হোয়াইট হেলমেটস, যৌথভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি ও ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ, পশ্চিম আফ্রিকান জোট ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস (ইকোওয়াস) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রান্দি, আমেরিকান সিভিল রাইট ইউনিয়নের নাম আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত পুরস্কার জিতে নিয়েছে আইসিএএন।

১৯০১ সাল থেকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। তখন থেকে এ পর্যন্ত ৯৮ বার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো। পুরস্কারের ছয়টি ক্যাটাগরির মধ্যে পাঁচটি ক্যাটাগরির বিজয়ী সুইডিশ নোবেল কমিটি ঘোষণা করলেও শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা নরওয়ে কমিটি দিয়ে থাকে। এ পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন একজন। তিনি হলেন ভিয়েতনামের বিপ্লবী, কূটনীতিবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব লি ডাক থো।

এ বছর এ পর্যন্ত শান্তিসহ মোট ৫টি ক্যাটাগরিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৯ অক্টোবর সোমবার অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বছরের পুরস্কার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। আর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ডিসেম্বরে।

মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সন্ধানের জন্য ২০১৭ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনি বিজ্ঞানী। তারা হলেন রেইনার ওয়েইস,ব্যারি ব্যারিস ও কিপস থ্রোন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান রাখায় ২০১৭ সালে চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার জিতে নেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী জেফরি হল,মাইকেল রোশবাশ ও মাইকেলন ইয়াং। আর এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক কাজু ইশিগুরো। আরজৈবকণার প্রতিচ্ছবি ধারণের নতুন কৌশল উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরে রসায়ন শাস্ত্রে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন রিচার্ড হেন্ডারসন,জোয়াকিম ফ্যাংক এবং জ্যাক দুবাশে। ক্রায়ো ইলেকট্রনিক পদ্ধতির প্রয়োগে জৈবকণার চিত্রধারণ আরও উন্নত ও সহজ করে তুলেছেন ওই তিন বিজ্ঞানী। 

উল্লেখ্য, ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল তার মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরষ্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮ তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যু বরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করা এবং নোবেল পুরষ্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। আর বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমানে সোনার সিঁড়ি ও ১৫০০ সফরসঙ্গী নিয়ে সৌদি বাদশাহ রাশিয়ায়!

অনলাইন ডেস্ক : সৌদি বাদশাহর রাজকীয় সফর বলে কথা! রাশিয়া সফরে তাঁর রয়েছে দেড় হাজার সঙ্গী। সঙ্গে সোনার তৈরি চলন্ত সিঁড়ি ও বিশেষ কার্পেটও রয়েছে। এ সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়, গত বুধবার রাতে চার দিনের সফরে রাশিয়ায় পা রাখেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। উড়োজাহাজ থেকে নামার সময় তিনি ব্যবহার করেন সোনার তৈরি চলন্ত সিঁড়ি। কিন্তু বিধি বাম। হুট করেই নষ্ট হয়ে যায় সেই সিঁড়ি। এতে সিঁড়ি ভেঙেই নামতে হয় ৮১ বছর বয়সী বাদশাহকে। পরে রুশ পুলিশের গাড়িবহর তাঁকে মস্কোর ভেতরে নিয়ে যায়।

সৌদি কোনো বাদশা এই প্রথম রাশিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফর করছেন। দুই দেশই এ সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছে।

রাশিয়া সফরে সৌদি আরবের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাদশাহ সালমান। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে অস্ত্র কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। এ ছাড়া তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখার বিষয়েও আলোচনা করছে সৌদি আরব ও রাশিয়া। সিরিয়া সংকটসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক, সামরিক, বাণিজ্যিক ইস্যু আলোচিত হবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি বাদশাহর সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি ব্লুমবার্গকে জানিয়েছেন, সফর উপলক্ষে প্রায় ৮০০ কেজি খাবার আনা হয়েছে রাশিয়ায়। বাদশাহর সফরসঙ্গীরা কিছু ব্যক্তিগত কর্মচারীও নিয়ে এসেছেন। যে হোটেলে বাদশাহ আছেন, সেখানকার কর্মচারীদের পরিবর্তে কিছু ক্ষেত্রে এসব রাজকীয় কর্মচারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কারণ রাজকীয় কর্মচারীরা জানেন, কীভাবে এসব সফরসঙ্গীর পছন্দের খাবার বানাতে হয়।

বাদশাহ সালমান যে হোটেলে আছেন, সেখানে তিনি নিজস্ব আসবাব ব্যবহার করছেন। এগুলো সৌদি আরব থেকে নিয়ে এসেছেন তিনি।

রাশিয়ায় দুটি হোটেল বরাদ্দ নিয়েছে সৌদি সরকার। একটি হলো দ্য রিটজ কার্লটন ও দ্য ফোর সিজনস। বাদশাহ ও তাঁর সফরসঙ্গীদের সুবিধার জন্য ওই দুই হোটেলে আগে থেকে কক্ষ ভাড়া নেওয়া কিছু ব্যক্তিকেও বের করে দেওয়া হয়। কারণ অপরিচিত মানুষ থাকলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না সফরসঙ্গীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ফোর সিজনস হোটেলের এক দ্বাররক্ষী বলেন, পুরো হোটেলটি ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সাধারণ মানুষ এতে ঢুকতে পারবেন না। তবে দুই হোটেলের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

রাশিয়ার ফেডারেশন অব রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড হোটেলিয়ারস নামক সংগঠনের সহসভাপতি ভাদিম প্রাজভ বলেন, সৌদি বাদশাহর সফরকালে এ দুই হোটেলের বুকিং ফি হলো ৩০ লাখ ডলার। এর বাইরে রয়েছে, খাবার, স্পা ও অন্যান্য সেবার ভাড়া।

তবে শুধু সৌদি বাদশাহ নয়, বিশাল বহর নিয়ে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার তালিকায় নাম আছে মার্কিন প্রেসিডেন্টদেরও। ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রাশিয়া সফর করেছিলেন। ওই সময় গুলিরোধক লিমোজিন গাড়ি ও সিক্রেট সার্ভিসের নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে মস্কো এসেছিলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোনো সমস্যাই বাংলাদেশের অগ্রগতি থামাতে পারবে না – প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কখনো কোনো সমস্যা দেখে ভয় পায় না এবং মিয়ানমার থেকে নির্মমভাবে তাড়িয়ে দেওয়া লাখ লাখ লোক বাংলাদেশে চলে আসা সত্ত্বেও এ দেশ এগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে রয়েছেন। তিনি তাঁর হোটেলকক্ষে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানেই শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন বলে আজ শুক্রবার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা বাঙালি জাতি যুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছি। ফলে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমরা কখনো ভয় পাই না।’

শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য। ফলে আমরা তাদের (মিয়ানমারের জনগণ) বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিতে পারি না। আমরা ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারলে তাদের এই চরম দুঃসময়ে অতিরিক্ত পাঁচ থেকে সাত লাখ লোককেও আমরা খাওয়াতে পারব। আমরা বরং এ সমস্যা মোকাবিলা করার মাধ্যমে আরো এগিয়ে যেতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, মিয়ানমারের একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধির সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের মাধ্যমে এ সংকট সমাধানে নেপিদোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ সব সময় মানবতায় বিশ্বাস করে। মানবিক দিক বিবেচনা করে মিয়ানমার ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হওয়া এসব লোকজনকে আশ্রয় দিতে আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

‘এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে আমরা দিনে একবেলা খাব এবং অপর বেলার খাবার চরম বিপদে পড়া এসব লোককে দেবো। আমরা ধনী না হলেও আমাদের হৃদয় অনেক বড় এবং আমাদের অবস্থান মানবতার পক্ষে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা দুর্ভাগা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজারে বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন এবং তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা নারী ও শিশুদের কাছ থেকে তাদের বিভিন্ন লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার বর্ণনা শোনেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জনপ্রশাসন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ এবং তাঁর দলের স্বেচ্ছাসেবকরা এসব লোকের ভোগান্তি দূর করতে কঠোর পরিশ্রম করছে। কোনো বৈদেশিক সাহায্যের অপেক্ষায় না থেকে আমরা সাধ্য অনুযায়ী তাদের থাকা, খাওয়া ও ওষুধের ব্যবস্থা করেছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের জনগণের এ ধরনের বদান্যতা দেখে বিস্মিত হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিশ্বাসঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু নির্মমভাবে নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনা বিদেশে শরণার্থী হিসেবে তাঁর নিজের জীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমি ও আমার বোন ছয় বছর ধরে এ ধরনের জীবনযাপন করায় শরণার্থী জীবনের ব্যাপারে আমরা ভালো জানি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীন সীমান্তের কাছে ভারতীয় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৭

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে চীনা সীমান্তের কাছে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সাত সদস্য নিহত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে সদস্যদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, অরুণাচল প্রদেশের চীন সীমান্ত থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ওই হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ‘এম১৭ভি৫’ নামে ওই বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি উদ্ধার করতে সেখানে গেছে একটি দল। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তদন্তকাজ শুরু হয়েছে।

ভারতের বিমানবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, নিহত সাতজনের সবাই বিমানবাহিনীর সদস্য। তবে তাঁদের নাম এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে গত মে মাসে আসাম-অরুণাচল সীমান্তে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলার সময় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুজন পাইলট নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest