নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন পূজা মন্ডপে বুধবার (১ নভেম্বর) রাত ৯টায় শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষে গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলীপ কুমার মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস,এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলী, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (বাবু সানা) ও ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সালাম, মেম্বার ও সাংবাদিক রেজাউল করিম মিঠু, মেম্বার রেজাউল করিম মঙ্গল, মেম্বার কুরবান আলী, জগদ্ধাত্রী পূজা কমিটির সদস্য কানাইলাল সাহা, সুবীর সাহা, তনুপ সাহা, বিশ্বজিৎ চৌধূরী, শংকর বৈরাগী, দেবাশীষ মল্লিক, আদিত্য প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জগদ্ধাত্রী পূজা কমিটির সদস্য প্রবীর হাজারী।

এদিকে, কলারোয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে যুব ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি পিপি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, যুবলীগ নেতা শেখ সাগরসহ জেলা, সদর, পৌর ও ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ভাষণ। এই ভাষণের মাধ্যমে সমগ্র বাঙালি জাতি অনুপ্রাণিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বতঃফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। ৩০ লক্ষ বাঙালি ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বাধীনতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালি জাতির নেতা ছিলেন না। তিনি ৭মার্চের এই ভাষণের মাধ্যমে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দুইদিনের রাজশাহী সফরের দ্বিতীয় দিনের সকালটা ছিল এমনই। বুধবার সকালে সেতুমন্ত্রী রাজশাহী সার্কিট হাউস থেকে হাঁটতে বের হন। আর হাঁটতে হাঁটতে তার চিরচেনা স্বভাবে ফিরে আসেন। মিশে যান সাধারণ মানুষের সঙ্গে। কথা বলেন সমসাময়িক রাজনীতি, অর্থনীতিসহ নানান বিষয় নিয়ে। সকাল বেলায় তাকে কাছে পেয়ে তরুণরা মোবাইল ফোনে সেলফিও তোলেন মন্ত্রীর সঙ্গে।
