সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোস্টেল পরিদর্শন করলেন রিফাত আমিন এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোস্টেল পরিদর্শন করলেন রিফাত আমিন এমপি। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় তিনি কলেজ ও হোস্টেল পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল খালেক, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শফিকুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শশী ভূষণ পাল, সহকারি অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ঘোষ, সহকারি অধ্যাপক আয়শা সিদ্দিকা, দর্শন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোঃ আজিজুর রহমান, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের ৃসহকারি অধ্যাপক মোঃ অলিউর রহমান, উচ্চতর গণিত বিভাগের প্রভাষক এম.এম কামরুজ্জামান,
ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ শাহিনুর রহমান, প্রভাষক ওলিউল্লাহ আল মামুন, প্রভাষক সোহানা রুম্মান। শেষে তিনি সরকারি মহিলা কলেজ হোস্টেল পরিদর্শন করেন। এসময় হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা তাদের তুলে ধরে বলেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ জেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অথচ এ কলেজে একটি মাত্র হোস্টেল আছে ছাত্রীদের থাকার জন্য। হোস্টেলে আসন সংখ্যা সিমিত থাকায় একসিটে দুজন করে থাকতে হয় যা অনেক কষ্টকর। এখানে আবাসন সংকট, ক্রীড়া সামগ্রী সংকট, কমন রুমের সমস্যা, ডায়েনিং রুমের সমস্যা, যেখানে রান্না হয় সেখানেও পানি পড়ে, এখানে যারা কাজ করে তারাও অত্যন্ত সীমিত বেতনে কাজ করে, এছাড়া নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। এসময় রিফাত আমিন এমপি বলেন, সমস্যা থাকবে তার মধ্যদিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি বলেন, নারীরা সকল দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আর বর্তমান সরকার নারীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এসময় তিনি হোস্টেলের ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, হোস্টেল সুপার ও ইতিহাস বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোঃ রবিউল ইসলাম, সহকারি হোস্টেল সুপার শাহিনুর রহমান, হোস্টেল মনিটর সুশীলাসহ হোস্টেলের সকল ছাত্রীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার কাছে জাদুর কাঠি আছে : খালেদা জিয়া

বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আমার মাঝেমধ্যে মনে হয়, শেখ হাসিনার কাছে জাদুর কাঠি আছে। সেই জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়ম-চাঁদাবাজিসহ সব মামলা সরকারে আসার পর উঠে গেছে অথবা খারিজ হয়ে গেছে। আমাদের কারো হাতেই তেমন কোনো জাদুর কাঠি নেই। কাজেই আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো সচল হয়েছে এবং আরো নতুন নতুন মামলা হয়েছে।’

‘অথচ দেশে কত গুরুত্বপূর্ণ মামলা বছরের পর বছর ঝুলছে। শুধু আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো রকেটের গতিতে ছুটে চলছে। যেন কেউ পেছন থেকে তাড়া করছে—শিগগির শেষ কর, একটি রায় দাও। অনেক মন্ত্রীদের বলতে শুনেছি, আমাকে দণ্ড দিয়ে কাশিমপুর কারাগারে পাঠাবে’, যোগ করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে তৃতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

দুপুরে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের বিশেষ আদালতে পৌঁছান। আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর তাঁর আইনজীবীরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। পরে এই আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। শেষে বিচারক স্থায়ী জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে মামলার আগামী শুনানির দিন ৯ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন।

আজ খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ দুটি মামলার নয়জনের পুনর্জেরা ও দুজনের জেরা-সংক্রান্ত এবং মামলাটি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে বলে আদালতকে অবহিত করেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আদালতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়। কিন্তু ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার সেই আবেদনও নামঞ্জুর করে দেন।

এরপর দুপুর ১টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। তিনি ১৫ মিনিটের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার পর মুলতবি প্রার্থনা করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় বিএনপির চেয়ারপারসন আরো বলেন, ‘আত্মপ্রচারের জন্য আমি এই বক্তব্য দিচ্ছি না। বাড়তি কোনো সুবিধা ও মার্যাদা দাবি আদায়ের কোনো অভিপ্রায়ও অমার নেই। আমি শুধু বলতে চাই, একই মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আরেকজন নেত্রী যে সুবিধা ভোগ করছেন, আমি কখনো আদালতের কাছে তেমন সুবিধা দাবি করিনি। দেশের সাধারণ সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে অধিকার পেলেই আমি খুশী।’

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দ্বিতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এর পর আদালত মামলার শুনানির জন্য আজ দিন দেন।

গত ১৯ অক্টোবর দুই মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিশেষ আদালতে প্রথম বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়া। ওই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে এক লাখ টাকার মুচলেকায় জামিন পান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। এ সময়ই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। আর ১২ অক্টোবর মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যদিও সরকার বলেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আদালতের ব্যাপার।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে জয়শ্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী জয়শ্রী চক্রবর্তীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী বখাটে শেখর মন্ডলসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার নওয়াবেঁকী-মুন্সিগঞ্জ সড়কে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়।

স্থানীয় হেঞ্চি বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বিএম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক প্রতিরাম মন্ডল, ইউপি সদস্য আব্দুর সালাম, সিবিও এ্যালায়েন্স কমিটির সভাপতি সোহেলী পারভীন ঝর্ণা, স্কুল ছাত্রী রুপা খাতুন, সুশীলন প্রতিনিধি কাজী মোহম্মাদ গিয়াস উদ্দীন, তাপস কুমার মিত্র প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বক্তারা অভিযুক্ত শেখর মন্ডলসহ সকল আসামীদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে এ সময় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এনজিও প্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর শ্যামনগরের নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে বড়কুপোট গ্রামের রঞ্জন মন্ডলের ছেলে শেখর মন্ডলসহ তার ৩/৪ জন সহযোগী স্থানীয় বাঁশের হাটের সামনে জয়শ্রী চক্রবর্তীর পথরোধ করে। এ সময় বখাটেরা জয়শ্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ও কাঁচি দিয়ে তার মাথার চুল কেটে দেয়। কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে সন্ধ্যায় সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। নিহত জয়শ্রী চক্রবর্তী (১৭) আটুলিয়া ইউনিয়নের বয়ারসিং গ্রামের মাখন চক্রবর্তীর মেয়ে ও নওয়াবেকী মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় গত ২৭ অক্টোবর জয়শ্রীর বাবা মাখন চক্রবর্তী বাদী হয়ে বখাটে শেখর মন্ডলসহ তাঁর তিন-চারজন সহযোগীর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে জেলা অফিসার্স ক্লাবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বার্ষিক আয়-ব্যয় ও বিগত দিনের কর্মপরিকল্পনা ও বর্তমান কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মো. আশরাফুজ্জামান আশু ইজ্ঞিনিয়ার কবীর উদ্দিন আহম্মেদ, মো. মুজিবুর রহমান ও জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. খালিদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘শুধু সমালোচনা করলে হবেনা, সম্মিলিতভাবে উত্তণের উপায় খুজে বের করতে হবে। ভুল-ভ্রান্তি তুলে ধরে সমাধানের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলাদলি ও রেষা রেষি থাকলে উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ হয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জয়-পরাজয় আছে। জয় পরাজয় মেনে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অচিরেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম পুণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রুপ নেবে।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান মুক্তি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৈয়েব হাসান, কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম শানু, নির্বাহী সদস্য আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল, মীর্জা মনিরুজ্জামান কাঁকন, ইকবল কবির খান বাপ্পি, মো. আব্দুল মান্নান, মো. ইদ্রিস বাবু, মো. আলতাপ হোসেন, মো. রুহুল আমিন, হাফিজুর রহমান খান চৌধুরী বিটু, সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, কবিরুজ্জামান রুবেল, জয়নুল আবেদীন জসি, স.ম সেলিম রেজা, কাজী কামরুজ্জামান ও কাজী সেতারা জামানসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও অন্তভূক্ত ক্লাব সমূহের নেতৃবৃন্দ। বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্তভূক্ত ক্লাব সমূহের নেতৃবৃন্দ। সাধারণ সভায় মোট আয় উল্লেখ করা হয়েছে ৩১ লক্ষ ৪১ হাজার ৩শ’ ২ টাকা, আগত তহবিল ৬ লক্ষ ১৮ হাজার ৯ টাকা, সর্বমোট জমা ৩৭ লক্ষ ৬০ হাজার ২শ’ ৩ টাকা, খরচ ধরা হয়েছে ২৭ লক্ষ ৩৯ হাজার ১শ’ ৩৭ টাকা এবং উদ্বৃত্ত আছে ১০ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬ টাকা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য আ.ম আক্তারুজ্জামান মুকুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহরের কাটিয়ায় ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টায় লম্পট আনারুল আটক

আসাদুজ্জামান : কদবেল খেতে দেওয়ার কথা বলে সাড়ে ছয় বছরের এক কন্যা শিশুকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল এক যুবক। পরে সে তাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে তাকে রক্ষা করে। এরপর পুলিশ এসে ধর্ষণ চেষ্টাকারী লম্পট যুবক আনারুল ইসলামকে (৩০) আটক করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে সাতক্ষীরা শহরের মধ্য কাটিয়ায়। আহত শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওসি আরো জানান, সাড়ে ছয় বছরের কন্যা শিশুটি মধ্যকাটিয়ায় তার খালা মাহফুজা বেগমের বাসায় থাকে। প্রতিবেশি আনারুল ইসলাম তাকে কদবেল খেতে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। মেয়েটি সরল বিশ্বাসে তার কাছে গেলে সে তাকে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানেই সে তাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে মেয়েটি শারীরিকভাবে আহত হয়। তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এলে আনারুল তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে বলে জানান ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী হয়েও ৮০০ টাকার বেতনে চাকরি!

ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির স্ত্রী তিনি। তবে স্বামীর পরিচয়ের বাইরে গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পা রেখে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে ফেলেছেন নীতা আম্বানি।
শুধু তাই নয়, ভারতের প্রথম নারী হয়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির সদস্য হয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার ছিল নীতা আম্বানির জন্মদিন। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতের একটি হিন্দি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। সেখানে এমন কিছু তথ্য জানিয়েছেন যা শুনলে চোখ কপালে উঠার কথা সকলেরই।

ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শিশুদের পড়াতে ভালবাসতেন নীতা। একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াতেনও তিনি। স্কুলে শিক্ষকতার কাজ যে তিনি চালিয়ে যেতে চান, বিয়ের পরে সেকথা মুকেশকে জানান নীতা। আপত্তি করেননি মুকেশও। তবে ৮০০ টাকা মাসিক বেতনে চাকরি করাটাই অবাক করছে সকলকেই।
আসলে শিক্ষকতা তিনি ভালোবাসতেন, তাই পেশা ছাড়তে চাননি।

সাক্ষাৎকারে নীতা আম্বানিআরও জানান, স্কুলে পড়ানোর সময়ই নীতার এক ছাত্রের অভিভাবক ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপের দু’টি টিকিট তাঁকে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নীতা তা ফিরিয়ে দেন। সেই বিশ্বকাপের স্পনসর ছিল রিলায়েন্স গ্রুপ (প্রতিষ্ঠাতা নীতার স্বামী মুকেশ আম্বানি)। কিন্তু খেলার দিন ভিআইপি বক্সে নীতাকে দেখে অবাকই হয়ে যান সেই অভিভাবকরা। পরে তাঁরা নীতাকে প্রশ্ন করে জানতে পারেন নীতা মুকেশ আম্বানির স্ত্রী। যেটা শুনে তারা আবারও অবাক হয়ে যান।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন নাকচ, শুনানি ৯ নভেম্বর

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে তৃতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের বিশেষ আদালতে পৌঁছান। আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর তাঁর আইনজীবীরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। পরে এই আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। শেষে বিচারক স্থায়ী জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে মামলার আগামী শুনানির দিন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন।

আজ খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ দুটি মামলার নয়জনের পুনর্জেরা ও দুজনের জেরা-সংক্রান্ত এবং মামলাটি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে বলে আদালতকে অবহিত করেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আদালতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়। কিন্তু ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার সেই আবেদনও নামঞ্জুর করে দেন।

এরপর দুপুর ১টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। তিনি ১৫ মিনিটের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার পর মুলতবি প্রার্থনা করেন।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দ্বিতীয় দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এর পর আদালত মামলার শুনানির জন্য আজ দিন দেন।

গত ১৯ অক্টোবর দুই মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিশেষ আদালতে প্রথম বক্তব্য উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়া। ওই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে এক লাখ টাকার মুচলেকায় জামিন পান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। এ সময়ই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। আর ১২ অক্টোবর মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যদিও সরকার বলেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আদালতের ব্যাপার।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতেই হবে- ডা. রুহুল হক এমপি

তোষিকে কাইফু: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় সীমানা পূর্ণনির্ধারণে যে আইনের খসড়া তৈরি করে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন পরবর্তী নির্বাচনের উপর যে রূপরেখার কথা জানিয়েছেন সেটার উপর ভিত্তি করে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভিতে গত ১ নভেম্বর বুধবার রাত ৮ টায় এক টকশোতে সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সংসদীয় সীমানা পূর্ননির্ধারণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন- নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন তথ্য নিয়ে এই সীমানা নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং আমাদের দলের যে নিয়ম-নীতি সেটা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছি যে সীমানা পূর্ণনিধারণের কোন প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করিনা। আমরা মনে করি সেটাই সঠিক যেটা আগে কার হয়েছিল। নিতান্তই যদি সীমানা পূর্ণনিধারণের কোন প্রয়োজন থাকে তাহলে অবশ্যই উভয় দলের ভিতরে আলাপ-আলোচনা করেই তারপর পরিবর্তন করা দরকার। যদি নির্বাচন কমিশন একাই এটা করতে চাই তাহলে আমার মনে হয় এটা ঠিক হবে না। যদি নির্বাচন কমিশন এই উদ্দোগ নেন তাহলে বিচার-বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সে কারণে নির্বাচন কমিশনকে অনেক সময় নষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। বরং সেদিকে না গিয়ে নির্বাচনকে কিভাবে সুষ্ঠ কার যায় আমরা সবাই মিলে সুন্দর পরিবেশে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে পারি সেদিকেই আমাদের লক্ষ্য করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। এই অযথা সময় নষ্ট করার কোন প্রয়োজন আমি মনে করিনা।
এসময় উক্ত টকশোতে অংশগ্রহণকারী বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান নিতাই চন্দ্র রায়ের একটি জবাবে তিনি বলেন- জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতেই হবে। পুরাতন সরকার বা পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুনভাবে নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশনের এই বিষয়ে আওয়ামীলীগ দ্বি-মত আছে। আমি মনে করি এই সরকারের অধিনে এই নির্বাচন হতে পারে। পৃথিবীর যে দেশেই নির্বাচন হোক না কেন সেখানে এভাবে নির্বাচন হয়। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বা নির্বাচন কমিশন সেখানে যখন যে সরকার থাকবে তখন তারা নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করছে কি না সেটাই হচ্ছে সব চেয়ে বড় বিষয়।
নির্বাচন কমিশন যাকেই বসান না কেন তিনি নিরপক্ষভাবে যদি নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা না করেন তাহলে তাকে বসানো ঠিক হবেনা বলে আমি মনে করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি মধ্যবর্তী নির্বাচন করার জন্য আমরা যে সরকার বসিয়েছি তার অভিজ্ঞতা আছে সেখানে বসার। সুতারং আমরা মনে করি এই সরকারের অধীনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রেখেই আমরা নির্বাচন করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest