সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে

বিষপানে বাবা-মা ও মেয়ের আত্মহত্যা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে স্বামী-স্ত্রী-সন্তানসহ একই পরিবারের ৩ জন বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে।

শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম আলমগীর হোসেন জানান, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ইলিয়াস মেম্বার জানান, ওই গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোঃ মমিন (৫০) তার স্ত্রী লুবনা বেগম (৪৪) ও শিশু কন্যা সানজিদা (৯) একই সাথে বিষপান করে। বিষের তীব্রতায় প্রথমে সানজিদা মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। পরে মমিন ও সর্বশেষ তার স্ত্রী লুবনা মারা যায়।

প্রতিবেশীরা জানায়, তাদেরকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তারা মারা যায়। তাদের আরেক মেয়ে স্বর্না বিষ না খাওয়ার কারণে বেঁচে যায়।

স্বর্ণা ও সানজিদা স্থানীয় শ্রীধরপুর মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী। কি কারণে তারা বিষপানে আত্মহত্যা করেছে তার সঠিক কারন কেউ বলতে পারছেনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুঃস্থ নারীদের লক্ষ টাকা বদহজম হলো দেবহাটার ভাইস চেয়ারম্যান খোকনের!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেবহাটায় এডিপি প্রকল্পের আওতায় ৩০ জন দুঃস্থ অসহায় মহিলার কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার পর নানামূখী চাপে সেই টাকা ফেরত দিতে হয়েছে দেবহাটা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন। টাকা ফেরত দেওয়ার শোক সহ্য করতে না পেরে তিনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন ও তার সহচর মুন্না দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারকে লাঞ্চিত করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসের স্টাফরা এগিয়ে আসলে ভাইস চেয়ারম্যান খোকন গালিগালাজ করতে করতে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিস থেকে বেরিয়ে যান।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, ‘এডিপি প্রকল্পের আওতায় ৩০ জন দুঃস্থ, অসহায় মহিলার কর্মসংস্থান সৃষ্টি তথা জীবনমান ও ভাগ্য উন্নয়নে সাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াসে ২০১৬ অর্থবছরে সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। কিন্তু ওই প্রকল্পের সরকারী বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ টাকা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন উত্তোলন করেন এবং পরবর্তীতে সেই টাকা অসহায় মহিলাদের না দিয়ে তিনি হজম করে ফেলেন। বিষয়টি আমি অন্তত ১০ বার উপজেলা স্বমন্বয় কমিটির সাধারণ সভা ও স্টান্ডিং কমিটির সভায় উপস্থাপন করেছি। ওই ১ লক্ষ টাকা ফেরত চাওয়া হলে ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন আত্মসাতকৃত অর্থ ফেরত না দিয়ে সুদীর্ঘ তালবাহানা শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও তার সহচর আমার অফিসে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন এবং জোর করে তালিকা করানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে আমার অফিসের স্টাফরা এগিয়ে এসে মারমূখী হলে তিনি ও তার সহচরেরা আমাকে গালিগালাজ করতে করতে চলে যান।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল গনি বলেন, এডিপি প্রকল্পের ১ লক্ষ টাকা তিনি মহিলাদের না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। তাকে বার বার টাকা ঢেরৎ দেওয়ার কথা বলা হলেও তিনি এ ব্যাপারে কোন কর্ণপাত করেননি। তাই বাধ্য হয়ে আমি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাকে বরাদ্দকৃত টি এ ডি এর ৮৮ হাজার টাকা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীনের কু-পরামর্শে ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসে যেয়ে গালিগালাজ করেন।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যা মাহবুব আলম খোকন অভিযোগের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, প্রকল্প ও টাকা নিয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুরে জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন পূজা মন্ডপে বুধবার (১ নভেম্বর) রাত ৯টায় শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষে গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলীপ কুমার মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস,এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলী, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (বাবু সানা) ও ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সালাম, মেম্বার ও সাংবাদিক রেজাউল করিম মিঠু, মেম্বার রেজাউল করিম মঙ্গল, মেম্বার কুরবান আলী, জগদ্ধাত্রী পূজা কমিটির সদস্য কানাইলাল সাহা, সুবীর সাহা, তনুপ সাহা, বিশ্বজিৎ চৌধূরী, শংকর বৈরাগী, দেবাশীষ মল্লিক, আদিত্য প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জগদ্ধাত্রী পূজা কমিটির সদস্য প্রবীর হাজারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শুরুতেই শেষ‘ কলারোয়ায় যুব দিবসের র‌্যালি!

কলারোয়া ডেস্ক : ‘শুরু না হতেই শেষ’ হলো কলারোয়ায় যুব দিবসের র‌্যালি। ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে ওই ঘটনায়।
র‌্যালিতে বেশিসংখ্যক লোক না যাওয়ায় ক্ষোভে বহিঃপ্রকাশ ঘটে র‌্যালি বানচাল হলো পথিমধ্যেই। কলারোয়ায় জাতীয় যুব দিবসের র‌্যালিতে এমনই ঘটনা পরিলক্ষিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার আলোচনা অনুষ্ঠানের পূর্বে র‌্যালি বের হয় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে। প্রায় ১’শ গজ অদূরে শহিদ মিনার মোড় আসতে না আসতেই র‌্যালির সম্মুখভাগে কিছু সংখ্যক নেতৃবৃন্দ ছাড়া পিছনে ফাঁকা হয়ে যায়। এসময় র‌্যালি দাড়িয়ে যায়। সামনে থেকে উচ্চস্বরে যুব উন্নয়ন অফিসারকে বলা হয় যে, মাইকে বলতে লোক আসার জন্য। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় সেখানেই র‌্যালি শেষ করে ফিরে যায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে -এমনই চিত্র ফুটে ওঠায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। আলোচনা সভায় কয়েক জনের বক্তব্যেও এমন ক্ষোভ ও তিরষ্কারের সুর চলে আসে।
যুব দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত কয়েকজন এমনই চিত্র তুলে ধরেন সংবাদ মাধ্যমের কাছে। ছবি, ভিডিও ফুটেজ ও ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষণ করে ক্ষোভের চিত্র ও র‌্যালি ‘শুরু না হতেই শেষ’ করার প্রামাণ্যচিত্র তুলে ধরেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তারা জানান- জাতীয় যুব দিবস ২০১৭ দেশব্যাপী পালিত হলো ০১ নভেম্বর। কিন্তু কলারোয়া উপজেলায় জাতীয় যুব দিবস হলো লজ্জাষ্করভাবে। ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় আবেদন করা কলারোয়া উপজেলার ২২০০ যুবক-যুবতী যথারীতি উপজেলা অডিটোরিয়ামের সামনে উপস্থিত ছিল। মাইকিং করা হচ্ছে বারংবার র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করার জন্য। কিন্তু সাড়া না পেয়ে ৩০/৪০ জনকে সাথে নিয়ে শুরু হলো র‌্যালি। প্রায় ১০০ গজ যেতে না যেতেই দেখা গেল র‌্যালিটির সামনের কিছু সংখ্যক ব্যাতীত পিছনে জনশুন্য হয়ে গেছে। রাগে এবং ক্ষোভে শহিদ মিনার সংলগ্ন রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে যায় কর্মকর্তারা। আবারও মাইকে আহবান করা হচ্ছে র‌্যালিতে যোগদান করার জন্য। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বারংবার ডাকা সত্বেও কেউ সাড়া না দেয়ায় র‌্যালি অসমাপ্ত রেখে সেখান থেকেই ঘুরে উপজেলা চত্বরে ফিরে আসে।
এ ঘটনার পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার একপর্যায়ে কয়েকজন বক্তাও উপস্থিত যুবক-যুবতীদের প্রতি ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন র‌্যালিতে অংশগ্রহণ না করার জন্য।

এদিকে, কলারোয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে যুব ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন।
‘যুবদের জাগরণ, বাংলাদেশের উন্নয়ন’ -স্লোগানে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, কলারোয়া প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক এমএ কালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি সহকারী অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোসলেম আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ মাসুদ রানা, নির্বাহী সদস্য আব্দুর রহমান, সাংবাদিক রুহুল আমীন, শরিফুল ইসলাম, রাজিবুল ইসলামসহ ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আবেদনে উত্তীর্ণরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব উন্নয়ন অফিসার সঞ্জিব কুমার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ঐতিহাসিক দলিল ঘোষিত হওয়ায় সাতক্ষীরায় আনন্দ মিছিল

এম বেলাল হোসাইন/ মো. বশির আহমেদ : ইউনেস্কো ঘোষিত “ঐতিহাসিক ৭ই এর মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ঐতিহাসিক দলিল ঘোষিত হওয়ায়” সাতক্ষীরায় আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সমাবেশ শেষে জেলা যুবলীগের আয়োজনে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পার্কে এসেই শেষ হয়।

জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি পিপি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, যুবলীগ নেতা শেখ সাগরসহ জেলা, সদর, পৌর ও ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ভাষণ। এই ভাষণের মাধ্যমে সমগ্র বাঙালি জাতি অনুপ্রাণিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বতঃফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। ৩০ লক্ষ বাঙালি ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বাধীনতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালি জাতির নেতা ছিলেন না। তিনি ৭মার্চের এই ভাষণের মাধ্যমে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনের রাস উৎসব বৃহস্পতিবার শুরু

সুন্দরবনের আলোরকোলে দেড়শ বছরের পুরানো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৩ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে। প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোলে এই রাস উৎসব হয়ে আসছে।
বসছে মেলা। দিনেদিনে এই উৎসব হয়ে উঠেছে একটি সার্বজনীন। আগামী শনিবার ভোরে বঙ্গোপসারে দিনের প্রথম জোয়ারের পূর্ণ স্নানের মধ্যদিয়ে এই উৎসব শেষ হবে। রাস উৎসবকে ঘিরে সুন্দরবন বিভাগসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা কঠোর সতর্কতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা রাস উৎসবের উদ্বোধন করবেন বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছে। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং দুবলারচর রাস উৎসব জাতীয় কমিটির আহবায়ক নারায়ণ চন্দ্র চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাগেরহাট -৪ আসনের এমপি ডা. মোজাম্মেল হোসেন, বাগেরহাট -৩ আসনের এমপি তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট- ২ আসনের এমপি মীর শওকাত আলী বাদশা এবং খুলনা -২ আসনের এমপি মিজানুর রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সুন্দরবনের রাস উৎসবে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী, পুরুষ ও দর্শনার্থীসহ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার লোকের সমাগম ঘটে। উৎসব দেখতে আসেন অসংখ্য পর্যটকরাও। পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।
এদিকে এ উৎসবে অংশ নিতে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের জন্য সুন্দরবন বিভাগ আটটি পথ নির্ধারণ করেছে। প্রবেশ দ্বারগুলো হচ্ছে, ঢাংমারী, বগী, কচিখালী, শরণখোলা স্টেশন, বুড়িগোয়ালিনি, কৈখালী, কয়রা কাশিয়াবাদ এবং নলিয়ান। এসব পথে বন বিভাগ, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর টহল দল তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এদিকে রাস মেলায় হরিণসহ অন্য বন্যপ্রাণী নিধন প্রতিরোধে আশংকায় সুন্দরবন বিভাগসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সুন্দরবন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে রাস মেলায় আগতদের দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যারা রাস পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে পূজা অর্চনা করবেন তাদেরকে পুণ্যার্থী ধরা হয়েছে। পুণ্যার্থীদের ৩ দিনের জন্য জনপ্রতি অনুমতি ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে মেলা উপভোগ করার জন্য আগতদের দর্শনার্থী ধরা হয়েছে। দর্শনার্থীদের ৩ দিনের জন্য জনপ্রতি অনুমতি ফি ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে আকার ভেদে বিভিন্ন নৌযানের জন্য আলাদা আলাদা ফি।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, এবার রাস উৎসবে যেতে ৮টি নিরাপদ রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। দর্শনার্থী ও তীর্থযাত্রীদের ২ থেকে ৪ নভেম্বর এই তিন দিনের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে এবং প্রবেশের সময় সুন্দরবন বিভাগকে নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। যাত্রীরা নির্ধারিত রুটে পছন্দ মতো একটি মাত্র পথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবেন। সুন্দরবন বিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলার থামানো যাবে না। প্রতিটি ট্রলারের গায়ে রং দিয়ে বিএলসি/সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রাপ্ত সনদপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। পরিবেশ দূষণ করে এমন বস্তু, মাইক বাজানো, পটকা ও বাজি ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশীয় যেকোনও অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র বহন থেকে যাত্রীদের বিরত থাকতে হবে।
খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক (সিএফ) আমির হোসাইন চৌধূরী জানান, রাস উৎসবকে ঘিরে হরিণসহ বিভিন্ন বণ্যপ্রাণী চোরা শিকারীদের অপতৎপরতার ও সম্ভাব্য নাশকতা সৃষ্টির আশংকা মাথায় রেখে এবার বন বিভাগসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি আরো জানান, রাস উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবা-মার কাছ থেকে পালিয়ে ফ্রান্সগামী বিমানে ৭ বছরের শিশু!

টিকিট, পাসপোর্ট কিছুই নেই। অথচ সুজারল্যান্ডের জেনেভা বিমান বন্দরে বাবা-মার কাছ থেকে পালিয়ে ফ্রান্সগামী বিমানে উঠে পড়ল ৭ বছরের এক মেয়ে ।
নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চেকিং সবই টপকে গেছে সে। আর এ ঘটনায় রীতিমতো অবাক কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, গেল রবিবার জেনেভার সেন্ট্রাল রেলস্টেশন থেকে আচমকাই বাবা-মার কাছ থেকে পালিয়ে যায় মেয়েটি। ওই স্টেশন থেকে একটা স্টেশন পরেই বিমানবন্দর। বাবা-মা সুইস পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ভিডিও থেকে তার পুরো গতিবিধি জানতে পেরেছে। বিমানবন্দরের মুখপাত্র বার্ট্রান্ড স্টেমপফ্লি এ কথা জানিয়েছে।

প্রথমে নিরাপত্তা গেট পেরিয়ে যায় সে। এক নজরে তাকে কোনও এক যাত্রীর সন্তান বলেই মনে হচ্ছিল।
এরপর বাইরে আসার দরজা দিয়ে বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। ছোটখাটো চেহারার মেয়েটি নজরেই পড়েনি নিরাপত্তারক্ষীদের। এরপর বিমানের এক কর্মীকে অনুসরণ করে বিমানের দিকে এগোয় মেয়েটি। পরে পিছু ফিরে দাঁড়ায়। এরপর যাত্রীদের ভিড়ের মধ্যে মিশে যায় সে। এমন ভাব করে যেন সে তার বাবা-মাকে খুঁজছে।

দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় বিমানে উঠে পড়ে মেয়েটি। সেই সময় এক আধিকারিক তাঁকে লক্ষ্য করেন এবং পুলিশের হাতে তুলে দেন। কোন বিমান পরিবহণ সংস্থার বিমানে মেয়েটি উঠে পড়েছিল, তা জানাননি স্টেমপফ্লি। তবে জানা গেছে, বিমানটির গন্তব্য ছিল ফ্রান্স।

স্টেমপফ্লি জানিয়েছেন, এমন ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে চা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম কঠোর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা-কলারোয়ার বর্তমান ও সাবেক সাংসদ ব্যর্থ -দাবি আ ’লীগ নেতা নুরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি দশম সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা ১ আসনে জয় লাভ করলেও ১৪ দলীয় জোট প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ জনগণের আশা আকাক্সক্ষা পূরণ করতে পারেন নি। একই সময়কালে এখানকার যথাযথ উন্নয়ন তো হয়নি উপরন্তু নানামুখী দুর্নীতি হয়েছেÑ এমনটা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করলেন তালা উপজেলা আ ’লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম। তার দাবি এই আসনে ইতিপূর্বে মহাজোটের সাংসদ ইঞ্জি. মুজিবুর রহমানও ব্যর্থ ছিলেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন ২০০৮ এর নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থী হিসাবে সাতক্ষীরা-১ (তালা কলারোয়া) আসনে তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তিনি যোগাযোগ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানও হন। তা সত্ত্বেও তিনি জনগণের আকাংক্সক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন শেখ নুরুল ইসলাম।
বুধবার সাতক্ষীরায় এক অনির্ধারিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক কালের চিত্র সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আবু আহমেদ, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক শাকিলা ইসলাম জুঁই, খলিসখালি ইউপি চেয়ারম্যান ও বিটিভির সাতক্ষীররা প্রতিনিধি মোজাফফর রহমান ছাড়াও অনেক সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী উপিস্থিত ছিলেন।
শেখ নুরুল ইসলাম বলেন ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তার গ্রাম পুটিয়াখালিতে অবস্থান নেওয়া বিপুল সংখ্যক ভারতগামী হিন্দু উদ্বাস্তুকে পাক হানাদারবাহিনী লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। গ্রামবাসী অজ্ঞাত পরিচয় এমন ৭৯ জনের মরদেহ মাটিচাপা ও কপোতক্ষ নদীর পানিতে ভাসিয়ে দেন। একই দিনে ভারতগামী উদ্বাস্তুদের সহায়তা দেওয়ার কারণে পাকহানাদাররা তার বাবা শেখ আবদুর রহমান ও বড় ভাই শেখ জালালউদ্দিনকে বাড়ি থেকে ধরে এনে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করেছিল। তিনি নিজেকে সেই শহিদ পরিবারের গর্বিত সন্তান দাবি করে শেখ নুরুল ইসলাম আরও বলেন ১৯৯২ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বঙ্গবন্ধুকন্য শেখ হাসিনা শহিদদের জন্য তালার পারকুমিরায় একটি স্মৃতিফলক স্থাপন করেন। কিন্তু আজ অবধি তা স্মৃতিসৌধে উন্নীত হয়নি বলে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন এই ব্যর্থতা ২০০৮ এর মহাজোট সাংসদ, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান ১৪ দলীয় জোট সাংসদের।
শেখ নুরুল ইসলাম আরও বলেন ২০১৪ এর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। এমনকি তার অনুকূলে নৌকা প্রতীকও বরাদ্দ হয়েছিল। তিনি বলেন পরে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালা-কলারোয়ার এই আসনটিতে পরিবর্তিত মনোনয়ন দেওয়া হয় ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের সমুদয় ভোট নিয়ে জয়লাভ করলেও আজ অবধি নিজদলের উল্লেখযোগ্য ভোট ব্যাংক তৈরি করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন ১৪ দলীয় এই প্রার্থীর কারণে দলগতভাবে আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবারও এই আসনে ১৪ দলীয় জোট প্রার্থী অথবা মহাজোটগতভাবে জাতীয়পার্টির প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হলে আওয়ামী লীগ যেমন তা মেনে নিতে পারবে না, তেমনি তার বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারেন দলীয় নেতাকর্মীরা। বর্তমান সাংসদের আমলে সাতক্ষীরার তালা কলারোয়া আসনের মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে। ১৪ দলীয় জোট প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলে নিজ দলের গুটিকয়েক লোক নিয়ে কাজ করে আসছেন বলে তার দাবি।
তিনি বলেন এই সময়ে টিআর, কাবিখা, কপোতাক্ষ খনন, স্কুল কলেজে নিয়োগ, সোলার প্যানেল প্রকল্পসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।
শেখ নুরুল ইসলাম বলেন, আমি এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। মনোনয়ন পেলে আমি জনগণের পূর্ণ সমর্থন লাভ করবো। এ জন্য সংবাদকর্মীদের সহায়তা প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest