অনেকেরই রক্তসল্পতা বা আয়রনের অভাবে ভোগার সমস্যা খুব বেশি দেখা যায়। শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে যেমন আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, তেমনই এমন খাবারও রাখতে হবে যা শরীরে আয়রন শোষণে সাহায্য করে। আবার বাদ দিতে হবে সেই সব খাবার যা আয়রন শোষণে বাধা দেয়।
জেনে নিন কী খাবেনঃ
* ভিটামিন এঃ গাজর, বেল পেপারে থাকে বিটা ক্যারোটিন পিগমেন্ট। এই পিগমেন্ট শরীরে ভিটামি এ-তে পরিণত হয়। ভিটামিন এ আয়রন শোষণে সাহায্য করে। এই সব সব্জি যত বেশি পারবেন খান।
* লাল মাংসঃ আয়নের সবচেয়ে উত্কৃষ্ট উত্স লিন রেড মিট। চর্বি ছাড়া লাল মাংস ডায়েটে রাখলে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পারবেন।
* মাছঃ লাল মাংসের মতোই উত্কৃষ্ট হেমে আয়রনের উত্স চিকেন ও মাছ। আবার লাল মাংস যেমন বেশি খেতে বারণ করেন চিকিত্সকরা, চিকেন, মাছ পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া যায়।
* সবুজ শাক-সবজিঃ প্রাণীজ প্রোটিন যেমন আয়রনের উত্স, উদ্দিজ্জ প্রোটিন নন-হেমে আয়রনের উত্স। তাই মাছ, মাংসের পাশাপাশি সবুজ শাক-সবজিও রাখতে হবে ডায়েটে।
* ড্রাই ফ্রুটঃ কিসমিস ও অ্যাপ্রিকটের মতো ড্রাই ফ্রুটে আয়রন থাকে। ব্রেকফাস্টে অবশ্যই রাখুন এই সব ড্রাই ফ্রুট।
* ভিটামিন সিঃ লেবু, স্ট্রবেরি, মেলন জাতীয় ফলে ভিটামিন সি থাকে। এই সব ফল ডায়েটে রাখুন। ভিটামিন সি শরীরে আয়রন শোষণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
* ফ্যাটিক অ্যাসিডঃ গোটা দানা শস্য, বাদাম, সয় প্রোটিনে থাকা ফ্যাটিক অ্যাসিড আয়রন শোষণে বাধা দেয়। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেলেও অনেক সময় এই খাবারগুলো শরীরে আয়রনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলে এগুলো খাওয়া কমিয়ে দিন।

অপরদিকে, কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল চত্বরে আয়োজিত সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান সম মোরশেদ আলী, আ.লীগ নেতা প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্রোলাল গাইন, অধ্যাপক এমএ কালাম, পৌর আ.লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদা, আ.লীগ নেতা মসিয়ার রহমান, যুবনেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, শ্রমিকলীগ সভাপতি মুঞ্জুরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, পৌর কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, সৈনিকলীগ নেতা রুবেল মল্লিকসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীরা।
