ভারতের উত্তরপ্রদেশে একটি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন ২০ জন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০০ জন।
আজ বুধবার বিকেল রাজ্যের রায়বেরিলি জেলার উনচাহারে ন্যাশানাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
এনটিপিসির পক্ষ জানানো হয়েছে, ৫০০ মেগাওয়াটের ওই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পরই উদ্ধারকাজে নেমে পড়েছে পুলিশ ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা আনন্দ কুমার জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরই দ্রুত উদ্ধারকাজ চলছে।
রায়বেরিলির পুলিশ সুপার শিবহরি মিনা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার কথা জানার পরই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃতদের পরিবারপিছু দুই লাখ রুপি করে সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার রুপি এবং সামান্য আহতদের ২৫ হাজার রুপি সাহায্য দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তিনদিনের সফরে বর্তমানে মরিশাসে রয়েছেন। সেখান থেকে বিস্ফোরণের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গেই এই সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আহতদের চিকিৎসায় যাতে কোনো ত্রুটি না হয় তার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে বয়লারটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেটি প্রায় ৩০ বছরের পুরোনো ছিল।

এদিকে, কলারোয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে যুব ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি পিপি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, যুবলীগ নেতা শেখ সাগরসহ জেলা, সদর, পৌর ও ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ভাষণ। এই ভাষণের মাধ্যমে সমগ্র বাঙালি জাতি অনুপ্রাণিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বতঃফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। ৩০ লক্ষ বাঙালি ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বাধীনতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালি জাতির নেতা ছিলেন না। তিনি ৭মার্চের এই ভাষণের মাধ্যমে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।
