সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প দেখতে যাবেন

সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হত্যা-ধর্ষণের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি সরজমিনে দেখার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী সপ্তাহে কক্সবাজার যাবেন।

সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রটি আরো জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন। সেখানেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। প্রতিদিন নতুন করে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে ভিড় করছে রোহিঙ্গা সদস্যরা। গত সাত সপ্তাহে এ নিয়ে এক মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি’ উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ।
সোমবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। সভা শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে।

যুক্তরাজ্য থেকে ফেরার পর এই প্রথম শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন খালেদা জিয়া। তিন মাসেরও বেশি সময় পর গত ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন বিএনপির প্রধান।
স্থায়ী কমিটির এক সদস্যের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ এসব নিয়ে আলোচনা হবে। সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনগুলোর কৌশল ও দলের কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও তিনি জানান।

সর্বশেষ গত ১৩ জুলাই স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও ফিফার বর্ষসেরা রোনালদো

এক বছরের মধ্যে একই পুরস্কার দুইবার জিতলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো! সত্যি তাই। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হাতে তোলা রিয়াল মাদ্রিদ তারকা আট মাসের ব্যবধানে আবারও জিতলেন পুরস্কারটি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়ে আরেকবার পেছনে ফেললেন লিওনেল মেসিকে।

লন্ডন প্যালাডিয়ামের জমকালো অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণার আগেই অবশ্য একরকম নিশ্চিত হয়েছিল পুরস্কারটি জিততে যাচ্ছেন রোনালদো। কেন? রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা জেতায় প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি থেকে যে এগিয়ে ছিলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। সাবেক ফুটবলারদের বিচারেও ফেভারিট ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রোনালদোর হাতেই এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার উঠল বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফিটি।

২০১৬ সালে ব্যালন ডি’অর ও ফিফা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা চালু করে নতুন ‍ পুরস্কার- ‘দ্য বেস্ট’। প্রথমবারই পুরস্কারটি জিতে নেন রোনালদো। পুরস্কারটির দ্বিতীয় সংস্করণেও জয়ের হাসি থাকলো রোনালদোর ঠোঁটে। মেসিকে হারিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের পথে আরেক ধাপ ফেললেন ফিফার পুরস্কারটি জিতে।

ফিফা বর্ষসেরার আগের সংস্করণ ও ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে মিলে ফুটবলের সর্ব্বোচ্চ সংস্থাটির দেওয়া পুরস্কার ধরলে এ নিয়ে পঞ্চমবার রোনালদো জিতলেন খ্যাতিটি। মেসিও সবমিলিয়ে ফিফার দেওয়া পুরস্কারটি জিতেছেন পাঁচবার। তার মানে ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কারে আর্জেন্টাইন তারকাকে ধরে ফেললেন রোনালদো।

এককভাবে যখন ‘ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়’ নামে পুরস্কারটি ছিল, তখন ২০০৮ সালে প্রথমবার জিতেছিলেন রোনালদো। এরপর ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে মিলে ফিফার দেওয়ার পুরস্কারটি তিনি জেতেন ২০১৩ ও ২০১৪ সালে। আর নতুনভাবে ‘দ্য বেস্ট’ নামে পুরস্কার চালু করার পর টানা দুইবার শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসলেন রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার।

১৯৯১ সাল থেকে ফিফা চালু করে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটি। প্রথমবার জিতেছিলেন জার্মানির লোথার ম্যাথাউস। পুরস্কারটির আগের সংস্করণে সবচেয়ে বেশিবার জিতেছেন জিনেদিন জিদান ও ব্রাজিলিয়ান রোনালদো। সাবেক দুই রিয়াল কিংবদন্তিই বর্ষসেরা হয়েছেন তিনবার করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় বিষ পানে বালিকা বধুর আত্মহত্যা

তালা ব্যুরো : সাতক্ষীরা জেলার তালা থানার অন্তর্গত ডুমরিয়া গ্রামে নানার বাড়িতে থাকা অবস্থায় সুরাইয়া আক্তার সোনামনি(১৫)নামে এক শিশুবধু বিষ পান করে আত্মহত্যা করে। সে এবার ডুমরিয়া মধ্যমিক বিদ্যলয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থী। ২২শে অক্টোবর রবিবার রাত ৯ টায় বিষ পান করলে তার স্বজনরা তাৎক্ষণিকভাবে তালা উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ১১টার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। সুরাইয়া আক্তার তালা থানার নলতা গ্রামের মৃত শেখ নজরুল ইসলামের মেয়ে। আত্মহত্যা কারির স্বামী খুলনার দাকোপ থানার নলিয়ান গ্রামের সাহবুদ্দিন সানার ছেলে শামীম সানা বাবু।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অল্প বয়সে বাল্য বিবাহের শিকার হওয়ায় এবং স্বামীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারার কারনে প্রায় উভয়ের মাঝে ঝগড়া হতো এবং ২২শে অক্টোবর এই পারিবারিক কলহের জের ধওে সে আত্মহত্যা করে। খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম লিয়াকত হোসেন বলেন ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক মেয়েটির স্বভাব চরিত্র অত্যান্ত ভালো ছিলো।
বল্যবিবাহের কারণে যাতে আর কোন সুরাইয়াকে অসমায়ে চলে যেতে না হয় সে দিকে সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ ঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রজব আলী এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের বাবুরাবাদ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রজব আলী হাওলাদারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় গার্ড অফ অনার শেষে নিজ বাসভবনের সামনে দাফন করা হয়। কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কার জায়াদুল হকের নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা গার্ড অফ অনার প্রদান করেন। উক্ত গার্ড অফ অনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূর আহমদ মাসুম,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কাশেম আলী সরদার প্রমূখ। মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রজব আলী হাওলাদার ভারতের বিহার চাকুলিয়া হইতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ০৯ নং সেক্টরে ক্যাপ্টেন শাহাজান মাস্টারের নেতৃত্বে দেবহাটা টাউন-শ্রীপুর, ভাতশালা, শাখরা-কোমরপুর, কুলিয়া-ব্যাংদাহ সহ বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ করেন। তিনি নিয়মিত ভাতাভোগি মুক্তিযোদ্ধা। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রজব আলী হাওলাদার গেজেট নং -১৮৭৯(সাতক্ষীরা জেলা) সনদ পত্র নং -১৮৩৬৬৫ । তিনি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা জেলার সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ২২ অক্টোবর সকাল ১০ টায় ইন্তেকাল করেন। মূত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি স্ত্রী,৫ছেলে,৪ মেয়েসহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখে গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে জঙ্গি আস্তানা থেকে বাড়ির মালিক আটক: বিস্ফোরক উদ্ধার

যশোর সদরের পাগলাদহে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে মালিককে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় বাড়িটি থেকে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে সোমবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওই বাড়ি ঘিরে রাখা হয়। এ সময় মোজ্জাফফর নামে এক জঙ্গিকে আটক করা হয়।

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তথ্য পেয়ে সোমবার সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার পাগলাদহ গ্রামের ওই আধাপাকা বাড়ি তারা ঘিরে ফেলেন। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেনেডের ৩০টি খোল, ৫০টি সুইচ, পিস্তলের দুটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, বোমা বানানোর জেল ও ১০ লিটার রাসায়নিক, আধাকেজি পেরেকে, চারটি ছুরিসহ বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান। একই সাথে আটক করা হয় ওই বাড়ির মালিক মোজাফফর হোসেনকে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (গোপনীয় শাখা) মুনিরুজ্জামান আটকের ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ৪০ বছর বয়সী মোজাফফর যশোরের এমএম কলেজের ছাত্রাবাস মসজিদের ইমাম এবং একজন হোমিও চিকিৎসক।

পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান আরও বলেন, ঢাকা থেকে আসা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যদের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যরা ওই বাড়ি ঘিরে রেখেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হোলসিম সিমেন্টের সেমিনার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড এর টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় চায়না বাংলা শপিং কমপ্লেক্স এর হল রুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা রিজিয়ন এর টেকনিক্যাল সার্ভিস মুশফিক আলমের সঞ্চালনায় কোম্পানির সামগ্রিক বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব টেকনিক্যাল সার্ভিস মিসেস ফাহিমা শাহাদাৎ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আর এসএম হাসনাত নূর চৌধুরী, এএসএম খান জাফর আলতাফ, টিএসএম সাইমন বাশার, ফেমাস ইন্টারন্যাশনাল হোলসিম এর সাতক্ষীরা ডিলার সর্বাধিক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী মমিনুল ইসলাম। এছাড়াও সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় মিসেস ফাহিমা শাহাদাৎ বলেন, হোলসিম সিমেন্ট বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান। এই সিমেন্ট দিয়েই তৈরী হচ্ছে বড় বড় ফ্লাইওভার, রুপসা ব্রিজ, বানিজ্যিক ভবন। এ সিমেন্টের গুণগত মান অন্য কোম্পানির থেকে অনেক ভাল। সিমেন্টের সার্বিক বিষয় তুলে ধরে সেমিনারে অতিথিবৃন্দদের সাথে পারস্পারিক আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় কে এই অজ্ঞাত ব্যক্তি?

কলারোয়া ডেস্ক : গত সপ্তাহে ‘কলারোয়ায় বোবা এই ব্যক্তিটি কে?’ শিরোনামে ছবিসহ একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। সেই রিপোর্টের সূত্র ধরে ঐ বোবা ব্যক্তির স্বজনরা তাকে নিউজের মধ্যে উল্লেখ করা ঠিকানা অনুযায়ী চন্দনপুর কলেজ মোড় হতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
ওই ঘটনার কয়েক দিন পর চন্দনপুর গ্রামবাসীর অনেকে এই প্রতিবেদক জানান যে- ‘আরো একজন বয়স্ক গোঙ্গা/ বাক প্রতিবন্ধি ব্যক্তি চন্দনপুর গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে অবস্থান করছেন।’
খোঁজ-খবর নেয়ার পর সোমবার ওই বাক প্রতিবন্ধি ব্যক্তির মুখোমুখি হয়ে তার ছবি ক্যামেরা বন্দি করা হয়। বোঝার চেষ্টা করা হয় তিনি আসলেই বাক প্রতিবন্ধি বা বোবা কিনা। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আকারে ইঙ্গিতে কথা বলে বোঝা গেলো তিনি আসলেই বাক প্রতিবন্ধি বা বোবা, অর্থাৎ তার কথার ভাষা বোঝা যাচ্ছে না। অনেক চেষ্টায় শুধুমাত্র ‘আল্লাহ’ শব্দটি বোধগম্য হলো।
তার কাছে পরিচয়পত্র বা অন্য কিছুই পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া। লোকটির বয়স আনুমানিক ৬৫ থেকে ৭০ বছরের মতো হবে।
স্থানীয়রা জানান- সপ্তাহ দুয়েক আগে মসজিদে এসে নামাজ পড়ে শুয়ে ছিলেন তিনি। পরে কোথাও না যাওয়ায় ও তার কথা কেউ বুঝতে না পারায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে খাদ্য খাবার দেন। সেই থেকে মসজিদের পাশের বাড়ির লোকেরা তাকে ভাত খেতে দিচ্ছেন।
স্থানীয়দের ধারণা- হয়তো ভারত থেকে পুশব্যাক করে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়া হয়ে থাকতে পারে। রোহিঙ্গা কিনা তা স্পষ্ট নয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বয়স্ক ওই ব্যক্তি চন্দনপুরের উত্তর-পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে অবস্থান করছেন।
আগের নিউজের ফলশ্রুতিতে যেমন সেই ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছিলেন তারা স্বজনরা তেমনি এই নিউজ কিংবা পাঠকদের সহযোগিতা হয়তো এই ব্যক্তিকেও তার স্বজনদের কাছে ফিরে যেতে সহায়ক হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিথ্যা পরিচয় দেওয়ায় পারভেজকে আইন পেশা থেকে অপসারণ

ন্যাশনাল ডেস্ক : পারভেজ আহমেদ পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে আইন পেশা থেকে স্থায়ী ভাবে অপসারন করেছে আইনজীবীদের তদারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালস এর বেঞ্চ অফিসার কামনাশীষ রায় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়। ২১ অক্টোবর পারভেজকে অপসারণ করে এ আদেশ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পারভেজ আহমেদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন অভিযোগটি (০৪/২০১৭) করেন। অভিযোগে বলা হয়, পারভেজ আহমেদ নিজে ব্যারিস্টার বা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে ব্যারিস্টার এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে টকশো’তে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণকে প্রতারিত করে আসছেন। ৭১ টিভি, ইটিভি, জিটিভি, আরটিভি এবং দীপ্ত টিভি চ্যানেলসমূহে নিজেকে ব্যারিস্টার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে পারভেজ আহমেদ টক টকশো’তে অংশগ্রহণ করেছেন। এ ধরনের ভুয়া পরিচয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের টকশো’তে অংশ গ্রহণ করে পারভেজ আহমেদ একজন আইনজীবী হিসেবে অসদাচরণ করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণপূর্বক, পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হওয়ায় অসদাচরণের দায়ে বার কাউন্সিলের এক নম্বর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ইয়াহিয়া, সদস্য মো. পারভেজ আলম খান ও সদস্য শেখ আখতারুল ইসলাম ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে আইন পেশা হতে স্থায়ীভাবে অপসারণের আদেশ দিয়েছেন। আরও বলা হয়, ইতিপূর্বে অন্য একটি মামলায় (ট্রাইব্যুনাল কেস নং: ১৯/২০১৭) ৭ অক্টোবর পারভেজ আহমেদকে দশ বছরের জন্য আইন পেশা থেকে বাতিল করা হয়।
আইনজীবীরা বলেন, বার কাউন্সিলের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest