সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

স্বাস্থ্য ও জীবন ডেস্ক : খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে সম্প্রতি অধিকাংশ পুরুষই দৈহিক শক্তি হারানোর সমস্যায় ভুগছেন। এক গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভাস লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার দৈহিক শক্তি কমিয়ে দেয় সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। জেনে নিন এমন খাবারের নাম-
অ্যালকোহল : অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শরীর দুর্বল করে, চেহারা-সুরতেও ফেলে বাজে ছাপ। এছাড়া দৈহিক শক্তিতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে, ফলে মিলনের ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ হয় না।
সয়া : সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে মিলনের আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।
পুদিনা পাতা : সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠা-া করে দেয় এবং আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।
কফি : কফি আপনার শরীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং থাইরয়েড হরমোন ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।
পনির : গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়। তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের যৌন আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে দৈহিক শক্তি লোপ পেতেও পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ও জীবন : চিকিৎসকের কাছে গেলেই তারা সব সময় হার্ট সুস্থ রাখার পরামর্শ দেন। এটা করুন, সেটা করুন, কত পরামর্শ।
কিন্তু রোজকার ইঁদুর দৌড়ের মাঝখানে হার্টের দিকে নজর দেয়ার সময় কোথায়? কিন্তু জানেন কি? বাড়িতে থেকেই আপনি রোজকার কাজের মধ্যে নিতে পারেন হৃদয়ের যতœ? আজ ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে-তে জেনে নিন তারই কয়েকটা উপায়।
শরীরচর্চা :
হাতে সময় খুব কম। কিন্তু নিজের হার্টের জন্য না হয় দিনে ৩০ মিনিট রাখলেনই। কাজের ফাঁকে অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করুন। সেটা হতে পারে হাঁটা, হতে পারে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা, জিম করা বা অন্য কিছু। আলাদা করে সময় পাচ্ছেন না? তাহলে সবচেয়ে সহজ উপায় অফিসে ওঠার সময় সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এড়িয়ে যান লিফ্ট। এতে আপনার ফিটনেস বাড়বে।
ধূমপান ছাড়ুন :
চেইন স্মোকারদের জন্য এটা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার, তাতে সন্দেহ নেই। আজ বললে আজই সিগারেট ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু চেষ্টা তো করাই যায়। প্রথমে সিগারেটের সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করুন। তারপর ছেড়ে দিন। এতে দেহে কোলেস্টেরলের মধ্যে সমতা থাকে। শুধু তাই নয়, হার্টবিট ও রক্তচাপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
পরিমিত অ্যালকোহল :
অ্যালকোহল থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন, এমন কথা কেউ বলছে না। অ্যালকোহল নিন, তবে পরিমিত। বেশি মাত্রায় অ্যালকোহল রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। হার্টের যে কোনও সমস্যা তৈরি করে এই ট্রাইগ্লিসারাইড।
স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, এমন খাবার খান :
শরীরের জন্য যা উপকারী, সেই খাবার খান। প্রয়োজনে ডায়েট মেনে চলুন। মাংস ও দুগ্ধজাত দ্রব্য কোলেস্টেরল লেভেল বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে। ফল, বিন, শাকসবজি, ওটস স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এগুলো খাওয়ার চেষ্টা করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সরকারি কাজে ব্যয়বহুল বেসরকারি বিমান ব্যবহার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে থাকা স্বাস্থ্য ও মানবসেবামন্ত্রী টম প্রাইস পদত্যাগ করেছেন।

বেসরকারি বিমান ব্যবহার নিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের কাছে হতাশা প্রকাশ করার এক ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় শুক্রবার প্রাইস পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদমন্ত্রী আজ (শুক্রবার) একটু আগে পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট তাতে সায় দিয়েছেন।’

প্রাইসের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ডন রাইটকে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে রাইট উপসহকারী স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য প্রচার দপ্তরের পরিচালক ছিলেন।

প্রাইসের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ লনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি খুশি নই। ঠিক আছে? আমি খুশি নই।’

এদিকে প্রাইসের পদত্যাগের পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত ভাবাও শুরু হয়ে গেছে। তাঁদের একজন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ঘনিষ্ঠ সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেসের প্রধান সীমা ভার্মা। অন্যজন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কমিশনার চিকিৎসক স্কট গটলিয়েব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুতে পিলারের ওপর বসানো হয়েছে স্প্যান। ভাসমান ক্রেনের সাহায্যে টেনে আনা স্প্যানটি বসানো হয়।

আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় এই স্প্যান।

এর আগে গত দুদিন পিলারের ওপর বেয়ারিংয়ের কাজ ও পিলারের কাছে ড্রেজিং করা হয়। স্প্যান বসানো দেখতে জাজিরা প্রান্তে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আসবেন বলে জানিয়েছেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ।

শেখ ওয়ালিদ জানান, সম্পূর্ণভাবে স্প্যানটি বসাতে আরো সময় লাগবে। পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আনন্দের জোয়ার বইছে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতুতে কর্মরত দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা খুবই আনন্দিত। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার কারণে সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।

এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৪৭ শতাংশ হয়েছে বলেও জানান শফিকুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মিয়ানমারের জাতিসংঘ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার ইস্যু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের সাবেক এক কর্মকর্তা বলেছেন, মিয়ানমারে জাতিসংঘের কার্যালয়ের প্রধান মানবাধিকারকর্মীদের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের এলাকা পরিদর্শনে বাধা দিচ্ছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে সহিংসতার শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্ট থেকে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তবে বিবিসির এই তথ্যের সঙ্গে জোরালোভাবে দ্বিমত পোষণ করেছে জাতিসংঘের মিয়ানমার কার্যালয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাস থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানরা যখন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে তখন জাতিসংঘ বেশ সক্রিয়ভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সেই সঙ্গে সংস্থাটি বিবৃতির মাধ্যমে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের এমন আচরণের জোরালো নিন্দাও জানিয়েছে।

কিন্তু সূত্র বলছে, বর্তমান এই রোহিঙ্গা সংকটের চার বছর আগে থেকেই মিয়ানমারে জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমের (ইউএনসিটি) প্রধান রেনেটা লক-ডেসালিয়েন রোহিঙ্গাদের এলাকায় মানবাধিকারকর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়েছেন। এ ছাড়া এই বিষয়টির ওপর জনসমর্থন তৈরি বন্ধ করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং কর্মকর্তাদের এই ইস্যু থেকে দূরে রেখেছেন কানাডার নাগরিক ডেসালিয়েন।

ক্যারোলিন ভ্যানডেনাবিলি নামের এক সহায়তাকর্মী জানিয়েছেন, রাখাইনে তিনি ভয়ঙ্কর কিছুর ইঙ্গিত দেখতে পেয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সালের শেষে এবং ১৯৯৪ সালের শুরুতে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডাতে গণহত্যা চলাকালীন কাজ করেছেন। এরপর ক্যারোলিন যখন প্রথম মিয়ানমারে আসেন, তখন সেখানেও তিনি রুয়ান্ডার সঙ্গে উদ্বেগজনক মিল খুঁজে পান।

ক্যারোলিন বলেন, “একবার আমি বিদেশিদের একটি দলের সঙ্গে ছিলাম এবং মিয়ানমারের ব্যবসায়ীরা রাখাইন এবং রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কথা বলছিলেন। মিয়ানমারের এক ব্যক্তি বলছিলেন, ‘আমাদের উচিত কুকুরের মতো তাদের (রোহিঙ্গা) সবাইকে মেরে ফেলা।’” তিনি বলেন, মানুষের প্রতি অমানবিকতার একটি নিদর্শন।

বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশার দীর্ঘ এক বছর ধরে ক্যারোলিনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। ক্যারোলিন আফগানিস্তান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, রুয়ান্ডা ও নেপালের সংঘাতপ্রবণ এলাকায় কাজ করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গা এবং বৌদ্ধদের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ মারা যায় এবং ১০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা রাজ্যের রাজধানী সিত্তের আশপাশে আশ্রয় নেয়। এরপর থেকেই বিদ্রোহের উত্থান হতে থাকে। গত বছর রোহিঙ্গাদের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে। রাখাইনের বৌদ্ধদের কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তারা রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ সরবরাহকে ক্ষতিকর মনে করছে, একইভাবে তারা এই কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। এমনকি ত্রাণের গাড়িগুলোতেও হামলা করছে বৌদ্ধরা।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রাম পরিদর্শনের সময় জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বাধা দেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন থমাস কিনটানা নামের সংস্থাটির এক কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। ২০১৪ সাল পর্যন্ত ছয় বছর মিয়ানমারেও একই পদে কর্মরত ছিলেন কিনটানা।

আর্জেন্টিনা থেকে বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশারকে কিনটানা বলেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে ডেসালিনের দেখা হয়েছিল।

‘আমি তাঁর কাছ থেকে উপদেশ পেয়েছিলাম- তিনি বলেছিলেন তোমার রাখাইনে যাওয়া উচিত হবে না, দয়া করে তুমি সেখানে যেও না। সুতরাং আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন, এর কোনো সদুত্তর ছিল না। সেখানে শুধুমাত্র এই বিষয়টিই ছিল যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো সমস্যায় যাওয়া যাবে না’, বলেন থমাস কিনটানা।

তবে জাতিসংঘ বলছে, ডেসায়িলেনকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। এর সঙ্গে তাঁর পারফর্মেন্সের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে এ ব্যাপারে বিবিসির কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডেসালিয়েন।

ইয়াঙ্গুনে জাতিসংঘ কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আবাসিক সমন্বয়কারীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে আমরা জোরালোভাবে দ্বিমত পোষণ করছি। আবাসিক সমন্বয়কারী নিয়মিতভাবেই মিয়ানমারের জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেছেন কীভাবে রাখাইন রাজ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা যায়।’

ওই মুখপাত্র আরো বলেন, থমাস কিনটানা রাখাইন পরিদর্শনের সময় ডেসালিয়েন তাঁকে পরিপূর্ণ সহায়তা দিয়েছেন। লোকবল, নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে দিয়েছেন।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনা ও নিন্দার মুখে পড়লেও এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মিয়ানমার সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজেদের আঙিনা থেকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট হিউজ কলেজে সু চির একটি প্রতিকৃতি ছিল।

বৃহস্পতিবার বিবিসিসহ যুক্তরাজ্যের একাধিক গণমাধ্যম এ তথ্য দেয়।

সু চি ১৯৬৭ সালে ওই সেন্ট হিউজ কলেজ থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই কলেজ ২০১২ সালে তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়।

বিবিসি জানায়, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিল সেন্ট হিউজ কলেজ।

তবে কলেজটির কমিউনিকেশন বেনজামিন জোনস জানিয়েছেন, কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে প্রতিকৃতিটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, সেখানে হত্যা, ধর্ষণ, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ করছে সেনাবাহিনী।

জাতিসংঘ এরই মধ্যে বলেছে, মিয়ানমারে চলছে ‘জাতিগত নিধন’। প্রাণ বাঁচাতে গত এক মাসে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

অং সান সু চি বর্তমানে মিয়ানমারের উপদেষ্টা। এতকিছুর পরও রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে বা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি সু চি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের ব্যাপারে নিজ দেশের সেনাদের বিরুদ্ধে কোনো কথাই বলেননি সু চি।

১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সু চি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথম দিন শেষ করেছিল ১ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। একমাত্র উইকেটে পতন হয়েছিল রান আউটের মাধ্যমে।

শুক্রবার দ্বিতীয় দিন আরও দুটি উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রানে হঠাৎ ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সে সময় তামিম মাঠের বাইরে থাকায় উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাট করতে নামতে পারেননি বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার। তার পরিবর্তে ইমরুল কায়েস ও লিটন কুমার দাস ব্যাট করতে নামেন।

ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রান তুলেছে সেখানে বাংলাদেশ ১০৩ রান তুলতেই হারিয়েছে ৩ উইকেট। মুমিনুল হক ও তামিম ইকবাল চতুর্থ উইকেট জুটিতে ২৪ রান তোলায় দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান।

তামিম ২২ ও মুমিনুল ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। তারা দুজন তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামবেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে এখনো ৩৬৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ফলোঅন এড়াতে এখনো ১৬৯ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।

দলীয় ১৬ রানে ইমরুল কায়েস ফিরে যাওয়ার পর ৩৬ রানের মাথায় ফিরে গেছেন লিটন দাস। এই দুজন এসেছিলেন ইনিংস উদ্বোধন করতে। টি ব্রেকের আগে নির্দিষ্ট সময় ফিল্ডিং করেননি বলে ওপেন করতে পারেন নি তামিম ইকবাল। কিন্তু প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ লিটন।

ব্যর্থ ইমরুল কায়েসও। দেখে শুনে এগোলেও নিজের ইনিংস খুব বেশি বড় করতে পারেনি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৫৭ বলে ৪৪ রান করে সাঁঝঘরে ফিরেন রহিম।

এর আগে প্রথম ইনিংসে গতকাল পুরো দিনে উইকেটের পতন ঘটেছিল একটি, দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে পতন ঘটল দুটি উইকেটের। প্রথম ইনিংসে চালকের আসনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা চলার রাস্তাটা আরও প্রশস্ত করলেও এগোয়নি আর, নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে ৩ উইকেটে ৪৯৬ রান করেই। এতো ভালো একটি দলীয় ইনিংসের পরও অবশ্য প্রোটিয়াদের কিছুটা পোড়াচ্ছে একটি সেঞ্চুরি ও একটি ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ।

প্রথম দিন ৯৭ রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন অভিষিক্ত অ্যাইডেন মারক্রাম। দ্বিতীয় দিন আরেক ওপেনার ডিন এলগার মুস্তাফিজের বলে ফিরলেন ১৯৯ রান করে, ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেকে। ১৩৭ রানে আউট হওয়ার আমলার দেড়শ-র মাইলফলক না ছোঁয়ার আক্ষেপেও চাইলে পুড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা, যে সুযোগ এনে দিয়েছিলেন শফিউল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ পাইকগাছার বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃহস্পতিবার মহাষ্টমীতে পাইকগাছা পৌরসভার বাতিখালী হরিতলা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাজার মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন এবং ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কৃষ্ণ পদ দাশ, সিনিয়র সহ-সভাপতি রবীন্দ্র নাথ দত্ত, সহ-সভাপতি রতন মিত্র, যুগ্ম সম্পাদক সাধন কুমার ভদ্র, সহ-কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অজিত কুমার হালদার, পাইকগাছা উপজেলা সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পরিষদ নেতা কৃষ্ণপদ ম-ল, হেমেশ চন্দ্র ম-ল, দীপক কুমার ম-ল, বাবুরাম ম-ল, সাংবাদিক বি সরকার, ¯েœহেন্দু বিকাশ ও প্রমথ সানা, শংকর দত্ত, উজ্জ্বল ম-ল, গৌতম ম-ল, কার্তিক দেবনাথ, শংকর দত্ত, বিভুতি বিশ্বাস, পিযুষ সাধু প্রমুখ। অপর দিকে বৃহস্পতিবার দিনভোর পৌরসভাসহ লস্কর, গড়ইখালী, চাঁদখালীর বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন উপজেলা সংগঠণের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ম-ল, ¯েœহেন্দু বিকাশ, খগেন্দ্রনাথ রায়, বাবুরাম ম-ল, জগদীশ রায়, পিযুষ সাধু, মৃত্যুঞ্জয় সরদার, শ্যামাপদ ম-ল, প্রণব কান্তি রায়, অমলেন্দু বাছাড়, অপূর্ব ম-ল, সুজয় রায়, পংকোজ রায়, নবতোষ ম-ল, কৃষ্ণকান্ত ম-ল সহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest