আছাদুজ্জামান : ৫ তারিখে আনুমানি ৯ ঘটিকার সময় ১নং আসামি সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের গ্রামের কুরবান সানার পুত্র মোঃ আব্দুল আলিমকে(৩০), সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই বোরানউদ্দীন তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রোপ্তার করে। উল্লেখ্য, ধলবাড়িয়া গ্রামের মৃত ফুৎফার মোল্যার কন্যা লিপিকা খাতুন। মো. আব্দুল আলিম তাকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে পরকিয়া করে তার স্বামীর ঘর ভাঙে। লিপিকা পরে নিজের বাপের বাড়িতে আসে তার পর আলিমের সাথে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়। এক পর্যয়ে সে লিলিকা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে পরবর্তীতে লিপিকা সাথে বিয়ে করতে অস্কিকার করে এবং তাকে আত্মহত্য করতে বাধ্য করে। সাতক্ষীরা থানা একটি অপমৃত মামলা হয়, যার মামলা নং- ৬৪/১৭। উক্ত মামলার প্রধান আসামী মোঃ আব্দুল আলিম। লিপিকার মা ময়না খাতুন আমাদের প্রতিনিধি বলে আসামী ও তার পরিবারের লোকজন আমাদের পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং বলে আজ জেলে আছে, দুদিন পর যখন জেল থেকে ফিরে আসবে তখন তোদের দেখে নেব। আব্দুল আলিম ২ মাস বিভিন্ন যায়গায় পালিয়ে ছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতক্ষীরা সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মুনজিতপুর এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মারুফ আহম্মেদের নেতৃত্বে পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোমরেজ ইসলাম, মোমিনুর রহমান সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে নাশকতার পরিকল্পনাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় কামরুজ্জামান শেখকে আটক করা হয়। তিনি কয়েক বছর যাবৎ গোপনে শহরের মুনজিতপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। এ সময় তার ওই ভাড়াবাড়ি তল্লাসী করে বিপুল পরিমান জিহাদী বই, পুস্তিকা এবং যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী ও আবু আলা মাওদাদীসহ বিভিন্ন লেখকের অসংখ্য বই উদ্ধার করা হয়। তাকে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ (বুধবার) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।