সর্বশেষ সংবাদ-
ভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরাসাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুWie man bei Cipherwins Casino sicher ein- und auszahlt

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : স্বামী প্রবীণ আ’লীগ নেতা এস এম রুহুল আমিনের দাফন সংক্রান্ত বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতি তিনি বলেন, আমার স্বামী মরহুম এস এম রুহুল আমিন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সফল সভাপতি। এছাড়াও তিনি সাতক্ষীরার বহু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাসহ সমাজ সেবামূলক কাজে এলাকায় ব্যাপক সমাদৃত। তিনি গত কয়েক মাস যাবৎ হার্টের সমস্যার কারনে রাজধানী ঢাকায় এ্যাপোলো হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শামস মনোয়ার এর তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসারত ছিলেন। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় স্বামীর খেদমত করার জন্য মহান জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ন্যাম ভাবনে ৭০৩ নং ফ্ল্যাটে উদযাপন করতে বাধ্য হই। কিন্তু ৬ সেপ্টেম্বর’ ২০১৭ তারিখ সকাল সাড়ে ১০ টায় ন্যাম ভবনের ৭০৩ নং ফ্ল্যটে আমার হাতের উপর শয্যাসায়ী অবস্থায় পৃথিবীর মায়া করে চির বিদায় নেন। আমি তখন কি করব কিছু বুঝতে পারছিলাম না। উল্লেখ্য আমার জেষ্ঠ্য পুত্র মেহরাজ সরোয়ার কানাডা প্রবাসী, জেষ্ঠ্য কন্যা রাহিমা নাহার আমেরিকা প্রবাসী। তারা আমার স্বামীর মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে আমাদের সাথে ১০/১২ দিন কাটিয়ে তাদের কর্মস্থলে ফিরে যায়। আমার জানামতে, ইসলামী বিধান অনুযায়ী কারও লাশ যতদ্রুত সম্ভব দাফন করাই উত্তম। আমাদের ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করা অত্যাবশ্যক। তাছাড়া আমার স্বামীর লাশ ঢাকা থেকে সুদূর আশাশুনির কাঁদাকাটি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামে নিয়ে দাফন করা অনেক কষ্ট সাধ্য ও সময়ের ব্যাপার। তাই পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও ধর্মীয় বিধান মেনে আমার স্বামীকে কেন সাতক্ষীরায় দাফন করা হলো না তা নিয়ে আপনাদের মনে প্রশ্ন উদয় হওয়ায় স্বাভাবিক। আমি একজন সদ্য স্বামী হারা স্ত্রী হিসেবে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে আমার সন্তানদের সিদ্ধান্তে ও ইসলামী বিধান মেনে আমার ইচ্ছা থাকা সত্বেও তাড়াতাড়ি দাফন করতে বাধ্য হই। তিনি আশা করেন বিষয়টি বুঝার পর আর কারো কোন ক্ষোভ থাকবে না। এছাড়া তার স্বামীর মৃত্যুতে যারা ভালোবাসা ও সমবেদনা জানিয়েছেন তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের অনুমতি, দোয়া ও ঘোষণা করেছেন নলতা রওজা শরীফের খাদেম মৌলভী মো. আনছার আলী। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ নলতা পাক রওজা শরীফে যান। এসময় রওজা শরীফের খাদেম মৌলভী মো. আনছার আলী অনুমতি দেন। সফল ও সুন্দরভাবে ভবন নির্মাণের জন্য দোয়া করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন পরিচালনা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক শেখ আজিজুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী সিরাজুল হক, সহ-সম্পাদক মো. মজিব হোসেন নান্নু, কার্যকরী সদস্য কাজী আমিরুল হক আহাদ, মিশন আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মজিদ, নলতা কেন্দ্রীয় মিশনের মো. আব্দুল হামিদ, মো. এনামুল হক, ড. নজরুল ইসলাম ও মো. আমজাদ হোসেন প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন ও নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি পরিচালনা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে লাইব্রেরির হলরুমে কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচ্য সুচির মধ্যে ছিল বিগত দুই বছরের হিসাব-নিকাশ, সাধারণ সভা আহবান প্রসঙ্গে, লাইব্রেরিতে ই-কর্নার নির্মাণ, জীবন ও সাধারণ সদস্য আবেদনসহ বিবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, গাজী আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, যুগ্ম-সম্পাদক সৈয়দ মহিউদ্দীন হাশেমী তপু, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, তৃপ্তি মোহন মল্লিক, মো. আমিনুল হক, শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাদিয়া আফরিন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, ওসি তদন্ত আব্দুল হাশেম প্রমুখ। এ ছাড়া সদর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, সদর উপজেলার মাসিক রাজস্ব সভা, সদর উপজেলা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভা, সদর উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সভা ও সদর উপজেলা চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মো. নকিবুল হাসান, সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম জাহাঙ্গীর আলম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, বল্লী ইউপি চেয়াম্যান মো. বজলুর রহমান, ফিংড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, আগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালি, ঘোনা ইউপি সদস্য গণেশ মন্ডল, লাবসা ইউপি সচিব মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কমিটির সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নকশা অনুযায়ী রাস্তার দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা আইনজীবী ভবনের অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শাহ আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন, এড. আবুল হোসেন-২, মোঃ শহিদুল্লা-২, সরদার আমজাদ হোসেন, ইউনুস আলী, আসাদুজ্জামান দিলু, শহিদুল ইসলাম পিন্টু, তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, এস এম আব্দুর বারী, আজহারুল ইসলাম, নিজাম উদ্দীন, ফাহিমুল হক কিসলু, সুলতানা পারভীন শিখা, আব্দুল মালেক, পরিমল সরদার, অসিত বরুন মন্ডল, নাজমুন নাহার ঝুমুর, মিজানুর রহমান, জিয়াউর রহমান, একেএম তৌহিদুর রহমান শাহীন, আব্দুস সোবহান মুকুল,একিএম কুদরত ই মজিদ, সাইদুজ্জামান জিকো, শরিফুল ইসলাম, সালাউদ্দিন আহমেদ-২, মোস্তফা জামান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পিপি এড. ওসমান গণি। সভায় বক্তারা বলেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালতের যাতায়াতের জন্য ভবন নির্মাণের নকশায় একটি রাস্তা উল্লেখ ছিলো। কিন্তু সে রাস্তা ব্যতিরেখে উক্ত আদালত নির্মাণ করা হয়েছে। যদি ওই রাস্তা তৈরি করে দেওয়া না হয় তাহলে আইনজীবীসহ সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হবে। তাদের কে অনেক রাস্তা ঘুরে যেতে হবে। সকলেই ভোগান্তিতে পড়বে। ওই রাস্তা বাদ দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উদ্বোধন করা হলে সেখানো কোন আইনজীবী উপস্থিত হবেন না। অবিলম্বে বক্তারা ওই নকশা অনুযায়ী রাস্তা দেওয়ার জোর দাবি জানান। যদি রাস্তা দেওয়া না হলে তাহলে প্রয়োজনে আইনজীবী সমিতি আদালত বর্জন, মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসুচির ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া এবিষয়ে আগামী ৩ অক্টোবর সকাল ১১টায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার ৫নং বড়দল ইউনিয়নের ৯ টি ওয়ার্ডে বামনডাঙ্গা, চাম্পাখালী, ডুমুরপোতা, গোয়ালডাঙ্গা, ফকরাবাদ (পশ্চিম), ফকরাবাদ (পশ্চিম-নতুন), ফকরাবাদ (পূর্ব), বুড়িয়া, মাদিয়া, হেতাইলবুনিয়া, হেতাইলবুনিয়া পূর্ব পাড়া, বাইনতলা (দক্ষিন), বাইনতলা (স্কুলবাড়ী), বাইনতলা (মধ্যম পাড়া), বড়দল বাজার, বড়দল (মধ্যম), বড়দল (দক্ষিন), বড়দল শিববাড়ী, পাঁচপোতা, পাঁচপোতা (দক্ষিন) স্বার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরে মোট ২০ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। সোমবার দেবীর বোধনের মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আজ ২৬ সেপ্টেম্বর মহাষন্ঠীতে শারদীয় দুর্গাদেবী ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজা প্রশস্তার মাধ্যমে মূল পূজা শুরু হবে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমী, ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষ্ঠমী, ২৯ সেপ্টেম্বর মহানবমী ৩০ সেপ্টেম্বর বিজয় দশমী ও যাত্রামঙ্গল অনুষ্ঠিত হবে। দিন ভারি থাকায় ১ম সেপ্টেম্বর প্রতিমা বিষার্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব সমাপ্ত হবে। সরকারী ভাবে প্রত্যেক পূজা মন্ডপের জন্য আধা টন চাউল কমিটি সভাপতি/সেক্রেটারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপজেলা প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর বাজারে চায়ের দোকানের খুটির সাথে জনসম্মুখে দড়ি দিয়ে বেধে দুই যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ও এক বিধবা যুবতীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রতনপুর বাজারে বক্কারের চায়ের দোকানে। সরেজমিন ও প্রত্যক্ষ দর্শীদের বরাত মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলার রতনপুর গ্রামের বিশ^নাথ মন্ডলের ছেলে তপন মন্ডলের (২৭) সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পাশ^বর্তী খড়িতলা গ্রামের মৃত সুধীর মন্ডলের ছেলে খোকন মন্ডলের (৪৫) ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জনতা তাৎক্ষণিক ভাবে বিষয়টি নিরসন করে দেয়। এরপর রতনপুর ইউনিয়নের কাশিশ্বরপুর গ্রামের রুস্তম গাজীর ছেলে এলাকায় দালাল হিসেবে পরিচিত শফি (৩৫) ও আয়ুব নামে একজন ব্যক্তি তাদেরকে বলেন রতনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন এসে তোদের এই বিষয়টি মিমাংসা করে দিবে এজন্য তপন মন্ডলকে সেখানে অবস্থান করতে বলে। কিছুক্ষণ পর চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে পৌছে কিছু জিজ্ঞাসা না করেই তপন মন্ডলকে বেধড়ক মারপিট করেন। একপর্যায়ে তাকে মারতে মারতে একটি দোকান ঘরের মধ্যে নিয়ে যান। এসময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে স্থানীয় গ্রামপুলিশ বাবুল দোকানের ভিতরে অবস্থানরত তপন মন্ডলের শ্যালক সুদেব মন্ডল ও তপন মন্ডলকে বক্করের চায়ের দোকানের ভিতরে একটি বাঁশের খুটিতে একত্রে পিঠমোড়া করে দড়ি দিয়ে বেধে দু’জনকে আবারও মারপিট করেন। খবর পেয়ে তপন মন্ডলের বিধবা বড় বোন কল্পনা মন্ডল (৩৫) ঘটনাস্থলে গেলে চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম খোকন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে তাকে জনসম্মুখে শ্লীলতাহানী করেন এবং ধাক্কা মেরে দোকানের বাইরে ফেলে দেন। তপন মন্ডল ও সুদেব মন্ডলকে রতনপুর বাজারে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে প্রায় দুই ঘন্টা দড়ি দিয়ে বেধে রাখার পর তপন মন্ডলের ভগ্নিপতি সাধন মন্ডল ও সুদেব মন্ডলের বাবা তারাপদ মন্ডল ঘটনাস্থলে যেয়ে চেয়ারম্যানের কাছে কাকুতি মিনতি করে দু’জনকে ছাড়িয়ে নেন। এসময় চেয়ারম্যান দুটি পৃথক সাদা কাগজে তপন মন্ডল, তার স্ত্রী কাকলী মন্ডল, বোন কল্পনা মন্ডল, ভগ্নিপতি সাধন মন্ডল, সুদেব মন্ডল ও তার বাবা তারাপদ মন্ডলের কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পূর্বে চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন হুংকার দিয়ে ভুক্তভোগীসহ উপস্থিত জনতাকে এব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করার জন্য বলেন। কেউ এ বিষয়ে মুখ খুললে এলাকা ছাড়া করা হবে বলেও জানান তিনি। চেয়ারম্যানের এ ধরণের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষদর্শী বাজারের লেদমিস্ত্রী শামীম হোসেন (২৬), চা দোকানদার আবু বক্কর (৪২), আকবর সরদার (৪৮)সহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি হতবাক হয়ে যান এবং তারা এঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। তবে তারা চেয়ারম্যানের ভয়ে ভীত হওয়ায় এ বিষয়ে তারা মুখ খুলতে সাহস পাননি বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
এদিকে প্রকাশ্য বাজারে একজন দায়িত্বশীল চেয়ারম্যানের হাতে মধ্যযুগীয় কায়দায় যুবতীসহ তিনজনকে নির্যাতনের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অপরদিকে নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পেরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, সহ-সভাপতি যথাক্রমে দুলাল চন্দ্র ঘোষ, সজল মুখার্জী, রনজিত সরকার, সাধারণ সম্পাদক ডা. মিলন কুমার ঘোষ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অসিত সেন, রতনপুর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. তরুণ কুমার ঘোষ, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন সরদার রোববার বিকেলে রতনপুর বাজারে যেয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে চেয়ারম্যানের কর্মকান্ডে হতবাক হন এবং তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে সুষ্ঠু প্রতিকার দাবি করেন। এছাড়াও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিবর্গ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের কাছে ঘটনার বর্ণনা শুনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এসএম জগলুল হায়দার এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ওয়াহেদুজ্জামান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নিন্দা জানান।
বিষয়টি জানতে চাইলে গ্রাম পুলিশ বাবুল বলেন, আমি চেয়ারম্যান সাহেবের হুকুমের দাস। চেয়ারম্যান সাহেবের নির্দেশে আমি তাদেরকে বেঁধেছিলাম, তবে আমি তাদেরকে মারধর করিনি করলে চেয়ারম্যান সাহেব করেছেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন বলেন, তপন মন্ডল বাজারে খোকন মন্ডলকে মারধর করায় সে আমার কাছে অভিযোগ করে। এজন্য আমি বাজারে যেয়ে তপন মন্ডল ও সুদেবকে পুলিশের কাছে দেবো বলে বেধে রেখেছিলাম। তবে তাদের আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় লোকজন অনুরোধ করায় তাদেরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লস্কর জায়াদুল হক বলেন, ঘটনাটি আমি এলাকাবাসীর মাধ্যমে জেনেছি। এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি উঠেছে সকল মহলের পক্ষ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

 

ন্যাশনাল ডেস্ক : উল্টোপথে গাড়ি নিয়ে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরদিন একই কাজ করলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাফরুহা সুলতানা।
সোমবার সন্ধ্যায় শেরাটন হোটেলের দিক থেকে উল্টোপথে এসে বাংলামটর মোড়ে পৌঁছানোর কিছুটা আগে তার গাড়ি আটকায় ট্রাফিক পুলিশ। এদিন উল্টোপথে আসা পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার গাড়িও আটকানো হয়।
ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ ও উপ-কমিশনার রিফাত রহমান শামীম এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। পরে যুগ্ম কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদও তাদের সঙ্গে যোগ দেন।
আগের দিন উল্টোপথে এসে জরিমানা গুণতে হয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদসহ অনেক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাকে। বিকালে হেয়ার রোডে ট্রাফিক পুলিশের ঘণ্টা দুয়েকের ওই অভিযানে ৫০টির মতো গাড়ি আটকানো হয়, যার বেশিরভাগই ছিল সরকারি কর্মকর্তাদের।
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সচিবের গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ ১৫-৪৮৮৯) উল্টোপথে এলে বাংলামটরের পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স ভবনের সামনে সেটি আটকায় পুলিশ সদস্যরা।
সচিবকে জরিমানা করার পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় চালক বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। গাড়িটি ঘুরিয়ে সোজা পথ দিয়ে আসার নির্দেশ দেয় পুলিশ।
এ সময় সচিব মাফরুহা সুলতানা গাড়িতে থাকলেও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।রোববার হেয়ার রোডে যেসব গাড়ি আটকানো হয় তার মধ্যে এই গাড়িও ছিল।
অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, রোববারও চালক বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তারা।
আগের দিন পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর আবার উল্টোপথে এলেন কেন- প্রশ্ন করা হলে নিরুত্তর থাকেন এই চালক।
অভিযান শেষে অতিরিক্ত কমিশনার মোসলেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলামটরে তারা অভিযান শুরু করেন। উল্টোপথে আসায় দুটি গাড়ি ও সাতটি মটরসাইকেল আটকানো হয়।
গাড়ি দুটির ব্যবহারকারীকে জরিমানা করার পাশাপাশি একটি মটরসাইকেল ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
রোববার ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ট্রাফিক পুলিশের এই অভিযানে উল্টোপথে আসা মোট ৩০০টি গাড়ি আটকে মামলা দেওয়া হয় বলে জানান অতিরিক্ত কমিশনার।
“আমাদের এই অভিযান প্রায়ই চালানো হবে। কোন কোন জায়গা দিয়ে উল্টোপথে গাড়ি আসে, সে বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ওই সব জায়গায় আমরা অভিযান চালাব,” বলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest