জমজ বাচ্চাদের একজনকে পেটে রেখেই সেলাই এবং এরপর…

খাদিজা আক্তার (১৯) আজ থেকে ঠিক ৩৫ দিন আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার একটি ক্লিনিকে মা হন। মা হওয়ার মধুর স্বাদ গ্রহণ করলেও খাদিজার জীবনে ঘটে গেছে এক ভয়ানক ঘটনা। খাদিজার একটি বাচ্চা পৃথিবীর আলো দেখলেও আরেকটি বাচ্চা রয়ে যায় তার গর্ভে। সেই বাচ্চাটিকে পেটে রেখেই চিকিৎসকরা খাদিজার পেট সেলাই করে দেন।

এরপর থেকেই খাদিজার পেট ফোলা এবং পেটে ব্যাথা শুরু হয়। গত ২১ অক্টোবর আলট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে: তার একটি বাচ্চা পেটে মৃত অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রফেসর ডা. নিলুফার সুলতানার তত্ত্বাবধানে অপারেশন করে খাদিজার মৃত বাচ্চাটি পেট থেকে বের করা হয়। তারপরও খাদিজা শঙ্কামুক্ত নন। পুরোপুরি সুস্থ হতে চার থেকে ছয়মাস পর্যন্ত সময় লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নিলুফার সুলতানা বলেন: গত ২২ অক্টোবর রাত প্রায় দেড়টার  দিকে পেটে ব্যাথা ও ভারি পেট নিয়ে খাদিজা ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার পর তার পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৩৫ দিন আগে তার একটি অপারেশন হয়েছে। আল্ট্রসনোতে পেটের ভেতর একটি মৃত বাচ্চাও দেখা যায়। জরুরি বিভাগে ভর্তির পর ডাক্তাররা জানতে পারেন, এক মাসেরও বেশি সময় আগে খাদিজা দাউদকান্দির একটি ক্লিনিকে সুস্থ বাচ্চার জন্ম দেন। তবে এরপর থেকেই তার পেটে ব্যাথা ও পেট ভারী হতে থাকে।

কেন এরকম ঘটল যে জমজ বাচ্চা দুটির একজনের জন্ম হলো, আরেকজন পেটের ভেতর রয়ে গেলো! চিকিৎসকরাই কীভাবে ওই বাচ্চা রেখে পেটে সেলাই দিলেন?

ডা. নিলুফার সুলতানা বলেন: ব্যাপারগুলো আমাদের ডাক্তাররা পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পান যে, এর কারণ জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ। চিকিৎসার ভাষায় এটিকে বলা হয় এবডোমিনাল গর্ভধারণ। জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হলে অপারেশন করার আগে আমাদের অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয়। কারণ মৃত বাচ্চাটি এতোদিন থাকার পর রক্ত পরিবর্তন হয়েছে কিনা। অপারেশনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হবে কিনা।

‘কাজগুলো করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অপারেশন করার আগে রোগীকে দু’দিন নতুন রক্ত দেওয়া হয়। এরপর পরিবারের সঙ্গে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেই খাদিজার পেট থেকে মৃত বাচ্চাটি বের করবো।’

কিন্তু এই অপারেশনে কিছু সমস্যাও হতে পারতো।

তিনি বলেন: গর্ভধারণে যেহেতু জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ, বড় একটি বাচ্চা মৃত, কিন্তু সত্য হলো এই বাচ্চাটি এতোদিন বেঁচে ছিল। যদি বিপজ্জনক জায়গায় থাকে তাহলে কিন্তু ফুলটা বের করা যায় না বা বের করতেও হয় না। এমন পরিস্থিতিতে ফুলটা আমরা ভেতরে রেখেই গত বুধবার খাদিজার অপারেশন করি। কোন সময় ফুল ভেতরে থেকে অনেক সমস্যায় ফেলতে পারে। সেগুলোই আমরা খাদিজার পরিবারকে জানিয়েছি। সবার সহযোগিতায় আমরা খুব সুন্দরভাবে খাদিজার অপারেশনটি করতে পেরেছি। মৃত বাচ্চাটি পেট থেকে বের করেছি।

খাদিজা এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তবে, অপারেশনের পর থেকে তিনি কিছুটা ভালো আছেন। যদি পেটে তার ফোঁড়া বা খাদ্যনালীতে কোনো সমস্যা হয় তাহলে তাকে নতুনভাবে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

খাদিজার যে সমস্যাটি হয়েছে এটি কি চিকিৎসকের গাফিলতির জন্য?

এমন প্রশ্নে নিলুফার সুলতানা বলেন: চিকিৎসকের কোন গাফিলতি ছিল না। কারণ খাদিজার গর্ভে একটি বাচ্চা জরায়ুর ভেতরে ও একটি বাচ্চা জরায়ুর বাইরে বড় হয়েছে। এটি একটি বিরল ঘটনা।

‘ওই চিকিৎসক যখন অপারেশন করেছেন, ওই মুহূর্তে তিনি একটা বাচ্চাই পেয়েছেন। একটা বাচ্চাই তিনি বের করেছেন। জরায়ুর ভেতরে আরেকটি বাচ্চা থাকা অবস্থায় কখনোই উনি বাচ্চা রেখে আসতে পারতেন না ও জরায়ু সেলাই করতেন না। মৃত ওই বাচ্চাটি জরায়ুর বাইরে এমন চেহারায় ছিল যে সেটি দেখে বোঝার উপায় ছিল না। আর ওই অবস্থায় চিকিৎসক সেটা না ধরে বরং ভালো করেছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে ২১২ নং ওর্য়াডে চিকিৎসা নেওয়া খাদিজার পাশে রয়েছেন তার বাবা-মা। মেয়ের এই অবস্থায় বাবা-মা কোনো কথা বলতে পারছেন না। খাদিজার দেবর হেলাল বলেন, ডাক্তাররা বলেছেন, ভাবি এখন সুস্থ আছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে নাকি অনেকদিন লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

ভ্রাম্যমান প্র‌তি‌নি‌ধি,কা‌লিগঞ্জঃ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশে কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান কিরণের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বাস সুদেব কুমার আনুষ্ঠানিক ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করেন। এসময় উপজেলার ৩৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিবর্গ লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা বিশ^াস সুদেব কুমার কালিগঞ্জ সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত প্রধান শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যেয়ে অভিযুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বক্তব্য গ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, নিয়মিত অফিস না করে কর্তব্যে অবহেলা, চরম অব্যবস্থাপনা, শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠে কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান কিরণের বিরুদ্ধে। অবিলম্বে তাকে অপসারণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।এর আগেও সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছায়েদুল ইসলাম সরেজমিন তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা তরুণলীগে আবারও কমিটি! মোহন আহবায়ক

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের আবারও আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক জি এম শফিউল্লাহ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক মোমিনউল্লাহ মোহন, যুগ্ম-আহবায়ক ১. মাছুম বিল্লাহ, ২. বিদ্যুৎ বিশ্বাস, ৩. বাবলুর রহমান অনিক এবং বাকিদের সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা তরুণ লীগের কমিটি ভাঙাগড়া নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, পাল্টাপাল্টি অভিযোগসহ নানা ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও সংগঠনটি আ ’লীগের স্বীকৃত কোন সংগঠন নয়। ওবায়দুল কাদের গত ৭মার্চ একটি অনুষ্ঠানে এসকল সংগঠনকে ‘দোকান’ বলে সম্বোধন করে এসব বন্ধ হওয়া উচিৎ বলে বক্তব্য দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমকামিতার অভিযোগে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত বাড়ছে

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে গত দুই বছরে জনসমক্ষে অন্তত ৫০০ জনকে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। এই ‘বর্বর শাস্তি’ বন্ধের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

বিবিসির গতকাল বুধবারের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই শরিয়াহ আইন কার্যকর রয়েছে। গত বছর দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে করা চুক্তির পরই এ আইন চালু করা হয়। আইনটি ধীরে ধীরে রক্ষণশীল হয়ে উঠছে। প্রায়ই এ আইনের শিকার হচ্ছেন দেশটির সমকামী ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীরা। এই আইন কার্যকরে রাস্তায় মোতায়েন আছে শরিয়াহ পুলিশও।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই শাস্তিকে নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করে প্রচার চালিয়ে আসছে।

ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের অক্টোবরে একটি শরিয়াহ আইন চালু করা হয়। ‘কানুন জিনায়াত’ নামে ওই আইনে সমকামীদের শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ১০০ বেত্রাঘাত ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীদের ৩০ বেত্রাঘাত করা হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, ওই শরিয়াহ আইনে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসকারী মুসলিম ও অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য। গত বছর দেশটিতে মদ বিক্রি করার জন্য এক খ্রিস্টান নারীকে বেত্রাঘাতের ঘটনাও ঘটে।

শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করার আইন ইন্দোনেশিয়া ছাড়া ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়ে চালু রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাথরুমে মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’, হেফাজত নেতা সুপার গ্রেপ্তার

এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে আবদুল জব্বার মাহমুদ জিহাদী (৫৫) নামের রাজশাহীর এক হাফেজিয়া মাদ্রাসা সুপারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার ওই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ জানান, আবদুল জব্বার মাহমুদ জিহাদী নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসার সুপার। তিনি পরিবার নিয়ে ওই মাদ্রাসার ভেতরে বসবাস করেন। তিনি হেফাজতে ইসলামের রাজশাহী শাখার অর্থ-সম্পাদক ও কওমি মাদ্রাসা স্বীকৃতি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য।

ওসি জানান, গত মঙ্গলবার রাতে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ১৪ বছরের এক ছাত্র থানায় এসে তাকে বলাৎকারের অভিযোগ করে। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র। তার অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা থেকে সুপার জব্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তাঁর শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকায় গতকাল সকালে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ওই ছাত্রের বাবা।

মামলায় ওই ছাত্রের বাবা উল্লেখ করেন, গত শুক্রবার দুপুরে ওই মাদ্রাসা সুপার নিজের চেম্বারের বাথরুমে ছাত্রকে বলাৎকার করেন।

বলাৎকারের শিকার ওই ছাত্র জানায়, সে মাদ্রাসার আবাসিক মেসে থেকে হেফজ বিভাগে পড়ে। গত শুক্রবার দুপুরে তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মাদ্রাসা সুপার তাঁর বাথরুমে কাপড় ধুতে দেন। এ সময় সুপার বাথরুমে গোসল করতে ঢোকেন। গোসল করার একপর্যায়ে তাকে ধরে বলাৎকার করেন। বিষয়টি কাউকে বললে মাদ্রাসা থেকে তাকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

ওই ছাত্র আরো জানায়, গত মঙ্গলবার সে বিষয়টি তার এক শিক্ষককে প্রথমে জানায়। পরে ওই শিক্ষক তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে বিকেলে তার বাবা রাজশাহীতে আসেন। এর পর রাতে তারা থানায় গিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন, অনেক ছাত্রের সঙ্গে মাদ্রাসা সুপার এ ধরনের আচরণ করেছেন। তাঁরা লজ্জায় বিষয়টি প্রকাশ করেননি। সুপারের এ ধরনের অপকর্মের কথা সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী জানতে পারেন। এ নিয়ে তিনি প্রতিবাদ করলে সুপার তাঁকে নির্যাতন করে জখম করেন। পরে তাঁরা সুপারের স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন।

মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে সুপার আবদুল জব্বারের এ ধরনের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় এর আগে চারজন শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ কারণে ভয়ে সুপারের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলেন না।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি আমান উল্লাহ জানান, গ্রেপ্তারের পর মাদ্রাসা সুপার আবদুল জাব্বার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলাৎকারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে ১৫ কোটি বছর আগের ফসিল আবিষ্কার

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে বিলুপ্ত সামুদ্রিক সরীসৃপ ইচথিওসরের ১৫ কোটি ২০ লাখ বছরের পুরোনো একটি ফসিল আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতে ইচথিওসরের ফসিল আবিষ্কারের ঘটনা এটিই প্রথম।

বিবিসির খবরে বলা হয়, গুজরাটের কুচ মরুভূমিতে একটি পাথরের নিচে মেসোজোইক যুগের এই ফসিল আবিষ্কার করা হয়।

মরুতে গবেষণা দলের প্রধান অধ্যাপক গুন্টুপল্লী ভিআর প্রাসাদ বলেন, ৫ দশমিক ৫ মিটার (১৮ ফুট) দীর্ঘ এই ফসিল প্রায় অখণ্ড আকারে পাওয়া গেছে। শুধু খুলির কিছু অংশ এবং লেজের হাড় পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কার প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী প্লস ওয়ানে।

ফসিল পাওয়ার বিষয়ে প্রাসাদ বলেন, ‘এটা যুগান্তকারী আবিষ্কার শুধু এ কারণে নয় যে, এটি ভারতে পাওয়া প্রথম জুরাসিক ইচথিওসর; এই আবিষ্করে ইন্দো-মাদাগাস্কান অঞ্চলে ইচথিওসরের বৈচিত্র্য এবং জুরাসিকের অন্য মহাদেশের সঙ্গে ভারতের জৈবিক সংযোগের বিষয়টি আঁচ করা যাবে।’

গুজরাটে গবেষণা দলে রয়েছে ভারত ও জার্মানির বিজ্ঞানীরা। তাঁরা মনে করছেন, ইচথিওসরের পরিবারভুক্ত অপথালমোজাওরিদেইয়ের সঙ্গে মিল পাওয়া যেতে পারে ফসিলটির।

গবেষণা দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন ফসিল আবিষ্কারে ১৫ কোটি বছর আগে ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার কোনো সামুদ্রিক যোগাযোগ ছিল কি না, তারও হদিস মিলতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ফসিলের দাঁত পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এটি ছিল প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রতিবেশে উপরি স্তরের শিকারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার মেয়ে নীল এখন ‌’ডিবি’ নাটকের নায়িকা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নতুন নায়িকা হিসাবে টিভি মিডিয়াতে পদার্পণ করলেন সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজার আজমল হকের মেয়ে সুরাইয়া হক নীল। সে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের এইচ এস সি ২য় বর্ষের ছাত্রী। মঙ্গলবার পরশু থেকে ঢাকাতে নীলের স্যুটিং শুরু হয়েছে। নাটকটির নাম ‘র‌্যাম্প মডেল নীল’। এটিএন বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ডিবি’র “র‌্যাম্প মডেল নীল ” গল্পের একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছে সে।

জি.এম সৈকত এর পরিচালনায় নাটকটি প্রচারিত হবে আগামী মাসে। নীল বলেন, শিল্পী ঐক্যজোটের সাথে যুক্ত হয়ে জি.এম সৈকত এর মাধ্যমে আমি মিডিয়াতে পদার্পণ করেছি এজন্য তার প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। এই নাটকের জনপ্রিয় নায়ক ডি.এ তায়েব’র মত গুণী অভিনেতার সাথে অভিনয় করতে পেরে আমি ধন্য। নাটকের প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন ম্যাডামকে ধন্যবাদ জানাই। নীল সকলের নিকট দোয়া চান।

জি.এম সৈকত বলেন, নীল আমাদের সাতক্ষীরার মেয়ে। আমরা সব সময় চেষ্টা করছি সাতক্ষীরার প্রতিভাবান শিল্পীদের জাতীয় পর্যায় সুযোগ দেওয়ার জন্য। নীলের জন্য শুভকামনা রইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ থানায় মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ থানায় স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে বাবু তরফদার নামের এক মাদক ব্যবসায়ি আত্মসমার্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের আকবার আলী তরফদারের ছেলে বাবু তরফদার ওরফে আছের আলী তরফদার (৩৭) আত্মসমার্পণ করে। মাদক ব্যবসায়ি বাবু তরফদার থানায় এসে আতœসমার্পণ করতে চাইলে অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়দুল হক উপ-পরিদর্শক প্রকাশ ঘোষের মাধ্যমে থানা চত্ত্বরে অবস্থিত পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম মাওলানা ফারুক হোসেন তাকে তওবা পড়ান। সে জীবনে আর কখনো মাদক ব্যবসার সাথে জড়াবে না বলে শফত ও মুচলেকা প্রদান করেন। আতœসমার্পন কালে উপস্থিত সাংবাদিকদের নিকট বাবু তরফদার বলেন, সে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ কৌশলে গাঁজার ব্যবসা করে আসছিল। এই খারাপ পথ থেকে ফিরে আসার জন্য উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর সহায়তায় তিনি থানায় এসে আতœসমাপর্ন করেছেন। আর কখনও মাদক ব্যবসার সাথে জড়াবে না এই শর্তে মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান তাকে একটি ভ্যানগাড়ি দিয়েছেন। সংসারের স্ত্রী ও একটি প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে তিনি ভাল ভাবে জীবন যাপন করবেন। এ ব্যাপারে সাঈদ মেহেদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক একটি খারাপ জিনিস, এই মরণ নেশার ব্যবসা দেশ ও জাতিকে ধবংস করে। আমার দেওয়া সামান্য একটি ভ্যানগাড়ি চালিয়ে যদি একটি পরিবার সুস্থ্য থাকে, খারাপ পথ থেকে ফিরে আসে, তাহালে এর চাইতে ভাল কিছু আর হতে পারে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest