সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারInstant casino’s bieden meer dan alleen snelheid: een diepgaande analysePianificazione Strategica del Cool‑Off nel Gioco d’Azzardo Online – Come Trasformare le Pause in Strumenti di Benessereการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casino

পাকিস্তানের ২৬১ জন এমপি বরখাস্ত

সম্পদের বিস্তারিত তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তানের ২৬১ জন এমপিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। সোমবার তাদের বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন করা হয়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) সংসদ সদস্যদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পদের পূর্ণ বিবরণ দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল। দেশটির গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ৪২ এ ধারায় এই বিবরণ চাওয়া হয়েছিল।

সোমবার ইসিপির এক প্রজ্ঞাপনে বরখাস্তকৃত সংসদ সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির জাতীয় পরিষদ, সিনেট ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা। বরখাস্ত হওয়া সংসদ সদস্যরা নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানের সম্পদের তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে এমপিদের বরখাস্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ইসিপি। এমপিরা সম্পত্তির তথ্য দাখিল করলে এই বরখাস্ত প্রত্যাহার হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে দেশটির ৭জন সিনেটর, জাতীয় পরিষদের ৭১ জন এমএনএ, পাঞ্জাবের ৮৪ জন, সিন্ধুর ৫০ জন, খাইবার পাখতুনখাওয়ার ৩৮ জন এবং বেলুচিস্তানের ১১ জন এমপির সদস্য পদ বাতিল করেছে ইসিপি।

এর আগে সম্পদের তথ্য গোপন করায় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। অযোগ্য ঘোষণার পর নওয়াজ পদত্যাগ করেন। গত বছর সম্পদের তথ্য দিতে না পারায় ৩৩৬ জন সংসদ সদস্যকে বরখাস্ত করেছিল ইসিপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ২৯ অক্টোবর

রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে পৈতৃক বাড়িতে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ দিন ধার্য করেন।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন। তিনি জানান, গতকাল পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে একই বিচারক মো. জাহিদুল কবির একই ঘটনায় দায়ের করা দণ্ডবিধির আরেকটি মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১ জনকে অভিযুক্ত করে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন—গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহমেদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষের তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা ইইউর

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যার ঘটনায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নিধন করতে অভিযান চালানোর কারণে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কাছে যেকোনো ধরনের অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্যরা মিয়ানমারের সেনাপ্রধান এবং অন্য জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ বাতিল করবে। একই সঙ্গে সমস্ত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পর্যালোচনা করবে ইউরোপীয় দেশগুলোর এ জোট।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, যদি রাখাইনে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, সে ক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবছে তারা।

এদিকে, গত শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মুখপাত্র বলেছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের নিরাপত্তার জন্য শান্তিরক্ষা বাহিনী চায়।

রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর সহিংসতার শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্ট থেকে পাঁচ লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

গত বছরের অক্টোবরে রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশিচৌকিতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নিধন করতে তাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গা নারী-শিশুকে ধর্ষণ, হত্যাসহ তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে সম্পত্তি জবরদখলের প্রতিকার চান মুনছুর

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে দীর্ঘ দিনের ডিসিআর কৃত ভোগদখলীয় সম্পত্তি গায়ের জোরে জোর পূর্বক দখলের পায়তারার প্রতিবাদে আশাশুনিতে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মুনছুর আলীর সংবাদ সম্মেলন। সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে মৃত মনিরউদ্দীন সরদারের পুত্র মোঃ মুনছুর আলীর বাড়ীতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মুনছুর আলী জানান, বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ৮৮৯/১০২৫ দাগের খাস সম্পত্তি একসনা ডিসিআর ও পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বিগত ২০১০সাল থেকে চলতি ২০১৭ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ১একর ৪৫ ও ১একর ৮৫শতক জমি বাংলাদেশ সরকারকে রাজস্ব দিয়ে লোনা পানিতে মৎস্য চাষ ও বৃক্ষ রোপন করে আসছেন। যা তিনি দীর্ঘ দিন শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছে। সম্প্রতি বিএনপি ও জামায়েত সমর্থীত একই এলাকার শহিদুল ইসলাম (৪৮), পুত্র হাবিবুল্লাহ (২৪) ও রাশেদুল সরদার সহ কতিপয় ব্যাক্তিবর্গ আমাদেরকে (মুনছুর গং) জোর পূর্বক উক্ত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার পায়তারা করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলাও হয়েছে। যে মামলার তদন্তভার আশাশুনি থানা ঘুরে বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যানের উপর বর্তায়। ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. আ ব ম মোছাদ্দেক দু’পক্ষকে নিয়ে একাধিকবার বসাবসির এক পর্যায়ে শহিদুল গংদের উক্ত ডিসিআর কৃত সম্পত্তির কোন কাগজ পত্র না থাকায় আমাদের পক্ষে রায় দেন বিচারকবৃন্দ। এর আগে থানায় বসাবসির রায়ও আমাদের পক্ষে হয়। উক্ত রায় আামাদের পক্ষে হওয়ায় শহিদুল গংরা বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাদা দিতে অস্বীকার করায় তারা আমাদের মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি সাধন করার হুমকি প্রদান করে। শুধু এখানেই শেষ নয়, তারা আমাদের কোন দিক দিয়ে ক্ষতি সাধন করতে না পেরে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। এমতাবস্থায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে অসহায় মুনছুর আলী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিরাসনে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলভার জুবলি স্কুলে প্রকৃতি ও পুষ্টির গল্পের আসর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ‘কুলফি শাক শরীরে রক্ত তৈরি করে, ফোলা রোগ উপশম করে। গাদোমনি শাক রক্ত আমাশয় দূর করে। বউটুনি শাকে রয়েছে আয়রণ। কলার থোড় হাই প্রেসার রোধে কাজ করে। গিমি শাক ক্রিমি রোগের প্রতিষেধক। বেলে শাক কোষ্টকাঠিন্য দূর করে। ডুমুর ডায়বেটিসের প্রতিষেধক। মালঞ্চশাক ক্ষত সারতে কাজ করে। কচুর পাতা চোখের জন্য ভাল আর পিপুল সর্দি-কাশি দূর করে।’
এছাড়াও রয়েছে অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ব্রাহ্মি, কলমি, দস্তা কচু, হেলাঞ্চ, সাঞ্চি, বেতশাক, কলার মুচা, শাপলা, ঘ্যাটকল, কাটানটিসহ নানা প্রজাতির অচাষকৃত শাক লতা-পাতা।
সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের সুপ্রাচীন সিলভার জুবলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে আন্তর্জাতিক খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রকৃতি ও পুষ্টির গল্পের আসরে এসব শাক লতা-পাতার ওষুধি ও খাদ্যগুণ মুগ্ধ হয়ে শুনছিল শিক্ষার্থীরা।
বারসিক ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড স্ট্যাডিজ এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম ‘এসো প্রকৃতিকে জানি, পুষ্টির গল্প শুনি’ শীর্ষক এই গল্পের আসরের আয়োজন করে।
এতে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত এসব শাক লতা-পাতার গুণাগুণ তুলে ধরে পুষ্টির ফেরিওয়ালা খ্যাত যুব উদ্যোক্তা রুহুল কুদ্দুস ও বাবর আলী।
এ সময় তারা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত অচাষকৃত এসব শাক লতা-পাতার গুরুত্ব তুলে ধরে বাড়ির পতিত জমিতে সংরক্ষণ ও নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করে রোগ মুক্তি বা পুষ্টির চাহিদা পূরণের আহবান জানান।
এর আগে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিলভার জুবলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জী।
আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তফুরা খাতুন, সহকারী শিক্ষক ফাতেমা খাতুন, সহকারী শিক্ষক আফরোজা ফাতেমা, সহকারী শিক্ষক সুমিত্রা রানী, সহকারী শিক্ষক সুপর্ণা রানী, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ হাসান, প্রচার সম্পাদক নূরুল হুদা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের যুব সংগঠক ফজলুল হক, কমিউনিটি ফ্যাসিলেটর মাহিদা মিজান প্রমুখ।

 

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শালিসে ছাগল চোরের ১০ হাজার টাকা জরিমানা!

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : ছাগল চুরি করার পর শালিসি বৈঠকে জরিনা খাতুন নামের এক চোর ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও মুচলেখা দিয়ে রেহাই পেয়েছে। জরিনা খাতুন কালিগঞ্জ উপজেলাধীন কাজলা গ্রামের মৃত নুরমোহাম্মাদ সরদারের স্ত্রী। গত শনিবার সকাল ১০ টায় নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের নিজস্ব কার্যালয়ে এক শালিসি বৈঠকে এই স্বিদ্ধান্ত হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কাজলা গ্রামের মৃত আহদুল্যা বিশ্বাসের পুত্র আব্দুস সাত্তার বিশ্বাসের ১মাস আগে ৩টি ছাগল চুরি হয়। অনেক খোঁজাখুজির পর দেবহাটার আস্কারপুর গ্রামের মৃত গহর আলী গাজীর পুত্র পিয়ার আলী গাজীর বাড়িতে যেয়ে তার ছাগল ৩টি পায়। এসময় পিয়ার আলীর কাছে জানতে চাইলে জরিনা খাতুনের কাছ থেকে কিনেছেন বলে জানান। বিষয়টি জানতে পেরে জরিনা খাতুন গা-ঢাকা দেয়। এরপর ছাগলের মালিক আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস নলতা ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে গত শনিবার সকাল ১০ টায় নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের নিজস্ব কার্যালয়ে চেয়ারম্যান,সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গফুরসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক শালিসি বৈঠক বসে। উক্ত শালিসি বৈঠকে জরিনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা জরিমান ও মুচলেখা দেওয়ার স্বিদ্ধান্ত হয়। এদিকে জরিনা খাতুন শালিসি বৈঠকে হাজির না থাকায় তার পুত্র কবির হোসেন এই স্বিদ্ধান্ত মেনে নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সোমবার শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সামাজিক জবাবদিহিতা কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা সভা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাতক্ষীরা এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন মোঃ আব্দুল হান্নান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সাতক্ষীরা। তিনি বলেন, আমাদের আজকের আলোচনা অনেক কিছু জাগ্রত করেছে। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্য বলেন প্রতিটি অভিভাবকদের মোবাইল নাম্বার রাখতে হবে এবং নিয়মিত যোগাযোগ করতে হবে, যাতে শিশুদের ভিতরে যে অপরাধ প্রবণতা আছে সেটা কমে যায়। পূর্বে আমরা শিক্ষকদের দেখলে সম্মান করতাম, বাজারে দেখলে দোকানের আড়ালে চলে যেতাম কিন্তু এখন শিক্ষার্থীরা হোন্ডায় যায় তারপর শিক্ষকদের চিনতে পারে না। এই নৈতিকতার শিক্ষাও শিশুদের দিতে হবে। তিনি শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য আরও বলেন আপনারা বেতন পাচ্ছেন জনগনের ট্যাক্সের টাকায়, তাই কোন কিছু অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাবে সেটা হবে কেন ? সামান্য টাকার জন্যকোন কিছু নষ্ট হয়ে গেলে আপনারা তা নিজেরা মেরামত করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, এনজিওগুলো একটু সার্পোট দিবে কিন্তু আপনাদের নিজ দায়িত্বে স্কুল ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। এছাড়া তিনি বলেন, আপনারা নিজ দায়িত্বে একটি স্কুলকে মডেল করেন এবং এরকম প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন এস এম ছায়েদুর রহমান, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ডা: মো: আব্দুল লতিফ, উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, দেবহাটা, প্রণব কুমার মল্লিক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, দেবহাটা, বৃষ্টি সরকার, শিশু প্রতিনিধি, দেবীশহর গার্লস হাইস্কুল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অলোক কুমার তরফদার, সহ: জেলা শিক্ষা অফিসার, সাতক্ষীরা, মো: সোহাগ হোসেন, সহ: উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, দেবহাটা, মো: আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, দেবহাটা, অনিমা সিংহ, প্রধান শিক্ষক, দেবীশহর গার্লস হাই স্কুল, দেবহাটা, আহসানুর রহমান রাজিব, জেলা প্রতিনিধি, যমুনা টিভি, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মো: শরিফুল ইসলাম, অফিস ইনচার্জ, মো: মনিরুজ্জামান টিটু, সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার ও মো: জাহাঙ্গীর আলম, মিল এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসারসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিটু’র পিতা-মাতার জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় মীর হাবিবুর রহমান বিটু’র পিতা ও মাতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বাদ আছর শহরের মুন্সিপাড়াস্থ নতুন বাসভবনে মীর হাবিবুর রহমান বিটু’র পিতা মরহুম আকরাম আলী ও মাতা মরহুমা লুৎফুন্নেছার রুহের মাগফিরাত কামনা নতুন ঘরে গৃহ প্রবেশ উপলক্ষে এ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, কাজী ফিরোজ হাসান, সৈয়দ নাজমুল হক বকুলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এলাকার মুসুল্লী ও আত্মীয়-স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ সামছুদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest