সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

সাতক্ষীরার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : কিডনি বিকল হলে রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করার একমাত্র উপায় হলো ডায়ালাইসিস। বর্তমানে বাংলাদেশে এই চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম উদাহরণ তৈরি হচ্চে সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে। কম খরচে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিতে রোববার ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে ডায়ালাইসিসের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কাজী হাবিবুর রহমান।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ডা. মুহম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. এস জেড আতীক, ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. খান গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এখন সাধারণ মানুষের সেবার প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপ নিয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে রোগীদের জন্য মাত্র ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় ডায়ালাইসিস করা হবে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডা. কাজী আব্দুর রহমান, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সিনিয়র স্টাফ নার্স আঞ্জুমান আরাসহ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত

বুধহাটা প্রতিনিধি : আশাশুনির বুধহাটায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত হয়েছে। জানা গেছে উপজেলার মহেশ^রকাটি গ্রামের মৃত: অনাথ সরদারের পুত্র মহিন্দ্র সরদার(৪৮) একই এলাকার আনন্দ দাশের বাড়ির সামনের সড়কে খঁই গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হলে ঘটনাস্থানেই মৃত্যুবরণ করেন। এব্যাপারে আনন্দ দাশ ও স্থানীয়রা জানান রবিবার সকাল ১০টার দিকে আনন্দ দাশের বাড়ীর সামনের সড়কের ধার দিয়ে খঁই গাছের ডাল পল্লী বিদ্যুতের ৩৩হাজার ভোল্টের তার ছুই ছুই করছিলো। যে কোন সময় বিপদ ঘটতে পারে ভেবে স্থানীয় বাসিন্দা জৈনিক মহিন্দ্র সরদারকে ডাল ছাটানোর জন্য কাজে লাগান আনন্দ দাশ। ডাল ছাটার এক পর্যায়ে একটি বড় ডাল হেলে হাই ভোল্টের তারে জড়িয়ে গেলে গাছসহ মহিন্দ্র সরদার বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। জানাগেছে মৃত মহিন্দ সরদারের পরিবারে স্ত্রী, ১পুত্র ও ১কন্যা সন্তান রয়েছে। স্বামীর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে মহিন্দ্র’র স্ত্রী দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লজ্জার পরাজয় বাংলাদেশের !

দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনিং ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলার কাছেই হেরে গেল টিম বাংলাদেশ। অপরাজিত ডিকক ১৬৬* (১৪৪) আমলার ১১০* (১১০) রানে ম্যাচের ৪৪ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

কিম্বার্লিতে প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করতে নেমে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজের শুরুতেই দুর্দান্ত খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে টার্গেট দেওয়ার পর বোলিংয়ে ভালো শুরু হয়নি টাইগারদের। ব্রেকথ্রু আনতে পারেননি মাশরাফি মুর্তজা, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, সাইফউদ্দিন ও নাসির হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৭৯/০

ব্যাটিং: ডিকক ১৬৬* (১৪৪) আমলার ১১০* (১১০)।

বাংলাদেশ: ২৭৮/৭

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৭৮/৭। মুশফিকুর রহিম (১১০*), সাইফউদ্দিন(১৬), নাসির হোসেন (১১), সাব্বির রহমান (১৯), মাহমুদউল্লাহ (২৬), সাকিব (২৯), লিটন দাস (২১), ইমরুল কায়েস (৩১)।

বাংলাদেশ দল: ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল: কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা, ফাফ ডু প্লেসি, এবি ডি ভিলিয়ার্স, ডেভিড মিলার, জেপি ডুমিনি, আন্দ্রিলে ফিকোযাও, কাগিসো রাবাদা, ডেন পিটারসন, ইমরান তাহির ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে: সিইসি

ন্যাশনাল ডেস্ক : বিএনপির নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। রবিবার বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে সিইসি এ মন্তব্য করেন। তিনি জিয়াউর রহমানসহ বিএনপি সরকারের নানা ইতিবাচক কর্মকা- তুলে ধরেন।

সকাল ১১টায় সিইসির সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশন ভবনে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেন।
সংলাপের সূচনা বক্তব্যে বিএনপি গঠনের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি গঠিত হয়। এতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তি যোগ দেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৭৯ সালে সংসদ নির্বাচন হয় যেখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছিল। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসে।’

সিইসি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে, দলনেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান ছয় বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি প্রায় ৯ বছর আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। পরে ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে ২১০ আসনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে।’
সংলাপে অংশ নেওয়া বিএনপি নেতাদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আজকের সংলাপে যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের অনেকেই সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মহান জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সংসদ পরিচালনা করেছেন। অনেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনায় ভূমিকা রেখেছেন।’
বিএনপি সরকারের বিভিন্ন কর্মকা- তুলে ধরে সিইসি বলেন, ‘দেশ পরিচালনাকালে বিএনপি সরকার দেশে অনেক নতুন ধারার প্রবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, পৃথক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করা, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠন, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, আইন কমিশন গঠন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছরে উন্নীতকরণসহ অনেক উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কার্যক্রম।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। তাদের সফল রাষ্ট্রপরিচালনার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বৃহৎ রাজনৈতিক দল পরিচালনায় তাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আজকের সংলাপের দিকে জাতি তাকিয়ে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন অধীর আগ্রহ ও অত্যন্ত আন্তরিকতা নিয়ে, অতি ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করছে।’ নির্বাচন কমিশন বিএনপির সঙ্গে সফল সংলাপ প্রত্যাশা করে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোস্তাক আহমেদ রবিকে আবারও এমপি হিসেবে চায় আহলেহাদীছ আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পুনর্গঠন ও আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহাঃ আলতাফ হোসেনের সংবর্ধনা উপলক্ষে কর্মী ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে কদমতলা আহলেহাদীছ জামে মসজিদে আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে কর্মী ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম কখনও সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করেনা। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে যারা বিভ্রান্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’ আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহাঃ আলতাফ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আমরা আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ জেলার সকল সদস্য জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল কর্মকা-ে আমরা সম্পৃক্ত থাকবো। শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সাফল্যে সদরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অকল্পনীয় তাই আবারো মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে সদরের এমপি হিসেবে চাই।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এড. স.ম গোলাম মোস্তফা, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহাঃ আলতাফ হোসেন ও আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা মো. সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, অর্থ সম্পাদক কেরামত আলী, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, সৈয়দ নাজমুল হক বকুল। মো. আব্দুল খালেক সভাপতি ও আব্দুর রউফ আনছারীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সদর উপজেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান. সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার কে. এম. আরিফুল হক, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল হান্নান, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘোষ সনৎ কুমার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম ছায়েদুর রহমান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ, বিআরটি’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ চেীধুরী, সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা এ. কে. এম আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা টিএন্ডটি’র উপ-বিভাগীয় টেলিকম প্রকৌশলী শোকর আনা, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. খালিদ জাহাঙ্গীর, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত সুজিৎ কুমার, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ প্রমুখ।
সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তির অর্থায়নে সাতক্ষীরা পৌরসভার মাধ্যমে কুকরালী এলাকার ০৩ নং পানি শোধানাগার প্লান্ট দিয়েছেন সেটি দ্রুত চাল করতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পিডিবির আরিকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রসঙ্গে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত, ন্যাশনাল সার্ভিস কার্যক্রম বিষয়, স্বল্পমূল্যে ওমএস’র মাধ্যমে চাউল বিক্রয় করা, শহরের খড়িবিলা মোজাফ্ফার গার্ডেন সড়কের রাস্তা নির্মাণ, গুনগতমান বজায় রেখে শহরের প্রধান সড়ক সমূহ নির্মাণ ও মেরামতের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সংক্রান্ত, শহর বাইপাস সড়কের কাজের অগ্রগতি বিষয়ে প্রধান প্রধান সিদ্ধান্ত সমুহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের উন্নয়ন পর্যালোচনা করে দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। এসময় সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশি হত্যায় সৌদিতে দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাবুল হুসেইন জব্বার নামে এক বাংলাদেশিকে হত্যার দায়ে দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে।

আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার কুমার ভাস্কর নাম এবং লিয়াকত খান রহমান নামের ওই দুই ভারতীয় নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়।
সৌদি প্রেস এজেন্সীর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সৌদি গেজেট।

খবরে বলা হয়, জব্বার যে কোম্পানিতে চাকরি করতেন, সেই কোম্পানি থেকে টাকা চুরি হওয়ার সময় বাধা দেন তিনি। এসময় পেটে ছুরিকাঘাত করেছিলেন নাম। অপরদিকে রহমান জব্বারের গলা কাটার সময় নাম জব্বারকে জাপটে ধরে রেখেছিলেন। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর রিয়াদে নাম ও রহমানের শিরশ্ছেদ করা হয়।
এদিকে, বিপুল পরিমাণ পরিমাণে আমফটামিন ঔষধ রাখার দায়ে একই দিন সৌদি নাগরিক ফালহান আল-সবেই এবং ফিলিস্তিনের মুহাম্মাদ জুমা আনবার আল-জওফের শিরশ্ছেদ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোদির সাথে কিমের তুলনা করে ২২ ব্যবসায়ী শ্রীঘরে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-আনের সাথে তুলনা করে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন কানপুরের একদল ব্যবসায়ী।

শহরের একটি ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে কানপুর জুড়ে হোর্ডিং লাগানো হয়েছিল, কিম যেভাবে দুনিয়াকে ধ্বংস করতে চান, মোদিও না কি সেভাবেই ভারতে ব্যবসাপাতি ধ্বংস করে দিচ্ছেন।

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ওই ২২জন ব্যবসায়ী অবশ্য মুচলেকা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

তবে সম্প্রতি চালু হওয়া জিএসটি কর ও গত বছরের নোটবন্দী নিয়ে দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে যে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তা শাসক দল বিজেপিও পুরোপুরি অস্বীকার করতে পারছে না – আর কানপুরের ঘটনাতেও তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।

আসলে ভারতের ‘বানিয়া’ সমাজ, অর্থাৎ ট্রেডার বা ব্যবসায়ীদের বরাবরই বিজেপি-র সমর্থক বলে ধরা হয়ে থাকে।

ফলে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে সেই বানিয়ারাই যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার স্বৈর শাসক কিম জং-আনের তুলনা করে পেল্লায় সব পোস্টার লাগান, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না বর্তমান সরকারের আমলে ব্যবসায়ীরা ঠিক স্বস্তিতে নেই।

কানপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার ভার্মা বলছিলেন, “শহরের গোবিন্দনগর থানা এলাকায় এমন বেশ কিছু হোর্ডিং লাগানো হয়েছিল। যাতে পাশাপাশি ছিল কিম জং-আন আর নরেন্দ্র মোদির ছবি, একজনের ছবির নিচে লেখা দুনিয়াকে বরবাদ করেই আমি থামব – আর প্রধানমিন্ত্রীজির ছবির নিচে লেখা ব্যবসাপাতিকে বরবাদ না-করে আমি থামব না।”

এই হোর্ডিং জনরোষ তৈরি করেছে, এই অভিযোগে পুলিশ তাতে নাম থাকা রাজু খান্না-সহ মোট ২২জন ব্যবসায়ী নেতাকেই আটক করে।

মুচলেকা দিয়ে তারা আপাতত জামিন পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু সাড়ে তিন মাস আগে ভারতে চালু-হওয়া গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স বা জিএসটি-তে যে ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস উঠেছে সেই বাস্তব তাতে আড়াল করা যাচ্ছে না।

দিল্লির সব্জিমান্ডিতে যেমন ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ, ব্র্যান্ডেড তরিতরকারিতে এই নতুন কর বসেছে -অথচ ‘ব্র্যান্ডেড সব্জি’ বলতে কী বোঝায় সেটাই স্পষ্ট নয়।

চাঁদনি চকে শুকনো ফলের পাইকারি বাজারেও বিভ্রান্তি চরমে, কারণ সেখানে কর শুধু বাড়েইনি – বাদামে ১২ শতাংশ আর কাজুতে ৫ শতাংশ জিএসটি নিয়েও গন্ডগোল হচ্ছে।

কানপুরে আটক হওয়া ব্যবসায়ীরা অবশ্য বলেছেন, তাদের প্রধান ক্ষোভ ছিল গত বছরের নোটবন্দীর পর থেকে ব্যাঙ্কগুলো তাদের কাছ থেকে খুচরো পয়সা আর নিতে চাইছে না।

বস্তুত নোটবন্দী আর জিএসটি-র এই জোড়া আক্রমণেই কিন্তু ভারতের ব্যবসায়ীরা দিশেহারা বোধ করছেন।

গত বছরের নোটবন্দীর মতোই জিএসটি-র নতুন পদ্ধতিতে সাধারণ ব্যবসায়ীরাই বেশি ভুগছে বলে তাদের দাবি। পেট্রোল-ডিজেলে কেন জিএসটি বসিয়ে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হল না, সে প্রশ্নও উঠছে।

নতুন চালু হওয়া জিএসটি পদ্ধতিতে এমন বহু জিনিসের ওপর কর বসেছে, যাতে আগে কখনও কর ছিল না। এর মধ্যে একটা হল জামাকাপড়।

রেডিমেড পোশাকের মতো এখন ছিটকাপড়েও কর বসায় গরিবরা ভুগছেন বলে ব্যবসায়ীদের দাবি। দোকানে ঢুকে ক্রেতারা যখন শুনছেন জিএসটি গুনতে হবে, তারা ফিরে যাচ্ছেন।

ভারতে ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম সারির নেতা ওপি আগরওয়াল তাই স্পষ্টই বলছেন, “চিরকাল বিজেপিকে সমর্থন করে আসার পর আমরা ব্যবসায়ীরা মোদি সরকারের কাছ থেকে কখনওই এটা আশা করিনি।”

কিন্তু ব্যবসায়ীদের এই ক্ষোভ-অসন্তোষ কি বিজেপি টের পাচ্ছে না? দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলছিলেন, “জিএসটি নিয়ে ব্যবসায়ীদের কিন্তু আপত্তি নেই। হ্যাঁ, এর পদ্ধতিগত দিক নিয়ে তাদের কিছু বক্তব্য ছিল – কিন্তু এখন সেটা অনেকটাই সরল করে দেওয়ার পর তাদের মধ্যে বেশ সন্তোষ আর খুশি দেখা যাচ্ছে।”

“আসলে ট্রেডার বা ব্যবসায়ীরা চিরকালই আমাদের পক্ষে। সাময়িকভাবে তাদের হয়তো কিছুটা অসুবিধা হচ্ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের পর সে বিতর্ক মিটে গেছে। এখন শুধু কংগ্রেস ওই ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে।”

কিন্তু যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর মোদির সঙ্গে কিম জং-আনের তুলনা করে পোস্টার পড়ছে, তাতেই কি স্পষ্ট নয় জিএসটি-তে ব্যবসায়ীরা নারাজ?

রাহুল সিনহা অবশ্য একমত নন। তার যুক্তি, “নারাজ কথাটার প্রয়োগই এখানে ভুল। ব্যবসায়ীরা শুধু চেয়েছিলেন, জিএসটি পদ্ধতি সরল করা হোক। নারাজ এক জিনিস, আর এই দাবি জানানো সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস।”

জিএসটি-র জটিলতায় ব্যবসায়ীরা যে এখনও নাজেহাল, তা অবশ্য প্রকাশ হয়ে পড়ছে নানা ভাবেই। কানপুরে মোদি ও কিমের তুলনা-টানা হোর্ডিং তারই একটা প্রতীকী দৃষ্টান্ত, যা দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলছে বিজেপির কপালে।

তথ্য সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest