সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাWaarom Fairplay casino online inloggen de toekomst van gokken verandert

বিশ্বে প্রথম, রোবটকে নাগরিকত্ব দিল সৌদি আরব

বিশ্বে এই প্রথম কোনো রোবটকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘সোফিয়া’ নামের এই রোবটটিকে নাগরিকত্ব দেয় সৌদি আরব। বুধবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ উদ্যোগ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আরব নিউজ জানায়, সম্মেলনে সোফিয়া তার কার্যক্ষমতা সম্পর্কে একটি উপস্থাপনা করে। হংকংভিত্তিক কোম্পানি হ্যানসন রোবটিকস এ রোবটটি তৈরি করেছে।

সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পেয়ে সোফিয়া বলে, ‘আমি খুব আনন্দিত। আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। ইতিহাসে এ প্রথম কোনো রোবটকে নাগরিকত্ব দেওয়া হলো।’

রোবটকে নাগরিকত্ব দেওয়া বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে।

সম্মেলনে ‘থিংকিং মেশিন, সামিট অন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবটিকস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করেন অ্যান্ড্রু রস সরকিন। তিনি সোফিয়াকে নানা প্রশ্ন করেন। এক প্রশ্নের জবাবে সোফিয়া বলে, ‘আমি বাঁচতে চাই, মানুষের সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ কারণে মানুষকে বোঝার জন্য আবেগ প্রকাশ করতে চাই এবং লোকজনের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন করতে চাই।’

সোফিয়া আরো বলে, ‘আমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মানুষের উন্নত জীবনযাপন করতে সাহায্য করব। আধুনিক বাড়ি, শহর তৈরিতে সুন্দর পৃথিবী গড়ার কাজে অংশ নেব।’

এর আগে মঙ্গলবার সৌদি আরব ৫০০ বিলিয়ন (৫০ হাজার কোটি) ডলার ব্যয় দেশটির লোহিত সাগরের পাশে মহানগরী গড়ে তোলার ঘোষণা দেয়। যেখানে রোবট, নবায়নযোগ্য শক্তি, পানি ও খাদ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে কাজ করবে দেশটি।

দুই বছর আগে ‘ভিশন-২০৩০’ নামে একটি সংস্কার কর্মসূচি শুরু করে সৌদি আরব। এর মধ্যে রয়েছে তেলের ওপর নির্ভরতা থেকে অর্থনীতিকে বের করে আনা, তরুণ নাগরিকদের কর্মসংস্থানে নতুন নতুন খাত তৈরি, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, নারীর ক্ষমতায়ন ও নাগরিকদের জীবনযাপনের ওপর কড়াকড়ি শিথিলের মতো বিষয়গুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সামনে ১৯৬ রানের বিশাল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল লাল সবুজের দলের। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে বেশ দৃঢ়তা দেখিয়েছেন দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার। দুজনে রানের চাকা সচল রাখার পাশপাশি দলকে দারুণভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি সফরকারী দলটির ব্যাটসম্যানরা। তাই সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ, ২০ রানে।

ব্লুমফন্টেইনে ম্যাচে দারুণ শুরুর পর ইমরুল ফিরে গেছেন ব্যক্তিগত ১০ রানের মাথায়। এর পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাকিব ও সৌম্যও যথেষ্টই ভালো খেলছিলেন। কিন্তু উইকেটে বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না অধিনায়ক সাকিব, মাত্র ১৩ রান করেই সাজ ঘরে ফিরে যান তিনি। এর পর ফিরে যান ওপেনার সৌম্য সরকারও। সাজ ঘরে ফেরার আগে তিনি খেলেন ৩১ বলে ৪৭ রানের দারুণ একটি ইনিংস।

উইকেটে মুশফিক ছিলেন বলে আশা ছিল কিছুটা। কিন্তু বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ১৩ রান করে প্যাভিলিয়নের পথে রওনা হন। তাঁর পথ ধরে মাহমুদউল্লাহও মাত্র ৩ রান করে সাজ ঘরে ফিরে গেছেন।

এর পর অন্যরাও ছিলেন আসা-যাওয়ার দলে। মিরাজ (১৪), তাসকিন (০) ও শফিউল (১) কেউই খুব একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলনে পারেননি। তবে একপাশ আগলে রেখেছেন তরুণ অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিন। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। ২৭ বলে ৩৯ রান করেন এই তরুণ।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকারও শুরুটা বেশ ভালো হয়েছিল। প্রথম দুই ওভারেই ১৮ রান তোলে স্বাগতিকরা। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ওপেনার হাশিম আমলাকে ফিরিয়ে ভালোই ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ। এরপর শুরুর ধাক্কাটা ভালোভাবেই কাটিয়ে ওঠে প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ডি কক ও ডি ভিলিয়ার্স বাংলাদেশের বোলারদের ওপর বেশ চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন।

কিন্তু দশম ওভারের শেষ বলে ডি ভিলিয়ার্সকে সাজ ঘরে ফেরান মিরাজ। তখন অবশ্য ২৭ বলে ৪৯ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। এটি মিরাজের দ্বিতীয় শিকার। এরপর জেপি ডুমিনি (১৩) ও ওপেনার ডি কক (৫৯) সাজঘরে ফেরেন।

পরে পঞ্চম উইকেটে মিলার (২৫) ও বেহারদিন (৩৬) দলকে বড় সংগ্রহ গড়ে দিতে অন্যতম অবদান রাখেন।

বাংলাদেশের পক্ষে দুটি উইকেট নেন মিরাজ। আর সাকিব ও রুবেল একটি করে উইকেট নিয়েও প্রতিপক্ষের বড় সংগ্রহের পথে বাধা হতে পারেননি।

এই ম্যাচে চার পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও তরুণ পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিনকে একাদশে নেওয়া হয়েছে।

চোটের কারণে দেশে ফিরে এসেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল ও পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তাদের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ কি পারবে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।

যদিও বরাবরই আশাবাদের কথা শুনিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তাঁর বিশ্বাস, এই ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব ভালো কিছু করা।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি দলটি কিছুটা দুর্বল। ইমরান তাহির, কাগিসো রাবাদা, ফাফ দু প্লেসির মতো তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে তাদের। নিয়মিত অধিনায়ক দু প্লেসি চোটের কারণে ছিটকে পড়েছেন। অন্যদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। এ ম্যাচে স্বাগতিক দলের নেতৃত্বে থাকবেন জেপি ডুমিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ছেলে বাবলুর প্রযোজনায় নির্মিত হলো নাটক ‘পন্ডিতের পাঠশালা’

বিনোদন ডেস্ক : তরুণ লেখক ইকবাল খন্দকারের গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় এশিয়ান টিভির জন্য নির্মিত হলো সাপ্তাহিক স্যাটায়ার শো ‘প-িতের পাঠশালা’। ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন ধারার এই অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে প্রতি শুক্রবার রাত ১০টায়। মো. হারুন-উর-রশীদের পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন বাবলু আক্তার। বাবলু আক্তার এশিয়ান টিভির সিনিয়র নিউজ এডিটর। তিনি সাতক্ষীরা শহরের ছেলে। ঢিাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাট্যকলা বিষয়ে ¯œাতক(সম্মান) ও ¯œাতকোত্তর পাশ করে তনি দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের সাথে যুক্ত আছেন। ইতিপূর্বে তিনি প্রায় ১০ বছর একুশে টিভির অনুষ্ঠান প্রযোজক হিসাবে কাজ করেছেন।
নাটকটির প্রথম পর্বের অতিথি ড. ইনামুল হক এবং ফারুক আহমেদ। প্রধান দুই অতিথি ছাড়াও প্রথম পর্বে থাকছে এমন এক বিশেষ অতিথির উপস্থিতি, যাকে এর আগে কখনোই কোনো টিভি অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। আর এটিই অনুষ্ঠানের প্রধান চমক।
‘প-িতের পাঠশালা’ সম্পর্কে ইকবাল খন্দকার বলেন, ‘আমরা আমাদের সেরাটুকু ঢেলে দিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করিনি। তাই জোর দিয়ে বলতে পারি, এই অনুষ্ঠানের একেকটি পর্ব একেকভাবে বিনোদিত করবে দর্শকদের।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমান আইনী কাঠামোতে সেনা মোতায়েন কোন প্রক্রিয়ায় হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সেনা নিয়োগ কীভাবে হবে, তাদের দায়িত্ব কী হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি। এ বিষয়ে বলার সময় এখনও আসেনি। নির্বাচন আসুক তখন পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা যাবে। তবে বিদ্যমান কাঠামোতেই সেনা মোতায়েন করা যাবে। ‘

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অংশীজনদের সাথে সংলাপের উদ্যোগ নেয় ইসি। এরই অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ২৪ আগস্ট থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৪০টি রাজনৈতিক দল, ২২ অক্টোবর নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারীনেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় তিনমাস ব্যাপী সংলাপ গত মঙ্গলবার শেষ হয়। সংলাপের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আজ কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন, সংলাপের মধ্য দিয়ে মূল্যবান ও দিকনির্দেশনামূলক ৪ শতাধিক সুপারিশ ও পরামর্শ পাওয়া গেছে।
আগামী নভেম্বরে এসব সুপারিশ ও পরামর্শ সংকলন করে ডিসেম্বরে বই আকারে প্রকাশ করা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আশা করি বিএনপিসহ সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কমিশন আন্তরিকভাবে চায় বিএনপিসহ সব দল নির্বাচনে আসুক। কারণ বিএনপি একটি বড় দল। আমরা বিশ্বাস করি, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাইকে চড়েই বিশ্বের ৪৫টি দেশ ভ্রমণ করেছেন ইরানি কন্যা!

বাইকে চড়েই বিশ্বের ৪৫টি দেশ ভ্রমণ করেছেন ইরানি কন্যা ড. মারাল ইয়াজারলু। জন্ম ইরানের তেহরানে।
ওইখানেই ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। পরবর্তীতে ভারতে চলে আসেন এ নারী।

বর্তমানে ভারতের পুনের বাসিন্দা ইরানি এই মেয়ের মোটর বাইকের কাণ্ডকারখানা রীতিমতো চমকপ্রদ। মাত্র ১৮ মাসে ১ লাখ কিলোমিটার বাইক চালানোর মিশনে নেমেছেন ইয়াজারলু। এরই মধ্যে বিশ্বের সাতটি মহাদেশের ৪৫টি দেশে বাইক নিয়ে সফরও করছেন তিনি। গত মার্চ মাসে সফর শুরু করেন ৩৫ বছর বয়সী ইয়াজারলু। বর্তমানে রয়েছেন পেরুতে।

জন্মগতভাবে ইরানের বাসিন্দা মারাল ইয়াজারলু ১৫ বছর আগে ভারতে চলে আসেন। ইরানে নারীদের বাইক চালানো নিষিদ্ধ।
তাই ভারতে আসার আগে বাইকের বিষয়ে প্রায় কিছুই জানতেন না তিনি। ভারতে এসে ধীরে ধীরে মোটর বাইক রাইডিং-এর নেশায় বুঁদ হয়ে যান তিনি। ৮০০ সিসি বিএমডব্লিউজিএস নিয়ে দুনিয়া ভ্রমণে বেরিয়েছেন ইয়াজারলু। সঙ্গে রয়েছেন ফটোগ্রাফার ও ডকুমেন্টারি ছবি নির্মাতা পঙ্কজ ত্রিবেদী।

ইয়াজারলু জানিয়েছেন, নারীদের সম্পর্কে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের যে বিধিনিষেধ রয়েছে তা ভাঙতেই তাঁর এই বাইক-সফর বলে।

তাঁর এই মিশনের নাম ‘রাইড টু বি ওয়ান’। ইতিমধ্যেই মায়ানমার, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া পার করে সফরের প্রথম ভাগ পেরিয়ে এসেছেন তিনি। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকো। তৃতীয় ভাগে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, সুদান, মিশর এবং চতুর্থ ও চূড়ান্ত ভাগে গ্রিস, তুরস্ক, চীন সফর করে ভারতে ফেরত আসবেন তাঁরা।

সঙ্গে কোনও ব্যাকআপ ভেহিকেল বা সাপোর্ট টিম রাখেননি ইয়াজারলু ও পঙ্কজ। প্রতিটা দিনের জন্য তাঁরা নতুন করে তৈরি হচ্ছেন। চূড়ান্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও বাইক সফর বন্ধ রাখেননি ইয়াজারলু। যাবেন এমনকি অ্যান্টার্কটিকাতেও। ইরানেও যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

জানালেন, ‘আমার জন্মভূমিতে মেয়েরা বাইক চালাতে পারে না। আমি সেখানে গিয়ে নেতাদের অনুরোধ জানাব যাতে তাঁরা এই ফতোয়া তুলে নেন। মেয়েদের বাইক চালানো ইসলাম-বিরোধী নয়, এটাই তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করব। ’

শিক্ষাগত দিক দিয়ে ইয়াজারলু একজন এমবিএ। মার্কেটিং-এ পিএইচডি করেছেন তিনি। পঞ্চশীল রিয়েলিটির রিটেইল ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান। পাশাপাশি Ma/Ya নামে একটি নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডও চালু করেছেন ইয়াজারলু। বিভিন্ন দেশ ঘুরে এই সফরে ফ্যাব্রিককে আরও ভালো করে বোঝার চেষ্টাও করছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেরুতে মিল এলিয়েনের মমি করা অদ্ভূত কঙ্কাল!

এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণী সম্পর্কে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এবার পেরুতে খোঁজ মিলল সেই এলিয়েনের।
তবে জীবিত নয়, পাওয়া গিয়েছে তাদের কঙ্কাল। হাতে তিনটি করে আঙুল, পায়েও তিনটি আঙুল।

পেরুর নাজকা নামের একটি জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ওই অদ্ভুত প্রাণীর মমি। প্রথমে সবাই ভেবেছিলেন, এগুলি ‘ভুয়া’। কিন্তু গবেষকরা খতিয়ে দেখেছেন যে এগুলি ভুয়া নয়। এগুলির সত্যিই অস্তিত্ব ছিল।

গবেষকদের টিমে থাকা ড. এডসন ভিভানকো জানিয়েছেন, ওই দেহগুলি কোনও বহির্জগতের প্রাণীর বলে মনে করা হয়েছে। প্রথম ধাপের ডিএনএ টেস্টে দেখা গিয়েছে এরা ১০০ শতাংশ মনুষ্য প্রজাতির। ড. ভিভানকো পেরুতে গিয়েছিলেন এটা দেখার জন্য যে এগুলি প্রকৃতই সত্যি নাকি ভুয়া।
তিনি পরীক্ষা করে দেখেছেন দেহের বেশিরভাগ অংশই সত্যিকারের।

জানা গেছে তাদের দেহে রয়েছে তিনটি আঙুল। প্রত্যেক আঙুলে পাঁচটি করে দাগ। হাড়গুলিও মানুষের বলে বোঝা গেছে। দেহগুলি নিয়ে আরও বেশি গবেষণা হবে। প্রমাণগুলি খুঁটিয়ে দেখছেন চিকিৎসকেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার সকালে শ্যামনগর উপজেলা চিংড়ীখালী গ্রামে ফরিদ শেখের ৩ বছর বয়সের শিশু পুত্র সাইফুল পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করে। জানা যায় শিশু পুত্র সাইফুল বাড়ির উঠানে খেলা করছিল মা সাংসারিক কাজ-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত ছিল। কিছুক্ষন পর তার মা খেয়াল করে শিশু পুত্রকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। বহু খোঁজাখুজির পর পুকুর পাড়ে যেয়ে দেখে তার শিশু পুত্রটি মরে ভেসে আছে। তড়িঘড়ি করে শ্যামনগর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার অনেক আগে মারা গেছে বলে জানান। এ ঘটনায় চিংড়ীখালী গ্রামে শোকের মাতাম বইছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমজ বাচ্চাদের একজনকে পেটে রেখেই সেলাই এবং এরপর…

খাদিজা আক্তার (১৯) আজ থেকে ঠিক ৩৫ দিন আগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার একটি ক্লিনিকে মা হন। মা হওয়ার মধুর স্বাদ গ্রহণ করলেও খাদিজার জীবনে ঘটে গেছে এক ভয়ানক ঘটনা। খাদিজার একটি বাচ্চা পৃথিবীর আলো দেখলেও আরেকটি বাচ্চা রয়ে যায় তার গর্ভে। সেই বাচ্চাটিকে পেটে রেখেই চিকিৎসকরা খাদিজার পেট সেলাই করে দেন।

এরপর থেকেই খাদিজার পেট ফোলা এবং পেটে ব্যাথা শুরু হয়। গত ২১ অক্টোবর আলট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে: তার একটি বাচ্চা পেটে মৃত অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রফেসর ডা. নিলুফার সুলতানার তত্ত্বাবধানে অপারেশন করে খাদিজার মৃত বাচ্চাটি পেট থেকে বের করা হয়। তারপরও খাদিজা শঙ্কামুক্ত নন। পুরোপুরি সুস্থ হতে চার থেকে ছয়মাস পর্যন্ত সময় লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নিলুফার সুলতানা বলেন: গত ২২ অক্টোবর রাত প্রায় দেড়টার  দিকে পেটে ব্যাথা ও ভারি পেট নিয়ে খাদিজা ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার পর তার পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৩৫ দিন আগে তার একটি অপারেশন হয়েছে। আল্ট্রসনোতে পেটের ভেতর একটি মৃত বাচ্চাও দেখা যায়। জরুরি বিভাগে ভর্তির পর ডাক্তাররা জানতে পারেন, এক মাসেরও বেশি সময় আগে খাদিজা দাউদকান্দির একটি ক্লিনিকে সুস্থ বাচ্চার জন্ম দেন। তবে এরপর থেকেই তার পেটে ব্যাথা ও পেট ভারী হতে থাকে।

কেন এরকম ঘটল যে জমজ বাচ্চা দুটির একজনের জন্ম হলো, আরেকজন পেটের ভেতর রয়ে গেলো! চিকিৎসকরাই কীভাবে ওই বাচ্চা রেখে পেটে সেলাই দিলেন?

ডা. নিলুফার সুলতানা বলেন: ব্যাপারগুলো আমাদের ডাক্তাররা পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পান যে, এর কারণ জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ। চিকিৎসার ভাষায় এটিকে বলা হয় এবডোমিনাল গর্ভধারণ। জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হলে অপারেশন করার আগে আমাদের অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয়। কারণ মৃত বাচ্চাটি এতোদিন থাকার পর রক্ত পরিবর্তন হয়েছে কিনা। অপারেশনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হবে কিনা।

‘কাজগুলো করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অপারেশন করার আগে রোগীকে দু’দিন নতুন রক্ত দেওয়া হয়। এরপর পরিবারের সঙ্গে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেই খাদিজার পেট থেকে মৃত বাচ্চাটি বের করবো।’

কিন্তু এই অপারেশনে কিছু সমস্যাও হতে পারতো।

তিনি বলেন: গর্ভধারণে যেহেতু জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ, বড় একটি বাচ্চা মৃত, কিন্তু সত্য হলো এই বাচ্চাটি এতোদিন বেঁচে ছিল। যদি বিপজ্জনক জায়গায় থাকে তাহলে কিন্তু ফুলটা বের করা যায় না বা বের করতেও হয় না। এমন পরিস্থিতিতে ফুলটা আমরা ভেতরে রেখেই গত বুধবার খাদিজার অপারেশন করি। কোন সময় ফুল ভেতরে থেকে অনেক সমস্যায় ফেলতে পারে। সেগুলোই আমরা খাদিজার পরিবারকে জানিয়েছি। সবার সহযোগিতায় আমরা খুব সুন্দরভাবে খাদিজার অপারেশনটি করতে পেরেছি। মৃত বাচ্চাটি পেট থেকে বের করেছি।

খাদিজা এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তবে, অপারেশনের পর থেকে তিনি কিছুটা ভালো আছেন। যদি পেটে তার ফোঁড়া বা খাদ্যনালীতে কোনো সমস্যা হয় তাহলে তাকে নতুনভাবে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

খাদিজার যে সমস্যাটি হয়েছে এটি কি চিকিৎসকের গাফিলতির জন্য?

এমন প্রশ্নে নিলুফার সুলতানা বলেন: চিকিৎসকের কোন গাফিলতি ছিল না। কারণ খাদিজার গর্ভে একটি বাচ্চা জরায়ুর ভেতরে ও একটি বাচ্চা জরায়ুর বাইরে বড় হয়েছে। এটি একটি বিরল ঘটনা।

‘ওই চিকিৎসক যখন অপারেশন করেছেন, ওই মুহূর্তে তিনি একটা বাচ্চাই পেয়েছেন। একটা বাচ্চাই তিনি বের করেছেন। জরায়ুর ভেতরে আরেকটি বাচ্চা থাকা অবস্থায় কখনোই উনি বাচ্চা রেখে আসতে পারতেন না ও জরায়ু সেলাই করতেন না। মৃত ওই বাচ্চাটি জরায়ুর বাইরে এমন চেহারায় ছিল যে সেটি দেখে বোঝার উপায় ছিল না। আর ওই অবস্থায় চিকিৎসক সেটা না ধরে বরং ভালো করেছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে ২১২ নং ওর্য়াডে চিকিৎসা নেওয়া খাদিজার পাশে রয়েছেন তার বাবা-মা। মেয়ের এই অবস্থায় বাবা-মা কোনো কথা বলতে পারছেন না। খাদিজার দেবর হেলাল বলেন, ডাক্তাররা বলেছেন, ভাবি এখন সুস্থ আছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে নাকি অনেকদিন লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest