সর্বশেষ সংবাদ-
অসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটামশনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভাসব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

পাচারকারীদের চোখ রোহিঙ্গা শিশুদের দিকে

ঝড় থেমে গেলে যেমন সবকিছু শান্ত হয়ে আসে, ঠিক তেমনি অবস্থা বিরাজ করছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হামলা-ধর্ষণের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে উপকূলবর্তী বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের। কিন্তু নূর আলমের চোখে-মুখে সেই স্বস্তি নেই; কারণ গত দুদিন ধরে তিনি তাঁর ছয় বছরের মেয়েটিকে খুঁজে পাচ্ছেন না।

নূর আলমের মেয়ে ফাতিমা পাহাড়ের পাদদেশে ঘরের কাছেই ল্যাট্রিনের কাছে বসে খেলাধুলা করছিল, সর্বশেষ তাকে সেখানেই দেখা গেছে। কিন্তু তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রচণ্ড রোদের মধ্যে খুঁজতে খুঁজতে হাঁপিয়ে ওঠা নূর আলম ক্রোধের স্বরেই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলছিলেন, ‘কেউ আমার মেয়েটার কোনো খবর দিতে পারছে না।’ এ সময় নূর আলমের পাশে বসে ছিলেন বাকরুদ্ধ, ক্লান্ত তাঁর স্ত্রী।

‘আমার খুব ভয় হচ্ছে, কেউ যদি আমার মেয়েকে বিক্রি করে দেয়, অন্য কোথাও নিয়ে যায়। অনেকেই আমাকে বলেছে, এখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে’, যোগ করেন নূর আলম।

নূর আলমের এই ভয় অমূলক নয়।

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বিপদসংকুল নদী ও সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে গত দুই মাসে ছয় লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, যারা কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। এই শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বিপন্ন জনগোষ্ঠীর ওপর নারী ও শিশু পাচারকারীদের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলার জের ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে। সেখান থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছেন, গ্রামের পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে সেনাবাহিনী আর নারীরা প্রতিনিয়ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। সেনাবাহিনী সেখানে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে রয়েছে বৌদ্ধ মগরাও।

বলপূর্বক বাস্তুচ্যুতির এই ঘটনা রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘দেশহীন জনগোষ্ঠীতে’ পরিণত করেছে। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী’ উদাহরণ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে।

মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে যেসব রোহিঙ্গারা আসছেন তাদের প্রতি ১০ জনের ছয়জনই নারী ও শিশু। এই সুযোগটিকেই কাজে লাগানোর জন্য ওত পেতে বসে আছে পাচারকারীরা। নারী ও শিশুদের গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগের প্রলোভন দিচ্ছে। এর মধ্যে আবার হাজারো শিশু রয়েছে, যারা রাখাইনের সংঘাতপূর্ণ অবস্থার মধ্যে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জনস্রোতে ভেসে বাংলাদেশে এসেছে। এদের অনেকেরই বাবা-মা মারা গেছে, অনেকে আবার পরিবারকে হারিয়ে ফেলেছে।

জাতিসংঘের শিশু অধিকার রক্ষাবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রধান জেন লিবি বলেন, ‘এটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ একটি অবস্থা। যে কোনো তরুণী পাচারকারীদের ফাঁদে পা দিয়ে ফেলতে পারেন।’

পাচারকারীরা

রোহিঙ্গা যুবক নাজির আহমেদ দুই মাস আগে শরণার্থী ক্যাম্পের ভেতর একটি তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করেন। তাঁর কাজ হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। এখন পর্যন্ত এমন এক হাজার ৮০০ হারিয়ে যাওয়া শিশুকে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন নাজির।

নাজিরের তথ্যকেন্দ্রের সম্বল হচ্ছে একটি কাঠের টেবিল আর একটি মাইক। তিনি বলছিলেন, ‘রোহিঙ্গারা এখানে নতুন এসেছে। তাদের জন্য এই জায়গাটা নতুন। অনেক বাচ্চাই নিজেদের ঘর থকে একটু দূরে গেলেই পথ হারিয়ে ফেলে। আর ফিরে আসতে পারে না।’

একদিন সকালে রয়টার্সের প্রতিবেদক তথ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান সেখানে নাজির আহমেদের চেয়ারের পাশে হারিয়ে যাওয়া দুটি বাচ্চা বসে আছে। মাইকে নাজির বলছেন, ‘রোহিঙ্গা ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, হারিয়ে যাওয়া দুটি শিশু পাওয়া গেছে, তারা এখন আমাদের কাছে আছে।’

শিশুদের বর্ণনা দিতে গিয়ে নাজির অব্যাহতভাবে মাইকে বলছিলেন, ‘তাদের গায়ে লাল ও হলুদ টি-শার্ট রয়েছে। একজনের পরনে প্যান্ট নেই, আরেকজনের হাতে একটি খেলনা রয়েছে। কেউ যদি শিশু দুটিকে শনাক্ত করতে পারেন তাহলে তাদেরকে নিয়ে যেতে পারবেন।’

সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নাজির শিশুদের নাম বলছিলেন না। কারণ, এটা হচ্ছে শিশুদের পাচারকারীদের হাত থেকে বাঁচানোর কৌশল। বাবা-মাকে এসে শিশুটিকে শনাক্ত করার জন্য ঠিকমতো নাম বলতে হয়, পাশাপাশি শিশুটিকেও আচরণের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করতে হয় যে, আগতরা তার বাবা কিংবা মা।

শুধু হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাদের খুঁজে দেওয়াই নয়, নাজির আহমেদ ক্যাম্পের বাসিন্দাদের নারী ও শিশু পাচারকারীদের সম্পর্কেও সচেতন করছেন। এই তো একদিন আগেই সকালবেলা ফুটপাত থেকে একটি শিশুকে চুরির চেষ্টা করছিল। বাচ্চার আচরণে বোঝা যাচ্ছিল ওই ব্যক্তি তার পরিবারের না। পাশের দোকানে বাচ্চাটির আত্মীয় কেনাকাটা করছিল, নাজির সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাকে বিষয়টি জানান।

নাজির বলছিলেন, ‘আমরা সব বাবা-মাকেই সতর্ক করে দিয়ে বলছি, এখানে পাচারকারী আছে, তারা যেন তাদের বাচ্চাদের প্রতিমুহূর্ত দেখে রাখে।’

কিছুক্ষণ পরেই নাজিরের সেই দুটি শিশু হারানোর ঘোষণার ফল ফলতে শুরু করল। হঠাৎ করেই একজন নারী এসে নাজিরের টেবিলের সামনে দাঁড়ালেন। লাল-টি শার্টওয়ালা শিশুটি সেই নারীর দিকে দুই হাত বাড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো অনবরত কাঁদতে শুরু করল।

শিশুটির মা দেলোয়ারা বেগম সন্তানকে পাওয়ার আবেগে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ‘আমার সোনামানিককে আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। সেদিন সকালে সে তার বাবার পিছু পিছু গিয়ে হারিয়ে যায়।’

‘কেউ কেউ আমাকে বলেছে, ছেলেটি হয়তো মরে গেছে। কেউ বলেছে, হয়তো পাচারকারীদের হাতে পড়েছে। কিন্তু যখন জানতে পারলাম যে, আমার সন্তান এখানে আছে, আমি খুবই খুশি হই। মনে হচ্ছে, আমি যেন হাতে চাঁদ পেয়েছি’, যোগ করেন দেলোয়ারা।

শ্রমদাস

রোহিঙ্গা নারী ও শিশুরা যে বাংলাদেশে শুধু পাচারের ভয়ের মধ্যে আছে, তা নয়। ইউনিসেফ জানাচ্ছে, অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানদের শ্রমদাস হিসেবে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কক্সবাজারের বিভিন্ন মাছের আড়তেই যাচ্ছে বেশির ভাগ রোহিঙ্গা শিশু। মাছের মৌসুমের নয় মাসের জন্য শিশুপ্রতি মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে রোহিঙ্গা অভিভাবকরা ১৮ হাজার টাকা পাচ্ছেন। অর্থাৎ প্রতি মাসের একজন শিশুর শ্রম বিক্রি করে বাবা-মা দুই হাজার টাকা কামাই করছেন।

ইউনিসেফ ২০০৬ সালে সহিংসতার মধ্যে পালিয়ে আসা এমন ৪০০ শিশুকে স্কুলে পাঠানোর পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও ছোটখাটো ব্যবসা করার সহযোগিতা দিয়েছে। জাতিসংঘের এই সংস্থা সাম্প্রতিক সময়ে যারা এসেছে তাদেরকে এই ধরনের নগদ সাহায্য দেওয়ার পক্ষে, কিন্তু লাখ লাখ রোহিঙ্গা পানি ও ওষুধের মতো জীবনদায়ী জিনিসের জোগান দিতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পকেন্দ্রিক পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত ফাতেমার বাবা নূর আলম। তিনদিন টানা খোঁজাখুঁজির পর তিনি ফাতেমাকে কুতুপালংয়ের একটি রাস্তায় খুঁজে পান। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, ‘এই সময়ে আমার মেয়েটি সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য  দিতে পারেনি। মানসিকভাবে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। এখন আমি খুবই খুশি। আমি জানতেও চাই না, ফাতেমা কোথায় ছিল, কেন গিয়েছিল। আমি তাকে পেয়ে গেছি এটাই যথেষ্ট।’

(রয়টার্সের প্রতিবেদন অবলম্বনে অনুবাদ)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসকের হাড়দ্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল পরিদর্শন

দেবহাটা ব্যুরো : সাতক্ষীরা জেলার প্রথম মিড ডে মিল চালু হয়েছে হাড়দ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে চালু হয় দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা। প্রতিমাসে ৪০ হাজার টাকা মূল্যের প্রয়োজন হয় এই খাবার পরিবেশন করতে যার অর্থ দাতা স্থানীয় জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। বুধবার দুপুরে তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চালু হওয়া দুপুরের খাবারের মান পরিক্ষা করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ অহিদুল আলম, জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আল ফেরদাউস আলফা, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার জনাব ভুধর চন্দ্র সানাসহ শিশুদের অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। এসময় জেলা প্রশাসক ও অতিথিরা শিশুদের সাথে দুপুরের খাবারে অংশ গ্রহন করে। পরে শিশুদের মা দের সাথে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হাড়দদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার একটি মডেল হতে চলেছে, অজ পাড়াগায়ে অবসতিত এ প্রতিষ্ঠানটির সুনাম আজ বহু জায়গায় ছড়িয়েছে। তিনি আরো বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি দেশের একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরা না থাকলে রাস্তায় ফ্যা ফ্যা করে ঘুরতে হবে : আ ‘লীগকে ইনু

ইনু। সবগুলো দল মিলেই পুরো এক টাকা হয়, তা না হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও কোনো লাভ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা ফুটবল মাঠে জাসদের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইনু।

আওয়ামী লীগ নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দল করি কিন্তু ঐক্য করি। অনেকে বলেন, কারো নাকি দয়ায় মন্ত্রী হয়েছি। আমি একটা কথাই বলব ঐক্য প্রশ্নে এক টাকা চিনেন? এক টাকা, ১০০ পয়সায় এক টাকা। আপনার ৮০ পয়সা থাকতে পারে কিন্তু আপনি এক টাকার মালিক না। আপনার ৯৯ পয়সা থাকতে পারে কিন্তু আপনি এক টাকার মালিক না। যতক্ষণ এক টাকা হবে না ততক্ষণ ক্ষমতা পাবেন না। আপনি ৮০ পয়সা আর এরশাদ, দিলীপ বড়ুয়া, মেনন আর ইনু মিললে এক টাকা হয়। আমরা যদি না থাকি তাহলে ৮০ পয়সা নিয়ে রাস্তায় ফ্যা ফ্যা করে ঘুরবেন। এক হাজার বছরেও ক্ষমতার মুখ দেখবেন না।’

এ সময় আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট গঠনের ব্যাখ্যাও দেন হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া রাজাকারের নেত্রী। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের। শেখ হাসিনা মানুষের, খালেদা জিয়া জঙ্গির। আমি তাই দেশের জন্য হাসিনার সঙ্গে ঐক্য গড়েছি। খালেদাকে বর্জন করেছি। দেশের জন্যই আমি তাই বলি, আর রাজাকার সরকার না।’

নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান জাসদ সভাপতি। বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার উপরে আস্থা রেখে আমাকে তথ্যমন্ত্রী বানিয়েছেন। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন এর আগে কোনোদিন তথ্যমন্ত্রী অন্য দল থেকে হয়নি।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশকে যদি রক্ষা করতে চান, উন্নয়ন চান, শান্তি চান তাহলে ১৮ সালের ডিসেম্বরে যথাসময়ে নির্বাচন করতে হবে। সংবিধান রক্ষা করতে হবে। জাসদের শক্তি আছে, লাঠি আছে। আমরা যদি মনে করি জাসদের লাঠি যেই, রাস্তায় যাবে, সেই রাস্তায় আর কেউ থাকবে না।’

‘দেশ ও এলাকায় শান্তি এবং উন্নয়নের ধারা বজায় রাখুন, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ-দখলবাজি-দুর্নীতিবাজদের রুখে দাঁড়ান’ স্লোগানে শুরু হওয়া জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আলীম স্বপন, জাতীয় নারী জোটের সভাপতি আফরোজা হক রীনা, কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী প্রমুখ।

সভাপতিত্ব করেন মিরপুর উপজেলা জাসদের সভাপতি মহাম্মদ শরীফ। জনসভায় স্থানীয় জাসদের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা-সখিপুর সড়কে শর্ত সাপক্ষে ট্রাক চলাচলের অনুমতি

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা সখিপুর প্রধান সড়কে কয়েক দিন বন্ধ থাকার পর শর্ত সাপক্ষে ১০ টি ট্রাক চলাচল করার অনুমতি দিল স্থানিয় নেতৃবৃন্দরা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক নির্মানের স্বার্থে এবং দেবহাটা-সখিপুর সড়কটি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাসে প্রতিদিন রাতে বালুবাহী ট্রাক চলাচল করতে পারবে বলে ঘোষনা দিলেন স্থার্নীয় জনপ্রতিনীধিরা। বুধবার বিকাল ৪ টায় ঈদগাহ বাজার শহীদ মিনার চত্তরে স্থার্নীয় জনসাধারনের উপস্থিতিতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতনের সভাপতিত্বে জবাবদিহীতা মূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সখিপুর ইউপি সদস্য আবুল হোসেন, জগন্নাথ মন্ডল, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রুহুল আমিন খোকন প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা ওসি’র সাথে শ্রমিকলীগের শুভেচ্ছা বিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামাল হোসেনের সাথে নবগঠিত শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯ টায় দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জের অফিস কক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ, সদস্য রাজিব হোসেন জজ, সিরাজুল ইসলাম, মোঃ ইব্রাহীম হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগরে ১৯০ জন দরিদ্র কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ৮ নভেম্বর শ্যামনগর উপজেলা কৃষি অফিস বাস্তবায়নে উপজেলা চত্বরে ধান কাটার রিপার, সার ও বিভিন্ন প্রকার বীজ বিতরণ করেণ সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস,এম,জগলুল হায়দার। এ সময় শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মহসিন উল মূলক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান, প্রেসক্লাব সভাপতি জি,এম,আকবর কবীর, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবুল হোসেন সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। সরকারি ৭০% ভর্তুকিতে ২৫টি ধান কাটার রিপার, প্রত্যেক কৃষককে ৮০ জনের ১কেজি সরিষা, ডিএপি ২ কেজি, এমওপি ১০কেজি, ৮০জনকে কেজি মুগ ডাল ডিএপি ১ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, ১০জনকে তিল ১ কেজি, ডিএপি ২০ কেজি, এমওপি১০কেজি, ২০জনকে ২ কেজি ভুট্রা, ডিএপি২০কেজি, এমওপি ১ কেজি সার প্রত্যেক দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। বিতরণ পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থহ্যতা কামনা করে দোয়া ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। কৃষকরা উন্নত কৃষি উপকরণ, বীজ ও সার পাওয়ায় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা তুলে ধরতে অজপাড়া গাঁয়ে এমপি রবি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে সদরের প্রত্যন্ত অজপাড়া গায়ে মাটি ও মানুষের মাঝে সুখ-দুঃখ ও চাওয়া পাওয়া নিয়ে আশা-আঙ্খাংখার বহি-প্রকাশ ঘটালেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। তিনি বুধবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাটিয়াডাঙ্গা, নেহালপুর, যুগিপোতা ও সুকদেবপুর এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘সমগ্র বিশ্বে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি রোল মডেল। আর এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। উন্নয়ন কর্মকান্ডকে এগিয়ে নেয়ায় সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকা জরুরী এমন মন্তব্য করে এমপি রবি বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলেই উন্নয়ন গতিশীল হবে। সেটা নিশ্চয়ই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর যেসব উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণ করেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা সেগুলো একে একে শেষ করেছেন। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বলেই আজকের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়েছেন। আর ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা বিজয়ী হতে পারলেই এই উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হবে। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে জঙ্গি দমন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। দেশে আবারো জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। আবারো সারা দেশে বোমাবাজি হবে। তাই জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি জনগণের সাথে থাকবে, না জঙ্গিবাদের সাথে থাকবে।
২০১৪ সালে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছিল বলেই আজকে স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেশের বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।’ এসময় বিভিন্ন এলাকার মানুষ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার সুস্থতা কামনা করেন ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, নির্বাহী সদস্য জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উড়তে থাকা সিলেটকে মাটিতে নামালো খুলনা

লক্ষ্যটা খুব একটা কঠিন ছিল না। শুরুর জোড়া আঘাতে পরিস্থিতি একটু ঘোলাটে হয়েছিল এই যা। শেষ পর্যন্ত সহজ লক্ষ্য সহজেই পেরিয়ে গেছে খুলনা টাইটানস। টানা তিন ম্যাচ জিতে উড়তে থাকা সিলেট সিক্সার্সকে মাটিতে নামিয়ে মাহমুদউল্লাহরা পেয়েছে চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম জয়। সিলেটের ৫ উইকেটে করা ১৩৫ রানের জবাবে খুলনা ১২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ৪ উইকেট হারিয়ে। যাতে ৬ উইকেটের জয়ে সিলেট পর্ব শেষ করল খুলনা।

ভয়ই পাইয়ে দিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম! এই স্পিনার খুলনার ব্যাটসম্যানদের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ত্রাস হয়ে। বোল্ড করে তিনি ফেরান দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) ও চ্যাডউইক ওয়ালটনকে (১১)। দুই বলের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর খুলনার হাল ধরেন মাইকেল ক্লিঙ্গার। খানিক সময় সঙ্গ দিয়েছেন তাকে রাইলি রোসো। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকান এই ব্যাটসম্যান রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন ক্রিসমার সান্তোকির হাতে। উইকেট শিকারি সেই তাইজুল। ৪৩ রানে খুলনার হারানো ৩ উইকেটের সবটাই এই স্পিনারের।

সিলেটের আশার পালে হাওয়া লেগেছিল তখন খুব। যদিও সেটা স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গী নিয়ে জয়ের পথটা তৈরি করেন ক্লিঙ্গার। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ২৭ রান করে আউট হলেও হার না মানা ৪৭ রানের ইনিংস খেলে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ক্লিঙ্গার। ৩৬ বলে ৫ বাউন্ডারিতে সাজানো তার ইনিংসটির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় কার্লোস ব্রাথওয়েটের ইনিংসটি। মাঠে নেমে ১৬ বলে হার না মানা ২৩ রানের ইনিংস খেলে খুলনার জয়টা আগেভাগে নিশ্চিত করেছেন ক্যারিবিয়ান এই অলরাউন্ডার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest