সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাWaarom Fairplay casino online inloggen de toekomst van gokken verandert

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেলী ফেরদৌস

ন্যাশনাল ডেস্ক : কক্সবাজার থেকে আটক ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি)’র সাত সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার পর তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ডিবি সদস্য হিসেবে তাদের বাড়তি কোন সুবিধা পাবার অবকাশ নেই বলে সাফ জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও ওই সাতজনের কীর্তি-কলাপে লজ্জিত। তবে, আর দশটা সাধারণ অপরাধীর মতোই তাদেরকে বিবেচেনা করা হবে। তদন্তের পর প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তারা অবশ্য বলছেন, বিষয়টি নিয়ে আলাদাভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে কোন বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন নেই। সেনা সদস্যরা ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ডিবি সদস্যদের আটক করলেও দু’বাহিনীর আন্তঃ সম্পর্কেও কোন টানাপোড়েন বা সমস্যার সৃষ্টি হবে না, হওয়ার কোর কারণও নেই।
যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেলী ফেরদৌস বলেন, কক্সবাজারে আটকরা ডিবি পুলিশের সদস্য বলে আলাদা কোন সুবিধা পাবে না। তদন্তের পর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেনাবাহিনীর হাতে পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার বিষয়ে তিনি বলেন: কেউ অপরাধ করে থাকলে বা দেশের ভাবমূর্তি, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করলে সে যে বাহিনীরই হোক না কেন অপরাধী বলে গণ্য হবে। আর কোন অপরাধীর কারণে দুই বাহিনীর মধ্যে সম্পর্কে উন্নয়ন-অনুন্নয়নের কোন প্রশ্নই ওঠেনা।
‘অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে শাস্তি পেতেই হবে। এটাই আইনের শাসন।’
এ নিয়ে পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন কোন সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সোহেলী ফেরেদৌস বলেন: নতুন করে কিছু বলা বা নির্দেশনা দেওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে পুলিশ বাহিনী মনে করছে না। কারণ আমরা যখন চাকুরি করতে আসি তখনই আমাদের যাবতীয় নিয়ম শৃঙ্খলা শেখানো হয়। কীভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করবো, ভালো থাকবো, সরকারি দায়িত্ব পালন করবো সবই আমাদের জানিয়ে দেওয়া হয়।
‘যে যার বিষয়ে দায়িত্বশীল। কারো একক অপরাধের দায় বাংলাদেশ পুলিশ নেবে না। আর তাই আলাদাভাবে কাউকে সচেতন করার কোন প্রয়োজন এখানে নেই।’
বুধবার ভোরে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র এসআই মনিরুজ্জামান, আবুল কালাম আজাদ, এএসআই গোলাম মোস্তফা, ফিরোজ আহমদ, আলা উদ্দিন এবং কনস্টেবল মোস্তফা আলম ও আল আমিনকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে তাদেরকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
তাৎক্ষণিক ওই সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ প্রশাসন। সাতজনই এখন কারাগারে আছেন।
টেকনাফ পৌরসভার মধ্যম জালিয়াপাড়ার মৃত হোসেন আহমদের পুত্র আবদুল গফুরকে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের থানার পেছনের রোড সংলগ্ন আল গনি রেস্তোঁরা থেকে খাবার খেয়ে বের হওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাসে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
বুধবার ভোরে ১৭ লাখ টাকা আদায় করে গফুরকে ছেড়ে দেয়া হয়। এর পরপরই টাকাসহ সেনা বাহিনীর হাতে আটক হয় ডিবি পুলিশের ৬ সদস্য। সেনাবাহিনীর তল্লাশীর সময় এসআই মনিরুজ্জামান দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আটক করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত উপ পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল জানান, অভিযুক্ত ৭ ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে হাজিরের পর কক্সবাজার কারাগারে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেভাবে খাবারের ফরমালিন পুরোপুরি দূর করা যায়

ফরমালিনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সংক্রমিত হতে না দেয়া। অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাককে মেরে ফেলতে পারে।
রং তৈরি, বস্ত্রখাতে কাপড় কুঞ্চিত হতে না দেয়া, সংরক্ষণ, বিস্ফোরণ এবং পলিমার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। তবে ফরমালিন মানব স্বাস্থ্যের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক পদার্থ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। যদিও আজকাল ফরমালিন ছাড়া খাবারজাতীয় কোনো কিছু পাওয়া এককথায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ফলে ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে একেবারে সহজ কিছু উপায় অবলম্বন করে খাদ্য থেকে ফরমালিন পুরোপুরি দূর করা যায়।

অনেকেরই ধারণা, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে খাদ্যদ্রব্য থেকে ফরমালিন দূর হয় বা কমে যায়। অাসলে কমলেও তা অতটা কার্যকর নয়। তার চেয়ে বরং কাঁচা অবস্থায় খাবার থেকে ফরমালিন অপসারণ করতে চাইলে পানির কল ছেড়ে তার নিচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। কারণ কাঁচাসবজি ও ফলের ত্বকে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে।
অার পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন আরো ভালোভাবে খাবারে মিশে যেতে পারে। তাই পানির কল ছেড়ে তার নিচে নির্দিষ্ট খাবার দ্রব্য বা ফলটি রেখে দিন।

ভিনেগার বা লেবুর রসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখেও ফরমালিন দূর করা যায়। আগুনের তাপে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে ফরমালিন কমানোর পদ্ধতি ব্যবহার করে রান্না করলে খাবার পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত করা সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৌসিফ-নাদিয়ার ‘লং ডিস্টেন্স’

‘চোখের আড়াল মানেই মনের আড়াল’। কেউ চোখের আড়াল হলে তার শূন্যতা মানুষ কতটুকু অনুভব করে।
এখনকার প্রজন্মের বন্ধুত্ব এবং এই বন্ধুত্বের মাঝখানের সম্পর্কগুলো নিয়েই মূলত গল্পের শুরু।

এই প্রজন্মের দুজন, যারা একে-অপরের খুব ভালো বন্ধু। এক পর্যায়ে ছেলেটি মেয়েটিকে রেখে বিদেশ চলে যায়। তখনই মেয়েটি অনুভব করতে থাকে ছেলেটির শূন্যতা। এই শূন্যতা কি সম্পর্কগুলোকে গাঢ় করে, না কি তা অচিরেই হারিয়ে যায়, এমন একটি প্রশ্নের উত্তর রেখেই নির্মিত হয়েছে নাটক ‘লং ডিস্টেন্স’।

শ্রাবণী ফেরদৌসের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন এই সময়ের টিভি পর্দার জনপ্রিয় দুই মুখ তৌসিফ মাহবুব ও নাদিয়া আফরিন মিম।

তৌসিফ-নাদিয়া ছাড়াও নাটকটিতে দেখা যাবে বাপ্পী সাইফ, নওরিন আফরোজা, মিলি বাসারসহ অনেককে। খুব শিগগিরই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়কে চড় দিলেন শাওন! (ভিডিও)

অভিনেতা শাহারিয়ার নাজিম জয়কে চড় দিলেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। কিন্তু কেনো? জয় কি এমন দোষ করেছিল যে তাকে চড় দিলেন জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন স্ত্রী।

তবে কিছু তো অবশ্যই করছেন। তা না হলে কেনই বা তাকে চড় দিবেন শাওন। তবে অবাক হবারই কথা। শাওন হাত দিয়ে জয়েকে চড় মারেননি। চড় দিয়েছেন কথা দিয়ে। আবার সেটা নিজেই ফেসবুক লাইভে এসে জানিয়ে দিলেন দর্শকদের।

নিজের ফেসবুক ওয়ালে কিংবা ফেসবুক লাইভে নয় বলা হচ্ছে- টিভি অভিনেতা শাহারিয়ার নাজিম জয়ের উপস্থাপনায় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানের কথা। ‘সেন্স অপ হিউমার’ নামের এই অনুষ্ঠানটিতে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন শাওন। আর এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপক জয় একপর্যায়ে শাওনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন।

এ প্রসঙ্গে শাওন বলেন, সেন্স অপ ফিউমারের যিনি উপস্থাপক তিনি চেষ্ঠা করেন কড়া কড়া প্রশ্ন করে অতিথিকে বিপদে ফেলতে। বিপদে ফেলেও দেন কিছুটা। যেমন কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর আমরা যেভাবে দিতে চাই সেভাবে অনস্ক্রিনে দেওয়া যায় না। অনেক রুরো সত্য সব সময় বলা যায় না। সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় আজকে আমি অনেক সত্য বলেছি। অনেক বেশি বলে ফেলেছি। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থাপক জয় আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। যার জন্য আমি ঠিক করেছি তাকে একটা চড় দেব। তো লাইভে চড়টা দিতে চাই না।

তিনি আরও বলেন, উনি (জয়) যে আমাকে একটা বাজে প্রস্তাব দিয়েছেন। তার জন্য তাকে লাইভে চড়টা দিতে চাই না। কারণ এটা দেখতে খুব অড লাগবে। তবে সব সময় যে হাত দিয়েই চড় দিতে হয়; এমন কিছুও নয় কিন্তু। মাঝে মাধ্যে কথা দিয়েও চড় দেওয়া যায়। আমি লাইভে কথা দিয়েই চড়টা দিয়ে দিলাম।

শাওন বলেন, এমন প্রস্তাব আমি আর কখনো আপনার (জয়) কাছ থেকে আশা করছি না। এরপর থেকে আপনি (জয়) আমাকে আপা কিংবা খালাআম্মা বলে ডাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রেনেও নাচ করতেন মাধুরী দীক্ষিত!

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ‘অবোধ’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিতের। তারপর ‘ধাক ধাক গার্ল’ হিসেবে বলিউডে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের নৃত্যশৈলীতেও অনেক নায়িকাদের পেছনে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু সেই মাধুরী দীক্ষিত নাকি কখনও ট্রেনেও নাচ করতেন বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম স্পটবয়-এর খবর অনুযায়ী, ছোট থেকেই নাকি নাচের প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল মাধুরী দীক্ষিতের। আর তাই কোথাও কিছু বাজতে শুরু করলেই কোমর দোলাতে শুরু করতেন মাধুরী। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে মাধুরী বলেন, ছোটবেলায় একবার যখন মায়ের সঙ্গে ট্রেনে সফর করছিলেন, তখন আচমকাই ট্রেনের মধ্যে নাচ করতে শুরু করেন ছোট্ট মাধুরী। যা দেখে রীতিমত চমকে যান মাধুরীর মা। ‘জায়গায় এসে বসো’ বলে মেয়েকে ধমকানও তিনি।

এরপর বলিউডে যত পোক্ত হয়েছে মাধুরীর পায়ের নীচের জমি, তার চেয়েও বেশি শক্ত হয়েছে নৃত্য শিল্পী হিসেবে মাধুরীর কৃতিত্ব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭০ জনকে হত্যায় ‘জড়িত পাকিস্তানি কসাই’ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক : ‘চুক্তিভিত্তিক খুনি’ পাকিস্তানি এক নাগরিক হাঙ্গেরিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইন্টারপোল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। ‘পাকিস্তানি কসাই’ বলে পরিচিত ওই ব্যক্তি পাকিস্তানে ৭০টি হত্যায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি পাকিস্তানে তালিকাভুক্ত মোস্ট-ওয়ান্টেড ব্যক্তি। ‘চুক্তিভিত্তিক খুনি’ পাকিস্তানি এক নাগরিক হাঙ্গেরিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইন্টারপোল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তারে আগেই পরোয়ানা জারি করে। দেশটিতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৭০টি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি পাকিস্তানে তালিকাভুক্ত মোস্ট-ওয়ান্টেড ব্যক্তি।

হাঙ্গেরি পুলিশ জানিয়েছে, অভিবাসীদের একটি দলকে অস্ট্রিয়ায় পাচার করা হচ্ছিল। ওই দলের ভেতর থেকে পাকিস্তানি ওই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পেশাদার অস্ত্রধারী অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বয়স ৩৫। তিনি ‘পাকিস্তানি কসাই’ বলে পরিচিত।

অস্ট্রিয়ান ফেডারেল ক্রিমিনাল ব্যুরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে বলি এলাকা থেকে পাকিস্তানি ওই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
বলি এলাকাটি হাঙ্গেরির ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া সীমান্ত এলাকায়। পাকিস্তানি ওই নাগরিককে কবে দেশটিতে ফেরত পাঠানো হবে সে ব্যাপারে কয়েক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখাইনে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

মিয়ানমারের রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের জন্য গঠিত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অব্স্থান তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তিন সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পররাষ্ট্র বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তাদের কাছে আমাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছি।রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখাইনে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।’

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন প্রধান ইন্দোনেশিয়ার মারজুকি দারুসমান, প্রতিনিধি শ্রীলঙ্কার রাধিকা কুমারাস্বামী ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস্টোফার ডমিনিক সিডোটি গত রবিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা আসেন। পরদিন থেকে কক্সবাজার পরিদর্শনসহ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সহায়ক দল আগে থেকেই কক্সবাজারে কাজ করছিল। মূল দল এ সপ্তাহে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছে।’ তিনি বলেন, ‘দলের প্রতিনিধিরা কী দেখেছেন, এ বিষয়ে আমরা জানতে চাইলে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলেই তারা জানান।’

এই দল আবার আসবে কিনা, জানতে চাইলে, সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা আবার আসবেন বলে আমাদের ঈঙ্গিত দিয়েছেন।’

রাখাইনে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের মার্চে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল এই স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন গঠন করে। যে মিশনের কাজ হচ্ছে, সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে একটি রিপোর্ট দেওয়া।
প্রসঙ্গত, ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন’-এর প্রতিনিধিরা মিয়ানমার যেতে চাইলেও দেশটির সরকার তাতে আগ্রহ দেখায়নি। এদিকে, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন গঠনের পরপরই এর প্রতিনিধিরা আগ্রহী ব্যক্তি, গ্রুপ ও সংস্থার কাছে রাখাইনে ২০১১ সাল থেকে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান। ২০১২ সালে রাখাইনে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়। সে কারণে তারা ২০১১ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করছে। আগ্রহীরা তাদের বক্তব্য লিখিত আকারে আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা দিতে পারবেন।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসমান জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে তার প্রথম মৌখিক বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের কাছে পরিষ্কার যে, বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটছে, যার প্রতি দৃষ্টি দেওয়া এখনই প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলা, সচক্ষে অঞ্চলটি দেখা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা আমাদের জন্য জরুরি। এ কারণে আমরা মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাদের অনুরোধ করেছি যেন আমাদের সব জায়গায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আমরা বিশ্বাস করি, মিয়ানমার সরকার ও জনগণের স্বার্থে তারা প্রমাণসহ মত জানাবে।’

বাংলাদেশেও এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকর্মীরা কাজ করছেন জানিয়ে মারজুকি বলেন, ‘আমাদের রিপোর্ট সম্পন্ন করতে আমাদের আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আটক গাড়ি ও এর যন্ত্রাংশ বেচে দেন এই পুলিশ কর্মকর্তা!

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাস্তা থেকে গাড়ি আটক করে থানায় এনে কখনও তা বিক্রি, আবার কখনও এর যন্ত্রাংশ বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তিনি হাইওয়ে থেকে একটি বেবিট্যাক্সি আটক করে থানায় আনার পর তা বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন গাড়িটির মালিক ইদ্রিস আলী। সার্জেন্ট মাহবুব এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) রাতে সার্জেন্ট মাহবুব দাবি করেন, ‘বেবিট্যাক্সিটি ইদ্রিস আলীকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে’। তবে ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আমাকে অন্য একটি বেবিট্যাক্সি দেওয়া হয়েছে, আমার বেবিট্যাক্সি দেওয়া হয়নি।’

শনিবার (২১ অক্টোবর) বেবিট্যাক্সির মালিক ইদ্রিস আলী জানান, কাচপুর হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মাহবুব আলম কোরবানি ঈদের ২০ দিন আগে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার মহাসড়ক থেকে তার নম্বরপ্লেটহীন বেবিট্যাক্সি আটক করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে যান। তিনি বেবিট্যাক্সিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য সার্জেন্ট মাহবুবকে অনুরোধ করলে তাকে বকা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

পরে ইদ্রিস আলী এক নিকটাত্মীয়ের সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) লিয়াকত হোসেন খোকার কাছে গিয়ে তার বেবিট্যাক্সিটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এমপি খোকা তাৎক্ষণিক কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যকে পুলিশের কাছ থেকে ইদ্রিস আলীর বেবিট্যাক্সিটি ছাড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেন। ওই ইউপি সদস্য কাঁচপুর হাইওয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম আলী সরদারের কাছে বেবিট্যাক্সিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। গত ১০ অক্টোবর ওসি কাইযুম আলী সার্জেন্ট মাহবুবকে এক সপ্তাহের একটি মামলা দিয়ে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন। ওসির পরামর্শে মাহবুব আলম ওই গাড়ির মালিককে চার হাজার ৭শ’ টাকা জরিমানা করে একটি মামলা করেন।

ইদ্রিস আলী আরও জানান, তিনি হাইওয়ে পুলিশের এএসপি সার্কেল অফিসে জরিমানার টাকা জমা দিয়ে জরিমানার রশিদ সার্জেন্ট মাহবুবকে দেখালে তিনি গাড়ি ছাড়তে গড়িমসি করেন। এক পর্যায়ে তিনি মালিককে (ইদ্রিস আলীকে) ওই গাড়ি না দিয়ে মহাসড়ক থেকে আটক অন্য একটি গাড়ি নিয়ে যেতে বলেন।
ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আমি জরিমানা দিয়েছি ১০ অক্টোবর। কিন্তু ১৩ অক্টোবর থানায় গিয়ে আমার গাড়িটি আর দেখিনি। ভেবেছিলাম, গাড়িটি পুলিশ অন্য কোথাও রেখেছে। এখন দেখি গাড়িটি উধাও হয়ে গেছে।’

এদিকে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সার্জেন্ট মাহবুবের এমন আচরণ নতুন নয়। এর আগেও তিনি অন্য চালকদের গাড়ি আটক করে গাড়ির যন্ত্রাংশসহ কারও কারও গাড়িই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকার অপর ভুক্তভোগী চালকরা। আটক করা ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজির ব্যাটারি ও গ্যাস সিলিন্ডারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ খুলে স্থানীয় গ্যারেজে তিনি বিক্রি করে দেন এমন অভিযোগ করেছেন তারা।
কাঁচপুর এলাকার আরেক সিএনজিচালক আবুল হোসেন দাবি করেন, ‘কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় দীর্ঘ সময় গাড়ি পড়ে থাকলে গাড়ির ব্যাটারি, গ্যাস সিলিন্ডার বা প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ খোয়া যায়। আমার সিএনজির ব্যাটারিও সার্জেন্ট মাহবুব খুলে বিক্রি করে দিয়েছেন। আমি গাড়ি ছাড়িয়ে এনে ব্যাটারি পাইনি। বাধ্য হয়ে নতুন ব্যাটারি কিনে লাগিয়েছি।’

মোগরাপাড়া চৌরাস্তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক আল আমিন বলেন, ‘সাজেন্ট মাহবুব আমার গাড়ির ব্যাটারি নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন। ব্যাটারি চাইলে আমাকে তিনি মারধর করেন।’

এদিকে, সার্জেন্ট মাহবুব গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করলেও এক কনস্টেবলের সহযোগিতায় সেগুলো যে একটি গ্যারেজে তিনিই বিক্রি করেছেন একথা স্বীকার করেছেন গ্যারেজটির এক মিস্ত্রি।
কাঁচপুর এলাকার গ্যারেজ মিস্ত্রি বিজয় মিয়া বলেন, ‘কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মাহবুব ও এক কনস্টেবল পুরনো গাড়ির যন্ত্রাংশ আমার কাছে বিক্রি করেছেন। সার্জেন্ট স্যার একটি পুরনো গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার কথা বলেছিলেন। সেজন্য তাকে চার হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি গ্যাস সিলিন্ডারও দেননি, টাকাও ফেরত দেননি।’

তবে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শনিবার (২১ অক্টোবর) সার্জেন্ট মাহবুব আলম বলেন, ‘বেবিট্যাক্সিটি ঈদের আগে আটক করেছি সত্য। গাড়ির মালিককে এক সপ্তাহের জরিমানার মামলাও করেছি। তবে মালিক জরিমানা দিয়ে আসার পর দেখি গাড়িটি থানা থেকে চুরি হয়ে গেছে।’
গাড়িটি চুরি হয়ে যাওয়ার পর মামলা দিয়েছেন কেন, এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘গাড়ি চুরি হয়ে গেছে জানলে তো আর মামলা দিতাম না।’ গাড়িটি কী করে থানা থেকে চুরি হয়ে গেল জানতে চাইলে ওই দিন তিনি আর কোনও কথা বলেননি।
তবে বুধবার (২৫ অক্টোবর) তিনি বলেন, ‘একই রংয়ের দু’টি নম্বর প্লেটবিহীন বেবিট্যাক্সি আটক করা হয়। একটি বেবিট্যাক্সির মালিক ইদ্রিস আলী এবং অন্যটির মালিক বাচ্চু মিয়া। কিন্তু বাচ্চু মিয়ার ড্রাইভার জসিম উদ্দিন ভুল করে ইদ্রিস আলীর বেবিট্যাক্সিটি নিয়ে যায়। পরে বাচ্চু মিয়া ও তার ড্রাইভার জসিম উদ্দিন গাড়িটি নিয়ে আসেন। এতে ইদ্রিস আলীকে তার গাড়ি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মিটামাট হয়ে গেছে।’
এ ব্যাপারে ইদ্রিস আলী বলেন, ‘আমাকে অন্য একজনের বেবিট্যাক্সি দেওয়া হয়েছে, আমার বেবিট্যাক্সি দেওয়া হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে আমি অন্য মালিকের বেবিট্যাক্সিটি নিতে চাইনি। কিন্তু যখন বুঝলাম, সার্জেন্ট মাহবুব আলম আমার বেবিট্যাক্সি বিক্রি করে দিয়েছেন এবং তা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তখন বাধ্য হয়ে ওই বেবিট্যাক্সি নিয়েছি।’
শনিবার কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি কাইয়ুম আলী বলেন, ‘কাচঁপুর হাইওয়ে পুলিশের আটক করা গাড়ি চুরি হয়েছে, এমন কোনও খবর আমার জানা নেই। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেবো। সার্জেন্টের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা খতিয়ে দেখবো। যদি সে দোষী প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest