সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

কলারোয়ায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন

কলারোয়া প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীতে কর্মরত মার্কেটিং প্রতিনিধিদের সংগঠন “বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) এর কলারোয়া শাখার উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রবিবার বেলা ১টার দিকে ফারিয়া কলারোয়া শাখার সভাপতি ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিক্রয় প্রতিনিধি মোঃ আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সম্মুখে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পার্শ্বে শান্তিপূর্ণভাবে তারা এ কর্মসূচী পালন করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুজ্জামান, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা মোঃ সেলিম নূরানী, জাহাঙ্গীর আলম, সজীব হোসেন, আব্দুল জলিল প্রমূখ। মানব বন্ধনে বক্তারা তাদের চাকুরীর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, যুক্তিসংগত বেতন কাঠামো নির্ধারণ, সামঞ্জস্যপূর্ণ টি/এ, ডি/এ প্রদান, সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিভিন্ন দাবী, বঞ্চনা ও সমস্যার কথা তুলে ধরে অবিলম্বে সেগুলো সমাধানের জন্য ঔষধ শিল্প মালিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। মানববন্ধন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ওসি বুকে ওঠে, এসআই তাপস মাথা ধরে, এসআই সেলিম রেঞ্চ দিয়ে চোখ তোলে’

‘খুলনার গোয়ালখালী মোড় থেকে হঠাৎ পুলিশ আমাকে আটক করে। এরপর থানায় নিয়ে দুই দফা মারধর চালায়। আমার স্ত্রী ও মায়ের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় চিকিৎসার কথা বলে থানা থেকে বের করে নেয়। আবু নাসের হাসপাতাল পার হয়ে আমাকে বিশ্বরোডে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে ব্রিজের আগে নির্জন স্থানে গাড়ি থেকে নামানোর পর পিঠের দিকে নিয়ে হাত বেঁধে ফেলে। মুখের ভেতর গামছা ঢুকিয়ে দেয়। এরপর ওসি নাসিম খান বুকের ওপর উঠে বসে গলা চেপে ধরে। আমার মাথা শক্ত করে ধরে এসআই তাপস। এসআই সেলিম রেঞ্চ দিয়ে চোখ তুলে নেয়।’ হঠাৎ আটক হয়ে পুলিশের হাতে চোখ হারানো খুলনার শাহজালাল রবিবার (১৫ অক্টোবর) খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই তার ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

ঘটনার তিন মাসের মাথায় খুলনা প্রেস ক্লাবে ডাকা এই সংবাদ সম্মেলনে শাহজালাল দাবি করেন, ‘আমার পরিবার এখনও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। পুলিশ মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। কোনও রকম সাক্ষ্য না দিতে ভয় দেখাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে যেন আসতে না পারি, সে জন্য পুলিশ বাধা দিয়েছে। কিন্তু আমরা পেছনের দেয়াল টপকে অনেক কষ্টে এখানে এসেছি। সবসময় পুলিশের নজরদারির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। বাসায়ও স্বস্তিতে থাকতে পারছি না।’

সংবাদ সম্মেলনে শাহজালালের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট মিনা মিজানুর রহমান। এ সময় শাহজালাল, তার মা রেনু বেগম, বাবা মো. জাকির হোসেন, স্ত্রী রাহেলা বেগম, মানবাধিকারকর্মী মো. মোমিনুল ইসলাম ও শাহীন জামাল উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিল তার শিশুকন্যা আঁখি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শাহজালাল আরও বলেন, ‘পুলিশ বিভিন্নভাবে মামলা করার পথে বাধা দিয়েছে। এখন আবার মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ যদি ঘটনার দিন থানা হাজতের সামনের সিসিটিভির রেকর্ড মুছে না ফেলে তাহলে ওই ভিডিও থেকেই প্রকৃত তথ্য পাওয়া সম্ভব। ওই রাতে হাজতে আটক থাকা অন্যরাও আমার বিষয়ে প্রকৃত তথ্য দিতে পারবে। কিন্তু এখন পুলিশ নানাভাবে ছলনার আশ্রয় নিচ্ছে। একটি চোখের চিকিৎসা করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আবার তা নাকচ করেছে।’

শাহজালালের স্ত্রী রাহেলা বেগম বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের শুরুতে  ঢাকা থেকে খুলনায় এসে আমি মামলা করার উদ্যোগ নেই। ওই সময় স্থানীয় লোকজন আমাকে ডেকে দৌলতপুরে এমপির বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে মামলা না করার জন্য বলা হয়। আমাকে একটি চাকরি ও ছয় লাখ টাকা দেওয়ার কথাও বলে। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সময় ক্ষেপণ করায়। এরপর আমার শাশুড়ি রেনু বেগম বাদী হয়ে ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে আদালত সে মামলা তদন্ত করতে পিআইবিকে দায়িত্ব দেন। এ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।’

মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শাহজালালের বিরুদ্ধে দায়ের করা ছিনতাই মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ১৬ অক্টোবর আদালতে ওই মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিনতাই মামলায় শাহজালাল জামিন পেয়েছেন। কিন্তু পুলিশ কাউখালীর একটি মামলায় শাহজালালকে গ্রেফতার দেখায়। ওই মামলায়ও জামিন নিয়ে গত ৫ অক্টোবর শাহজালালকে খুলনা কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়।’

নাগরিক নেতা শাহিন জামাল বলেন, ‘শাহজালালের চোখ তুলে নেওয়ার ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকায় পরিবারটি চরম আতঙ্কে রয়েছে। এখন পুলিশের উচিত, আগে পরিবারটির নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। কিন্তু পুলিশ সে ধরনের কোনও দায়িত্ব পালন করছে না। যা উদ্বেগ ও হতাশার।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৮ জুলাই মো. শাহজালাল পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের বাড়ি থেকে খুলনা মহানগরীর নয়াবাটি রেললাইন বস্তি কলোনির শ্বশুরবাড়িতে আসেন।  ওইদিন দিনগত রাত ৮টায় শাহজালাল তার শিশুকন্যার দুধ কেনার জন্য বাসার পাশে গোয়ালখালী মোড় এলাকার দোকানে যান। ওই এলাকা দিয়ে রিকশায় করে যাওয়ার সময় সুমা আক্তার নামের একজন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। পুলিশ ওই এলাকা থেকে শাহজালালকে আটক করে খালিশপুর থানায় নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুদক

অনলাইন ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে যে ১১টি অভিযোগ উঠেছে, তার অনুসন্ধান হবে এবং তা দুদকের মাধ্যমে করা হবে। রোববার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই দুর্নীতি দমন কমিশনের আওতায়। তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন, কে এটার অনুসন্ধান করবে। এ বিষয়ে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তার দায়িত্বে ফেরার সুযোগ নেই।’

বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগের বিষয়ে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতির পর আজ এই সংবাদ সম্মেলন করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগের অনুসন্ধান হতে হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা হবে। তারপরে প্রশ্ন আসবে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনে যা বলা আছে সেটাই করা হবে।’

প্রধান বিচারপতি দেশে থাকা অবস্থায় ওইসব অভিযোগ সরকারের হাতে এলেও তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হল কেন- এমন প্রশ্নে আনিসুল হক বলেন, ‘আইন অনুযায়ী বিচারপতি সিনহা এখনও প্রধান বিচারপতি।’ তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি পদটি একটি প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক পদ। ফলে তার বিরুদ্ধে তাড়াহুড়ো বা খামখেয়ালি করে কিছু করা সমীচীন হবে না।’

প্রধান বিচারপতির অসুস্থতা, ছুটি চাওয়া, বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চাওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় সংক্রান্ত সব আবেদন ও চিঠিপত্র পড়ে শোনান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এসব আবেদন ও চিঠিপত্রে প্রধান বিচারপতি তার অসুস্থতার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ‘কিন্তু বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি বলেছেন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তার এ বক্তব্যে আমি হতভম্ব।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি ছুটি নিয়ে ব্যক্তিগত সফরে বিদেশে গেছেন। রাষ্ট্রপতি তার অনুপস্থিতিতে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞাকে প্রধান বিচারপতির কার্যভার দিয়েছেন। এ নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না থাকায় কোনো কোনো রাজনৈতিক দল প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে।’

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি তার কাজের সুবিধার্থে যেকোনো প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতে পারবেন। সংবিধান এ বিষয়টিকে সমর্থন করে। তাই এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সঠিক নয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যালিস-জয়সুরিয়ার রেকর্ড ভাঙলেন সাকিব

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ হাজারি ক্লাবে নাম লেখালেন সাকিব আল হাসান। টাইগারদের হয়ে ক্লাবের প্রথম সদস্য তামিম ইকবাল। সঙ্গে পাঁচ হাজার রান ও দুইশ উইকেটের অভিজাত ক্লাবেরও সদস্য হয়েছেন সাকিব।

রোববার কিম্বার্লিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নামার আগে এলিট ক্লাব থেকে ১৭ রান দূরে ছিলেন সাকিব। ইনিংসের ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নিয়ে মাইলফলকে পা রাখেন টাইগার অলরাউন্ডার।

এর মধ্য দিয়ে দারুণ একটি ডাবলসেও নাম লেখালেন সাকিব। ওয়ানডেতে তার উইকেট ২২৪টি। বিশ্বের পঞ্চম অলরাউন্ডার হিসেবে ৫ হাজার রান ও ২০০ উইকেট শিকারীর ক্লাবে তুলে নিলেন নিজেকে।

অনন্য ডাবলসে সাকিবের আগে নাম লিখিয়েছেন মাত্র চারজন। শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়সুরিয়া, সাউথ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস, পাকিস্তানের আব্দুর রাজ্জাক ও শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে ছোট্ট তালিকায় এখন সাকিবেও। তবে এই চারজনের চেয়ে কম ম্যাচ খেলে ডাবলসের কীর্তি গড়লেন তিনি, মাত্র ১৭৮ ম্যাচে। ক্যালিস (২২১), জয়সুরিয়া (২৩৫), আফ্রিদি (২৩৯) ও রাজ্জাক (২৫৮) ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকের পর ১১ বছরের ক্যারিয়ারে ১৭৮তম ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নেমেছেন সাকিব। ২৯ রানে সাজঘরে ফিরেছেন এই বাঁহাতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিয়াদে আগুন: নিহত ১০

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অগ্নিকান্ডে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন জন। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্সকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়, একটি সুতার কারখানায় অগ্নিকন্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর ওই আগুন নিভিয়ে ফেলে রিয়াদের সিভিল ডিফেন্স। নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। একই সঙ্গে রাতের বেলা সৃষ্ট এই অগ্নিকান্ডের কারণ সম্পর্কেও জানা যায় নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের ১০ কর্মকর্তাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, প্রধান বিচারপতির একান্ত সচিব আনিসুর রহমান, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সাব্বির ফরেজসহ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ১০ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন জেলায় বদলির অনুমোদন দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো: আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞা।

রোববার (১৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার জেনারেল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার অফিস সূত্র জানিয়েছে, আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো রেজিস্ট্রার জেনারেল, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রারসহ ১০ জনের বদলির সুপারিশে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিয়ার পাঠানো কিছু ‘প্রশাসনিক পরিবর্তন’ এর প্রস্তাব নিয়ে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ওইদিন বিকাল ৩টা থেকে ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তার খাস কামরায় বৈঠক করেন মন্ত্রী। ওই বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কিছু অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ চেঞ্জ (প্রশাসনিক পরিবর্তন) করতে চান, সেগুলো উনি আমাকে অবহিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুশফিকের সেঞ্চুরিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টার্গেট ২৭৯

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনার জবাব মাঠে দিলেন মুশফিকুর রহিম। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে তার ব্যাটে এলো সেঞ্চুরি। তার ঝলমলে ইনিংসে প্রোটিয়াদের ২৭৯ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ২৭৮ রান করেছে সফরকারীরা।

কিম্বার্লিতে টস জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। ইনজুরিতে ছিলেন না তামিম ইকবাল। তার অনুপস্থিতিতে উদ্বোধনী জুটিতে নামেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। অর্ধশতাধিক রানের জুটির আভাস দিলেও সেটা হতে দেননি কাগিসো রাবাদা। দ্বিতীয় স্লিপে দারুণ লেন্থের বলে লিটনকে তালুবন্দী করেন ফাফ দু প্লেসিস। লিটন ফেরেন ২১ রানে।

এরপর ধীরস্থির হয়েই খেলার চেষ্টা ছিলো ইমরুলের। ১৪তম ওভারে প্রিটোরিয়াসের বলে ফাইন লেগে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে হাল্কা টোকা দিয়েছিলেন। ঠিকমতো না হওয়াতে বল গিয়ে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের হাতে। ৪৩ বলে ৩১ রানে ফেরেন ইমরুল। যাতে ছিল ৪টি চার ও একটি ছয়। ৬৭ রানে দুই উইকেট হারানোর পর খানিকটা অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিল সফরকারী দল। সেই অস্বস্তি পরে কাটিয়ে উঠেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান ও মুশফিক। ‍তাদের জুটিতে ভর করেই শত রান পার করে বাংলাদেশ।

এক পর্যায়ে ওয়ানডেতে ৫ হাজার রানটাও পূরণ করে সাকিব। দুর্ভাগ্যক্রমে ইমরান তাহিরের বলে আর থিতু থাকতে পারলেন না। স্লিপে আমলার হাতে বল দিয়ে বিদায় নেন সাজঘরে। সাকিবের তখন স্কোর ছিল ২৯ রান।

সাকিব বিদায় নিলেও নিজের স্বাভাবিক খেলাটা ধরে রাখেন মুশফিক। তুলে নেন বিদেশের মাটিতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে আক্রমণাত্মক ছিলেন স্বাগতিকদের ওপর। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রহ বাড়ানোর দিকেই মনোযোগী ছিলেন দুজন। কিন্তু প্রিটোরিয়াসের বলে মনোযোগ ধরে রাখতে পারেননি। উঠিয়ে মারতে গিয়েই ধরা পড়েন ডেভিড মিলারের হাতে। মাহমুদউল্লাহ বিদায় নেন ২৬ রানে। তাতে ছিল ৩টি চার ও একটি ছয়।

মুশফিকের সেঞ্চুরির আগেই সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান। আগ্রাসী খেললেও রাবাদার বলে তালুবন্দী হন তিনি। মুশফিক ১১৬ বলে ১১ চার ও ২ ছয়ে ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশ একাদশ: ইমরুল কায়েস, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম, নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রুবেল হোসেন ও তাসকিন আহমেদ।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা, ফাফ ডু প্লেসিস, এবি ডি ভিলিয়ার্স, ডেভিড মিলার, জেপি ডুমিনি, ডোয়েন প্রিটোরিয়াস, অ্যান্ডিল ফেলুকায়ো, কাগিসো রাবাদা, ডেন প্যাটারসন, ইমরান তাহির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতি থাকা অবস্থায় দুদক ব্যবস্থা নিতে পারবে?

রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের যে ১১ অভিযোগ এবং সে বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেটা কি সিনহা প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সম্ভব হবে? হলে কীভাবে? না হলে কখন?

প্রশ্নের উত্তরে দুদকের আইনজীবী খুরসিদ আলম খান বলেন: দুদকের পক্ষে কোন ব্যবস্থা নিতে হলে দুদকের কাছে আগে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ আসতে হবে।

‘ওইরূপ কোন অভিযোগ এলে দুদক সে অভিযোগ খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে,’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট এরকম একটি অভিযোগের তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে যে তদন্ত দুদককে তা চিঠির মাধ্যমে বন্ধ করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে, দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ নিশ্চিত করেছেন, কোন চিঠিতে দুদক কারো বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করেনি বা রাখেনি।

বিচারপতি জয়নুল অাবেদীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত বন্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টের চিঠির বিষয়ে গণমাধ্যমের খবরে বারবারই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নাম এসেছে। এখন স্বয়ং প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধেই দুদকের মাধ্যমে তদন্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

ছুটিতে বিদেশে যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিবৃতি এবং ওই বিবৃতিকে বিভ্রান্তিমূলক উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতির পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রোববার সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন: যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই এন্টি করাপশন কমিশনের আওতায়। তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন, কে এটার অনুসন্ধান করবে”

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের যে দালিলিক তথ্যাদি আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির কাছে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তুলে ধরেছেন তার মধ্যে আছে: দুর্নীতি, অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলন।

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার সফিক আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের তদন্ত করতেই হবে। কারণ যেসব অভিযোগ উঠেছে তা গুরুতর।

‘অভিযোগগুলো যদি প্রমাণিত হয় তাহলে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত,’ বলে মন্তব্য করেন সাবেক আইনমন্ত্রী।

আইন বিশেষজ্ঞ হাফিজুর রহমান কার্জন বেলেন, প্রধান বিচারপতি যদি অসদাচরণ করেন কিংবা মানসিকভাবে অসু্স্থ বা শারীরিকভাবে অসমর্থ হন, অথবা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, নৈতিক স্খলনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাকে অপসারণ করা যেতে পারে।

‘তবে তদন্ত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করতে হবে। সুষ্ঠুভাবে তদন্ত কার্যক্রম চলতে দিতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest