ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় অবৈধ ইজি বাইকের ধাক্কায় এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম জুবায়ের হোসেন(৪)। সে সাতক্ষীরা সদরের ভাদড়া গ্রামের মাকফুর রহমানের ছেলে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে গোসল করার জন্য শিশু জুবায়ের মায়ের সাথে পুকুরে যাচ্ছিল। এসময় মায়ের পথ অনুসরণ করে রাস্তা পার হবার চেষ্টা করলে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা একটি ইজিবাইক জুবায়েরকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, ইজি বাইক বিআরটিএ’র অনুমোদনবিহীন একটি যান। এধরনের যানের নিবন্ধন দেয়ার কোন নিয়ম নেই।
এদিকে, জুবায়েরের মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর খবর শুনেই ছুটে আসেন সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, কুশখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্যামল ও সাবেক মেম্বর মঞ্জুরুল আলম।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক ইজিবাইক ও তার চালক একই উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে মিঠুকে আটক করে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘাতক ইজিবাইকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে।

কিন্তু একের পর এক এধরনের নগ্নতা ও জুয়ার আসর বসাচ্ছে একই চক্র। মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তারা চুপ থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের পিরুজপুর নতুন চর আর্দশ গ্রামের মাঠে চলছে চরম অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও প্রকাশ্য রমরমা জুয়ার আসর। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক বশির আহমেদ সরেজমিন গিয়ে দেখতে পেয়েছেন অর্ধনগ্ন বিকৃত নৃত্য ও প্রকাশ্য জুয়ার বোর্ড বসেছে সেখানে। আর্দশ গ্রামের মাঠ দখল করে চলছে এসব অপকর্ম। আর দেখেও না দেখার ভান করছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই। গত তিন দিন ধরে চলছে এসব রমরমা অবৈধ বেলেল্লাপনা। আশাশুনি উপজেলায় অশ্লীল নৃত্য ও জুয়া এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদের দায়িত্ব এগুলোর আয়োজনকারীদের আইনের আওতায় আনা তাদের অনেককেই গভীর রাতে এসব নগ্নতা উপভোগ করতেও দেখা যায়।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের পিরুজপুর আর্দশ গ্রামের মাঠে যাত্রা শো এর নাম করে ১০০ থেকে ৫০০টাকা টিকিটের বিনিময়ে দর্শকদেরকে ভিতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে। কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করে দেখা গেছে স্টেজে চলছে কয়েকজন স্থুলকায় তরুণীর অশ্লীল পোশাকে নগ্ন নৃত্য। এভাবে প্রতিদিন চলছে সারা রাতব্যাপী একটি শো। আর স্টেজের পাশেই সাজানো হয়েছে রমরমা জুয়ার আসর। নগ্ন নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে পাতানো জুয়ার আসরের ফাঁদে পকেট কেটে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এদিকে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শুধু উৎসবের আড়ালে নয় উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে প্রতিদিনই গোপনে বসছে জুয়ার আসর। এসকল আসরে সবকিছু হারিয়ে নিঃশ্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ আর লাভবান হচ্ছে বোর্ড মালিক ও আয়োজকরা। স্টেজে চলছে নগ্ন নৃত্য আর স্টেজের পিছনে দেহব্যবসার মত জঘন্য কারবার চলছে এমনটি অবশ্য দাবি মেলা মাঠের অনেকেরই।
