সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

সাতক্ষীরা পাকাপোলে অবৈধ দোকানপাটে যানজট, চাঁদাবাজরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : সাতক্ষীরা শহরে সরকারি জায়গা ও চলাচলের রাস্তা দখল করে দোকান পাট তৈরি হওয়ায় দিন দিন সড়কগুলিতে যান জট বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেন দেখার কেউ নেই। শহরের প্রধান সড়ক সংলগ্ন পাকাপোলের দু’ধারে অবৈধভাবে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ফলের দোকান। এমনিতে এই ব্রিজের উপর এবং আশপাশের রাস্তাগুলি সব সময় যানজট লেগেই থাকে। তার উপর চলাচলের ফুটপথ দখল করে চলচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে একটি মহল। এই অবৈধ দোকানগুলি একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে। যারা এখান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে সেই ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। দোকানিদের সাথে কথা বললেও তারা মুখ খুলছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, এটা সবাই জানে যে, কারা এগুলো করতে দিচ্ছে। এটা তারাই করতে দিচ্ছে যাদের দায়িত্ব এখানকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা। এরা দরিদ্র মানুষের সম্পদ দখলে একাট্টা হয়। কিন্তু নাগরিকদের চলাচলের সড়ককে সংকীর্ণ করে যানজট সৃষ্টি করছে, মানুষের প্রতিদিনের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। এরা অপ্রতিরোধ্য। এদের হাতে জনগণের সম্পদ নিরাপদ নয়।”
অন্যদিকে স্থানীয় একজন দোকানি বলেন, “এখানে সাতক্ষীরা পৌরসভার নিয়ন্ত্রকদের দোহাই দিয়ে এভাবে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে দিনের পর দিন ব্যবসা চলছে। পৌর মেয়র-কাউন্সিলরার এপথ দিয়েই সবাই যাতায়াত করেন। এগুলো কি তাদের চোখে পড়ে না?”
সচেতন মহল ও পথচারীদের দাবি দ্রুত এই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি যানজট মুক্ত করা প্রয়োজন। তারা এজন্য জেলা প্রশাসকের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুষ মারার দায়ে বাঘের মৃত্যুদণ্ড

ভারতের এক আদালত দুই বছর বয়সী এক মানুষখেকো বাঘিনীকে হত্যার পরোয়ানা বহাল রেখেছে। এই বাঘিনীর হাতে চারজন মানুষের জীবন যাওয়ার পর এটিকে হত্যার জন্য গত ২৩ জুন নির্দেশ জারি করে মহারাষ্ট্রের বন বিভাগ।

কিন্তু মহারাষ্ট্রের আদালতে এই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে পশু অধিকার কর্মীরা।

গত জুলাই মাসে মহারাষ্ট্রের ব্রাহ্মপুরিতে বাঘিনীটি দুজন মানুষকে হত্যা করে। এটির আক্রমণে আহত হয় আরো চারজন। এরপর বন বিভাগের হাতে এটি ধরা পড়েছিল। কিন্তু রেডিও কলার পরিয়ে এটিকে আবার একটি টাইগার রিজার্ভে ছেড়ে দেয়া হয়।

কিন্তু ছাড়া পাওয়ার পর এই বাঘিনীর হামলায় নিহত হয়েছে আরো দুজন মানুষ। এরপরই বন বিভাগ এটিকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে সেটি চ্যালেঞ্জ করেন পশু অধিকার কর্মী ড. জেরিল বানাইট।

তাদের যুক্তি ছিল, এটিকে গুলি করে না মেরে চেতনানাশক বুলেট ছুঁড়ে ধরা হোক। তারপর দূরের কোন জঙ্গলে ছেড়ে দেয়া হোক। কিন্তু এই মানুষখেকো বাঘিনী নিয়ে ইতোমধ্যে পুরো অঞ্চলে আতংক তৈরি হয়েছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, কালা নামের এই বাঘিনী গত ২৯শে জুলাই সংরক্ষিত বনে ঢোকার পর এ পর্যন্ত পাঁচশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে। রেডিও কলার দিয়ে এটি গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিশ্বে যত বাঘ আছে, তার ষাট শতাংশই ভারতে। কিন্তু বনাঞ্চল ধ্বংসের ফলে এবং শিকারিদের উৎপাতে বাঘের সংখ্যা কমে গেছে অনেক। ২০১৫ সালে ভারতে ৮০টি বাঘ মারা গেছে। এর আগের বছর মারা গেছে ৭৮ টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার যত স্বাস্থ্য গুনাগুন

সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি। এই সবকটি উপাদানই একাধিক জটিল রোগকে দূরে রাখে। সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরের গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামুদ্রিক মাছে উপস্থিত ওমাগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য উপাদান একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১। হার্ট ভালো রাখেঃ গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা কমতে শুরু করে। এদিকে বাড়তে শুরু করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমে গিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতা ঘটার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রেটিনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিট প্রচুর পরিমানে সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায়।

৩। ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি করেঃ নিউরোলজিস্টদের মতে আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় ৬০ শতাংশই ফ্যাট দিয়ে তৈরি। সেই কারণেই তো শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকলে ব্রেনের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৪। সৌন্দর্য বাড়ায়ঃ সামুদ্রিক মাছ খেলে একদিকে যেমন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক রক্ষা পায়, তেমনি একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো জটিল স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫। হাড় শক্ত করেঃ নিয়মিত মাছ খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে বিশেষ কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যে কারণে জয়েন্টের সচলতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি হাড়ও শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে অস্টিও আর্থ্রাইটিস মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৬। প্রস্টেট ক্যান্সারঃ লো ফ্যাট ডায়েট অনুসরণ করার পাশাপাশি প্রতিদিন যদি সামুদ্রিক মাছ খাওয়া যায়, তাহলে প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুলাংশে হ্রাস পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে আর্ন্তজাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রঅংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি পালনে শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার আয়োজনে ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী. সাংবাদিক ও এনজিও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য রালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে “সহনীয় আবাস গড়ি, নিরাপদে বাস করি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায় কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রনজু। শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এমএ নাহার, প্রেস ক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রকাশ চন্দ্র, সোহরাব হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল হাসান, নবযাত্রা ওয়ার্ল্ড ভিশনের উপজেলা জেন্ডার অফিসার লাইলা আরজুমান খানম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দুর্যোগ প্রশমন দিবসের উপর পটগান পরিবেশন করেন সুশীলনের শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিত্রঅংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়াহিদা জামান, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম জামান সাদিয়া, তৃতীয় স্থান অধিকার করে পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাজিন তাজকিয়া। চিত্রঅংকন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আননাজমুস রাকিব, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে মুশফিকুর রহমান, তৃতীয় স্থান অধিকার করে তাসনিম আরেফিন তন্নি। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী বাবলু রেজা, জাহাঙ্গির হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের বিপক্ষেও সাত গোলের লজ্জা

হকিতে ভারতের বিপক্ষে জয় না পেলেও সমস্যা নেই, ভালো খেলার প্রত্যাশা করেছিলেন সমর্থকরা। ম্যাচের আগে কোচ ও অধিনায়কও একই আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। তবে মাঠের লড়াইয়ে সেই প্রত্যাশার আশপাশেও যেতে পারেনি লাল-সবুজের দল। ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে জিমিরা। এর আগে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষেও একই ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

মওলানা ভাসানি স্টেডিয়ামে ভারতের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই পাঁচ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলোদেশ। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অবশ্য ভালো একটা আক্রমণ করেছিল টাইগাররা। তবে সেখান থেকে গোল আদায় করা সম্ভব হয়নি। প্রতিশোধ নিতে দেরি করেনি ভারত। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই গোল পায় তাঁরা। ফিল্ড গোল থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন গুরজান্ত সিংহ। ১০ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল হজম করে স্বাগতিকরা। গোল করেন আকাশদ্বীপ। দুই মিনিটের ব্যবধানটা ৩-০ করে ফেলেন ললিত উপাধ্যায়। ছয় মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজম করা বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও ছিল ভারতের আধিপত্য। ২০তম মিনিটে গোল করেন অমিত রহিদাস। ২৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন হারমানপ্রিত সিং।

২৮ মিনিটে ৫ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ভালোই খেলেছে বাংলাদেশ। এই অর্ধে মাত্র দুই গোল হজম করে জিমির দল। ম্যাচের তৃতীয় কোয়ার্টারে কোনো গোল পায়নি ভারত। তবে শেষ ১৫ মিনিটে ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। চতুর্থ কোয়ার্টার শুরুর দুই মিনিটের মধ্যেই দুই গোল হজম করে স্বাগতিকরা। ৪৫তম মিনিটে রমনদীপ দলের হয়ে ষষ্ঠ গোল করেন আর দুই মিনিটের ব্যবধানে বাংলাদেশকে সপ্তম গোলের লজ্জা দেন হারমানপ্রিত। প্রথম ম্যাচে জাপানকে ৫-১ গোলে হারায় ভারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলছে পরীর ‘বাহাদুরী’

চলছে পরীর ‘বাহাদুরী’

কর্তৃক Daily Satkhira

এফডিসিতে চলছে পরী মণি অভিনীতি ‘বাহাদুরী’ ছবির শুটিং। শুক্রবার দুপুরের পর শুটিংয়ে অংশ নেন পরী। ছবির পরিচালক শফিক হাসান জানান, গতকাল থেকেই এফডিসিতে শুটিং করছেন পরী। আর আজই এফডিসি অংশের শুটিং শেষ করতে চান তাঁরা।

দুদিনের শুটিংয়ে পরীর কাজ নিয়ে প্রশংসা করেন শফিক। তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে পরী মণিকে নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করেছি, এটা আমার দ্বিতীয় ছবি তাঁর সঙ্গে। এখন এই ছবির শুটিং করতে গিয়ে পরী মণিকে আমার কাছে পরিপূর্ণ একজন শিল্পী মনে হয়েছে। অভিনয় দক্ষতা অনেক ভালো হয়েছে তাঁর। আগে অনেক কিছুই বুঝিয়ে দিতে হতো, যা এখন প্রয়োজন হচ্ছে না। নিজের চেষ্টায় পরী নিজেকে চেঞ্জ করেছে। আমি তাঁর এই সিনসিয়ারিটিকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি এখন ঘড়ি ধরে, সময় মেনে কাজ করছেন। এটা খুবই ভালো লাগছে।’

‘বাহাদুরী’ ছবিতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক। ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে থাকছেন মিশা সওদাগর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালয়েশিয়ায় জঙ্গি সন্দেহে ৩ বাংলাদেশিসহ ৪৫ জন গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ায় চলতি বছর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে জঙ্গি সন্দেহে তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা সবাই জঙ্গি সংগঠন আইএসের সদস্য বলে জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া তিন বাংলাদেশি হলেন মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানি, রেদওয়ানুল আজাদ ও মোহাম্মদ আশরাফুল। এ ছাড়া জঙ্গি সন্দেহে বিভিন্ন দেশের আরো ৪২ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার মালয়েশিয়া পুলিশের মহাপরিদর্শক তান শ্রী মোহাম্মদ ফুজি এক বিবৃতিতে জানান, এ বছরের জানুয়ারি থেকে গত ৬ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জঙ্গিরা বিভিন্ন দেশের সশস্ত্র ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সদস্য। এদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ নই, সরকারকে ভুল বোঝানো হয়েছে- দেশ ছাড়ার প্রাক্কালে প্রধান বিচারপতি

অস্ট্রেলিয়ার পথে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তার স্ত্রী সুষমা সিনহা বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন বিভাগ পর্যন্ত এগিয়ে দেন।

গত রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিমানে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি। রাত ৯টা ৫৬ মিনিটে হেয়ার রোডের বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধান বিচারপতি। রাত সাড়ে ১০টায় তিনি ভিআইপি লাউঞ্জ দিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন। দেশ ত্যাগ করার আগে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি অসুস্থ নয়। আমি চলে যাচ্ছি। আমি পালিয়েও যাচ্ছি না। আমি আবার ফিরে আসব। আমি একটু বিব্রত। আমি বিচার বিভাগের অভিভাবক। বিচার বিভাগের স্বার্থে, বিচার বিভাগটা যাতে কলুষিত না হয়, এ কারণেই আমি সাময়িকভাবে যাচ্ছি। আমার কারও প্রতি কোনো বিরাগ  নেই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকারকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এই আমার বক্তব্য আর কিছু বলব না। আমি লিখিত বক্তব্য দিয়েছি। এই হলো আমার লিখিত বক্তব্য। ’ রাত সাড়ে ৯টায় বোর্ডিং পাসও সংগ্রহ করা হয়। ঢাকা থেকে রওনা হয়ে ফ্লাইট এসকিউ-৪৪৭ স্থানীয় সময় আজ ভোর ৬টায় সিঙ্গাপুর পৌঁছবে। সেখানে ৪৫ মিনিট যাত্রাবিরতি করে রওনা হবে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে। সিঙ্গাপুর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছতে প্রায় সাত ঘণ্টা লাগে। প্রধান বিচারপতি উঠবেন তার বড় মেয়ের বাসায়। তার ভিসায় অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ভ্রমণেরও সুযোগ রয়েছে। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এসকে সিনহা গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে একটি লিখিত বিবৃৃতি দেন। সুপ্রিম কোর্টের প্যাডে বাংলায় স্বাক্ষর করা বিবৃতিতে এস কে সিনহা লিখেছেন, ‘আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। কিন্তু ইদানীং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল, আইনজীবী বিশেষভাবে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন, এতে আমি সত্যিই বিব্রত। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকারের একটা মহল আমার রায়কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে পরিবেশন করায় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রতি অভিমান করেছেন। যা অচিরেই দূরীভূত হবে বলে আমার বিশ্বাস। সেই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমি একটু শংকিতও বটে। কারণ, গতকাল প্রধান বিচারপতি কার্যভার পালনরত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবীণতম বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে মাননীয় আইনমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অচিরেই সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনে পরিবর্তন আনবেন। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কিংবা সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো রেওয়াজ নেই। তিনি শুধু রুটিনমাফিক দৈনন্দিন কাজ করবেন। এটিই হয়ে আসছে। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এটি সহজেই অনুমেয় যে, সরকার উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর দ্বারা বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি হবে। এটি রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। ’ এদিকে, হাই কোর্টের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ আবদুল ওয়ারেস সন্ধ্যা ৭টায় প্রধান বিচারপতির বাসায় যান। এস কে সিনহার মালামাল বিমানবন্দরে পৌঁছে দেন। তার আগে প্রধান বিচারপতির প্রটোকল ও ব্যক্তিগত গাড়ি এবং তার একান্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান দুই দফায় হেয়ার রোডে প্রধান বিচারপতির বাসায় প্রবেশ করেন। আত্মীয়স্বজনরাও দিনে প্রধান বিচারপতি সিনহার সঙ্গে দেখা করেন। তারা হলেন প্রধান বিচারপতির ভাই ড. এন কে সিনহা, মেয়ে সীমা সিনহা, শ্যালিকা শীলা সিনহা, ভাতিজি জামাই রাজমনো সিংহ, সুজিত সিংহ, রামকান্ত সিংহ প্রমুখ। এ ছাড়া ৫টা ৫২ মিনিট ও ৬টা ৩ মিনিটে প্রধান বিচারপতির বাসায় দুটি প্রটোকলের গাড়ি প্রবেশ করে। ৬টা ১৭ মিনিটে প্রধান বিচারপতির একান্ত সচিব আনিসুর রহমান বাসায় যান। সন্ধ্যার পরপরই গণমাধ্যম কর্মীরা ভিড় জমায় এস কে সিনহার বাসভবনের সামনে। আগস্টের শুরুতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতা তার সমালোচনা করেন। রায় নিয়ে আলোচনা হয় সংসদেও। বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফেরাতে আনা হয়েছিল সংবিধানের ওই সংশোধনী। তা বাতিল করে জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরিয়ে আনে সুপ্রিম  কোর্ট।

বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে বিচারপতি সিনহার দেওয়া চিঠির বরাতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, প্রধান বিচারপতি চারটি দেশে যেতে চান। প্রধান বিচারপতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটি মঞ্জুর করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু বিচারপতি সিনহা যেহেতু আরও বেশি দিন বিদেশে থাকবেন, সেহেতু রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার নতুন আদেশ দিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্ধিত ছুটিতে প্রধান বিচারপতির বিদেশে অবস্থানের সময়, অর্থাৎ ২ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত, অথবা তিনি দায়িত্বে না ফেরা পর্যন্ত বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা প্রধান বিচারপতির কার্যভার সম্পাদন করবেন। সাত বিচারপতির ঐকমত্যের ভিত্তিতে দেওয়া ৭৯৯ পৃষ্ঠার এ রায়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নিজের পর্যবেক্ষণের অংশে দেশের রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি, সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা করেন।   আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিচারপতি সিনহার স্বাক্ষরে রাষ্ট্রপতিকে পাঠানো ছুটির চিঠি ৪ অক্টোবর সাংবাদিকদের দেখান। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে এর আগেও দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে বিশ্রামের জন্য তিনি ছুটিতে যেতে চান। ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পাওয়া বিচারপতি সিনহার চাকরির মেয়াদ রয়েছে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শুরুর আগে গত ২৪ আগস্ট তিনি শেষ অফিস করেন এবং অবকাশ শেষে ৩ অক্টোবর আদালত খোলার দিন  থেকে তিনি ছুটিতে রয়েছেন। গতকাল সকাল থেকেই তার বিদেশে যাওয়ার বিষয়টি বেশ আলোচনায় ছিল। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সিনহার ছুটির বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই এর সূত্রপাত। কখন যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি? সবাই নিশ্চিত, যে কোনো সময় প্রধান বিচারপতি উড়াল দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। গতকাল রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, সাংবাদিক ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ভিড় বাড়তে থাকে। জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত মেয়ে সূচনা সিনহার কাছেই থাকবেন এস কে সিনহা। তার যাওয়ার জন্য গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর হেয়ার রোডের বাড়িতে প্রস্তুতি চলছিল সিনহা দম্পতির। দীর্ঘদিন পর মেয়ের কাছে যেতে তাদের ব্যাগ ও লাগেজে ছিল বিরাট আয়োজন। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়ান নিউজকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান বিচারপতি সিনহা বলেছেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ খুবই শক্তিশালী। তিনি আইনের শাসনের প্রতি আস্থাশীল। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমটি ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সংবাদ মাধ্যমটি প্রধান বিচারপতির অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে। তবে ঠিক কত দিনের জন্য যাচ্ছেন সে বিষয়ে কোনো জবাব দেননি বিচারপতি এস কে সিনহা। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে পারব না। কোনো মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দেব না। আগে আমি দেশকে চাই। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ খুবই শক্তিশালী। আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আমার দেশের কিছু হবে না। সরকার গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি আইনের শাসনে আস্থাশীল। বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ চিফ জাস্টিস কনফাইনড?’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কি অবরুদ্ধ?’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়ান নিউজ নামের ওই সংবাদমাধ্যমটি। সেখানে বলা হয়, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রধান বিচারপতি অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন কিনা। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি অস্ট্রেলিয়ায় নেই। আমি বাংলাদেশে আছি। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest