ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: সেই এসআই প্রত্যাহার

ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়, জায়গা দখলের জন্য একটি পরিবারকে নির্যাতন করাসহ নানা অভিযোগ ওঠায় এক উপপরিদর্শককে (এসআই) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রত্যাহার করা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওই এসআইয়ের নাম তারেক সুমন। গত সোমবার রাতেই তাঁকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন জানান, এসআই তারেক সুমনের বিরুদ্ধে এর আগে আসা অভিযোগগুলো এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, তারেক সুমনকে অন্য রেঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়ার (রেঞ্জ আউট) পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।

গত সোমবার গণমাধ্যমে ‘২ লাখ টাকা না দিলে আধঘণ্টার মধ্যে ক্রসফায়ার’ শিরোনামে এসআই তারেক সুমনের নানা অপকর্মের বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর রাতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান তাঁকে ক্লোজ করার নির্দেশ দেন।

এসআই তারেক সুমনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ এবং আদালতে মামলা হয়েছে দুটি ঘটনায়। মাদক ব্যবসায় মদদ দেওয়া এমন পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে গত ২০ জুন সদর উপজেলার চিনাইর গ্রামের আতাউর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন এসআই তারেক সুমন ও যুবরাজ নামে একজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়- গোলাম রহমান ও আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, শামসুদ্দিন চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন চৌধুরী ও আবদুল কাহার চৌধুরীর কাছ থেকে ১৯৮৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৯ শতক জমি কেনেন আতাউর। এরপরই ঘরবাড়ি করে সেখানে বসবাস শুরু করেন। বাংলাদেশ জরিপামলে এসএ ১২৮০ দাগ, বিএস ৩৬২৫, ৩৬২৮ ও ৩৬৩৩ দাগে এই জমি লিপিবদ্ধ হয়।

তবে আতাউরের নামে বিএস খতিয়ান লিপি না হওয়ায় বিএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে (এলএসটি মামলা নং-২০৭/২০১৬ ইং) তিনি একটি মামলা করেন; যা বর্তমানে বিচারাধীন।

এই জায়গাটি দখল করার চেষ্টায় চিনাইর গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে জাহাঙ্গীর, জিল্লু রহমান ভূইয়ার ছেলে হামিদুল ভূইয়া, সামসু ভূইয়ার ছেলে আলম ভূইয়া, লাল মিয়ার ছেলে শাহ আলম ও ঘাটিয়ারা গ্রামের মোবারক পুলিশ দিয়ে আতাউরের ওপর নির্যাতন করাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জানান, ধারাবাহিকভাবে চলছে পুলিশি নির্যাতন। জায়গাটি লিখে না দেওয়ায় মাদক ও ডাকাতি মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয় তাঁকে। ছয় মাস জেল খেটে সম্প্রতি বেরিয়ে আসেন তিনি। এখন আবার পুলিশ তাঁকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

এর মধ্যে গত ৮ জুন এসআই তারেক সুমন পুলিশ দল নিয়ে আতাউরের বাড়িতে হানা দেন। এই সময় বাদী ও তাঁর স্ত্রীকে না পেয়ে তারেক গুলি করে মারার হুমকি দিয়ে আসেন।

অন্যদিকে ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আদায় করার অভিযোগে এসআই তারেক সুমনের বিরুদ্ধে ২০ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন মুক্তিযোদ্ধা হামদু মিয়া। এই মামলায় আরো তিনজন পাঘাচং বড়বাড়ির সোলেমান মিয়া, সরকারবাড়ির নুরুল ইসলাম, আটলার আনু মিয়াকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ হামদু মিয়ার ছেলে সালাহ উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে আসেন। দেশে আসার পর তিনি আত্মীয়স্বজনকে উপহার ও টাকা-পয়সা দেন এবং গরিব মানুষদের দান-খয়রাত করেন। এ বিষয়টি আসামিদের দৃষ্টিতে পড়ে। ১৬ এপ্রিল বিকেলে সালাহউদ্দিন চানপুর রেলব্রিজে বসে গল্পগুজব করার সময় এসআই তারেক সুমন সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁকে ধরে টেনেহিঁচড়ে চানপুর বাজারে এনে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেন। এরপর কোড্ডা ব্রিজের কাছে নিয়ে গিয়ে তাঁকে নামায়। এ সময় তারেকের সঙ্গে অস্ত্রধারী আরো ছয়জন ছিল। তারেকসহ এরা নিজেদেরকে গোয়েন্দা পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। তারা সালাহ উদ্দিনের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে আধ ঘণ্টার মধ্যে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। সালাহ উদ্দিন তার পিতাকে ফোনে এই খবর জানালে মুক্তিযোদ্ধা হামদু মিয়া ও পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত তারেক সুমনের নির্দেশিত স্থান চানপুর বাজার রেলগেটে পৌঁছায় টাকা নিয়ে। সেখানে টাকা গ্রহণ করে সালাহ উদ্দিনকে ছেড়ে দেয় এবং নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগভাটোয়ারা করে চলে যায়।

এই মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মাসুদ আলম জানান- মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি। তবে তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তারেক সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় এএসআই হিসেবে যোগদান করেন ২০১৪ সালের ১৬ মার্চ। এসআই হিসেবে পদোন্নতির পর একই থানায় তাঁর পোস্টিং হয়।

এদিকে তারেক সুমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে এমন দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সচেতন ছাত্র সমাজ নামে একটি সংগঠনের সভাপতি শাহরিয়ার সাকিব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য নাফিস মোহাম্মদ, সাব্বির রহমান, জুয়েল মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে তারেক সুমনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় নিলয়-সারিকা

হাল প্রজন্মের ছোট পর্দার দুই জনপ্রিয় তারকা নিলয় ও সারিকা। সম্প্রতি জুটি হয়ে ‘আকাশ গঙ্গা’ নামের একটি নাটকে কাজ করেছেন তারা।
আর তারই সুবাদে রোমান্টিক প্রেমের গল্পের শুটিংয়ে বর্তমানে ইন্দোনেশিয়াতে রয়েছেন এই তারকা জুটি।

দয়াল সাহার রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাখাওয়াৎ মানিক। এ প্রসঙ্গে নির্মতা মানিক জানালেন, ‘দর্শকদের ভিন্ন স্বাদের একটি গল্পে নাটকের বিনোদন দিতে এই নাটকটি নির্মাণ করেছি। এখানে গল্প ও নির্মাণের মুন্সিয়ানা পাবেন তারা। নিলয় ও সারিকা খুব ভালো কাজ করেছেন। তাদের ভক্তরা উপভোগ করবেন বলেই বিশ্বাস। ’

জানা গেছে, ‘আকাশ গঙ্গা’ নাটকে নিলয়কে দেখা যাবে একজন চিত্রশিল্পীর ভূমিকায়। বাংলাদেশের বিখ্যাত আঁকিয়ে অরিন। হেনা ইন্দোনেশিয়ার ক্যাপিটালে বসবাসরত আইনজীবী। বেশ কয়েক বছর ধরেই দু’জনের পরিচয় ও নিয়মিত আলাপ চলে। একদিন হঠাৎ করেই জাকার্তার এক পর্যটন কটেজে ঘুরতে আসে অরিন। সেখানকার পরিবেশে বিমুগ্ধ হয়ে নিজের ক্যানভাসে একে ফেলে কোনো এক অচেনা সুন্দরীর মুখ। ক্রমেই অরিনকে চমকে দিয়ে পেছন থেকে উঁকি দেয় ক্যানভাসে আঁকা সেই মুখটি। মেয়েটির নাম এনিসা। তবে এরই মাঝে সবাইকে চমকে দিয়ে সেখানে হাজির হয় হেনাও। এভাবেই এগিয়ে চলে গল্প।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে হিন্দু শিক্ষিকাকে অপহরণ, ধর্মান্তরিত করে বিয়ে

পাকিস্তানে এক হিন্দু শিক্ষিকাকে অপহরণের পর জোর করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ উঠেছে। দেশটির সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলায় গত শনিবার ঘটনাটি ঘটে।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষিকার নাম আরতি কুমারী। তিনি খাইরপুর জেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

ওই শিক্ষিকাকে অপহরণের পর সিন্ধু প্রদেশে কর্মরত বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) সাংবাদিক নায়লা ইনায়েত বিষয়টি নিয়ে একটি টুইট করেন। সেখানে নায়লা জানান, ১৯ বছরের আরতি ও তাঁর বাবা-মায়ের মাথায় বন্দুক ধরে ধর্মান্তরিত করে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

নায়লা অভিযোগ করেন, সিন্ধুর প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা আমির ওয়াহসান পুরো ঘটনাটির সময় উপস্থিত থেকে বিষয়টি তদারকি করেছেন।

এপিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নায়লা আরো জানান, জোর করে ধর্মান্তর করে বিয়েই শুধু নয়, আরতিকে দিয়ে জোর করে একটি চুক্তিনামায় সই করিয়েছেন আমির ওয়াহসান। যাতে লেখা আছে আরতি স্বেচ্ছায় ওই মুসলিম যুবককে বিয়ে করেছেন।

এদিকে আরতির বাবা ধামেশ শেঠ জানিয়েছেন, আরতির বিয়ে ঠিক হয়েছিল। আসছে নভেম্বরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আরতির। ধামেশ শেঠ আরো জানান, তাঁর বড় মেয়েকেও অপহরণ করা হয়েছিল। সেই মেয়ে আর কখনো ফিরে আসেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালয়েশিয়ার কোরআন শিক্ষার স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৫

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পবিত্র কোরআন শিক্ষার একটি স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভোরে ‘দারুল কোরআন ইত্তিফাকিয়াহ’ নামে একটি তাহফিজ বোর্ডিং স্কুলে আগুন লাগে।

কুয়ালালামপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক খিরুদিন ডিরহমান বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আগুনে ২৩ শিক্ষার্থী ও দুই তত্ত্বাবধায়কের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

‘তারা ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে কিংবা আগুনে পড়ে মারা যেতে পারে। আমি মনে করি, এটা ছিল গত ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড। এ মুহূর্তে আমরা আগুনের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি।’

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে আহত সাতজনকে নিকটতম একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, তিনতলা স্কুলভবনের সর্বোচ্চ তলায় এই অগ্নিকাণ্ড হয়।

তাহফিজ স্কুলগুলোতে সাধারণত ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা কোরআন শিক্ষা নেয়। এই স্কুলগুলোর দেখভাল করে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এগুলো ধর্মবিষয়ক অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৭৬ গ্রাম রোহিঙ্গাশূন্য, সব রোহিঙ্গা ফিরতে পারবে না : মিয়ানমার

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রাখাইন রাজ্যের ১৭৬টি রোহিঙ্গা মুসলিম গ্রাম এখন জনমানবশূন্য বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশটির প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জ হাতয়ের বরাত দিয়ে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, রাখাইনের তিনটি শহরতলিতে মোট ৪৭১টি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৬টি গ্রামে কোনো মানুষ নেই। আশপাশের ৩৪টি গ্রাম থেকেও লোকজন পালিয়ে চলে যাচ্ছে। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র অবশ্য ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

জ হাতয় আরো বলেন, যারা পালিয়ে গেছে, তাদের সবাইকে ফিরতে দেওয়া হবে না। তাদের যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে।

মিয়ানমার সরকারের দাবি, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী জনগোষ্ঠী দুই ডজনের বেশি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালায়। এর পরই হামলা-নির্যাতন-ধর্ষণের শিকার প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে।

পালিয়ে আসা বস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছেন, বৌদ্ধ অধ্যুষিত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পুরুষদের ধরে ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে আর মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

মুসলিম রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরাই বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে—মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হলেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, এরই মধ্যে এই সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, বখাটে যুবক আটক

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়নে বাক প্রতিবন্ধী ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রী(১২)-কে ধর্ষণের চেষ্টা করায় এক বখাটে যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, চম্পাফুল ইউনিয়নের ঘুষুরি গ্রামের বায়েজিদ সরদারের বাক প্রতিবন্ধী মেয়ে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের চালতা বাড়িয়া গ্রামে নানার বাড়িতে থাকত। তার নানার বাড়ী এলাকার মান্নান পাড়ের ছেলে বেলাল হোসেন (৩২)তাকে প্রায় সময় উক্ত্যক্ত করত। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ৭-৯-১৭ ইং তারিখে দুপুর ২টা ১০ মিনেটে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে চালতা বাড়িয়ার আলীর বাড়ীর পাশে পৌছালে ওইখানে ওৎপেতে থাকা বেলাল তাকে জোর করে ধরে নিয়ে পাশে একটি বাগানের ভিতরে নিয়ে যেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয়রা বুঝতে পেরে তাকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে সোমবার মেয়ের নানী আফরোজা খাতুন বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে (মামলা নং-৯,তাং-১১-৯-১৭ ইং খ্রিঃ)। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ সোমবার দিবাগত রাতে বেলাল হোসেনকে তার বসত বাড়ী থেকে আটক করে। ভিকটিমকে আদালতে জবানবন্দী শেষে গত মঙ্গলবার তাকে অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিষ্ণুপুরে মোবাইল-ইন্টারনেটে শিশু যৌন নির্যাতন বন্ধে র‌্যালি

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চাঁচাই রোস্তম আলী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ও প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মোবাইল ইন্টারনেটের অপব্যবহার ও ট্যুরিজমের মাধ্যমে শিশু যৌন নির্যাতন বন্ধে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি পারুলগাছা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান শিক্ষক মেহেদী হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক ইউনুচ আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি আব্দুর রাশেদ ঢালী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকল্পের সি.এল.ও মিজানুর রহমান ও লতিকা রানী ঘোষ। শিক্ষার্থীগণ অগ্রগতি সংস্থার ইন্টানেটের অপব্যবহার ও ট্যুরিজমের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পের কিশোর কিশোরী হিসেবে প্রশিক্ষণ পাওয়ার ফলে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে গৃহবধুকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নে নিরালা (১৮) নামে এক গৃহবধু ধর্ষণ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাত ৮ টার দিকে। এ ঘটনায় একজন ধর্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করলেও দুই সহযোগী পলাতক রয়েছে।
এজাহার সুত্রে জানা যায়, দুদলী গ্রামের পিয়ার আলী গাজীর মেয়ে এবং পিরোজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রীর সাথে পার্শ্ববর্তী মৌতলা ইউনিয়নের চরসোনাই গ্রামের আব্দুল মজিদ কলুর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০) এবং একই এলাকার পানিয়া শেখ পাড়া গ্রামের ঈদ্রিস শেখের ছেলে শাহিন আলমের সাথে পূর্বের পরিচিতি ছিল। শাহিন এবং তার স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ চলছিল একথা তারা জানত। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় শাহিনকে বশে এনে দেবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে উকশার বিতর্কিত ‘গুণিন’ এরর বাড়ি নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সফিকুল মটর সাইকেল যোগে পিরোজপুর শাহিনের স্ত্রীকে নিয়ে তার বোনের বাড়ি থেকে বাহির হয়। কিন্তু গুণিনের বাড়ি না যেয়ে লম্পট সফিকুল তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় তাকে। এসময় সফিকুল পোশাক পাল্টাবে বলে তাকে রুমের ভিতরে বসতে বলে। সে সরল মনে ঘরে ঢুকতেই দেখতে পায় আগেই ধর্ষক শাহিন খাটের উপরে বসে। এই দেখে সে বাহিরে চলে আসতে উদ্যত হয় কিন্তু লম্পট সফিকুল এবং তার সঙ্গে থাকা শীতলপুর গ্রামের ফয়েজ বাহির থেকে দরজার শিকল আটকিয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। এসময় ধর্ষক শাহিন তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে। নিজেকে বাঁচাতে নিরালা চিৎকার করে। কিন্তু ধর্ষক তার মুখে কাপড় বেধে দেয়। এরপর বাহির থেকে দরজার তালা খুলে ভিতর ঢুকে লম্পট সফিকুল তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সুযোগ বুঝে তাকে ধাক্কা দিয়ে সে বাহিরে চলে আসে। বাড়িতে এসে তার পরিবারকে জানালে তার বাবা মা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় থানায় এসে শাহিনের স্ত্রী বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে(মামলা নং-১০,তাং ১১-৯-১৭ ইং খ্রিঃ)। সোমবার রাতে থানার উপÑপরিদর্শক প্রকাশ ঘোষ, উপÑপরিদর্শক শুধাংশু শেখর হালদার ও মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সফিকুলের বাড়ি থেকে ধর্ষক শাহিনকে আটক করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সফিকুল ও ফয়েজ পালিয়ে যায়।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কার জায়াদুল হক বলেন, বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত একজন ধর্ষককে আটক করা হয়েছে অন্য আসামিদের ধরার জন্য অভিযান অব্যহত আছে। এছাড়া ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest