সর্বশেষ সংবাদ-

শিক্ষকেরা কোচিং বাণিজ্য করতে পারবেন না- খুলনায় শিক্ষামন্ত্রী

খুলনা প্রতিনিধি : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘শিক্ষকেরা কোচিং-বাণিজ্য করতে পারবেন না। বাড়িতে শিক্ষার্থী নিয়ে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। কোনো নোট বা গাইড বই চলবে না। এগুলো বন্ধে আইন তৈরি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত কেউই ছাড় পাবে না।’ অবশ্য এসময় হলভর্তি যেসব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন তাদের অধিকাংশই এখনও আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা করে চালিয়ে যাচ্ছেন কোচিং ও প্রাইভেট বাণিজ্য।

আজ বুধবার খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষার গুণগত মান ও নৈতিকতার উন্নয়ন এবং জঙ্গিবাদবিরোধী ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চল।

শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘কেন শিক্ষার্থীরা যায় আপনাদের বাড়িতে পড়তে? ক্লাসে ভালো করে পড়ানো হয় না বলেই তো সেখানে যায়। শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা হয় পড়তে যেতে। এটা করে কেউ রেহাই পাবেন না। কারণ, এতে আমাদের সব শিক্ষকের বাঁচার দলিল “ইজ্জত” নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা পরিবারের মধ্যে এবং আমাদের মাথার মধ্যে যদি পোকা ঢুকে যায়, তাহলে আমরা যাব কোথায়? তাই আমাদের সবার নৈতিক মূল্যবোধ, সততা, নিষ্ঠা যেন কলুষিত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকেরা যদি নৈতিকতা ও আদর্শ শিক্ষা থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে দেশের সর্বনাশ। কেবল অর্থ নয়, মানমর্যাদাই হচ্ছে শিক্ষকদের বড় সম্পদ। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে। নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। শ্রেণিকক্ষে তাদের আরও বেশি পাঠদান করতে হবে।

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে দেশে জঙ্গিবাদবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। কিছু কিছু শিক্ষার্থী কানমন্ত্রে আকৃষ্ট হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। তাই আর যাতে দেশে জঙ্গিবাদ না আসতে পারে, এ জন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে ও এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাউশি খুলনা অঞ্চলের পরিচালক টি এম জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দেবী দুর্গাকে স্বাগত জানাতে ২০টি মণ্ডপে চলছে প্রস্তুতি

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে দেবহাটা উপজেলা ও থানা প্রশাসন সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে এগিয়ে চলেছে প্রতিমা তৈরির কাজ। আর মাত্র কিছুদিন পরেই সনাতন ধর্মাবম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, এবছর উপজেলার ২০ টি পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপন করা হবে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে যে ২০ টি পূজা মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হলো সেগুলো হলো কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, কুলিয়া ঘোষপাড়া দুর্গাপূজা মণ্ডপ, শ্যামনগর পশ্চিমপাড়া দুর্গাপূজা মণ্ডপ, বালিয়াডাঙ্গা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, হিজলডাঙ্গা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, শ্যামনগর পূর্বপাড়া দুর্গাপূজা মণ্ডপ ও সুবর্নাবাদ দুর্গাপূজা মণ্ডপ, পারুলিয়া ইউনিয়নের সন্ন্যাসখোলা সার্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপ, উত্তর পারুলিয়া চারা বটতলা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, দক্ষিন পারুলিয়া জেলেপাড়া দুর্গাপূজা ম-প, নোড়ারচক দুর্গাপূজা মণ্ডপ, বড়শান্তা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, উত্তর কোমরপুর দুর্গাপূজা মণ্ডপ, সখিপুর ইউনিয়নের পালপাড়া দুর্গাপূজা ম-প, কোড়াঁ পাকড়াতলা দুর্গাপূজা মণ্ডপ, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের গাজীরহাট দুর্গাপূজা মণ্ডপ, দেবহাটা সদর ইউনিয়নের ফুটবল মাঠ দুর্গাপূজা মণ্ডপ, দেবহাটা বাজার দুর্গাপূজা মণ্ডপ, টাউনশ্রীপুর দুর্গাপূজা মণ্ডপ ও টাউনশ্রীপুর পালপাড়া দুর্গাপূজা মণ্ডপ। ইতিমধ্যে পূজা উদযাপনে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের মধ্যে সাজ সাজ রব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া তারা বিভিন্ন আয়োজন সম্পন্ন করছে। কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরীতে। কোন কোন কারিগরেরা একাধিক স্থানে প্রতিমা তৈরী করছেন। কারিগরেরা জানান, তারা দুর্গা প্রতিমা তৈরীতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা গ্রহন করেন। দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক ভাবে পূজা উদযাপনে আইনশৃ্খংলা শান্তিপূর্ন রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন জানান, এবছর দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে আইনশৃ্খংলা বাহিনী সদা তৎপর। ইতিমধ্যে উপজেলার সকল মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হচ্ছে এবং ৩/৪ টি মন্ডপে জনসমাগম বেশী হওয়ার জন্য সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে সকল পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের নিয়ে মতবিনিময় করে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষন করা হবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে বলে ওসি জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানিয়েছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষেরা যাতে নির্বিঘেœ ও শান্তিতে তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা সম্পন্ন করতে পারে সেজন্য প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া সকল মন্ডপের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে সভা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি হরিষখালীর বেড়িবাঁধের ভাঙন অবশেষে আটকানো সম্ভব হল

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে খোলপেটুয়া নদীর হরিষখালী বেঁড়িবাঁধ ভাঙন আটকানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রায় দু’হাজার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধটি আটকানোর কাজ করলে এ বাঁধটি আটকানো সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নদীর প্রবল জোয়ারের চাপে বাধ ভেঙে যায়। এতে প্রথমে হরিশখালি ও মাদারবাড়িয়া গ্রাম সর্বশেষ ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এরপর শুক্রবার তালতলা ও প্রতাপনগর নামে আরো দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়। গত ৪ দিন সেখানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙ্গনকবলিত বেড়িবাধ সংস্কারের কাজ করে মঙ্গলবার দুপুরে আটকানো সম্ভব হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা কৃষকলীগ আহবায়ক স ম সেলিম রেজা, আ’লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম মোল্যা, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও সুনিল কুমার এসময় উপস্থিত থেকে কাজ তদারকি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিশোরী সুন্দরীদের বাবার বিছানায় এনে দিত পোষা বিষকন্যারা!

আধ্যাত্মিক ঋষি, জনহিতৈষী, বহুমুখী গায়ক, চৌকস ক্রীড়াবিদ, চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা, শিল্প নির্দেশক, সংগীত পরিচালক, লেখক, গীতিকার, জীবনীকার…।

ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্টে এই পরিচয় ভারতের স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। অ্যাকাউন্টে আবার নামের আগে ‘ড.’ উপাধিও উল্লেখ করা।

একদিকে সিনেমার হিরো, দলিত সম্প্রদায়ের মানুষকে ‘ইনসান’-এর মর্যাদা দেওয়া, রাজনৈতিক ক্ষমতা আর পেশীশক্তি – এই সব কিছুর মিশেলেই প্রায় আড়াই দশক ধরে গড়ে উঠেছে গুরমিত রাম রহিম সিং-এর ভক্তকুল।

নিজের দুই নারী শিষ্যকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ড মাথায় নিয়ে হরিয়ানার কারাগারে বন্দি রয়েছেন ভারতের এই আলোচিত ধর্মগুরু।

গুরমিত সিংহ রাম রহিমের ছিল ধর্ষণ চেম্বার। এর নাম ‘বাবা কি গুফা’ (বাবার গুহা)। বিলাসবহুল আসবাব, রঙ-বেরঙের পর্দায় সাজানো সেই প্রাসাদেই তিনি বসবাস করেন।

গুফায় তাকে ঘিরে থাকেন ২০০ জনেরও বেশি বাছাই করা শিষ্য। তাদের চুল খোলা। পরনে সাদা রঙের পোশাক। এমনই দুই শিষ্যকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বাবা রাম রহিম।

যত কাণ্ড রাম রহিমের ডেরায়। কীর্তির শেষ নেই ভণ্ড বাবার। নিজের ডেরায় অপরাধের স্বর্গরাজ্য তৈরি করেছিল সে। আর এই সাম্রাজ্যে রাজত্ব করার জন্য রাম রহিম তৈরি করেছিল মহিলা গুণ্ডাবাহিনী।

এক সময় যে সমস্ত মহিলারা গুরমিতের যৌন লালসার শিকার হত তাদের মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হত এই বিশেষ দেহরক্ষীদের। যাদের বলা হত বিষকন্যা।

মায়া-মমতা কোনও কিছুই নাকি ছিল না রাম রহিমের এই গুণ্ডাবাহিনীর। রীতিমতো মগজ ধোলাই করা হত এদের। বোঝানো হত ঈশ্বরের দূত রাম রহিমের ইচ্ছেপূরণের জন্যই এদের জন্ম হয়েছে।

এদের কাজ ছিল, ডেরায় আসা মহিলা ও কিশোরীদের মধ্যে থেকে সুন্দরীদের বেছে নেওয়া। তারপর তাঁদের তুলে এনে ভণ্ড বাবার বিছানায় ফেলে দেওয়া।

যুবতী ও কিশোরীদের আর্ত চিৎকারেও মন গলত না এই মহিলা দেহরক্ষীদের। ভাবলেশহীনভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকত তারা। মাঝে মধ্যে নাকি গুরুর ইচ্ছেমতো তার শয্যাসঙ্গীও হত। এমনকী, রাম রহিমের জন্য রান্না করা, নোংরা জামাকাপড় কেচে দেওয়ার মতো কাজও করত।

রাম রহিমের গ্রেপ্তারির পর থেকেই সাহস করে মুখ খুলতে শুরু করেছেন তাঁর অনেক প্রাক্তন অনুরাগী। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার নিজেও ভুক্তভোগী।

ধর্ষক বাবার এক প্রাক্তন মহিলা দেহরক্ষীর কথায়, প্রত্যেকদিন রাতে রাম রহিমের যৌন লালসা চরিতার্থ করার জন্য নতুন নতুন শরীরের প্রয়োজন হত। সেই চাহিদা মেটাত এই বিষকন্যারা। আর বাবার ইচ্ছে পূরণ না করতে পারলে বিষকন্যাদেরই নিজেদের শরীর দিয়ে তার মূল্য চোকাতে হত। গুরমিতের গুহার বিষয়ে বাইরে মুখ বন্ধ রাখতে হত। এই বিষয়টিও খেয়াল রাখত বিষকন্যারাই।

গুরমিতের ডেরার এমন স্থান গুলিতেই সার্চ অপারেশন চালিয়ে ছিলেন গোয়েন্দারা। পাওয়া গিয়েছি রাশি রাশি কন্ডোম ও আপত্তিকর জিনিসপত্র। অবৈধভাবে চালানো হাসপাতালে বৈআইনি গর্ভপাত করানো হত বলেও অনুমান গোয়েন্দাদের। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে পর্যন্ত নাকি ভণ্ড বাবা এই কীর্তি চালিয়ে গিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার আসছে ১০০ টাকার কয়েন!

এবার ভারতের বাজারে আসতে চলেছে নতুন একশ টাকার কয়েন।

ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রণালয় সোমবার এই প্রসঙ্গে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে।

এআইডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ড. এমজি রামাচন্দ্রণ ও কর্নাটকের বিখ্যাত গায়িকা ড. এমএস সুব্বালক্ষ্মীর জন্মবার্ষিকীতে এই নতুন কয়েন বাজারে ছাড়া হবে।

৪৪ মিলিমিটার ব্যাসবিশিষ্ট কয়েনটি তৈরি হয়েছে রূপো (৫০ শতাংশ), তামা (৪০ শতাংশ), নিকেল (৫ শতাংশ) এবং জিঙ্ক (৫ শতাংশ) দিয়ে।

ইতোমধ্যে নতুন এই কয়েন তৈরির নির্দেশও দেয়া হয়েছে। শুধু নতুন একশ টাকার কয়েন নয়, বাজারে আসবে নতুন ৫ এবং ১০ টাকার কয়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ভিটামিন সি

ভিটামিন সি সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি দেহের ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করে। বিশেষ করে চোখের লেন্স, কোষের ভেতরকার নিউক্লিয়াস, ত্বক ও হাড়ের কোলাজেনকে সুরক্ষা দেয় ভিটামিন সি। ভিটামিন সি মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। লেবু ও লেবুজাতীয় সব টক ফল ভিটামিন সির চমৎকার উৎস।

ভিটামিন সি’র আরও কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

১) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে- ভিটামিন সি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষ ও ডিএনএ-এর ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে। এই ভিটামিন প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিজ্ঞানীদের মতে, ভিটামিন সি সরাসরি ক্যান্সারের কোষে আঘাত করে না। বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রেখে ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে।

২) হাড় মজবুত করে- ভিটামিন সি হাড়ের ক্ষয় বা ভঙ্গুর হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া মেনোপজ পরবর্তী সময়ে যেসব নারীরা ভিটামিন সি বেশি গ্রহণ করেন তাদের হাড় অন্যদের তুলনায় বেশি মজবুত থাকে।

৩) মানসিক চাপ কমায়- দুর্ভাবনা বা মানসিক চাপের জন্য অনেকের দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। আবার মানসিক চাপ বা স্ট্রেস প্রভাবে দেহের ভিটামিন সি-র পরিমাণ কমে যায়। যেমন কমে যায় মদ্যপান, ধূমপান, ইত্যাদির জন্য। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি দেহে থাকা সুস্থ দেহের লক্ষণ।

৪) ওজন হ্রাস করে- পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি গ্রহণ করে শরীর থেকে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ চর্বি কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিটামিন সি অ্যামাইনো অ্যাসিড এল-কারনাইটাইন সমন্বয় করে এবং চর্বি হজম করে তা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।

৫) দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখে- ভিটামিন সি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আড়াই মাস বাংলাদেশে চাল রপ্তানি করবে না ভারত

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে চাল রপ্তানি করবে না ভারত। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

মঙ্গলবার বন্দরে পৌঁছা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভারতে চালের মূল্য যাতে বৃদ্ধি না পায় এবং খাদ্য সংকট সৃষ্টি না হয়, সে কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বাসমতি চাল এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকছে।

বন্যায় বোরো এবং আমনের ক্ষতির ফলে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। এ জন্য আমদানির শুল্কহার ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ২ শতাংশ করা হয়েছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুষ গ্রহণকালে ‌দুদকের হাতে আদালতের বেঞ্চ সহকারী আটক

ঘুষ গ্রহণকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) জাকির হোসেনকে আটক করেছে দুদক।

বুধবার সকালে টাঙ্গাইল বার সংলগ্ন ‘মজা হোটেল’ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ‘ক’ অঞ্চলের বেঞ্চ সহকারী জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।

টাঙ্গাইল দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সমর কুমার ঝা জানান, ‘‘স্থানীয় স্বপন মিয়ার একটি ব্যাংক চেক হারিয়ে গেলে কে বা কারা ওই চেক পেয়ে ২৬ লক্ষ টাকার অংক বসিয়ে চেকটি উত্তোলণ করতে যায়। চেক হারানোর বিষয়টি স্বপন ব্যাংককে অবহিত করলে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণ পক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর চেকটি পাওয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা করা হয়। চেক পাওয়ার বিনিময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ‘ক’ অঞ্চলের পেশকার/বেঞ্চ সহকারী জাকির হোসেন চেকপ্রাপ্তির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।’’

সেই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার সময় টাঙ্গাইল বার সমিতি সংলগ্ন মজা হোটেল থেকে তাকে দুদকের একটি দল আটক করে।

আটককৃত জাকির হোসেনের নামে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest