সর্বশেষ সংবাদ-

শেখ হাসিনা: বিশ্ব গণমাধ্যমে এক মানবিক রাষ্ট্রনায়কের প্রতিচ্ছবি

বিশ্ব গণমাধ্যমে অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এখন আরো বেশি জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে তিনি বিশ্বের প্রভাবশালী সব গণমাধ্যমে প্রশংসিত হচ্ছেন। ওইসব গণমাধ্যমে তাকে মানবিক এক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। সব জায়গাতেই তার একটি কথাকে উদ্ধৃত করা হচ্ছে: আমার ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারলে আরো সাত লাখকেও খাওয়াতে পারবো।

মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়ে শেখ হাসিনা তাদের সাহস এবং আশা ধরে রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো একদিন নিশ্চয়ই তাদের নিজদেশে ফিরতে পারবে।

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর অভিযান ও সহিংসতায় রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে দলে দলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে এরইমধ্যে দুই হাজার একর জমি বরাদ্দও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তার কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ উঠে এসেছে বিশ্ব গণমাধ্যমে।

ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন। বলেছেন, এই সঙ্কটাপন্ন পরিস্থিতি তাকে বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে।

হিন্দুস্থান টাইমসও একই ধরণের শিরোনাম করে লিখেছে, শেখ হাসিনা মিয়ানমারের কাছে নিজ দেশের নাগরিকদের ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। যতক্ষণ সেটা না হচ্ছে ততক্ষণ রোহিঙ্গাদের সাময়িক সহায়তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি।

নিউজ১৮ প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের ওপর ফোকাস করে শিরোনাম করেছে। লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমার বর্বরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পায় সেজন্য সেখানে সেফ জোন বা নিরাপদ এলাকা তৈরি করার পরামর্শও দিয়েছেন শেখ হাসিনা।রোহিঙ্গা-শেখ হাসিনা

অন্যদিকে ফার্স্টপোস্ট বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা করে সাংবাদিকদের বলেছেন, তার দেশ এমন অবিচার সহ্য করবে না।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডন লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের প্রতি বর্বর আচরণের কারণে ভর্ৎসনা করেছেন এবং তাদের ফিরিয়ে নিতে জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।

পাকিস্তান টুডেও একই ধরণের সংবাদ প্রকাশ করেছে।রোহিঙ্গা-শেখ হাসিনা

পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ হয়েছে শেখ হাসিনার খবর।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি উখিয়ায় অবস্থানকালে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারের এক মিনিট ১৫ সেকেন্ড একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মিয়ানমারের উচিত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে রোহিঙ্গা গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালাতে দেয়া মিয়ানমার সরকারের ঠিক হয়নি।

সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, কেউ অমানবিক হলেও আমরা অমানবিক হতে পারি না। আমরা আশ্রয় নেয়া মানুষগুলোকে আবার বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না, কারণ আমরা মানবিক।

 

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান মিয়ানমার সরকারের প্রতি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের বিষয়টি দিয়ে শিরোনাম করে সংবাদ করেছে। লিখেছে, রাখাইনে সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট অন্যান্য বেশিরভাগ গণমাধ্যমের মতোই বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তাদের সহায়তা করার আশ্বাসের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

তবে শিরোনাম ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হলেও সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনের মূল কথা একই: এক মানবিক রাষ্ট্রনায়কের প্রতিচ্ছবি।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বহুদিন ধরে চলমান সংঘর্ষ-সহিংসতা সঙ্কট সমাধানে ২০১৬ সালের আগস্টে গঠিত হয় অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেট। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে ওই কমিশন এক বছরের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চির কাছে জমা দেয় চলতি বছরের ২৪ আগস্ট।

৬৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ত্রিশটি পুলিশ ও সেনাচৌকিতে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য। তারপরই হামলার জন্য রোহিঙ্গা ‘জঙ্গি’দের দায়ী করে জবাব হিসেবে সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর ওই হামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫শ মানুষ মারা গেছে, আর প্রাণভয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বাংলাদেশে। নৌপথে পালিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন না করার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই হত্যাকাণ্ড শুরু করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে সেবাগ্রহিতা ও অংশীজনের মুক্ত সংলাপ

এম বেলাল হোসাইন : সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে সেবাগ্রহিতা ও বিভিন্ন অংশীজনের মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সদর হাসপাতালের সভাপক্ষে অনুষ্ঠিত মুক্ত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান। সনাক’র পক্ষ থেকে স্বাগত ও সভার উদ্দেশ্যে বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরহাদ জামিল। সচেতন নাগরিক কমিটি(সনাক) সাতক্ষীরা’র আয়োজনে “চাই স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছাতা ও জবাব দিহিতা” শ্লোগান নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিআইবি সাতক্ষীরা’র এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মোঃ আব্দুল আহাদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান,প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাংবাদিক আনিসুর রহিম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটির আহবায়ক ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ, সনাক সভাপতি কিশোরীমোহন সরকার, এড. ফাহিমুল হক কিসলু, চারুকলা এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ জলিল, উন্নয়নকর্মী মাধব দত্ত, অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন,সুন্দরবন ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির মহিবুল্লাহ, হাসানুজ্জামান ও কয়েকজন ভুক্তভোগী সেবাগ্রহণকারী।
এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সাতক্ষীরাবাসীর স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চিত করার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আজ সাতক্ষীরাবাসী হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
হাসপাতালের চিকিৎসরা আজ তাদের ক্লিনিকের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এমন অভিযোগ রয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসক রোগী দেখার পর তাকে কিছু রিপোর্ট পরীক্ষা করা দরকার। কিন্তু ওই পরীক্ষাগুলো করার জন্য তার ক্লিনিকে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। যদি ওই রোগী অন্যস্থান পরীক্ষা করেন তাহলে তার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার সাথে সাথে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। হাসপাতালে ঔষুধের সরবরাহ নেই বলে ঔষধ কেনার জন্য আদায় করা হয় টাকা। মাঝে মাঝে রিসিভ ছাড়াও টাকা নেওয়া হয়। এছাড়াও বর্হিবিভাগে রোগীদের জন্য কোন শৃঙ্খলা নেই। দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদের উপর প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই লাইনে না দাড়িয়ে সেবা গ্রহণ করছেন। হাসপাতালে দামি দামি মেশিন ও যন্ত্রপাতি থাকার পরও অনেক চিকিৎসক লাভের আশায় রোগীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে ফরওয়ার্ড করে থাকেন। যা খুবই দু:খ জনক ঘটনা।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন ডা. তহিদুর রহমান বলেন, সদর হাসপাতালের প্রধান সমস্যা হলো জনবল সংকট। সদর হাসপাতাল ৫০ বেড থাকা অবস্থায় যে জনবল ছিলো সেই জনবল নিয়ে ১০০ বেডের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আবার সে তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। যেকারণে সকলরে সেবা দেওয়া অনেকটা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। হাসপাতালে দামি দামি মেশিন রয়েছে ঠিক। কিন্তু ওই মেশিন চালানোর জন্য দরকার ৪৪০ ভোল্টেজ। কিন্তু আমাদের রয়েছে ২২০ ভোল্টেজ। যে কারণে মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া পরীক্ষার করার জন্য বিভিন্ন ক্লিনিকের বিষয়ে তিনি বলেন এটি চিকিৎসরা কোনভাবেই করতে পারে না। এটি স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ। তারা সুবিধা পাওয়ার জন্য এটা করে থাকে। তিনি আরো বলেন, আমি নতুন এসেছি। যে কারণে সব বুঝে উঠতে পারিনি। তবে আশা করছি শীঘ্রই হাসপাতালের সকল অসঙ্গগতি গুলো বন্ধ করতে না পারলেও প্রতিরোধ করার চেষ্টা করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফলের খোসাতেও আছে উপকারী উপাদান

ফলের মধ্যে বিভিন্ন নিউট্রিয়েন্টেস থাকে, যা স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কাজে লাগে। জেনে হয়তো চমকে যাবেন যে, ফলের খোসাতেও লুকিয়ে আছে বিভিন্ন উপাদান যা শরীর ও সৌন্দর্যের উন্নতি ঘটায়।
এবার জেনে নিন, সেরকম কয়েকটি ফল- যার খোসা ফেলে দেবার আগে ভেবে দেখা যেতে পারে।

কমলালেবুর খোসা:
কমলা লেবু দেখতে যেমন চমৎকার এর পুষ্টিগুণও তেমন। এই ফলটি সবাই খেতেও পছন্দ করেন। ওজন কমানোর জন্য এটি খুব কার্যকারী। এ ছাড়াও প্রাকৃতিক স্ক্রাব ও ব্লিচ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও ওরাল হেল্থ‚ শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা‚ কোষ্ঠকাঠিন্য ও অম্বল দূর করতেও সাহায্য করে। কমলালেবুর খোসা ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়।

কলার খোসা:
কলা আমরা সবাই খেয়ে থাকি। জানেন কি কলার খোসার ভেতরের সাদা অংশ দাঁতে ঘষলে তা আরো সাদা আর ঝকঝকে হয়ে যায়? এ ছাড়াও কলার খোসা পোড়া চামড়ার ওপর রাখলে ব্যথা কমিয়ে দেয়। এ ছাড়াও পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে এক সপ্তাহ কলার খোসা ঘষুন ঠিক হয়ে যাবে।

বেদানার খোসা:
বেদানার খোসা মিহি করে বেটে মেছতা‚ ব্রণ ও যেকোনো ফুসকুড়ির ওপর লাগিয়ে রাখুন সেরে যাবে। এ ছাড়াও হার্টকে ভালো রাখে। ঠান্ডা লেগে গলা খুস খুস ঠিক করে। হাড়ের মজবুতি বাড়ায় এবং দাঁত ভালো রাখে।
তরমুজের খোসা : তরমুজের খোসার সাদা অংশ খুব ভালো। ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও ত্বকের ওপরের নোংরা খুব সহজেই তুলে ফেলতে পারে। এর আরো একটা উপকার হলো ত্বকের Free Radical কে নিউট্রিলাইজ করে দেয় ফলে ত্বক ভালো থাকে।

শসার খোসা:
আমরা অনেকেই জানি না শসার খোসাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে এবং ক্যালোরি প্রায় নেই বললেই চলে। এর ফলে ওজন কমানো এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও শসার খোসায় বিটাক্যারোটিন‚ এক ধরনের ভিটামিন A ও ভিটামিন K আছে যা হাড় শক্ত করে‚ রক্ত জমতে দেয় না এবং চোখের দৃষ্টির উন্নতি ঘটায়।

আপেলের খোসা:
আপেলের খোসায় Flavonoids আছে যা ক্যান্সার সেল কে নষ্ট করে দেয় এবং ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি ঘটায়। এ ছাড়াও আপেলের খোসায় উর্সোলিক অ্যাসিড আছে যা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেসব খাবার ওজন বাড়ায় না

ওজন বেড়ে যাওয়ার চিন্তুায় নিশ্চিন্তমনে খাওয়া দাওয়া করাটাই মুশকিল। কারণ ওজন বেড়ে গেলে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়।
ওজন ঠিক রাখতে অনেকেই তাই খাবার গ্রহণে নানা নিয়ম মেনে চলেন। তবে কিছু খাবার আছে যা ওজন বাড়ায় না। ক্যালরি কম থাকায় এসব খাবার যত ইচ্ছে তত খাওয়া যায়।

এসব খাবারের তালিকায় শুরুতেই আছে শসা। এটা উল্টো ওজন কমাতেও সাহায্য করে। অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে নিশ্চিন্ত মনে বেগুন খান। কমলাতে ক্যালরির পরিমাণ কম। তাই কমলা খেতে পারেন। এ ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ ও ভিটামিন-সি আছে। তরমুজ খেলেও ওজন বাড়ে না।

মাখন বা চিনি ছাড়া ভাজা হলে খই ও পপকর্ন খেলেও ওজন বাড়ে না। নাশতায় যত ইচ্ছে আপেল রাখুন। কারণ তরমুজের মতো এ ফলটিতেও ওজন বাড়ার আশঙ্কা নেই। ওজন ঠিক রাখতে লেটুসপাতার সালাদ বানিয়ে খেতে পারেন। এতে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম।

ওজন বাড়ায় না এমন খাবারের তালিকায় আরও আছে বাদাম, ডিম, কলা, লেবু, ফুলকপি, পালং শাক, টমেটো ইত্যাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হালিমা ইয়াকুব

সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির সাবেক স্পিকার হালিমা ইয়াকুব। বুধবার দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত হালিমা ইয়াকুব দেশটির নবম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ক্ষমতাসীন পিপল’স অ্যাকশন পার্টির নেতা দেশের অস্টম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন।

নির্বাচনে হালিমা ইয়াকুবের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মোহাম্মদ সালেহ মারিকান ও মো. ফরিদ খান। কিন্তু নির্বাচনের শর্ত পূরণ করতে না পারায় সোমবারে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করে দেয়া হয়।

এর আগে ৬৩ বছর বয়সী হালিমা ইয়াকুব ৪৭ বছরের বেশি সময় ধরে মালয় প্রদেশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। সূত্র : রয়টার্স, চ্যানেল নিউজ এশিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেগুনের নানা গুণাগুণ

বেগুনের নাকি কোনো গুণ নেই! বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক গবেষণা এই ধারণার আমূল বদলে দিয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় বেগুনের ওজন কমানোর গুণের কথা বলা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এই সবজি প্রায়ই আমাদের খাদ্য তালিকায় থাকে। তবে যখন স্বাস্থ্য রক্ষা বা ওজন কমানোর বিষয় দেখা হয় তখন বেগুনকে ধরা হয় না। অথচ ১০০ গ্রাম বেগুনে মাত্র ২৫ ক্যালোরি থাকে। খাদ্যআঁশে ঠাঁসা একটা সবজি এই বেগুন। তাই অনেকগুলো বেগুন খেয়ে ফেললেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে!

এছাড়াও বেগুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, ভিটামিন বি সিক্স, রিবোফ্লাভিন, নায়াসিন এবং থায়ামিন। এগুলো আমাদের দেহের ‘মেটাবোলিজম’ সক্রিয় রাখে। ফলে খাবার ভালো হজম হয় এবং শরীরে মেদ জমে না।

অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে আরও অনেক কারণেই বেগুন নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে —

হৃদপিণ্ডের রক্ষক : বেগুনে ফাইটোকেমিক্যাল অ্যান্থোসায়ানিনস থাকে যার কারণে বেগুনের রংটা এত চমৎকার দেখায়। তবে এটি আমাদের হৃদয়ের রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করে। বেগুনে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে এবং সোডিয়ামের পরিমাণ অনেক কম থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বেগুনে থাকা ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টরেল দমিয়ে রাখে।

ক্যান্সার নিরাময় : অ্যান্থোসায়ানিনস এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ক্যান্সার নিরাময়ে কার্যকর।

ডায়বেটিস প্রতিরোধ : বেগুনে উচ্চ মাত্রায় আঁশ এবং কম পরিমাণে দ্রবণীয় শর্করা থাকে ফলে ডায়বেটিস প্রতিরোধের কাজেও বেগুন ভূমিকা রাখতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি : বেগুণ একটা ক্ষারধর্মী খাবার। এটি পরিপাক তন্ত্রের অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সচল থাকে।

বেগুন রান্নার সঠিক পদ্ধতি : পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, শুধু বেগুন খেলেই হবে না, এই সবজি সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করতেও জানতে হবে—

খোসা বেগুনের মতোই গুণী : বেগুন খোসায় আঁশ, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ। এতে থাকা ফিনোলস মুক্ত আয়নের আবর্জনা খুঁটে খায়, যারা অগণিত রোগের কারণ।

ভাজলে গুণাগুণ নষ্ট হয় : বেগুণ ভাজলে তা সমস্ত তেল শুষে নেয়, এতে খাবারে তেলের পরিমাণ বেড়ে যায়, বেগুন খেতে হলে আলু বেগুনের চচ্চড়ি বা অল্প তেলে বেগুন ভাজার কোনো তুলনা হয় না। বেগুনের ভর্তাও একই রকমের উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘আরো বেশি যন্ত্রণা’ দেবার হুমকি উত্তর কোরিয়ার

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা জারির পরদিনই কঠোর ভাষায় তার জবাব এলো উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে।

হুমকি পাল্টা হুমকির মধ্যে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে ভীষণ রকমের ‘যন্ত্রণা’ দেবার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

সোমবার নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে সবশেষ যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তার প্রতিক্রিয়া এমন ভাষাতেই এসেছে পিয়ং ইয়ং-এর পক্ষ থেকে।

জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হান টায়ে সং জেনেভায় এক বৈঠকে বলেন, তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণাদায়ক হবে। যা সম্পর্কে দেশটির কোনো অভিজ্ঞতাই নেই।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, আসলে যা ঘটতে যাচ্ছে তার তুলনায় এই অবরোধ কিছুই নয়। তিনি মনে করেন যে, নিরাপত্তা পরিষদে কোন ইস্যুতে সবার সম্মতি পাওয়াটা অনেক বড় ব্যপার।

তবে, সবশেষ অবরোধ উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পুরো বিশ্বের একরকম ধৈর্য্যেরই বহি:প্রকাশ বলে জেনেভায় একটি নিরস্ত্রীকরণ বৈঠকে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি রবার্ট উড।

মি. উড বলেছেন যে, ‘গতকালের সিদ্ধান্ত উত্তর কোরিয়াকে খুবই পরিষ্কার একটি বার্তাই দেয়, আর তা হলো তাদের উস্কানিমূলক আচরণে পুরো বিশ্বই ক্লান্ত। আর বিশ্ব এখন পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত হচ্ছে। এই অবরোধ দেশটিকে তাদের পরমাণু অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচী বন্ধে সহায়তা করবে বলেই আমার বিশ্বাস।’

সর্বশেষ অবরোধে উত্তর কোরিয়ায় কিছু মাত্রায় অপরিশোধিত তেল, কয়লা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা এসেছে দেশটির আয়ের অন্যতম উৎস তৈরি পোশাকে এবং অন্যান্য দেশে কাজ করতে যাওয়া কর্মীদের ওপরও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ানদের বেশি করে ক্যাঙ্গারুর মাংস খাওয়ার অনুরোধ

অস্ট্রেলিয়ার জমির মালিক ও পরিবেশবিদরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, সেখানকার বন্য ক্যাঙ্গারুর সংখ্যা অস্থিতিশীল পর্যায়ে চলে গেছে।

আর এ কারণে অস্ট্রেলিয়ানদের বেশি করে ক্যাঙ্গারুর মাংস খাবার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২০১৬ সালে ক্যাঙ্গারুর সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৫০ লক্ষ, যা দেশটির মানুষের সংখ্যার দ্বিগুণ।

২০১০ সালে ক্যাঙ্গারুর সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৭০ লক্ষ, যা ছয় বছরে অনেক বেড়েছে।

আর বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে খাদ্য উৎপাদনও হয়েছে প্রচুর এবং এ কারণে উল্লেখযোগ্য হারে ক্যাঙ্গারুর বংশবৃ্দ্ধি হয়েছে।

তবে শুষ্ক মৌসুমে খরা পরিস্থিতি তৈরি হলে লক্ষ লক্ষ ক্যাঙ্গারু মারা যাবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

অস্ট্রেলিয়ায় পশু শিকার নিয়ে কঠোর আইন রয়েছে। পশু শিকারের বিধিনিষেধ নিয়ে প্রত্যেকটি রাজ্যে নিজস্ব আইন ও কোটা রয়েছে। ব্যবসার জন্য লাইসেন্সতো রয়েছে এবং বাণিজ্যিকভাবে পশু শিকার ও বিক্রির বিষয়টিও কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে যেন স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশুর মাংস ব্যবসায়ীদের সংখ্যাও বাড়ছে না কারণ সেখানে এর চাহিদা তেমন নেই এবং এজন্য এর বাণিজ্যিক মূল্যও কম।

প্রতি বছর মাংস সংগ্রহের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। কারণ বিরোধীদের অনেকের মতে, ক্যাঙ্গারুর সংখ্যা কমলে যে পরিবেশের উন্নতি হবেএমন কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই।

জবাই করা ক্যাঙ্গারুর চামড়া বিক্রি হলেও এবং এগুলো রপ্তানি করা হলেও, মাংস বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে যায়। কারণ এই পশুর মাংসের চাহিদা অনেক কম।

আর এর অন্যতম কারণ হলো, ক্যাঙ্গারু অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পশু, আর জাতীয় পশুর মাংস খাওয়াটা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে যারা ক্যাঙ্গারুর মাংস খেতে নাগরিকদের উৎসাহিত করছেন তারা বলছেন, অন্য সব প্রাণীর তুলনায় ক্যাঙ্গারুর কম পরিমাণে মিথেন উৎপন্ন করে এবং তাই এই মাংসে ‘ফ্যাট’ কম। তাছাড়া এটি পরিবেশবান্ধব প্রাণী।

ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের অধ্যাপক ড্যাভিড প্যাটন এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “ক্যাঙ্গারু জবাই করা ও এর মাংস খাওয়ার বিষয়টির প্রতি মানুষের সমর্থন প্রয়োজন। দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং এই প্রাণীটি ‘পচে যাওয়া’ রোধ করতে এটি প্রয়োজন”।

“ক্যাঙ্গারু যে এত বেড়ে গেছে এটা তাদের কারণে নয়, আমরা আসলে ক্যাঙ্গারুর ওপর ছুরি চালানোর বিষয়ে অনিচ্ছুক ছিলাম। তাদের বধ করবো, খাবো এটা আমরা ভাবতে পারতাম না। আর এ কারণে প্রাণীটি অন্যভাবে ধ্বংস হয়ে যাবার মুখে পড়েছে”।

“আমরা যদি ক্যাঙ্গারু জবাই করে এর মাংসের ব্যবসা করি তাহলে সেটা মানবিকই হবে, তবে আমাদের এও ভাবতে হবে ক্যাঙ্গারুর মাংস ও চামড়াসহ অন্যান্য অংশগুলো কিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে”-বলেন এই অধ্যাপক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest