সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

মাদক নির্মূলে বিজিবি বদ্ধ পরিকর -কলারোয়ায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তৌফিকুল

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলার কেঁড়াগাছি রথখোলা ফুটবল মাঠে ওই সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা, ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
স্থানীয় সাধারণ জনগণের সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির যশোর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী তৌফিকুল ইসলাম পিএসসি। তিনি বলেন- ‘সীমান্তে চোরাচালান অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যেকোন মূল্যে মাদক নির্মুলে বিজিবি বদ্ধ পরিকর।’ সীমান্ত রক্ষায় বিজিবি কড়া নজরদারির পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিবির খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান পিএসপি, সাতক্ষীরা, ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লে. কর্নেল আরমান হোসেন পিএসসি, সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুর রহমান, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন, কলারোয়ার সীমান্তবর্তী ৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কেঁড়াগাছির আফজাল হোসেন হাবিল, সোনাবাড়িয়ার এসএম মনিরুল ইসলাম, চন্দনপুরের মনিরুল ইসলাম মনি, কেঁড়াগাছি ব্রক্ষ্ম হরিদাস ঠাকুর জন্মভিটা আশ্রম-মন্দিরের সভাপতি অধ্যাপক কার্তিক চন্দ্র মিত্র প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা, ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি, লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। ডাকাত দলের সদস্যরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দু’ ভরি সোনার গহনা, নগদ ৩৮ হাজার টাকাসহ দু’ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের মফিজ সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গৃহকর্তা মফিজ সরদার জানান, বুধবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে সাত আট জনের একদল ডাকাত ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাদেরকে ঘরের দরজা খুলতে বলে। দরজা না খোলায় তারা বাড়ির পাশের আম গাছ বেয়ে ছাদে ওঠে। পরে তারা সিঁড়ি বেয়ে ঘরের বারান্দায় এসে দরজা খুলতে বাধ্য করে। তারা ঘরের মধ্যে ঢুকে তাকেসহ পরিবারের সদস্যদের পিস্তলের মুখে জিম্মি করে শোকেস ভেঙে দু’ ভরি সোনার গহনা, নগদ ৩৮ হাজার টাকাসহ দু লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে চলে যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ জানান, এটা ডাকাতি নয়, দস্যুতা। লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবারের বিসিএস-এ পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম ডা. সুবর্ণা

৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ডা. সুবর্ণা শামীম আলো। ডা. সুবর্ণা শামীম আলো রাজধানী ঢাকার ‘স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের’ ৩৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

২০১৩ সালে এমবিবিএস পাসের পর বিসিপিএস থেকে শিশু বিভাগে এফসিপিএস-পার্ট ১ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিশু বিভাগে এমডি কোর্সে অধ্যয়নরত। তিনি এবারই প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন।

 ডা. আলো কুমিল্লার হোমনা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হক মোল্লার ছোট মেয়ে।

প্রসঙ্গত, গতকাল (১৭ অক্টোবর) ৩৬তম বিসিএস’র চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এতে ২ হাজার ৩২৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ১৮০ জনকে নিয়োগ দিতে ২০১৫ সালের ৩১ মে ৩৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। গত বছরের ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় দুই লাখ ১১ হাজার ৩২৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি, যাতে উত্তীর্ণ হন ১৩ হাজার ৮৩০ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ পেল ১০২৭ ভোট, মিয়ানমার ৪৭

মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর গণহত্যার বিষয়টি ১৩৭তম ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) সম্মেলনে ইমারজেন্সি আইটেম হিসেবে গৃহীত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে চলমান আইপিইউ সম্মেলনের সাধারণ সভায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হয়।

এর আগে সোমবার আইপিইউ সম্মেলনে ইমারজেন্সি আইটেম হিসেবে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত রোহিঙ্গা ইস্যুটি ভোটাভুটিতে ১০২৭ ভোট পেয়ে গৃহীত হয়। এর বিপরীতে মিয়ানমার পায় মাত্র ৪৭ ভোট। বুধবার জাতীয় সংসদের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইপিইউ সাধারণ সভায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি গৃহীত হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহল দেখছে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে। জাতিসংঘের চেয়ে বয়সে পুরনো, সারাবিশ্বের ১৭৩টি দেশের ৬৫০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সর্ববৃহৎ সংসদীয় ফোরামে রোহিঙ্গা ইস্যুটি গৃহীত হওয়ার বিষয়টি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমতের প্রতিফলন বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আইপিইউ সম্মেলনে ইমারজেন্সি আইটেম হিসেবে বাংলাদেশের কোন প্রস্তাবনা গৃহীত হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। আজ সমাপ্ত আইপিইউ সম্মেলনে ২০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি।

এদিকে আইপিইউ সম্মেলন চলাকালে বাংলাদেশ সংসদীয় দলের সঙ্গে রাশিয়ার সংসদীয় দলের এক দ্বি-পাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপিসহ অন্য সংসদ সদস্যরা। রাশিয়া সংসদীয় দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের ডেপুটি স্পিকার ইলিয়াস উমা খান। আলোচনাকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মিয়ানমারের জাতিগত নিধনের ভয়াবহতা রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরেন। মানবিক এ সমস্যার সমাধানে রাশিয়া ভূমিকা রাখবে বলে রাশিয়ার ডেপুটি স্পিকার বাংলাদেশ সংসদীয় দলকে আশ্বস্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়া

তিন মাসেরও বেশি সময় পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়া।

বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানে বাসভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।

এর আগে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, দেহরক্ষী মাসুদ রানা ও গুলশানের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কর্মচারী জসিম।

এর আগে লন্ডনের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা ১৫ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি (ইকে-৫৮৬) হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে ছাড়ে।

বিমানে ওঠার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। ভিআইপি টার্মিনাল থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এই বক্তব্য দেন তিনি। নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে দলীয়প্রধানের বক্তব্য শোনেন।

পরে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এমন একসময়ে দেশে ফিরছেন, যখন তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। এ ছাড়া ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান এ দুটি পরোয়ানা জারি করেন।

বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ষাটোর্ধ বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ, নজরদারিতে স্ত্রী

আব্দুল জলিল : গলায় নায়লনের রশির ফাঁস লাগিয়ে ঘরের বৈদ্যুতিক ফ্যানে ঝুলন্ত এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা স্পষ্ট নয়।
মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় ঘটনাটি ঘটে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাড়দ্দহা গ্রামে। বুধবার সকালে সদর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল হাকিম। তার বয়স ৬২ বছর।
প্রতিবেশী ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম জানান, আবদুল হাকিম নিঃসন্তান হওয়ায় পরপর তিনটি বিয়ের পর পাঁচ বছর আগে তিনি আনোয়ারা খাতুন রুনা নামের এক নারীকে দুটি সন্তানসহ বিয়ে করেন। বিয়ের সময় কথা ছিল তিনি তাদের নামে তার সম্পত্তি লিখে দেবেন। কিন্তু সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় স্ত্রী রুনার সাথে তার ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। এরই এক পর্যায়ে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, আবদুল হাকিম কিছুদিন আগে হজ্ব করেছেন। তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন দাবি করে ইউপি সদস্য আরও বলেন ‘গলায় ফাঁস লাগানো আবদুল হাকিমের লাশ এমনভাবে ঝুলন্ত ছিল যে দেখেই মনে হবে তিনি দাঁড়িয়ে রয়েছেন।’
ঘটনাস্থল থেকে সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামাপ্রসাদ জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন ‘এ ঘটনা একটি পরিকল্পিত হত্যা এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত কেউ করেনি’। ময়না তদন্ত শেষে তার মৃত্যুর রহস্য পরিষ্কার হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান ঘটনার পর থেকে তার স্ত্রীকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যবাহী দাড়িয়াবান্ধা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

আব্দুল জলিল : সাতক্ষীরায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী আট দলীয় দাড়িয়াবান্ধা (গাদন) টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উত্তর তলুইগাছা মাঠ পাড়ায় টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনালে অংশ নেয় পাচালি দল ও জোরদিয়া দল। তবে, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ফাইনাল ম্যাচ পাচালি দল ১-পয়েন্টে জোরদিয়া দল (গাদনে) পরাজিত করে। ফাইনালে ম্যাচ রেফারি ছিলেন যুবলীগনেতা আব্দুল খালেক। খেলায় বিজয়ী দলকে একটি ২১” টিবি ও পরাজিত দলকে ১৪” টিভি দেওয়া হয়। খেলায় সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হন জোরদিয়া দলের বাবলা হোসেন।
স্থানীয়রা জানান, তলুইগাছা গাদন কমিটি প্রতিবছর এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। গ্রাম বাংলার মানুষের বিনোদনের খোরাক এই খেলা আগে অনেক এলাকায় হলেও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখার।
এবারের আয়োজনও সার্থক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশপাশের বহু গ্রামের মানুষ ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এসেছে এবং বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে খেলা উপভোগ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুলসীর অজানা রহস্য!

হরেক রকমের রোগ দূর করতে তুলসী পাতার জুড়ি মেলা ভার। একাধিক প্রাচীন পুঁথি ঘেঁটে জানা গেছে, যে বাড়িতে তুলসি গাছ রয়েছে সেখানে রোগ-ভোগের প্রবেশ নিষেধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে সুখ শান্তির অভাব কোনও দিন হয় না। এমনকি এমনও বিশ্বাস আছে যে তুলসি গাছ দোর গোড়ায় রাখলে মৃত্যুরও পায়েও শিখল পরে যায়।

শুধু ঠাণ্ডা বা সর্দি কমাতে নয়, আরও অনেক কাজে তুলসী অনেক বেশি উপকারী। আসুন জেনে নেয়া যাক, তুলসী পাতা সম্পর্কে অজানা কিছু রহস্য-

১. বাস্তু শাস্ত্র মতে বাড়িতে কোন দোষ থাকলে তুলসি গাছে এনে রাখা উচিত। এমনটা করলে সমস্ত দোষ কেটে যায়। সেই সঙ্গে সুখ-সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত হয়।

২. এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে যত আমরা নেগেটিভ এনার্জির থেকে দূরে থাকবো, তত খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা কমে। কিন্তু এমনটা তো বোঝা সম্ভব নয় যে আমাদের আশেপাশে নেগেটিভ এনার্জির নিজের জাল বিছচ্ছে কিনা। তাই বাড়িতে তুলসি গাছ রাখা মাস্ট! কারণ তুলসি মা সব রকমের নেগেটিভ এনার্জিকে দূরে রাখে। ফলে খারাপ কিছু হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়।

৩. বাড়িতে রাখা তুলসি গাছ শুকিয়ে গেলে ভুলেও তা বাড়িতে রাখে দেবেন না। বরং তা জলে ভাসিয়ে দেবেন। কারণ শুকিয়ে যাওয়া তুলসি গাছ বাড়িতে রাখলে মারাত্মক কিছু ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন যদি ১-২ টো করে তুলসি পাতা খাওয়া যায়, তাহলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও ধরনের সংক্রমণই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৫. অনেকেই শারীরকে চাঙ্গা রাখতে প্রতিদিন তুলসি পাতা খেয়ে থাকেন। এই অভ্যাসে কোনও ভুল নেই। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে তুলসি পাতা খাওয়ার সময় ভুলেও তা চিবতে নেই! কারণ এতে উপস্থিত অ্যালোয়িস নামে একটি উপাদান দাঁত এবং মাড়ির স্বাস্থ্যের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। তাই ভুলেও এবার থেকে তুলসি পাতা চিবতে যাবেন না যেন!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest