সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

গোঁফ দেখিয়ে অধিকার রক্ষার আন্দোলনে নেমেছে ভারতের দলিতরা

ভারতের গুজরাত রাজ্যের দলিতরা নিজেদের গোঁফসহ ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমের প্রোফাইল বানিয়ে এক অভিনব প্রতিবাদ শুরু করেছে।
গত কয়েকদিনে গোঁফ রাখার অজুহাতে উচ্চবর্ণের লোকজন অন্তত চারজন দলিতের ওপরে হামলা চালিয়েছে।
দলিত শ্রেণীর এক যুবক গরবা নাচ দেখতে গিয়ে খুন হন গত সপ্তাহে।
একের পর এক হামলার দায় নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে মিছিল করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন বেশ কিছু দলিত যুবক।
তারা বলছেন, দলিতদের ওপরে আক্রমণের কোনও সাজা হয় না বিজেপি-শাসিত গুজরাতে, অথচ সেই রাজ্যেরই সবথেকে পরিচিত ব্যক্তিত্ব মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী এই দলিতদেরই আপন করে নিয়ে হরিজন নাম দিয়েছিলেন।
সতের-বছর বয়সী দলিত ছাত্র দিগন্ত মাহেরিয়া যখন মঙ্গলবার স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল, তখন দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মোটরসাইকেলে চেপে এসে তার পিঠে ব্লেড চালিয়ে দেয়। তার এক দাদা পিযুষ পারমার গত সপ্তাহে মার খেয়েছে গ্রামেই।
এদের অপরাধ, দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও এরা গোঁফ রেখেছিল।
সন্দেহ করা হচ্ছে আক্রমণকারীরা রাজপুত সম্প্রদায়ের, যারা মনে করে যে দলিত শ্রেণীর মানুষের গোঁফ রাখার অধিকার নেই।
তারপরেই গুজরাতের দলিতরা সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের ছবি বদলে দিতে শুরু করেছেন – নিজের ডিসপ্লে পিকচারে গোঁফ সহকারে ছবি দিচ্ছেন তারা।
দলিতদের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেন জিগনেশ মেওয়ানী।
তিনি বলছিলেন, গতবছর উনাতে চারজন দলিতকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল – যা নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়েছিল।
“কিন্তু গুজরাতে দলিতদের ওপরে তার থেকে বহু গুন বেশী অত্যাচার প্রতিদিন ঘটছে। আর এই এত বছর ধরে সেইসব অত্যাচারের কোনও বিচার হয় নি। রাজ্যে দলিতদের ওপরে অত্যাচারের ১০০টা ঘটনা হলে, ৯৭ জন অভিযুক্তই ছাড়া পেয়ে যান,” তিনি বলেন, “সব ঘটনাতেই উচ্চবর্ণের লোকেরা জড়িত, তাই বিজেপি শাসিত সরকার বলতে গেলে কিছুই করে না। এতদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ এবারে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।”
তিনি যখন কথা বলছিলেন, তার কয়েক মিনিট আগেই হাজত থেকে বেরিয়েছেন তিনি।
দলিতদের ওপরে ক্রমাগত আক্রমণের প্রতিবাদে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে একটি মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মেওয়ানীসহ আরও অনেকে।
তার কথায়, শুধুমাত্র গোঁফ রাখার কারণে উচ্চবর্ণের লোকরা দলিতদের মারছে। নবরাত্রির উৎসবে গরবা নাচ দেখতে গিয়েছিল বলে এক দলিত যুবককে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দিয়ে মেরে ফেলা হল – এ সবই হচ্ছে সত্যিকারের গুজরাত মডেল – যে মডেলের কথা নরেন্দ্র মোদী সারা দেশে বলে বেড়াচ্ছেন।
মোদী গান্ধীজীর কথা বলেন, যে গান্ধীজী দলিতদেরকেই হরিজন বলে আপন করে নিয়েছিলেন, তাদেরই আজ এই অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে গুজরাতে গ্রামে গ্রামে, বলছিলেন জিগনেশ মেওয়ানী।
সাংবাদিক দীপক চুডাসামার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, দলিতদের এই ক্ষোভ কি বিজেপি বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে ডিসেম্বরে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে?
তার জবাব ছিল, বিজেপি উচ্চবর্ণের দল হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত। আর কেন্দ্র এবং রাজ্য – দুই জায়গাতেই তাদেরই সরকার, অথচ দলিতদের ওপরে একের পর এক অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসছে, অথচ সরকারকে কোনও বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।
“তাই বিজেপি-বিরোধী বিক্ষোভ তো বাড়ছেই। তবে শুধু মাত্র দলিতরা বিজেপিকে খুব একটা বেগ দিতে পারবে বলে মনে হয় না। কিন্তু পাটিদার সম্প্রদায়ও আগেই বিজেপি-র সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করেছে। অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষেরও ক্ষোভ রয়েছে, বলছিলেন চুডাসামা, “তাদের সঙ্গেই যদি এই দলিতদেরও বিক্ষোভ শুরু হয়, তাহলে সেটা তো বিজেপিকে নির্বাচনে কিছুটা হলেও বেগ দেবে।”
লক্ষণীয় বিষয় হল, যে সামাজিক মাধ্যমকে নিজেদের প্রচারের সবথেকে বড় হাতিয়ার করে বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এই দলিত যুবকরাও কিন্তু সেই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের প্রতিবাদ জানানোর জন্য।
বিশ্লেষকরা বলছেন এখনই হয়তো দলিত শ্রেণীর সব মানুষ এক জায়গায় আসতে পারছেন না কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে গোঁফসহ নিজের ছবি লাগিয়ে প্রতিবাদটা তারা ছড়িয়ে দিতে পারছেন অনেক সহজেই।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমিক নিয়ে মুখোমুখি শুভশ্রী-মিমি!

কলকাতার জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। অভিনেত্রী শুভশ্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে জোর গুঞ্জন ছিল।
যদিও সেই সম্পর্ক এখনও অতীত বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু আরেক অভিনেত্রী মিমির সঙ্গে নাম জড়িয়ে তিনি আবারও প্রেমিক হিসেবে খবরের শিরোনামে। এখানেও অবশ্য শুভশ্রী আছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলা হচ্ছে রাজ একেবারেই সিঙ্গল নন। প্রেম করছেন। কিন্তু কার সঙ্গে? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। কখনও শুভশ্রীর দিকে পাল্লা ভারী তো কখনও মিমির দিকে। ইদানীং আবার এক বিবাহবিচ্ছিন্না নায়িকার সঙ্গেও তাঁর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে!

বেশ কিছু দিন আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল অনেক ঝগড়া, মনোমালিন্য, বিখ্যাত প্রযোজকের চাপ এড়িয়ে রাজ-শুভশ্রীর সম্পর্ক নাকি আবার জোড়া লেগেছে। যদিও তার কোনো দৃশ্যত প্রমাণ চোখে পড়েনি। কিন্তু আলাদা-আলাদা আর কত দিন!

ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, সবাই যখন দুর্গাপূজা নিয়ে ব্যস্ত, তখন রাজ নাকি চুপি-চুপি শুভশ্রীকে নিয়ে উড়ে যান গোয়া। এই একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার ঘটনাটা টলিউডে যাঁরা খবর রাখেন, তাঁদের চোখ এড়িয়ে যায়নি। শোনা যাচ্ছে, নবমীর দিন তাঁরা গোয়া যান এবং দ্বাদশীর দিন সকালে সেখান থেকে ফেরেন। কিন্তু এখানে আবার একটা টুইস্ট রয়েছে। যদি তাঁদের গোয়া যাত্রা কাকপক্ষীটিতে টের পেয়ে যায়? তাই রাজের সঙ্গে শুভশ্রী নন, মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি গোয়া গেছেন, সেই খবর কায়দা করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। নিন্দুকেরা রটাচ্ছে, এ কাজও নাকি শুভশ্রীরই!

এ বিষয়ে শুভশ্রী সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেও চটেছেন মিমি। সরাসরি জানালেন, ‘‘কে কার সঙ্গে সম্পর্ক করছে, সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। অন্য কোনো নায়িকা কিছু বললেই সেটা ছাপতে হবে? আর বিষয়টা ভীষণই স্পর্শকাতর। ’’

মিমি আরও বলেন, ‘‘আমি কলকাতায় ছিলাম সেটা অনেকেই জানেন। আর অষ্টমীর রাতে আমার দাদু মারা গেয়েছিল। একজন গোয়ায় গিয়ে বসে থাকবে আর রটিয়ে দেবে আমি সেখানে রয়েছি, এটা হতে পারে না। ’’ তা হলে এটা পরিষ্কার, গোয়া যাওয়ার প্রশ্নে সকলেরই উত্তর ‘না’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসিকে পেছনে ফেললেন নেইমার

বার্সেলোনায় থাকাকালীন দারুণ এক বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মেসি-নেইমারের মধ্যেও। কিন্তু এখন দু’জন দু’জনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী।
সেটাও পারফর্মমেন্স দিয়ে। আর এর মধ্য দিয়ে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে বর্ষসেরা ফুটবলারের লড়াইয়ে এবার জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিচ্ছেন নেইমার। এরই অংশ হিসেবে ভিন্ন এক লড়াইয়ে এবার মেসিকে হারিয়ে দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এমনিতেই নতুন ক্লাব পিএসজির হয়ে শুরু থেকেই আলো ছড়াচ্ছেন নেইমার। এটা তারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। নতুন মৌসুমে ইউরোপের সেরা ড্রিবলারের দৌড়ে শীর্ষে যে এই ব্রাজিলিয়ান।

একজন ফুটবলার কতটা ভালো, তার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি ড্রিবলিং। ড্রিবলিংয়েই মিলে পায়ের মোহনীয় ছন্দের জাদু। তো নতুন মৌসুমে এখনো পর্যন্ত মাঠের সেই জাদুকরী ছন্দ প্রদর্শনে নেইমারই সেরা। চলতি মৌসুমে ৬ ম্যাচে ৭২টি ড্রিবলিং থেকে ৪৬টিতে ড্রিবলিংয়ে সফল হয়েছেন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। আর নেইমারকে আটকাতে ৩০ বার ফাউল করেছেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রা, তার সমান ফাউলের শিকার হয়েছেন কেবল বোর্দোর ম্যালকম। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে হারানোর রেট ৬৪ শতাংশ।

নেইমারের পরেই অবস্থান আর্জেন্টাইন আইকন বার্সার মেসির। ৬৮ ড্রিবলিং থেকে ৪২টিতে সফল হয়েছেন তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে হারানোর রেট ৬২ শতাংশ। ৫০টি থেকে ৩৫টি সফল ড্রিবলিং করে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লিঁওর নাবিল ফেকির। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন তারকা পাওলো দিবালা এবং আলেজান্দ্রো গোমেজ। দু’জনেরই সফল ড্রিবলিং সমান ২৬টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি বাদশাহ’র ঐতিহাসিক রাশিয়া সফরের নেপথ্যে

রাশিয়ার মস্কোতে বুধবার পৌঁছেছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান। রাশিয়াতে তার সফরকে বলা হচ্ছে ঐতিহাসিক।
শুধু বলার জন্য বলা নয়, এটিকে সত্যিকার অর্থেই ঐতিহাসিক বলা যেতে পারে। কারণ এই প্রথমবারের মতো কোনো সৌদি বাদশাহ রাশিয়া সফর করছেন। ৮১ বছরের বাদশাহকে অভিবাদন জানাতে চেষ্টার কোনো কমতি রাখেনি রাশিয়া।

আমেরিকার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ভিত মজবুত হলেও রাশিয়ার ক্ষেত্রে সে কথা প্রযোজ্য নয়। মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের সূত্রপাত। তবে যেটি যে, খুব জোরদার কিছু ছিল তেমন নয়।

২০০৭ সালে রাশিয়ার তৎকালীন ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সৌদি আরব সফরে গিয়েছিলেন। সেসময় সৌদি আরবের বাদশাহ ছিলেন আবদুল্লাহ। কিন্তু তিনিও রাশিয়া সফরে আসেননি।

২০১৫ সালে বাদশাহ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর সৌদি আরবের দায়িত্ব এখন সালমান ও তার ছোট ছেলে ক্ষমতাবান ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের হাতে। এ সময়টাতে ভূ-রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও হয়েছে। বিশ্বে আমেরিকার কর্তৃত্ব এখন প্রশ্নের সম্মুখীন। তাই দুই তেল উৎপাদনে নির্ভরশীল দুই দেশ সত্যিকার অর্থেই হয়তো সম্পর্কটা আরও জোরদার করতে চায়। সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিবর্ষণে বিপর্যস্ত মধ্য আমেরিকা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

মধ্য আমেরিকায় অতিবর্ষণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় কয়েক লাখ মানুষ।
টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থাও। বন্ধ রয়েছে টেলি যোগাযোগ।

দেশটির আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বর্ষা মৌসুমে পাঁচ মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বেশি বৃষ্টি হয়। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর এ সময়ে গড়ে ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হচ্ছে।

মার্কিন জরুরি বিভাগ জানিছে, বৃষ্টিপাতে সবচেয়ে প্রাণহানি হয়েছে হন্ডুরাসে। অতিবৃষ্টির কারণে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গুয়েতেমালায় ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ। ছয় হাজার মানুষকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। ১১০টি সড়ক ও ১৪টি সেতু এবং চার হাজার বাড়ি-ঘরের ক্ষতি হয়েছে।

গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট জিমি মরালেস জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা জারির চিন্তা-ভাবনা চলছে। এল সালভাদরে প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ছয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। নিকারাগুয়ার রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের ২০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বউয়ের কথা অমান্য করে কোটিপতি!

সংসার জীবনে সুখী হওয়ার শর্ত হলো সৎ থাকা এবং সবকিছু নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। কিন্তু আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা হার্মেনিগিলদো বেলত্রান-মেজা করেছিলেন উল্টোটা।

স্ত্রী লটারি কেনার বিষয়ে লেকচার দিতেন। এটা কেনা ঠিক নয়, ইত্যাদি, ইত্যাদি। তাই বউকে লুকিয়েই টিকেট কিনতেন। বাড়িতে এসে বাথরুমে গিয়ে সেগুলো ক্র্যাচ করতেন।

সম্প্রতি তিনি ১০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পুরস্কার জিতেছেন। বউকে সেই সুখবর দিয়েছেন বেশ নাটকীয় ভঙ্গিতে। হার্মেনিগিলদো বলেন, ‘তুমি বলেছো আমি কখনই জিতব না। দেখ আমি জিতেছি। এই তার প্রমাণ। ‘ সূত্র : ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট লটারি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আজ বাংলাদেশ-ভারত বৈঠক হতে পারে

রোহিঙ্গা সংকট পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দিল্লিতে তারা বৈঠকে মিলিত হতে পারেন বলে খবর।

গত মঙ্গলবারই দিল্লি সফরে এসেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব। এই সময়কালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে শহিদুল হক আলোচনা সেরে নিয়েছেন বলে খবর।

রোহিঙ্গা ইস্যু ছাড়াও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আসন্ন ঢাকা সফর সূচি নিয়েও দুইজনের কথা হতে পারে। কারণ আগামী ২২-২৩ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হতে চলেছে জয়েন্ট কনসালটিভ কমিশন (জেসিসি)’এর বৈঠক, সেই বৈঠকেই উপস্থিত থাকবেন সুষমা।

সূত্রের খবর, দুই পররাষ্ট্র সচিবের মধ্যে আলোচনার অন্যতম বিষয় হিসাবে রোহিঙ্গা থাকলেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টিও তাঁরা পর্যালোচনা করবেন।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে নতুন করে সহিংসতার কারণে ২৫ আগস্টের পর থেকে গত এক মাসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখের কাছাকাছি। মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়ে আসা এই রোহিঙ্গাদের মোকাবিলা করাটাই এখন বাংলাদেশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক মহলকে এগিয়ে আসার জন্য একাধিকবার আর্জি জানিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে সাড়া দিয়ে ভারতের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশকে কূটনৈতিক ও মানবিক দিক থেকে সবরকম সমর্থন করার ব্যাপারে পুনরায় আশ্বস্ত করা হয়েছে।

দুইদিন আগেই ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দেশের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধণ শ্রিংলা জানান ‘আমরা পুরোপুরিভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন জানাই। এই ইস্যুতে কূটনৈতিক ও মানবিক দিক থেকে আমরা বাংলাদেশের পাশে থাকবো’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুঁজিবাদী স্বার্থেই রোহিঙ্গাদের পাশে নেই রাশিয়া-চীন

‘পুঁজিবাদী স্বার্থের কারণেই রাশিয়া, চীন ও ভারত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ায়নি। যে ঘটনা একাত্তরে আমরা দেখেছি, এখন তা দেখছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা। চীন সবকিছুই জানে। কিন্তু দেশটির পুঁজিবাদী সরকার নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ায়নি, দাঁড়িয়েছে মিয়ানমারের পক্ষে। রাশিয়াও চীনের মতোই আচরণ করছে। যে ভারত একাত্তরে আমাদের দেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছে, সেও দাঁড়িয়েছে মিয়ানমারের পক্ষে। কারণ একই পুঁজিবাদী স্বার্থ। ’ গতকাল দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাবিদ ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন। অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদ্যাপন জাতীয় কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে কমিটির আহ্বায়ক ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, জাতীয় গণফ্রন্টের আহ্বায়ক টিপু বিশ্বাস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ প্রমুখ। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, একাত্তরের হানাদার, বাংলাদেশের ধর্ষক ও মিয়ানমারের সেনাসদস্য সবাই একই আদর্শে দীক্ষিত। সেই আদর্শ হলো পুঁজিবাদ। অক্টোবর বিপ্লব এই পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। পুঁজিবাদের মালিকানা থাকে পাঁচজনের হাতে, আর ৯৫ জন থাকে বঞ্চিত। বঞ্চিতরা দরিদ্র হয়। পুঁজিবাদ সবকিছুকেই বাজারে নিয়ে আসে। যাদের হাতে টাকা থাকে, তাদেরই বাজারে প্রবেশের অধিকার থাকে। অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদ্যাপন জাতীয় কমিটির আরেকজন আহ্বায়ক হলেন ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক। জাতীয় কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে আছেন হায়দার আকবর খান রনো। সংবাদ সম্মেলনে শতবর্ষ উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির কথা জানানো হয়। আগামী শুক্রবার বেলা ৩টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে উদ্বোধনী সমাবেশ করা হবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৯ নভেম্বর হবে সমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিল। এখনো সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়নি মন্তব্য করে সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘সভ্যতার বিবর্তনে ক্ষমতা এক শ্রেণির হাত থেকে অন্য শ্রেণির হাতে গেছে। দাসমালিকদের হাত থেকে ক্ষমতা চলে গেছে সামন্তপ্রভুদের হাতে। আবার সামন্তবাদীদের সরিয়ে পুঁজিবাদ এসেছে। এই তিনটি ব্যবস্থার মিল ব্যক্তিগত মালিকানা। তিনটির কোনোটিতেই সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ’ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ১৯১৭ সালের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব পুঁজিবাদের ক্রমবর্ধমান দুঃসহ দৌরাত্ম্যকে প্রতিহত করে একটি মানবিক বিশ্ব গড়ে তুলতে চেয়েছিল। অক্টোবর বিপ্লব দেখিয়েছে, মালিকানা যদি ব্যক্তিগত হতে থাকে তাহলে সব উদ্ভাবনা ও উন্নয়ন চলে যায় কতিপয় ব্যক্তির হাতে। পুঁজির মালিকেরা শোষণ ও লুণ্ঠনের কাজে জ্ঞান ও বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest