সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

জেলা তরুণলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি ঘোষিত বিক্ষোভের প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী তরুণলীগের উদ্যোগে শহরব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১১টায় জেলা সভাপতি শেখ তৌহিদুজ্জামান চপলের নেতৃত্বে শহরের ডে নাইট কলেজ মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে সদর উপজেলা এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা তরুণলীগের সভাপতি শেখ তৌহিদুজ্জামান চপল। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ জাহিরুল ইসলাম টুটুল, সহ-সভাপতি মাহাবুব ইমন, শামছুদ্দিন বাবলু, আহম্মাদ উল ইসলাম চঞ্চল, মির্জা শাহীন, শেখ শাহীন, টুটুল, পৌর সভাপতি সিরাজ খান, পৌর সম্পাদক আশিষ, কলারোয়া উপজেলা সভাপতি এস এম আশরাফুজ্জামান রিপন, সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন, আশাশুনি উপজেলা সভাপতি ইদ্রিস আলী, সম্পাদক আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক স ম সস্টালিং সরদার, কালিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মোকলেছুর রহমান মুকুল, সহ-সভাপতি জি এম কুদ্দুস সাহেব, ভাড়া শিমলা ইউনিয়ন সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, তরুণলীগ নেতা সোহেল, আব্দুর রহিম প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, বিএনপি ঘোষিত বিক্ষোভের কোন ভিত্তি নেই। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তারা বিক্ষোভের নামে এ ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে জনগণ এখন সচেতন। তাদের আর ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় বসা যাবে না। তারা বিএনপির উক্ত বিক্ষোভের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় দরবেশ আলী স্কুলে বৃক্ষরোপণ

নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার মানিকতলায় আহছানিয়া দরবেশ আলী মেমোরিয়াল ক্যাডেট স্কুল প্রাঙ্গনে বৃক্ষ রোপন করলেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লষ্কর জায়াদুল হক।
রোববার বিদ্যালয়ের উপদেষ্টা ওসি লষ্কর জায়াদুল হক, এস.আই প্রকাশ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে তিনি শিশু শ্রেণি থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্লাসে যেয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন ওসি। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষাসহ লেখাপডার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।
ক্লাস পরিদর্শন ও বৃক্ষ রোপণের সময় সাথে ছিলেন স্কুলের পরিচালক ও সাংবাদিক সোহরাব হোসেন সবুজ, অধ্যক্ষ খান আলাউদ্দিন, উপ-অধ্যক্ষ শাহিনুর রহমান, শিক্ষক আবু ফরহাদ, শিউলী সরকার, আনারুল ইসলাম, রাশিদা খাতুন, শাহানারু পারভীন, নাদিরা সুলতানা, হাফিজুল ইসলাম, তাপস পাল, শামীমুর রহমান, ও সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম লাভলুসহ অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে স্কুলের অফিসরুমে আলোচনার সময় সকল শিক্ষকের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন তিনি। এবং আরো আন্তরিক হয়ে শিশুদের আধুনিক শিক্ষাসহ ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানে যতœবান হওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতি পরামর্শ দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলারোয়া প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয় অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান। রবিবার সন্ধ্যায় কলারোয়া প্রেসক্লাবের উপজেলা মোড়ের হাইস্কুল মার্কেটস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটার পর স্মৃতিচারণের মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল মজিদ ও প্রফেসর আবু বক্কর ছিদ্দিক, কলারোয়া উপজেলা পষিদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান সম মোরশেদ আলী ভিপি ও প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান ভূট্টোলাল গাইন।
কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি ও সাতনদী পত্রিকার ব্যুরো প্রধান অধ্যাপক এমএ কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য যুগের বার্তার ব্যুরো প্রধান আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক কল্যাণের প্রতিনিধি শেখ মোসলেম আহমেদ, সিনিয়র সহ.সভাপতি দৈনিক সমকাল ও দৃষ্টিপাতের প্রতিনিধি অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, সহ.সভাপতি সাতক্ষীর টু’ডের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শেখ জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যায়যায়দিনের প্রতিনিধি, পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি ও কলারোয়া নিউজের সম্পাদক-প্রকাশক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পত্রদূত ও মাতৃছায়া পত্রিকার প্রতিনিধি এমএ মাসুদ রানা, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক যুগের বার্তার প্রতিনিধি সুজাউল হক, কোষাধ্যক্ষ প্রবাহের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি, নির্বাহী সদস্য দক্ষিণের মশালের ব্যুরো প্রধান ও অনির্বানের প্রতিনিধি গোলাম রহমান; সংবাদ, পত্রদূতের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান, জন্মভূমির তাওফিকুর রহমান সনজু, সদস্য দক্ষিনা দূতের শরিফুল ইসলাম, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার প্রতিনিধি রাজিবুল ইসলাম রাজিব, সাতক্ষীরা সংবাদের রুহুল আমীন, কলারোয়া নিউজের সহ.সম্পাদক আতিকুর রহমান, সাংবাদিক আলী হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে কিশোরকে ইট ভাটায় নিতে ব্যর্থ হয়ে মারপিট

শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া মাছুম বিল্লাহ(১৬) নামক এক কিশোরকে ইট ভাটা শ্রমিক হিসেবে নিয়ে যেতে না পেরে ব্যাপক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করেছে ভাটা সর্দার। স্থানীয়রা মাছুম বিল্লাহকে উদ্ধার করে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করে। একাধিক সূত্রে জানা যায়, চিংড়ীখালী গ্রামের আব্দুল মজিদের পৌষ্য পুত্র মাছুম বিল্লাহকে সোনার মোড় বাজারে মোবাইল ফোনে ডেকে আনা হয়। ১৪ অক্টোবর বিকাল ৫টার দিকে ইট ভাটা শ্রমিক হিসেবে বরিশালে নিয়ে যেতে কাছারী ব্রিজ বাজার সংলগ্ন ভাটা সর্দার মিলনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে এক পর্যায়ে মিলন তার শ্রমিকদের দিয়ে মাছুম বিল্লাহকে ব্যাপক মারপিট করে। স্থানীয়রা মাছুম বিল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করে। মাছুম বিল্লাহকে বিগত প্রায় ১৬ বৎসর পূর্বে চিংড়ীখালীতে ১ দিনের বয়সী অবস্থায় পাওয়া যায়। পিতৃ ও মাতৃহীন এ শিশুকে নিয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শ ক্রমে জনৈক দরিদ্র কৃষক আব্দুল মজিদ তার লালন পালনের ভার গ্রহণ করেন। আব্দুল মজিদ অতি কষ্টে মাছুম বিল্লাহকে চিংড়ীখালী হাইস্কুলের ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করাতে পেরেছিলেন। দারিদ্রতার কারনে গত ২ বছর যাবৎ মাছুম বিল্লাহ লেখা পড়া থেকে বিরত থাকে। মাছুম বিল্লাহকে মারপিটের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘১৫ আগস্টের ভাতের হাড়িতে লাথি মারা মহব্বত এখন পরিবহন শ্রমিক লীগ নেতা’

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত জোট সরকার আমলে আখতারুজ্জামান মহব্বত একজন বিএনপি ক্যডার হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামি। অথচ ভোল পাল্টে তিনিই এখন জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে মীর মনিরুজ্জামান ও জাহিদুর রহমান রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেছেন।
তারা আরও বলেন, ২০০৬ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে বাস টার্মিনালে আমরা কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করলে আকতারুজ্জামান মহব্বত ভাতের হাড়িতে লাথি মেরে ফেলে দেন। চুলোয় পানি ঢেলে দেন। বলেন, “শেখ মুজিবের জন্য কোনো আয়োজন এখানে হবে না।”
৭ অক্টোবর আক্তারুজ্জামান মহব্বতের এক সংবাদ সম্মেলনের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে মীর মনিরুজ্জামান একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন মহব্বত ইউনিয়নের সেক্রেটারি থাকাকালে ইউনিয়নকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। তিনি ও তার সহযোগীরা ফেনসিডিল সেবন ও ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া সাধারণ শ্রমিকদের নির্যাতন করা, ইউনিয়নের অর্থ আত্মসাতের সাথেও জড়িত ছিলেন তিনি। চাপড়া লাইনে থাকা ইউনিয়নের একটি বাস ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করে ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় একটি ভাঙ্গাচোরা গাড়ি ক্রয় করেন মহব্বত । এসব টাকার কোনো হিসাব তিনি দেননি। ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবিকে আট বছর যাবত কোনো কার্ড দেন নি তিনি। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সুপারিশও নেননি তিনি। তিনি তিন শতাধিক শ্রমিকের কাছ থেকে পাঁচ হাজার করে টাকা নেন লাইসেন্স করে দেওয়ার নামে। তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যে একটি ট্রাক ও দুটি বাস ইউনিয়নের নামে ক্রয় করেছি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় প্রতি ছয় মাস অন্তর পরিচয়পত্র নবায়ন করতে হয়। তবে পরাজিত প্যানেলের কর্মকর্তাদের বেশির ভাগ ইউনিয়ন অফিসে এসে নবায়ন করলেও মহব্বত ও তার কয়েকজন সহযোগী আসেননি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মহব্বত রবি মশিয়ার কয়েক হাজার অশ্রমিককে সদস্য বানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে যাচাই বাছাই করে তাদের অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে মনিরুজ্জামান ও জাহিদুর রহমান আরও বলেন মহব্বত আট বছর, রবি মশিয়ার ৬ বছর এবং লিয়াকতহোসেন ২৩ বছর ইউনিয়ন চালিয়েও কোনো হিসাব দেননি। তারা সম্পদের পাহাড় গড়ে বসে আছেন। আমাদের হিসাব সাধারন সভায় পেশ করা হবে বলে জানান তারা। আগামি ডিসেম্বরে সাতক্ষীরা জেলা মালিক সমিতির নির্বাচন। এই নির্বাচনে ব্যবহার করার জন্য একটি মহল শ্রমিকদের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে। বাস টার্মিনালে বেশ কিছু দস্যু প্রকৃতির লোকের আনাগোনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তারা যে কোনো অঘটন ঘটাতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন মনি ও জাহিদ। তারা এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিদুল ইসলাম মধু, তৌহিদুর রহমান, আবদুস সামাদ, মোজাফফর, স্ইাফুর রহমান,সুমন মুকুল, হামিদুল, শাহিনুর রহমান প্রমুখ শ্রমিক নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘাসের পরিবর্তে ফলমূল-মিষ্টি খায় যে গরু!

ঘাসের পরিবর্তে ফলমূল-মিষ্টি খেয়ে পালিত হচ্চে একটি গরু। কেউ ডাকে মহাদেব আবার কেউ ডাকে সম্রাট নামে। গৃহপালিত পশুকে ভালোবেসে আদুরে নামে ডাকা নতুন কিছু নয়। কিন্তু মহাদেবের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। মহাদেব গৃহপালিত পশু নয়। গৃহের বাইরে তার বসবাস। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরে কাল ভৈরব নাদ মন্দিরে তার জন্ম। জন্ম থেকেই গৃহবঞ্চিত সে।

কেবল গৃহপালিত নয় বলেই মহাদেব ব্যতিক্রম, তা নয়। গবাদিপশুর সাধারণ খাদ্যাভ্যাসের চেয়ে আলাদা খাদ্যাভ্যাস মহাদেবের। ঘাস নয়- চাল, চিড়া, মিষ্টি ও ফলমূল খেয়ে থাকে সে। আর সারাদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরজুড়ে বিচরণ করে সে। বীরদর্পে ঘুড়ে বেড়ায় শহরের অলিগলি। কপালে রাজটিকা থাকা, মন্দিরে বসবাস ও ব্যতিক্রমী ভঙ্গির জন্য গুরুটিকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মাহাদেব নামে ডাকে। মাহাদেবের মতই ভক্তি-পূজাও করে তারা।

মহাদেব সম্পর্কে স্থানীয়রা বলেন, মহাদেব প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এসে তার জন্য রাখা খাবার খেয়ে আবার মন্দিরে ফিরে যায়।শিবচতুর্দশী সময় তিতাস নদীর তীরে কাল ভৈরব নাদ মন্দিরে গরুটির জন্ম। মন্দির কতৃপক্ষ দাবি দাওয়া ছেড়ে দেওয়ায় বাঁধন মুক্ত হয়ে শহরে বেড়ে ওঠা তার। বীরদর্পে বেড়ে ওঠা তরতাজা মহাদেবের দিকে কয়েকবার এলাকার দুষ্টু লোকের নজর পড়েলেও মানুষের ভালবাসায় নিরাপদেই আছে সে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার শাবনুরের প্রেমে চিকুনগুনিয়া!

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জ্বরে ভুগছেন বাংলাদেশের গুনি অভিনেত্রী শাবনূর। জানা গেছে, শরীরে এতটাই জ্বর ও ব্যাথা যে বিছানা থেকেই উঠতেই পারছেন না তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে শাবনূর জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর অনুভব করছি। জ্বর কমলেও শরীরের ব্যথা কোনোভাবেই কমছে না। ডাক্তারের পরামর্শে বর্তমানে বিশ্রাম নিচ্ছি। বিছানা ছেড়ে উঠতে গেলেই সারা শরীর ব্যথা করছে। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছি বলে আমার ধারণা।

তিনি আরো বলেন, কিছু শারীরিক টেস্ট করতে দিয়েছি। আপাতত ডাক্তারের পরামর্শে বাসাতেই বিশ্রাম নিচ্ছি। জানি না এই ব্যথা থেকে কিভাবে রেহাই পাব। পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘এত প্রেম এত মায়া’ দিয়ে শুটিংয়ে নিয়মিত হওয়ার কথা জনপ্রিয় এ অভিনেত্রীর। এর আগে এই ছবির জন্য প্লেব্যাক করেছেন তিনি। আগামী নভেম্বরে টাঙ্গাইলে ছবির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ছবিতে শাবনূরের বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

শাবনূর বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ৯০ দশক থেকে এ পর্যন্ত আসা চিত্র তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিত্র তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশাম পরিচালিত চাঁদনী রাতে সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন শাবনূরের। প্রথম ছবি ব্যর্থ হলেও পরে হার্টথ্রব নায়ক সালমান শাহের সাথে জুটি গড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। একে একে এ জুটি সুপারহিট ছবি দিতে থাকেন।

সালমানের অকাল মৃত্যুতে সাময়িক ভাবে শাবনূরের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়লেও তার চিরায়ত বাঙালি প্রেমিকার ইমেজ এবং অসাধারন অভিনয় ক্ষমতা তাকে দর্শকদের হৃদয়ে শক্ত আসন গড়তে সাহায্য করে। পরে রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস আহমেদ ও শাকিব খান সাথে জনপ্রিয় জুটি গড়ে বেশ কিছু জনপ্রিয় ছবি উপহার দেন।

শাবনূর ২০০৫ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত দুই নয়নের আলো ছবিতে অভিনয় করে তার ক্যারিয়ারের একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে ১০ বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার জিতে তিনি প্রমাণ করেন শাবনূর বাংলা চলচ্চিত্রের এক মহাতারকার নাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক পেলেন সাবের চৌধুরী

ন্যাশনাল ডেস্ক : ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের (আইপিইউ) প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত রাশিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ’ লাভ করেছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে আইপিইউ’এর ১৩৭তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন তাঁকে এ পদক প্রদান করেন।
সাবের হোসেন চৌধুরী প্রথম আইপিইউ প্রেসিডেন্ট এবং প্রথম বাংলাদেশী যিনি এ রাষ্ট্রীয় পদক লাভ করেছেন।
গত ৯ অক্টোবর ২০১৭ তে মস্কোর ক্রেমলিনে রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট পুতিন স্বাক্ষরিত রাষ্ট্রীয় পদক সংক্রান্ত ৪৭৫নং প্রেসিডেন্টের ডিক্রিতে বলা হয় আন্ত:সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখার জন্য ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের সঙ্গে রাশিয়ান ফেডারেশনের ফেডারেল অ্যসেম্বলির পারস্পারিক সমঝোতা ও সহযোগিতা সূদৃঢ় করনে ভুমিকা রাখায় তাঁকে এ পদক প্রদান করা হয়।
ইতোপূর্বে ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশীপ’ পদক প্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সিংগাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি কুয়া ইউ, কেন্টাবুরির আর্চ বিশপ রোয়ান উইলিয়ামস, বর্তমান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনস, জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন প্রমুখ।
পুরষ্কার গ্রহণ করে সাবের হোসেন চৌধুরী তা তার নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৯ এর জনগণ ও যে সকল এমপি একটি উত্তম বিশ্ব-বিনির্মানে কাজ করেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।
প্রসঙ্গত, সাবের হোসেন চৌধুরী ২০১৬ সালে অষ্ট্রেলিয়ার স্পীকার ইয়ান বিশপকে আইপিইউ’এর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটে হারিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের চাইতে পুরনো সারা বিশ্বের জনপ্রতিনিধিদের ফোরাম আইপিইউ ১৮৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের ১৭৩টি দেশের ৬৫০ কোটি জনগন এবং ৪৫ হাজার জনপ্রতিনিধির প্রতিনিধিত্ব করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest