সর্বশেষ সংবাদ-
ব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার

মিয়ানমারে গণহত্যা ও নির্যাতন বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : “রোহিঙ্গারা মরবে কেন, রাখাইন রাজ্যে শান্তি আনো” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মিয়ানমারে গণহত্যা ও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে প্রথমআলো বন্ধুসভা। প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি এস এম হাবিবুল হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, অতিরিক্তি পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত, নারী নেত্রী জোছনা দত্ত প্রমুখ। মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে মিয়ানমারের গণহত্যা বন্ধসহ সেদেশের শান্তি স্থাপনের জোর দাবী জানান। একই সাথে তারা রোহিঙ্গাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়াসহ অং সান সূচির নোবেল পুরস্কার স্থগিত করারও দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্পের কাছে প্রত্যাশা নেই- রয়টার্সকে শেখ হাসিনা

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাহায্য করবেন বলে আশা করেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারণ, শরণার্থী নিয়ে নিজের ভাবনা ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার পর রয়টার্সকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় গতকাল ট্রাম্পের আয়োজনে জাতিসংঘের সংস্কার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রয়টার্সের সাংবাদিক মিশেল নিকোলসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানান, সভাস্থল ছাড়ার পর ট্রাম্পকে তিনি কয়েক মিনিটের জন্য থামান। এ সময় ট্রাম্প বাংলাদেশের খবর জানতে চান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বলি, বাংলাদেশ খুব ভালো অবস্থায় আছে। তবে আমাদের একমাত্র সমস্যা মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীরা। কিন্তু ট্রাম্প শরণার্থীদের নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।’ পুলিশের কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে হামলার পর গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু হয়। সহিংসতা থেকে বাঁচতে এ পর্যন্ত চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর যে নিপীড়ন চলছে, তাকে ‘জাতিগত নির্মূল’ বলে অভিহিত করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী বৃহস্পতিবার তিনি সেখানে ভাষণ দেবেন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে, তারা কোনো শরণার্থীকে সে দেশে ঢুকতে দেবে না। আমি তাদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারি, বিশেষ করে সে দেশের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে? তিনি (ট্রাম্প) এর মধ্যেই তাঁর মনোভাব প্রকাশ করেছেন…তাহলে আর কেন সাহায্য চাইব?’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়…কিন্তু যদি আমরা ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারি, তাহলে আরও ৫০০ অথবা সাত লাখ মানুষকেও খাওয়াতে পারব।’ দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থীবিষয়ক কর্মসূচিতে ১২০ দিনের স্থগিতাদেশ দেওয়ার চেষ্টা করেন। মুসলিম-অধ্যুষিত ছয়টি দেশের মানুষকে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ৯০ দিন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাও জারি করেন। গত শুক্রবার এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরও বিস্তৃত, কঠোর ও সুনির্দিষ্ট করা উচিত।’ ট্রাম্প বলেছেন, সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ করতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রয়োজন। আগামী মাসে ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক নির্বাহী আদেশের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রয়টার্স বলছে, সাম্প্রতিক সহিংসতা পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস ছিল। তাদের বেশির ভাগেরই চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মিয়ানমারে তাদের নাগরিকত্বও দেওয়া হয়নি। স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনেকে তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর তিনি আরও আন্তর্জাতিক চাপ দেখতে চান। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘(মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে) মানতে হবে যে এই মানুষগুলো তাঁর দেশের এবং মিয়ানমারই তাদের দেশ। তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এই মানুষগুলো দুর্ভোগে রয়েছে।’ নোবেল পুরস্কারজয়ী সু চি মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা থং তুন গতকাল রয়টার্সকে বলেন, ‘যারা বাড়িঘর ছেড়ে গেছে, তাদের ফিরে আসা মিয়ানমারকে নিশ্চিত করতে হবে। তবে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটি করতে হবে। এ জন্য আমাদের আলোচনা করতে হবে।’ জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত নিকি হেলি সেনা অভিযান বন্ধের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান। স্থানীয় সময় গতকাল রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে যুক্তরাজ্যের আয়োজনে নিউইয়র্কে এক সভায় অংশগ্রহণের পর হেলি বলেন, ‘মানুষেরা (রোহিঙ্গা) এখনো হামলা অথবা হত্যার শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সাধারণ মানুষ সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে।’

সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুসলিমদের সাথে কথা বলতে চান অং সান সু চি

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি বলেছেন, মুসলিমরা কেন চলে যাচ্ছে সেটি খুঁজে বের করার জন্য তিনি তাদের সাথে কথা বলতে চান।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার জন্য যারা দায়ী তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গত ২৫ আগস্ট নতুন করে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর জাতির উদ্দেশ্যে এটাই ছিল সু চি’র প্রথম ভাষণ। সু চি তাঁর ভাষণে সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছেন।

সু চি’র এ ভাষণ নিয়ে বিশ্ব নেতাদের মাঝে প্রবল আগ্রহ ছিল। মিয়ানমারের নেত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণে ভীত নন। রাখাইন অঞ্চলে সংঘাতের নিরসনের জন্য একটি টেকসই সমাধানের উপর জোর দেন মিজ সু চি।

টেলিভিশন ভাষণে তিনি বলেন, ” বেশ কিছু মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে- এ ধরনের খবর শুনে আমরা উদ্বিগ্ন।”

কয়েকদিন আগে জাতিসংঘের মহাসচিব বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, সেনাবাহিনীর অভিযান বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ হবে  সু চি’র জন্য শেষ সুযোগ।

কিন্তু এ ‘শেষ সুযোগ’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে সেটি ব্যাখ্যা করেননি জাতিসংঘের মহাসচিব।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর উপর অস্ত্র বিক্রিসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে অবরোধ আরোপের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে সু চি’র এ ভাষণে নতুন কিছু আসে কি না সেদিকে অনেকের নজর ছিল।

বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস কয়েকদিন আগে বিবিসি’র সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের চাবিকাঠি অং সান সু চি’র হাতেই রয়েছে। সেজন্য সু চি-কে তাঁর পুরনো ভূমিকায় ফিরে যেতে হবে।

অধ্যাপক ইউনুস বলেন, সু চি তাঁর পুরনো ভূমিকায় ফিরে যাবেন, নাকি বর্তমানে যে ভূমিকা পালন করছেন সেটি চালিয়ে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত তাকে নিতে হবে।

গত তিন সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল থেকে পালিয়ে প্রায় চার লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

এই ভাষণের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান আনার জন্যে চাপ সু চি’র উপর চাপ তৈরি হয়েছিল বিশ্বজুড়ে।

এদিকে, সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে অং সান সু চিকে নিজের নেতৃত্ব প্রমাণের আহ্বান জানিয়েছিল ফ্রান্স ও ব্রিটেন।

অগাস্ট মাসের ২৫ তারিখে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু চৌকিতে হামলার পর রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর উপর সে হামলার জন্য রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে দেশটির সরকার।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যেভাবে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সেটিকে ‘জাতিগত নির্মূলের’ সাথে তুলনা করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘে চলমান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেননি সু চি। তিনি বলেছিলেন, অধিবেশনে যোগ না দিয়ে মিয়ানমারে ভাষণ দেবেন।

কয়েকদিন আগে মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা জেনারেল মিন অং হাইং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য মিয়ানমারের ভেতরে সবাইকে আহবান জানিয়েছেন। সেনাবাহিনী মনে করে, রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গারা একটি শক্ত ঘাটি গড়ে তুলতে চাইছে। যদিও মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করা হয়না। সেনাবাহিনী এবং সরকার রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালী’ মনে করে।

শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা এ কথাও বলেছিলেন যে রোহিঙ্গারা কখনোই মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুভ মহালয়া দিয়ে দেবীপক্ষ শুরু

শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে আজ শুরু হলো দেবীপক্ষ। মঙ্গলবার ভোরে মন্দিরে মন্দিরে শঙ্খের ধ্বনি আর চন্ডী পাঠের মধ্য দিয়ে আবাহন ঘটে দেবী দুর্গার। দেবীকে আমন্ত্রণ জানানো হয় মর্ত্যলোকে।

২৬শে সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও আজ থেকেই পূজারীরা শুনতে পাবেন দুর্গাপূজার আগমন ধ্বনি। শুরু হলো দেবীর আরাধনা।

এই উপলক্ষ্যে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বনানী পূজামন্ডপে মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনের জন্য সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে নানা আয়োজনে ব্যস্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। উৎসবকে ঘিরে মন্দিরে মন্দিরে চলছে সাজ-সজ্জার কাজ। সারাদেশে এবার ৩০ হাজারেরও বেশি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎবের আয়োজন করা হয়েছে।

এই আয়োজনে ষষ্ঠীতে দশভুজা দেবীদুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ২৭শে সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমী। ২৮শে সেপ্টেম্বর মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা।

২৯শে সেপ্টেম্বর মহানবমী বিহিত পূজা। ৩০শে সেপ্টেম্বর বিজয়া দশমী ও দর্পন বিসর্জন শেষে শোভাযাত্রাসহ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৫ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের জন্য সাতক্ষীরা হাফেজ পরিষদের দোয়া অনুষ্ঠান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা জেলা হাফেজ পরিষদের পক্ষ থেকে মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা শাহী মসজিদ হেফজ খানায় এ দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাফেজ পরিষদের সভাপতি হাফেজ জুলফিকার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ শেখ কামরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক হাফেজ রকিব হাসান, নির্বাহী সদস্য হাফেজ আব্দুল হাকিম, হাফেজ কহিনুর, হাফেজ রেজাউল, হাফেজ জিয়া, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মোক্তার হোসেন, হাফেজ মাহবুব, হাফেজ হাসান, হাফেজ হাবিবুল্লাহ, হাফেজ কুতুবউদ্দীন, হাফেজ ফিরোজ হুসাইন, হাফেজ ইবরাহিম প্রমুখ। হাফেজ পরিষদের পক্ষ থেকে জেলার সকল মসজিদ ও হিফজ খানায় রোহিঙ্গা ও দেশ তথা মুসলিমের কল্যাণে দোয়া করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিত্তবান সকলকেই রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেও অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষাদস্যু আখতারুজ্জামান ও তার স্ত্রীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শিক্ষাদস্যু আখতারুজ্জামানসহ ৪ শিক্ষককের উত্তোলতি যাবতীয় বেতন ভাতাদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরতসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
গত ৩০ জুলাই’১৭ তারিখে এ নির্দেশ প্রদান করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের কলেজ পরির্দশক অমল কুমার বিশ্বাস।
সূত্রে জানাগেছে, এড. আব্দুর রহমান কলেজে ৪ জন শিক্ষক নিয়োগের প্রাপ্যতাবিহীন পদে এমপিওভুক্ত হন। এদের মধ্যে শিক্ষক সেলিনা সুলতানা সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্যতাবিহীন পদে এমপিওভুক্ত হন। এছাড়া নিয়োগকালে তার কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্স্টাসের সনদ জালিয়াতি করেন বলেও তদন্তে প্রমাণিত হয়। একইভাবে হুয়ামুন কবির ইসলামের ইতিহাসে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে পরিসংখ্যানে, সুরাইয়া সুলতানা ইতিহাসে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে এবং মোঃ শাহজাহান কবির ভূগোলে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোলে এমপিওভুক্ত হন। আর কলেজের অধ্যক্ষ প্রাপ্যতাবিহীন পদে এসব শিক্ষকদের এমপিওর আবেদন করেন। যে কারণে গত ৩ জুলাই কলেজের অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানসহ ৪ শিক্ষকের এমপিও সাময়িকভাবে স্থাগিত কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না মর্মে কারণ দর্শনোর নোটিশ প্রদান করে মন্ত্রণালয় এবং ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নোটিশের পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের কলেজ পরিদর্শক তাদের এযাবত গৃহিত উত্তোলিতহ বেতন ভাতাদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলেজে সভাপতি বরাবর নির্দেশ দিয়েছেন।
কিন্তু পত্র প্রদানের ৪৮দিন অতিবাহিত হলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি কলেজ পিরচালনা পরিষদের সভাপতি মিসেস রিফাত আমিন এমপি। তিনি মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের আদেশ এর কোন তোয়াক্কা করছেন না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
অবিলম্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা কার্যকর করে শিক্ষাদস্যু আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংস্কার হতে না হতেই নলতা-তারালী সড়কে খানা-খন্দ!

তরিকুল ইসলাম লাভলু : সংস্কার হতে না হতেই সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা-তারালী সড়কটি আবারও খানা খন্দে পরিণত হয়ে যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বর্ষায় কাঁদা,পানি আর রৌদ্রে ধুলা-বালিতে পথচারী জনগণের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একটু বর্ষা হলেই সড়কটির বিভিন্ন গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। উক্ত সড়ক দিয়ে পূর্বনলতা, মাটিকোমরা, ইন্দ্রনগর, ইছাপুর, কাজলা, কাশিবাটি, তারালী, চাম্পাফুল, উজিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার জনগণ চলাচল করে। এসব এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী তথা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য নারী,পুরুষ ও শিশুদের চলাচলের প্রধান সড়কটির বেহাল দশার কারণে তাদেরকে চরম ভোগান্তীর শিকার হতে হচ্ছে। সদ্য সংস্কার হওয়া কার্পেটিংযুক্ত সড়কটির বেহাল দশার কারনে ভুক্তভোগী জনগণ নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছানো এবং সেখান থেকে স্ব স্ব গন্তব্যে ফিরতে প্রতিনিয়ত বেগ পেতে হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী, গত ৫/৬ মাস আগে নলতা-তারালী সড়কটি সংস্কার হয়। কিন্তু সড়কের অন্যান্য অংশ এখনও পর্যন্ত চলাচলের উপযোগী থাকলেও নলতা হাটখোলা থেকে মানিকতলা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। কার্পেটিং সড়কটি খুড়ে পুরাতন পিচ ও পাথরের উপর রুলার দিয়ে কার্পেটিং এর সংস্কার করা হলেও সড়কটির উল্লেখিত অংশটি পূর্বের চেয়েও আরও খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে। উক্ত সড়কটির সংস্কারকালে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ তার কর্ণপাত না করেই যেনতেনভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। যার ফলে কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়াদের কারণে বর্তমান উন্নয়নমুখী সরকারের সফলতা ম্লান হতে চলেছে। শুধু এখানেই শেষ নয়-দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার তথা সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু অফিসারদের কারণে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়কসহ এলাকার প্রায় প্রতিটি সড়ক দীর্ঘদিন থেকে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও দেখার কেউ নেই।
এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধারা ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে এদেশ থেকে শত্রুদের বিতাড়িত করতে সক্ষম হলেও স্বাধীন বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে কিছু দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ারদের কারণে নলতা-তারালী সড়কসহ অধিকাংশ সড়কের বেহালদশা আজ আমাদেরকে খুবই কষ্ট দিচ্ছে। এর ফলে বর্তমান সরকারের ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্থ হতে চলেছে। তাই কোন দুর্নীতিবাজ যেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া দেশের উন্নয়কে বাধাগ্রস্থ করতে না পারে তার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটার সাংবাদিক রাজু’র হাতে সফল অস্ত্রপাচার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : রিপোর্টার্স ক্লাব পাটকেলঘাটার সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম রাজু’র ডান হাতে সফল অস্ত্রপাচার হয়েছে। সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের শাকদহ-আসান নগরের মধ্যেবর্তী স্থানে মহেন্দ্র ও পিকআপের সংর্ঘষে মারাত্বক আহত হয়। আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে, সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা হেলথ কেয়ার হাসাপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসক শৈলেন্দ্রনাথ মিন্ত্রীর তত্বাবধায়নে চিকিৎসা সেবা নিয়ে ৭দিন পরে অপারেশন করেন। গত শুক্রবার খুলনা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে ডা. শৈলেন্দ্রনাথ মিন্ত্রি তার হাতে বিভিন্ন স্থানে সফল অস্ত্রপাচার করেছেন। তার সুস্থ কামনা করেছেন বিভিন্ন সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest