সর্বশেষ সংবাদ-

তালায় চোরাই মটরসাইকেলসহ সেলিম খাঁ আটক, জনমনে স্বস্তি

তালা প্রতিনিধি : মটরসাইকেল চুরি, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের সখ্যতা গড়ে আতংক সৃষ্টি, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা এবং হুমকি প্রদানসহ বহু অপকর্মের হোতা সেলিম খাঁ অবশেষে পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। তালা থানা পুলিশ দুর্বৃত্ত সেলিমকে আটক করায় এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সে উপজেলার মাগুরা গ্রামের মৃত. নওয়াব আলী খাঁ এর পুত্র। আটক সেলিমের বিরুদ্ধে এলাকায় বহু অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বছর দুয়েক আগে মাগুরা এলাকায় রাতের ডিউটি করার সময় তালা থানা পুলিশ সেলিম খাঁ’র নসিমন ভাড়া নিতো। সেই সূত্রে সেলিম পুলিশের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং পুলিশের নাম ব্যবহার করে মাগুরা এলাকায় ব্যপক চাঁদাবাজি শুরু করে। এসময় সে এলাকার আরো একাধিক দুর্বৃত্তকে সাথে নিয়ে স্থানীয় নীরিহ মানুষদের কাছ থেকে মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে। এছাড়া তদন্তাধীন মামলায় রায় করিয়ে দেবার কথা বলেও ব্যপক অর্থ বানিজ্য শুরু করে। এলাকার মাদকসেবি, মাদক ব্যবসায়ী, থেকে শুরু করে চিহ্নিত দুর্বৃত্ত ও চরমপন্থীদের দলবদ্ধ করে মটরসাইকেল চুরি-ছিনতাই, বিল থেকে বোরো ধানচাষের বোরিং মেশিন চুরি, চাঁদাবাজি, মাগুরা গ্রামের সংখ্যালঘু মলয় বিশ্বাসের পরিবারের উপর হামলা ও হুমকি প্রদান সহ সীমাহীন অপকর্ম শুরু করে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ছত্রছায়ায় থেকে এসব অপকর্ম করায় সাধারণ মানুষ সেলিম ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়নি। সূত্রে জানা গেছে, চরমপন্থী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার পর সেলিম খাঁ’র নিয়ন্ত্রণে আগ্নেয়াস্ত্র চলে আসে। বিষয়টি জানার পর তালার থানার তৎকালিন ওসি মো. ছগির মিয়া থানা পুলিশের রাত্রিকালীন ডিউটির কাজে ব্যবহারের জন্য সেলিমের নসিমন নেয়া বন্ধ করে দেন। এছাড়া সেলিমের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালান। কিন্তু সেলিম বিষয়টি বুঝতে পেরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রায় ৫/৬ মাস পালিয়ে থাকার পর সেলিম এলাকায় ফিরে আবারও মটরসাইকেল চুরি ও চাঁদাবাজিসহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এবিষয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালা থানা পুলিশ বুধবার রাতে সেলিমকে আটক করে এবং তার নিয়ন্ত্রণ থেকে একটি মটরসাইকেল উদ্ধার করে। চুরি করে আনা উক্ত মটরসাইকলেটি চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে সেলিম এবং তার দুর্বৃত্ত সঙ্গীরা ব্যবহার করতো বলে এলাকার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে, বহু অপকর্মের হোতা সেলিম খাঁ আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করায়- এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৯নং কোচ প্রত্যাহার কর – অতিথি পাখি

১২ আগস্ট। রাতের গাড়িতে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরায় ফিরবো। প্রথমে টিকিট কাটলাম এ কে ট্রাভেলসে। আব্দুল্লাহপুর থেকে রাত ১০টায় গাড়ি। সন্ধ্যার দিকে কাউন্টার ফোন করে বললো আব্দুল্লাহপুর থেকে গাড়ি যাবে না। যে কোন সময় এসে টিকিট দিয়ে টাকা নিয়ে যাবেন। পড়লাম বিপদে। রাতে ফিরতেই হবে- এই চিন্তা থেকেই ওদের বললাম আপনাদের শ্যামলী কাউন্টার থেকে এ কে ট্রাভেলসের দুটি টিকিট কনফর্ম করে দিন। তাই দিলো। উত্তরা থেকে শ্যামলী পৌঁছে সঙ্গীসহ রাত ১১টায় গাড়িতে (এ কে ট্রাভেলস, ১৯নং চেয়ার কোচ) উঠলাম। বাসে উঠেই বিপদ শুরু!
বসলেই সিট শুয়ে পড়ছে। সিটের চাবি (গিয়ার কি) নষ্ট। সিটটি ছিল ই-১, ই-২। আমি ই-২’তে। আমারটির গিয়ার কি নষ্ট। আর ই-১ এর গিয়ার কি ঝালাই করে ফিক্সড করা। কোন নড়ন-চড়ন নেই। আশপাশে তাকিয়ে দেখলাম ১৯ নং কোচের অধিকাংশ যাত্রীই একই কারণে বিরক্ত। সুপারভাইজারকে ডেকে গাল মন্দ করছে।
আমার সামনের সিটেরও একই অবস্থা। সামনের যাত্রী বসলেই সিট এসে পড়ছে আমার মুখে। আমি বসলেই সিট শুড়ে পড়ে পড়ছে পিছনের যাত্রীর মুখে। আবার আমার পাশের সিট চেষ্টা করেও উঠানো-নামানো করা যাচ্ছে না।
আমি ওইদিন ছিলাম এ কে ট্রাভেলসের যাত্রী। কিন্তু লিখতে বসেছি শুধু এ কে ট্রাভেলসের বিরুদ্ধে ক্ষোভের কারণে নয়। সাতক্ষীরার যতগুলো পরিবহন কোম্পানি রয়েছে- প্রত্যেকটিরই রয়েছে এমন অসংখ্য কোচ। যেগুলো রাস্তায় নেমেছে পরিবহন কোম্পানিগুলো উদ্বোধনের সময় ৫, ১০, ১৫, ২০ বছর আগে। তারপর থেকে ওই সব কোচের আর কোন সংস্কার করা হয়নি। তবে, চলাচলের অযোগ্য এসব কোচ রাস্তায় খাটিয়ে মালিক পক্ষ ঠিকই মুনাফা করছে।
ঠিক একইভাবে সরকারের যেসব কর্তৃপক্ষের এসব দেখার কথা, যে কর্তৃপক্ষ গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয় মাল পেয়ে তারাও থাকে নিশ্চুপ। ফলশ্রুতিতে যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ থাকে না। কিন্তু পরিমানমত ভাড়া দিয়ে ভ্রমণ করবো, অথচ কাক্সিক্ষত সেবা পাব না- তা কি সহনীয়। অনেক সময় এসব নিয়ে যাত্রীদের সাথে গাড়ির হেলপার-সুপারভাইজারদের হাতাহাতিও হয়। কিন্তু মালিক পক্ষও দেখে না, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষও দেখে না। সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? আর বেশি কিছু লিখব না। শুধু এতটুকুই বলতে চাই- এ কে ট্রাভেলসসহ অন্যান্য কোম্পানিতে বিদ্যমান ১৯নং মার্কা কোচগুলো ট্রিপ সিডিউল থেকে অনতি বিলম্বে প্রত্যাহার কর। লেখক: সংবাদ কর্মী, (১৮.৮.১৭/সাতক্ষীরা)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় শত শত বিসিএস কর্মকর্তা কর্মকর্তা ফেল

সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় শত শত কর্মকর্তা উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। এমনকি পরীক্ষার আবেদনপত্রেও ভুল করছেন তারা। এর ফলে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতিও পাচ্ছেন না। বিসিএস ক্যাডারগুলোর কর্মকর্তাদের সিনিয়র স্কেলের পরীক্ষায় বারবার অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা বিসিএস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের চাকরি জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হলেও অনেকেই উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। আর এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে চাকরি জীবনে বেতনভাতা বৃদ্ধিসহ সিনিয়র সহকারী সচিব হওয়া যায় না। মেলে না উপসচিব পদে কাক্সিক্ষত পদোন্নতি।

সূত্র জানায়, সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষায় বেশির ভাগ কর্মকর্তা একবারে পাস করতে পারছেন না। আবার অনেকে একাধিকবার পরীক্ষা দিয়ে ফেলের কাতারে থাকছেন। আবার অল্পকিছু কর্মকর্তা পরীক্ষা না দিয়ে চাকরির দীর্ঘ সময় পর চাকরিতে সিনিয়র স্কেল পাওয়ার আশায় থাকেন। তবে তাদের কপালে পদোন্নতি জোটে না। সিনিয়র কর্মকর্তার পরিচয়টুকু সম্বল করে চাকরিতে বহাল থাকেন।

সম্প্রতি এক সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় ২ হাজার ৮৭৭ জন কর্মকর্তা আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ২৬৯ জন কর্মকর্তার আবেদনপত্রেই ভুলত্রুটি পাওয়া গেছে। তবে বহুবার ফেল করা কিছু কর্মকর্তাকে বিশেষ বিচেনায় পাস করানোর নজির আছে।

সিভিল সার্ভিস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চলতি মাসে। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য বিভিন্ন ক্যাডার থেকে ২ হাজার ৮৭৭ জন কর্মকর্তা আবেদন করেন। এর মধ্যে ২৬৯ জন কর্মকর্তার আবেদনেই বিভিন্ন ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। ফলে ৩১ জুলাই ২০১৭ সালের মধ্যে এসব ভুল সংশোধনের নির্দেশ দেয় সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেন ২ হাজার ৯৯৬ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯২২ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৯৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১৬৩২ জন। উত্তীর্ণ হন ১৩৭০ জন। এতে অনুপস্থিতি ও অনুত্তীর্ণ কর্মকর্তার সংখ্যা ৪৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিগত বছরে অনুষ্ঠিত অন্যান্য পত্রের পরীক্ষাতেও অনুপস্থিতি ও অনুত্তীর্ণ হার প্রায় একই রকম।

এ প্রসঙ্গে সরকারি কর্ম কমিশনের পরিচালক (সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা) সেলিমা বেগম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত হয়। বছরে অনুষ্ঠিত দুটি পরীক্ষাতেই একজন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করতে পারেন। সেলিমা বেগম বলেন, চলতি মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী ২৬৯ কর্মকর্তার আবেদনপত্রেই বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। বিভিন্ন শর্তে এসব আবেদন সংশোধনের জন্য সময় দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভুল সংশোধন না করলে আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি পরীক্ষাতেই কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ আবেদন করার পরও অংশ নেন না।

এ মাসে পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী ১৬ কর্মকর্তার আবেদনপত্রের সঙ্গে স্থায়ীকরণের আদেশ না থাকায় ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া আবেদনপত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল নেই ৪৩ জনের, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিল আছে স্বাক্ষর নেই ২ জনের, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর আছে সিল নেই ২৮ জনের, প্রার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল নেই ২ জনের, প্রার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর আছে সিল নেই ৩ জনের, প্রার্থীর স্বাক্ষর আছে, সিল নেই ৩২ জনের, মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি নেই ১ জনের, স্থায়ীকরণের আদেশ নিজের দ্বারা সত্যায়িত ১ জনের, বিলম্বে জমা দেন ১৪১ জন। উল্লিখিত কারণে ২৬৯ কর্মকর্তার আবেদনপত্রই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্টরা।

সিনিয়র স্কেলে তিনটি বিষয়ে ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম পত্র- বাংলাদেশ ও চলতি বিষয়াবলি, দ্বিতীয় পত্র- সব সরকারি অফিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, বিধি ও পদ্ধতি, তৃতীয় পত্র- সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের কাজকর্ম সম্পর্কিত বিষয়াদি। একজন কর্মকর্তা এক সঙ্গে তিনটি অথবা কম সংখ্যক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য চাকরির বয়স কমপক্ষে চার বছর ও স্থায়ী হতে হবে। যদি কোনো কর্মকর্তা এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন তাহলে চাকরির বয়স ১৪ বছর বা নিজের বয়স ৫০ বছর হলে সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সুযোগ দেয় সরকার।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব বলেন, সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো কর্মকর্তা তার সিনিয়র স্কেল পেয়ে থাকেন। এ পরীক্ষায় পাস করতে না পারলে সিনিয়র স্কেল পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই কর্মকর্তা বলেন, ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তারা নবম গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করেন। সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় পাস করার পর ষষ্ঠ গ্রেডে বেতন পান।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এখন বেতন অনেক বেড়েছে। আমাদের সময়ে বেতন-ভাতা অনেক কম ছিল। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে অবসরের সময় আমি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে যে বেতন পেতাম, এখন নতুন চাকরিতে ঢুকেই একজন বিসিএস অফিসার সেই বেতন পাচ্ছেন। স্বচ্ছল জীবন-যাপন করতে পারছেন। কাজেই সাধারণ মানুষকে সঠিক সেবা দেয়ার স্বার্থে কর্মকর্তাদের আরো অনেক পড়াশোনা করা উচিত। সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়া খুবই দুঃখজনক।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২ হাজার ৯৯৬ জন। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯২২ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৯৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬৩২ জন। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৩৭০ কর্মকর্তা। ২৬২ জন কর্মকর্তা ফেল করেন। তাছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেননি ৮৬৫ কর্মকর্তা। অর্থাৎ ফেল করা ও পরীক্ষা না দেয়া কর্মকর্তার সংখ্যা মিলে দাঁড়ায় ১ হাজার ১২৭ জন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৪৭ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৮৪৭ জন। উত্তীর্ণ হন ৭২১ জন। দ্বিতীয় পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪৫ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ২৬ জন। উত্তীর্ণ হন ৮২৪ জন। তৃতীয় পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৩৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৯৭ জন। উত্তীর্ণ হন ৭০২ জন।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৭৩ জন ক্যাডার কর্মকর্তাকে সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় বিশেষ বিবেচনায় যোগ্য ঘোষণা করে পিএসসি। এর আগেও একাধিকবার বিশেষ বিবেচনায় অনেক কর্মকর্তাকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অধ্যাপক হলেন সরকারি কলেজের ২৭৪ জন শিক্ষক

অধ্যাপক হলেন বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ২৭৪ জন সহযোগী অধ্যাপক। পদোন্নতিপ্রাপ্ত সব অধ্যাপকদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ই আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করেছে। গত ৮ই আগস্ট বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সভায় পদোন্নতির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পর আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে সংস্কৃত বিষয়ের একজন রয়েছেন।

এদিকে বি সি এস সাধারণ শিক্ষা্ ক্যাডারে পদোন্নতির ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন সংক্ষুব্ধ সহযোগী অধ্যাপক আবদুল করিম। তিনি ১০ শতাংশ কোটায় নিযুক্ত বাংলার শিক্ষক। বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ট্রাইবুনালে শুনানি চলাকালে পদোন্নতির ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন করিমের আইনজীবী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

অপরদিকে  মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন বিশ্বজিৎ রায়। অধিদপ্তরের আইনজীবীর কাছে আদালত জানতে চান রিটকারী আবদুল করিমের পদোন্নতি দেয়া হবে কি-না। জবাবে বৃহস্পতিবার সকাল এগারেটার দিকে আদালতকে জানানো হয়, পদোন্নতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে তবে চূড়ান্ত আদেশ জারি হয়নি।

পদোন্নতির তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হজযাত্রীদের ভিসা দাখিলে ৩ দিন সময় বৃদ্ধি

ই-ভিসা ইস্যুর জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে তিনদিন সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশের সৌদি দূতাবাস। ঢাকা হজ অফিসের অনুরোধে সাড়া দিয়ে আগামী সোমবার পর্যন্ত দাখিলকৃত পাসপোর্টে ই-ভিসা দেবে সৌদি দূতাবাস।

ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম শুক্রবার দুপুর ১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বন্যা ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে যেসব এজেন্সি হজযাত্রীদের পাসপোর্ট জমা দিতে পারেনি তারা আবেদন জমা দিচ্ছে। এছাড়া রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে আগের ১০ শতাংশের সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ অর্থাৎ মোট ১৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে এজেন্সিগুলো ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে বলছে, শুরুতে মাত্র ৪ শতাংশ রিপ্লেসমেন্টের কথা বললেও শেষ দিকে এসে পর্যায়ক্রমে ৪ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ, এরপর ১০ শতাংশ এবং সর্বশেষ ১৫ শতাংশ করা হলো। আগেই ১৫ শতাংশের কথা বলা হলে রিপ্লেসমেন্টের যাত্রীরা অনেক আগেই হজে যেতে পারতেন।

ভিসাপাপ্ত হজযাত্রীদের সৌদি আরব পৌঁছাতে বিমানজনিত কোনো সমস্যা হবে কিনা, এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম জানান, সব হজযাত্রী সময়মতো পৌঁছাতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে, ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭৪ হাজার ১৫৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩৩৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ৮১৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্যাক্সিচালককে যৌন নির্যাতন করায় তরুণীর সাজা

গলায় ছুরি ঠেকিয়ে একজন ট্যাক্সিচালককে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক তরুণীর চার বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।

ব্রিটিশ অনলাইন মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম ব্রিটানি কার্টার। আদালতে যখন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়, তখন তিনি নিজের হাসি থামাতে পারছিলেন না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ফিন্ডলে এলাকার একটি হোটেল থেকে ভোরে বেরিয়ে ব্রিটানি কার্টার ও তাঁর বন্ধু ২০ বছর বয়সী কোরি জ্যাকসন ট্যাক্সি ভাড়া করেন। ট্যাক্সি চলার একপর্যায়ে কোরি চালকের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধরে ট্যাক্সি থামাতে বলেন। ট্যাক্সি থামলে গলায় কোরির ছুরি ঠেকানো অবস্থায় চালকের সঙ্গে জোর করে শারীরিক সংসর্গ করেন ব্রিটানি। পরে তাঁরা দুজনে চালকের পকেট থেকে ৩২ ডলার লুট করে পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর ট্রিনিটি এক্সপ্রেস ক্যাব সার্ভিসের ২৯ বছর বয়সী ওই চালক পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। গত এপ্রিলে ব্রিটানিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ব্রিটানি কার্টার দোষ স্বীকার করে বলেছেন, যৌন নির্যাতন করার আগে ট্যাক্সিচালকের গলায় ছুরি ঠেকানো হয়েছিল।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট রবার্ট রিং বলেন, ‘ব্রিটানি ওই ট্যাক্সিচালকের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে যৌন নির্যাতন করেছেন। তবে কেন এমন করলেন, তা আমরা জানি না।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাক্সিচালকের যৌন নির্যাতনের মামলায় ব্রিটানির বন্ধু কোরি জ্যাকসনের দোষ প্রমাণিত হয়নি। তবে তাঁর বিরুদ্ধে এখনো অর্থ লুটের অভিযোগ রয়েছে। তিনি জামিনে আছেন। আগামী নভেম্বরে তাঁর বিচার শুরু হবে।

দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটানির বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ওই মামলায় তিনি জামিনে থাকা অবস্থায় নতুন এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭৭ হাজার পাউন্ড মুচলেকা দিয়ে কোরি জ্যাকসন জামিনে আছেন। ২০ নভেম্বর থেকে তাঁর বিচার শুরু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুখে ঘা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

আমাদের মুখে অনেক সময়ই লাল ছোট ছোট গর্তের মত হয়ে যায়। সাধারণত মুখে ভেতরের অংশে বা জিহ্বায় ঘা হয় অথবা কারণে কেটে যায় তখন এ সমস্যা গুলো হয়। আবার শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলেও এ সমস্যা দেখা দেয় অনেকেরই।

খুব গরম পানীয় পান করলে বা কিছু চিবাতে গিয়ে গালের ভেতরে কামড় লাগলেও এ ঘা হতে পারে। এতে করে খুব ব্যাথা ও জ্বালাপোড়া হয় ঐ স্থানে। আস্তে আস্তে ব্যাথা বেড়ে তীব্র হয়ে অংশটি সাদা রঙ ধারণ করে,পরে ৬-৭ দিনের মাঝেই সেরে যায়।

মুখের ঘা বিভিন্ন ধরনের হয়। যেমন: মাইনর এপটাস আলসার, মেজর এপটাস আলসার হারপেটিফরম এপটাস আলসার,মাইনর এপটাস আলসার ইত্যাদি।

আসুন জেনে নেই মুখে ঘা হওয়ার কারণসমূহ:

১। ভিটামিন ও আয়রনের স্বল্পতার কারণে। যেমন ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২ অথবা অন্য কোন ভিটামিন।

২। ঠাণ্ডা লাগলে মুখে ঘা হতে পারে।

৩। মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হয়ে ও অনেক সময় এই ঘা হয়। জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করলেও এ ঘা হয়।

৪। ধূমপান, নেশা জাতীয় জিনিস, পান, মদ খেলেও মুখে ঘা হয়।

৫। যাদের এইডস, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদের এ ঘা হয়।

৬। রাতে ঘুম না হলে অথবা দেরি করে ঘুমালে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলেও মুখে ঘা হতে পারে।

৭। বংশগত কারণেও মুখের ভিতর আলসার হয়।

৮। মুখে অ্যালার্জি থাকলে ও ঘা হতে পারে।

কিভাবে মুখের ঘা থেকে প্রতিকার সম্ভব:

১। রাস্তা-ঘাট কিংবা ঘরের বাইরের পানি না খাওয়া।

২। রাতে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমান।

৩। ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া।

৪। নরম ব্রাশ ব্যবহার করা যাতে চাপ বা ঘষা না লাগে।

৫। সাধারণত ৭ দিনের মধ্যে এই ঘা ভালো হয়ে যায়। আর যদি তা না হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। মাউথ ওয়াশ মুখের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।

৬। ঘরে বসে গরম পানিতে লবন অথবা বেকিং সোডা দিয়ে কুলি করলে আরাম পাবেন। তাছাড়া ১ চিমটি বেকিং সোডা আর একটু পানি নিয়ে মিশিয়ে ঘা এর উপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। ঘা এর উপর পিয়াজ দিলে খুব তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন, কিন্তু অনেক ব্যথা বাড়বে। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ঘা এর উপর ভেঙ্গে দিন। অথবা টি ব্যাগ ঘা এর উপর রেখে দিন। এতেও দ্রুত নিরাময় হয় ঘা।

৭। মিল্ক অফ মেগ্নেসিয়া ঘা এর উপর দিলে অনেক ভালো হয়। এটি মুখের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

৮। প্রতিদিন টক দই খান।

৯। মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাকাশে আইসক্রিম পাঠালো নাসা!

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র নাসার গবেষণার স্বার্থে বিভিন্ন সময়েই প্রয়োজন বিভিন্ন যন্ত্রপাতির। মহাকাশযানে করে প্রযোজনীয় সেসব যন্ত্রপাতি পাঠিয়ে দেওয়া হয় নির্দিষ্ট গন্তব্যে।

এবার প্রায় তিন হাজার কোটি গবেষণা সামগ্রীর সঙ্গে কার্গোতে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে কুরিয়ার করা হল আইসক্রিমও।

জানা গেছে, সোমবার ড্রাগন মহাকাশযানে করে পাঠানো হয় এই আইসক্রিম। ফ্রিজারে করে পাঠানো হয়েছে চকলেট, ভ্যানিলার গন্ধযুক্ত ছোট ছোট কাপ আইসক্রিম। বুধবার সকালে মহাকাশযান পৌঁছায় এই আইসক্রিম। নিঃসন্দেহে যা বড় চমক ছিল মহাকাশচারীদের কাছে।

সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বর মাসে আবার পৃথিবীতে ফিরবে ড্রাগন। তখনই আবার ফিরিয়ে আনা হবে ফ্রিজারগুলি। এমনটাই জানানো হয়েছে নাসার তরফ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest