সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

চেয়ারম্যান ডালিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে আশাশুনিতে মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ এস এম শাহানেওয়াজ ডালিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার তুয়ারডাঙ্গা মৎস্য সেট এলাকায় উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা দীনেশ মন্ডলের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য হোসেন আলী, রামপদ সানা, ইব্রাহিম হোসেন, আব্দুস সাত্তার, কবির হোসেন, তহমিনা খাতুন প্রমুখ। মানববন্ধ কর্মসূচিতে এ সময় ৫ শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা এসময় বলেন, জামাত-বিএনপির লালনকারী সন্ত্রাসী গডফাদার, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামাত জোটের নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়কারী ও সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী এবং ২০১৩ সালে সরকার বিরোধী নাশকতাকারীর আশ্রয় দাতা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিমের নির্দেশে বাব বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ায়াম্যান এম শাহানেওয়াজ ডালিমের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা ও হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সর্বশেষ তাকে একটি ডাকাতি মামলায় জড়ানো হয়েছে। মানবন্ধন থেকে বক্তারা উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে একটি ঝাড়ু মিছিল বের হয়। মিছিলটি তুয়ারডাঙ্গা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সেক্রেটারি দুলাল এর মা আর নেই

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা শহরের রাজারবাগান কলেজ রোর্ডের বাসিন্দা বিআরডিবির সাবেক সহকারী পরিচালক ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাফর আনোয়ার (দুলাল) এর মাতা এবং অবসর প্রাপ্ত সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মৃত কাজী আনোয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মার্জ্জিয়া খাতুন বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সি.এম.এইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি—-রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। মৃত্যুকালে ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা মঙ্গলবার বাদ ঈশা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে জানাযা শেষে মরহুমের মরদেহ রসুলপুর সরকারি গোরস্থানে দাফন করা হবে এবং আগামী ২৫ আগস্ট শুক্রবার বাদ জুমআ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০৯০ সালের আগে এমন সূর্যগ্রহণ আর হবে না

সূর্যগ্রহণ খুব সহসা আসে না। যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার যে সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছে সেটি গত ৯৯ বছরের মধ্যে কখনো হয়নি।
গত ৫০০ বছরের মধ্যে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাশে মোট আটটি সূর্যগ্রহণ হয়েছে।

আর ২০৯০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ধরনের আরেকটি সূর্যগ্রহণও হবে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীর। তাহলে এর কারণ কী? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চয়ই আছে।

পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝখানে চাঁদ পরিভ্রমণ করে। কিন্তু পৃথিবী এবং সূর্যের তুলনায় চাঁদের কক্ষপথ কিছুটা ঝুঁকে থাকায় চাঁদ হয়তো খুব উপরে নয়তো খুব নিচে অবস্থান করে। সেজন্য প্রতি ১৮ মাসে চাঁদ একবার পৃথিবী ও সূর্যের সমান্তরালে আসে। তখন সূর্যকে ঢেকে দিয়ে পৃথিবীতে চাঁদের ছায়া পড়ে। চাঁদের তুলনায় সূর্য ৪০০ গুন বেশি বড়। কিন্তু সূর্যের তুলনায় চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে।

সেজন্য পৃথিবী থেকে দেখতে চাঁদ ও সূর্যকে অনেকটা একই রকম মনে হয়। চাঁদ সবসময় একই কক্ষপথে সুচারুভাবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না। ফলে সূর্যগ্রহণ সবসময় দেখতে একই রকম হয় না। প্রতিটি সূর্যগ্রহণ সবসময় পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে দেখা যায় না। প্রতি ৩৭৫ বছর পর সূর্যগ্রহণ মোটামুটি পৃথিবীর সব জায়গা থেকে দেখা যায়। যদি আপনি আরেকটি সূর্যগ্রহণ দেখতে চান তাহলে পৃথিবীর অন্য জায়গায় যেতে হবে। প্রতি ১৮ মাসে একবার পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সূর্যগ্রহণ দেখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়করাজের নায়িকারা

ঢালিউডে নায়ক হিসেবে রাজ্জাকের প্রথম ছবি জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ (১৯৬৬)। ‘বেহুলা’য় লখিন্দরের ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি।
আর তার প্রথম নায়িকা সুচন্দা। বেহুলা ব্যবসা সফল হওয়ায় আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি রাজ্জাককে।

১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ঢাকায় ভারতীয় ছবি আসা বন্ধ হয়ে যায়। বাংলা সিনেমার এখানকার দর্শক সেদিন উত্তম-সুচিত্রা জুটির পর রাজ্জাক-সুচন্দা জুটিকেই সাদরে নিয়েছিল। সামাজিক-পারিবারিক ছবি বা সে সময়ের লোককথার ছবিতে এ জুটি সমাদৃত হন।

ষাট দশকের সেই রোমান্টিক নায়িকা সুচন্দার সঙ্গে রাজ্জাকের দর্শকনন্দিত সিনেমাগুলো—আনোয়ারা (১৯৬৭), দুই ভাই (১৯৬৮), সুয়োরানী দুয়োরানী (১৯৬৮), কুচবরণ কন্যা (১৯৬৮), মনের মত বউ (১৯৬৯), সখিনা (১৯৬৯), জুলেখা (১৯৬৮), যোগ বিয়োগ (১৯৭০), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), যে আগুনে পুড়ি (১৯৭০), সংসার (১৯৬৮), প্রতিশোধ (১৯৭২), জীবন সংগীত (১৯৭২) এবং অশ্রু দিয়ে লেখা (১৯৭২)।

সুদর্শন রাজ্জাক সুচন্দার পর শবনম, কবরী, ববিতা, শাবানাসহ তখনকার প্রায় সব অভিনেত্রীকে নিয়ে একের পর এক ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র দেন ঢালিউডকে।

সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘আবির্ভাব’চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলা সিনেমায় আবির্ভাব ঘটে রাজ্জাক-কবরী জুটির। একের পর এক ছবিতে অভিনয় করেছেন তারা। ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘ময়নামতি’, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘ঢেউ এর পরে ঢেউ’এবং স্বাধীনতার পর ‘রংবাজ, ‘বেঈমান’সহ বিভিন্ন সফল ছবি উপহার দেন এই জুটি।

রাজ্জাক সবচেয়ে বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবানার বিপরীতে। ১৯৭০ সালে ‘মধুমিলন’ ছবি দিয়ে রূপালি পর্দায় জুটি বাঁধেন তাঁরা। তারপর ‘অবুঝ মন’, ‘সাধু শয়তান’, ‘মাটির ঘর’, ‘দুই পয়সার আলতা’সহ অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তাঁরা।

রাজ্জাক-ববিতা জুটিকে নিঃসন্দেহেই বলা চলে ঢাকাই ছবির অন্যতম সেরা রোমান্টিক জুটি। এই জুটির সবচেয়ে আলোচিত ও সমাদৃত সিনেমা ‘অনন্ত প্রেম। এ সিনমায় চিত্রায়িত হয়েছিল বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের প্রথম চুম্বন দৃশ্য।

রাজ্জাক-ববিতা অভিনীত ‘অনন্ত প্রেম’ মুক্তি পায় ১৯৭৭ সালে। সেই সময়ের তুলনায় ছবিটি ছিল দারুণ সাহসী। ছবির শেষ দৃশ্যে নায়ক নায়িকার গভীর চুম্বনের দৃশ্য ছিল যা সেই সময়ে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজরের যত গুণ

গাজরের যত গুণ

কর্তৃক Daily Satkhira

শীতকালীন সবজি হলেও গাজর সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত উপকারিতাও অনেক বেশি। গাজর সর্বোৎকৃষ্ট মানের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ডি, ই, কে, বি১ এবং ভিটামিন বি৬। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, অর্গানিক সোডিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ।

গাজরের ক্ষারীয় উপাদান রক্তের অম্লতা ও সুগারের সামঞ্জস্য ঠিক রাখে।

 রক্তে বিষক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট হয় ব্রণ। গাজরের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

গাজরের এন্টি-অক্সিজেন্ট বিভিন্ন রোগ সংক্রামক থেকে শ্বাস-প্রশ্বাস পদ্ধতিকে নিরাপদে রাখে।

প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে একটি করে গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি দূর করে।

গাজর মানব দেহের রক্ত কণিকা উৎপাদনে খুবই কার্যকর।

গাজরের জুস নিয়মিত পান করলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।

গাজরের সার বস্তু রক্তের জলীয় ভাগ এবং কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখে

গাজরের জুস কফ, সাইনোসাইটিস, কণ্ঠনালীতে শ্লেষ্মাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।

গাজরের জুস নিয়মিত পানে শারীরিক অবসন্নতা দূর হয়।

গাজর শরীরে বিভিন্ন প্রজ্বলন ভাব, বাত রোগ ও গেঁটেবাত থেকে রক্ষা করে।

প্রতিদিন গাজরের জুস পান করলে সিগারেটের ধোঁয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে জীবন রক্ষা করে।

গাজরের পুষ্টিকর উপাদান চক্ষু সম্বন্ধীয় ক্রিয়া-পদ্ধতিকে উৎকৃষ্ট অবস্থায় রাখে।

গাজরের জুসের পুষ্টিকর উপাদান কিডনিকে পরিষ্কার ও পরিশ্রাবণ করতে সাহায্য করে।

গাজরে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বককে কোমল রাখে, ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে।

গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে শেষের কয়েক মাস নিয়মিত গাজরের জুস পান করলে বাচ্চার জন্ডিসের সম্ভাবনা দূর হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমলকির যত গুণ

আমলকির যত গুণ

কর্তৃক Daily Satkhira

আমলকির ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমলকি খাওয়ার উপকারিতা
ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে। আমলকি লিভার ভাল রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভাল হয়।

আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে। শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। আমলকির জুস দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী। পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। ব্রঙ্কাইটেসও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

আমলকি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে থেকে পারেন। খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা জলের মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। আমলকিতে সামান্য লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর খেতে পারেন। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে।

আমলকি মাঝারি আকারে টুকরো করে নিয়ে ফুটনত্ম জলের মধ্যে দিন। আমলকি নরম হলে তা নামিয়ে ঝরিয়ে লবণ, আদা কুঁচি, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রেখে দিতে পারেন। সারা বছরই ভাল থাকবে। এছাড়াও, প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) -এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর। আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ।

আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের উপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরোদ্ধারে সাহায্য করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুম্বাইয়ে ইভটিজিংয়ের শিকার ইলিয়ানা

ভারতের মুম্বাইয়ের রাস্তায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার হলেন অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডি ক্রুজ। রাস্তায় নায়িকার গাড়ি আটকে ছয় তরুণ হেনস্থা করে এই অভিনেত্রীকে।
গাড়ির কাচ ও বনেটে ধাক্কা দেয় ইভটিজাররা। এমনকী, অভিনেত্রীকে ভয় পেতে দেখে হাসাহাসিও করে তারা। পুলিশে অভিযোগ না জানিয়ে, টুইটারে নিজের ক্ষোভ জানিয়েছেন নায়িকা নিজেই।

কয়েক দিন আগে মুম্বাইয়ে এক ফ্যাশন শো-তে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ইলিয়ানা। যাওয়ার পথে এক ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়ায় তাঁর গাড়ি। নায়িকার অভিযোগ, আচমকাই ছ’জন তরুণ তাঁর গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। গাড়ির জানলায় ধাক্কাধাক্কি করা শুরু করে। এমনকী গাড়ির বনেটের উপর উঠে বসে পড়ে তারা। গাড়িতে কোনও দেহরক্ষী না থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই ভয় পেয়ে যান অভিনেত্রী।

ইলিয়ানা জানিয়েছেন, তাঁকে ভয় পেতে দেখে ইভটিজাররা আরও বেশি অসভ্য আচরণ শুরু করে। অভিনেত্রীকে নিরুপায় দেখে চলতে থাকে হাসাহাসিও।

এর পর সিগন্যাল সবুজ হতেই বেরিয়ে যায় নায়িকার গাড়ি। কিন্তু, তার পরেও চলে হেনস্থা। বেশ কিছুটা পথ বাইক নিয়ে ওই ইভটিজাররা তাঁর গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

ইলিয়ানা পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ না জানালেও, টুইটারে তাঁর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভীষণ খারাপ একটা পৃথিবীতে আমরা বাস করি। আমি অত্যন্ত পরিচিত মুখ। … কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমার সঙ্গে কোনও পুরুষের খারাপ ব্যবহার করার অধিকার জন্মে যায়’!

এ ধরনের অসভ্যতাকে কখনওই ভক্তদের পাগলামি বলা চলে না বলেও টুইটারে মন্তব্য করেন ইলিয়ানার। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নায়িকার পাশে দাঁড়িয়েছেন শাহরুখ, নার্গিস ফাকরি, বরুণ ধাওয়ান থেকে দীপিকা পাড়ুকোন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চাল ধোয়া পানির ব্যবহার!

বাঙালিরা মাছে ভাতে বাঙালি। ভাত-মাছ বাঙালিদের প্রধান খাবার। বাঙালিরা তৃপ্তি করে ভাত খান। ভাত রান্নার আগে চাল ধুয়ে পানি অনেকে ফেলে দেন। এখন থেকে আর তা ফেলবেন না। বরং তা কাজে লাগান। ত্বক থেকে স্বাস্থ্য— সব কিছুরই খেয়াল রাখবে চাল ধোয়া পানি।

চাল-ধোয়া-পানিতে নির্দিষ্ট মাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি-উপাদান থাকে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয়বার ধোয়ার সময় চাল থেকে প্রচুর পটাসিয়াম বের হয়ে যায়। এ পটাসিয়ামসমৃদ্ধ পানি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই পানি কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখেও ব্যবহার করা যাবে। জেনে নিন চাল ধোয়া পানির অজানা ব্যবহার-

১। ভাল করে চুল শ্যাম্পু করুন। এর পর কন্ডিশনারের মতো চুলে চাল ধোয়া পানি লাগিয়ে রাখুন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর ধুয়ে ফেলুন। চালের প্রোটিন চুল গোঁড়া মজবুত করবে।

২। ত্বকে সংক্রমণ বা জ্বালাপোড়া থাকলে দিনে অন্তত দু’বার ১৫ মিনিট করে চাল ধোয়া পানিতে গোসল করুন। এতে শরীরের জ্বালাপোড়া দূর হবে। গোসলের সময় নিয়মিত চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করলে ত্বকের পুষ্টির জোগান দেবে। ত্বক হবে আরো মসৃন। বয়সের ছাপও ত্বকে পড়বে দেরিতে।

৩। চাল ধোয়া পানিতে আট রকমের অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। যা মানুষের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাই প্রতিদিন চাল ধোয়া পানি খেতেও পারেন। এতে স্বাস্থ্যর উপকার হবে অনেকটা।

৪। আমরা অনেকেই ব্রণের সমস্যায় ভুগে থাকি। ব্রণের সমস্যা দূর করতে চাল ধোয়া পানি খুবই উপকারী। তুলোয় করে এই জল দিয়ে ব্রণ-র উপরে লাগিয়ে রাখুন। ব্রণ তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।

৫। ডায়রিয়ারও পথ্য চাল ধোয়া পানি। এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে তা খেয়ে নিন। কারো ডায়রিয়া হলে ডাক্তার রাইস স্যালাইন পথ্য হিসেবে দিয়ে থাকেন। বাজারে তো রাইস স্যালাইন পাওয়াই যায়, তবে বাসাতেও কিন্তু আপনি অজান্তেই তা বানাচ্ছেন এবং ফেলেও দিচ্ছেন। ভাত হওয়ার পর তার পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে নিলেই কিন্তু তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর রাইস স্যালাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest