সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা ও সততা চর্চার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলে ‘সততা স্টোর’র উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে স্কুলের হলরুমে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কর্যালয় খুলনার উপ-পরিচালক (ডিডি) মোহা.আবুল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করেন।
‘দেশপ্রেমের শপথ নিন, দুর্নীতিকে বিদায় দিন’- এ মন্ত্রে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বীবিত করার আহবান জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), খুলনার আর্থিক সহযোগিতায় ওই ‘সততা স্টোর’ স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ওই ‘সততা স্টোর’ থাকবে না কোন বিক্রেতা। তবে সেখানে থাকবে সকল শিক্ষা সামগ্রি ও প্যাকেটজাত ফাস্টফুড, যে গুলোতে নির্ধারিত মূল্য তালিকা দেয়া থাকবে। শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীরা ওই স্টোর থেকে পণ্য ক্রয় করে ক্যাশ বক্সে পণ্যের নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবেন। আর সেখান থেকেই সততা ও নৈতিকতা চর্চার মূল্যবোধ সৃষ্টি হতে সহায়তা করবে।
যৌথভাবে কলারোয়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কর্যালয় খুলনার উপ সহকারী পরিচালক ফয়সাল কাদের, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল হামিদ, স্কুলটির সভাপতি আ.লীগ নেতা জিএম মিজানুর রহমান, স্থানীয় সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম ও সমাজসেবক সুপ্রসাদ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা স্টোরের লগো সম্বলিত ছাতা বিক্রয় করা হয়। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সভাপতি ও সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান চান্দু।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষক সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সুধিজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় করেন দুদকের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর ৬ নং ওয়ার্ড আ ’লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠান

মো: বশির আহমেদ: ২১ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরা পৌর ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাবু নারায়ন চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়্যারমান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়্যারমান আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর আ’লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, মহিলা সম্পাদিকা রেহানা পারভীন, হারুন অর রশিদ, আনসার আলী, শেখ নুর ইসলাম, মজিবর রহমান, ঠাকুর দাশ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৬ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রাফিনুর রহমান ও পৌর আ’লীগ নেতা কামরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে এক স্কুল শিক্ষিকার তুলকালাম কাণ্ড!

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের মহিষাডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে স্কুলে না আসায় হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখানোকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কা- ঘটেছে। বিষয়টি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অবহিত হলে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার স্কুলটি পরিদর্শন করেছেন।
স্কুলের সহকারী শিক্ষক (কৃষি শিক্ষা) পণতি সরকার গত ১২ আগস্ট বেশবপুর থেকে স্কুলে আসার পথে সামান্য দুর্ঘটনা কবলিত হলে ১২ ও ১৩ স্কুলে আসেননি। বিষয়টি প্রধান শিক্ষকে না জানিয়েই তিনি স্কুলে ২দিন অনুপস্থিত ছিলেন। ১৪ অগাস্ট জন্মাষ্টমীর ছুটি থাকায় ১৫ আগস্ট তিনি শোক দিবসের দিন স্কুলে আসেন। ১৭ আগস্ট স্কুলে এসে দেখেন তার হাজিরা খাতায় লাল কালি দিয়ে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। এসময় তিনি ক্লাস নিতে বিরত থেকে প্রধান শিক্ষক তাকে ৬ মাস পূর্বে কু-প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাতে রাজি না হওয়ায় তাকে প্রতিশোধ নিতে অনুপস্থিত দেখিয়েছেন দাবি করতে থাকেন। বিষয়টি স্কুলের সকল শিক্ষককে জানানোর পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। প্রধান শিক্ষক তখন স্কুলে নিয়মিত কমিটি না থাকায় সকল শিক্ষককে নিয়ে মিটিং করেন এবং সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। উক্ত শিক্ষকের স্বামী কর্তৃক মোবাইলে প্রধান শিক্ষককে হুমকির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৭ আগস্ট তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়। সোমবার জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার স্কুলটিতে আসেন। তারা শিক্ষকদের নিয়ে বসেন এবং মিথ্যা কু-প্রস্তাবের কথা বলে প্রধান শিক্ষককে অপমান করার কারণে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতির নিরসন করাণ হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কুল্যায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ইউএনও’র পদক্ষেপ

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা নির্বাহী নির্বহী অফিসার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা এলাকা পরিদর্শনকালে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
গুনাকরাকটি (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের ডাঃ গোবিন্দ প্রসাদ চৌধুরী, অবঃ শিক্ষক পবন চৌধুরীসহ গ্রামের ৩০টি পরিবার বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধাতার মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন। এনিয়ে প্রতিকার প্রার্থনা করা হলে ইউএনও ঘটনাস্থানে গিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইব্রাহিম হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আবু সাইদ ঢালীসহ এলাকাবাসির ্উপস্থিতিতে জলাবদ্ধাতার কারণ ঘের মালিক আব্দুল্লাহর নিয়ন্ত্রনে থাকা রাস্তার পাইপের মুখ খুলে দেওয়া হয়। ফলে পানি নিস্কাশনের প্রতিবদ্ধকতা দূর হয়ে যায়। একই সাথে সড়কের পাশ দিয়ে ভবিষ্যতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পাইপ স্থাপন এবং সাদুল্লাহ চৌধুরীর সীমানা বাঁধ অপসারনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে গুনাকরকাটি (পূর্ব পাড়া) দীর্ঘকালের পয়ঃ নিস্কাশন পথ (ভাঙাড়) স্থানীয় জালাল উদ্দিন দিং আটকে দেওয়ায় এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। আবু তালেব দিং প্রতিকারের দাবীতে ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। বুধহাটা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আঃ বারী সরকারি আমিন নিয়ে জমি পরিমাপ করে খাস জমি অবৈধ দখলের ফলে জলাবদ্ধতার প্রমান পান। ঘটনাস্থানে উপস্থিত হয়ে সরেজমিন পর্যবেক্ষন ও উভয় পক্ষের কথা শুনে ইউএনও সুষমা সুলতানা স্বেচ্ছায় নালা কেটে পথ খুলে দিতে আদেশ করেন। অমান্য করা হলে পুনরায় জমি মেপে লাল পতাকা উঠিয়ে খাস জমি অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির সরে যাওয়া উচিত ছিল : প্রধানমন্ত্রী

ষোড়শ সংবিধান বাতিলের রায়ে করা প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতিকে। উনাকে এসব কথা বলার আগে ওই পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত ছিল বা বলেই সরে যাওয়া উচিত ছিল।’

আজ সোমবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৩ তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধান বিচারপতির সমালোচনা করে  শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ পার্লামেন্ট যেহেতু  মহিলা এমপি করতে পারবে না, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে পারবে না। এ রাষ্ট্রপতি যেহেতু আমাকে নিয়োগ দিয়েছে আমি ওই পদে থাকব না। বলে দিলেই তো হলো। উনার লেখা রায়ে অনেক কনট্রাডিকশন আছে। আমি পড়ছি, অস্বাভাবিক লাগছে। আমি নোট নিচ্ছি। পার্লামেন্টে এটা বলতে পারব।’

‘পার্লামেন্ট সদস্যদের ক্রিমিনাল বলা হচ্ছে’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি, হঠাৎ করে উচ্চ আদালত থেকে নানা ধরনের বক্তব্য, রাজনৈতিক কথাবার্তা ও হুমকি-ধমকি। মাঝে মাঝে অবাক হই, যাদের আমরাই নিয়োগ দিয়েছি, মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়োগ পাওয়ার পর হঠাৎ তাদের বক্তব্য শুনে, পার্লামেন্ট সম্পর্কে যেসব কথা বলা হচ্ছে, পার্লামেন্ট সদস্য যারা, তাদের ক্রিমিনাল বলা হচ্ছে। সেখানে ব্যবসায়ী আছে সেটাও বলা হচ্ছে। ব্যবসা করাটা কি অপরাধ? কোনো ব্যবসায়ী মামলা করলে উচ্চ আদালত কি তাদের পক্ষে রায় দেয় না? রায় তো দেয়। বিচার তো তারাও পায়। তারা যদি সংসদ সদস্য হয় তাহলে অপরাধটা কোথায়? পার্লামেন্টকে হেয় করা, পার্লামেন্টকে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করা, এর অর্থটা কী? অনেক সংগ্রাম করে রক্ত দিয়ে এ দেশে আমরা গণতান্ত্রিক ধারা এনেছি। ৭৫-এর পর উনিশটা ক্যু হয়েছে। হাজার হাজার সামরিক বাহিনীর অফিসার সৈনিকদের হত্যা করা হয়েছে। হাজার হাজার আমাদের নেতাকর্মীদের খুন করা হয়েছে। গুম হয়েছে। সে অবস্থা থেকে একটা সুস্থা অবস্থায় নিয়ে এসেছি।’

‘যেটা মূল সংবিধানে ছিল তা উনার পছন্দ না’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির রায়ে পার্লামেন্ট সম্পর্কে বক্তব্য, সংসদ সদস্যদের সম্পর্কে বক্তব্য, এমনকি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায়ও কেড়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা, এটা কোন ধরনের কথা। আমাদের সংবিধান আছে। যে সংবিধান ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি। যেটা মূল সংবিধানে ছিল সেটাও উনার পছন্দ না। পছন্দ কোনটা? ওই যে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে,  এটা হাইকোর্টেরই রায় যে জিয়ার ক্ষমতা অবৈধ করে মার্শাল ল অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে যে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল করে দিয়েছেন সেটা উনার পছন্দ। কিন্তু গণপরিষদ যে সংবিধান তৈরি করেছেন সেটা উনার পছন্দ না। উনি চাচ্ছেন মার্শাল ল যেটা করে দিয়েছেন সেটা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২১ আগস্ট’র ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁসির দাবিতে যুবলীগের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

খন্দকার আনিসুর রহমান : ২১ আগস্ট হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করে জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দীন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ,সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল হাসান। এসময় বক্তারা ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ওই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দ্রুত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকর করতে হবে। যাতে আর কোন ষড়যন্ত্রকারী যেন জননেত্রীকে হত্যার পরিকল্পনাও করতে না পারে। এছাড়া আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকিৎসকের অবহেলায় মারা গেল মাথা কেটে যাওয়া সেই নবজাতক!

আব্দুল জলিল: চিকিৎসকের অসতর্কতায় সিজারে কপালে অস্ত্রের আঘাত নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে রোববার রাত ৯টার দিকে শিশুটির অক্সিজেন মাক্স খুলে দিয়ে তাকে খুলনায় পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমন অভিযোগ শিশুটির পরিবারের। এদিকে পত্রপত্রিকায় এই রিপোর্ট প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে সংগ্রাম প্রাইভেট হাসপাতাল কতৃপক্ষ শিশুটির মা সোমা খাতুনকে সোমবার সকালে জোর করে প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে দিয়েছে।
সোমা খাতুনের মামা আইয়ুব আলি জানান, সোমা খাতুনকে সংগ্রাম হাসপাতলে রেখে বাচ্চাটিকে ডাক্তারের পরামর্শে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তারের অবহেলায় বাচ্চাটি মারা গেছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনা কেন আমরা সাংবাদিকদের বলেছি তাই হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার সামসুর রহমান রোববার রাতে রাগান্নিত হয়ে বাচ্চাটির মুখের মাসক খুলে দিয়ে খুলনায় নিয়ে যেতে বলে। তিনি আরও বলেন, আমারা ডাক্তারের বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি আমাদেরে কথা না শুনে চলে যান। সোমবার ভোরে বাচ্চাটি মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে।
সোমা খাতুনের স্বামী আবুল হোসেন বলেন, সদর হাসপাতালের ডাক্তারের অবহেলায় আমার বাচ্চাটি মারা গেছে। এদিকে প্রাইভেট ক্লিনিক সংগ্রাম হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাদের কে বলে তোমরা এক্ষুনি হাসপাতাল থেকে চলে যাও। তোমাদেরকে আর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা দেওয়া হবে না। এক প্রকার জোর করে হাসপাতাল থেকে আমাদেরকে জোর করে বের করে দেয়। সোমা খাতুনের স্বামী আরও বলেন ডা: সুদেষ্ণা সিজারিয়ান ডাক্তার না। তিনি তিন মাসের একটি কোর্স করে এসে শহরের বিভিন্ন কিøিনকে সিজার করে থাকেন।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার শামসুর রহমান জানান, চিকিৎসকের অবহেলায় বাচ্চাটি মারা যায়নি। বাচ্চাটির অক্সিজেন খুলে দেওয়া বিষয়টি তিনি অস্বিকার করেন। তবে কেন বাচ্চাটি মারা গেছে তা তিনি বলতে পারেননি।
তবে সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা: তওহিদুর রহমান সিজারে অস্ত্রের আঘাতে শিশুর মৃত্যু হয়নি দাবি করে বলেন, শিশশুটি প্রি ম্যাচিউড ছিল। প্রিম্যাচিউড শিশুটি কেন ইনকিউবেটরে রাখা হয়নি এমন প্রশ্নের উত্তরে সিএস বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট ডাক্তার বলতে পারেন।
এ ব্যাপারে ডাক্তার সুদেষœা বলেন, বাচ্চাটি মারা গেছে আমি শুনেছি। তবে অপুষ্টিজনিত কারণে মারা যেতে পারে।
উল্লেখ্য গত ১৮ আগস্ট সন্তান সম্ভবা স্ত্রীকে কেশর নামে এক গ্রাম্য ডাক্তারের পরামর্শে শহরের সংগ্রাম প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখানেই শনিবার দুপুরে সোমা খাতুনের সিজার করেন ডা. সুদেষ্ণা। ভূমিষ্ঠ হয় একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান। কিন্তু বিপদ ঘটে যায় চিকিসৎকের অসর্তকতায়। সিজার করতে গিয়ে বাচ্চার মাথার বাম পাশে কেটে ফেলে চিকিৎসক। তাৎক্ষণিক তাকে সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

বাংলাদেশের খ্যাতিমান নায়ক রাজ রাজ্জাক ইত্তেকাল করেছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় (২১ আগষ্ট) রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

প্রাথমিক জীবন
রাজ্জাক পশ্চিমবঙ্গের (বর্তমান ভারতের) কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় স্বরসতী পূজা চলাকালীন সময়ে মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় চরিত্রে। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক বিদ্রোহীতে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই নায়ক রাজের অভিনয়ে সম্পৃক্ততা।

অভিনয় জীবন
তিনি ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাড়ি জমান। প্রথমদিকে রাজ্জাক তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশনে “ঘরোয়া” নামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হন। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি আব্দুল জব্বার খানের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। সালাউদ্দিন প্রোডাকশন্সের তেরো নাম্বার ফেকু ওস্তাগড় লেন চলচ্চিত্রে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করে সবার কাছে নিজ মেধার পরিচয় দেন রাজ্জাক। পরবর্তীতে কার বউ, ডাক বাবু, আখেরী স্টেশন-সহ আরও বেশ ক’টি ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ও করে ফেলেন। পরে বেহুলা চলচ্চিত্রে তিনি নায়ক হিসেবে ঢালিউডে উপস্থিত হন সদর্পে। তিনি প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র।

পুরস্কার ও সম্মাননা
১৯৯০ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সাথেই ঢালিউডে সেরা নায়ক হয়ে অভিনয় করেন রাজ্জাক। এর মধ্য দিয়েই তিনি অর্জন করেন নায়করাজ রাজ্জাক খেতাব। অর্জন করেন একাধিক সম্মাননা। এছাড়াও, রাজ্জাক জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করছেন।

জন্মদিন জন্ম ২৩ জানুয়ারি ১৯৪২ (বয়স ৭৫)। টালিগঞ্জ, কলকাতা, ব্রিটিশ ভারত (এখন ভারত)।

বাসস্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।

জাতীয়তা: বাংলাদেশী।

নাগরিকত্ব: বাংলাদেশ।

পেশা: অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক।

কার্যকাল: ১৯৬৪–২০১৭।
সন্তান বাপ্পারাজ (রেজাউল করিম)
নাসরিন পাশা শম্পা।
রওশন হোসাইন বাপ্পি।
আফরিন আলম ময়না।
সম্রাট (খালিদ হোসাইন)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest