সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

ভিসির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরেফিন সিদ্দিকের না থাকার নেপথ্যে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণের একটি নিয়ম প্রচলিত আছে। বিদায়ী ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, বিভাগের চেয়ারম্যান এবং রেজিস্টারের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ভিসির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। নিয়ম অনুযায়ীই অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছিলেন তখনকার বিদায়ী ভিসি অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ। কিন্তু এবার সে নিয়ম মানা হয়নি। বুধবার নতুন ভিসি অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান দায়িত্ব নেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন না বিদায়ী ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

কেন তিনি নতুন ভিসির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভিসির দায়িত্ব গ্রহণ আরেফিন সিদ্দিকের উপস্থিত না থাকার কারণ মূলত দুটি। প্রথমতঃ তিনি চেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন, দ্বিতীয়তঃ বুধবারের এ অনুষ্ঠান সম্পুর্ণভাবে তাকে না জানিয়ে আয়োজন করা হয় এবং তাকে কেউ আমন্ত্রণও জানায়নি।

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরদিন অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ভিসির বাসায় গিয়ে আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এ সময় তিনি দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে, আরেফিন সিদ্দিক বলেন, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ঈদের ছুটি চলছে তাই বিশ্ববিদ্যালয় যেদিন খুলবে সেদিন দায়িত্ব হস্তান্তর করলে ভালো হয়। ঈদের ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। ওইদিনই দায়িত্ব হস্তান্তরের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন সময়ে দায়িত্ব হস্তান্তরে আরেফিন সিদ্দিক আগ্রহী ছিলেন না। এ ক্ষেত্রে তিনি পূর্বের একটি বাজে নজিরের কথা স্মরণ করিয়ে দেন আখতারুজ্জামানকে। ২০০১ সালে অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ রাতের আধারে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি চাই না সে রকম কোন বাজে নজির স্থাপন হোক। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর রেওয়াজ অনুযায়ী সবার উপস্থিতিতে দায়িত্ব হস্তান্তর হলে ব্যাপারটি ভালো হয়।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকা অবস্থায় এবং নতুন ভিসি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই মঙ্গলবার ভিসির কক্ষ থেকে আরেফিন সিদ্দিকের কিছু ব্যক্তিগত ছবি সরিয়ে ফেলা ও ফ্রেম উল্টে রাখা এবং তার বেশ কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র জিনিস ওলোট-পালট করার ব্যাপারটিতেও কিছুটা মনোঃক্ষুন্ন হন তিনি।

ছবি সরানোর ব্যাপারে ভিসি অফিসের কর্মকর্তা লিটন মঙ্গলবার বলেন, টেবিলে বেশ কিছু জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় তা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। তবে ছবিগুলো কে বা কারা সরিয়েছে বা ফ্রেম উল্টে রেখেছে সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

বুধবার দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাপক আখতারুজ্জামান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন: একটা নিয়ম আছে বিদায়ী ভিসি ‍নিজে উপস্থিত থেকে নতুন ভিসির হাতে দায়িত্ব তুলে দেন। কিন্তু সময়ের সমন্বয় করা যায়নি বলে এটি হয়ে ওঠেনি।

অবশ্য দায়িত্ব গ্রহণের ব্যাপারে মঙ্গলবারই অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্বভার গ্রহণ করব। যাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশের কোন রকম অসম্মান না হয়।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টায় ভিসি অফিসে তিনি রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামানের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক এবং কর্মকর্তারাও।

অবশ্য নিয়োগ পাবার পরদিন মঙ্গলবার ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ক্যাম্পাসে এসে প্রায় পুরোটা সময় ভিসি অফিসেই কাটান অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন সহকর্মীদের সঙ্গে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারসহ ভিসি অফিসের কর্মকর্তারাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের সাথে শাফী আহমেদ এর মতবিনিময়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখা কার্যালয়ে সাবেক ছাত্রনেতা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠুর সাথে পবিত্র ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব জনাব শেখ শাফী আহমাদ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, প্রচার সম্পাদক আবু ছালেক, সদর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এ্যাড. ফারুক হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সালাউদ্দীন আল আজাদ, পৌর সভাপতি শেখ, জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফিখান, সদর যুগ্ম আহবায়ক শাহাদাৎ হোসেন, পৌর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের আসিফ শাহবাজ , রবিউল, শাওন, জাহিদ, লাবসা ইউনিয়নের সভাপতি এম এন রহমান স্বপন, ইব্রাহীম, উজ্জল, শহর শাখার রুবিনা জামান খান শাউলি, শিরিনা খান বেবি, আয়শা সিদ্দিকা, মেহেদী, ফারুক আহম্মেদ খান টগর, আলাউদ্দীন, বাবু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া ইলিশপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের কিসমত-ইলিশপুর গ্রামে ঈদ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার গ্রামবাসিদের মধ্যে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-১ আসনের সাংসদ এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
কিসমত-ইলিশপুর গ্রামবাসিদের মাঝে ঈদের আনান্দকে ভাগাভাগি ও সকল গ্রামবাসীর মধ্য সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা) আসনের এমপি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, আ.লীগ নেতা আলহাজ্ব খাইবার রহমান মাস্টার ও কলারোয়া রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান পলাশ।
অনুষ্ঠানে মজু মেম্বার, সাইফুল ইসলাম মেম্বর, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক আশিকুর রহমান মুন্না, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মাস্টার হাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার উন্নয়নকল্পে বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে কলারোয়া নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি ওই সভার আয়োজন করে।
পৌরসভার মধ্যে নতুন ভবন তৈরির ক্ষেত্রে রাস্তার জায়গা ও ড্রেন দখল, ছোটছোট রাস্তায় ভারি যানবাহনের প্রবেশে বাধা দিতে তৈরিকৃত পিলার রাতের আধারে ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ, কোন মাস্টার প্লান না থাকা, বাজারের চৌরাস্তা মোড়ের ঘেরাটি যানবাহন চলাচলে জ্যাম সৃষ্টি, দিনের বেলা বাজারে পন্যবাহী ট্রাক-মিনি ট্রাক প্রবেশ রোধ করা, বেত্রাবতী নদীর উপর বিকল্প ব্রিজ নির্মাণ ও নদীতে শ্যাওলা অপসারণসহ বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষাপটে ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় পৌরসভার নানান কার্যক্রমে অনিয়ম, অসঙ্গতি ও অবহেলার জন্য একক ভাবে পৌর মেয়রকে দায়ি করেন অনেক বক্তা। সেসময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত থাকলেও তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে বক্তব্য না রাখায় উপস্থিত অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান- সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলররাই মূলত সেই ওয়ার্ডের সার্বিক কর্মকান্ডে সরাসরি সংশ্লিষ্ট। মেয়রের আগে তারাই ইতিবাচক-নেতিবাচক বিষয়ের ভাগিদার।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
তিনি বলেন- ‘কলারোয়া পৌরবাসী পৌরসভার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সরকারের উন্নয়নকে সাবোটাজ করতে দেয়া হবে না। পৌরবাসী এগিয়ে না আসলে উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, সাতক্ষীরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সামছুজ্জামান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না ও জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক প্রকৌশলী আবেদুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলী, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ সহিদুল ইসলাম, পৌরসভার প্রকৌশলী ওয়াজিহুর রহমান, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মনোরঞ্জন সাহা, সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী, আবুল খায়ের, সাংবাদিক অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশ, পৌর কাউন্সিলর প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, মফিজুল হক, জামিল হোসেন, সন্ধ্যা রানী বর্মন, আকিমুদ্দীন, আলফাজ হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অন্য কাউন্সিলররা, এড. আলি আহমেদ, আলী হোসেন, উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মককর্তা আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, প্রধান শিক্ষক বদরুজ্জামান বিপ্লব, মাস্টার শেখ শাহাজান আলী শাহিন, লিটন হোসেন, আ.লীগ নেতা সহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা স.ম গোলাম সরোয়ার প্রমুখ।
কলারোয়া পাবলিক ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সীমান্তে অমানবিক ল্যান্ড মাইন বসাচ্ছে মিয়ানমার

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মাইন বসানো দেশের একটি মিয়ানমার। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে যেসব দেশ সই করেনি, মিয়ানমার তার একটি

তিনদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তের একাংশ জুড়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ল্যান্ড মাইন বসাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থার খবরে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের দু’টো সরকারি সূত্রের বরাতে তারা জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর সহিংসতা থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা যেন আর মিয়ানমারে ফিরে যেতে না পারে সেজন্যই মাইনগুলো রাখা হচ্ছে।

বিষয়টি অতি সংবেদনশীল হওয়ায় নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেনি সূত্রগুলো। তারা জানিয়েছে, সীমান্তের কাছে ল্যান্ড মাইন বসানোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হবে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, সীমানা পিলারের পাশ দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার পাশাপাশি মিয়ানমার ল্যান্ড মাইন বসাচ্ছে। তবে দু’টি সূত্রই বলছে, সীমান্তের কাছে মাইন বসানোর তথ্য গোপন সংবাদদাতাদের কাছ থেকে প্রথম জানতে পারে বাংলাদেশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং মাইন বসানোর ছবিও ঢাকার কাছে রয়েছে।

যারা মাইন বসাচ্ছিল তাদের সামরিক পোশাকে থাকার ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারেনি সূত্রগুলো। তবে তারা যে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী নয় সে ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত ছিল তারা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কর্মকর্তা মনজুরুল হাসান খান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান, সীমান্তে মিয়ানমার অংশে মঙ্গলবার দু’টো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। তখন থেকেই ল্যান্ড মাইন বসানোর সন্দেহটা পাকাপোক্ত হয়।

মনজুরুল হাসান আরও বলেন, মঙ্গলবার সীমান্ত পার হওয়ার সময় বিস্ফোরণে একটি ছেলের পা উড়ে যায়। তাকে বাংলাদেশে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। একই ধরনের বিস্ফোরণে আরেকটি ছেলে আহত হয়। তারা ল্যান্ড মাইন বিস্ফোরণেই আহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী সীমান্তের ওই বিস্ফোরণস্থলের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি মাটিতে পুঁতে রাখা চার ইঞ্চি পরিধির একটি ধাতব চাকতির ছবি তুলে আনেন। সেখানে এরকম আরও দু’টো ডিভাইস তিনি দেখেছেন বলে জানান। মনে করা হচ্ছে ওগুলো ল্যান্ড মাইন।

সোমবার দুপুর আড়াইটায় বিস্ফোরণের ঠিক আগে ওই এলাকায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যদের ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন দু’জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। তবে ওই ডিভাইসগুলো যে ল্যান্ড মাইন, বা মিয়ানমারের সেনা সদস্যরাই সেগুলো বসিয়েছে, সেটি নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

সীমান্তের কাছে বিস্ফোরণ নিয়ে এখনো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কিছু বলেনি। দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চি’র মুখপাত্র জাও তেও এ ব্যাপারে বলেন, বিস্ফোরণ কোথায় হয়েছে, কারা সেখানে গিয়েছিল বা কে মাইনগুলো বসিয়েছে এ প্রশ্নগুলোর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সন্ত্রাসীরা মাইন বসায়নি এটাই বা কিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়!– এমন প্রশ্ন তোলেন সু চি’র মুখপাত্র।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। সূত্রগুলো বলছে, যা কিছু হচ্ছে তার সবই মিয়ানমারের ভেতর।

সূত্রদের একজন বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে তারা কিছু করছে না। কিন্তু এর আগে আমরা কখনো সীমান্তের কাছে মিয়ানমারকে ল্যান্ড মাইন বসাতে দেখিনি।’

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মাইন বসানো দেশের একটি মিয়ানমার। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে যেসব দেশ সই করেনি, মিয়ানমার তার একটি।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বহুদিন ধরে চলমান সঙ্কট সমাধানে ২০১৬ সালের আগস্টে গঠিত হয় অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেট। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে ওই কমিশন এক বছরের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চির কাছে জমা দেয় চলতি বছরের ২৪ আগস্ট।

৬৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ত্রিশটি পুলিশ ও সেনাচৌকিতে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য। তারপরই হামলার জন্য রোহিঙ্গা ‘জঙ্গি’দের দায়ী করে জবাব হিসেবে সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর ওই হামলায় এখনও পর্যন্ত ৪শ’র বেশি মারা গেছে, আর প্রাণভয়ে লাখো মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বাংলাদেশে। নৌপথে পালিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতে মারা গেছে আরও অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন না করার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই হত্যাকাণ্ড শুরু করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্প আমার স্ত্রী নন: পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণে হতাশ কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ‘ট্রাম্প আমার স্ত্রী নন, আমিও তার স্বামী নই। আমরা দুজনই রাজনীতিতে জড়িত। প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে।’

মঙ্গলবার চীনে ব্রিকস সম্মেলনের অবকাশে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন পুতিন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি যেমন রাশিয়ার স্বার্থে কাজ করছি; ট্রাম্প তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে কাজ করছেন। তবে আমি আশাবাদী যে, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা নিরসনে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন।

ট্রাম্পকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হলে রাশিয়ার অনুভূতি কেমন হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কথা বলাটা রাশিয়ার জন্য একেবারেই ভুল হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের ঘটনায় গত জুলাইয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, অনিচ্ছা সত্ত্বেও জাতীয় ঐক্যের তাগিদে তিনি এ সংক্রান্ত বিলে স্বাক্ষর করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা নিধনে নীরব মোদি, উদ্বিগ্ন ‘চরমপন্থী সন্ত্রাসে’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ‘চরমপন্থী সহিংসতায়’ ভারতও উদ্বিগ্ন, বুধবার এমনটি জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু এসময় রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে কোন কথা বলেননি মোদি। রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে ব্যাপক সমালোচিত মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন তিনি।

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে সু চির সাথে একটি যৌথ বিবৃতিতে এমনটি বলেন মোদি। তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে এখন মিয়ানমারে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই অঞ্চলে চীনা প্রভাব ঠেকাতে এবং ‘এ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির অধীনে মিয়ানমারের সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোদির এই সফর। বুধবার দেশটির প্রধান ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী সু চি-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন মোদি।

সম্পদে সমৃদ্ধ মিয়ানমারের সাথে অর্থনৈতিক বন্ধন আরও বাড়াতে চায় ভারত। মিয়ানমারের সাথে ভারতের ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অভিযোগে তুমুলভাবে সমালোচিত সু চি। নিরাপত্তা বাহিনীর এই অভিযানে সম্প্রতি প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। মিয়ানমারে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাদের বসবাস।

রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গাদের উপর নিপীড়নের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার। তাদের দাবি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে তাদের সেনাবাহিনী।

রাজধানী নেপিডোতে রাষ্ট্রপতির ভবনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সু চি বলেন, তার দেশের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানের জন্য তারা ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই দুই দেশ এক সাথে কাজ করতে পারে বলেও অভিমত তার।

মোদি বলেন, এই অঞ্চলে ভারত এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তার স্বার্থ একই। রাখাইন রাজ্যে চরমপন্থী সহিংসতা নিয়ে আমরা মিয়ানমারের মতোই উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে যে সহিংসতা চলছে এবং নিষ্পাপ প্রাণগুলো যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে।

“আমরা আশা করি সকল অংশীদাররা ঐক্যবদ্ধভাবে এখান থেকে (সহিংসতা) বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে বের করবে, যাতে ঐক্য এবং মিয়ানমারের আঞ্চলিক অখন্ডতাকে সম্মান করা হবে এবং একই সাথে আমরা সকলে জন্য শান্তি, মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে পারবো।”

বর্তমানে ভারতে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছেন। যারা প্রত্যেকেই এসেছেন অবৈধ ভাবে। এই শরণার্থীদের কারণে অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছে ভারত। যে ভাবে রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে তাতে খুশি নয় সঙ্ঘ পরিবারও। ভারতের জেলে বন্দি ৪০জন মিয়ানমারের নাগরিককে মুক্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন মোদি।

অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে তৎপরতা শুরু করেছে ভারত। যদিও মিয়ানমারের শাসক দল শুরু থেকেই শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার প্রশ্নে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছে।

ব্রিক‌স সম্মেলন শেষে গতকালই মিয়ানমারে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাতেই মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি হিতিন কাওয়াইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বহুদিন ধরে চলমান সংঘর্ষ-সহিংসতা সঙ্কট সমাধানে ২০১৬ সালের আগস্টে গঠিত হয় অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেট। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে ওই কমিশন এক বছরের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চির কাছে জমা দেয় চলতি বছরের ২৪ আগস্ট।

৬৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে ত্রিশটি পুলিশ ও সেনাচৌকিতে রহস্যজনক হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্য। তারপরই হামলার জন্য রোহিঙ্গা ‘জঙ্গি’দের দায়ী করে জবাব হিসেবে সেনাবাহিনী পুরো অঞ্চলে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর ওই হামলায় এখনও পর্যন্ত ৪শ’র বেশি মারা গেছে, আর প্রাণভয়ে লাখো মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বাংলাদেশে। নৌপথে পালিয়ে আসার পথে নৌকাডুবিতে মারা গেছে আরও অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন না করার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এই হত্যাকাণ্ড শুরু করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ ‘আত্মঘাতী’র মৃতদেহ উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের তল্লাশি অভিযানে সাত ‘আত্মঘাতী’র মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পঞ্চম তলার ওই বাড়িতে বুধবার সকাল থেকে র‌্যাব ও ফায়ার সার্ভিস তল্লাশি চালায়। প্রথম তল্লাশিতে তারা তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে একই তলা থেকে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার হয়।

তিনি বলেন, শরীরের বিভিন্ন অংশ আলাদা হয়ে যাওয়ায় তাদের সনাক্ত করা যায়নি। ডিএনএ টেস্ট করে পরিচয় জানানো হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আত্মঘাতীরা জঙ্গি আব্দুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান ও দুই সহযোগী।

আগামীকাল পর্যন্ত ওই বাড়িতে তল্লাশি চলবে বলে জানান র‌্যাবের মহাপরিচালক।

র‍্যাব-৪-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল আউয়াল জানান, জঙ্গি আব্দুল্লাহর গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায়। তার বাবা ইউসুফ আলী অনেক আগেই মারা গেছেন। ওই আস্তানায় আবদুল্লাহর সঙ্গে তার দুই স্ত্রী ফাতেমা ও নাসরিন ছিল। ছিল দুই শিশু ওসামা ও ওমর। সঙ্গে আবদুল্লাহর দুই সহযোগীও ছিল।

এর আগে ২৪ ঘণ্টার চেষ্টায়ও জঙ্গিদের আত্মসমর্পন করানো যায়নি বলে জানায় র‌্যাব। তাই দফায় দফায় বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির পর র‌্যাব অভিযান মঙ্গলবার রাত পৌণে ১২টায় স্থগিত করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার রাত পৌণে ১০টার দিকে তিন থেকে চারটি ভারী বিস্ফোরণের শব্দ হয়। বিস্ফোরণের শব্দের পরপরই পাল্টা গুলি ছুঁড়তে শুরু করে র‌্যাব। থেমে থেমে চলে র‌্যাবের গুলি। তার আগে জঙ্গি আব্দুল্লাহ দুই স্ত্রী-ছেলেসহ আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্তের কথা জারিয়েছিল।

অভিযান চলাকালে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সরিয়ে নেয়া হয় ভবনের ২৪টি ফ্ল্যাটের ২৩টির ৬৫ জন বাসিন্দাকে। তাদেরকে স্থানীয় একটি স্কুলে রাখা হয়েছে।

টাঙ্গাইল অভিযানে আটক জঙ্গিদের তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানার কাছাকাছি বর্ধনবাড়ি এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। র‌্যাব সদস্যরা ৬ তলা ভবনটি ঘিরে রাখে। সেখানে জঙ্গি আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে তখন প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয় এলিট ফোর্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest