সর্বশেষ সংবাদ-
ব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দবিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার

সাতক্ষীরায় জাতীয় সংগীতকে বেদাত বলা মৌলভী তাহের আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় সংগীতকে বেদাত ঘোষণা করা সাতক্ষীলা সদর উপজেলার বাঁশদহা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী দাখিল মাদ্রাসার মৌলভী আবু তাহের জিয়াউদ্দীন মোঃ ইউসুফকে গ্রেফতার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ। রবিবার দুপুর ১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের রুপালী ব্যাংকের নিকট হতে তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক বোরহান মিয়া। মৌলভী আবু তাহেরের গ্রামের বাড়ি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল বারী ওয়াদুদী।
বাঁশদহা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রিয়াজুল ইসলাম বলেন, মৌলভী আবু তাহের ২০১০ সালে মাদ্রাসায় যোগদানের পর থেকে স্বেচ্ছাচারিতা শুরু করে। সে নিজে যেটা ভাল বুঝতো সেটাই করতো। ২০১৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার দৈনিক সমাবেশে মৌলভী আবু তাহেরকে জাতীয় সংগীত গাইতে বলা হলে তিনি জাতীয় সংগীত না গেয়ে বলেন, আমি জামায়াত করি, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেই, জাতীয় সংগীত গাওয়া বেদাত সুতরাং আমি জাতীয় সংগীত গাইতে পারবো না।
একপর্যায়ে এ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক/কর্মচারী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর তিনি মাদরাসা হতে চলে যান। গত দুই বছর ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তাকে মাদরাসায় হাজীর হওয়ার জন্য একাধিকবার নোটিশ করা হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর চূড়ান্ত কারণ দর্শনোসহ মাদরাসায় হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি হাজির হননি। ফলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট সাতক্ষীরার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় নিখোঁজের একটি আবেদন করেন। এছাড়াও ২০১৫ সালের ১৬ জানুয়ারী তারিখে দৈনিক খবরপত্র, ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারী তারিখে দৈনিক কাফেলা, ২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট তারিখে দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় মাদরাসা শিক্ষক নিখোঁজ শিরোনামে বিঞ্জপ্তি প্রকাশ করে। নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি কয়েকটি প্রত্রিকার সম্পাদকের নামে মামলা করেন। এরপর ২০১৬ সালের ০২ নভেম্বর তারিখে দৈনিক জনকণ্ঠে’ রাজাকার পুত্র ইউসুফের খুঁটির জোর কোথায়’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করে। সেখানে ১৯৭১ সালে তাহেরের পিতা রাজাকার আব্দুল বারীর কাহিনি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। মাদ্রাসায় যোগদানের পর হতে আবু তাহেরের চলাফেরা সন্দেহজনক ছিল। তার ১৫/১৬ টির মত মোবাইলের সিম আছে। তাছাড়াও তিনি মাদরাসায় থাকাকালীন সময়ে জামায়াতের রাজনীতি করতেন। এছাড়া তার কাছে জমায়াত, বিএনপি, আওয়ামীলীগসহ কয়েকটি দলের প্রত্যয়ন পত্র থাকতো। এতো অপকর্ম সত্ত্বেও আবু তাহের বাঁশদহা মাদরাসার শিক্ষক/কর্মচারী ও ম্যানেজিং কমিটির নামে একাধিক মামলা করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ বলেন, মৌলভী আবু তাহের সি,আর-৬৮৬/১৩ মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক বোরহান মিয়া সাতক্ষীরার রুপালী ব্যাংকের নিকট হতে তাকে গ্রেফতার করেন। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাবনূরের ডিভোর্স গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন স্বামী

অভিনয় ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন এক সময়ের তোলপাড় ফেলে দেয়া ঢাকাই ছবির চিত্রনায়িকা শাবনূর। সেখানেই সন্তান হয় তার। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া থাকলেও বেশ কয়েক মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি। মিশছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষদের সঙ্গেই। আর এই কারণেই মিডিয়ায় গুঞ্জন ওঠছে, তাহলে কি ডিভোর্সের পথে শাবনূর?

তবে এ বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করলেন অনিক। তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে নিয়ে এ গুঞ্জন নতুন নয়। গত দু’বছর ধরে এটা শুনে আসছি। এ ব্যাপারে আমার বা শাবনূরের কোনো মাথা ব্যথা নেই। এটা ভিত্তিহীন গুজব।’

অনিক বলেন, ‘এটা ঠিক আছে আমরা দু’জন একসাথে মিডিয়ার সামনে খুব কমই আসি। কিন্তু একসাথে পারিবারিক নানা অনুষ্ঠানে অংশ নিই। এটা আমাদের বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। এছাড়া আমাকে ব্যবসার কাজে প্রায়ই দেশের বাইরে থাকতে হয়। এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত আমি দেশের বাইরে ছিলাম। অন্যদিকে শাবনূরকেও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয়। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে পুত্র সন্তানের মা হন শাবনূর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আম পাতার ঔষধি গুনাগুণ

আম পাতায় প্রচুর ভিটামিন, এনজাইম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকে। আম পাতায় মেঞ্জিফিরিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে যার অপরিমেয় স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। কচি আমের পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি পান করা বা পাতা গুরু করে খাওয়া যায়। আম পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন-

১। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ আমপাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগে। এতে ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা ডায়াবেটিস নিরাময়ে খুব কার্যকরী। আমপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখতে পারেন। গরম পানিতে সেদ্ধ করে চায়ের মতো পান করতে পারেন অথবা তাজা পাতা পানিতে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে এ পানি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে কচি আমপাতা।

২। উচ্চ রক্তচাপ দূর করেঃ আম পাতায় হাইপোট্যান্সিভ উপাদান আছে, যা উচ্চ রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে।

৩। শ্বাসকষ্ট দূর করেঃ যারা ঠান্ডা, হাঁপানি ও অ্যাজমা ইত্যাদি রোগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য আমপাতা দারুণ উপকারী। আমপাতা পানিতে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে মধু যুক্ত করে খেলে কাশি দূর হয়।

৪। স্ট্রেস কমায়ঃ যারা অস্থির ও উদ্বিগ্ন অনুভব করেন তারা এর থেকে মুক্তি পেতে পান করতে পারেন আম পাতার চা। ২/৩ কাপ আম পাতার চা পান করে দেখুন পার্থক্য বুঝতে পারবেন। এটি আপনার স্নায়ু তন্ত্রকে শিথিল হতে সাহায্য করবে এবং আপনি সতেজ অনুভব করবেন।

৫। আঁচিল দূর করেঃ আঁচিল নিরাময়ে পরিপক্ক আম পাতা পুড়িয়ে কালো করে গুঁড়া করে নিন। সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করে আঁচিলের উপরে লাগালে আঁচিল দূর হবে। আঘাত প্রাপ্ত স্থানে রক্ত বন্ধ করার জন্যও এই পেস্ট ব্যবহার করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ -এমপি রবি

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা রাশিদা স্কুল এ্যান্ড কলেজে অভিভাবক, সুধী সমাবেশ ও ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে মুন্সিপাড়াস্থ রাশিদা স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শামসুজ্জামান বাবলু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘শিশু ও অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত মতবিনিময় সভা এবং অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীসৃষ্ট অনেক সমস্যা নিরসন সহজ হবে; দূর হবে বহুমুখী সামাজিক সমস্যাও। আর স্কুলের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই সঠিক পথে পরিচালনা করাও সম্ভব হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী দিনে এ বিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকীম, জেলা যুবলীগ নেতা মীর মহি আলম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মো. রবিউল ইসলাম, শেখ আমিনুর রহমান, জি.এম আব্দুল্লাহ আসাদ, মো. মোস্তফা কামাল, মো. কামরুল কবির চৌধুরী, রাশিদা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ দেববিন্দু ঘোষ বাপী, শিক্ষক সত্যজিৎ মিস্ত্রি, রাকিব হাসান, হিরক ম-ল, ফাতেমা খাতুন, সেলিনা ইসলাম সেলী, হোসনেয়ারা সুলতানা পাখি, লিপি মনি, হোসনেয়ারা খাতুন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাশিদা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ দেববিন্দু ঘোষ বাপী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিপন্ন হয়ে পড়ছে সুন্দবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার

আসাদুজ্জামান : এক সময় দেশের প্রায় সব বনেই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণ ছিল। দৃষ্টি নন্দন ও ভিন্নধর্মী দৈহিক গঠনের জন্য এরা ছিল সবার আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে। কিন্তু আমাদের এই গর্বের প্রতীক জাতীয় প্রাণীটি এখন সুন্দরবনে অল্প সংখ্যায় টিকে আছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের মার্চে মাসের গণনা শুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১০৬টি।
বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, সুন্দরবনে ১৯৮২ সালে বাঘের সংখ্যা ছিল ৪৫৩টি, ২০০৪ সালে ৪৪০টি। আর সর্বশেষ গণণায় বাঘের সংখ্যা এসে দাড়িয়েছে মাত্র ১০৬টি।

আর এর কারণ হিসেবে বলা হয়, বাঘের আশ্রয়স্থলে হস্তক্ষেপ, চোরা শিকারীদের উপদ্রপ, খাদ্যের অভাব এবং খাদ্য শৃঙ্খলে প্রভাব, বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব, সর্বোপরি বাঘের প্রতি জীঘাংসা পরায়ন মনোভাব এবং বনবিভাগের গুরুত্বহীনতায় অনিন্দ্যসুন্দর হিংস্র এই প্রাণীটি বিপন্ন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা জনিত বৈরী প্রভাব এই সমস্যাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। তাই বনের প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এই প্রাণীটি এখন মহা বিপন্ন। দিন দিন কমে যাচ্ছে বাঘের এই সংখ্যা। তাই বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বাঘ সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরিতে প্রতি বছর ২৯শে জুলাই পালিত হয় আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস।
তবে গত ৩৭ বছরে চোরা শিকারী ও বনদস্যুদের হামলা, গ্রামবাসীর পিটুনি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে সুন্দরবনের ৭০টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বাঘের হামলায় প্রাণ হারিয়েছে দুই শতাধিক মানুষ।

বাঘ বিধবাদের পূর্ণবাসনে কাজে নিয়োজিত সুন্দরবন উপকুলীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স এর নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মন্ডল জানান, সুন্দবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাঘ কমে যাওয়ার অন্যতম কারন হলো বাঘ শিকারের পর হত্যা করে এর চামড়া, দাত, হড়সহ বিভিন্ন অঙ্গ পাচার করা। তিনি এ জন্য সুন্দবনের চোরা শিকারী ও বনদস্যুদের দায়ী করে বলেন, একটি বাঘের চামড়াসহ তার বিভিন্ন অঙ্গ পাচার করে তারা তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পান। অথচ একজন জেলে অপহরন করে তারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পান। তিনি সুন্দবনে বাঘ কমে যাওয়ার বিষয়ে আরো বলেন, বাঘের সংখ্যা নির্ণয়ে পূর্বে যে সমস্ত জরিপ করা হয়েছে তা থেকে বর্তমান বাঘের যে সংখ্যা দেখানো তা নিয়ে একটু ভেবে দেখা উচিত। তিনি আগের ওই জরিপ সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (অতিরিক্ত দায়িত্বে) শোয়েব খান জানান, ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে বাঘ সার্ভের মাঠ পর্যায়ের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে, বাঘের সঠিক সংখ্যা নিরুপণ করা এখনও সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান।
বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) মদিনুল আহসান জানান, সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে বাঘ সার্ভের মাঠ পর্যায়ের কাজ চলতি বছরের মে মাসে শেষ হয়েছে। আট শতাধিক ক্যামেরায় তোলা ছবি পর্যালোচনা করে বাঘের ঘনত্ব নিরুপণের কাজ শেষ হলেও বাঘের সঠিক সংখ্যা নিরুপণ করা এখনও সম্ভব হয়নি। সমস্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাসের মধ্যে বাঘের সঠিক সংখ্যাটি জানানো যাবে বলে তিনি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্কুল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া রোধে মিড ডে মিল চালু

আসাদুজ্জামান : স্কুল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া রোধে সাতক্ষীরায় মিড ডে মিল কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে শহরের দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এর উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহজ মোঃ নজরুলইসলাম। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্জ সালেহা ইসলাম, স্কুল পরিচালনা কমটির সদস্য অনামী কৃষ্ণ মন্ডল, রমজান আলী, প্রধান শিক্ষিকা মাছুরা খাতুন, সহকারী শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াছমিন, শামিমা খাতুন, নাহিদ সুলতানা, নাহিদা আক্তার, প্রমুখ।
প্রধান অতিথি এ সময় বলেন, স্কুল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করতে এবং ঝরে পড়া রোধ করার জন্য তার নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিদিন দুপুরে শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে এই মিড ডে মিল কর্মসূচির আওতায় খিচুড়ি বিতরণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি প্রতিবন্ধী স্কুল পরিদর্শন করলেন এমপি রবি

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি প্রতিবন্ধী স্কুল পরিদর্শন করলেন এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর নিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
রোববার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন স্কুল ভবনে প্রতিবন্ধী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে কিছু সময় ব্যয় করেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো ভালবাসা দিয়ে শিক্ষা দিতে হবে। প্রতিবন্ধীরা এখন সমাজের বোঝা নয়। তাদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে তারাও দেশের সম্পদ হিসেবে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের সুবর্ণ নাগরিক পরিচয় পত্র দিয়েছেন। এসময় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে নাস্তা তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি প্রতিবন্ধী স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ¦ ডা. আবুল কালাম বাবলা, সদস্য মকসুমুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ফারজানা নাহিদ নিগার রুনা, সহকারী শিক্ষক হাবিবুল্লাহ হাবিব, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাইফুর রহমান, হামিদা খাতুন, ফারজানা সুলতানা, রাজমিতা মন্ডল, অফিস সহকারী মো. কামরুজ্জামান ও এম.এল.এস.এস ইশারাত আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সুন্দরতম দেশ স্কটল্যান্ড!

পৃথিবীর সুন্দরতম দেশ কোনটি? আপনার মাথায় প্রথমেই আসতে পারে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, নিউজিল্যান্ড বা নরওয়ে। তাহলে আপনার ধারণা ভুল।
বিশ্বের সুন্দরতম দেশটির নাম স্কটল্যান্ড।

বিভিন্ন উৎসবে যাঁরা বিদেশ ভ্রমণের কথা ভাবেন, তাঁরা একবার ভেবে দেখতেই পারেন। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পত্রিকা রাফ গাইড সম্প্রতি একটি ভোটের ব্যবস্থা করে। বিশ্বের সুন্দরতম দেশের একটি তালিকা তৈরি করে তারা। তাতে ২০টি দেশ, যেখানে পর্যটকরা সবচেয়ে বেশি যান, সেই দেশগুলিকে রাখা হয়। দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে প্রথমে স্কটল্যান্ড।

আবহাওয়া, সাইট সিন, রাস্তা, পর্যটন ব্যবস্থা, সভ্যতা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিলাসিতা সব কিছুকেই রাখা হয়েছিল বিচার্য বিষয়ে। বিচার্য সব বিষয়েই একের তকমা পেয়েছে গ্রেট ব্রিটেনের এই দেশ। ৭ নম্বরে রয়েছে ইংল্যান্ড। পিছনে ফেলে দিয়েছে ফিনল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইজারল্যান্ডের পর্যটকরা বলছেন, স্কটল্যান্ডে বেশির ভাগ দেখার জিনিসই তাদের নিজস্ব, প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি। কোনও কৃত্রিমতা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest