আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্পেনের শহর বার্সেলোনার একটি পর্যটনকেন্দ্রে পথচারীদের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত ও অসংখ্য পথচারী আহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, এটা ‘সম্ভবত সন্ত্রাসী হামলা’।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বার্সেলোনার পর্যটনকেন্দ্র লাস রাম্বলাসে পথচারীদের ভিড়ের মধ্যে একটি ভ্যান চালিয়ে দেওয়া হয়। এতেই ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাতালান পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেন, এটা সম্ভবত সন্ত্রাসী হামলা। তবে এই হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। ওই এলাকা থেকে সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাটি নিরাপত্তা কর্মীরা ঘিরে রেখেছেন। সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে অন্তত আটটি অ্যাম্বুলেন্স দেখা গেছে। আপাতত ওই এলাকায় কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার সময় একটি দোকানের কাছে লুকিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সে সময় বন্দুকের গুলির শব্দও পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় একটি ভ্যান ঘণ্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার বেগে এসে পথচারীদের ওপর উঠিয়ে দেয়। কোনো সন্দেহ নেই যে এটা একটি ইচ্ছাকৃত ঘটনা।

মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের অংশগ্রহণ : ইমারত নির্মাণ টাইলস মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সন্ত্রাস বিরোধী দিবসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি সারা শহর প্রদক্ষিণ করে এবং পাকাপোল সড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি রবিউল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এড ফাহিমুল হক কিসলু। বিশেষ অতিথি হিসাবে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য শিক্ষক স্বপন কুমার শীল। বক্তব্য রাখেন, হাকিম সরদার, সুজন গাজী, লোকমান, নাজির উদ্দীন, জিয়া, মনিরুল, গোলাম রসুল, ওজিয়ার, জামাল, শেখ বাবু, মুন্নাসহ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৭ আগস্ট ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সংগ্রামি সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন কে সন্ত্রাসী কর্তৃক হত্যার চেষ্টা করা হয়। সন্ত্রাসী এখনও বিচার হয়নি। সন্ত্রাসীদের খুজে বের করে বিচার করতে হবে। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে। এছাড়া বক্তারা আরও বলেন, আলীপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বর রফিকুল ইসলাম কর্তৃক ষড়যন্ত্রমূলকভাবে টাইলস মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল ইসলামকে পুলিশ কে দিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করানো হয়েছে। ইতোপূর্বে মেম্বর রফিকুল টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক মনিরুল, জিয়াদ, শিক্ষক জাহিদ হাসানকে জামায়াত বানিয়ে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিল। মেম্বর রফিকুল ইসলামের গ্রেফতার এবং শ্রমিক আক্তারুলকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু।
