সর্বশেষ সংবাদ-
৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরা

গোলমরিচকে বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যসম্মত মসলা হিসেবে মনে করা হয়। এর আছে নানা ঔষধি গুণাগুণ। গোলমরিচ হল সব থেকে উপকারী মশলা। এটি ডায়রিয়া, হার্টের অসুখ থেকে শুরু করে দাঁতের অসুখ অ্যানিমিয়া এমনকি সর্দি কাশিতেও বেশ কাজ দেয়।

খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম গোলমরিচে আছে প্রোটিন ১১.৫ গ্রাম, ফ্যাট ৬.৮ গ্রাম, শর্করা ৮৯.২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৬০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৯৮ মিলিগ্রাম, আয়রন ১৬.৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ১৮০০ আইইউ, ভিটামিন বি১ ০.০৯ মি.গ্রা, ভিটামিন বি২ ০১.৪ মি.গ্রা. ও নিয়াসিন ১.৪ মিলিগ্রাম।

আসুন জেনে নেওয়া যাক গোলমরিচের উপকারিতাগুলো সম্পর্কে-

১। গোলমরিচ মসলা ও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পিপারিন নামের রাসায়নিক উপাদানের কারণে এটি ঝাল ঝাল হয়। এই মসলা আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, জিংক, ক্রোমিয়াম, ভিটামিন এ ও সি এবং অন্যান্য উপাদানে ভরপুর।

২। ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতেও কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়া করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে। এছাড়া পিগমেন্টেশন ও অ্যাকনে দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ।

৩। গোলমরিচের বাইরের আবরণ দেহের চর্বিজাতীয় কোষ ভাঙতে সাহায্য করে। তাই ওজন কমানোর চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। শরীর থেকে ফ্রি রেডিক্যালস বের করে দিতে সাহায্য করে। ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে তা প্রতিরোধ করে। প্রচুর আন্টিঅক্সিডেন্ট আছে গোলমরিচে, যা উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। শুধু তা-ই নয়, মরিচের ঝাল কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৪। গোলমরিচের মধ্যে পিপারিন নামক উপাদান থাকে, সেই জন্যই এটি ঝাঁঝালো স্বাদের হয়। এটি হজমে দারুন ভাবে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে দিয়ে খাবার হজমে সাহায্য করে। আর ঠিক ভাবে খাবার হজম হলে ডায়রিয়ার মত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৫। গোলমরিচকে দারুণ প্রদাহনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গোলমরিচ খেলে শরীরের সব দিকে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। তার ফলে ব্যাথা কমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডাবের ভেতরের স্বচ্ছ ও সুপেয় পানি নিয়ে আমাদের কৌতুহলের শেষে নেই। ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে, পানিশূন্যতা প্রতিরোধে এবং শক্তির উৎস হিসেবে কচি ডাবের পানি ভীষণ জনপ্রিয়। আসুন জেনে নেই ডাবের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণঃ
ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে স্বাভাবিক রাখে।

২। ওজন হ্রাস করেঃ
ডাবের পানিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভাল ভাবে হজম হয়ে যায় যে বদ হজম হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগ পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।

৩। দাঁত ভাল রাখেঃ
ডাবের পানিতে খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতিও উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁতের মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে।

৪। ত্বক সুন্দর করেঃ
ক্রিম, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, লোশন ইত্যাদি তৈরিতে নারকেলের পানির ব্যবহার থেকেই বোঝা যায় ত্বক সুন্দর করতে বা রাখতে এটা কতখানি কার্যকরী। ব্রণ, মেছতা বা ত্বকের অন্য কোনো দাগ দূর করে মুখ উজ্জ্বল করতে এটি সাহায্য করে।

৫। মাথা যন্ত্রণা দূর করেঃ
ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মত ঘটনা ঘটলে যতদ্রুত সম্ভব এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নিলে নিমেষেই কষ্ট কমে যাবে। ডাবে থাকা ম্যাগনেসিয়াম এই ধরণের শারীরিক সমস্যার উপশমে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

৩০ জন জীবন্ত মানুষকে খুন করে কেটে খেয়েছে তারা। খাওয়ার আগে মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি-ও তোলে এরা। এই পরিবারের সবাই মানুষ খায়। এই নরখাদক পরিবারটির বক্তব্য শুনলে শরীর শীতল হয়ে যায়।

রাশিয়ার ওই পরিবারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮টি দেহাংশ। ঘটনার আকস্মিকতায় বাকরূদ্ধ পুলিশও। ক্যালিবাল দম্পতিকে জেরায় উঠে আসছে চমকে দেওয়া তথ্য।

দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদারের বাসিন্দা ৩৫ বছরের দিমিত্রি বাকসিভ এই কীর্তি শুরু করেছে ১৯৯৯ সাল থেকে। তারা পুলিশি জেরায় স্বীকার করেছে, সম্প্রতি তারা এক ব্যক্তিকে মেরে খেয়েছে। নাতালিয়া নামে ৪২ বছর বয়সি এক নার্স খাওয়ার চেষ্টা করেছিল।

যদিও আরেকটি সূত্র বলছে, নাতালিয়া দিমিত্রির স্ত্রী। তাদের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া গিয়েছে কীভাবে মানুষ খেতে হয়, তার ভিডিও।

দিমিত্রি পুলিশকে জেরায় বলেছে, সে ও তার স্ত্রী এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে খেয়েছে। যদিও নাতালিয়ার মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে কিছু অস্বাভাবিক পাননি চিকিত্‍‌সকরা। দিমিত্রি ও তার স্ত্রী মানুষ মেরে মাংস কেটে ফ্রিজে রেখে দিত। ফ্রিজ খুলে পাওয়া গিয়েছে বরফ জমাট ৭টি দেহাংশ। এছাড়া কিছু জারে পাওয়া গিয়েছে মাংসের টুকরো। ১৯টি মানব-চামড়া পাওয়া গিয়েছে।

সম্প্রতি ক্রাসনোদার শহরে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। সেই ফোনে একটি সেলফি-তে দেখা যায়, একটি মৃতদেহের সঙ্গে দিমিত্রির সেলফি। তারপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, কাস্তে ও হাতুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে দিমিত্রি। তার সামনে পড়ে রয়েছে এক মহিলার মুন্ডু। সামনে আসে হাড়হিম করা ঘটনা। প্রথমে উদ্ধার হয় একটি মহিলার দেহাংশ। জানা গিয়েছে, দিমিত্রি মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে চাকরি করে।

দিমিত্রির অফিসের কয়েকজন কর্মী জানিয়েছে, যখনই তারা দিমিত্রির বাড়িতে ঢুকতে চাইতেন, তখনই নাতালিয়া চিত্‍‌কার, অশান্তি করে তাদের বাধা দিত। এই ঘটনাটিতে তোলপাড় তামাম রাশিয়া। রাশিয়ার অপরাধের ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লা লিগায় বেশ দুর্দশাই চলছে রিয়াল মাদ্রিদের। শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়ে নতুন মৌসুম শুরুর পর প্রথম ছয়টি ম্যাচে রিয়াল জয় পেয়েছে মাত্র তিনটিতে। দুটিতে ড্র আর একটি ম্যাচে হারের স্বাদ নিয়ে এখন পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে আছে গতবারের শিরোপাজয়ীরা। তবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েই চলেছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে নকআউট পর্বের পথে অনেকখানি এগিয়ে গেছে রিয়াল। জোড়া গোল করে আরো একবার রিয়ালের জয়ের নায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

মঙ্গলবার বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে রোনালদো খেলেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ১৫০তম ম্যাচ। মাইলফলকগড়া এই ম্যাচটি তিনি স্মরণীয়ও করে রেখেছেন জোড়া গোল করে। শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ পেয়েছে ৩-১ গোলের সহজ জয়। বরুশিয়ার বিপক্ষে এই জয়ের পর দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রিয়ালই আছে ‘এইচ’ গ্রুপের শীর্ষস্থানে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা টটেনহামের সংগ্রহও ৬ পয়েন্ট। প্রথম দুটি ম্যাচের দুটিতেই হারের স্বাদ পেয়েছে গ্রুপের বাকি দুটি দল বরুশিয়া ও অ্যাপোয়েল।

বরুশিয়ার বিপক্ষে ১৮ মিনিটের মাথায় রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে প্রথম গোলটি অবশ্য করেছিলেন গ্যারেথ বেল। রিয়ালের প্রথমার্ধও শেষ হয়েছিল ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৯ মিনিটে রোনালদো আরেকবার বল জড়িয়েছিলেন বরুশিয়ার জালে। ৫৪ মিনিটে একটি গোল শোধ করেছিলেন বরুশিয়ার স্ট্রাইকার পিয়েরে এমরিকে আবামেয়াং। তবে ৭৯ মিনিটে আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে দেন রোনালদো। করেন রিয়ালের পক্ষে তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি।

চ্যাম্পিয়নস লিগের এই ভালো নৈপুণ্যের ধারাবাহিকতা লা লিগায়ও অব্যাহত থাকুক, এমনটাই চাইবেন রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকরা। আগামী রোববার লা লিগার ম্যাচে রিয়ালকে খেলতে হবে এসপানিওলের বিপক্ষে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিখোঁজ জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি পৌরসভার আওয়ামী লীগের মেয়র রুকুনুজ্জামানকে হাত-পা বাধা অবস্থায় শ্রীমঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

এর আগে গত সোমবার এ ব্যাপারে মেয়রের পরিবারের তরফ থেকে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের গাউসুল আজম রোডের বাসা থেকে বের হন মেয়র (৪২)। দুপুর থেকেই তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। এ ব্যাপারে সোমবার রাত নয়টার দিকে মেয়রের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম টুকন উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নম্বর -১৬১১, তারিখ ২৫-০৯-২০১৭ইং। জিডিটি তদন্ত করছেন উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি আলী হোসেন খান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মেয়রের দুই স্ত্রী রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রথম স্ত্রী সরিষাবাড়িতে বসবাস করেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী উত্তরায় বসবাস করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর উত্তরার বাসা থেকেই বেরিয়েই মেয়র নিখোঁজ হন। দুই স্ত্রী থাকায় পারিবারিক অশান্তির সূত্রধরে নিখোঁজের ঘটনাটি ঘটতে পারে। ঘনাটি রহস্যজনক।

তবে বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাকে শ্রীমঙ্গল থেকে হাত-পা বাধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। তিনি কিভাবে সেখানে গেলেন সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায় নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

থাইল্যান্ডের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে চালের ভর্তুকি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। স্থানীয় সময় বুধবার ইংলাকের অনুপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এর আগে এই মামলার শুনানিতে অংশ নিতে ২৫ আগস্ট আদালতে হাজিরার দিন নির্ধারিত ছিল ইংলাকের। সেদিন আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হয়েছিল তার শত শত সমর্থক। কিন্তু সেদিন তিনি শেষ পর্যন্ত আদালতে হাজির হননি।

পরে জানা যায়, তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে ইংলাকের ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার একটি বাড়ি আছে। থাইল্যান্ড থেকে পালিয়ে সেখানে গেছেন ইংলাক।

২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসেন ইংলাক সিনাওয়াত্রা। তিনি চালে ভর্তুকির যে প্রকল্পটি নিয়েছিলেন, তাতে সমর্থন ছিল বিপুলসংখ্যক কৃষকের। তবে সেনাশাসিত সরকারের দাবি, এই প্রকল্পে অন্তত ৮ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতি হয়েছে। ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন ইংলাক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শরীরে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। ২৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৮টায় অস্ত্রপচার হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল কারিম।

এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে তিনি জানান,প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ পেটে ব্যথা অনুভব করলে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং গলব্লাডারে (পিত্তথলী) অস্ত্রপ্রচারের সিদ্ধান্ত নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা এবং ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন। অপারেশেনের একদিন পর প্রধানমন্ত্রী ‘প্যালেস অব রেসিডেন্ট’ এ ফিরে আসেন।

চিকিৎসকের পরার্মশ অনুযায়ী তিনি বিশ্রামে আছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। আগামী ৫ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জামালপুরের সরিষাবাড়ি পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জামান রুকনের কোনও সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের গাউসুল আজম রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। এ বিষয়ে সোমবার রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করার পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তার কোনও সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক জানান, নিখোঁজ মেয়রে সন্ধানে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেয়র রুকন নিখোঁজ হওয়ার পর সোমবার রাত ৯টার দিকে তার বড় ভাই সাইফুল ইসলাম টুকন উত্তরা পশ্চিম থানায় জিডি করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত তার কোনও হদিস পায়নি। নিখোঁজের কারণও জানতে পারেনি তারা।

পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘জামালপুরের সরিষাবাড়ির পৌরমেয়র রুকুনুজ্জামানের মোবাইল ফোনের কললিস্টও খতিয়ে দেখছি। তবে এখন পর্যন্ত তার নিখোঁজের কোনও কারণ বা সূত্র পাওয়া যায়নি। তাকে খুঁজে বের করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’

এদিকে, আমাদের জামালপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মেয়র রুকনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতারা। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পৌর ভবনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তারা মেয়রের সন্ধান না পেলে আন্দোলনে যাওয়ারও ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক গণি মিয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়রের ভাই সাইফুল ইসলাম টুকন সাংবাদিকদের জানান, সরিষাবাড়ীতে রাজনীতি, পৌর নির্বাচন ও নির্বাচনপরবর্তী বিভিন্ন ঘটনার কারণে তার ভাইয়ের অনেক শত্রু থাকতে পারে। তবে নিখোঁজের কারণ সম্পর্কে তিনিও কিছু ধারণা করতে পারছেন না। তিনি ভাইকে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়ার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest