শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও তাঁদের প্রতিবন্ধী সন্তানেরা বছরে দুটি উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা পাবেন। তবে আবার বিয়ে করলে কেউ কোনো ভাতা পাবেন না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ২০১৬ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর ধরা হবে।
এতে বলা হয়েছে, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা পাবেন আজীবন।
তবে বিপত্নীক স্বামী ভাতা পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত। তবে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী চাকরিজীবীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তি হতে যে সময় বাকি থাকবে, বিপত্নীক স্বামী শুধু সেই সময়টুকুর জন্যই ভাতা পাবেন।

বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী যদি আবার বিয়ে করেন, তাহলে এই ভাতাসুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে মাসিক নিট পেনশনের ভিত্তিতে। অর্থাৎ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে মাসিক যে পরিমাণ নিট পেনশন পেতেন, তার ভিত্তিতে।
শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো উৎসব ভাতা বা চিকিৎসা ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাঁদের পরবর্তী সময়ে প্রাপ্য ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি বাসভবনে নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে কর্মী নিয়োগের সুপারিশ করেছেন তারা। সেই সঙ্গে এমপিদের বাসভবনের অভ্যন্তরে স্টিকারবিহীন কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে না দেয়া এবং গাড়ি প্রবেশের সময় গেটে আন্ডার ভ্যাহিকেল সার্চের মাধ্যমে চেক করা অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, আজকের বৈঠকে অনেকগুলো সুপারিশ এসেছে। তার মধ্যে একটি হলো এমপিদের জন্য সরকারি বাসভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ। এসব ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

বৈঠক সূত্র জানায়, মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এমপি ভবনের লিফটগুলো দ্রুত পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে কমিটি। এছাড়া মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ার বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কামরা পরিচারক ও নিরাপত্তা প্রহরী শূন্য পদসমূহে দ্রুত জনবল নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নিমিত্তে বাসভবন এলাকায় রাতে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা, পারিবারিক অতিথি ব্যতীত অন্য দর্শণার্থীর যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, ভবনসমূহের ছাদ, অন্যান্য জায়গায় অবৈধ অবস্থানকারীদের তল্লাশি এবং অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুপারিশ করে কমিটি।

কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী, বেগম সাগুফতা ইয়াসমিন, পঞ্চানন বিশ্বাস, ফজলে হোসেন বাদশা, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. আসলামুল হক ও তালুকদার মো. ইউনুস বৈঠকে অংশ নেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় ৮০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে এসআই আমিনুল ইসলাম ও এএসআই নূর আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের তৈলকাড়া পাকা রাস্তার ডোঙ্গাঘাটা কালভাটের দক্ষিণ পার্শ্বে বটতলা হতে লাল রং-এর বস্তাভর্তি ৮০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। তবে এসময় কেউ আটক হয়নি।
এ ব্যাপারে থানায় চোরাচালান আইনে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান থানার ওসি বিপ্লব দেবনাথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলো উপজেলার মহৎপুর গ্রামের নিরোধ চক্রবর্তীর ছেলে সুব্রত চক্রবর্তী (২২), একই গ্রামের স্বপন চ্যাটার্জীর ছেলে সন্দ্বীপ চ্যাটার্জী (২৫) এবং দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (৪২)।
পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ৯ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক নেওয়াজ খানের নেতৃত্বে পুলিশ কালিগঞ্জ-রামনগর সড়কের গোবিন্দপুর সরকারি প্রাইমারী স্কুলের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহের ভিত্তিতে তিন সাইকেল আরোহী যুবকের দেহ তল্লাশী করে। এসময় তাদের নিকট থেকে ১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। এব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে যার মামলা নং-১০।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম বেলাল হোসাইন : সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকদের দুর্নীতির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ খবর মিথ্যা প্রমাণিত করতে বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিচ্ছেন সদর সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে দলিল লেখকদের হাতে জিম্মি হয়ে রয়েছে জমি বিক্রেতা ও ক্রেতারা। অফিস ম্যানেজ করার নাম করে সরকারি রাজস্ব ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে তারা হাতিয়ে নিতে থাকে লক্ষ লক্ষ টাকা।
এদিকে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক সমিতির হিসাবে গোজামিল, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সমিতির প্রচার সম্পাদক, অডিটর এবং অর্থ-সম্পাদক বুধবার সমিতির প্রধান উপদেষ্টা বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে। পদত্যাগপত্র জমাদানকারীরা হলেন প্রচার সম্পাদক শেখ আজাদ হোসেন (সনদ নং ০৩/১৭), অডিটর মোঃ রফিকুল ইসলাম (সনদ নং ১৩/০৯), এবং অর্থ সম্পাদ সাহাজান আলী (সনদ নং-৫৬/৮২)। উক্ত সমিতির সাধারণ সভায় হিসাব সংক্রান্ত জটিলতা ও অনিয়ম দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ ওঠে। বিগত দিনে এ সব জটিলতা নিয়ে বার বার প্রতিবাদ হলেও নেতৃবৃন্দ কোনো কর্নপাত করেননি বলে জানিয়েছেন তারা। এসব কারণে সমিতির আরও তিন কর্তা ব্যক্তি পদত্যাগ করবেন বলেন গোপন সংবাদে জানা গেছে। সমিতির কর্তাব্যক্তিরা সরাসরি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে বলে তাদের অভিযোগ। ফলে এক পর্যায়ে পদত্যাগকারীগণ হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। পদত্যাগকারীরা গত সাধারণ সভায় এসব বিষয়ে প্রতিবাদ জানালেও কোনো নিরসন হয়নি। অন্যায়ভাবে সমিতির নামে চাঁদাবাজি অধিক টাকার বিনিময়ে দলিল লেখাসহ বহু অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। কোনভাবে তাদের এসব প্রতিনিধিরা পদত্যাগের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে বলে তারা জানান।
উল্লেখ্য, সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অনিময় দুর্নীতির ঘটনায় গত ৯ অগাস্ট দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা ও সাতক্ষীরার জনপ্রিয়তম অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর নড়েচড়ে বসেন তারা। কিন্তু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুর্নীতির বিষয়টি বন্ধ করার জন্য কোন উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো তারা কোন দুর্নীতির সাথে জড়িত নন বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “দুর্নীতি হয়ে এমন কোন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। রিপোর্ট হচ্ছে। কিন্তু কিসের উপর ভিত্তি করে হচ্ছে সেটা আমার জানা নেই। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিসের দুর্নীতি সেটাইতো বুঝতে পারছি না। তবে যদি আমাদের সংগঠনের কোন ব্যক্তি দুর্নীতির সাথে জড়িত এমন প্রমাণ পেলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে ৩ জন পদত্যাগের বিষয়ে আমাদের কাছে এমন কোন তথ্য নেই বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ডেস্ক : কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে প্রদত্ত ভিজিএফ’র গম সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী না দিয়ে আত্মসাতের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি তদন্ত করেন। এসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ ইউনিটের কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, মথুরেশর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন, ইউপি সদস্যসহ ভুক্তভোগী এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। গত ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে দরিদ্রদের জন্য প্রেরিত গম পরিমাণে কম দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে মথুরেশপুর ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য সৈয়দ হেমায়েত আলী ছোট বাবু’র বিরুদ্ধে। তাৎক্ষণিক অভিযোগ পেয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমেদ মাছুম ঘটনাস্থলে যান। তিনি পাচারের সময় জনতার হাতে আটক এক বস্তা (ইনটেক) গম জব্দ করে ইউপি সচিবের জিম্মায় রেখে আসেন। দরিদ্র ব্যক্তিদের গম আত্মসাত ও গম পাচারের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডেপুটি কমান্ডার ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম দুদক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গত ৩ জুলাই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম সরেজমিন তদন্ত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাদক সেবিকে জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ-আল আসাদ মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে সাতক্ষীরা পলাশপোল গ্রামের মৃত সামালী শেখে পুত্র ট্রাক চালক ইয়াছিন আলী দুলালকে ১ হাজার ২ শত টাকা, একই গ্রামের নজরুল গাজী পুত্র রনি গাজীকে ৫ শত টাকা এবং বাঘেরহাট জেলার রামপাল থানার বারই পাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের পুত্র কোরবান আলীকে ১ হাজার ২ শত টাকা জরিমানা করে। জানা যায়, দেবহাটা থানার এসআই আব্দুল কাদের, আল-আমি, এএসআই শামিম, আমজাদ হোসেন, এমাদুল ইসলাম মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে পারুলিয়া ফুলবাড়ি ও কদবেলতলা এলাকা থেকে মাদক সেবন কালে তাদেরকে আটক করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক ড. জাহিদুল কবীর।
এছাড়াও বাংলাদেশে সঙ্গীত বিভাগের যে কয়জন অধ্যাপক রয়েছেন তাদের থেকে কম সময়ে অধ্যাপক হয়ে সারা দেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। অধ্যাপক ড. জাহিদুল কবীর লিটন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের প্রথম শিক্ষার্থী যিনি বাংলাদেশের কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষক। এছাড়া তিনি কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অধ্যাপক যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬ সালে প্রভাষক পদে যোগদান করে পদোন্নতি হয়ে অধ্যাপক হয়েছেন।
এছাড়া প্রফেসর ড. জাহিদুল কবীর লিটন কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, ড. লিটন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্যসেন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। তিনি ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
প্রফেসর ড. জাহিদুল কবীরের পদোন্নতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক সমিতি অভিনন্দন জানিয়েছেন।
খ্যতিমান এ শিক্ষকের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মাস্টার ওজিয়ার রহমান। কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজার শ্যালক তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest