সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “বিএনপি তাদের মুখের বিষ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ” শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা টোল প্লাজায় ‘টাচ অ্যান্ড গো’ সিস্টেমে টোল আদায়ের নতুন পদ্ধতির উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী একথা বলেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি একদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায়, অন্যদিকে নিজেরাই রাজনৈতিক পরিবেশটাকে বিষাক্ত করছে তাদের মুখের বিষ দিয়ে। ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য মুখের বিষের মতো; যা রাজনৈতিক পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ”

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপির নাকি পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ড নেই। অথচ বাংলাদেশের মানুষ জানে পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ড রাজনীতিতে এ দেশে কেবল বিএনপিরই। অন্য কোনো দলের নয়। ”

সেতুমন্ত্রী জানান ‘তাদের (বিএনপির) আরেক লিডার কয়েক বছর ধরে লন্ডনে আছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সাজানো গল্প বলছেন, কিন্তু আসল গল্পটা কি ভুলে গেলেন, সত্যটা কি ভুলে গেলেন? রাজনীতি করব না এই মুচলেকা দিয়ে কে সেদিন লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছিল? আজও ফিরে আসেনি। তো পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস কার?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাঁঠাল ফলটি বেশ রসালো আর মিষ্টি। তবে কাঁঠালের বিচিও সবজি হিসেবে বেশ সমাদৃত। মাছ-মাংসসহ অনেক তরকারিতে কাঁঠালের বিচির ব্যবহার খাবারের স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অনেকে কাঁঠালের বিচি ভেজে খান আবার অনেকে সেদ্ধ করে পেঁয়াজ মরিচ মাখিয়ে ভর্তা করেও খান। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এর রয়েছে অনেক গুণ।

পুষ্টিবিদরা গবেষণায় দেখিয়েছেন, কয়েক রকমের আলসারের বিরুদ্ধেও জোর লড়াই করার মতো শক্তি আছে কাঁঠাল বিচির। এছাড়া এটি শরীরের ম্যাজমেজে ভাব এবং হজমের গোলমাল তাড়াতে দারুণভাবে কার্যকর। কাঁঠালের বিচি তরকারির মধ্যে আলুর বিকল্প হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম বিচিতে পাওয়া যায় প্রায় ১৩৫ কিলো ক্যালরি। এটি কমপ্লেক্স কার্বো হাইড্রেটের একটি দারুণ উৎস। এছাড়া ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন এ, সি এবং কয়েক প্রকার ভিটামিন বি পাওয়া যায় কাঁঠাল বিচির মধ্যে। এর বাইরেও এটি আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাসও যোগান দিতে পারে।

কাঁঠালের বিচিতে আছে লিগনান্স, আইসোফ্লেভোনস এবং স্যাফোনিন্স। এদেরকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট বলা হয়ে থাকে। এগুলোর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অনেক। এদের আছে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা। এছাড়া দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারে এসব উপাদান। এগুলো আবার এন্টি অক্সিডেন্ট। ফলে শরীরের অনেক জটিল রোগের উপকারও করতে পারে কাঁঠালের বীজের মধ্যে প্রাপ্ত উপাদানগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একটি সভ্য সমাজের সুস্থ মানুষরা পরিবারের মৃত মানুষের দেহের সঙ্গে জীবনযাপন করছেন। এটাই নাকি তাঁদের সামাজিক রীতি! অবাক করা এই রীতি ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসির টোরাজা উপজাতির। মৃত্যু, জীবনের শেষ এখানেই। এটাই চরম সত্য। কিন্তু এই সত্যটিকেই মানেন না ইন্দিনেশিয়ার এই গ্রামের মানুষ। তাঁদের কথায়, ‘ওঁরা মারা যেতে পারে। কিন্তু তবুও ওঁরা আমাদের জীবনেরই অঙ্গ। ‘

প্রিয়জন মারা গেলে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেওয়া, অথবা কবর দেওয়া হয়। এটাই সাধারণ সমাজের রীতি। কিন্তু সুলাওয়েসির মানুষরা একটু আলাদারকমভাবে চিন্তা করেন। তাঁদের দাবি একজন মারা গেলেন মানেই তিনি আমাদের থেকে চিরদিনের মতো চলে গেলেন তা নয়। তাঁরা মনে করেন মৃতরা যতদিন তাঁর কাছের মানুষদের কাছে থাকবেন ততই ভালো, কারণ এই জগতের মায়া কাটাতে যেমন তাঁদের সময় লাগে। তেমনই এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে ইহজগতের মানুষেরও। পুড়িয়ে বা কবর দিয়ে দিলে সেই সময়টা পাওয়া যায় না।

এই সময়কে মানিয়ে নেওয়ার আজব রীতি চলে মাসের পর মাস ধরে। কিছুক্ষেত্রে এই প্রথা চলে বছরের পর বছর ধরে। মৃতদের দেহ একটি আলাদা ঘরে এনে রেখে দেন তাঁরা। তারপর নিয়ম করে প্রত্যেক দিন দু বেলা খেতে দেওয়া হয় মৃতদেহকে। টোরাজাদের দাবি, শুধু দেহ রেখে দিলেই হয় না। মৃতরা যখন তাঁদের সঙ্গে আছেন তখন ওদের সাধারণ দিনের মতোই খেতে পড়তে দিতে হবে। তাঁরা মনে করেন এই ব্যবস্থা না করলে আত্মারা রুষ্ট হতে পারেন। পরিবারের ক্ষতিও হতে পারে।

কিন্তু এর শেষ কোথায়? জানা গেছে, যতদিন না মৃতের পরিবার তাঁর শ্রাদ্ধ শান্তির জন্য বিশাল জমকালো অনুষ্ঠান করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ পয়সা জোগার করতে পারছে ততদিন চলবে এই মৃতের সঙ্গে প্রতিদিনের এই অদ্ভুত জীবনযাপন।

যা করা হয় সেই বিশেষ দিনে:
সেদিন মহাজাঁকজমকের সঙ্গে কফিনে করে বিদায় দেওয়া হয় প্রিয় মানুষটিকে। বলি দেওয়া হয় প্রচুর মোষ। কারণ টোরাজাদের বিশ্বাস মোষ তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে স্বর্গের পথে নিয়ে যাবে।

গল্পের এখানেই শেষ নয়। প্রত্যেক বছর মানেনে নামে এক অদ্ভুত উৎসব পালিত হয়। ওইদিন সমস্ত টোরাজাদের পরিবার তাঁদের পরিবারের মৃতদের দেহকে বের করে আনে। ইহ জগতের আলোয় তাঁদের ফের আনা হয়। তারপর কঙ্কাল সার দেহ সাজিয়ে গুজিয়ে ছবি তুলে ফের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কবরে। মৃতের ইহলোকের সঙ্গে দেখা আবার পরের বছরের উৎসবে। ১০০০-এরও বেশি বছর ধরে চলে আসা এই প্রথায় কোনও খামতি নেই। আছে বিশ্বাস, ভালোবাসা।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবারের কোরবানির ঈদে যে কয়েকটি ছবি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এরমধ্যে অন্যতম ‘অহংকার’। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘অহংকার’-এ শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। এটি এই জুটির তৃতীয় ছবি।

আজ শনিবার ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে ‘অহংকার’ ছবির গান ‘তুই যে আমার এই অন্তরে’।

সম্প্রতি সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া ‘অহংকার’ ছবিতে গান গেয়েছেন এস আই টুটুল, ন্যান্সি, ইমরান, মিমি ও লেমিস। আরও অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, সাদেক বাচ্চু, নাদিম, প্রয়াত মিজু আহমেদ, আবুল হায়াত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : নাগরিক সেবায় অসামান্য অবদান রাখায় সাতক্ষীরার সন্তান বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরগুনা জেলা প্রশাসন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেসবুকে বরগুনা জেলা প্রশাসন পরিচালিত ‘সিটিজেনস ভয়েস বরগুনা’ নামক গ্রুপে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুজ্জামান।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ জনকে আগামীকাল রোববার সকাল ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল একখণ্ড হীরা! বর্তমানে বাজারে এই হীরকখণ্ডের দাম প্রায় ১৮ লাখ টাকা। একেই বলে কপাল!
কখন যে কীভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে বলা মুশকিল। গল্প নয়, বাস্তবেই এমন এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড এলাকায়। সেখানে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ১৮ লাখ টাকা মূল্যের একখণ্ড হীরা পেয়েছেন রাজ্যের এক কৃষক।

হঠাৎ লাখোপতি বনে যাওয়া ওই কৃষকের নাম সুরেশ যাদব (৪০)। মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা হীরার টুকরাটির ওজন প্রায় ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট।

হঠাৎ লাখোপতি বনে যাওয়া ওই কৃষকের নাম সুরেশ যাদব (৪০)। মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা হীরার টুকরাটির ওজন প্রায় ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ডর পান্না এলাকায় ২৫০ টাকার বিনিময়ে প্রশাসনের কাছে থেকে জমি ইজারা নেয়ার বিধান রয়েছে। পান্নায় রয়েছে হীরার খনি। সেখানে গিয়ে নিজের ভাগ্য যাচাই করেন অনেকেই। জেলা প্রশাসনকে মাত্র ২৫০ টাকা দিয়ে ৮ মিটার জায়গা ইজারা নেয়া যায়। এই এলাকায় যেহেতু হীরার খনি আছে, তাই মাঝেমধ্যে মাটি খুঁড়ে হীরা পাওয়ার ঘটনাও এখানে শোনা যায়। তেমনটাই ঘটেছে সুরেশ যাদবের সঙ্গে।

চাষাবাস করে সংসার চালাতে পারছিলেন না সুরেশ। জমি ইজারা নিয়ে খুঁড়তে শুরু করেন ৪০ বছরের এই কৃষক। সকালে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করেন। বাসায় ফিরে রাতে জমি খোঁড়া শুরু করেন তিনি। এভাবেই চলছিল। হঠাৎ গত সপ্তাহে মাটি খুঁড়তে গিয়ে হাতে পেলেন এক টুকরা হীরা।

বুন্দেলখণ্ডের বাসিন্দা সুরেশ এই হীরকখণ্ডকে সাধারণ পাথর ভেবে ভুল করেননি। হীরা বিশষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান ওই খণ্ডটিকে। পরে বিশেষজ্ঞরা জানান, এটি হীরকখণ্ড। ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট ওজনের হীরার খণ্ডটির বাজারমূল্য ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, নিলামে তোলা হবে ওই হীরার টুকরাটি। যা দাম উঠবে তার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সরকারকে দিতে হবে। বাকিটা তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত ৫৮তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে উপমহা‌দে‌শের সেরা ফলাফল বাংলাদে‌শের। এবারের গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন ছয়জন খুদে গণিতবিদ।

এদের মধ্যে ‌রৌপ্যপদক পেয়েছেন আহমেদ জাওয়াদ চৌধুরী (ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম) ও আসিফ-ই-ইলাহী (এমসি কলেজ, সিলেট)। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন তামজিদ মোর্শেদ রুবাব (নটর ডেম কলেজ) ও রাহুল সাহা (ঢাকা কলেজ)। অনা‌রেবল মেনশন পেয়েছেন এ এম নাঈমুল ইসলাম (অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, বরিশাল) ও মো. সাব্বির রহমান (নটর‌ডেম ক‌লেজ)।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান জানান, সোনা হাতছাড়া করা এক অর্থে কষ্টকর। বিন্তু আমাদের ফলাফলে আমি অখুশী নই। আমি আমাদের বিডিএমও টিমকে নিয়ে গর্বিত। আমাদের টিমের প্রতিটি দলকে হারানো ও র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮ ধাপ উন্নতি নিশ্চয়ই অনেক মজার।

এদিকে উপমহাদেশের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। স‌ম্মিলিতভা‌বে বাংলাদেশের ২৬তম। এছাড়া অন্যান্য দেশগু‌লোর মধ্যে ভারতের অবস্থান-৫২তম, শ্রীলংকার-৬২তম, পা‌কিস্তানের-৮১তম ও নেপালের অবস্থান ১১০তম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্পের্টস ডেস্ক : আবারও দেশের দ্রুততম মানব-মানবী হলেন তাঁরা দুজন। দুজনই বিকেএসপির সাবেক অ্যাথলেট। আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১৩তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসে দ্রুততম মানব হয়েছেন মেজবাহ আহমেদ। দ্রুততম মানবীর নামটাও নতুন নয়—শিরিন আক্তার।
জাতীয় স্তরে মেজবাহর এটি টানা ষষ্ঠ শিরোপা। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমস দিয়ে এক শ মিটার স্প্রিন্টে তাঁর শুরু। তারপর তিনটি জাতীয় মিট ও দুটি সামার মিটে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলেন। এক শ মিটারে শিরিনের এটি টানা পঞ্চম শিরোপা। তিনটি জাতীয় মিট ও দুটি সামার মিটে নিজেকে সবার ওপরে রাখলেন শিরিন।
আজ হাতঘড়িতে মেজবাহর টাইমিং হয়েছে ১০.৮০ সেকেন্ড। কদিন আগে ভারতের ভুবনেশ্বরে এশিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ইলেকট্রনিকস বোর্ডে তাঁর টাইমিং ছিল ১০.৮৮। হাতঘড়িতে এর আগে সেরা টাইমিং করেছেন ১০.৭২। আগামী মাসের শুরুতে লন্ডনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে টাইমিংয়ে উন্নতির কথাই বললেন আজ, ‘বিশ্বাস করি ভালো সুযোগ-সুবিধা পেলে আমার পক্ষে আরও ভালো টাইমিং করা সম্ভব। লন্ডনে সেই চেষ্টাই করব।’
শিরিনও তাঁর সেরা টাইমিং করতে পারেননি আজ (১২.৩০)। যদিও ইলেকট্রনিকস বোর্ডে তাঁর ব্যক্তিগত সেরা ১১.৯৯, হাতঘড়িতে ১১.৮৪। এমন টাইমিং নিয়ে এসএ গেমসে সোনা জেতা দূরে থাক, মেয়েদের স্প্রিন্টে পদক জেতাই কঠিন। সেই স্বপ্ন অ্যাথলেটিকস অঙ্গনের কেউ আসলে দেখে না। তবে শিরিন দেখছেন, ‘ভালো প্রশিক্ষণ নিতে পারলে আগামী এসএ গেমসে সোনা জিততে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest