বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এখন শুধু বাংলাদেশেরই অভিনেত্রী নন। কলকাতার ছবিতে একের পর এক অভিনয় করে রীতিমতো দুই ভুবনের বাসিন্দা বনে গেছেন। শুধু তাই নয়, দুই বাংলায় এখন সমান জনপ্রিয় তিনি।সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকাকে খোলামেলা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জয়া। সাক্ষাৎকারে জয়া বলেন বিয়ে করতে চলেছেন তিনি। তবে জয়া তার বিয়ে নিয়ে রহস্য রেখেছেন। আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘কলকাতায় তো আর কাউকে পেলাম না। কী আর করা, এ দেশের গাছের সঙ্গে ভাবছি বিয়ে করে ফেলব।’অবশ্য জয়ার এই মজা করার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে ভারতের জাতীয় পুরস্কার হাতছাড়া হওয়ার শর্ত। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘বিসর্জন’ চলচ্চিত্র ডাবিংয়ে তার অভিনয় দেখে অনেকেই চমকে গিয়েছেন। কেউ কেউ তো বলছেন, পরের জাতীয় পুরস্কার তার বাঁধা। কিন্তু এই পুরস্কার তিনি পাবেন না দু’টো কারণে।এক, জয়া ভারতীয় নাগরিক নন। দুই, ছবিটা যদি দু’দেশের মধ্যে জয়েন্ট ভেঞ্চার হয়, তবেই সেই ছবির নায়ক-নায়িকা অন্য দেশের হলেও জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন। ‘বিসর্জন’ যেহেতু জয়েন্ট ভেঞ্চার নয়, তাই জয়া ভারতের জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না।আর এই আক্ষেপ থেকেই জয়া আহসান মজা করে বলেন, ‘কী আর! অন্য কাউকে তো পেলাম না। এ দেশের গাছের সঙ্গে ভাবছি বিয়ে করে নেব। তা হলে অন্তত আমি এলিজেবল হব। কী বলেন, আইডিয়াটা কেমন?’



নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্য দিনের মত গণসংযোগ না করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত কলারোয়ার সোনা বাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের গ্রেফতারের খবর শুনে গণসংযোগ বাতিল করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। রোববার সকালে তিনি ১ম জেলা আইনসৃঙ্খলা সভায় এ বিষয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এরপর কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের আয়োজনে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের মুক্তি ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রাথী ন্জরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারন করা একজন আওয়ামীলীগের সৈনিক। আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কনো মানুষের বিপদের কথা শুনে বিপদ উদ্ধার করা না পর্যন্ত স্থির থাকে না। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আর জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ মনোনিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান ষড়যন্ত্র মুলকভাবে জেল হাজেতে থাকবে আর আমি ঘরে বসে থাকব তা হয় না। বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে আমি এ ধরনে শিক্ষা পাইনি। যতদিন পর্যন্ত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির মুক্তি না হয় ততদিন আপনাদের আন্দেলনের সাথে আছি থাকব। প্রতিবাদ সভায় তার সাথে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান,সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, বাঁশদাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, শহর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়ন, যুবলীগনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।
