সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনিতে পারিবারিক অশান্তি, পিতা-মাতার উপর অভিমান ও সামাজিক নানা অসঙ্গতির কারনে দিন দিন অপমৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। আর এ আতœহত্যার মিছিলে উঠতি বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। গত ৭ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই-২০১৭ সময়ে (১৩ দিন) এ মিছিলে যোগ দিয়েছে ৪ জন। যাদের ২জন মাধ্যমিকের ছাত্রী, ১জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও ১জন নব-বধু। জানা গেছে, এ অপমৃত্যুগুলো হয়েছে গলায় ফাঁস দিয়ে। গত ৭ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় কুঁন্দুড়িয়া গ্রামের রিক্সা চালক শওকত গাজীর কন্যা ও কুঁন্দুড়িয়া পি এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাতিমা খাতুন গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করে। পিতা-মাতা জানায়, তাদের মেয়ে ফাতিমা ছোট বেলা থেকে মানষিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। অভাবের সংসারে মেয়ের স্কুলের খরজসহ অন্যান্য খরজের টাকা ঠিক মত দিতে না পারায় মায়ের সাথে অভিমান চলছিল। সর্বশেষ ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তার মা প্রতিবেসির নিকট থেকে টাকা ধার নিতে গিয়েছিল। টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখে তার আদরের মেয়েকে তার পড়ার ঘরের আড়ায় বাধা রশ্মি থেকে নামাচ্ছে। রশ্মি থেকে নামানোর পরেও ফাতিমা জীবিত ছিল কিন্তু ডাঃ আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। থানার এস আই শাহ মোঃ আব্দুল আজিজ সঙ্গিয় ফোর্স ঘটনা স্থান পরিদর্শন কালে প্রতিবেদককে জানান, কারো কোন অভিযোগ না থাকায় এবং উপর মহল থেকে দাফনের অনুমতি নিয়ে আসায় ময়না তদন্ত ছাড়াই তার দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।
৯ জুলাই রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের কন্যা সুপ্তিয়ারা পিয়াকে সাংসারিক বিষয় নিয়ে মা বকনি দিলে মায়ের উপর অভিমান করে গলায় উড়না পেচিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না বেঁধে আতœহত্যা করে। এ ঘটনায় এসআই আব্দুর রাজ্জাক এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি অভিযোগের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরিকালে মৃত পিয়ার থুতুলের নিচে ডান পার্শে বৃদ্ধাঙ্গুলের ন্যায় রক্তজমাট কালশিরা যুক্ত একটি মারাত্তক আকারের দাগ দেখতে পায়। তাছাড়া গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার তেমন কোন চি‎হ্ন দেখতে না পেরে সন্দেহ হয়্। বাধ্য হয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়না তদন্তের জন্য শতবার বাধ সাধার সত্ত্বেও তিনি সকল বাঁধা উপেক্ষা করে নিহাতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরন করেন। তিনি আরও জানান, ভিসারা রিপোর্ট শেষে আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন সমস্যা সে বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভাত দিতে দেরি হওয়ায় মায়ের উপর অভিমান করে রানা নামে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্র আতœহত্যা করে। সবদালপুর গ্রামের মোঃ মুনছুর সরদারের পুুত্র সবদালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্র মোঃ রানা ১০জুলাই সোমবার সকালে নিজ বাড়ীর ঘরের আড়ার সাথে ও গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এক্ষেত্রেও কারো কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশের দাফন সম্পন্ন হয়। সর্বশেষ বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ১৯জুলাই বুধবার ভোররাতে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁস আটকে আলো খাতুন নামে নববধুর আত্মহত্যা। যার বিয়ে হয়েছিল মাত্র দেড় মাস পূর্বে। আলো খাতুনের স্বামী আশাশুনি সদরের শীতলপুর গ্রামের শহিদুলের বক্তব্য প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিন সে ভোর রাতে ব্যবসার মাছ ক্রয় করতে মৎস্য ঘেরে যায়। তার স্ত্রী ঘরের দরজা আটকে শুয়ে পড়ে। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে সে বাড়ির সবার অজান্তে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস আটকে আত্মহত্যা করে। মৃত্যু নববধু আলোর মা রহিমা খাতুন, বাবা আবুল কালাম ও ভাই সাব্বির জানান, তাদের বোনকে মেরে ফেলানোর পর টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থান পরিদর্শন ও সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলার বভিন্ন এলাকার সচেতন মহলের সাথে কথা বললে তারা নির্দিষ্ট কাহকে উদ্দেশ্য করে কথা না বললেও তাদের মতে এগুলো সব আতœহত্যা নাও হতে পারে। প্রত্যেকটি বিষয়ের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত। আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহীন এ প্রতিবেদককে জানান, আতœহত্যার প্রবণতা বাড়ছে এটা সত্য। আমরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এটা নিয়ে জনমত গঠনের প্রক্রিয়ার পাশাপাশি এ অপমৃত্যু রুখতে প্রোচারনা চালাচ্ছি। কোথাও ১০-২০জন এক হলে আমি এবং আমার অফিসাররা বাল্যবিবাহ ও সম্প্রতি আতœহত্যার বিষয় নিয়ে কথা বলে মানুসকে সচেতন করার চেষ্টা করি। দেখা গেছে, সম্প্রতি যারা আতœহত্যার মিছিলে যোগ দিচ্ছেন তারা অধিকাংশই স্কুলের ছাত্র বা ছাত্রী তাই আমরা স্কুল কলেজে ‘আতœহত্যা কোন সমাধান নয়’ এটার উপর সেমিনার করার কথা ভাবছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম : ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার একজন আদর্শ শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সংস্কারক। তিনি ছিলেন একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক। প্রতিবছর ২৩ জুলাই সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, মহান স্বাধীনতা গ্রামের বীর সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধে ৯ নং সেক্টরের প্রতিষ্ঠাতা, সাব-সেক্টর কমান্ডার, জেলা জাসদের প্রতিষ্ঠাতা, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, টাউনশ্রীপুর শরৎচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক প্রয়াত ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ২৪তম মৃত্যুবাষির্কী টাউন শ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে রবিবার। প্রয়াত এই নেতার স্বরণে দেবহাটা টাউনশ্রীপুর শরৎচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি ১৯৩৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি টাউন শ্রীপুরের বিখ্যাত মিস্ত্রি বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালীন বৃটিশ শাসন আমলে সাত জমিদারের বসতি ও বাংলাদেশের প্রথম পৌরসভা টাউনশ্রীপুর গ্রামের মুন্সী খিজির মিস্ত্রির পুত্র। তের ভাই-বোনের মধ্যে একমাত্র তিনিই বেঁচে ছিলেন। তার পিতা অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। ধর্ম পরায়ন ব্যক্তি হিসাবে এলাকায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। হিন্দু জমিদার শাসিত টাউনশ্রীপুর প্রাইমারি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর টাউনশ্রীপুর শরৎচ্চন্দ্র হাইস্কুলে ভর্তি হন। তিনি নবম শ্রেণির ছাত্র থাকা অবস্থায় মাতৃভাষা রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। তিনি তাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে নিজ বিদ্যালয়ে ৪০জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেন। সেখানে জ্বালাময়ী বক্ততা দেওয়ার পর তিনি সকলের নজর কাড়েন। ১৯৫৪ সালে তিনি উক্ত বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। পরে সাতক্ষীরা মহাকুমার একমাত্র কলেজে আইকম ক্লাসে শাহজাহান মাস্টার ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তিনি আই.কম পাশ করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে কুষ্টিয়া ডিগ্রী কলেজ থেকে বি.কম পাশ করেন। একই বছরে সাতক্ষীরা পদ্মশাখরা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে ১৯৫৯সালে শ্যামনগর থানার ভেটখালী হাইস্কুলে একই পদে যোগদান করেন। সাথে সাথে ১৯৬২ সালে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড পাশ করেন এবং শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করেন। পরবর্তীতে টাউনশ্রীপুর ও সখিপুর হাইস্কুলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পদ্মশাখরা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বকালীন সময়ে হাড়োদ্দাহ নিবাসী মো. আজিজুর রহমানের কন্যা রাবেয়া খাতুন কে বিবাহ করেন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাকিস্তানী মিলিটারী পরিচালিত মুজাহীদ বাহিনীতে যোগদান করেন। তার দক্ষতার ফলে পাকিস্তান সরকার তাকে সাতক্ষীরা মহাকুমা মুজাহিদ বাহিনীর দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে পাকিস্তান সরকার তাকে ক্যাপ্টেন উপাধিতে ভূষিত করেন। একারণেই তিনি ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার নামে পরিচিত হন। ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ রক্ষার্থে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তিনি স্থানীয় যুবকদের নিয়ে নিজ এলাকায় মুক্তি বাহিনী গঠন করেন। দেবহাটা থানায় পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে জয় বাংলার পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দেন। বিওপির ৬ জন পাকিস্তানী ইপিআরদের বন্দী করে তাদের কাছ থেকে চায়না রাইফেল ছিনিয়ে নেন। যুদ্ধকালীন সময়ে ৯নম্বর সেক্টরের মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং ক্যাম্প টাউনশ্রীপুর হাইস্কুলে স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার ভরতের টাকীতে মুক্তি বাহিনীর প্রথম ক্যাম্প স্থাপন করেন। যেটি শেষ পর্যন্ত নয় নম্বর সেক্টরের মর্যাদা পায়। একারণে তাকে নয় নম্বর সেক্টরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। দীর্ঘ নয় মাসে যুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলার নিজ এলাকায় ফিরে এসে পুনরায় শিক্ষাকতায় যোগদেন। তিনি ইংরেজি ১৯৮৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং তিনি দেবহাটার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি নিজের শরীরের মূল্যবান অংশ দুইটি চক্ষু রেজিস্ট্রির মাধ্যমে আই ব্যাংকে দান করেন। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সখিপুর হাইস্কুলে ক্লাস নেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাথে সাথে তাকে সখিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে দুপুর ১২.৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। পর দিন ২৪ জুলাই টাউনশ্রীপুর হাইস্কুল প্রাঙ্গনে বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
তারই স্মরণে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও নিজ মাজার সংলগ্ন যথাযত ভাবে পালন করতে ক্যাপ্টেন শাজাহান মাষ্টার স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। টাউন শ্রীপুর শরৎচ্চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবস্থিত তার মাজার চত্তরে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে শনিবার সন্ধ্যা ৭.৩০মিনিট থেকে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত, ২৩জুলাই সকাল ১০টায় আলোচনা সভা, দুপুর ১২.৩০ মিনিটে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান, বেলা ১টায় মোনাজাত এবং দুপুর ১.৩০মিনিটে তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। স্মরণ সভায় শাহজাহান মাস্টার স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ আনিছুর রহিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, জেলা জজকোর্টের পিপি এ্যাড. ওসমান গনি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড.আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাসদের সভাপতি কাজী রিয়াজ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখরসহ বিভিন্ন পর্যয়ের সুধীজন। অনুষ্ঠানে সকলকে অংশগ্রহণের জন্য ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা সদরের দেবহাটা বাজারের মধ্যে অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে ফার্নিচারের ঘর। বিষয়টি বাজার কমিটি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দেবহাটা বাজারের মধ্যে সবজি, মাংস ও মাছ বিক্রির জন্য পৃথক নির্ধারিত স্থান তৈরি করা আছে। মাছ বিক্রির জন্য বিক্রেতারদের জন্য টিনের সেড দিয়ে আলাদা জায়গা আছে। কিন্তু ঐ মাছ বিক্রির সেডটির অর্ধেক জায়গা অবৈধভাবে দখল করে সেখানে মোহাম্মাদ আলী নামের এক ব্যক্তি ফার্নিচারের দোকান বানিয়েছে। কয়েক বছর আগে থেকে মাছ বাজারের মধ্যে ফার্নিচারের দোকানটি বানানো হলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া বা ফার্নিচারের দোকানটি সরিয়ে দেয়ার কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় মাছ বাজারের অর্ধেক জায়গা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দেবহাটা বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুর রউফের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, পূর্বের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সময়ে সেখানে ঐ ফার্নিচারের দোকানটি তৈরি করা হয়। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাবেন। বর্তমানে দেবহাটা বাজারের মধ্যে মাছ বাজারের জায়গা অর্ধেক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যার বিষয়টি সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাজার কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ও জীবন : শেষ কবে গম বা যবের ছাতু খেয়েছেন সেটি নিশ্চয় মনে নেই। একসময় গ্রামের বাড়িতে সকালের নাস্তায় ছাতু ছিল নিয়মিত খাবার। এখন এর চল নেই বললেই চলে। তবে এখন আবার পুষ্টিবিদরা ছাতু খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন। ছাতুর উপকারিতা জানার পর আপনিও ডায়েট চার্টে ছাতু রাখবেন নিয়মিত।
১. শক্তি বাড়ে। ছাতু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিমেষে উপকারি উপাদানগুলি রক্তে মিশে যায়। ফলে সঙ্গে সঙ্গে শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে।
২. হজমে শক্তি বাড়ে ছাতু খেলে। প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে ছাতু নিয়মিত পানিতে গুলিয়ে খেলে কনস্টিপেশনের মতো সমস্যার প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে।
৩. ডায়বেটিসের জন্য ভালো। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার কারণে ছাতুতে উপস্থিত শর্করা খুব ধীরে ধীরে রক্তে মিশে থাকে। ফলে এই ধরনের খাবার খেলে হঠাৎ করে শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না।
৪. ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারি। প্রোটিন এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, এই দুটি উপদান ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট একদিকে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, আর অন্যদিকে, প্রোটিন শরীরের অন্দরে যে ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণ করে।
৫. শিশুর শরীরের যথাযত বৃদ্ধির জন্য যে যে উপাদানগুলির প্রয়োজন পরে তা সবই উপস্থিত রয়েছে ছাতুতে। তাই তো বাজার চলতি হেলথ ড্রিঙ্কের পরিবর্তে নিয়মিত যদি বাচ্চাদের ছাতু খাওয়ানো যায় সেটি বেশি উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ও জীবন : দিনের শুরুতে এক কাপ লাল চা যেমন কর্মশক্তি যোগায়, তেমনি দিনের শেষে সাহায্য করে শরীরে ক্লান্তি দূর করতে। লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামক একটি উপাদান রয়েছে যা শরীরকে সতেজ রাখে সবসময়। পাশাপাশি হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী এটি। চাইলে লাল চায়ে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস, আদা কিংবা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি বাড়তি পুষ্টি যোগ করবে চায়ে।
জেনে নিন প্রতিদিন লাল চা পান করা জরুরি কেন-
* লাল চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানসহ এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মাংস, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
* লাল চা শরীরের যেকোনও অংশে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৃদ্ধি আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
*লাল চায়ে রয়েছে টেনিস নামক একটি উপাদান যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
*নিয়মিত লাল চা পান করলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়ে। এতে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
* লাল চা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
* হার্ট সুস্থ রাখে লাল চা। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। ফলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।
*লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ও জীবন : কাঁঠাল ফলটি বেশ রসালো আর মিষ্টি। তবে কাঁঠালের বিচিও সবজি হিসেবে বেশ সমাদৃত। মাছ-মাংসসহ অনেক তরকারিতে কাঁঠালের বিচির ব্যবহার খাবারের স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অনেকে কাঁঠালের বিচি ভেজে খান আবার অনেকে সেদ্ধ করে পেঁয়াজ মরিচ মাখিয়ে ভর্তা করেও খান। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এর রয়েছে অনেক গুণ।
পুষ্টিবিদরা গবেষণায় দেখিয়েছেন, কয়েক রকমের আলসারের বিরুদ্ধেও জোর লড়াই করার মতো শক্তি আছে কাঁঠাল বিচির। এছাড়া এটি শরীরের ম্যাজমেজে ভাব এবং হজমের গোলমাল তাড়াতে দারুণভাবে কার্যকর। কাঁঠালের বিচি তরকারির মধ্যে আলুর বিকল্প হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।
প্রতি ১০০ গ্রাম বিচিতে পাওয়া যায় প্রায় ১৩৫ কিলো ক্যালরি। এটি কমপ্লেক্স কার্বো হাইড্রেটের একটি দারুণ উৎস। এছাড়া ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন এ, সি এবং কয়েক প্রকার ভিটামিন বি পাওয়া যায় কাঁঠাল বিচির মধ্যে। এর বাইরেও এটি আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাসও যোগান দিতে পারে। কাঁঠালের বিচিতে আছে লিগনান্স, আইসোফ্লেভোনস এবং স্যাফোনিন্স। এদেরকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট বলা হয়ে থাকে। এগুলোর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অনেক। এদের আছে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা। এছাড়া দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারে এসব উপাদান। এগুলো আবার এন্টি অক্সিডেন্ট। ফলে শরীরের অনেক জটিল রোগের উপকারও করতে পারে কাঁঠালের বীজের মধ্যে প্রাপ্ত উপাদানগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : মেয়েরা কুড়ি পেরোলেই বুড়ি এই কথা ভুল প্রমাণিত করেছেন পাঁচ বলিউড সুন্দরী। তাঁরা বলিউড অভিনেতা বাবা-ছেলে উভয়েরই বিপরীতে নায়িকা হয়েছেন। কয়েকজন তো আবার ‘হাঁটুর বয়সী’ নায়কের সঙ্গেও জুটি বেঁধেছেন। এই পাঁচ বলিউড সুন্দরী হলেন মাধুরী দীক্ষিত, শ্রীদেবী, হেমা মালিনী, ডিম্পল কাপাডিয়া ও অমৃতা সিং।
এ প্রসঙ্গে সবার প্রথমে উঠে আসে বলিউডের প্রথম সুপারস্টার নায়িকা শ্রীদেবীর নাম। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘মম’-এ তাঁর অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়। ৩০০ ছবি করা এই নায়িকা ধর্মেন্দ্র ও সানি দেওল উভয়েরই নায়িকা হয়েছেন। যারা বাস্তবে বাবা-ছেলে। সানি দেওলের সঙ্গে শ্রীদেবীকে ‘চালবাজ’, ‘নিগাহে’সহ একাধিক ছবিতে জুটি বাঁধতে দেখা যায়। আবার সানির বাবা বলিউড সুপারস্টার ধর্মেন্দ্রর নায়িকা হিসেবেও এই অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন ‘নাকা বন্দী’ ছবিতে।
এই তালিকায় বলিউডের দ্বিতীয় সুন্দরী হলেন মাধুরী দীক্ষিত। অত্যন্ত সফল সিনেমা ‘দয়াবান’-এ মাধুরী বলিউডের অন্যতম সুদর্শন নায়ক বিনোদ খান্নার নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, এই ছবিতে বিনোদের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে তখন রীতিমতো চর্চা হয়েছিল। ‘দয়াবান’ ছবির নয় বছর পর বলিউডের ‘চন্দ্রমুখী’-কে দেখা যায় বিনোদপুত্র অক্ষয় খান্নার সঙ্গে প্রেমের জুটি বাঁধতে। ‘মহব্বত’ সিনেমায় অক্ষয়-মাধুরী জুটি রীতিমতো হিট হয়।
এই তালিকায় অপর অভিনেত্রী হলেন হেমা মালিনী। হেমার বলিউডে অভিষেক হয় রাজ কাপুরের নায়িকা হিসেবে। ১৯৬৮ সালে ‘সাপনো কা সওদাগর’ ছবিতে তাঁর ও রাজ কাপুরের জুটি দেখা যায়। সেই ছবি থেকে হেমার বলিউডে নতুন নাম হয় ‘ড্রিম গার্ল’। এরপর ১৯৭৪ সালে ‘হাত কা সাফাই’ সিনেমাতে রাজ কাপুরের ছেলে রণধীর কাপুরের সঙ্গে বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’-কে দেখা যায় প্রেম করতে। ডিম্পল কাপাডিয়ার মতো অভিনেত্রীর নামও এই তালিকায় আছে। ডিম্পলও মাধুরীর মতো বিনোদ ও অক্ষয় দুজনের সঙ্গেই আলাদা আলাদা ছবিতে নায়িকা হিসেবে জুটি বাঁধেন। বলিউডের এই দাপুটে অভিনেত্রীকে মুকুল আনন্দের ছবি ‘ইনসাফ’-এ বিনোদ খান্নার বিপরীতে দেখা যায়। আবার ‘দিল চাহতা হ্যায়’-তে বিনোদপুত্র অক্ষয়ের সঙ্গে ডিম্পল এক অসম প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
সাইফ আলী খানের সাবেক পতœী তথা বলিউড অভিনেত্রী অমৃতা সিং বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন সুপার হিট ছবি ‘বেতাব’ দিয়ে। ১৯৮৩ সালের এই ছবিতে তাঁর ও সানি দেওলের রসায়ন সবার নজর কাড়ে। এর ঠিক ছয় বছর পর ধর্মেন্দ্রর স্ত্রীর ভূমিকায় ‘সচ্চাই কি তাকত’ ছবিতে অমৃতা অভিনয় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিয়ে অনুষ্ঠান প্রায় শেষ পর্যায়ে, বাকি কেবল সাত পাকে বাঁধা। মঞ্চের একপাশে বসে কনে, তার পাশে বসে আছে আদরের বোন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে নববধূকে আশীর্বাদ করে যাচ্ছেন। একই ভাবে হবু শ্বশুর মশাইও সেখানে এলেন। আর্শীবাদ করার পরেই হবু পুত্রবধুর কপালে উষ্ণ চুম্বন দেবেন তিনি। পাশাপাশি তার বোনকেও একটি চুমু দিলেন। ব্যস আর যায় কোথায়, রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বিয়ের আসর থেকে উঠে গেলেন কনে, সাফ জানিয়েদিলেন এ বিয়ে তিনি করছেন না আর তাতেই ভেঙ্গে গেল বিয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ফাররুখাবাদে।
সংবাদমাধ্যমের খবর, নাগলা খাইরবান্দা গ্রামের বাসিন্দা পরমেশ্বরী দয়ালের মেয়ে রুচির সঙ্গে ইতাহের বাসিন্দা বাবুরামের ছেলে রাজেশের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের প্রায় শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত উচ্ছাসে নববধূ রুচি ও তার বোন অনিতাকে চুমু খান বাবুরাম। এই কারণে বিয়েতে অস্বীকার করে রুচি। এমনকি বরযাত্রীদেরও ফিরে যেতে বলেন তিনি। বাবুরাম তার কাছে ক্ষমা চাইলেও মন গলেনি তার । ঘটনা যায় পুলিশের কানেও।
এই বিষয়ে রুচির ভাই ব্রিজেশ জানিয়েছেন, বিয়ে বাবদ প্রায় ২৭ হাজার টাকা ফেরৎ দেওয়ার আশ্বাস দিলে বরযাত্রীরা ফিরে যেতে রাজি হয়। অন্যদিকে, কোতয়ালি থানার আধিকারিক আরপি যাদব জানিয়েছেন, বরের বাড়ি থেকে কনে কে দেওয়া সমস্ত অর্থ ও উপহার ফেরত দেওয়া হয় ও উভয় পক্ষের সমঝোতায় সমস্যার সমাধান হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest