সাংসদের স্বাক্ষর জাল প্রমাণিত হওয়ায় মাহমুদপুর আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার গভার্ণিং বডির সভাপতি মোঃ আবু আহমেদের পদ বাতিল করা হয়েছে। সাথে সাথে খলিলুল্যাহ ঝড়–কে সভাপতি হিসাবে মনোনয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে রেজিষ্ট্রার প্রফেসর মোঃ মজিবুর রহমান গত ৬ জুলাই বামাশিবো/প্রশা/১৩৪/১৯৫৭/৮ স্মারকে এক পত্রে তিনি আদেশ দেন। পত্র সূত্রে জানাগেছে, সদর উপজেলার মাহমুদপুর আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদন ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত কাগজপত্রের প্রেক্ষিতে বোর্ড হতে ২৬ ডিসেম্বর’১৬ তারিখে বামাশিবো/প্রশা/১৪৮০/২ স্মারকে গভর্নিং বর্ডির অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সংসদ সদস্য-১০৬, সাতক্ষীরা-২ কর্তৃক ডিও সংসদ সদস্য দপ্তর/১০৬সাত-২/২০১৬/৭১০: স্মারকে, তাং- ৩০ ডিসেমস্বর’১৬ একটি ডিও লেটার প্রেরণ করেন। কিন্তু ডিও লেটার এবং ইতোপূর্বৈ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত সভাপতি মনোয়নের জন্য ৩জন ব্যক্তির নামের তালিকায় প্রদত্ত সংসদ সদস্য-১০৬, সাতক্ষীরা-২ এর স্বাক্ষর দুটি মধ্যে গড় মিল দেখা যায়।
অপরদিকে মাদরাসার অধ্যক্ষ মোঃ নাসির উদ্দীন“এমপি মহোদয়ের জাল স্বাকরে মনোনীথ অযাচিত ব্যক্তিকে সভাপতি পদ হতে অপসারণ পূর্বক এমপি মহোদয় কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তিকে সভাপতি হিসাবে মনোনয় প্রসঙ্গে” একটি আবেদন বোর্ডে প্রেরণ করেন। সেখানে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা থাকায় তিনি ১৭ অক্টোব’১৬ থেকে ১৬ নভেম্বর’১৬ পর্যন্ত মাদরাসায় অনুপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। অধ্যক্ষের আবেদনটি সংসদ সদস্য কর্তৃক প্রদত্ত ডিও লেটার ও সুপারিশ পত্রে প্রদত্ত স্বাক্ষর এবং মাদরাসার সার্বিক বিষয়ে তদন্ত পূর্বক একটি প্রতিবেদন করার জন্য ৩নং স্মারকে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে একটি পত্র প্রদান করা হয়। পত্রের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২নং স্মারকে একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। প্রতিবেদন পর্যালোচনা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান কর্তৃক বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর প্রেরিত আবেদনে উল্লিখিত স্বাক্ষরটি এমপি সাহেবের স্বাক্ষর নয় বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। তখন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রবিধানমালা-২০০৯ এর প্রবিধান৩৮(১) এর ক্ষমতাবলে এ দপ্তর হতে অনুমোদিত গভার্ণিং বডির সভাপতি হিসাবে মোঃ আবু আহমেদ এর পদ কেন বাতিল হবে না মর্মে ১নং স্মারকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়। কারণ দর্শানোর প্রেক্ষিতে সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের জবাব সন্তোষ জনক না হওয়ায় বোর্ড আবু আহমেদের পদ বাতিল করে খলিল্যুাহ ঝড়–কে সভাপতি মনোনীত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ নিয়ে একেবারে তৈরি হয়েও বলিউডে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। কোনও পারিবারিক ঐতিহ্য নেই, নেই কোনও বড়সড় পরিচয়। তবে নিজের হটকে আন্দাজ নিয়েই কেরামতি দেখিয়েছেন। দিব্যি বলিউডের ‘বাজিরাও’ হয়ে উঠেছেন। বলিউডের আলোচিত তারকা রণবীর সিং বৃহস্পতিবার ৩২ এ পা দিয়েছেন। নিজেই নিজেকে উপহার দিয়েছেন একটি অ্যাস্টন মার্টিন।

বুধবার রাতে সদ্য কেনা গাড়ি নিয়ে মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভে টহলও দিলেন দীপিকাকে সঙ্গে নিয়ে। যদিও এই আছে এই নেই। রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনের সম্পর্ক নিয়ে ধোঁয়াশা কিছুতেই কাটার নয়। বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে, জন্মদিনের সকালে রণবীরের বাড়িতে ভিড় জমিয়েছিলেন ভক্তরা। নায়ক কাউকেই নিরাশ করেননি। ভক্তদের আনা কেক কাটেন এবং তাদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন। তাদের সম্পর্ক আছে কি নেই, এ নিয়েই একটা রমরমা ছবিও হয়ে যেতে পারে। এই রটল দুই জনের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। পরের দিনই কোনো পার্টিতে হাত ধরাধরি করে এ যুগল হাজির। বলিউড ইন্ডাস্ট্রির ভিতরের খবর বলছে, দীপিকা হলিউডে কাজ করতে যাওয়ার সময় দুইজনের সম্পর্কের মধ্যে একটা ফাঁক এসেছিল বটে, তবে আপাতত তারা প্রেমেই মজে আছেন। জন্মদিনের রাতে ড্রাইভের পর রণবীর-দীপিকা ডিনারে যান বলেও জানা গেছে।

ক্যারিয়ারের বছর ছয়েকের মধ্যেই রণবীর নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পেরেছেন যে, প্রযোজকরা তার ভরসায় ছবিতে বিনিয়োগ করেন। রণবীর কাপুরের কৌলিন্য তার নেই, কিন্তু বক্স অফিসে নিজের ম্যাজিক প্রমাণ করেছেন তিনি। নরম-সরম চরিত্রের খোলসে যেমন ঢুকে যেতে পারেন, চরিত্রে উগ্রতা নিয়ে আসাতেও পারঙ্গম তিনি। তিনি সঞ্জয় লীলা বানসালির পছন্দের অভিনেতা।

‘রামলীলা’, ‘বাজিরাও মস্তানি’র পর এবার ‘পদ্মাবতী’তে তিনি রণবীরকে আলাউদ্দিন খিলজির মতো চরিত্রের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। তাই শচীন টেন্ডুলকার তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘কিপ আপ ইওর ইনফেকশাস এনার্জি অ্যান্ড নেভার লেট ইট ডাই’।

ক্যারিয়ারের বছর ছয়েকের মধ্যেই রণবীর নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পেরেছেন যে, প্রযোজকরা তার ভরসায় ছবিতে বিনিয়োগ করেন। রণবীর কাপুরের কৌলিন্য তার নেই, কিন্তু বক্স অফিসে নিজের ম্যাজিক প্রমাণ করেছেন তিনি। নরম-সরম চরিত্রের খোলসে যেমন ঢুকে যেতে পারেন, চরিত্রে উগ্রতা নিয়ে আসাতেও পারঙ্গম তিনি। তিনি সঞ্জয় লীলা বানসালির পছন্দের অভিনেতা। ‘রামলীলা’, ‘বাজিরাও মস্তানি’র পর এবার ‘পদ্মাবতী’তে তিনি রণবীরকে আলাউদ্দিন খিলজির মতো চরিত্রের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। তাই শচীন টেন্ডুলকার তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘কিপ আপ ইওর ইনফেকশাস এনার্জি অ্যান্ড নেভার লেট ইট ডাই’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউডের বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। আইটেম নাম্বারেও দেখা গিয়েছে তাকে। তবে সফল হননি। তবে বিভিন্ন বিষয়ে তার মন্তব্যের জন্য বারবারই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন রাখি সাওয়ান্ত। এবার তাকে যাতে কেউ চিনতে না পারে, সেজন্য বোরকা পরে আদালতে হাজিরা দিলেন ‘ড্রামা কুইন’ রাখি।

ঋষি বাল্মীকি সম্পর্কে রাখির মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বাল্মীকি সম্প্রদায় মানুষরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ২ জুন রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে লুধিয়ানার একটি আদালত।

জানা গেছে, জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন রাখি সাওয়ান্ত। ঋষি বাল্মীকি নিয়ে নিজের মন্তব্যের জন্য বাল্মীকি সম্প্রদায়ের কাছে নিঃশর্তে ক্ষমাও চান। এরপর শুক্রবার আদালতে হাজিরা দেন রাখি। সেইসময়ে বলিউডের এই আইটেম গার্লের পরনে ছিল বোরকা। আদালতে উপস্থিত লোকজন যাতে তাঁকে চিনে না ফেলেন, সেজন্য নাকি বোরকা পরে এসেছিলেন রাখি সাওয়ান্ত। তাকে এক লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দিয়েছে আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মৃত সন্তান প্রসব করার অপরাধে মধ্য আমেরিকার এল সালভাদরে ইভালিন বেত্রিজ হারনান্দেজ ক্রজ নামে ১৯ বছরের এক তরুণীকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। হাইস্কুলে পড়ুয়া ওই তরুণী গর্ভের সন্তানের প্রতি যত্ন নেয়নি এবং সে বাথরুমে সন্তান প্রসব করে বলে অভিযোগ করা হয়।
তরুণী গর্ভপাত করার চেষ্টা করায় সন্তান মারা যায় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

এল সালভাদরে গর্ভপাত বা ভ্রণ হত্যা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইতিপূর্বে সেখানে অনেক তরুণী গর্ভপাতের কারণে সাজা ভোগ করে।

২০১৬ সালে ক্রজের বয়স ছিল ১৮ বছর। তখন সে একটি গ্রুপের দ্বারা একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়। এতে সে গর্ভবতী হয়ে পড়লেও বিষয়টি প্রথমে বুঝতে পারেনি। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ক্রজ মৃত সন্তান প্রসব করে। তখন তার নামে মামলা হয়। সম্প্রতি সেই মামলার রায়ে ক্রজকে শাস্তি দেয়া হয়।

এল সালভাদরের এক নারী বিচারক এই রায় দেন। ওই বিচারকের বক্তব্য, ক্রজ অন্তঃসত্ত্বাকালীন চিকিৎসা নেয়নি। সে সন্তান চায়নি। এজন্য সে গর্ভপাতের চেষ্টা করে। এতে সন্তান প্রসব হলে সে নবজাতককে বাথরুমে ফেলে দেয়।

দেশটির গর্ভপাত বৈষম্য বিষয় সিটিজেন গ্রুপের পরিচালক মরেনা হেরেনা বলেন, বিচারক কোনো প্রমাণ ছাড়াই ক্রজকে শাস্তি দিয়েছে। পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণও আদালতের কাছে নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকার সাভারে দুই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়, নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে এনে তাঁদের পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। পৌর এলাকার সোবহানবাগ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ের পাশের লিজেন্ড কলেজ নামের একটি ভবনে  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ওই দুই তরুণীর ভাষ্য, তাঁরা মিউজিক ভিডিওর মডেল। থাকেন গাজীপুরে। মাস তিনেক আগে মুঠোফোনে তাঁদের সঙ্গে লিটন মণ্ডল নামের এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের সূত্র ধরে লিটন তাঁদের নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন। তাঁর কথামতো বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে তাঁরা সাভার আসেন। লিটন ও তাঁর এক সহযোগী তাঁদের একটি ছয়তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে লিটনসহ আরও দুজন ছিলেন। রাতে তাঁরা জানালা দিয়ে চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। লিটন ও তাঁর সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যান।

ডিবি সূত্র জানায়, খবর পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীদের উদ্ধার করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার সাভার মডেল থানায় মামলা করেছেন এক তরুণী। মামলা করার পর দুই তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, লিটন একসময় তাঁদের তথ্যদাতার কাজ করতেন। কিন্তু নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে আটক করে মামলা দেওয়া হয়েছিল।

সাভার মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, দুই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনায় আর কেউ জড়িত থাকলে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সামান্য জিনিসেও জীবনের রস খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন লেবু চায়ের কথাই ধরুন না। আমরা অনেকেই দিনে বেশ কয়েকবার এমন চায়ে চুমুক দিয়ে থাকি। কিন্তু কখনও জানার চেষ্টা করি কি এই এক পেয়ালা চা আমাদের শরীরের ভাল করে না ক্ষতি?

শুনতে অবাক লাগলেও মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে শরীরের প্রায় প্রতিটি ভাইটাল অর্গ্যানের কর্মক্ষমতা বাড়াতে লেবু চায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে লেবুতে উপস্থিত একাধিক কার্যকরী উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নিজেদের খেল দেখাতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে আমাদের দেহের সচলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের প্রকোপও হ্রাস পেতে থাকে। যেমন…

১. শরীরকে বিষমুক্ত করে: খাবারের সঙ্গে এবং আরও নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর উপাদান প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে প্রবেশ করে চলেছে। আর রক্তে মিশতে থাকা এইসব টক্সিক উপাদান শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। তাই এ বিষয়ে সাবধান থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কীভাবে? খুব সহজ! আজ থেকেই দিনে কম করে দুবার লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন, তাহলেই উপকার পাবেন। কারণ এই পানীয়টি টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে দ্রুত বার করে দিয়ে দেহকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমায়: খুব ঠান্ডা লেগেছে? সঙ্গে নাক দিয়ে অঝোরে ঝরছে জল? তাহলে এক্ষুনি এক ফ্লাক্স লেবু চা বানিয়ে রেখে দিন, আর দিনে কম করে ২-৩ বার পান করুন, দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ লেবু আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াদের প্রকোপ কমিয়ে এমন ধরনের শারীরিক সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে লেবু চায়ে অল্প করে আদা মিশিয়েও খেতে পারেন। এমনটা করলে আরও দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

৩. মানসিক চাপ কমে: পরিসংখ্যান ঘাঁটলেই জানতে পারবেন বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ স্ট্রেস সম্পর্কিত নানাবিধ রোগের শিকার। আর সব থেকে ভয়ের বিষয় হল আক্রান্তের মধ্যে প্রায় সিংহভাগই অল্পবয়সি। তাই তো এখন থেকেই প্রয়োজনীয় সাবধনতা অবলম্বন করা উচিত যাতে কোনও মারণ রোগ শরীরে এসে বাসা না বাঁধে। আর এক্ষেত্রে আপনার প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠতে পারে লেবু চা। কেন জানেন? যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে লেবু বিশেষ ভূমিকা নেয়। দেহে টক্সিনের মাত্রা যত কমতে থাকে, তত মস্তিষ্ক চনমনে হয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা এবং সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগার মতো সমস্যাও দূরে পালায়।

৪. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড রিসার্চের প্রকাশ করা একটা রিপোর্ট অনুসারে লেবুতে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড রক্তে লিপিডের পরিমাণ কমায়, সেই সঙ্গে আর্টারিতে যাতে কোনও ভাবেই ব্লাড ক্লট না করে সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

৫. প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক: লেবুতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রপাটিজ রয়েছে, যা প্রতিনিয়ত নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়াল অথবা ভাইরাল ইনফেকশনের শিকার হয়ে থাকেন, তারা নিয়মিত লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৬. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে কিডনি স্টোনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়। এখানেই শেষ নয়, খাবার উপস্থিত নানাবিধ পুষ্টকর উপাদান যাতে শরীরের ঠিক মতো কাজে আসতে পারে সেদিকেও লেবু চা বিশেষ খেয়াল রাখে।

৭. ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্টির করা এক গবেষণা অনুসারে লেবুর রস আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ইনসুলিনের অ্যাকটিভিটি বেড়ে যায়। ফলে শর্করা ভেঙে এনার্জির ঘাটতি পূরণ হয়। সেই সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে লেবুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন লেবু এবং ত্বকের সৌন্দর্যের মধ্যে সম্পর্কটা কোথায়! প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লেবু চা খেলে ব্রণর প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা মুছে গিয়ে ত্বকের বয়সও হ্রাস পায়। সূত্র-ইন্ডিয়া নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগে যুক্তরাজ্যে হাজী মোহাম্মদ সাদিক নামে ৮১ বছর বয়স্ক এক কোরআন শিক্ষকের ১৩ বছরের জেল হয়েছে।
কার্ডিফের মদিনা মসজিদে প্রায় তিরিশ বছর কোরআন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। সেখানে তিনি চার বালিকার ওপর শাস্তি হিসেবে এই নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

আদালত বলেছে, একজন শিক্ষক হিসেবে হাজী সাদিক তার অবস্থানের সুযোগ নিয়েছেন। তবে হাজী সাদিক তাঁর বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি মসজিদের ‘রাজনীতি’র শিকার হয়েছেন।

কিন্তু বিচারক স্টিফেন হপকিন্স কিউসি হাজী সাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘শিশুরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে ‘চাচা’ বলে ডাকতো। কিন্তু আমার বিচারে আপনি একজন ধূর্ত লোক। আপনার উপরের চেহারার আড়ালে রয়েছে এক অন্ধকার দিক। ’

কার্ডিফের উডভিল রোডের মসজিদে হাজী সাদিক পার্ট টাইম ইমাম হিসেবে কাজ করতেন। সেখানে ১৯৯৬ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি ১৩ বছরের কম বয়সী মেয়েদের নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

সাউথ ওয়েলস পুলিশের ইন্সপেক্টর রব ক্রনিক বলেছেন, ভুক্তভোগী যারা এই ঘটনার বিচারের জন্য এগিয়ে এসেছেন, তারা বিরাট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। মুসলিম কাউন্সিল অব ওয়েলসও এক বিবৃতিতে এই মেয়েদের সাহসের প্রশংসা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে মিলিত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার জার্মানির হামবুর্গে জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের প্রক্কালে দুই নেতা এ বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তাদের করমর্দনের বিষয়টিও উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে। বৈঠকটি এখনও চলছে। রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দুই নেতার মধ্যে আধঘণ্টার একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। তবে বৈঠক শেষে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়।

প্রথম সাক্ষাতে পুতিনের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্মানের। উত্তরে পুতিন বলেন, আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ায় আমি আনন্দিত।

শুক্রবারের বৈঠক দুই নেতার প্রাথমিক সাক্ষাৎ বলে জানিয়েছে বিবিসি। পরে দীর্ঘ সময়ের জন্য আরেকটি বৈঠকে মিলিত হবেন তারা।

দুইদিনের জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের প্রথম দিনেই সামনে আসতে পারে ধনী দেশগুলোর নিজেদের মধ্যকার অনৈক্য। জলবায়ু আর বাণিজ্য নীতি নিয়ে রুশ-মার্কিন-তুর্কি অবস্থানের দ্বন্দ্ব প্রাধান্য নিতে পারে আলোচনায়। অবশ্য শুক্রবার মূল সম্মেলনস্থল নয়, সাইডলাইন নিয়েই বেশি আগ্রহ বিশ্ববাসীর। এরইমধ্যে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিশ্বের দুই ক্ষমতাকেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার দুই শীর্ষ নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ভ্লাদিমির পুতিন।
সম্মেলন আর সাইড লাইন বৈঠকের প্রশ্ন ছাপিয়ে গেছে উত্তাল প্রতিবাদে। বিক্ষোভে প্রকম্পিত হচ্ছে সম্মেলনস্থল জার্মানির হামবুর্গ শহর। পুলিশি বাধার এক পর্যায়ে সেই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বাণিজ্য ও পরিবেশগত ইস্যুতে ন্যায়বিচার ও সমতার আকাঙ্ক্ষায় বিভিন্ন অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপের ১ লাখ বিক্ষোভকারীর জমায়েত হতে পারে সম্মেলনস্থলে। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য শহরেও।

২০০৭ সালে জার্মানির বাল্টিক সি রিসর্ট হাইলিগেনডামে জি-সেভেন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ২০১৫ সালে বাভারিয়ার এলমাওতে জি-সেভেনের আরেকটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এখন হামবুর্গে আয়োজিত হচ্ছে জি-টোয়েন্টি সম্মেলন। এ আয়োজনের সভাপতিত্বের দায়িত্বে রয়েছে জার্মানি। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, তুরস্কসহ ১৯টি ধনী দেশ ও ইইউ’র প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

সদ্য নিরঙ্কুশ মার্কিন আধিপত্যের কাল পেরিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রকট হচ্ছে কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব। ঐক্যের অভাব স্পষ্ট হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের কর্মকাণ্ডে। তিন নেতাই জি-টোয়েন্টি বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এটাও পরিষ্কার যে, তিন নেতাই বৈঠকে নিজেদের এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ লড়াই, নারী নীতি এবং স্বাস্থ্যসেবা ছাড়াও প্রাধান্য পাবে মুক্তবাণিজ্যের নীতি। সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest