নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী মহিলালীগের এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও কালিগঞ্জ,আশাশুনি এবং দেবহাটার মাটি ও মানুষের প্রাণ-প্রিয় নেতা অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, “আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিককে জয়যুক্ত করতে আমরা সবাই এগিয়ে আসবো”।
তিনি আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকার পাশে সবাই থাকবে এবং নৌকার জয় হবেই। এ লক্ষে আমি তৃনমূল নেতাকর্মীদের পাশে আছি এবং তাদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (৮ জুলাই) বিকাল ৪ টায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা টাউনপাড়ায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আফম রুহুল এমপির নিজস্ব বাসভবনে আওয়ামী মহিলালীগ নেত্রী রাবেয়া সুলতানার সভাপতিত্বে নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী মহিলালীগের এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ শাহরিয়ার, রনি, আশরাফুল, তারিকুল ইসলামসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও মহিলা লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু শিল্পি জেবা তাসনিয়ার (১০) এর চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সং¯কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এর সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন এন্ড প্ল¬াস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডাঃ সামান্ত লাল সেন তার অপারেশন করবেন। শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের হাসান হাফিজুর রহমানের কন্যা নকিপুর সরকারি প্রাথমিক ব্যিদালয়ের ৪র্থ শ্রেণির কৃতি ছাত্রী ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর আবৃত্তি, নাচ ও সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী। জেবা তাসনিয়া কয়েক বছর ধরে নিউরোফাইব্রোমা রোগে ভুগছিল। ২০১৬ সালে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় সে ৩য় স্থান লাভ করে। এ সময় জেবা তাসনিয়া সংস্কৃতি মন্ত্রীর নজরে পড়ে। মন্ত্রী জেবা তাসনিয়ার চিকিৎসায় ১ম পর্যায়ে নগদ ১লক্ষ টাকা প্রদান করেন। এবং পরবর্তীতে অপারেশনসহ সকল খরচের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। জেবা তাসনিয়ার পরিবার ও শ্যামনগরবাসী মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এই প্রতিভাবান শিশু শিল্পির সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল বারী বড় বউয়ের অনুমতি ছাড়াই বিয়ে করায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে লাপাত্তা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলা জামাতের সাবেক আমীর জামাত নেতা সাময়িক বরখস্তকৃত উপজেলা চেয়ারম্যন আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল বারী ২য় বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার হাজেরালী মোড় সংলগ্ন রাজাপুর গ্রামের দাঊদ আলীর কন্যা ফুলি খাতুনকে(৪৫) কে ২য় বধূ হিসেবে গত ৬ জুলাই রাতে আটুলিয়ার হাওয়াল ভা্গংীর বাড়ীতে নিয়ে আসেন। গত ৬ জুলাই ২০১৭ বধু বেসে হাওয়াল ভাঙ্গীর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসলে ডেইলি সাতক্ষীরা ও বিভিন্ন পত্রিকায় ব্যাপকভাবে প্রচার পায়। সত্যতা যাচাই করতে এবং নববধুকে দেখতে হাওয়াল ভাংগী বাড়িতে উৎসুত জনতা ভিড় জমায়। এলাকায় নিন্দার ঝড় ও ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়। এলাকাবাসীর এহেন তোপের মুখে গত ৭ জুলাই গভীর রাতে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে সাময়িক বরখস্তকৃত উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল বারী লাপাত্তা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোটারেক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান এনছান বাহার বুলবুল সকল সদস্যদের প্রত্যয় পাঠ করান। তিনি ২০১৭-১৮ রোটাবর্ষের নব নির্বাচিত কমিটিতে জি.এম আবুল হোসাইনকে সভাপতি ও শেখ কাইয়ুম রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র সহযোগীতায় ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যদের ক্লাবের পিন পরানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রোটারিয়ান পিপি সৈয়দ হাসান মাহমুদ, রোটারিয়ান মনিরুজ্জামান টিটু, রোটা. মো. ইজাজ আহমেদ, মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। নব নির্বাচিত কমিটির সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা’র নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া-তালা) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে কলারোয়ায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুরের দিকে কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহি কাজীরহাট ডিগ্রি কলেজে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
কলেজ চত্ত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি কেন্দ্রীয় ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ, ৮নং কেরালকেতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার ও কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ এসএম সহিদুল আলম, কাজীরহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, কলেজ শিক্ষকদের পক্ষে প্রভাষক সুরাইয়া ইয়াসমিন রতœা, শিক্ষার্থীদের পক্ষে আলমগীর হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের দাতা সদস্য আব্দুল হামিদ, হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রধান শিক্ষক শামসুল হকসহ সুধীবৃন্দ, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলোওয়াত করেন কলেজের ছাত্র আব্দুল মতিন ও গীতা পাঠ করেন নয়ন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক ইদ্রিস আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না শ্রীলঙ্কার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শুরু হওয়ার আগে কোনও কারণে ফ্লাডলাইট ব্যবহার করা যাবে না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাই মেঘাচ্ছন্ন বিকেলে যখন ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৩১ ওভারে জিম্বাবুয়ানদের টার্গেট দাঁড়াল ২১৯, তখন কোনোভাবে সেটা প্রতিহত করতে পারেনি রেকর্ড জুটিতে ৩০০ রান করা শ্রীলঙ্কা।

চার ম্যাচ শেষে ৪ উইকেটে জিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ২-২ ব্যবধানে। আগামী ১০ জুলাই সোমবার হাম্বানতোতার এ মাঠে হবে শেষ ম্যাচ, যেখানে নির্ধারণ হবে কার হাতে উঠছে সিরিজের শ্রেষ্ঠত্ব?

শনিবার মাহিন্দা রাজাপক্ষ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। শুরুটা ছিল অসাধারণ। নিরোশান ডিকবিলা ও দানুশকা গুনাথিলাকার উদ্বোধনী জুটি গড়েন ৩৫.২ ওভারে ২০৯ রান। টানা দুই ম্যাচে কোনও জুটির ‘ডাবল সেঞ্চুরি’র কীর্তি ওয়ানডেতে এটাই প্রথম।

ডিকবিলা সেঞ্চুরি করলেও গুনাথিলাকা তিন অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। ১০১ বলে ৮৭ রানে ম্যালকম ওয়েলারের শিকার তিনি। এ জিম্বাবুয়ান অফ স্পিনার পরের ওভারে ফেরান ডিকবিলাকে। ১১৮ বলে ১১৬ রানের সেরা ইনিংস খেলেন লঙ্কান ওপেনার। শেষদিকে ম্যাথুজের ৪০ বলে ৪২ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। ৫০ ওভারে স্বাগতিকরা করে ৬ উইকেটে ৩০০ রান।

ক্রিস এমপোফু ও ওয়েলার জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন।

জিম্বাবুয়ে জবাব দিতে নামলে ইনিংসের মাঝপথে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। প্রায় ঘণ্টাখানেক বৃষ্টিতে মাঠ ছিল ঢাকা। তখন ২১ ওভারে জিম্বাবুয়ানদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৯ রান। যখন আবার খেলা শুরু হয় তখন ডাকওয়ার্থ লুইসের হিসাব নিকাশ চলে যায় সফরকারীদের অনুকূলে। শেষ ৬০ বলে তাদের দরকার ছিল ৮০ রান, যেটা আরও ৩ উইকেট হারিয়ে অর্জন করেছে জিম্বাবুয়ে। ক্রেইগ আরভিন ৫৫ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে অপরাজিত ছিলেন ৬৯ রানে।

শুরু থেকে জিম্বাবুয়ে ছোটখাটো ঝড় তুলেছে তাদের টপ অর্ডারদের ব্যাটে। সলোমন মির ৩০ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৪৩ রান করেন। ২৩ বলে ৫ চারে ৩০ রান করে তারিসাই মুসাকান্দা। শেষদিকে ওয়েলার ১৩ বলে ২০ রান করে জয়টাকে আরও দ্রুত করেন। ২৯.২ ওভারে ৬ উইকেটে তারা করে ২১৯ রান।

শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘মৌসুমী একজন বয়স্ক অভিনেত্রী’, কথাটি বলেন দেশের প্রধান জনপ্রিয় খল অভিনেতা ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি মিশা সওদাগর।

শনিবার (৮ জুলাই) বিকালে বিএফডিসিতে নায়ক ফেরদৌসের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে উপস্থিত একদল সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে কথায় কথায় এমনটাই বললেন মিশা। তবে মৌসুমী সম্পর্কে বলতে গিয়ে ‘বয়স্ক’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে বেশ ডিপ্লোমেটিক উত্তর দেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
তিনি বলেন, ‘‘তার প্রতি ‘সম্মান’ জানানোর জন্যই ‘বয়স্ক’ কথাটি বলেছি। অন্যকিছু নয়। মানে তিনি অনেক ‘সিনিয়র’ অভিনেত্রী। সেই ১৯৯২ সালে ‌‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে শুরু করেছেন। অনেকদিন ধরেই ইন্ডাষ্ট্রিতে কাজ করছেন। ফলে উনি সব বিষয়েই জানেন, বোঝেন।’’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মিশা সওদাগরের এই কথোপকথনের কারণ ছিল সমিতির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মৌসুমীর শপথ গ্রহণ না করা এবং পদত্যাগ প্রসঙ্গে। কেন মৌসুমী শপথ নেননি? কিংবা তার পদ কি খালিই থেকে যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিশা সওদাগর বলেন, ‘দেখুন উনি কলেজ পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা (নির্বাচন) দিয়েছেন। পাশও করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আনফরচুনেটলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি। তার মানে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (শিল্পী সমিতি) ছাত্রীই নন। কারণ তিনি শপথ গ্রহণ করেননি। যিনি আমাদের ছাত্রী নন তাকে নিয়ে তো আগ বাড়িয়ে ভাবনার কিছু নেই। হুম এটা ঠিক উনি বয়স্ক একজন অভিনেত্রী। উনাকে আমরা সম্মান করি।’

এদিকে মৌসুমী সম্পর্কে এমন কথোপকথনের পর পরই ৮ জুলাই সন্ধ্যায় বিএফডিসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন নায়ক ফেরদৌস। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান সভাপতি মিশা সওদাগর।
এদিকে সম্প্রতি একই পদে নির্বাচিত হয়েও শপথ না নিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
অন্যদিকে নির্বাচনের পর যৌথ প্রযোজনার ছবির অনিয়ম নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন শিল্পী সমিতিসহ ১৮টি সংগঠন। কিন্তু ফেরদৌস নিয়মিত যৌথ প্রযোজনার ছবিতে কাজ করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি নতুন শিল্পী সমিতিতে যোগদান বিষয়ে এতদিন কিছু বলেননি। সব মিলিয়ে অনেকে ধারণা করেছিলেন, ফেরদৌস বোধহয় মৌসুমীর মতোই কমিটিতে আসছেন না। তবে আজ, ৮ জুলাই হঠাৎ শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সেই শঙ্কা কেটে গেল।
এদিকে শপথ গ্রহণ শেষে ফেরদৌস বললেন, ‘আমরা কেউ যৌথ প্রযোজনার চচলচ্চিত্রের বিপক্ষে নই। আমরা নিয়ম মেনে কাজ করার পক্ষে। আর বিদেশে থাকার কারণে এতদিন আমার শপথ নেওয়ার সুযোগ হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তিন বছরের শিশু অহনা আফজাল। কাঁদছিল অনবরত। তবে কান্নার সঙ্গে তাঁর চোখ দিয়ে পানি নয়, বেরিয়ে আসছিল টাটকা রক্ত। আর সেই রক্তে ভেসে যাচ্ছিল অহনার সারা মুখ।

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদ শহরের বাসিন্দা অহনার এই ‘রক্তকান্না’ দেখে ভয় পেয়েছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসকরাও। তাঁরা জানান, ছোট্ট অহনা ‘হেমাটিড্রোসিস’ নামে এক বিরল রোগে আক্রান্ত। রোগটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা নেই বললেই চলে।

অহনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ১৯ মাস আগে অহনা জ্বরে আক্রান্ত হয়। সেই প্রথম অহনার নাক থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে। তার বাবা-মা বিষয়টি স্থানীয় চিকিৎসককে জানালেও তিনি রোগ ধরতে পারেননি। অহনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে রোগের প্রকোপও। পরে নাক, মুখ, চোখ এমনকি গোপনাঙ্গ দিয়েও রক্তপাত শুরু হয়।

এরপর বিভিন্ন হাসপাতালের খ্যাতনামা চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় অহনাকে। সেখানেই ধরা পড়ে তার রোগ।

অহনার বাবা মহম্মদ আফজল ও মা নাজিমা বেগম জানান, ছোটবেলায় নিউমোনিয়া হয়েছিল অহনার। তার পর থেকেই তার এই সমস্যা। সন্তানের এই রোগের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু উপকার পাননি।

এদিকে তেলেঙ্গানার হাসপাতালের চিকিৎসক সিরিশ কুন্তল জানিয়েছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীর থেকে ঘামের মতোই রক্ত ঝরে। তবে চিকিৎসার ফলে অহনার শরীর থেকে রক্তপাতের পরিমাণ আনুপাতিক হারে অনেকটাই কমে গেছে।

চিকিৎসক আরো জানান, ‘হেমাটিড্রোসিসে’ আক্রান্ত হলে শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে আঘাত ছাড়াই রক্ত বের হতে থাকে। সাধারণত চোখ, মুখ ও নাক দিয়েই রক্ত বের হয়। বিরল হলেও সাধারণত প্রাণঘাতী নয় রোগটি। তবে খুব বেশি মানসিক চাপ হলে নাক, মুখ বা চোখ দিয়ে বের হতে থাকে টাটকা রক্ত। ফলে রোগীর শরীরে রক্তের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। প্রয়োজনে বাইরে থেকে শরীরে রক্তও দিতে হয়। আর এই রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

এখন ভারতের তেলেঙ্গানা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ছোট্ট অহনার। কিন্তু তার বাবার সামান্য আয়ে দুষ্কর হয়ে পড়েছে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া। ফলে বাধ্য হয়ে মুহম্মদ আফজাল মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে চিঠি লিখেছেন তেলেঙ্গানা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে সি রাও ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest