সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

ভারতের লোকসভা থেকে ছয় কংগ্রেস সাংসদকে বহিষ্কার করেছেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। সোমবার লোকসভায় জিরো আওয়ার চলাকালীন ওয়েলে নেমে তুমুল বিক্ষোভ করছিলেন সাংসদরা।

বহিষ্কৃতরা হলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী, গৌরব গগৈ, সুস্মিতা দেব, রঞ্জিত রঞ্জন এবং কে সুরেশ।

স্পিকার সুমিত্রা বার বার তাদের আসনে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা ফিরে যাননি। উল্টো কাগজ ছিঁড়ে স্পিকারের আসনের দিকে ছুড়ে মারেন সাংসদরা।

স্পিকারের আসনের জন্য ওই আচরণ অবমাননাকর জানিয়ে ছয় সাংসদকে সুমিত্রা মহাজন পাঁচদিনের জন্য বহিষ্কার করেছেন।

সোমবার শুরু থেকেই লোকসভায় হইচই করছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষকে গণহারে নির্যাতনের পর খুন করা সত্ত্বেও সরকার চুপ করে বসে থাকার অভিযোগে অবিলম্বে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার দাবি করেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে।

জিরো আওয়ারে গোলমাল আরও বেড়ে যায়। সাংসদরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তার পরই কঠোর সিদ্ধান্ত নেন স্পিকার। আনন্দবাজার পত্রিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শৌচালয় নির্মাণের টাকা নেই?‌ তাহলে ঘরে বউ রেখে লাভ কী?‌ বিক্রি করে দিন বরং!‌‌‌ পরামর্শ বিহারের ঔরঙ্গাবাদের জেলা শাসক কানওয়াল তনুজের।

‘‌স্বচ্ছ ভারত অভিযান’‌–এর সপক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন তিনি। গ্রামবাসীদের শৌচালয় নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা বোঝাচ্ছিলেন। সেখানেই এমন বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জেলা শাসক বলেন, ‘‌সামর্থ্য থাকলে মহিলাদের সম্ভ্রম রক্ষা করুন। দরিদ্র বলে অজুহাত দেবেন না!‌ কতই বা দরিদ্র যে ১২,০০০ টাকা খরচ করার ক্ষমতা নেই?‌ আপনার স্ত্রীর মূল্য কি ১২,০০০ টাকার কম?‌ তাহলে হাত তুলুন দেখি!‌ এমন কোনও পুরুষ আছেন কি, যিনি ১২,০০০ টাকার বিনিময়ে নিজের স্ত্রীর সম্ভ্রম বিক্রি করতে রাজি?‌’‌ তাঁর কথা শুনে এগিয়ে আসেন এক গ্রামবাসী। শৌচালয় নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ তাঁর কাছে নেই বলে জানান। তা শুনে কানওয়াল চটে ওঠেন জেলা শাসক। বলেন, ‘‌এ ব্যাপারে আপনার সঙ্গে পরে কথা বলব। কই আগেভাগে টাকা হাতে এলে তো ভাবেন না?‌ তখন অন্য প্রয়োজন মেটান। এই যদি মানসিকতা হয়, তাহলে স্ত্রীকে বরং বিক্রি করেই দিন।’‌

প্রধানমন্ত্রীর ‘‌স্বচ্ছ ভারত অভিযান’‌–এর অনুকরণে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ‘‌হর ঘর নাল কা জল,’‌ এবং ‘‌শৌচালয় নির্মাণ, ঘর কা সম্মান’‌ প্রকল্প চালু করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাতে ২০১৯ সালের মধ্যে রাজ্যের শহর ও গ্রামগুলিতে শৌচালয় নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ করতে, দুঃস্থ পরিবারগুলিকে ১২,০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা স্থির হয়। সেই প্রকল্প সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি করতে ঔরঙ্গাবাদের ওই সভায় যোগ দিয়েছিলেন কানওয়াল তনুজ। তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : কোমর পানি ডিঙিয়ে অফিস করছেন তারা। কারণ বান হোক তুফান হোক কর্মস্থলে যেতেই হবে। প্রবল বৃষ্টি কিংবা জোয়ার এলে সবাইকে এ সমস্যার মোকাবেলা করতে হচ্ছে। কিন্তু দিনের পর দিন তো এভাবে চলে না।
এমতাবস্থায় উপায় একমাত্র নৌকা। সেই সমস্যা নিরসনে এই বর্ষা মৌসুমে একটি নৌকা কিনেছে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৪ কর্তৃপক্ষ।
আগ্রাবাদ সিডিএ-১ নম্বর সড়কে হাতেখড়ি স্কুলের বিপরীতে কর অঞ্চল-৪ এর কার্যালয়। সেখান থেকে আগ্রাবাদ মূল সড়কের কাছে ভ্যাট অফিসে যাওয়া আসার কাজেই এই নৌকায় যাতায়াতের সুবিধা নিচ্ছেন কর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি আয়কর দিতে আসা নাগরিকদেরও এই নৌকায় চড়তে দেখা গেছে।
এছাড়া অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে রহিম ম্যানশনের ছয়তলা ভবনটির সামনের সড়কটি নিয়মিতই কোমর থেকে হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। যে কারণে বাধ্য হয়েই নৌকা কিনতে হয়েছে তাদের।
এ অঞ্চলে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার প্রায় প্রতিটি সড়কের নিয়মিত দৃশ্য এটি। কোনো সড়কে কোমর পানি, কোনোটিতে হাঁটু পানি ওঠে।
এ এলাকায় কর্মরত সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগ্রাবাদ বাদামতলী এলাকায় নেমে সিডিএ এলাকার ভ্যাট অফিসের সামনে এসে পানির কারণে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে রিকশা নিতে হয়।
প্রতিদিনের এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দুই সপ্তাহ আগে লাল রঙের নৌকাটি কেনার কথা স্বীকার করেন কর অঞ্চল-৪ এর কমিশনার আহমেদ উল্লাহ। তিনি বলেন, প্রায় প্রতিদিনই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও করদাতাদের আসা-যাওয়াসহ দাফতরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এজন্যই নৌকাটি কেনা হয়েছে।
তিনি জানান, দুই সপ্তাহ আগে চট্টগ্রামের কুমিরা এলাকা থেকে প্রায় ২৬ হাজার টাকায় নৌকাটি কেনা হয়। যাত্রী নেয়ার পর নৌকাটিকে কর অফিসের একজন দারোয়ান ঠেলে অথবা দাঁড় বেয়ে চালিয়ে নিয়ে যান।
আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকায় বিভিন্ন ভবনে চট্টগ্রামের আয়কর বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলের কার্যালয় রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা নিয়মিতই এ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
কর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন, এ এলাকার জলাবদ্ধতা শুধু বৃষ্টির কারণে নয়, রৌদ্রোজ্জ্বল দিনেও জোয়ারের পানিতে সড়ক ডুবে যায়। ফলে আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা তালায় রাজমিস্ত্রীদের মিলনমেলা, বিক্রয় ও বিপন্ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্মাণ শ্রমিকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা ও উপহার বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪জুলাই) বিকালে তালাস্থ মেলা বাজারে মের্সাস জায়েদ এন্টার প্রাইজর উদ্দ্যোগে ও দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের (ফাইভ রিংস) সহযোগিতায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল কাশেম সরদার। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস (ফাইভ রিংস) ডিজিএম মো. জসিম উদ্দীন হাওলাদার।
ফাইভ রিংস’র এরিয়া ম্যানেজার মো. জসিম উদ্দীন’র পরিচলনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ফাইভ রিংস উর্দ্ধতন ব্যবস্থাপক মো. মিরাজ হোসেন, এরিয়া অফিসার ফারুক হোসেন, মের্সাস জায়েদ এন্টার প্রাইজ’র সত্বাধিকার এস.এম. নুরুল ইসলাম, ম্যার্কেটিং অফিসার উজ্জল হোসেন, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা শেষে রাজমিস্ত্রীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নতুন আইকন প্লেয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন টাইগারদের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। পূর্বের তালিকায় ছিল সাত আইকন এবার নতুন করে যুক্ত হলেন মোস্তাফিজ। চলমান বিপিএলে আট দল থাকায় আইকনও আটজন নির্ধারন করা হয়েছে।

আজ সোমবার মোস্তাফিজকে আইকন ক্রিকেটার হিসেবে ঘোষণা দিলো বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। রাজধানীর কল্যাণপুরে একমি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক এ ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং বিসিবি পরিচালক আফজালুর রহমান সিনহা, আকরাম খান, জালাল ইউনুস প্রমুখ।

আগের সাত আইকনরা হলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল খান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির হোসেন ও সৌম্য সরকার।

ইতোমধ্যে ৫টি ফ্রাঞ্চাইজি আইকন ক্রিকেটারের নাম লিখিতভাবে তাদের কাছে জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসমাইল হায়দার মল্লিক। যদিও এই ৫টি দলের নাম জানাননি তিনি। বাকি তিনটি ফ্রাঞ্চাইজিও খুব দ্রুত আইকন ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করবে বলে জানা যায়।

এবারের আসরে রংপুরে রাইর্ডাসের নাম লিখিয়েছেন কুমিল্লার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মতুর্জা। আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে খেলবেন তামিম ইকবাল। এদিকে সাকিব আল হাসানকে ঢাকা আর মাহমুদউল্লাহকে ধরে রেখেছে খুলনা টাইটান্স। তবে বরিশাল ছেড়ে মুশফিকের সম্ভাব্য গন্তব্য এবার রাজশাহীতে।

বাকি চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বাকি আছে। আইকন হিসেবে বাকি আছে সৌম্য, সাব্বির এবং মোস্তাফিজ। শোনা যাচ্ছে, মোস্তাফিজ খেলবেন চিটাগাং ভাইকিংস, সাব্বির রহমান সিলেট এবং সৌম্য সরকার খেলবেন বরিশাল বুলসের হয়ে। যদিও এখনও এটা নিশ্চিত নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু সাতক্ষীরার মুক্তা মনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় চলতি মাসের নয় তারিখে। ব্যথায় কাতরানো সেই মুক্তা মনির হাতের পোকাগুলো কামড়ানো বন্ধ হয়েছে বলে জানান তার বাবা ইব্রাহীম হোসেন।

তিনি বলেন, তুলোনামূলক ভাবে আমার মেয়ে আগের থেকে একটু সুস্থ। ব্যাথা কমেছে, কিন্তু যখন রক্ত দেয় তখন ব্যাথা আবার বাড়ে। রক্ত দেওয়ার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মনি মুক্তা ব্যাথায় কাতরাচ্ছে।
মুক্তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমাদের চোখে এখনো ভালো নাই। কোন কিছুই বলা যাচ্ছেনা। আমাদের যা কিছু করার আমরা করছি, এখন বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।
অপারেশনের কথা জানতে চাইলে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, মুক্তার শারীরিক উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত অপারেশনের কথা ভাবাই যাবেনা।

মনি মুক্তার বাবা বলেন, সাহায্য সবাই করছে, এখন সবাই আমার মেয়েটার জন্য দোয়া করবেন। ও যেন সুস্থ হয়ে স্কুল যেতে পারে হিরা মনির সাথে।

সম্প্রতি মুক্তামনির এই বিরল রোগ নিয়ে ডেইলি সাতক্ষীরাসহ দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাকে ঢাকায় নিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার উদ্যোগ নেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি। এরপর মুক্তামণির চিকিৎসার দায়ভার গ্রহণ করেনে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

সকাল বিকাল মুক্তাকে দেখতে আসেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডাক্তাররা। একে একে ঘুরে যাচ্ছেন মেডিকেল বোর্ডের অন্য সদস্যরাও। শিশু মুক্তামনির বাবা সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানি ইব্রাহীম হোসেন। তার দেশবাসীর কাছে একমাত্র চাওয়া সবাই যেন আমার অসুস্থ মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে নামাজান্তে দোয়া করে। আমি যেন আমার মেয়েটাকে আবারও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ফিরে পাই। এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শরীরের জন্য আদার উপাদান অনেক। শরীরের জন্য আদা খাওয়া অনেক ভালো। কেননা আদায় রয়েছে অনেক গুণাগুণ। চিকিৎসকরা প্রায়ই বলেন আদা খাওয়ার জন্য। তাছাড়া সেই সঙ্গে এটাও বলে থাকেন সব অবস্থায় আদা খাওয়া উচিত নয়। আদা যদি শরীরের জন্য উপকারী হয় তাহলে আবার নিষেধ কেন? আসুন যেনে নেয়া যাক কোন সমস্যায় আদা এড়িয়ে চলবেন।

১। পেশীর স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ও হজমে সাহায্য করতে আদা খাওয়া খুবই উপকারী। কারণ, আদার মধ্যে এমন অনেক পদার্থ থাকে। প্রেগন্যান্সিতে বেশি আদা খেলে তা পেশীর সংকোচন ঘটিয়ে প্রিটার্ম লেবরের সম্ভাবনা থাকে। তাই অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আদা খান।

২। আদা আমাদের শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। ওবেসিটি বা ডায়াবেটিসের সমস্যায় তাই আদা খুবই উপকারি। আবার হিমোফিলিয়ার সমস্যা থাকলে আদার এই গুণ নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে। হিমোফিলিয়া বংশগত ডিজঅর্ডার। হিমোফিলিয়ার ওষুধের সঙ্গে আদা খেলে তা ওষুধের প্রভাবে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

৩। কারো যদি হাইপারটেনসন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে আদা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভাল। আদা রক্তকে পাতলা করে রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। তাই সাধারণ ভাবে আদা খাওয়া উপকারি হলেও ইনসুলিনের মতো ওষুধের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে আদা।

৪। আপনি যদি ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করে থাকেন তা হলে আদাযুক্ত খাবার বা আদা চা খাওয়া এড়িয়ে চলুন। আদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। যা পাকস্থলীর পিএইচ মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে পৌষ্টিকতন্ত্রকে উত্তেজিত করে তোলে।

তাছাড়া কোন সমস্যায় পড়লে ডাক্তারের পরামর্শ করে আদা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গ্রীষ্মকালীন সবজি হলেও প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায় ঢেড়স। জনপ্রিয় সবজিগুলোর মধ্যে ঢেড়স অন্যতম। ঢেড়স শুধু সবজিই নয় আছে অনেক পুষ্টিগুণও। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ফসফরাস এবং ভিটামিন এ,বি এবং সি। আয়োডিনের অভাবে সৃষ্ট গলগন্ড, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিন্ডের দুর্বলতা প্রতিরোধে ঢেড়স খুবই উপকারি একটি সবজি। এছাড়াও এই সবজির অন্যান্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-

১. কোলেস্টেরল কমায়:
বাজে কোলেস্টেরল কমায় ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন, যা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।

২. শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে:
ঢেড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়স বেশ উপকারী।

৩. রক্তচাপ কমায়:
ঢেড়স রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকলে কালো জামের বীজ চূর্ণ করে এক গ্রাম পরিমাণ চূর্ণের সাথে তিন-চারটে কচি ঢেড়স সেদ্ধ পানির সঙ্গে ক’দিন খেলে ব্লাড সুগার কমে যাবে।

৪. কাশি দূর:
ঢেড়স খেলে খুসকুসে কাশির উপকার হয়। সেক্ষেত্রে বীজ ফেলে দিয়ে কয়েকটি কাঁচা ঢেঁড়স রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। পাঁচ/ছয় গ্রাম ঢেড়সের শুকনা গুঁড়া আর চিনি দিয়ে বড়ি বানাতে হবে। বড়ি চুষে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাওয়া যাবে।

৫. প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ দূর:
ঢেড়স প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ দুর করতেও সহায়ক। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলেও অনেক সময় প্রস্রাবের পরিমাণ কম হতে পারে। এমনটি হলে বীজ ফেলে দিয়ে ৩/৪টা কাঁচা ঢেড়স আধা সের পরিমাণ পানিতে সেদ্ধ করুন। পানি অর্ধেক পরিমাণ থাকতেই নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পিচ্ছিল পানি খেলে প্রস্রাব সরল হয় এবং পরিমাণেও বেড়ে যায়। কয়েকদিন এই পানি খেলে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের সমস্যা দূর হয়।

বাংলাদেশে ঢেড়স কেবল সবজি হিসেবেই খাওয়া হয়। কিন্তু কোনো কোনো দেশে ঢেড়সের পাতাও সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে যাদের হজম শক্তি তেমন ভালো নয়, তাদের এ উপকারী সবজিটি বেশী খাওয়া উচিত নয়। ভারতে পরিষ্কার গুড় তৈরির জন্যে আখের রসের সঙ্গে ঢেড়সের শেকড় ও কান্ড ব্যবহার করা হয়। তুরস্কে এর বীজ কফির বিকল্প হিসেবে খাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest