আসন্ন জি-২০ সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন না বলে জানিয়েছে চীন।

সিকিম সীমান্তে ভারত তাদের কাজে বাধা দিচ্ছে এমন অভিযোগে চীন এই ঘোষণা দিয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তবে তারা সম্মেলনে যোগ দেয়া অন্য নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

যদিও ভারতের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই দুই নেতার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে তারা এখনও নিশ্চিত নয়। সম্মেলনে যোগ দেয়ার লক্ষ্যে গত রাতেই হামবুর্গ এ গেছেন নরেন্দ্র মোদি।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সিকিম সীমান্তে চীনের নির্মাণ করা একটি সড়কের কাজ বন্ধের জন্য গত জুনে সেনা মোতায়েন করে ভারত। চীনের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ডংলাং অঞ্চলে ঢুকে সড়ক নির্মাণ কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা সেনা প্রত্যাহারের জন্য বার বার ভারতকে সতর্কও করেছে।

তারা আরও জানায়, এই অঞ্চলে সেনা মোতায়েন করে ভারত ১৮৯০ সালের সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে। তাই সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে না।

তবে ভুটান বলছে, বিতর্কিত এই জায়গাটি তাদের অধিভূক্ত। হিমালয়ের নিকটবর্তী এই জায়গাটি ত্রি-মোড় যেখানে তিব্বত, ভারত এবং ভুটান মিলিত হয়েছে।

সূত্র বলছে, এই এলাকা নিয়ে ভারত এবং চীন মুখোমুখী অবস্থানে রয়েছে। আর চীনের সর্বশেষ ঘোষণা তাদের কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির শোভনালী ইউনিয়নের বাশিরামপুর গ্রাম থেকে ৪শ ১০কেজি গম জব্দ করেছে থানাপুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই আব্দুর রাজ্জাক ওই গ্রামের সুবোল মন্ডলের পুত্র অনাদি মন্ডলের বাড়ী থেকে ১১টি বস্তায় মোট ৪শ ১০কেজি গম জব্দ করে থানা হেফাজতে নেয়। পরিষদ থেকে গম সরানো হয়েছে বলে এলাকায় প্রচার হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এলাকাবাসির মধ্যে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ম. মোনায়েম হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান- ঈদ উপলক্ষ্যে আমার ইউনিয়নে ৬হাজার ৬’শ কার্ডের বিপরীতে ৮৭ হাজার ৫শ৯৫ কেজি গম বরাদ্দ ছিল। জনসংখ্যার হার বিবেচনা করে অন্যান্য ওয়ার্ডের মত ১নং ওয়ার্ডে ৬’শ কার্ডের জন্য ৭ হাজার ৯শ ৬২কেজি গম বরাদ্দ হয়। ৫ও ৬ জুলাই দুদিন সকল মেম্বরের উপস্থিতিতে পরিষদ চত্বরে মাস্টাররোল করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গম বিতরণ করা হয়েছে। গম কিভাবে সেখানে পৌছালো এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- গরীবের প্রাপ্য তাদের হাতে পৌছে দেয়ার পরে তারা সেগুলি কি করল সেটা আমার বিষয় নয়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বর দিলীপ মন্ডল জানান, যে গম কিনেছে সে আমার আত্মীয় বিধায় আমার বিরোধী পক্ষ আমাকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এব্যাপারে অনাদি মন্ডল ফোনে জানান- আমি নিজেও একজন কার্ডধারি ব্যক্তি। গম তুলতে যেয়ে দেখি দুরের লোক অনেকেই পানি-কাদায় গম বহন করে নেয়ার ভয়ে কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছে। আমি তাদের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে গম ১১২৫০টাকা দিয়ে কিনেছি। নিজে খাবার জন্যে ও গলদা চিংড়ির খাবারের জন্য। তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে, জব্দকৃত গম গুলি কম দামে পেয়ে কিনেছে। এব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোঃ বেলাল হোসেন : বাড়ির উপর যেন সাপের রাজত্ব চলছে। ঘটনাটি ঘঠেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের বালুই গাছা গ্রামের মোঃ ছাত্তার খানদারের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার রাত ১২টার দিকে মোঃ ছাত্তার খানদারের মায়ের হাতের উপর একটি পদ্দগোখরা সাপ উঠে এবং সে সাপটিকে মেরে ফেলে। সকালে তার ছেলে মোঃ ইসমাইল (১৬) ঘরের মেঝেতে আরো একটি সাপ দেখতে পায় এবং সেটিও মেরে ফেলে। পরে তার পিতা ঘরের মেঝের মাটি খুড়তে খুড়তে একাধারে ৫৬টি সাপ বেরিয়ে আসে এবং ৫০টি ডিম সেখান থেকে উদ্ধার করে। এঘটনা পর একজন সাপুড়িকে আনা হলেও সেখান থেকে বড় ধরনের কোনো সাপ খুজে পাওয়া যায় নি। বর্তমানে বাড়িটির চারপাশে জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। এব্যাপারে ইসমাইল বলেন, এতগুলো সাপ আমাদের বাড়িতে অথচ আমরা জানতাম না। আমাদের পরিবারের কাউকে কোনো ক্ষতি করিনি এ সাপে। বর্তমানে পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কে বিরাজ করছে।

 

মো : বেলাল হোসেন : ডেইলি সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির একজন ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জার্মানির বার্লিনে ‘বেওয়াচ’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেখানেই দেখা হয়ে যায় তার নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। মোদির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সাক্ষাতের একাধিক ছবি সংবাদমাধ্যমেও আসে। পরে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কারণ মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় প্রিয়াঙ্কার পরনের পোশাক ছিল খুবই ছোট।

এমন ছোট পোশাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ? সমালোচনার তীর স্রোতের বেগে গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কিন্তু এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। বরং একই কায়দায় মা মধু চোপড়ার সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রকাশ করেছেন।

এবার মধু চোপড়া সেই বৈঠকে প্রিয়াঙ্কার খাটো পোশাকের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, আমি আমার মেয়েকে শিখিয়েছি, ভুল না করলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রিয়াঙ্কা সেদিন (মোদির সঙ্গে দেখা হওয়ার সময়) ‘বেওয়াচ’র প্রচারে যাচ্ছিলেন। আচমকাই তার সঙ্গে মোদির দেখা হয়ে যায়। সেইসময় পোশাক বদলে এসে মোদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া বৈঠকটিও পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না। পুরোটাই আচমকা ঘটে যায়।

জার্মানির বার্লিনে ‘বেওয়াচ’ ছবির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেখানেই দেখা হয়ে যায় তার নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। মোদির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সাক্ষাতের একাধিক ছবি সংবাদমাধ্যমেও আসে। পরে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কারণ মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় প্রিয়াঙ্কার পরনের পোশাক ছিল খুবই ছোট। এমন ছোট পোশাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ? সমালোচনার তীর স্রোতের বেগে গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কাকে। কিন্তু এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। বরং একই কায়দায় মা মধু চোপড়ার সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রকাশ করেছেন। এবার মধু চোপড়া সেই বৈঠকে প্রিয়াঙ্কার খাটো পোশাকের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, আমি আমার মেয়েকে শিখিয়েছি, ভুল না করলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রিয়াঙ্কা সেদিন (মোদির সঙ্গে দেখা হওয়ার সময়) ‘বেওয়াচ’র প্রচারে যাচ্ছিলেন। আচমকাই তার সঙ্গে মোদির দেখা হয়ে যায়। সেইসময় পোশাক বদলে এসে মোদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া বৈঠকটিও পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না। পুরোটাই আচমকা ঘটে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গোপন স্থানে অনেক নাগরিককে আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বৃহস্পতিবার এইচআরডব্লিউর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবৈধভাবে শত শত লোককে আটক করেছে, যাদের মধ্যে বিরোধী দলের বহু নেতাকর্মী রয়েছে। তাদের গোপন স্থানে আটকে রাখা হয়েছে। এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত গুমের এই ব্যাপকতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সুরাহা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জিজ্ঞাসার যথাযথ জবাব দেওয়া। এ ছাড়া মানবাধিকারের এ ধরনের গুরুতর লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

‘‘‘সে আমাদের কাছে নেই’ : বাংলাদেশে গোপন স্থানে আটক ও গুম’’ শীর্ষক ৮২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ৯০ জন লোক গুমের শিকার হয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ বা মাস গোপন স্থানে আটকে রাখার পর তাদের বেশির ভাগকেই আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এইচআরডব্লিউর অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, ওই ৯০ জনের মধ্যে ২১ জনকে আটকের পর হত্যা করা হয়েছে। আর ৯ জনের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

এইচআরডব্লিউর দাবি, গুম হওয়া ৯০ জনের মধ্যে বিরোধীদলীয় আলোচিত তিন রাজনীতিকের সন্তান রয়েছে, যাদের ২০১৬ সালের আগস্টের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তুলে নেওয়া হয়। ছয় মাস গোপন স্থানে আটক রাখার পর তাদের একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি দুজন এখনো নিখোঁজ। এ ছাড়া ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ৪৮ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের আটকে রাখার গোপন স্থানগুলোতে ব্যাপক নির্যাতন ও বাজে আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব বিষয় নিয়ে এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে নথিবদ্ধ ও প্রকাশিত হওয়ার পরও সরকার আইনের শাসনের কোনো তোয়াক্কা না করে এ ধরনের ঘৃণ্য চর্চা চালু রেখেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : হে নূতন দেখা দিক আরবার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ’ ফুলের শুভেচ্ছা ও পুষ্প বৃষ্টির মধ্য দিয়ে বর্ণিল আয়োজনে ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের নতুন শিক্ষার্থীদের নবীণবরণ ও কলেজের দ্বিতল একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ এ.এইচ.এম মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি’র সভাপতিত্বে নবীণবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বক্তব্যে বলেন, ‘একটি দেশের সার্বিক উন্নতি নির্ভর করে সুশিক্ষিত জনগোষ্ঠির উপর। এর মূল ভিত্তি হল মানসম্মত যুগোপোযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যত জাতীর মেরুদন্ড। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, বর্তমান জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়কে একটি আধুনিক মানসম্মত ও আইটি নির্ভর বিশ^বিদ্যালয় হিসেব গড়ে তোলার জন্য অবিরাম প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য নবাগত শিক্ষার্থী সহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা প্রয়োজন। তাই তোমাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে। শুধু ছেলেদেরকে শিক্ষিত করলে হবেনা মেয়েদেরকেও শিক্ষিত করতে হবে। শিক্ষার মান কমেনি। শিক্ষায় অনেক উন্নতি হয়েছে। ইউনেসকোসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা বলছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নে বাংলাদেশ রোল মডেল। তিনি আরো বলেন, ছেলেমেয়েদের জঙ্গিবাদের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করতে হবে। জঙ্গিবাদীরা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের বিপথগামী করছে। এরা জাতিকে সর্বনাশের পথে চালিত করার চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’ সংসদ সদস্য প্রথমে সাংসদের নিজ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ অর্থায়নে কলেজের দ্বিতল একাডেমিক ভবনের ফলক উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজ পরিচালনা পরিষদের বিদ্যুৎসাহী সদস্য সাহানা মহিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা মুহসিনুল ইসলাম,অভিভাবক সদস্য মো. জাকির হোসেন, মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী প্রমুধ। এসময় কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থী ও কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক শরীফ আহমদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আমি খুব আশ্চর্য হব না যদি অদূর ভবিষ্যতেই কোনও বাঙালি পরিবারে দেখা যায় – শ্যামবর্ণ, ‍খর্বকায়, খুব সাধারণ দেখতে বাবা মায়ের সন্তানের গায়ের রঙ ধবধবে ফর্সা, ৬ ফিট লম্বা, নীল চোখ।
অন্যান্য রাজ্যেও হয়তো দেখা যাবে ‍বাবা মা ভারতীয় হলেও ঘরে ঘরে ককেশিয়ান বা ‍ইউরোপিয়ান চেহারার কোনও সন্তান ভূমিষ্ঠ হচ্ছে।
আবার ‍উল্টোটাও হয়তো ঘটছে, কারণ ‍ইউরোপ ও আমেরিকায় নাকি ভারতীয় শুক্রাণুদাতার চাহিদা বাড়ছে।
আসলে দিন কয়েক আগে ‍একটি খবর পড়ে আমার ‍এমনটা মনে হচ্ছে। খবরে বলা ছিল ‘উচ্চ শিক্ষিত’ পুরুষের শুক্রাণু‍ চাই। আর ডিম্বাণুর জন্য প্রয়োজন সুন্দরী মহিলা।
এমনিতে বন্ধ্যাত্ব বা অন্য শারীরিক কারণে স্বাভাবিক ভাবে যে সব নারী পুরুষের বাবা মা হওয়ার সুযোগ কম, পিতৃত্ব ও মাতৃত্বের অভাব মেটাতেই তাঁরা সন্তান লাভের জন্য স্পার্ম ব্যাঙ্কয়ের দারস্থ হন।
প্রথম দিকে ‍ইচ্ছুক বাবা মা’দের প্রধান চাহিদাই ছিল সন্তান যেন সুস্থ ও সবল হয়। সেই হিসেবে শুক্রাণুদাতা ও ডিম্বাণুদাত্রীর নীরোগ ও সম্পূর্ণ সুস্থতাই ছিল বিচার্য। কিন্তু ‍এখন দেখছি সেই চাহিদাতেও বদল ঘটছে।
ভারতের বিভিন্ন শহরে কয়েক দশক আগে বন্ধ্যাত্ব’র কারণে নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তান চাহিদা মেটাতেই গড়ে ওঠে ফারটিলিটি ক্লিনিক ‍‍এবং স্পার্ম ও ‍এগ তথা শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যাঙ্ক। এবং বন্ধ্যাত্ব পৃথিবীর নানা দেশের মতো ভারতেও ক্রম বর্দ্ধমান হওয়ায় সমস্ত রাজ্যেই ফারটিলিটি ক্লিনিক বাড়ছে। বাড়ছে শুক্রাণুদাতা ও ডিম্বাণুদাত্রীর চাহিদাও।
আমার মনে পড়ে যাচ্ছে, ‘ভিকি ডোনার’ সিনেমাটির কথা। যেখানে দেখেছিলাম ‍একটি ফারটিলিটি ক্লিনিকের ডাক্তার নিঃসন্তান দম্পতির জন্য হন্যে হয়ে ‍একজন স্মার্ট স্বাস্থ্যবান যুবক খুঁজে বেড়াচ্ছেন।
কিছুতেই রাজি না হওয়ায় – ডোনার হওয়া যে ‍’একটা মহৎ সামাজিক কাজ’ – তা নানা ভাবে সেই যুবক তথা নায়ককে বুঝিয়ে শেষ পর্যন্ত স্পার্ম ডোনার হতে তাকে রাজি করিয়েছিলেন।
এখন অবশ্য ধরে বেঁধে নয়, অনেকেই যেমন উপযাচক হয়ে ‍’মহৎ কাজ’-এর উদ্দেশ্যে শুক্রাণু দান করছেন, তেমনি কেউ দিচ্ছেন টাকা রোজগারের জন্য।
তবে অনেক শুক্রাণু ও ডিম্বাণু গ্রহীতার মনে ‍ইদানীং যেন এই ভাবনা চলে আসছে যে, সন্তান যখন তৈরি‍ই করা হবে, তাহলে যেমন চাই ঠিক তেমনটাই বা পাবো না কেন? আর ওই ভাবনার হাত ধরেই ‍ইচ্ছুক বাবা মায়ের মনে ‍উঁকি দিয়ে যাচ্ছে, কখনও ‍ইউরোপীয় চেহারা কখনও বা সুন্দর ও মেধাবী সন্তানের আকাঙ্ক্ষা।
‍চাষিরা যেমন ভাল ফসলের আশায় ‍উন্নত মানের বীজ মাটিতে পোঁতেন। ঠিক তেমনি হবু বাবা মা’ও যেন মেধাবী সন্তানের খোঁজে ‍উচ্চ শিক্ষিত পুরুষের বীজ তথা শুক্রাণু খুঁজে বেড়াচ্ছেন।
তাঁদের বিশ্বাস ‍উচ্চ শিক্ষিত বা কৃতী পুরুষের শুক্রাণু থেকে জাত সন্তানও মেধাবী বা কৃতী হবে। কৃতী মানে ডাক্তার, ‍ইঞ্জিনিয়ার, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ‍ইত্যাদি। তার জন্য বেশি দাম দিতেও পিছপা নয় গ্রহীতারা।
এমনও ঘটেছে যে, ‍একজন ইচ্ছুক চার্টার্ড অ্যাক্যাউন্টেন্ট শুক্রাণু গ্রহীতা নাকি কেবল তাঁর সমপেশার দাতারই শুক্রাণু খুঁজে বেড়াচ্ছেন। বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, তাঁর বদ্ধমূল ধারণা তাঁর সন্তানও ভবিষ্যতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টই হবে।
আসলে জিনের মধ্যে যে প্রফেশনের কোনও দলিল লেখা থাকে না, যা ‍উত্তরাধিকার সূত্রে তাঁদের সন্তানেও তা বর্তাবে সেই ব্যাপারে অজ্ঞতাই তাঁদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে।
তবে ডিম্বাণুর ক্ষেত্রে মেয়েদের সৌন্দর্যই যেন ‍একমাত্র মাপকাঠি।
ইচ্ছুক গ্রহীতারা ভাবছেন সুন্দরী মেয়ের কাছ থেকে পাওয়া ডিম্বাণুর জিন’এ নিশ্চয়ই সৌন্দর্যের বারতা লেখা থাকবে, যার দৌলতে সন্তানও হবে সুন্দর।
হায়, মেধাবী সন্তান জন্মের জন্য নারীর তবে কোনও অবদান নেই? নারী মানেই তবে মেধাহীন বা কম মেধার মানুষ? আর যত মেধার সত্ত্ব লুকিয়ে থাকে ওই পুরুষেরই জিন’এ?
আমার মনে হচ্ছে ‍এই ‘কু’-বিশ্বাসের পরম্পরা আমাদের সমাজে এতটাই দৃঢ়মূল যে, সেই কারণেই গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও ‍এই ‘উচ্চ শিক্ষিত’-এর শুক্রাণুর চাহিদা হু হু করে বেড়ে চলেছে।
অবশ্য এও বোঝা যাচ্ছে যে, চাহিদা অনুযায়ী জোগান কম, বিশেষ করে ওই ‘‍উচ্চ শিক্ষিত’র। ‍তাই আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও ‍এর চাহিদা বা বাজার ‍এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, শুক্রাণুর দামও লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে।
দেশের প্রায় সমস্ত ফারটিলিটি ক্লিনিক জানাচ্ছে যে, গত ৫/৬ বছরে শুক্রাণুর দাম বেড়েছে ৫০%-১০০%। ‍এবং সেখানে ডাক্তারি ও ‍ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রিধারীদের শুক্রাণুর দাম‍ই সব থেকে বেশি।
‘কম শিক্ষিত’ দাতাদের কাছ থেকে যেখানে এক ভায়েল শুক্রাণু ২০০০ টাকায় মিলছে। ‍’উচ্চ শিক্ষিত’দের জন্য প্রতি ভায়েল শুক্রাণুর দাম অনায়াসে উঠে যাচ্ছে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা‍।
দেখে শুনে মনে হচ্ছে বিয়ের বাজারের মতোই ‍ভারতে শুক্রাণুদাতাদের ক্ষেত্রেও ডাক্তার ‍ইঞ্জিনিয়ারের বাজার দর চড়চড়িয়ে বাড়ছে।
আসলে বাজার অর্থনীতিতে তো সবই কমোডিটি। তাই মনে হচ্ছে ‍প্রোডাক্ট, সে সন্তান বা পোশাক যাই হোক না কেন বিনিয়োগের অর্থ যাতে সুদে আসলে ‍উঠে আসে, বিনিয়োগকারীর সতত দৃষ্টি রয়েছে সেখানে।
তাই অর্ডার দিয়ে পছন্দ অনুযায়ী জামা কাপড় বা খাবার কেনার মতোই‍ বেশি অর্থ খরচ করলেই মিলে যেতে পারে ‍সুন্দর মেধাবী সন্তানও।
কিন্তু প্রশ্ন ‍একটা থেকেই যাচ্ছে – এই আব্দার কি সবার মেটানো সম্ভব?
কারণ আমাদের সমাজে নানা কারণে নারী পুরুষের বন্ধ্যাত্ব যে হারে বাড়ছে, তাঁদের সবাই যদি ফার্টিলিটি ক্লিনিকের সাহায্যে নিতে চান ‍এবং সবাই যদি মেধাবী ও দেখতে সুন্দর সন্তানের বাবা মা হওয়ার বাসনা পোষণ করেন, তাহলে তা পূরণ করা কতটা সম্ভব?
তা ছাড়া ভবিষ্যতে জাত গোত্র ঠিকুজি কুলুজি মিলিয়ে যারা ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিতে চান তাঁরাই বা ‘শুদ্ধ’ জাত গোত্র পাবেন কি করে? ততদিনে যে সব ঘেঁটে যাবে।
লেখক: সাংবাদিক, কলকাতা ।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে থাকে ম্যাচটির দিকে। কখন আসবে সেই সময়, ফুটবল উৎসবে গোটা বিশ্ব মিলিত হবে স্পেনের ধ্রুপদী লড়াইয়ে। বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের লড়াই সবসময়ই থাকে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। উত্তেজনার সাগরে এবার ভেসে যাওয়ার উপলক্ষটা আরও বেশি। মৌসুমের শুরুতেই যে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। তাও আবার কিনা চার দিনের মধ্যে মুখোমুখি হবে দুইবার! ‘রিয়াল মাদ্রিদ টিভি’র খবর সত্য হলে ১১ আগস্ট মৌসুমের প্রথম ‘এল ক্লাসিকো’র সাক্ষী হবে ফুটবল বিশ্ব।

স্প্যানিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা আসেনি এখনও। যদিও ‘রিয়াল মাদ্রিদ টিভি’র খবর ১১ আগস্ট সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা-রিয়াল। স্প্যানিশ সুপার কাপের লড়াইয়ে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল খেলবে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার বিপক্ষে। ওই ম্যাচের তিন দিন পর মানে ১৪ আগস্ট ন্যু ক্যাম্পের দ্বিতীয় লেগে খেলবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল দুটি।

এর মানে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয়ী রিয়াল উয়েফা সুপার কাপে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলার দুই দিন পরই মাঠে নামবে ‘এল ক্লাসিকো’তে। ৮ আগস্ট উয়েফা ইউরোপা লিগ জয়ী ম্যানইউয়ের বিপক্ষে রিয়াল খেলবে মেসিডোনিয়ায়।

স্প্যানিশ সুপার কাপের আগেই অবশ্য ‘এল ক্লাসিকো’ দেখার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব। ২৯ জুলাই মায়ামিতে বার্সেলোনা-রিয়াল নামবে প্রীতি ম্যাচে। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে স্প্যানিশ সুপার কাপের ম্যাচ দিয়েই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest