সর্বশেষ সংবাদ-
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের একটি মৎস্য ঘের থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের কলবাড়ি গ্রামের একটি মৎস্য ঘের থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।
স্থানীয়রা জানান, সকালে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের কলবাড়ি গ্রামের নিরঞ্জন মিস্ত্রির মৎস্য ঘেরে স্থানীয় এলাকাবাসী অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির লাশটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে, তার লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিদুৎ স্পৃষ্টে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের আর,আর কাদাকাটি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম ময়না খাতুন (২৮)। তিনি ওই গ্রামের আফাজ উদ্দীনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, ময়না খাতুনের স্বামী আফাজ উদ্দীন গতকাল (বৃহস্পবিার) সাতক্ষীরার ওয়ালটন শো রুম থেকে একটি ফিরিজ কিনে নিয়ে যান। ওই ফিরিজটি আজ শুক্রবার সকালে বিদ্যুতের লাইন লাগানো অবস্থায় ভিজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করছিলেন গৃহবধূ ময়না খাতুন। এ সময় হটাৎ অসাবধান বশতঃ বিদ্যুতের তারে ওই ভিজা কাপড় লাগলে ঘটনা স্থলেই বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহিন এ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অহনা। এখানে তার ছদ্ম নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন কিন্তু এখন সেসব বাদ দিয়েছেন। বছর খানেক হল তিনি মাদক গ্রহণ করছেন। প্রথমে সিগারেট দিয়ে শুরু আর এখন ইয়াবা।
অহনা বলছিলেন “বাসায় বাবা মায়ের সাথে সমস্যা। সিগারেট খাওয়া শুরু করলাম। একদিন বন্ধুরা বললো ইয়াবা নে। আমি ভাবলাম দুই-একটা খাবো তারপর ছেড়ে দেবো কিন্তু আমার অবস্থা এমন হলো আর ছাড়তে পারলাম না।”
অহনা মাদকাসক্ত হওয়ার কারণ হিসেবে দাবি করছিলেন বাবা-মায়ের সাথে কলহ এবং তাদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সময় তিনি পাচ্ছিলেন না। একটা পর্যায়ে বন্ধুবান্ধবের সাথে কৌতুহলবশত তিনি মাদক নেন।
বাংলাদেশের মাদক বিরোধী সংস্থা মানস বলছে দেশে প্রায় ৭০ লাখ মাদকাসক্ত ব্যক্তির ১৬ শতাংশই নারী। ঢাকায় আহছানিয়া মিশনে মেয়েদের জন্য একটি আলাদা মাদক নিরাময় কেন্দ্র রয়েছে।
সেখানকার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ইকবাল মাসুদ বলছিলেন স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার একটা প্রধান কারণ পরিবার বা বাবা-মায়ের সাথে ভাল সম্পর্ক না থাকা বা বাবা-মায়ের কাছ থেকে তাদের প্রত্যাশামত সময় না পাওয়া।
মাদক বিরোধী সংস্থা মানস বলছে পাঁচ বছর আগে নারীদের মধ্যে মাদক নেয়ার প্রবণতা ছিল ৫ শতাংশ।
তবে পুরুষদেরকে যতটা সহজে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব বা নিরাময় কেন্দ্রে আনা যায়, মেয়েদের ক্ষেত্রে বিষয়টা বেশ জটিল। ঢাকা আহছানিয়া মিশন বলছে নারীদের মধ্যে ৮৪ শতাংশকে পরিবারের সদস্যদের চাপে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হচ্ছে।
এখন মেয়েরা মূলত কী ধরণের শারীরিক সমস্যায় শিকার হচ্ছে । বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক ড.অরূপ রতন চৌধুরী বলছিলেন যেহেতু মেয়েদের সন্তান জন্ম দানের বিষয় রয়েছে তাই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে একজন মাদকাসক্ত নারী ও তার শিশু।
মি. চৌধুরী বলছিলেন “মেয়েদের পরিবার অত্যন্ত গোপনীয়তা মেইনটেইন করতে চায় যার ফলে চিকিৎসাটা সময় মত হয় না। যখন নিয়ে আসে তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।”
আমার আরো একজনের সাথে কথা হলো যিনি এক বিবাহিত এক সন্তানের মা। তিনিও মাদকাসক্ত। কারণ হিসেবে তার অভিযোগ স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়াতে, হতাশাগ্রস্ত হয়ে তিনি এক পর্যায়ে মাদক গ্রহণ করতে শুরু করেন।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ইকবাল মাসুদ বলছেন দাম্পত্য কলহের কারণে অনেক গৃহিণী মাদকাসক্ত হচ্ছেন।
মি. চৌধুরী বলছিলেন “একটা মেয়ে বিয়ের সময় হয়তবা গোপন করে কিন্তু পরে ঠিকই প্রকাশ পায়। এবং সে সন্তান নেয়ার সময় চরম ঝুঁকিতে পরে। হয় অ্যাবরশন হয়ে যায় না হলে বিকলাঙ্গ সন্তান হয়।”
বাংলাদেশের শুধু ঢাকা শহরে নয় দেশর বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকাসক্ত নারীরা মাদক নিরাময় কেন্দ্রে আসছেন।
১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে পনের শতাংশ নারী নানা ধরণের মাদকে আসক্ত বলেও সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। আর এদের ৪৩ শতাংশ নারী সেবন করছেন ইয়াবা।
গবেষকরা বলছেন দিন দিন এই নির্দিষ্ট মাদকটির সহজপ্রাপ্যতার কারণেই এর দিকে ঝুঁকে পড়ছে মেয়েরা।

সূত্র বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল ডেস্ক : সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে সারাবিশ্ব থেকে টাকা জমা রাখার পরিমাণ কমলেও বাংলাদেশ থেকে টাকা রাখার পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৬ সালে এসব ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে টাকা জমা রাখা হয়েছে ৬৬ কোটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় পাঁচ হাজার পাঁচশ ৬৬ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের তুলনায় এর পরিমাণ ১৯ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) প্রকাশিত ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৬’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এসএনবির ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালে আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা রাখার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। ২০১৫ সালে এসব ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে টাকা জমা করা হয়েছিল প্রায় ৫৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় চার হাজার সাতশ ১৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে টাকা জমার পরিমাণ বেড়েছে ১১শ ৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া, ২০০৯ সালের পর থেকে ২০১০ সাল ও ২০১৪ সাল ছাড়া বাকি প্রতিটি বছরেই এসব ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে টাকা জমা রাখার পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০১৬ সালে এসে এসব ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে রাখা টাকার পরিমাণ ২০০৯ সালের তুলনায় চার গুণেরও বেশি।
সার্বিকভাবে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে সবচেয়ে বেশি টাকা জমা হয়েছে যুক্তরাজ্য থেকে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এ ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান, দ্বিতীয় স্থানে ভারত, তৃতীয় স্থানেই রয়েছে বাংলাদেশ। তবে গত এক বছরে ভারত থেকে টাকা জমার পরিমাণ কমে প্রায় অর্ধেক হয়েছে। আর সার্বিকভাবে সারাবিশ্ব থেকে ২০১৬ সালে টাকা জমা হয়েছে আগের বছরের তুলনায় ৩.৪ শতাংশ কম।
ধারণা করা হয়, সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের আগে আগে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা রাখার পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোকেই অগ্রাধিকারভিত্তিতে বেছে নেন আমানতকারীরা। কারণ গ্রাহকদের তথ্যের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসব ব্যাংক অর্থ গোপন করার জন্য নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা সাংবাদিকদের জানান, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনটি কিসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক অবগত নয়। তবে মানি লন্ডারিং রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের টাকা জমা রাখার প্রসঙ্গে বলেন, ‘এসব ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের ধরণ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই।’ তবে অনেকেই এসব ব্যাংকে তাদের মূল্যবান সম্পদ জমা রাখেন এবং টাকা সাধারণত বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে একের পর এক মুসলমানদের পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার সেদেশের নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ বিক্ষোভে নেমেছিলেন।
একটি বেসরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে ২০১৫ থেকে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৩টি এধরণের ঘটনা হয়েছে, যেখানে মুসলমান কোনও ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে মারধর করা হয়েছে।
গত তিনমাসে এধরণের গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৬জন মুসলমানের। এধরণের ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধেই দিল্লিসহ ভারতের নানা জায়গাতেই সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে দিয়ে ‘নট ইন মাই নেম’ নাম দিয়ে প্রতিবাদে নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে কলকাতাতেও।
দক্ষিণ কলকাতার একটি খোলামেলা বিপনি বিতান চত্বরে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়েছিলেন শুধুমাত্র একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা ফেসবুক পোস্ট দেখে। ‘নট ইন মাই নেম’ হ্যাশ ট্যাগও চালু হয়েছে মুসলমানদের চিহ্নিত করে গণপিটুনির ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে।
কলকাতায় যাঁরা এই প্রতিবাদ সমাবেশের উদ্যোগটা নিয়েছিলেন, তাঁদেরই অন্যতম অঞ্চিতা ঘটক বলছিলেন, “চতুর্দিকে যেসব ঘটনা হচ্ছে, তাতে সত্যিই আমরা বিচলিত। আমাদের মনে হচ্ছে দেশে হিন্দুত্বের একটা আগ্রাসন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে খুবই উগ্র জাতীয়তাবাদও তৈরি করা হচ্ছে, যার সঙ্গে আবার হিন্দু ধর্মকে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।”
কলেজ শিক্ষক সম্রাট সেনগুপ্ত বলছিলেন কেন তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মুসলমানদের চিহ্নিত করে গণপিটুনি দিয়ে আহত – এমনকি মেরে ফেলার ঘটনাও খুব বেশী ঘটতে শুরু করেছে।
“একটা শ্রেণীর মানুষের হাতে একরকম ক্ষমতায়ন হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রচন্ড শক্তিশালী মুসলিম বিদ্বেষ আগে থেকেই ছিল। কেন্দ্রে যে দল এখন ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের বলে বলীয়ান হয়ে ওই শ্রেণীর মানুষ নিজেদের বিদ্বেষটাকে উগরে দিতে শুরু করেছে,” বলছিলেন মি. সেনগুপ্ত।
সমাবেশে প্রগতিশীল লেখক-বুদ্ধিজীবি, কবি, গায়ক, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গেই হাজির ছিলেন কলকাতার বেশ কিছু মুসলমান যুবক। তাদেরই একজন মুহম্মদ রাফে সিদ্দিকির কাছে জানতে চেয়েছিলাম সম্প্রতি মুসলমানদের পিটিয়ে মারার যেসব ঘটনা হচ্ছে ভারতে, তাতে তাঁরা কতটা আতঙ্কিত।
মি. সিদ্দিকির কথায়, “পশ্চিমবঙ্গে অন্তত আমাদের সেই ভয়টা নেই। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ বা মধ্যপ্রদেশে আত্মীয়-বন্ধুদের কাছ থেকে যা খবর পাই, তাতে ওরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। গোরক্ষার নাম করে হোক বা অন্য যে কোনও নামেই, কেন্দ্রীয় সরকারের তো দায়িত্ব এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার। এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না, এটা আনএক্সেপ্টেবল।”
ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে গতকাল যে নাগরিক প্রতিবাদ হয়েছে, কলকাতার সমাবেশের খবরও সামাজিক মাধ্যম দিয়েই ছড়িয়েছিল প্রথমে। আইনজীবি অধিরাজ রায় ফেসবুকের একটি পোস্ট দেখেই প্রতিবাদে যোগ দিতে এসেছিলেন।
তিনি বলছিলেন, “এরকম একটা নাগরিক এবং গণতান্ত্রিক জমায়েতের খুব দরকার ছিল, যেখানে কোনও রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক ব্যানার ছাড়া সমাজের নানা মানুষ এক জায়গায় জড়ো হবেন, একটাই দাবী নিয়ে, একটাই বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে। সেদিক থেকে এটা নিঃসন্দেহে একটা ভাল উদ্যোগ।”
ঘটনাচক্রে, প্রতিবাদ সমাবেশগুলি কোনও রাজনৈতিক অথবা অরাজনৈতিক সংগঠন আয়োজন করে নি। কোথাও কোনও সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যানার পোস্টারও ছিল না – একটাই কথা প্রতিবাদে সামিল সকলের বুকে ঝোলানো প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল – নট ইন মাই নেম – যেরকমটা যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদ সভাগুলিতে বলা হত একটা সময়ে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘুম ভাঙেনি মোশাররফ করিমের। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই ডাকাডাকি করছেন স্ত্রী আনিকা কবির শখ। শুধু ডাকছেন না রীতিমতো চিল্লাচ্ছেন। বিরক্তি নিয়ে চোখ খোলেন মোশাররফ। মেজাজ তার খিটমিটে। কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারেননি। বাইরে মোশাররফের মাথা গরম থাকলেও বউ শখের সামনে কিছু বলতে পারে না।
কাহিনিটি নাটক ‘মেজাজম ফরটি নাইন’ এর। গত ঈদে নাটকটির প্রথম অংশ প্রচারিত হয়। দর্শকপ্রিয়তার কথা ভেবেই এবার নির্মিত হয়েছে এর দ্বিতীয় পর্ব।
নাটকটির পার্ট ওয়ান শেষ হয়েছিল শখ ও মোশাররফ করিমের বিয়ের মাধ্যমে। এবার পার্ট টু-তে তাদের সংসার জীবন তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যাবে- মোশাররফ করিম কথায় কথায় খেপে যান কিন্তু তা প্রকাশ করতে পারেন না। যার ওপর খেপে যান সেই ব্যক্তির প্রতি মনে মনে নিজের রাগ ঢালেন।
হামেদ হোসেন নোমানের রচনা ও মিলন ভট্টাচার্যের পরিচালনায় এতে মোশাররফ করিম-শখ ছাড়াও অভিনয় করেছেন সাদিয়া, শিহাব পারভেজসহ অনেকে।
নাটকটি প্রচার হবে আরটিভিতে আজ ৩০ জুন, রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সেরা দল নিয়ে জার্মানি আসেনি রাশিয়াতে। তবু জয় উদযাপন করে চলেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সেমিফাইনালের বাধাও সহজে পেরিয়ে গেছে কনফেডারেশনস কাপে। জার্মানদের বিপক্ষে পাত্তাই পায়নি মেক্সিকো। লিওন গোরেতকার জোড়া লক্ষ্যভেদে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নদের ৪-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জার্মানি। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ চিলি, যারা প্রথম সেমিফাইনালে হারিয়েছে পর্তুগালকে।

সোচির অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ‘তরুণ’ জার্মানি এগিয়ে যায় শুরুতেই। ষষ্ঠ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেন গোরেতকা। বক্সের সামান্য বাইরে থেকে নেওয়া তার মাপা শট খুঁজে নেয় জাল। মিনিট দুয়েক পর আবারও জার্মানদের গোল উদযাপন। স্কোরার সেই গোরেতকাই। ২২ বছর বয়সী এই শালকে মিডফিল্ডারের তাণ্ডবে শুরুতেই ফাইনালের সুবাস পেতে থাকে জার্মানি। টিমো ওয়ার্নারের মাপা ক্রস বক্সের ভেতর ধরে আড়াআড়ি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

প্রথমার্ধ শেষ হয় ওই দুই গোলেই। দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া মেক্সিকো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও উল্টো আরও গোল হজম করে। দলের দ্বিতীয় গোলে সাহায্য করা ওয়ার্নার এবার নিজেও নাম তোলেন স্কোরশিটে। ৫৯ মিনিটে জোনাস হেক্টরের বক্সের ভেতর দেওয়া পাস ফাঁকায় দাঁড়ানো ওয়ার্নারের বল জালে জড়াতে কোনও অসুবিধাই হয়নি।

জার্মানির ফাইনাল যখন নিশ্চিত হয়ে গেছে একরকম, তখন এক গোল শোধ করে মেক্সিকো। ৮৯ মিনিটে দেওয়া মার্কো ফাবিয়ানের গোলটা বড্ড দেরী হয়ে গিয়েছিল কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নদের। ওই গোলটাই যেন আরও তাঁতিয়ে দেয় জার্মানদের। যোগ করা সময়ে তাই আরও একবার লক্ষ্যভেদ করে মেক্সিকোর জালে। গোলদাতা এবার আমিন ইউনিস। তাতে ৪-১ গোলের সহজ জয়ে প্রত্যাশামতো ফাইনালে উঠে যায় ইওয়াখিম ল্যোভের দল।

২ জুলাইয়ের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ চিলি। প্রথম সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে যারা ৩-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালকে। ২০১৪ বিশ্বকাপের মতো তাই ফিফার আরেকটি টুর্নামেন্টে হতে যাচ্ছে ইউরোপ বনাম লাতিন আমেরিকার লড়াই। গোল ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হয়েছে ট্রাম্পের মুসলিমদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় রাত ৮টায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পূর্বে দেওয়া ভিসার ব্যাপারে এই পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর কর্মকর্তাদের।

দায়িত্ব গ্রহণের পর ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সুদানের নাগরিকদের উপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নির্বাহী আদেশ জারি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  দফায় দফায় আদালতে খারিজ হয়ে যাওয়ার পর গত সপ্তাহে তা আংশিক বহালের পক্ষে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সর্বশেষ রায় অনুযায়ী শুধুমাত্র ‘ঘনিষ্ঠ’ আত্মীয় থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন এই ছয় দেশের নাগরিকরা। চাচা, চাচী, ভাতিজা, ভাতিঝি কিংবা দাদা-দাদীকে ‘ঘনিষ্ঠ’ আত্মীয় হিসেবে এই রায়ে বিবেচনা করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড মিলিব্যান্ড এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক ও অমানবিক বলেছেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাদী-নারী ও বাবা-মা ছাড়া সন্তানকে নিষেধাজ্ঞায় ফেলা অমানবিক। তাদের রক্ষা করার মার্কিন প্রতিশ্রুতি পরিপন্থী এই সিদ্ধান্ত।’

ট্রাম্প প্রশাসনের আপিলের প্রেক্ষিতে আদালত ওই নিষেধাজ্ঞা আংশিক বহাল রেখেছেন। সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন বিদেশিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।আগামী অক্টোবরে এ বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest