সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

Mpকলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফল্লাহ।
রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, কলারোয়া পৌরসভার মেয়র গাজী আক্তারুল ইসলাম, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আলহাজ্ব আবু নসর, কলারোয়া ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার আবুল হোসেন, কলারোয়া হাসপাতালের আরএমও ডা.শফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতির সভাপতি সাইফল্লাহ আজাদ, কলারোয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান, সেকেন্ড অফিসার ইয়াচিন আলম চৌধুরী, এসআই হাসানুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রকিব, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহকারী প্রধান শিক্ষক বদরুজ্জামান, পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা, শিক্ষক নেতা মোস্তফা বাকী বিল্লাহ শাহী, কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মন্জুরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ ক্লাবের সকল সদস্য।
দোয়া পরিচালনা করেন কলারোয়া থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা আসাদুজ্জামান ফারুকী। আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন আইনজীবী এড. কাজী আব্দুল্লাহ আল হাবিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Dhulihar News picture Disappeared-----17.06.17ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা পূর্বপাড়া গ্রামের মানসিক প্রতিবন্ধী মোমিনুর রহমান নিখোঁজ হয়েছে। সে মোঃ গাউস মোড়লের পুত্র। তার বয়স ১০ বছর। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। মোমিনুর রহমানের গায়ের রং-শ্যামলা, মুখমন্ডল-গোলাকার, উচ্চতা-অনুমান ৪ ফুট, শরীর স্বাস্থ্য-মাঝারি, পরনে ছিল খয়েরি রংয়ের হাফ প্যান্ট ও খয়েরি রংয়ের গেঞ্জি। তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা থানার জি,ডি,নং-৯১৫, তাং-১৭/০৬/১৭ ইং। মোমিনুর রহমানের কোন খোঁজ পেলে এই মোবাইল ০১৭৭৮-৯৫৬৭৩৩ নম্বরে জানানোর জন্য তার পিতা সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

NAZRULনিজস্ব প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের আলোচিত সেই জায়গা অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তিন ব্যবসায়ী ফিরে পেয়েছে। গত বুধবার দুপুরে জায়গা ফিরে পেয়ে ঐ তিন ব্যবসায়ী নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক তহশীলদার রফিকুল ইসলামের যোগসাজসে সাবেক সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা পারভীনকে ভুল বুঝিয়ে গত ইং ৫/০৯/২০১৬ তারিখে তরকারী বাজার থেকে ৫ ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেতকৃত ব্যবসায়ীরা হলো ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের মৃত শুকুর আলী গাজীর পুত্র মো: কেরামত আলী, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী গাজীর পুত্র মো: সাজ্জাত হোসেন, ধুলিহর বালুইগাছা গ্রামের মৃত অধর চন্দ্র পালের পুত্র বীরেন্দ্র নাথ পাল, কাজীরবাসা গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র আনারুল ইসলাম ও একই গ্রামের মৃত বাকের আলী সরদারের পুত্র মো: ময়নুদ্দীন।
অভিযোগ আছে, নায়েব রফিকুল ইসলাম ওই সমস্ত অস্থায়ী দোকান ঘর বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে কয়েকজন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে গ্যাড়াকলে পড়ে সবার টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করে নায়েব রফিকুল। এ সব কিছুর যথেষ্ট প্রমাণ ও রয়েছে। এসব ঘটনার জের ধরে ওইসব ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে ধুলিহর তহশীলদার। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই জায়গা দখলে নিতে নায়েবের সাথে যোগসাজস করে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির কতিপয় ৩ কর্মকর্তা। এতেও নায়েব রফিকুল মোটা অংকের টাকার ফায়দা লোটে। এরই ফলশ্রুতিতে ওই জায়গা থেকে ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। এসব বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে নায়েব রফিকুলকে গত ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী করা হয়। এদিকে ওই ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের পর তারা পুনরায় জায়গা ফিরে পেতে বিভিন্ন মহলে ধর্না দিতে থাকে। এরই মধ্যে উচ্ছেদকৃত জায়গায় সরকারি আইন অমান্য করে লাল ফিতা ছিড়ে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম ও কোষাধ্যক্ষ শেখ ফারুক হোসেন মিলে ৪ ব্যবসায়ীকে বসিয়ে দেয়। এদের মধ্যে ২ জন পূর্বে উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে। তবে সরকারি উচ্ছেদকৃত জায়গায় বসিয়ে দেওয়ার শর্তে ৩ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাজার কমিটির ওই ৩ কর্মকর্তা ৬০ হাজার হাজার টাকা গ্রহন করেছে বলে লিখিত স্বীকারোক্তি রয়েছে। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জায়গা না দিয়ে অন্যের কাছে এসব জায়গা বরাদ্দ দেওয়ায় বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিজেদের দখলীয় জায়গা বঞ্চিত হওয়ায় জায়গা ফিরে পেতে প্রকৃত ব্যবসায়ী সাজ্জাত, কেরামত ও বীরেন্দ্র নাথ পাল প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেয়। এতে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে শেষমেষ তারা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের দ্বারস্থ হয়। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ী ও উচ্ছেদকৃত জায়গার মালিকদের বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে একাধিকবার সুপারিশও করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। সর্বশেষ গত ৯ জুন জায়গা বঞ্চিত ওই ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা জানালে তাৎক্ষনিক বিষয়টি অতি দ্রুত নিষ্পত্তি ও সমাধানের জন্য ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলামের উপর দায়িত্ব দেন। গত বুধবার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান জায়গা সংক্রান্ত জড়িত উভয়পক্ষকে ডেকে শুনা-বুঝা করলে জায়গাটি উচ্ছেদকৃত ওই ৩ ব্যবসায়ীর বলে নিশ্চিত হয়। এ সময় চেয়ারম্যান জায়গার প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীদের উক্ত জায়গায় ব্যবসা করার নির্দেশ দেন। বাজারের অধিকাংশ দোকানদার উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ীরা জায়গা ফিরে পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ ও সাধুবাদ জানিয়েছে। এদিকে চেয়ারম্যানের নিকট উপস্থিত লোকজনের সামনে ব্যবসায়ী অরবিন্দু মন্ডল, আনারুল ইসলাম ও ময়নুদ্দীন জানায়, তারা এই ৩ জনে মিলে বাজার কমিটির নেতা রশিদ, ছালাম ও ফারুকের কাছে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা দিয়েছে। অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে বসানো হয়েছিল। এ ব্যাপারে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম জানান, টাকা লেন-দেন হয়েছে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে এটা ঠিক, কিন্তু সেটি তৎকালীন নায়েব নিয়েছে, আমরা শুধু মাধ্যম ছিলাম। ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস এম শহিদুল ইসলাম জানান, টাকা লেন-দেনের ব্যাপারে তারা নিজেরা পরিষদে এসে স্বীকারোক্তিসহ লিখিত দিয়েছে। জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মীমাংসা হয়ে গেছে। টাকা লেন-দেন নিয়ে পরে নিষ্পত্তি করা হবে। এদিকে উচ্ছেদকৃত ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে জায়গা ফিরে পেয়ে আনন্দ ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

umij653w20160103170814নিজস্ব প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর নিমতলার চোরাঘাটটি জেলার শীর্ষ চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কোমরপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে ৪০০গজ দক্ষিণের এই চোরা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য নির্বিঘেœ পারাপার করছে চোরাকারবারিরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রশাসন নীরব থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালানীরা।
দেবহাটার কোমরপুর নিমতলা চোরাঘাট দিয়ে প্রতিরাতে হাজার হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ভারতীয় মদ, গার্মেন্টস সামগ্রী, থ্রি-পিচ, শাড়ি, প্যান্ট শার্টের পিচ ও নিম্মমানের গলদার রেনু ভারত থেকে পাচার হয়ে আসছে। বাংলাদেশ থেকে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, গার্মেন্টস সামগ্রী, পিতল কাসা, পাবদা, কৈ, জেল মাছের পোনা ভারতে পাচার হচ্ছে। প্রতি রাতে ট্রাক, পিকআপে করে এইসব পণ্য নিমতলা ঘাট দিয়ে সতের থেকে বিশটি নৌকায় করে পারাপার করছে সত্তর জনের একটি চোরাচালান সিন্ডিকেট। এলাকাবাসী বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বৃহৎ চোরাচালানী হচ্ছে।
আলিপুর নাথপাড়া এলাকায় বিজিবি হত্যার অন্যতম চার্জশিটভুক্ত আসামি এক ইউপি মেম্বর ও তার ভাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভূক্ত শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারী, এদের নেতৃত্বে সত্তর জনের এই সিন্ডিকেট নির্বিঘেœ চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেট এর অন্যতম সদস্য ইউপি মেম্বরের মামাত ভাই গয়েষপুর গ্রামের আনারুলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিজিবিকে ম্যানেজ করার এবং ভারত থেকে যে নিম্মমানের চিংড়ি পোনা (ছাটি) পাচার হয়ে আসছে সেগুলো কুলিয়া ও পারুলিয়ার মৎস্যশেডে নির্বিঘেœ পৌছে দেয়া। বাংলাদেশ থেকে যে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও গার্মেন্টস সামগ্রী ভারতে পাচার হয় এবং ভারত থেকে যে থ্রিপিচ, শাড়ি, প্যান্ট ও শার্টের পিচ, মাদকদ্রব্য পাচার হয়ে আসে এর দায়িত্বে আছে ঐ ইউপি মেম্বরের ভাই শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারি। শহরের আলিশান বাড়িতে বসবাস করে জেলার রাজনৈতিক নেতাদের ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সবার মাথার উপর ছড়ি ঘুরিয়ে নির্বিঘেœ প্রতিরাতে লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য পারাপার করছে।
গয়েষপুর গ্রমের আনারুলের সাথে মোবাইলে কথা বললে সে জানায়, আমি অন্য কোন পণ্য পারাপারের সাথে জড়িত নয় শুধু চিংড়ি পোনা পারাপারের সাখে জড়িত। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই পোনা পাচারের ব্যবসা করে আসছি। সিন্ডিকেট প্রধান বিজিবি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ঐ ইউপি মেম্বর আমার ফুফাত ভাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পূর্নবাসিত ভিক্ষুকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ইফতারপূর্ব নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ম্যানেজারসহ প্রায় শতাধিক পূর্নবাসিত ভিক্ষুকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের মুয়ার্জ্জিন হাফেজ মহিবুল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC044নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ২১তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজনদের  সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ২১ রমজান শহরের অভিজাত চায়না বাংলা রেস্টুরেন্টে-এ সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ইফতারের আগে তিনি প্রতিটি  টেবিল ঘুরে ঘুরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে কুশল বনিময় করেন এবং উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ইফতার মাহফিলে অংশ নেন- সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, এনএসআই’র উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকি, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, একি মিত্র চাকমা, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, জেলা সুপার আবু জাহেদ, জেলা মহিলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোন্সা আরা, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম খান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মীর তানজীর আহমেদ, পৌর কাউন্সিলর অনিমা রাণী ম-ল, কাজী ফিরোজ হাসান, শাহীনুর রহমান শাহিন, এপিপি তামিম আহমেদ সোহাগ, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদুসহ সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদ, শহিদ জাতীয় চার নেতা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Ifterনিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা আমতলাস্থ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম রিফাত আমীন, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা. মোখলেছুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অহেদুজ্জামান, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা সুলতানা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ, জেলা আ. লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আবু আহমেদ, এড. এস এম হায়দার, জেলা আ. লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আ. লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক সাহাদত হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও খলিষখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, পৌর আ.লীগের যুগ্ম-সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবিব অয়ন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রামীণ মানুষের একটি অতিপরিচিত ফলের নাম “করমচা”। এটি খেতে টক হলেও কাচা অবস্থায় এই ফলটি সবুজ, আর পাকলে রক্তের মতো লাল হয়। কাটাযুক্ত গুল্মজাতীয় এই ফলটির রয়েছে বহু পুষ্টিগুণ।
তবে, গ্রামীণ এই ফলটি এখন অনেকেই শখের বশে বাড়ির ছাদে, বাগানে বা টবে লাগাচ্ছেন। এর ইংরেজি নাম ইবহমধষ পঁৎৎধহঃ বা ঈযৎরংঃ’ং ঃযড়ৎহ.
বিশ্ব কোষ উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, করমচায় ফ্যাট বা কোলেস্টেরল না থাকায় তা ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীদের জন্য খুব ভাল। ওজন কমাতে সাহায্য করা এই ফলটি খাবারে রুচি বৃদ্ধি করে। মৌসুমী সর্দি-জ্বর, স্কাভি, দাঁত ও মাড়ির নানা রোগ প্রতিরোধে ফলটি অতুলনীয়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোসহ গায়ের চুলকানি ও ত্বকের নানা রোগ প্রতিরোধে জুড়ি নেই করমচার। শরীরের দূরণ বহিষ্করণে সহায়তা করে করমচা যকৃত ও কিডনির রোগ প্রতিরোধ ক্ষতমা বাড়ায়। পেটের অসুখ নিরাময়, শরীরের ক্লান্তি দূর, বাতরোগ ও ব্যথা নিরাময়ে কাজ করে করমচা।
এছাড়াও করমচাতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী। করমচা গাছের পাতা সেদ্ধ করে সেই পানি পান করলে কালাজ্বর দ্রুত নিরাময় হয়। করমচা গাছের মূলে রয়েছে হৃদরোগ নিরাময়ী উপকারী ক্যারিসোন, বিটাস্টেরল, ট্রাইটারপিন, ক্যারিনডোনা ও লিগনাম। কাঁচা করমচার রস কৃমিনাশক হিসেবেও খুব ভাল।
উইকিপিডিয়ায় আরও বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় রয়েছে এনার্জি ৬২ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ১৪ গ্রাম, প্রোটিন ০.৫ গ্রাম, ভিটামিন-এ ৪০ আইইউ, ভিটামিন সি ৩৮ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লেভিন .১ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন .২ মিলিগ্রাম, আয়রন ১.৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৬০ মিলিগ্রাম ও কপার ০.২ মিলিগ্রাম।
করমচার বিষয়ে উদ্ভিদবিদ মনিরুল ইসলাম জানান, করমচা একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা থেকে শুরু করে ফল পর্যন্ত পুষ্টিগুণে ভরা। এজন্য বাড়িতে প্রতিবেশীয় ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে করমচা লাগানো যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest